হেলিকপ্টার বিধ্বস্তে নিহত ইরানের প্রেসিডেন্ট ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ।
এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা মেহর নিউজ এজেন্সি।
তবে এখনও আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ করেনি ইরান।
হেলিকপ্টার বিধ্বস্তে ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি, পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমির আব্দোল্লাহিয়ান, পূর্ব আজারবাইজান প্রদেশের গভর্নর মালেক রহমাতিসহ হেলিকপ্টারে থাকা সবাই নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন দেশটির আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা মেহর নিউজ এজেন্সি।
মেয়েদের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার বিরুদ্ধে আমি না, কিন্তু নিচের লেখাটা যে বর্তমান বাস্তব চিত্র তা সত্যি মনে হচ্ছে। আমাদের প্রত্যেকের বোন, ভাতিজি, ভাগনী, সহ আশে পাশের সকল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া মেয়ে শিক্ষার্থীদের অবশ্যই নজরে নজরে রাখা আমার আপনার দায়িত্ব। সবাইকে নিচের লেখাটা পড়ার অনুরোধ করবো।
"প্রজন্মের 'মা' ধ্বংসের মাষ্টার প্লান"
ভার্সিটি পড়ুয়া মেয়েদের একটা অংশ দেহ ব্যবসা করছে। আরেকটা বড় অংশ প্রেমীকের সাথে রুমডেট, মেস, আবাসিক হোটেল, ডার্ক রেস্টুরেন্ট, হাইড আউট, পার্কে যাচ্ছে। আমার নিজের শহরে এরা সংক্রামক ব্যাধির মত ছড়িয়ে পড়েছে।
. আমার এক বন্ধু পড়ালেখার পাশাপাশি আবাসিক এক হোটেলের ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করছে। ওর ডিউটি রাতে। বিশাল বড় হোটেলের কোনো রাতেই খুব একটা রুম ফাঁকা থাকেনা। ও বলছে, বন্ধু বেশিরভাগই ভার্সিটির স্টুডেন্ট। পার নাইট ১৫০০-৫০০০/- পর্যন্ত খরচ করে থাকছে এক রাতের স্বামী-স্ত্রীর মত। বলছে, বেশির ভাগই তো মুখে হিজাব পড়ে আসে,তারপরও যখন আমি ক্যামপাসে যাই তখন অনেকে আমাকে দেখে মুখ ঢেকে চলে যায়। একটা হোটেলের তথ্য, অথচ অসংখ্য হোটেল শহরে!
. আরেকটা অংশ ভার্সিটির খরচসহ লাক্সারিয়াস লাইফ পার করতে এটাকে ব্যবসা হিসেবে নিয়েছে। একটা চক্র দালালের ভূমিকায় কন্টাক্ট করে দেয়। এরকম একজনকে চিনি, আমার কলেজের সিনিয়র যিনি মেসের ছেলেদেরকে চড়া সুদে টাকা ধার দেওয়ার পাশাপাশি কমিশন সিস্টেমে এই দু'নাম্বারি বিজনেস করেন। প্রশাসনের সাথেও এদের কানেকশন শক্তিশালী। যেকারণে হুট করে এদের বিরুদ্ধে দাড়িয়ে টিকে থাকা কঠিন!
. জি আমার প্রিয় অভিভাবকেরা এই হচ্ছে আমার বোন। অর্থাৎ, আপনাদের মেয়েদের অবস্থা! পুরো রমরমা ক্যারিয়ার বানাতে যে পাঠিয়েছেন তার যথাযথ অর্জন করেই আপনার ঘরে ফিরবে।
. অনার্সের বয়সটা এমন যে, কনজারভেটিভ পরিবার থেকে উঠে আসা মেয়েটা ছেলেদের সাথে দীর্ঘ সময় উঠাবসা করে। আর এই বয়সের ছেলেদের তেমন ভয় থাকেনা। তাই এরা নিঃসংকোচে গোপন কথাবার্তা মেয়ে বন্ধুকে ট্রিট করে বলে। এসব শুনতে শুনতে এক সময় মেয়েদের লজ্জা কমে যায়। আর জৈবিক চাহিদা যেহেতু নারী-পুরুষের সব চেয়ে তীব্র ও বড় মাপের চাহিদা তাই ভয়হীন ছেলে আর লজ্জাহীন নারীর জন্য এটা সহজ হয়ে যায়। তাই অবাধে চলছে আপনার মেয়ের যৌন প্রেম অথবা রমরমা যৌন ব্যবসা।
. এখানে বড় পরিতাপের বিষয় হচ্ছে, এই মেয়েগুলো তো সারাজীবন আর এভাবে চলতে পারেনা। ভার্সিটি শেষে একটা পর্যায়ে এদেরই কেউ না কেউ আপনার আমার ঘরে স্ত্রী হিসেবে আসছে। এবং লজ্জাহীন এই নারী তখন স্বামীকে মমতা, প্রেম, তীব্র আবেগানুভূতি দিতে পারেনা। পারেনা সন্তানকে নৈতিকতার শিক্ষা দিতে। এভাবেই প্রজন্মের মায়েরা ধ্বংস হচ্ছে।
. এখন অভিভাবক হিসেবে কি আপনি চান ভার্সিটি ক্যারিয়ারের নামে আপনার কলিজার টুকরো মেয়েটা এভাবে নিজের ইজ্জত বিলিয়ে দিক? অনেকে বলছে বিকল্প অপশন কি? বিকল্প অনেক আছে, কিন্তু আপনার পুঁজিবাদী মস্তিষ্ক বিকল্প দেখতে পায়না, দেখিয়ে দিলেও মানতে পারেনা। কারণ আপনার চাহিদা বস্ত্রহীন, লজ্জাহীন, ইজ্জতহীন রং মাখানো ক্যারিয়ার।
"প্রজন্মের 'মা' ধ্বংসের মাষ্টারপ্লান" পর্বঃ ১ (চলবে...)
