✨ Welcome to this account!
This space is all about creativity, originality, and positive vibes. Here you’ll find engaging content designed to entertain, inspire, and connect with people from all walks of life. Every post and video is created with passion and a vision to deliver something fresh and meaningful.
This account is a place where ideas turn into stories and moments turn into memories. If you enjoy unique content, honest creativity, and consistent uploads, you’re in the right place.
🌟 Follow the journey
🎥 Enjoy the content
💬 Share your thoughts
🔔 Stay connected for more
Thank you for being part of this community ❤️🇧🇩
BD Star
❤️🩹❤️🩹
3 days ago | [YT] | 3
View 0 replies
BD Star
★রেল লাইনের সাদা পাঞ্জাবি★
পূর্ব লক্ষ্মীপুর বাজারের পাশ দিয়ে যে রেল লাইনটা চলে গেছে, ওই লাইনের ৩ নাম্বার পিলারটা সবচেয়ে পুরনো। দিনের বেলায় ওখানে বাচ্চারা ক্রিকেট খেলে। কিন্তু মাগরিবের আজান দেয়ার পর ওই জায়গাটা একদম নীরব হয়ে যায়। বাতাসও যেন কথা বলে না।
গ্রামের বুড়ারা বলে, অনেক বছর আগে এই লাইনে একটা বড় অ্যাক্সিডেন্ট হয়েছিল। এক রাতে কুয়াশার জন্য ড্রাইভার সিগন্যাল দেখতে পায় নাই। অনেক মানুষ মারা গিয়েছিল। তাদের মধ্যে একজন ছিল স্টেশন মাস্টার। লোকটার নাম কেউ মনে রাখে নাই। শুধু মনে আছে লোকটা সেদিন সাদা পাঞ্জাবি পরে ডিউটিতে ছিল। হাতে একটা পুরনো পিতলের লন্ঠন। সে নিজের জীবন দিয়ে অনেক যাত্রীকে বাঁচিয়েছিল। লাশ পাওয়ার সময়ও তার হাতে লন্ঠনটা ধরা ছিল। নিভে যায় নাই।
এরপর থেকেই ঝামেলা।
প্রথমে রেলের পাহারাদাররা বলতো রাত ১২টার পর ৩ নাম্বার পিলারের কাছে একটা আলো নড়াচড়া করে। কাছে গেলেই মিলায় যায়। তারপর আস্তে আস্তে মানুষ দেখা শুরু করলো। লম্বা একটা ছায়া। মাথা নিচু। গায়ে ধবধবে সাদা পাঞ্জাবি। পায়ে শব্দ নাই। শুধু হাতের লন্ঠন থেকে টপ টপ করে তেল পড়ার শব্দ।
আজ থেকে ১৫ দিন আগে, আমাদের পাড়ার রনি ইউটিউবের জন্য ভিউ কামাইতে ওখানে রাত ১টায় গেল। ওর প্ল্যান ছিল লাইভে এসে বলবে "ভূত টুত কিছু নাই, সব ভুয়া"।
ও ক্যামেরা অন করলো। ৫ মিনিট ঠিকঠাক ছিল। তারপর হঠাৎ ওর ফোনের স্ক্রিনে ঝিরঝির। আর পিছন থেকে একটা ঠান্ডা বাতাস। বাতাসে কেরোসিনের গন্ধ।
রনি পিছনে তাকায় নাই। ও দৌড় দিয়ে পালাই আসছে। হাঁপাতে হাঁপাতে বাসায় এসে ভিডিও চেক করে দেখে ওর ক্যামেরার ঠিক পিছনে, ৩ নাম্বার পিলারের গায়ে হেলান দিয়ে একটা লোক দাঁড়ায় আছে। সাদা পাঞ্জাবি। মুখটা কুয়াশায় ঢাকা। আর লোকটার হাতের লন্ঠন থেকে আলো না, ধোঁয়া বের হচ্ছে।
সবচেয়ে ভয়ের ব্যাপার হলো ভিডিওর শেষ ৩ সেকেন্ডে স্ক্রিনে একটা লেখা ভেসে উঠেছিল। তারপর নিজে নিজে ডিলিট।
লেখাটা ছিল: *"আলো নিয়ে আসছি... তোকে নিতে"*
সেই রাতের পর থেকে রনির সাথে অদ্ভুত কান্ড। ওর ঘরের সব লাইট আপনা আপনি নিভে যায়। রাত ১২টা বাজলেই ওর ফোনে একটা কল আসে। নাম্বার নাই। ধরলে ওপাশ থেকে শুধু টুং... টুং... লন্ঠন নাড়ার শব্দ।
আর রনি এখন আর কথা বলে না। সারাদিন জানালার দিকে তাকায় থাকে। মাঝে মাঝে ফিসফিস করে বলে "আসতেছে... সাদা পাঞ্জাবি আসতেছে..."
