Love youself, do whatever you love. Help me to grow. I love my work, and this is my fav job. Bloger, youtubers, and content creator. Travelings is love.
পলাশ সাহার মা তো হানিমুনে সাথে গিয়েছিলো শুধু! আমার শ্বাশুড়ি মা আমাদের যৌ**ন স**জ্ঞম এর সময় পর্যন্ত একাধিক দরজা থাকতে আমাদের থাকতে দেয়া রুম দিয়ে ওয়াশরুম এ গিয়ে লাইট জ্বালিয়ে রুমের দিকে মুখ ঘুরে ওয়াশরুমের দরজা টা লাগাতেন। এবং শ্বশুর মশাই একটু বেটার। ওয়াশরুমের দিকে ফিরেই দরজা লাগাতেন। এবং এটা একদিনের ইনসিডেন্ট না। একাধিক দিনের। প্রশ্ন আসতেই পারে আমার বর এর পদক্ষেপ কি ছিলো তাই তো? আমার বর তাদের মনে আঘাত লাগবে বলে দরজার ছিটকিনি লাগাতেন না। সেই ক্রোধে অরণ্য হবার আগে চাকরির মায়া ছেড়ে বাপের বাড়ি চলে গিয়ে ছিলাম। সে আমার বাবা মায়ের হাতে পায়ে পড়ে নিয়ে এসেছিলো এমন সিচুয়েশন আমার আর কখনো ফেস করতে হবে না বলে। আসলে কি হয়নি? উত্তর হলো হয়েছে। এখনো পর্যন্ত আমার শ্বাশুড় বাড়িতে আমাদের থাকতে দেয়া রুমটায় দরজা নেই। সে রুমেই ফ্রিজ রাখা। সে রুমেই শ্বশুরের যাবতীয় প্রয়োজনীয় জিনিস পত্র। এখনো পর্যন্ত তাদের ওই রুমেই সারাক্ষন কাজ থাকে। উন্নতি হলো এখন উনি রুমে রাতে ঢোকেন না! কিন্তু ওয়াশরুমর দরজায় দাঁড়িয়ে কান পাতেন আমরা কথা বলতে নিলে কিংবা আমি কথা বলতে নিলে৷ 🙂 বলা বাহুল্য, এখনো অব্দি শাওন আশেপাশে আসলে আমার মনে হয় কেউ তাকিয়ে আছে! এই ট্রমা কাটবে!? জানিনা...
এতো কিছুর পরও সংসার টা করেই যাচ্ছি...
কারন আমার মাথায় সমস্যা! সাইকোলজিস্ট যদিও এটাকে পোস্টপার্টাম ডিপ্রেশন কিংবা বেবি ব্লু বলেন! সাইকোলজিস্ট এর আশা এগুলো ঠিক হবে। সেই আশাতেই আছি এখনো। আশা ই তো জীবন তাই না!
আর চাকরি? চাকরির পয়সা তো পুরোটা তাদের প্রাপ্য! এজন্য লোন পরিশোধ করার সামর্থ্য না থাকতেও লোন নিয়েছিলেন মায়ের কথায়৷ ফলাফল, সে লোনের ঘাটতি পূরণ না হতে হতে ক্রেডিট কার্ড ছেড়ে দে মা কেদে বাচি অবস্থা!
চলছে এভাবেই... জানিনা শেষ কোথায়!
লিখে গেলাম, যেন পৃথিবী থেকে চলে গেলে মানুষ ভুল বুঝে আংগুল না তোলে এই আশায়...
যেভাবে পলাশ সাহার দিকে বৌ এর আংগুল তোলা হলো!
বিয়েতে স্টেজে ছবি টবি তুলে একটা আংটি পড়িয়েছিলেন যেটা কিনা পরদিন খুলেও নিয়েছেন!
আর এবার বেচে ফেরার পর নিজের বলতে যা স্বর্ণালংকার ছিলো তা শাওন কে দিয়ে দিয়েছি। কারন এই একটা ধাতু যাতে আমার কোন ইন্টারেস্ট নেই। পড়ি না কখনো স্বর্ণ! 🙂
আমার ইদানীং স্ট্রেস এ ব্রেইন ঠিকঠাক অক্সিজেন পায় না। নার্ভ কাজ করে না। কলম ধরে ৩ মিনিটের বেশি লিখতে পারি না। হাটুর নিচের অংশ অবশ হয়ে আসে। এভাবেই হয়তো প্যারালাইজড হয়ে যাবো, কিংবা স্ট্রোক হবে। কিছু জানিয়েই মরা ভালো! অকারণ কেন মানুষের কাছে মন্দ হবো! যেখানে নিজের জীবন বিসর্জন দিয়ে যাচ্ছি প্রতিনিয়ত!