ইবনুল জাওযি রাহিমাহুল্লাহ বলেন, “ যখন ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতায় ঘোড়া বুঝতে পারে তার শেষ সীমান অতি নিকটবর্তী, তখন সে নিজের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা দিয়ে দৌড় প্রতিযোগিতায় জেতার আপ্রাণ চেষ্টা চালায়। তুমি একটা চতুষ্পদ জন্তু থেকে বোকা হোয়ো না। নিশ্চিত ভাবেই প্রতিটি কাজের মূল্যায়ন তার সমাপ্তির উপর নির্ভরশীল। তাই তুমি যদি রমাদানের সূচনায় ভালো করতে না পারো তাহলে এর বিদায়ের সময় গুলো থেকে সর্বোচ্চ উপকৃত হতে চেষ্টা কোরো। ”
১. রমাদানের এই দশ রাত সারা বছরের মধ্যে শ্রেষ্ঠ রাত আর এর মধ্যে একটি রাত হাজার মাসের চাইতেও উত্তম। এই সময়ে করা প্রতি কাজের বিনিময় অন্য সময়ের তুলনায় গুনে গুনে বহুগুনে বেশি পাবেন। আমরা যেন এই সময় গুলো থেকে সর্বোচ্চ এডভ্যান্টেজ নিতে চেষ্টা করি। যদি আপনি রমাদানের প্রথম বিশ দিন সেইভাবে প্ল্যানিং অনুয়ায়ী কাটাতে পারেন নি তাহলে আপনার জন্য এই দশ দিন সেটা রিকভার করার জন্য রয়েছে অফুরন্ত সুযোগ। আল্লাহর রাসূল এই সময়ে নিজের পাজামার ফিতা শক্ত করে বেঁধে নিতেন আর সারারাত জেগে ইবাদত করতেন। আমরা ও যেন তাই চেষ্টা করি।
যাদের মুখস্থ নেই মুখস্থ করে নিবেন। ছোট এবং সহজ দুয়া।
২. যেহেতু লাইলাতুল কদরের ডেইট ফিক্সড করে দেওয়া হয়নি।সেক্ষেত্রে লাইলাতুল কদর পেতে হলে শেষ দশকের প্রতিটি রাত জেগে ইবাদত করুন। রাতের ঘুম টোটালি পরিহার করুন। দিনে ঘুমিয়ে পুষিয়ে নিবেন ইনশাআল্লাহ্।
ডিপলি চিন্তা করুন আপনাকে এক রাতে ইবাদাত করার বিনিময়ে হাজার মাসের সওয়াব দেওয়া হবে যা বছরের হিসেবে ৮৪বছর কয়েক মাস। সুবহানআল্লাহ্! আপনি সে ব্যাপারে তেমন সিরিয়াস না! চিন্তা করুন এর বিনিময়ে আপনাকে যদি কেউ এই অফার দিত এক রাতে ইবাদত করার বিনিময়ে কোটি টাকা প্রদান করা হবে সেক্ষেত্রে কি আপনি এমন অলস, নির্বিকার থাকতেন?