গতকাল রাতে আমি নিজে টর্চ নিয়ে ওই পিলারের কাছে গেছিলাম। সাহস করে একটা ছবি তুললাম। বাসায় এসে দেখি ছবির মধ্যে আমি একা নাই। আমার কাঁধের উপর দিয়ে একটা সাদা হাত সামনের দিকে দেখায় দিছে। আর আঙুলটা সোজা রেল লাইনের দিকে।
এখনো প্রতি অমাবস্যার রাতে ওই লাইনে দাঁড়ালে দূর থেকে একটা আলো দেখা যায়। আলোটা কাছে আসে না। আবার যায়ও না। মাঝখানে দাঁড়ায় থাকে। আর বাতাসে ভেসে আসে একটা কথা...
*"ট্রেন মিস করছো? আমি নিয়ে যাবো?"*
ভাই, তুমি যদি কখনো রাত করে ওই রাস্তা দিয়ে যাও, আর দূরে সাদা আলো দেখো... খবরদার পিছনে তাকাবা না। কারণ যে একবার পিছনে তাকায়, তার ছবিও একদিন সাদা হয়ে যায়। একদম ধবধবে সাদা।
—সমাপ্ত—
3 weeks ago | [YT] | 2
View 0 replies
BD Star
Writing
🌘 ভৌতিক ঘটনা | ইউটিউব কমিউনিটি পোস্ট
এক ব্যক্তি প্রতিদিন রাত ১২টার দিকে কাজ শেষে একই রাস্তা দিয়ে বাড়ি ফিরতেন। এক রাতে তিনি লক্ষ্য করলেন, রাস্তার পাশে সাদা পোশাক পরা একটি ছোট মেয়ে চুপচাপ দাঁড়িয়ে আছে।
তিনি ভাবলেন, হয়তো পথ হারিয়ে ফেলেছে।
তিনি কাছে গিয়ে বললেন, — "তুমি এখানে একা কেন?"
মেয়েটি কোনো উত্তর দিল না। শুধু ধীরে ধীরে হাত তুলে সামনের পুরোনো বাড়িটার দিকে ইশারা করল।
লোকটি বাড়িটার দিকে তাকিয়ে আবার মেয়েটির দিকে ফিরলেন...
কিন্তু মেয়েটি আর সেখানে নেই।
ভয় পেয়ে তিনি দ্রুত বাড়ি চলে গেলেন।
পরদিন সকালে কৌতূহলবশত সেই বাড়িতে গিয়ে জানতে পারলেন, বহু বছর আগে ঠিক ওই জায়গাতেই একটি ছোট মেয়ে দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছিল। গ্রামের অনেকে নাকি গভীর রাতে এখনো তাকে ওই রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেন...
👀 তুমি যদি সেই লোকটির জায়গায় থাকতে, তাহলে কী করতে? ❤️ সাহস করে সামনে যেতে 😨 দৌড়ে পালাতে
(এটি একটি কাল্পনিক ভৌতিক গল্প, শুধুমাত্র বিনোদনের উদ্দেশ্যে লেখা।)
1 month ago | [YT] | 2
View 0 replies
BD Star
👻 ভুতুড়ে ঘটনা |
🌑 রাত ৩টা। গ্রামের শেষ মাথার পুরোনো বাঁশঝাড়ের পাশ দিয়ে এক যুবক বাড়ি ফিরছিল। হঠাৎ সে শুনল, কেউ খুব আস্তে করে তার নাম ধরে ডাকছে...
