আমি বন্দনা চক্রবর্ত্তী।আমার চ্যানেলে সবাইকে স্বাগত 🙏 আমি নিজের কণ্ঠের গান গেয়ে থাকি ,ও বিভিন্ন ভ্রমন মূলক ভিডিও ,ও রামকৃষ্ণ মঠ মিশনের অনুষ্ঠান, ঠাকুর মা স্বামীজীর বাণী , ও ভক্তিমূলক ভিডিও পোস্ট করে থাকি । বন্ধুরা পাশে থাকুন,সাথে থাকুন 🙏💓🙏
Hii everyone!! Wellcome My channel Bandana chakraborty music!
Hometown ...Bishnupur,Bankura ,Mother Tongue .....Bangali Language.
Bandana Chakraborty Music
আজকের মঙ্গল দর্শন, ঠাকুরের আশির্বাদ বর্ষিত হোক সকলের উপরে, জয় ঠাকুর 🙏🙏🌺🌺🙏🙏 জয় মা 🙏🙏🌺🌺🙏🙏
21 hours ago | [YT] | 697
View 23 replies
Bandana Chakraborty Music
আজকের মঙ্গল দর্শন, ঠাকুরের আশির্বাদ বর্ষিত হোক সকলের উপরে, জয় ঠাকুর 🙏🙏🌺🌺🙏🙏জয় মা 🙏🙏🌺🌺🙏🙏
1 day ago | [YT] | 859
View 22 replies
Bandana Chakraborty Music
আজকের মঙ্গল দর্শন, ঠাকুরের আশির্বাদ বর্ষিত হোক সকলের উপরে, জয় ঠাকুর 🙏🙏🌺🌺🙏🙏জয় মা 🙏🙏🌺🌺🙏🙏
2 days ago | [YT] | 792
View 21 replies
Bandana Chakraborty Music
আজকের মঙ্গল দর্শন, ঠাকুরের আশির্বাদ বর্ষিত হোক সকলের উপরে, জয় ঠাকুর 🙏🙏🌺🌺🙏🙏 জয় মা 🙏🙏🌺🌺🙏🙏
3 days ago | [YT] | 839
View 42 replies
Bandana Chakraborty Music
আজকের মঙ্গল দর্শন, ঠাকুরের আশির্বাদ বর্ষিত হোক সকলের উপরে, জয় ঠাকুর 🙏🙏🌺🌺🙏🙏 জয় মা 🙏🙏🌺🌺🙏🙏
4 days ago | [YT] | 925
View 27 replies
Bandana Chakraborty Music
আজকের মঙ্গল দর্শন, ঠাকুরের আশির্বাদ বর্ষিত হোক সকলের উপরে, জয় ঠাকুর 🙏🙏🌺🌺🙏🙏 জয় মা 🙏🙏🌺🌺🙏🙏
5 days ago | [YT] | 822
View 30 replies
Bandana Chakraborty Music
আজকের মঙ্গল দর্শন, ঠাকুরের আশির্বাদ বর্ষিত হোক সকলের উপরে, জয় ঠাকুর 🙏🙏🌺🌺🙏🙏 জয় মা 🙏🙏🌺🌺🙏🙏
6 days ago | [YT] | 855
View 27 replies
Bandana Chakraborty Music
আজকের মঙ্গল দর্শন, ঠাকুরের আশির্বাদ বর্ষিত হোক সকলের উপরে, জয় ঠাকুর 🙏🙏🌺🌺🙏🙏 জয় মা 🙏🙏🌺🌺🙏🙏"ঠাকুর নির্বাণকেও উচ্চতম স্থান দিতেন না| আমি একবার তাঁকে বলেছিলাম, 'আমি নির্বাণ চাই', তাতে তিনি বললেন "তুই তো ভারি হীনবুদ্ধি।জীবই নির্বাণ চায়।সিদ্ধ যে, সে সংসারেই থাকে তাতে লিপ্ত না হয়ে মজাটা লোটে।মুক্তির পরে অহৈতুকী ভক্তি হয়। তাতে ঐশ্বর্যের দিকে আদৌ নজর থাকে না, যেমন গোপীদের যশোদানন্দন শ্রীকৃষ্ণের প্রতি ছিল।"
"শিব,শুক,নারদ'।ঠাকুর বলতেন, শিব ব্রহ্মসাগরের তিন গণ্ডূষ জল খেয়েছিলেন, শুকদেব স্পর্শ করেছিলেন এবং নারদ দর্শন করেছিলেন।''
- ভগবান শ্রীরামকৃষ্ণদেবের অন্তরঙ্গ সন্ন্যাসী পার্ষদ শ্রীমৎ স্বামী তুরীয়ানন্দজী মহারাজের পুণ্য আবির্ভাব তিথি-- সশ্রদ্ধ প্রণাম।
1 week ago | [YT] | 817
View 24 replies
Bandana Chakraborty Music