প্রকৃতপক্ষে এখনো আমরা আল্লাহর সাথে ব্যবসা বুঝে উঠতে পারে নি।
৩. এই রাতকে ভাগ্যরজনী বলা হয়। আলিমদের মতে এই রাতে বান্দার আগামী এক বছরের তাকদীর লিপিবদ্ধ করা হয়। তাই দুয়ার মাধ্যমে আল্লাহর কাছ থেকে নিজের উত্তম রিযিক,নিজের ব্যাপারে উত্তম ফায়সালা আর নিজের যা কিছু দরকার তা চেয়ে নিতে আমরা যেন ভুল না করি।
৪. যেসমস্ত বিষয় গুলো দুয়া করব সেইটা আগে থেকেই যেন আমরা নোট করে নেই। অনেক সময় আল্লাহর কাছ হাত তুললে দুই তিন মিনিট বলার পর আমাদের দুয়ার আর অবজেক্ট থাকে না। নোট করে নিলে এইটা দুয়া করার ক্ষেত্রে অনেক সহায়ক হবে ইনশাআল্লাহ্।
৫. এই কয়েকটা দিন অন্তত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুক,হোয়াটস এপ,ইমো সহ যাবতীয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে ডিস্টেইন্স মেইন্টেন করে চলার চেষ্টা করি। বিনা প্রয়োজনে ইউটিউব ঘাটাঘাটির বদ অভ্যাস যাদের আছে তারা সেটা ত্যাগ করব ইনশাআল্লাহ্।
৬. মনে রাখবেন এই রাত এত মহিমান্বিত হওয়ার মূল কারণ এই রাতে কুর'আন নাযিল হয়েছে। তাই এই সময়ে বেশি পরিমাণ কুর'আন তিলাওয়াত করবেন। সাথে কুর'আনের তাদ্দাবুর,তর্জমা পড়তে চেষ্টা করবেন। সাথে তাওবাহ, ইস্তিগফার,যিকির তো থাকবেই বিইযনিল্লাহ্।
৭. দুনিয়াবি দৈনন্দিন কাজকর্ম গুলো করার ক্ষেত্রে সবর করুন আর মনে মনে আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনা করুন। নিয়্যাত ঠিক রেখে দুনিয়াবি প্রয়োজনীয় কাজ কর্মে লিপ্ত হলে সেখান থেকে ও মিলবে আল্লাহর সন্তুষ্টি। যথাসম্ভব কাজ গুলোকে সংক্ষিপ্ত করে নিবেন। ভাই বোনেরা, ভুলেও এই সময় মার্কেটে কিংবা শপিং মল অন্য কোথায় ও বের হবেন না।
৮. সংখ্যায় যাই হোক এই দশদিনের সময়ে নিজের দান সদকার হাত প্রসারিত করুন। আপনি তাহলে নিশ্চিত হয়ে যাবেন আপনার দান লাইলাতুল কদরের মধ্যেই হয়েছে বিইযনিল্লাহ্।
৯. যাদের সম্ভব হয় ইতিকাফ করতে পারেন। অনেক ভাই বোন ইতিকাফ করার ইচ্ছা থাকলে ও পড়াশোনা জব বা বিভিন্ন ব্যস্ততায় সম্ভব হয়ে উঠেনি। এইবার সেই প্রেক্ষাপটে অনেকের অফিস, স্কুল, কলেজ,ভার্সিটি বন্ধ সেই ক্ষেত্রে ইতিকাফেরে সিদ্ধান্ত আল্লাহর উপর তাওয়াককুল করে নিয়ে ফেলুন। জীবনে একবার লাইলাতুল কদর নসীব হলে আর কি লাগে বলুন?
১০. নিজে আমল করার পাশাপাশি নিজের ভাই বন্ধু পরিবার সহ সবাইকে উৎসাহিত করুন।এই দশটি দিনকে সিরিয়াসলি নেওয়ার জন্য। আমরা জানিনা আগামী রমাদান আমরা আদৌ পাবো কিনা। চিন্তা করুন কত মানুষ পরিকল্পনা করে রেখেছিল এই রমাদানে গতবারের তুলনায় বেশি ইবাদত করার জন্য অথচ আজ তারা মাটির নিচে। তাদের সেই সুগোটি আর নেই। আমাদের যাদের এখনো সুযোগ আছে আমরা যেন সময় থাকতে তা কাজে লাগাই বিইজনিল্লাহ্।
(১) রমাদানে স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকার প্রজ্ঞাপন জারি এবং বাৎসরিক রুটিনে রমাদানজুড়ে বন্ধ থাকার কথা থাকলেও পরবর্তীতে রমাদানে স্কুল-কলেজ খোলা রাখা।
(২) এক বিশ্ববিদ্যালয়ে সাহরিতে গরুর গোশত রান্নার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা।
(৩) একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ইফতার মাহফিল, ইফতার পার্টি নিষিদ্ধ করা।
(৪) ঢাবির এক সিনেট ভবনে দাঁড়িয়ে, সম্মানের সহিত ভারতের জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া।
(৫) অবশেষে আজকে প্রোডাক্টিভ রমাদান নামক অনুষ্ঠানে ছাত্রদেরকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা।
আজকে মাত্র দ্বিতীয় রমাদান গেল। এই কয়েকদিনের মধ্যেই এতগুলো বড় ঘটনা, ষড়যন্ত্রের বাস্তবায়ন হয়ে গেল এক অদৃশ্য শক্তির ইশারায়। আমাদেরকে কোণঠাসা করতে করতে এখন সামান্য কুরআন তিলাওয়াতের ছোটখাটো অনুষ্ঠানও এক বিশেষ চেতনার লোক সহ্য করতে পারছে না।
বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রিক ষড়যন্ত্র ছাড়াও ব্রাজিল থেকে আমদানিকৃত চিনির গুদামে আগুন, খেজুরকে বিলাসী দ্রব্য হিসেবে অভিহিত করে চড়া শুল্ক আরোপসহ মুসলিমদের জন্য রমাদান মাসটাকে কঠিন করে দেয়ার পেছনে কাদের হাত আছে? একটু ভেবে দেখুন, ভাবার চেষ্টা করুন!
সামনের দিনগুলো ভয়াবহ হতে যাচ্ছে। অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে চুপচাপ বসে থেকে পার পেয়ে যাবেন এমনটা ভাবলে আপনিই সবার আগে মারা পড়বেন! ভারতের অঙ্গরাজ্যে আপনাকে ফুলের মালা দিয়ে স্বাগতম জানানো হবে এমনটা ভাবার কোনো কারণ নেই!
