All my life, I meet inspiring individuals, learn from them, and share the wisdom I receive from Allah with future generations to help them code a meaningful career in tech.

Currently serving as COO @ Programming Hero & Phitron


Abdur Rakib

জাপানে একটা কনসেপ্ট আছে, নাম ইকিগাই। বাংলায় বলা যায়, বেঁচে থাকার আসল কারণ। এই কনসেপ্টে বলা হয়, চারটা জিনিসের একটা মিলনস্থলে গেলেই একটা মানুষ তার আসল জায়গাটা খুঁজে পায়।
চারটা জিনিস কি কি, একটু ভেঙে বলি।
প্রথম জিনিস হইতেছে তুমি কি ভালোবাসো। মানে যেই কাজটা করতে গিয়ে সময়ের হিসাব ভুলে যাও, টাকার কথা মাথায়ও আসে না।
দ্বিতীয় জিনিস হইতেছে তুমি কিসে ভালো। এইটা তোমার স্কিল, যেইটা অন্যদের তুলনায় তুমি তুলনামূলক সহজে করতে পারো।
তৃতীয় জিনিস হইতেছে পৃথিবীর বা মার্কেটের কি দরকার। তুমি যেই স্কিল নিয়ে ভালো, সেটার আসলেই চাহিদা আছে কিনা, মানুষ সেটার জন্য সমস্যায় পড়ে কিনা।
চতুর্থ জিনিস হইতেছে কিসের জন্য মানুষ টাকা দেয়। মানে তোমার স্কিলটা মার্কেটে বিক্রি করার মতো কিনা।
এখন সমস্যাটা হইতেছে বেশিরভাগ মানুষ শুধু একটা বা দুইটা সার্কেলে আটকায়ে থাকে। ধরো তুমি একটা জিনিস ভালোবাসো কিন্তু সেটাতে স্কিল নাই, তখন সেটা শুধুই একটা শখ থেকে যায়। আবার তুমি একটা স্কিলে ভালো, মার্কেটও চায়, কিন্তু ভালো লাগে না, তখন কাজটা টাকা দেয় ঠিকই কিন্তু ভিতরে ভিতরে বার্নআউট হয়ে যাও।
ধরো তুমি লজিক্যাল প্রবলেম সলভ করতে ভালোবাসো, কোডিং এ তুমি স্বাভাবিকভাবেই ভালো, আর কোম্পানিগুলা এখন স্কেলেবল সিস্টেম বানানোর মতো মানুষ খুঁজতেছে, আর এই স্কিলের জন্য ভালো বেতনও দেয়। এই চারটা যখন একসাথে মিলে যায়, তখনই তুমি সেই জায়গাটা পাও যেখানে কাজ করাটা আর শুধু চাকরি মনে হয় না।
এইটা একদিনে বের হয় না, এক্সপেরিমেন্ট করতে করতে বুঝতে হয়। বিভিন্ন জিনিস ট্রাই করো, কোথায় তোমার এনার্জি বাড়ে আর কোথায় কমে সেটা খেয়াল করো, ধীরে ধীরে এই চারটা সার্কেল কাছাকাছি চলে আসবে।
তোমার এই চারটার মধ্যে কোনটা এখনো খুঁজে পাও নাই বলে মনে হয়?