আজকের মঙ্গল দর্শন, ঠাকুরের আশির্বাদ বর্ষিত হোক সকলের উপরে, শুভ নুতন বছরের সবার প্রতেকটি দিন ঠাকুরের ও মায়ের আশীর্বাদে সুন্দর কাটুক 🙏🙏👉 কল্পতরু উৎসব হল একটি হিন্দু উৎসব।
রামকৃষ্ণ মঠের সন্ন্যাসীবৃন্দ ও রামকৃষ্ণ মিশনের গৃহস্থরা এই উৎসব পালন করেন।
বিশ্বব্যাপী বেদান্ত সোসাইটিগুলিতেও এই উৎসব পালিত হয়।
১৮৮৬ সালের ১ জানুয়ারি এই উৎসব শুরু হয়েছিল।
এই দিন রামকৃষ্ণ পরমহংস তাঁর অনুগামীদের কাছে নিজেকে ঈশ্বরের অবতার বলে ঘোষণা করেছিলেন।
বিভিন্ন জায়গায় এই উৎসব পালিত হলেও কাশীপুর উদ্যানবাটীতে (বর্তমানে রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের একটি শাখাকেন্দ্র) এই উৎসব মহাসমারোহে পালিত হয়। এখানেই রামকৃষ্ণ পরমহংস জীবনের শেষদিনগুলি অতিবাহিত করেছিলেন।
রামকৃষ্ণ পরমহংসের অনুগামীরা এই উৎসবকে "ঠাকুরের বিশেষ উৎসব"গুলির অন্যতম উৎসব হিসেবে গণ্য করেন ১৮৮৬ সালের ১ জানুয়ারি প্রথম কল্পতরু উৎসবের দিনটি রামকৃষ্ণ পরমহংস ও তাঁর অনুগামীদের জীবনে ছিল এক “অভূতপূর্ব তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা।”
রামকৃষ্ণ পরমহংস সেই সময় দুরারোগ্য গলার ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছিলেন এবং তাঁর শারীরিক অবস্থারও যথেষ্ট অবনতি ঘটেছিল।
উত্তর কলকাতার কাশীপুর অঞ্চলের একটি বাগানবাড়িতে চিকিৎসার সুবিধার জন্য তাঁকে নিয়ে আসা হয়েছিল।
১ জানুয়ারি একটু সুস্থ বোধ করায় তিনি বাগানে হাঁটতে বেরিয়েছিলেন।
সেখানে তিনি তাঁর অনুগামী নাট্যকার গিরিশচন্দ্র ঘোষকে জিজ্ঞাসা করেন, “তোমার কি মনে হয়, আমি কে?”
গিরিশচন্দ্র বলেন, তিনি বিশ্বাস করেন যে রামকৃষ্ণ পরমহংস “মানবকল্যাণের জন্য মর্ত্যে অবতীর্ণ ঈশ্বরের অবতার।”
রামকৃষ্ণ পরমহংস বলে, “আমি আর কি বলব? তোমাদের চৈতন্য হোক।”
এরপর তিনি সমাধিস্থ হয়ে তাঁর প্রত্যেক শিষ্যকে স্পর্শ করেন।
রামকৃষ্ণ-অনুগামীদের মতে, তাঁর স্পর্শে সেদিন প্রত্যেকের অদ্ভুত কিছু আধ্যাত্মিক অনুভূতি হয়েছিল।
উল্লেখ্য, এই দিন রামকৃষ্ণ পরমহংসের গৃহস্থ শিষ্যরাই তাঁর কাছে উপস্থিত ছিলেন। তাঁর সন্ন্যাসী শিষ্যেরা সেই দিন তাঁর কাছে ছিলেন না।
প্রথমে গিরিশ ঘোষ এবং পরে উপস্থিত ভক্তরা সমস্বরে উদ্বেলিত আনন্দে বলে উঠলেন, ‘জয় শ্রীরামকৃষ্ণ, জয় শ্রীরামকৃষ্ণ।’
ঠাকুরের স্পর্শে যেন তাঁদের অন্তরের সব মালিন্য দূর হয়ে গিয়েছে। যেন এক নতুন দিব্য মন তাঁদের হৃদয়ে প্রতিস্থাপিত হয়েছে। তারই আবেগে কেউ কেঁদে উঠলেন হাউহাউ করে, কেউ আনন্দে হেসে উঠলেন, আবার কেউ ধ্যানমগ্ন হয়ে গেলেন। কেউ বাকরুদ্ধ অবস্থায় ঠাকুরের সেই দিব্যমূর্তি দর্শন করতে লাগলেন। ঠাকুর কারও মাথায় হাত বুলিয়ে দিলেন, কারও বুকে হাত বুলিয়ে দিলেন, কারও মাথা তিনি পা দিয়ে স্পর্শ করলেন। কয়েক মুহূর্তের মধ্যে কাশীপুর উদ্যানবাটিতে রচিত হল স্বর্গের পরিবেশ।