"রাহাত... রাহাত..."
সে পেছনে তাকাল—কেউ নেই।
আবার হাঁটতে শুরু করতেই পায়ের শব্দ। এবার মনে হলো, ঠিক তার পেছনেই কেউ হাঁটছে। ভয়ে দৌড়ে বাড়িতে ঢুকে দরজা বন্ধ করল।
পরদিন সকালে সাহস করে ঘটনাটা গ্রামের এক বৃদ্ধকে বলতেই বৃদ্ধ শুধু একটা কথাই বললেন—
"ভাগ্য ভালো, পেছনে তাকিয়ে দ্বিতীয়বার ডাকের উত্তর দাওনি..."
😨 তুমি হলে কী করতে? ১️⃣ দৌড়ে পালাতে ২️⃣ কে ডাকছে দেখতে পেছনে তাকাতে
1 month ago | [YT] | 0
View 0 replies
BD Star
সাপের ছায়া
অধ্যায় ১: অচেনা পদচিহ্ন
কালীগঞ্জ গ্রামের মানুষ সাধারণত শান্তিপ্রিয় ছিল। চারদিকে সবুজ ধানক্ষেত, ছোট ছোট পুকুর আর দূরে ঘন বন। কিন্তু এই গ্রামের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য ছিল—গ্রামের পশ্চিমে থাকা বিশাল বন, যার নাম ছিল “নাগবন”।
গ্রামের বৃদ্ধরা বলতেন, বহু বছর আগে নাগবনের গভীরে এমন কিছু ঘটেছিল যার কথা কেউ খোলাখুলি বলতে চায় না। নতুন প্রজন্ম এসব গল্পকে কুসংস্কার মনে করলেও পুরোনো মানুষদের চোখে এখনও সেই ভয়ের ছাপ দেখা যেত।
গ্রামে থাকত পনেরো বছরের এক কিশোর, নাম আরহাম। সে ছিল কৌতূহলী এবং সাহসী। কোনো রহস্যের গন্ধ পেলেই তার মাথায় প্রশ্নের ঝড় শুরু হয়ে যেত।
একদিন ভোরে আরহাম ঘুম থেকে উঠে বাড়ির পাশের পুকুরে গেল। সেখানে গিয়ে সে অদ্ভুত কিছু দেখতে পেল।
পুকুরের কাদামাটিতে বড় বড় আঁকাবাঁকা দাগ।
প্রথমে সে ভেবেছিল হয়তো কোনো গরু বা ছাগল গেছে। কিন্তু একটু ভালো করে দেখতেই তার বুক কেঁপে উঠল।
দাগগুলো দেখতে অনেকটা বিশাল কোনো সাপের চলার চিহ্নের মতো।
সে নিচু হয়ে মাটি পরীক্ষা করল।
চিহ্নগুলো পুকুরের পাশ থেকে শুরু হয়ে গ্রামের পশ্চিম দিকের পথে চলে গেছে।
আরহাম বাড়ি ফিরে বাবাকে বলল।
বাবা হেসে বললেন,
“বনের কোনো অজগর হবে। এসব নিয়ে মাথা ঘামাস না।”
কিন্তু আরহামের মনে সন্দেহ থেকেই গেল।
সেদিন বিকেলে সে একাই চিহ্নগুলোর পেছন পেছন হাঁটতে শুরু করল।
সূর্য তখন পশ্চিমে হেলে পড়েছে।
পথ ধীরে ধীরে তাকে গ্রামের শেষ মাথায় নিয়ে গেল।
সামনে নাগবনের প্রথম সারির গাছগুলো দাঁড়িয়ে আছে।
হঠাৎ সে লক্ষ্য করল, একটি পুরোনো শিমুল গাছের গায়ে ধারালো কিছু দিয়ে একটি চিহ্ন আঁকা।
চিহ্নটি দেখতে সাপের ফণার মতো।
তার নিচে ম্লান অক্ষরে লেখা—
"ফিরে যাও।"
আরহামের শরীরে হালকা শীতল স্রোত বয়ে গেল।
কে লিখেছে?