ক্যাপশনটা পড়েছেন? সময়টা আবার খেয়াল করুন। ভোর পাঁচটা। মানুষের উপস্থিতি দেখেছেন? সবাই বিধর্মী? না, আমার-আপনার মতো মুসলিম। কাল বাদে পরশু রমজান। মুসলিম দেশের আয়োজিত কনসার্টে ভোর পাঁচটার উপস্থিতি আপনাকে নাড়িয়ে দিতে পারে।
ফজরের নামাজ নিয়ে এ প্রজন্মের আদিখ্যেতা আমরা কে না জানি? যারা দশটায় উঠে বেড-টি খায়, ভোর পাঁচটায় এমন মজমা জমাতে তাদের সমস্যা হয়নি। সমস্যা শুধু ফজরের নামাজে। সারাক্ষণ যাদের প্যান্ট খারাপ থাকে, তাদের অবশ্য এখানে যেতে প্যান্ট পাল্টাতে হয়নি। সব সমস্যা নিয়েই তারা এখানে হাজির হয়েছে।
আমি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি, আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উজুদ ও দুআর বরকতেই আমরা ধ্বংসের হাত থেকে বেঁচে আছি। নতুবা কবেই আসমান থেকে আগুনের বৃষ্টি আসত। জিবরিল এক পাখা দিয়ে পৃথিবী ওলটপালট করে দিতেন। নতুবা প্রচণ্ড গরম সু-হাওয়া, কবেই আমাদের চামড়া খুলে নিয়ে যেত!
স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে হিন্দু বন্ধুবান্ধবদের সাথে চলাফেরা, খাওয়াদাওয়া করে এসেছি। কখনো কোনো সমস্যা হয়নাই। মুসলমান গরু খায়, হিন্দুরা খায় না। এটা নিয়ে কোনোদিন কোনো কন্ট্রোভার্সি হয়নাই। একই টেবিলে বসে আমি গরু খাইছি, আমার হিন্দু বন্ধু মুরগি খাইছে। আমরা হাসাহাসি, গল্প করে খাওয়াদাওয়া করসি। আমি কোনোদিন মজার ছলেও আমার বন্ধুরে কইনাই, যে তুই গরু খাস না ক্যান, গরুতে কী সমস্যা। যেটা তার নিষেধ, সেটা সে খাবে না, এইটুকু রেস্পেক্ট করতে জানি। আর সেই বন্ধুরাও কখনো উগ্র হয়ে গিয়ে বলেনাই যে আমার সামনে গরু খাইস না। যখন গরুর আইটেম করা হয়, প্রত্যেক অনুষ্ঠানে, মজমায়, হিন্দুদের জন্য মুরগি রান্না করার কথা মুসলমানরে বইলা দেয়া লাগে নাই। এইটাই সম্প্রীতি। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি শত বছর ধইরা এভাবেই আছে।
কিন্তু হঠাৎ করে কী হলো? রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে মুসলমান ছাত্ররা গরু খাবে সেহরিতে, এটা নিয়ে তাদেরকে নেগোসিয়েশনে যাওয়া লাগসে! এবং প্রথমে মানা করা হইসিলো যে সেহরিতে গরু চলবেই না। এখন শুধুমাত্র রমজান মাসের জন্য এলাও করা হইসে। এইযে আল্ট্রা সেন্টিমেন্টালিজমের জন্ম দেয়া হইতেসে ক্যান? এইযে অফেন্ডেড হইতেসে এরা কারা? এদের উদ্দেশ্য কী? এইযে গরু খাইতে মানা করা, এইটা কি মুসলমান ছাত্রদের মনে একটা বিদ্বেষ জন্মাবে না? সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি কি বিনষ্ট হবে না? তাইলে এই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করার কূটচাল কে চালতেসে? এটা তো তদন্ত করা উচিত।
একজন ভালো মুসলমান যেমন গরু খাইতে কোনো হিন্দুরে বাধ্য করে না। একজন ভালো হিন্দুও কোনো মুসলমানের গরু খাওয়ার অধিকার কেড়ে নিতে পারে না। যেসব উগ্র হিন্দু এই কাজ করতেসে, সচেতন হিন্দুদের উচিত তাদেরকে প্রতিরোধ করা। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় থাকুক এই কামনা করি।
Doli's Dairy
হেলিকপ্টার বিধ্বস্তে নিহত ইরানের প্রেসিডেন্ট ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ।
এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা মেহর নিউজ এজেন্সি।
তবে এখনও আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ করেনি ইরান।
হেলিকপ্টার বিধ্বস্তে ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি, পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমির আব্দোল্লাহিয়ান, পূর্ব আজারবাইজান প্রদেশের গভর্নর মালেক রহমাতিসহ হেলিকপ্টারে থাকা সবাই নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন দেশটির আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা মেহর নিউজ এজেন্সি।
1 year ago | [YT] | 2
View 0 replies
Doli's Dairy
মেয়েদের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার বিরুদ্ধে আমি না, কিন্তু নিচের লেখাটা যে বর্তমান বাস্তব চিত্র তা সত্যি মনে হচ্ছে। আমাদের প্রত্যেকের বোন, ভাতিজি, ভাগনী, সহ আশে পাশের সকল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া মেয়ে শিক্ষার্থীদের অবশ্যই নজরে নজরে রাখা আমার আপনার দায়িত্ব। সবাইকে নিচের লেখাটা পড়ার অনুরোধ করবো।
"প্রজন্মের 'মা' ধ্বংসের মাষ্টার প্লান"
ভার্সিটি পড়ুয়া মেয়েদের একটা অংশ দেহ ব্যবসা করছে। আরেকটা বড় অংশ প্রেমীকের সাথে রুমডেট, মেস, আবাসিক হোটেল, ডার্ক রেস্টুরেন্ট, হাইড আউট, পার্কে যাচ্ছে। আমার নিজের শহরে এরা সংক্রামক ব্যাধির মত ছড়িয়ে পড়েছে।
.