5 days ago | [YT] | 20

Abdur Rakib

ঘন্টার পর ঘন্টা পড়ে ফেলো, কিন্তু পরীক্ষার হলে বা কাজের সময় মাথা ফাঁকা হয়ে যায়?
এইটা পড়াশোনা কম করার সমস্যা না, ভুল মেথডে পড়ার সমস্যা। বেশিরভাগ স্টুডেন্ট একই ভুলটা করে, নোট বারবার পড়ে বা ভিডিও বারবার দেখে ভাবে শিখে ফেলছি। কিন্তু বারবার দেখলে যেই ফিলিংটা হয়, ওইটা চেনার ফিলিং, শেখার ফিলিং না।
ফাস্ট আর ইফেক্টিভ লার্নিং এর আসল সিক্রেট আসলে তিনটা ছোট অভ্যাসে লুকায়ে আছে, একটু ভেঙে বলি।
প্রথম জিনিস হইতেছে বই বন্ধ করে নিজেকে প্রশ্ন করা। পড়া শেষ করে সাথে সাথে বই বা নোট বন্ধ করে দাও, তারপর একটা কাগজে যতটুকু মনে আছে লিখে ফেলার চেষ্টা করো। এইটাকে বলে অ্যাক্টিভ রিকল। এইটা করতে গিয়ে যেখানে আটকাবা, ওইখানটাই তোমার আসল দুর্বল জায়গা, আর ওইখানেই তোমার ফোকাস করা দরকার।
দ্বিতীয় জিনিস হইতেছে অন্য কাউকে সহজ ভাষায় বুঝায়ে বলা। ধরো তুমি একটা কনসেপ্ট পড়লা, এখন সেটা তোমার ছোট ভাইকে বা রুমমেটকে এমনভাবে বুঝাও যেন সে প্রথমবার শুনতেছে। বুঝাইতে গিয়ে যদি আটকায়ে যাও বা জার্গন ইউজ করা লাগে, তার মানে তুমি নিজেই পুরাপুরি বুঝো নাই।
তৃতীয় জিনিস হইতেছে একদিনে সব শেষ করার বদলে সময় ছড়ায়ে রিভিউ করা। আজকে পড়লা, দুই দিন পর আবার একটু দেখো, তারপর এক সপ্তাহ পর আরেকবার। ভুলে যাওয়ার ঠিক আগে আগে যখন রিভিউ করো, ব্রেইন সেই জিনিসটাকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে করে আর লম্বা সময়ের জন্য মনে রাখে।
এই তিনটা জিনিস একসাথে করলে তুমি কম সময়ে অনেক বেশি মনে রাখতে পারবা, আর পরীক্ষা বা ইন্টারভিউর সময় প্যানিক করতে হবে না।
তুমি সাধারণত কিভাবে পড়ো, নোট বারবার পড়ো নাকি নিজেকে টেস্ট করো?

6 days ago | [YT] | 15

Abdur Rakib

কখনো কি নিজেকে দোষ দিছো যে আমি কেন প্যাশন ফলো করতেছি না, শুধু বেতনের জন্য একটা চাকরি খুঁজতেছি?
মনোবিজ্ঞানী মাসলো অনেক আগে একটা তত্ত্ব দিছিলেন, মানুষের চাহিদাগুলা একটা স্তরে সাজানো থাকে। সবার নিচে থাকে বেসিক চাহিদা, খাওয়া, ঘুম, থাকার জায়গা। তার উপরে থাকে নিরাপত্তা, মানে আর্থিক স্থিতিশীলতা, একটা স্টেবল অবস্থা। তার উপরে সম্পর্ক আর কমিউনিটি। তারপর সম্মান আর অর্জন। আর সবচেয়ে উপরে থাকে সেলফ অ্যাকচুয়ালাইজেশন, মানে নিজের পুরা সম্ভাবনাটা কাজে লাগানো, নিজের প্যাশনটা বাঁচা।
এই তত্ত্বের মূল কথাটা হইতেছে, নিচের স্তর পূরণ না হইলে উপরের স্তরে ফোকাস করাটা অনেক কঠিন হয়ে যায়। মানে তোমার যদি এই মাসের বাসা ভাড়া নিয়ে চিন্তা থাকে, তাহলে তোমার মাথায় ক্রিয়েটিভিটি বা প্যাশন প্রজেক্ট নিয়ে ভাবার স্পেসটাই থাকে না। এইটা তোমার দোষ না, এইটা মানুষের মস্তিষ্ক যেভাবে কাজ করে সেটাই।
এইখান থেকে আমাদের স্টুডেন্টদের জন্য একটা বড় লেসন আছে। অনেকেই মনে করে, আমি কেন প্যাশন ফলো না করে শুধু একটা স্টেবল চাকরি খুঁজতেছি, আমি মনে হয় স্বার্থপর বা অ্যাম্বিশনলেস হয়ে যাইতেছি। সত্যি বলতে এইটা ভুল চিন্তা। তুমি যখন নিরাপত্তা আর স্থিতিশীলতা খুঁজতেছো, তুমি আসলে তোমার ফাউন্ডেশনটা বানাইতেছো। এইটা প্যাশন ছেড়ে দেওয়া না, এইটা প্যাশনকে টিকায় রাখার জায়গাটা তৈরি করা।
ধরো তুমি একটা প্রথম চাকরি নিলা যেটা তোমার ড্রিম জব না, কিন্তু স্টেবল একটা ইনকাম দিতেছে। এইটা ফেইলিওর না, এইটা তোমার পিরামিডের নিচের স্তরটা শক্ত করা। যখন এই স্তরটা সলিড হয়ে যাবে, তখন তুমি অনেক বেশি ক্লিয়ার মাথায়, কম প্যানিক নিয়ে তোমার প্যাশনের দিকে ধীরে ধীরে সরে যাইতে পারবা।
তাই পরের বার যদি মনে হয় আমি প্যাশন ফলো করতেছি না, নিজের উপর রাগ কইরো না। বরং নিজেকে জিজ্ঞেস করো, আমি এখন কোন স্তরে আছি, আর এই স্তরটা শক্ত করাটাই কি এই মুহূর্তে সবচেয়ে দরকারি কাজ।
তুমি এখন কোন স্তরে আছো, নিরাপত্তা খুঁজতেছো নাকি প্যাশনের দিকে এগোনোর চেষ্টায় আছো?