কেন লিখেছে?
সে চারপাশে তাকাল।
কেউ নেই।
শুধু বাতাসে পাতার শব্দ।
ঠিক তখনই দূরে ঝোপের আড়ালে কিছু একটা নড়ে উঠল।
আরহাম স্থির হয়ে গেল।
এক জোড়া হলুদাভ চোখ যেন অন্ধকারের ভেতর থেকে তার দিকে তাকিয়ে আছে...
চলবে...
পরের অধ্যায়ে রহস্য আরও গভীর হবে, আরহাম নাগবনের ভেতরে প্রবেশ করবে এবং সেই অদ্ভুত চোখের মালিকের সন্ধান পাবে।
1 month ago | [YT] | 30
View 0 replies
BD Star
👻😂💔 কাল্পনিক গল্প: ভূতের হাসি, বন্ধুর কান্না
বাংলাদেশের এক ছোট গ্রাম ছিল, নাম বাগৈগ্রাম। গ্রামের একদম শেষ প্রান্তে ছিল একটি পুরনো, ভাঙাচোরা জমিদারবাড়ি। সবাই বলত, সেখানে রাতে ভূত ঘোরে।
গ্রামে থাকত দুই বন্ধু—মোহতাসেম আর শাফি। মোহতাসেম ছিল খুব সাহসী, আর শাফি ছিল ভীষণ ভীতু। একদিন বিকেলে তারা বাজি ধরল।
— "তুই যদি রাত বারোটায় জমিদারবাড়িতে যেতে পারিস, আমি তোকে ৫০০ টাকা দিব!" — বলল মোহতাসেম।
শাফি টাকা শুনে রাজি হয়ে গেল, কিন্তু ভিতরে ভিতরে ভয়ে কাঁপছিল।
সেদিন রাত ১২টায় তারা টর্চ নিয়ে জমিদারবাড়ির সামনে পৌঁছাল। চারদিকে ঝিঁঝিঁ পোকার শব্দ, ঠান্ডা বাতাস, আর ভাঙা জানালাগুলো কড়কড় শব্দ করছিল।
হঠাৎ...
"হা... হা... হা..."
একটা অদ্ভুত হাসির শব্দ ভেসে এল।
শাফি চিৎকার করে বলল,
— "আম্মু গো! আমি এখনো বিয়েই করি নাই!"
মোহতাসেম বলল,
— "চুপ! তোর বয়সই বা কত?"
তারা ভেতরে ঢুকল। হঠাৎ একটা সাদা ছায়া তাদের সামনে দিয়ে উড়ে গেল।
শাফি ভয়ে দৌড় দিতে গিয়ে একটা কলার খোসায় পিছলে ধপাস করে পড়ে গেল।
মোহতাসেম টর্চ জ্বালিয়ে দেখল—ওটা ভূত না, একটা সাদা বিড়াল!
শাফি উঠে দাঁড়িয়ে বলল,
— "আমি তো জানতাম!"
— "তাহলে পড়লি কেন?" — জিজ্ঞেস করল মোহতাসেম।
— "আমি মাটির শক্তি পরীক্ষা করছিলাম!" — গম্ভীর মুখে উত্তর দিল শাফি।
দুজনেই হেসে উঠল।
কিন্তু কিছুক্ষণ পর তারা একটি ঘরে ঢুকতেই দরজাটা নিজে থেকেই বন্ধ হয়ে গেল।
ধাম!
এবার সত্যিই তাদের গা শিউরে উঠল।
ঘরের কোণে একটা পুরনো আয়না ছিল। আয়নায় তারা নিজেদের ছায়া দেখতে পেল, কিন্তু হঠাৎ আরেকটি ছায়াও দেখা গেল!
একজন বৃদ্ধ মানুষের ছায়া...