Fahima Eshita
সাদা কাশফুল এর মেলা
4 months ago | [YT] | 1
View 0 replies
Fahima Eshita
পলাশ সাহার মা তো হানিমুনে সাথে গিয়েছিলো শুধু! আমার শ্বাশুড়ি মা আমাদের যৌ**ন স**জ্ঞম এর সময় পর্যন্ত একাধিক দরজা থাকতে আমাদের থাকতে দেয়া রুম দিয়ে ওয়াশরুম এ গিয়ে লাইট জ্বালিয়ে রুমের দিকে মুখ ঘুরে ওয়াশরুমের দরজা টা লাগাতেন। এবং শ্বশুর মশাই একটু বেটার। ওয়াশরুমের দিকে ফিরেই দরজা লাগাতেন। এবং এটা একদিনের ইনসিডেন্ট না। একাধিক দিনের।
প্রশ্ন আসতেই পারে আমার বর এর পদক্ষেপ কি ছিলো তাই তো?
আমার বর তাদের মনে আঘাত লাগবে বলে দরজার ছিটকিনি লাগাতেন না।
সেই ক্রোধে অরণ্য হবার আগে চাকরির মায়া ছেড়ে বাপের বাড়ি চলে গিয়ে ছিলাম। সে আমার বাবা মায়ের হাতে পায়ে পড়ে নিয়ে এসেছিলো এমন সিচুয়েশন আমার আর কখনো ফেস করতে হবে না বলে।
আসলে কি হয়নি?
উত্তর হলো হয়েছে। এখনো পর্যন্ত আমার শ্বাশুড় বাড়িতে আমাদের থাকতে দেয়া রুমটায় দরজা নেই। সে রুমেই ফ্রিজ রাখা। সে রুমেই শ্বশুরের যাবতীয় প্রয়োজনীয় জিনিস পত্র। এখনো পর্যন্ত তাদের ওই রুমেই সারাক্ষন কাজ থাকে।
উন্নতি হলো এখন উনি রুমে রাতে ঢোকেন না! কিন্তু ওয়াশরুমর দরজায় দাঁড়িয়ে কান পাতেন আমরা কথা বলতে নিলে কিংবা আমি কথা বলতে নিলে৷ 🙂
বলা বাহুল্য, এখনো অব্দি শাওন আশেপাশে আসলে আমার মনে হয় কেউ তাকিয়ে আছে! এই ট্রমা কাটবে!? জানিনা...
এতো কিছুর পরও সংসার টা করেই যাচ্ছি...
কারন আমার মাথায় সমস্যা! সাইকোলজিস্ট যদিও এটাকে পোস্টপার্টাম ডিপ্রেশন কিংবা বেবি ব্লু বলেন! সাইকোলজিস্ট এর আশা এগুলো ঠিক হবে। সেই আশাতেই আছি এখনো।
আশা ই তো জীবন তাই না!
আর চাকরি? চাকরির পয়সা তো পুরোটা তাদের প্রাপ্য! এজন্য লোন পরিশোধ করার সামর্থ্য না থাকতেও লোন নিয়েছিলেন মায়ের কথায়৷ ফলাফল, সে লোনের ঘাটতি পূরণ না হতে হতে ক্রেডিট কার্ড ছেড়ে দে মা কেদে বাচি অবস্থা!
চলছে এভাবেই...
জানিনা শেষ কোথায়!
লিখে গেলাম, যেন পৃথিবী থেকে চলে গেলে মানুষ ভুল বুঝে আংগুল না তোলে এই আশায়...
যেভাবে পলাশ সাহার দিকে বৌ এর আংগুল তোলা হলো!
বিয়েতে স্টেজে ছবি টবি তুলে একটা আংটি পড়িয়েছিলেন যেটা কিনা পরদিন খুলেও নিয়েছেন!
আর এবার বেচে ফেরার পর নিজের বলতে যা স্বর্ণালংকার ছিলো তা শাওন কে দিয়ে দিয়েছি। কারন এই একটা ধাতু যাতে আমার কোন ইন্টারেস্ট নেই। পড়ি না কখনো স্বর্ণ! 🙂
আমার ইদানীং স্ট্রেস এ ব্রেইন ঠিকঠাক অক্সিজেন পায় না। নার্ভ কাজ করে না। কলম ধরে ৩ মিনিটের বেশি লিখতে পারি না। হাটুর নিচের অংশ অবশ হয়ে আসে। এভাবেই হয়তো প্যারালাইজড হয়ে যাবো, কিংবা স্ট্রোক হবে। কিছু জানিয়েই মরা ভালো! অকারণ কেন মানুষের কাছে মন্দ হবো! যেখানে নিজের জীবন বিসর্জন দিয়ে যাচ্ছি প্রতিনিয়ত!
©
9 months ago | [YT] | 1
View 0 replies
Fahima Eshita
10 months ago | [YT] | 1
View 0 replies
Fahima Eshita
1 year ago | [YT] | 1
View 0 replies
Fahima Eshita
Do follow my page
1 year ago | [YT] | 1
View 0 replies
Fahima Eshita
New vlog dekhso?
2 years ago | [YT] | 0
View 0 replies