1 week ago | [YT] | 22

Abdur Rakib

গোল্ডম্যানের একটা বড় এআই প্ল্যাটফর্মের হেড, তাদের নিজেদের পডকাস্টে বলছেন এআই এর উপর বেশি নির্ভর করলে একটা জিনিস হয়, যেটাকে বলা যায় চিন্তার ক্ষয়। মজার ব্যাপার হইতেছে এইটা কোনো এইচআর বা রিস্ক ডিপার্টমেন্ট থেকে আসা সতর্কতা না। যেই মানুষটা নিজেই কোম্পানিতে এআই বাস্তবায়নের দায়িত্বে আছে, তিনি নিজেই এইটা বলতেছেন। মানে এইটাকে হালকাভাবে নেওয়ার কিছু নাই।

উনি একটা সিনারিও দিছেন, ধরো তুমি একজন ব্রিলিয়ান্ট জুনিয়র অ্যানালিস্ট হায়ার করলা। এখন সে ফিন্যান্সিয়াল মডেল শুরু থেকে বানানো শেখার বদলে সরাসরি এআইকে বানায়ে দিতে বলে। আর্গুমেন্ট নিজে স্ট্রাকচার করার বদলে চ্যাটবটকে প্রম্পট করে। বেশিরভাগ সময় সঠিক উত্তরও পায়। কিন্তু পাঁচ বছর পর প্রশ্ন হইতেছে, মেশিন ছাড়া এই মানুষটা কি নিজে চিন্তা করতে পারবে?

চার্চম্যান এইটাকে তুলনা করছেন জিপিএস আর সার্চ ইঞ্জিনের সাথে। আগে মানুষ রাস্তা মনে রাখতে জানতো, এখন জিপিএস ছাড়া অনেকেই চলতে পারে না। একইভাবে জুনিয়র ট্রেডাররা আগে সিনিয়রদের সাথে কাজ করতে করতে ইনস্টিংক্ট বিল্ড করতো। এই পুরা প্রসেসটা যদি অটোমেট করে ফেলা হয়, তাহলে সেই ডিপ আন্ডারস্ট্যান্ডিংটাই আর তৈরি হয় না।

এআই ইউজ করা বন্ধ করতে বলতেছি না, সেটা অবাস্তব। কিন্তু অর্ডারটা ঠিক রাখতে হবে। আগে নিজে ট্রাই করো, নিজে আটকাও, নিজে চিন্তা করো। তারপর এআই দিয়ে চেক করো বা রিফাইন করো। উল্টো করলে, মানে শুরুতেই এআইকে জিজ্ঞেস করলে, উত্তর পাবা কিন্তু বুঝাটা তৈরি হবে না। আর যেই বুঝ তৈরি হয় নাই, সেটা ইন্টারভিউতে বা রিয়েল কাজে গিয়ে ধরা পড়ে যাবেই।

তুমি কোনো প্রবলেমে আটকালে আগে নিজে চেষ্টা করো, নাকি সরাসরি এআই এর কাছে চলে যাও?