এ যেন ঠাকুরের এক লীলা। মর্তধামে নেমে এসে অজ্ঞানতার আলোকে নিমজ্জমান মানুষের মনে জ্ঞানের প্রদীপ জ্বালিয়ে তোলার লীলা। সেই লীলা ভক্তের সঙ্গে প্রেমের লীলা।
‘তাই তো প্রভু, হেথায় এলে নেমে, তোমারি প্রেম ভক্তপ্রাণের প্রেমে।’
অচেতন মানুষের, কূপমণ্ডুক মানুষের মনের ভিতরে চৈতন্য প্রবাহের মধ্যে দিয়ে প্রেমকে জাগিয়ে তোলার প্রয়াস। প্রেম বিনে তো জগৎ মিছে। এখানে একে অপরকে ভালোবাসতে না পারলে, অন্যের কল্যাণ ভাবনায় নিজেকে সমর্পিত না করতে পারলে জীবজগৎ বাঁচে না। সেই বাণীই সেদিন চৈতন্যের বরদানের মধ্য দিয়ে তিনি বুঝিয়ে দিয়েছিলেন। বুঝিয়ে দিয়েছিলেন, ঈশ্বরের দিকে আমাদের প্রতিদিনের এই এগিয়ে চলার নামই সাধনা, মানসভূমির চৈতন্য থেকেই উৎসারিত সেই অনন্ত আকুতি।
ঠাকুরের সেই অবতার রূপে আত্মপ্রকাশের দিনটি আজও পালিত হয়ে আসছে ‘কল্পতরু দিবস’ হিসাবে। সেই উৎসবে যেমন শামিল হন সন্ন্যাসীরা, তেমনই শামিল হন ভক্তরাও। বাঙালি সেদিন ঠাকুরের চরণে পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন করে ব্রহ্ম-স্বরূপের আভাসকে উপলব্ধি করতে চান। তাই কাশীপুর উদ্যানবাটিই শুধু নয়, দক্ষিণেশ্বর সহ মঠ ও মিশনের সর্বত্র এই উৎসব পালন করে আমরা ঠাকুরের কৃপালাভের চেষ্টা করি।
রামকৃষ্ণ পরমহংসের অন্যতম শিষ্য রামচন্দ্র দত্ত ব্যাখ্যা করে বলেছিলেন, সেই দিন রামকৃষ্ণ পরমহংস হিন্দু পুরাণে বর্ণিত কল্পতরুতে পরিণত হয়েছিলেন।
তিনিই এই দিনটিকে কল্পতরু দিবস নাম দিয়েছিলেন, যা পরে কল্পতরু উৎসব নামে পরিণত হয়েছিল।
👉 কল্প কথার অর্থ হলো ইচ্ছে এবং তরু কথার অর্থ হলো বৃক্ষ। অর্থাৎ যে গাছের কাছে আপনি নিজের মন কামনা জানালে সেটি পূরণ হয়ে যায় তাকেই বলা হয় কল্পতরু।
প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী কল্পতরু হলো এমন একটি বিশেষ বৃক্ষ, যার কাছে কিছু চাইলে তিনি ফিরিয়ে দেন না।
👉পুরান মতে, স্বর্গের নন্দন কাননে পারিজাত বৃক্ষ নামে একটি বিশেষ বৃক্ষ রয়েছে, যাকে কল্পতরু বলা হয়।
সমুদ্র মন্থনের সময় সমুদ্র থেকে শুধু লক্ষ্মী দেবী, অমৃত, ঐরাবত, কৌস্তুভ মুনি নন, উঠে এসেছিল এই বৃক্ষটিও।
এটি পরবর্তীকালে দেবরাজ ইন্দ্রের নন্দন কাননে স্থান পেয়েছিল, সেই নন্দনকানন থেকেই শ্রীকৃষ্ণ এই গাছটি মর্ত্যে নিয়ে এসেছিলেন স্ত্রীর মন রাখার জন্য।
1 week ago | [YT] | 914
View 16 replies
Bandana Chakraborty Music
আজকের মঙ্গল দর্শন, ঠাকুরের আশির্বাদ বর্ষিত হোক সকলের উপরে, জয় ঠাকুর 🙏🙏🌺🌺🙏🙏 জয় মা 🙏🙏🌺🌺🙏🙏
1 week ago | [YT] | 834
View 38 replies
Load more