শাফির মুখ শুকিয়ে গেল।
— "মোহতাসেম... আমার মনে হয় আজকে আমরা ইতিহাস হয়ে যাব!"
হঠাৎ একটি কণ্ঠস্বর শোনা গেল।
— "ভয় পেও না..."
দুজনেই স্থির হয়ে গেল।
আস্তে আস্তে ছায়াটি স্পষ্ট হলো। একজন বৃদ্ধ।
কিন্তু তার মুখে কোনো ভয়ংকর ভাব ছিল না।
বৃদ্ধ বললেন,
— "আমি এই বাড়ির পুরনো মালিক। অনেক বছর আগে মারা গেছি। সবাই আমাকে ভয় পায়, কিন্তু আমি কাউকে কষ্ট দিই না।"
মোহতাসেম সাহস করে বলল,
— "তাহলে আপনি এখানে একা থাকেন?"
বৃদ্ধ দীর্ঘশ্বাস ফেললেন।
— "হ্যাঁ... আমার একমাত্র নাতি আমাকে খুব ভালোবাসত। কিন্তু একদিন সে শহরে চলে যায়। তারপর আর কখনো ফিরে আসেনি। আমি তার অপেক্ষা করতেই করতেই মারা যাই।"
বৃদ্ধের কণ্ঠ কেঁপে উঠল।
— "এখনো আমি তার অপেক্ষা করি।"
মোহতাসেম আর শাফির মন খারাপ হয়ে গেল।
বৃদ্ধ পকেট থেকে একটি পুরনো ছবি বের করলেন। ছবিতে একটি ছোট ছেলে হাসছে।
— "এটাই আমার নাতি। যদি কখনো তাকে খুঁজে পাও, শুধু বলো আমি শেষ দিন পর্যন্ত তাকে ভালোবেসেছিলাম।"
এ কথা বলেই বৃদ্ধের চোখে পানি চলে এল।
শাফিও কাঁদতে শুরু করল।
মোহতাসেম অবাক হয়ে বলল,
— "তুই কাঁদছিস কেন?"
শাফি নাক টেনে বলল,
— "ভূতটাও আমার চেয়ে বেশি আবেগী!"
পরদিন সকালে তারা গ্রামের বয়স্ক মানুষদের কাছে খোঁজ নিল। অনেক খোঁজাখুঁজির পর তারা জানতে পারল বৃদ্ধের নাতি এখন শহরে থাকে।
অনেক কষ্টে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলো।
সব কথা শোনার পর নাতি কান্নায় ভেঙে পড়ল।
— "আমি কখনো ভাবিনি দাদু আমাকে এত ভালোবাসতেন।"
কয়েকদিন পর সে বাগৈগ্রামে ফিরে এল।
সেই রাতে সে জমিদারবাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে বলল,
— "দাদু, আমি ফিরে এসেছি। আমাকে ক্ষমা করে দাও।"
হঠাৎ চারদিকে এক মিষ্টি বাতাস বয়ে গেল।
ভাঙা জানালাগুলো যেন আস্তে আস্তে শব্দ করল।
দূরে কোথাও একটি মৃদু হাসির শব্দ শোনা গেল।
কিন্তু সেটা ভয়ের হাসি ছিল না।
সেটা ছিল শান্তির হাসি।
মোহতাসেম আর শাফি বুঝতে পারল, বৃদ্ধের অপেক্ষার শেষ হয়েছে।
এরপর থেকে জমিদারবাড়িতে আর কোনো অদ্ভুত ঘটনা ঘটেনি।
গ্রামের মানুষও আর বাড়িটাকে ভয় পেত না।
আর শাফি?
সে এখনো সবাইকে বলে,
— "আমি ভূতকে মোটেও ভয় পাই না!"