আমার এক বন্ধু পড়ালেখার পাশাপাশি আবাসিক এক হোটেলের ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করছে। ওর ডিউটি রাতে। বিশাল বড় হোটেলের কোনো রাতেই খুব একটা রুম ফাঁকা থাকেনা। ও বলছে, বন্ধু বেশিরভাগই ভার্সিটির স্টুডেন্ট। পার নাইট ১৫০০-৫০০০/- পর্যন্ত খরচ করে থাকছে এক রাতের স্বামী-স্ত্রীর মত। বলছে, বেশির ভাগই তো মুখে হিজাব পড়ে আসে,তারপরও যখন আমি ক্যামপাসে যাই তখন অনেকে আমাকে দেখে মুখ ঢেকে চলে যায়। একটা হোটেলের তথ্য, অথচ অসংখ্য হোটেল শহরে!
.
আরেকটা অংশ ভার্সিটির খরচসহ লাক্সারিয়াস লাইফ পার করতে এটাকে ব্যবসা হিসেবে নিয়েছে। একটা চক্র দালালের ভূমিকায় কন্টাক্ট করে দেয়। এরকম একজনকে চিনি, আমার কলেজের সিনিয়র যিনি মেসের ছেলেদেরকে চড়া সুদে টাকা ধার দেওয়ার পাশাপাশি কমিশন সিস্টেমে এই দু'নাম্বারি বিজনেস করেন। প্রশাসনের সাথেও এদের কানেকশন শক্তিশালী। যেকারণে হুট করে এদের বিরুদ্ধে দাড়িয়ে টিকে থাকা কঠিন!
.
জি আমার প্রিয় অভিভাবকেরা এই হচ্ছে আমার বোন। অর্থাৎ, আপনাদের মেয়েদের অবস্থা! পুরো রমরমা ক্যারিয়ার বানাতে যে পাঠিয়েছেন তার যথাযথ অর্জন করেই আপনার ঘরে ফিরবে।
.
অনার্সের বয়সটা এমন যে, কনজারভেটিভ পরিবার থেকে উঠে আসা মেয়েটা ছেলেদের সাথে দীর্ঘ সময় উঠাবসা করে। আর এই বয়সের ছেলেদের তেমন ভয় থাকেনা। তাই এরা নিঃসংকোচে গোপন কথাবার্তা মেয়ে বন্ধুকে ট্রিট করে বলে। এসব শুনতে শুনতে এক সময় মেয়েদের লজ্জা কমে যায়। আর জৈবিক চাহিদা যেহেতু নারী-পুরুষের সব চেয়ে তীব্র ও বড় মাপের চাহিদা তাই ভয়হীন ছেলে আর লজ্জাহীন নারীর জন্য এটা সহজ হয়ে যায়। তাই অবাধে চলছে আপনার মেয়ের যৌন প্রেম অথবা রমরমা যৌন ব্যবসা।
.
এখানে বড় পরিতাপের বিষয় হচ্ছে, এই মেয়েগুলো তো সারাজীবন আর এভাবে চলতে পারেনা। ভার্সিটি শেষে একটা পর্যায়ে এদেরই কেউ না কেউ আপনার আমার ঘরে স্ত্রী হিসেবে আসছে। এবং লজ্জাহীন এই নারী তখন স্বামীকে মমতা, প্রেম, তীব্র আবেগানুভূতি দিতে পারেনা। পারেনা সন্তানকে নৈতিকতার শিক্ষা দিতে। এভাবেই প্রজন্মের মায়েরা ধ্বংস হচ্ছে।
.
এখন অভিভাবক হিসেবে কি আপনি চান ভার্সিটি ক্যারিয়ারের নামে আপনার কলিজার টুকরো মেয়েটা এভাবে নিজের ইজ্জত বিলিয়ে দিক? অনেকে বলছে বিকল্প অপশন কি?
বিকল্প অনেক আছে, কিন্তু আপনার পুঁজিবাদী মস্তিষ্ক বিকল্প দেখতে পায়না, দেখিয়ে দিলেও মানতে পারেনা। কারণ আপনার চাহিদা বস্ত্রহীন, লজ্জাহীন, ইজ্জতহীন রং মাখানো ক্যারিয়ার।
"প্রজন্মের 'মা' ধ্বংসের মাষ্টারপ্লান"
পর্বঃ ১ (চলবে...)