1 week ago | [YT] | 12

Abdur Rakib

ভারতের ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া আর আইআইটি হায়দ্রাবাদ মিলে একটা হ্যাকাথন আয়োজন করছিল, নাম সাইবারশিল্ড। গত ২৮ আগস্ট শেষ হইছে। এইটা ইন্ডিয়ার স্টুডেন্টদের জন্য ছিল, বাংলাদেশ থেকে জয়েন করার সুযোগ নাই। তাই এইটা কোনো সুযোগ হিসেবে না বলে, একটা প্রজেক্ট আইডিয়া হিসেবে শেয়ার করতেছি।

যেই কারণে এইটা নিয়ে কথা বলার দরকার মনে করলাম, একটু বলি।

প্রথম কারণ হইতেছে প্রবলেম স্টেটমেন্টগুলা। পার্টিসিপেন্টদের বলা হইছিল দুইটা রিয়েল ব্যাংকিং প্রবলেম সলভ করতে। একটা হইতেছে জেনারেটিভ এআই দিয়ে ফ্রডুলেন্ট মোবাইল অ্যাপ আর মালওয়্যার ডিটেক্ট করা, আরেকটা হইতেছে সন্দেহজনক ট্রানজেকশন আর মিউল অ্যাকাউন্ট খুঁজে বের করা। এইগুলা কোনো টিউটোরিয়াল প্রজেক্ট না, এইগুলা রিয়েল বিজনেস প্রবলেম যেটা নিয়ে ব্যাংকগুলা রোজ মাথা ঘামায়।

দ্বিতীয় কারণ হইতেছে ফিল্টারিং এর সংখ্যাটা। প্রায় তিন হাজার টিম রেজিস্ট্রেশন করছিল, কিন্তু ফাইনাল প্রেজেন্টেশনে গেছে মাত্র ৭২টা টিম। মানে আইডিয়া থাকাটাই যথেষ্ট ছিল না, যারা রিয়েলি কাজ করে দেখাইতে পারছে ওয়ার্কিং প্রোটোটাইপ বানায়ে, তারাই টিকছে।

তৃতীয় কারণ হইতেছে ফলাফলটা। বিজয়ী টিমকে একটা বড় ফিনটেক ইভেন্টে ইনভাইট করা হইছে, প্রায় বিশ লাখ রুপির প্রাইজও ছিল পুরা কম্পিটিশনে। মানে একটা ভালো প্রোটোটাইপ তোমাকে হ্যাকাথনের বাইরেও অনেক দরজা খুলে দিতে পারে।

এইখান থেকে তোমার জন্য লেসনটা কি? তুমি হয়তো এই স্পেসিফিক হ্যাকাথনে জয়েন করতে পারবা না, কিন্তু এই ধরনের প্রবলেম স্টেটমেন্ট তুমি নিজের পোর্টফোলিও প্রজেক্টের জন্য বেছে নিতে পারো। ফ্রড ডিটেকশন, মালওয়্যার অ্যানালাইসিস, সাসপিশাস ট্রানজেকশন প্যাটার্ন খুঁজে বের করা, এই টাইপের রিয়েল প্রবলেম নিয়ে একটা ছোট প্রজেক্টও যদি তুমি বানাও, সেটা আরেকটা জেনেরিক টুডু অ্যাপ বা ইকমার্স ক্লোনের চেয়ে অনেক বেশি চোখে পড়বে।

তুমি যদি একটা পোর্টফোলিও প্রজেক্ট বানাইতা, কোন রিয়েল প্রবলেম নিয়ে বানাতে চাও?