কিন্তু কেউ "ভূত" শব্দটা বললেই সে তিন কদম পিছিয়ে যায়, আর বলে—
— "আমি ভয় পাই না, শুধু নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখি!" 😂👻
সমাপ্ত। 🌙📖💔😂
1 month ago | [YT] | 39
View 0 replies
BD Star
উপন্যাস: সাপের ছায়া
গ্রামের নাম শালবন। চারদিকে সবুজ ধানক্ষেত, মাঝখানে ছোট্ট নদী। সেই গ্রামেই থাকত আরিয়ান নামের এক কিশোর। সে ছিল সাহসী, কিন্তু খুব কৌতূহলী।
একদিন বিকেলে নদীর ধারে হাঁটতে গিয়ে সে একটি অদ্ভুত সাপ দেখতে পেল। সাপটির গায়ে সোনালি রঙের দাগ ছিল, আর তার চোখ দুটো যেন নীল আলোয় জ্বলছিল। গ্রামের মানুষ বলত, এই সাপ নাকি বহু পুরোনো এক গুপ্তধনের রক্ষক।
আরিয়ান প্রথমে ভয় পেয়েছিল। কিন্তু সাপটি তাকে আক্রমণ করল না। বরং ধীরে ধীরে জঙ্গলের দিকে এগিয়ে যেতে লাগল। কৌতূহলবশত আরিয়ান তার পিছু নিল।
জঙ্গলের গভীরে একটি প্রাচীন মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ ছিল। সেখানে পৌঁছে সাপটি একটি পাথরের সামনে থেমে গেল। পাথরে অদ্ভুত কিছু চিহ্ন খোদাই করা ছিল। আরিয়ান বুঝতে পারল, এটি কোনো সাধারণ জায়গা নয়।
হঠাৎ মাটির নিচে লুকানো একটি দরজা খুলে গেল। ভেতরে ছিল পুরোনো সোনার মুদ্রা আর মূল্যবান জিনিসপত্র। কিন্তু সেখানে একটি লেখা ছিল—
"লোভ মানুষকে ধ্বংস করে, আর সততা তাকে মহান করে।"
আরিয়ান গুপ্তধনের কথা কাউকে না লুকিয়ে গ্রামের প্রবীণদের জানাল। পরে সেই সম্পদ গ্রামের স্কুল, রাস্তা ও মানুষের উন্নয়নে ব্যবহার করা হলো।
সোনালি সাপটিকে আর কখনো দেখা যায়নি। কিন্তু গ্রামের মানুষ বিশ্বাস করত, সে এখনো কোথাও থেকে শালবনকে পাহারা দেয়।
সমাপ্ত। 🐍📖
1 month ago | [YT] | 57
View 0 replies
BD Star
🌙✨ ঈদ মোবারক ✨🌙
আল্লাহর অশেষ রহমত ও বরকতে আবারও আমাদের জীবনে ফিরে এলো পবিত্র আনন্দের দিন — ঈদুল ফিতর/ঈদুল আজহা। এই দিন শুধু আনন্দের নয়, এটি ভালোবাসা, ক্ষমা, শান্তি আর একতার প্রতীক।
ঈদ মানে শুধু নতুন জামা-কাপড় নয়, ঈদ মানে হৃদয়ের পবিত্রতা, গরিব-দুঃখীর পাশে দাঁড়ানো, এবং সকল ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে একে অপরকে বুকে টেনে নেওয়া। 🤍
এই পবিত্র দিনে আমরা যেন সবাই একে অপরের জন্য দোয়া করি, হাসি-খুশি ভাগ করে নিই এবং আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞ থাকি তাঁর অসীম নিয়ামতের জন্য।
🌸 ঈদ আমাদের শেখায়—ভালোবাসা সবচেয়ে বড় শক্তি, আর ক্ষমাই সবচেয়ে সুন্দর উপহার।
সবাইকে জানাই— ✨ ঈদ মোবারক ✨ আপনার জীবন ভরে উঠুক শান্তি, সুখ আর সমৃদ্ধিতে।
2 months ago | [YT] | 51
View 0 replies
BD Star
ঈদ মোবারক সবাইকে 😋🐄
2 months ago | [YT] | 0
View 0 replies
BD Star
কালকে কে কে ভ্লগ ও লাইভ দেখতে চাও?
কমেন্ট করো..............
2 months ago | [YT] | 16
View 0 replies
Load more