~একরামুল হক আবির
ঈষৎ পরিমার্জিত।
1 year ago | [YT] | 6
View 0 replies
Doli's Dairy
রমাদানের শেষ দশকের জন্য দশটি টিপসঃ
ইবনুল জাওযি রাহিমাহুল্লাহ বলেন,
“ যখন ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতায় ঘোড়া বুঝতে পারে তার শেষ সীমান অতি নিকটবর্তী, তখন সে নিজের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা দিয়ে দৌড় প্রতিযোগিতায় জেতার আপ্রাণ চেষ্টা চালায়। তুমি একটা চতুষ্পদ জন্তু থেকে বোকা হোয়ো না। নিশ্চিত ভাবেই প্রতিটি কাজের মূল্যায়ন তার সমাপ্তির উপর নির্ভরশীল। তাই তুমি যদি রমাদানের সূচনায় ভালো করতে না পারো তাহলে এর বিদায়ের সময় গুলো থেকে সর্বোচ্চ উপকৃত হতে চেষ্টা কোরো। ”
১. রমাদানের এই দশ রাত সারা বছরের মধ্যে শ্রেষ্ঠ রাত আর এর মধ্যে একটি রাত হাজার মাসের চাইতেও উত্তম। এই সময়ে করা প্রতি কাজের বিনিময় অন্য সময়ের তুলনায় গুনে গুনে বহুগুনে বেশি পাবেন। আমরা যেন এই সময় গুলো থেকে সর্বোচ্চ এডভ্যান্টেজ নিতে চেষ্টা করি। যদি আপনি রমাদানের প্রথম বিশ দিন সেইভাবে প্ল্যানিং অনুয়ায়ী কাটাতে পারেন নি তাহলে আপনার জন্য এই দশ দিন সেটা রিকভার করার জন্য রয়েছে অফুরন্ত সুযোগ। আল্লাহর রাসূল এই সময়ে নিজের পাজামার ফিতা শক্ত করে বেঁধে নিতেন আর সারারাত জেগে ইবাদত করতেন। আমরা ও যেন তাই চেষ্টা করি।
এই সময় ব্যাপী এই দু'আ সবচাইতে বেশি পাঠ করবেন।
اللهم إنك عفو تحب العفو فاعفواعني
(আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন,তুহিব্বুল আফওয়া ফা'ফু আন্নি)
যাদের মুখস্থ নেই মুখস্থ করে নিবেন। ছোট এবং সহজ দুয়া।
২. যেহেতু লাইলাতুল কদরের ডেইট ফিক্সড করে দেওয়া হয়নি।সেক্ষেত্রে লাইলাতুল কদর পেতে হলে শেষ দশকের প্রতিটি রাত জেগে ইবাদত করুন। রাতের ঘুম টোটালি পরিহার করুন। দিনে ঘুমিয়ে পুষিয়ে নিবেন ইনশাআল্লাহ্।
ডিপলি চিন্তা করুন আপনাকে এক রাতে ইবাদাত করার বিনিময়ে হাজার মাসের সওয়াব দেওয়া হবে যা বছরের হিসেবে ৮৪বছর কয়েক মাস। সুবহানআল্লাহ্! আপনি সে ব্যাপারে তেমন সিরিয়াস না! চিন্তা করুন এর বিনিময়ে আপনাকে যদি কেউ এই অফার দিত এক রাতে ইবাদত করার বিনিময়ে কোটি টাকা প্রদান করা হবে সেক্ষেত্রে কি আপনি এমন অলস, নির্বিকার থাকতেন?
প্রকৃতপক্ষে এখনো আমরা আল্লাহর সাথে ব্যবসা বুঝে উঠতে পারে নি।
৩. এই রাতকে ভাগ্যরজনী বলা হয়। আলিমদের মতে এই রাতে বান্দার আগামী এক বছরের তাকদীর লিপিবদ্ধ করা হয়।
তাই দুয়ার মাধ্যমে আল্লাহর কাছ থেকে নিজের উত্তম রিযিক,নিজের ব্যাপারে উত্তম ফায়সালা আর নিজের যা কিছু দরকার তা চেয়ে নিতে আমরা যেন ভুল না করি।
৪. যেসমস্ত বিষয় গুলো দুয়া করব সেইটা আগে থেকেই যেন আমরা নোট করে নেই। অনেক সময় আল্লাহর কাছ হাত তুললে দুই তিন মিনিট বলার পর আমাদের দুয়ার আর অবজেক্ট থাকে না। নোট করে নিলে এইটা দুয়া করার ক্ষেত্রে অনেক সহায়ক হবে ইনশাআল্লাহ্।
৫. এই কয়েকটা দিন অন্তত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুক,হোয়াটস এপ,ইমো সহ যাবতীয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে ডিস্টেইন্স মেইন্টেন করে চলার চেষ্টা করি। বিনা প্রয়োজনে ইউটিউব ঘাটাঘাটির বদ অভ্যাস যাদের আছে তারা সেটা ত্যাগ করব ইনশাআল্লাহ্।
৬. মনে রাখবেন এই রাত এত মহিমান্বিত হওয়ার মূল কারণ এই রাতে কুর'আন নাযিল হয়েছে। তাই এই সময়ে বেশি পরিমাণ কুর'আন তিলাওয়াত করবেন। সাথে কুর'আনের তাদ্দাবুর,তর্জমা পড়তে চেষ্টা করবেন।