1 week ago | [YT] | 31

Abdur Rakib

তুমি কি জানো, গিটহাবে এখন সবচেয়ে বেশি স্টার পাওয়া প্রজেক্টগুলার একটা হইতেছে একটা জব সার্চ টুল?
কিছুদিন আগে একজন ডেভেলপার একটা প্রজেক্ট বানাইছে যেটা এআই দিয়ে পুরা জব সার্চটাই অর্গানাইজ করে দেয়। জব পোস্টিং স্ক্যান করে কোনটা তোমার প্রোফাইলের সাথে ফিট করে সেটা বের করে দেয়, সিভি প্রতিটা জবের জন্য আলাদা করে টেইলর করে দেয়, কভার লেটার লিখে দেয়, ইন্টারভিউর প্রিপারেশনেও হেল্প করে। মাত্র কয়েক সপ্তাহে এই প্রজেক্টটা প্রায় বিশ হাজার স্টার পাইছে, মানে হাজার হাজার মানুষ এইটা রিয়েলি ইউজ করতেছে।
কিন্তু এই প্রজেক্টের সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং জিনিসটা হইতেছে এইটার একটা লিমিটেশন, আর ওই লিমিটেশনটাই আসলে আজকের পয়েন্ট।
প্রথম কথা হইতেছে এআই তোমার সময় বাঁচায়। যেই কাজগুলা তুমি ম্যানুয়ালি করতে গেলে ঘন্টার পর ঘন্টা লাগতো, জব খুঁজে বের করা, প্রতিটা জবের জন্য আলাদা সিভি বানানো, কভার লেটার লেখা, এইগুলা এআই মিনিটের মধ্যে অর্গানাইজ করে দেয়। এইটা রিয়েলি একটা ভালো ইউজ কেস, সময় নষ্ট না করে যেই জায়গায় তোমার আসল শক্তি লাগবে সেখানে ফোকাস করতে পারো।
দ্বিতীয় কথাটাই আসল কথা। এই প্রজেক্টের ডেভেলপার নিজেই সাবধান করে দিছেন, তুমি যদি তোমার সিভিতে তোমার আসল এক্সপেরিয়েন্স বা প্রজেক্ট কমায়ে লেখো বা বাদ দাও, এআই সেটা কম্পেনসেট করতে পারবে না। মানে তুমি যা দিবা, এআই শুধু সেটাকেই সুন্দর করে সাজায়ে দিবে। তুমি যদি ফাঁকা দাও, এআই ফাঁকাটাকেই সুন্দর করে সাজায়ে দিবে, ভরে দিবে না।
ধরো তুমি এআই দিয়ে একটা সিভি বানাইলা, খুব সুন্দর ভাষায় লেখা, প্রতিটা লাইন জব ডেসক্রিপশনের সাথে ম্যাচ করানো। ইন্টারভিউতে গেলা, ইন্টারভিউয়ার তোমার সিভিতে লেখা একটা প্রজেক্ট নিয়ে গভীরে প্রশ্ন করা শুরু করলো। যদি তুমি রিয়েলি ওই কাজটা করে থাকো, তুমি সহজেই উত্তর দিতে পারবা। কিন্তু যদি এআই দিয়ে ওই লাইনটা শুধু সাজায়ে লেখানো হইছে অথচ কাজটা তুমি করো নাই, তাহলে দুই তিনটা ফলোআপ প্রশ্নেই ধরা পড়ে যাবা।
তাই আসল লেসনটা হইতেছে এআইকে তোমার শর্টকাট বানাইও না, তোমার অর্গানাইজার বানাও। তুমি যদি রিয়েল প্রজেক্ট করো, রিয়েল স্কিল শিখো, তাহলে এআই সেই কাজটাকে সবচেয়ে ভালোভাবে প্রেজেন্ট করতে সাহায্য করবে। কিন্তু যেই জায়গায় তোমার আসল কাজ নাই, ওই জায়গাটা এআই দিয়ে ভরানোর চেষ্টা করলে সেটা শুধু সময়ের ব্যাপার কবে ধরা পড়বা।
তুমি কি জব সার্চে এআই ইউজ করো আর কিভাবে ইউজ করো? কমেন্টে জানাও।

1 week ago | [YT] | 12

Abdur Rakib

একজন রিক্রুটার যদি এখন তোমার প্রোফাইল দেখে, সে কী দেখতে পাবে?