সাথে তাওবাহ, ইস্তিগফার,যিকির তো থাকবেই বিইযনিল্লাহ্।
৭. দুনিয়াবি দৈনন্দিন কাজকর্ম গুলো করার ক্ষেত্রে সবর করুন আর মনে মনে আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনা করুন। নিয়্যাত ঠিক রেখে দুনিয়াবি প্রয়োজনীয় কাজ কর্মে লিপ্ত হলে সেখান থেকে ও মিলবে আল্লাহর সন্তুষ্টি।
যথাসম্ভব কাজ গুলোকে সংক্ষিপ্ত করে নিবেন। ভাই বোনেরা, ভুলেও এই সময় মার্কেটে কিংবা শপিং মল অন্য কোথায় ও বের হবেন না।
৮. সংখ্যায় যাই হোক এই দশদিনের সময়ে নিজের দান সদকার হাত প্রসারিত করুন। আপনি তাহলে নিশ্চিত হয়ে যাবেন আপনার দান লাইলাতুল কদরের মধ্যেই হয়েছে বিইযনিল্লাহ্।
৯. যাদের সম্ভব হয় ইতিকাফ করতে পারেন। অনেক ভাই বোন ইতিকাফ করার ইচ্ছা থাকলে ও পড়াশোনা জব বা বিভিন্ন ব্যস্ততায় সম্ভব হয়ে উঠেনি। এইবার সেই প্রেক্ষাপটে অনেকের অফিস, স্কুল, কলেজ,ভার্সিটি বন্ধ সেই ক্ষেত্রে ইতিকাফেরে সিদ্ধান্ত আল্লাহর উপর তাওয়াককুল করে নিয়ে ফেলুন। জীবনে একবার লাইলাতুল কদর নসীব হলে আর কি লাগে বলুন?
১০. নিজে আমল করার পাশাপাশি নিজের ভাই বন্ধু পরিবার সহ সবাইকে উৎসাহিত করুন।এই দশটি দিনকে সিরিয়াসলি নেওয়ার জন্য। আমরা জানিনা আগামী রমাদান আমরা আদৌ পাবো কিনা। চিন্তা করুন কত মানুষ পরিকল্পনা করে রেখেছিল এই রমাদানে গতবারের তুলনায় বেশি ইবাদত করার জন্য অথচ আজ তারা মাটির নিচে। তাদের সেই সুগোটি আর নেই। আমাদের যাদের এখনো সুযোগ আছে আমরা যেন সময় থাকতে তা কাজে লাগাই বিইজনিল্লাহ্।
- দাওয়াহ
#Ramadan
#শেষ১০দিন
#Last10Days
t.me/RamadanReminder
1 year ago | [YT] | 11
View 27 replies
Doli's Dairy
❤️❤️
1 year ago | [YT] | 1
View 6 replies
Doli's Dairy
ব্যাপারগুলো নিয়ে একটু সময় নিয়ে ভাবুন।
(১) রমাদানে স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকার প্রজ্ঞাপন জারি এবং বাৎসরিক রুটিনে রমাদানজুড়ে বন্ধ থাকার কথা থাকলেও পরবর্তীতে রমাদানে স্কুল-কলেজ খোলা রাখা।
(২) এক বিশ্ববিদ্যালয়ে সাহরিতে গরুর গোশত রান্নার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা।
(৩) একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ইফতার মাহফিল, ইফতার পার্টি নিষিদ্ধ করা।
(৪) ঢাবির এক সিনেট ভবনে দাঁড়িয়ে, সম্মানের সহিত ভারতের জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া।
(৫) অবশেষে আজকে প্রোডাক্টিভ রমাদান নামক অনুষ্ঠানে ছাত্রদেরকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা।
আজকে মাত্র দ্বিতীয় রমাদান গেল। এই কয়েকদিনের মধ্যেই এতগুলো বড় ঘটনা, ষড়যন্ত্রের বাস্তবায়ন হয়ে গেল এক অদৃশ্য শক্তির ইশারায়। আমাদেরকে কোণঠাসা করতে করতে এখন সামান্য কুরআন তিলাওয়াতের ছোটখাটো অনুষ্ঠানও এক বিশেষ চেতনার লোক সহ্য করতে পারছে না।
বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রিক ষড়যন্ত্র ছাড়াও ব্রাজিল থেকে আমদানিকৃত চিনির গুদামে আগুন, খেজুরকে বিলাসী দ্রব্য হিসেবে অভিহিত করে চড়া শুল্ক আরোপসহ মুসলিমদের জন্য রমাদান মাসটাকে কঠিন করে দেয়ার পেছনে কাদের হাত আছে? একটু ভেবে দেখুন, ভাবার চেষ্টা করুন!
সামনের দিনগুলো ভয়াবহ হতে যাচ্ছে। অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে চুপচাপ বসে থেকে পার পেয়ে যাবেন এমনটা ভাবলে আপনিই সবার আগে মারা পড়বেন! ভারতের অঙ্গরাজ্যে আপনাকে ফুলের মালা দিয়ে স্বাগতম জানানো হবে এমনটা ভাবার কোনো কারণ নেই!
লেখা: Mayraj Hossain ভাই
1 year ago | [YT] | 12
View 24 replies
Doli's Dairy
ভোর ৫টা
কনসার্ট, কুয়েট ক্যাম্পাস
ক্যাপশনটা পড়েছেন? সময়টা আবার খেয়াল করুন। ভোর পাঁচটা। মানুষের উপস্থিতি দেখেছেন? সবাই বিধর্মী? না, আমার-আপনার মতো মুসলিম। কাল বাদে পরশু রমজান। মুসলিম দেশের আয়োজিত কনসার্টে ভোর পাঁচটার উপস্থিতি আপনাকে নাড়িয়ে দিতে পারে।
ফজরের নামাজ নিয়ে এ প্রজন্মের আদিখ্যেতা আমরা কে না জানি? যারা দশটায় উঠে বেড-টি খায়, ভোর পাঁচটায় এমন মজমা জমাতে তাদের সমস্যা হয়নি। সমস্যা শুধু ফজরের নামাজে। সারাক্ষণ যাদের প্যান্ট খারাপ থাকে, তাদের অবশ্য এখানে যেতে প্যান্ট পাল্টাতে হয়নি। সব সমস্যা নিয়েই তারা এখানে হাজির হয়েছে।
আমি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি, আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উজুদ ও দুআর বরকতেই আমরা ধ্বংসের হাত থেকে বেঁচে আছি। নতুবা কবেই আসমান থেকে আগুনের বৃষ্টি আসত। জিবরিল এক পাখা দিয়ে পৃথিবী ওলটপালট করে দিতেন। নতুবা প্রচণ্ড গরম সু-হাওয়া, কবেই আমাদের চামড়া খুলে নিয়ে যেত!
লেখা : সাদিক ফারহান (হাফি.)
1 year ago | [YT] | 7
View 11 replies
Doli's Dairy
স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে হিন্দু বন্ধুবান্ধবদের সাথে চলাফেরা, খাওয়াদাওয়া করে এসেছি। কখনো কোনো সমস্যা হয়নাই। মুসলমান গরু খায়, হিন্দুরা খায় না। এটা নিয়ে কোনোদিন কোনো কন্ট্রোভার্সি হয়নাই। একই টেবিলে বসে আমি গরু খাইছি, আমার হিন্দু বন্ধু মুরগি খাইছে। আমরা হাসাহাসি, গল্প করে খাওয়াদাওয়া করসি। আমি কোনোদিন মজার ছলেও আমার বন্ধুরে কইনাই, যে তুই গরু খাস না ক্যান, গরুতে কী সমস্যা। যেটা তার নিষেধ, সেটা সে খাবে না, এইটুকু রেস্পেক্ট করতে জানি। আর সেই বন্ধুরাও কখনো উগ্র হয়ে গিয়ে বলেনাই যে আমার সামনে গরু খাইস না। যখন গরুর আইটেম করা হয়, প্রত্যেক অনুষ্ঠানে, মজমায়, হিন্দুদের জন্য মুরগি রান্না করার কথা মুসলমানরে বইলা দেয়া লাগে নাই। এইটাই সম্প্রীতি। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি শত বছর ধইরা এভাবেই আছে।
কিন্তু হঠাৎ করে কী হলো? রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে মুসলমান ছাত্ররা গরু খাবে সেহরিতে, এটা নিয়ে তাদেরকে নেগোসিয়েশনে যাওয়া লাগসে! এবং প্রথমে মানা করা হইসিলো যে সেহরিতে গরু চলবেই না। এখন শুধুমাত্র রমজান মাসের জন্য এলাও করা হইসে। এইযে আল্ট্রা সেন্টিমেন্টালিজমের জন্ম দেয়া হইতেসে ক্যান? এইযে অফেন্ডেড হইতেসে এরা কারা? এদের উদ্দেশ্য কী? এইযে গরু খাইতে মানা করা, এইটা কি মুসলমান ছাত্রদের মনে একটা বিদ্বেষ জন্মাবে না? সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি কি বিনষ্ট হবে না? তাইলে এই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করার কূটচাল কে চালতেসে? এটা তো তদন্ত করা উচিত।
একজন ভালো মুসলমান যেমন গরু খাইতে কোনো হিন্দুরে বাধ্য করে না। একজন ভালো হিন্দুও কোনো মুসলমানের গরু খাওয়ার অধিকার কেড়ে নিতে পারে না। যেসব উগ্র হিন্দু এই কাজ করতেসে, সচেতন হিন্দুদের উচিত তাদেরকে প্রতিরোধ করা। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় থাকুক এই কামনা করি।
সবাইকে মাহে রমজানের অগ্রীম মোবারকবাদ।
~ Asif Mahmud ভাইজান
1 year ago | [YT] | 5
View 2 replies
Doli's Dairy
🇪🇭
1 year ago | [YT] | 5
View 0 replies
Doli's Dairy
🧋🧑🍳🧑🍳
1 year ago | [YT] | 0
View 0 replies
Doli's Dairy
খান সাহেব লঞ্চে করে কাপ নিয়ে গেলো।
1 year ago | [YT] | 2
View 0 replies
Load more