1 week ago | [YT] | 3

Abdur Rakib

তুমি প্রজেক্ট বানানোর পুরো জার্নিটা কি সবার সামনে ডকুমেন্টেড করো?

2 weeks ago | [YT] | 3

Abdur Rakib

একটা ওয়ার্কশপে গিয়ে দুইটা ইন্টার্নশিপের অফার পাওয়া, এইটা কি সম্ভব?
চট্টগ্রাম ইউনিভার্সিটিতে গত ১৯ আগস্ট একটা দিনব্যাপী ওয়ার্কশপ হইছে, নাম ছিল আর্ট অফ এআই প্রম্পটিং। আয়োজনে ছিল চট্টগ্রাম ইউনিভার্সিটি সায়েন্টিফিক সোসাইটি। স্টুডেন্টদের শেখানো হইছে কিভাবে পড়াশোনায়, গবেষণায় আর ক্যারিয়ারে এআই ইউজ করতে হয়।
এই খবরটা পড়ে আমার কাছে যেই তিনটা জিনিস সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মনে হইছে, একটু বলি।
প্রথম জিনিস হইতেছে ইউনিভার্সিটি আর ইন্ডাস্ট্রি একসাথে কাজ করছে। ওয়ার্কশপে ট্রেনিং দিছে টেক কোম্পানি অটোলিনিয়াম আর নিম্ফ সলিউশন্স এর মানুষজন। মানে যারা রিয়েল ওয়ার্ল্ডে কাজ করে তারাই এসে হাতে কলমে শিখাইছে। এইটা কিন্তু সবসময় হয় না, বেশিরভাগ ওয়ার্কশপে শুধু থিওরি থাকে।
দ্বিতীয় জিনিস হইতেছে এইটা ছিল একদমই প্র্যাকটিক্যাল। শুধু এআই কি সেটা বলে দেয় নাই, বরং কস্টার নামের একটা ফ্রেমওয়ার্ক দিয়ে কিভাবে ভালো প্রম্পট বানাতে হয় সেটা হাতে কলমে দেখাইছে। চ্যাট জিপিটির পাশাপাশি নোটবুক এলএম, সিমান্টিক স্কলার, রিসার্চ র‍্যাবিট এর মতো রিসার্চ টুলগুলাও পরিচয় করাইছে। মানে স্টুডেন্টরা শুধু শুনে যায় নাই, নিজেরা হাতে করে প্র্যাকটিস করছে।
তৃতীয় আর সবচেয়ে বড় জিনিস হইতেছে ফলাফল। ওয়ার্কশপ শেষে অটোলিনিয়াম আর নিম্ফ সলিউশন্স দুইটা কোম্পানিই স্টুডেন্টদের জন্য ইন্টার্নশিপের সুযোগ ঘোষণা করছে। মানে একটা দিনের শেখাটা সরাসরি একটা রিয়েল সুযোগে কনভার্ট হইছে।
এইখান থেকে তোমার জন্য একটা লেসন আছে। তোমার ইউনিভার্সিটিতে এমন ওয়ার্কশপ হোক বা না হোক, তোমাকে ওয়েট করতে হবে না। তুমি নিজে থেকেই এআই টুলস নিয়ে প্র্যাকটিস করতে পারো, নিজের ডিপার্টমেন্টে এমন একটা ইভেন্ট অর্গানাইজ করার জন্য উদ্যোগ নিতে পারো, অথবা যেসব কোম্পানি এমন ইভেন্ট করে তাদের ফলো করে রাখতে পারো। সুযোগ সবসময় বড় বড় জায়গা থেকে আসে না, মাঝে মাঝে একটা দিনের ওয়ার্কশপ থেকেও আসে।
তোমার ইউনিভার্সিটিতে এই ধরনের কোনো ইভেন্ট হইছে? কমেন্টে জানাও, দেখি কোন কোন ক্যাম্পাসে এই কালচারটা বাড়তেছে।

2 weeks ago | [YT] | 3

Abdur Rakib

তোমার পোর্টফোলিওর প্রজেক্টগুলো কি রিয়েল ওয়ার্ল্ড প্রবলেম সলভ করে?

2 weeks ago | [YT] | 1