গতকাল থেকে সংবাদমাধ্যমে বেশ শোরগোল—গাজিপুরের একটি হোটেল থেকে নাকি দুজন আলেমসহ সাতজনকে আটক করা হয়েছে। ছবিতে সাদা রুমালে মুখ ঢাকা দুজন আলেমকে দেখে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে, ঢালাওভাবে কাউকেই কি অপরাধী বলে দেওয়া যায়? ভালো করে দেখুন তো, ওই আলেমদ্বয়কে কি অপরাধী মনে হয়?
বাস্তবতা কিন্তু এর বিপরীতও হতে পারে। চিকিৎসার প্রয়োজনে, কিংবা বেড়াতে এসে, অথবা কোনো জরুরি কাজে দূর থেকে এসে আত্মীয়স্বজনের বাসায় ওঠার সুযোগ না থাকায় নিজের বিবাহিত স্ত্রীকে নিয়ে হোটেলে ওঠা কি অপরাধ? কিন্তু আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যখন কোনো হোটেলে অভিযান চালায়, তখন অপরাধীদের পাশাপাশি কোনো বৈধ দম্পতি বা নিরপরাধ আলেম বিপদে পড়লেও তাদের একই পাল্লায় মেপে গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরা হয়।
আজ থেকে প্রায় ১০–১২ বছর আগের একটি ঘটনা মনে পড়ে। আমার এক ক্লাসমেট, যিনি আলেম, সিলেটের বাইরে এক জায়গায় খেদমত করতেন। উনার স্ত্রী সিলেট শহরের একটি মহিলা মাদ্রাসায় পড়তেন। সেখানে কোনো আত্মীয়ের বাসা না থাকায় মাঝেমধ্যে স্ত্রীকে নিয়ে তিনি হোটেলে উঠতেন। একদিন হোটেলের সব রুমে পুলিশ তল্লাশি চালিয়ে অন্যান্যদের সাথে তাদেরকেও ধরে অনৈতিক কাজের তকমা দেওয়ার চেষ্টা করে। কাবিননামা না থাকায় তাদের চরম হেনস্তার শিকার হতে হয়। শেষ পর্যন্ত উভয় পরিবারের অভিভাবকরা ফোনে ক্লিয়ারেন্স দেওয়ার পর তারা মুক্ত হন। পরবর্তীতে সেই সাথী আক্ষেপ করে বলেছিলেন—একজন সাধারণ মানুষ হোটেলে উঠলে কেউ কিছু বলে না, কিন্তু কোনো আলেম প্রয়োজনে স্ত্রীকে নিয়ে গেলেও সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি বদলে যায়।
গাজিপুরের ঘটনাটিতেও লক্ষ্য করুন—আটক সাতজনের মধ্যে বাকি পাঁচজনকে নিয়ে বিশেষ কোনো আলোচনা নেই। গণমাধ্যমের পুরো নজর ‘দুই আলেম’ এর ওপর। সংবাদমাধ্যমের এই চটকদার মানসিকতা (Sensationalism) এবং ঢালাও প্রচারণার কারণে সমাজে এক ধরনের ‘ইসলামোফোবিয়া’ বা ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের প্রতি বিদ্বেষ উসকে দেওয়া হচ্ছে।
এটাও কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। সাম্প্রতিক সময়ে মাদরাসা ও হুজুরবিদ্বেষ ছড়ানোর অপচেষ্টারই অংশ হতে পারে। দেশের সচেতন নাগরিক বলতেই জানেন, প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে নূরানী ও কওমি ধারা সাধারণ মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। অন্যদিকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে আশংকাজনক হারে কমেছে ছাত্র-ছাত্রী। এর কারণ হিসেবে চিত্রিত করা হয়েছে দেশের আনাচেকানাচে প্রচুর নূরানি কওমি মাদরাসা! আর এরপর থেকেই সমাজের চোখে মাদরাসা-শিক্ষার ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য একটা মহলকে সরব ভূমিকা পালন করতে দেখা যায়!
কিছু অখ্যাত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দু-একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে যখন পুরো কওমি ও মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থাকে কলঙ্কিত করার অপচেষ্টা চালানো হয়, তখন এর পেছনের উদ্দেশ্যে নিয়ে সন্দেহ জাগা স্বাভাবিক।
আইনি প্রক্রিয়া বা সত্যতা উন্মোচনের আগেই কাউকেই গণমাধ্যমের কাঠগড়ায় অপরাধী বানিয়ে দেওয়া এবং তার ওপর ভিত্তি করে একটি পুরো গোষ্ঠীকে হেয় করা সুস্থ বিচারবুদ্ধির পরিচয় হতে পারে না। আবেগের বশে গণমাধ্যমের এসব প্রচারণা গিলে না খেয়ে, ঘটনার পেছনের সামাজিক বাস্তবতা ও উদ্দেশ্য বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়াই এখন সচেতন নাগরিকের কাজ।
ঘটনাটা নরসিংদীর। বাচ্চাটার মা বেশ কিছুদিন ধরেই খেয়াল করছিলেন, উনি বাচ্চাকে রেখে একটু বাইরে গেলেই ফিরে এসে দেখেন বাচ্চাটা একদম চিল্লাইয়া কান্নাকাটি করতেছে। শরীরের বিভিন্ন জায়গায় লাল লাল দাগও দেখতেন।
মায়ের মন তো, খটকা লেগেছিলে। কিন্তু প্রমাণ ছাড়া তো আর ঘরের মানুষকে সন্দেহ করা যায় না, উল্টো সবাই তাকেই পাগল বলবে। তাই উনি বুদ্ধি করে ঘরের এক কোণায় মোবাইলের ক্যামেরা অন করে রেখে ওয়াশরুমে যান। আর তাতেই বেরিয়ে আসে সেই শিউরে ওঠার মতো সত্যি!
ভিডিওতে দেখা যায়, মা ঘর থেকে বের হতেই সেখানে ঢোকে বাচ্চাটার আপন বড় চাচি। কোনো দ্বিধাদ্বন্দ্ব ছাড়া, একদম ঠান্ডা মাথায় বিছানায় শোয়া ওই ছোট্ট বাচ্চার পা-টা উল্টো দিকে মুচড়ে জোরে চাপ দেয়। বাচ্চার হা/ ড় ভে/ ঙে যাওয়ার সাথে সাথে সে য/ন্ত্রণা/য় চিৎকার করে ওঠে, আর ওই মহিলাও কাজ সেরে দৌড়ে পালায়।
ভাইরে ভাই, একটা মানুষ এতটা নিচে কীভাবে নামতে পারে? একটা মেয়ে মানুষ হয়ে আর একজন মা বা চাচি হয়ে কীভাবে একটা ২ মাসের নবজাতকের সাথে এই অমানুষিক কাজটা করতে পারলো? ভিডিওটা না দেখলে আসলেই বিশ্বাস করা কঠিন হতো।
এই ঘটনা আমাদের চোখ আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিলো যে শত্রু শুধু বাইরের রাস্তায় থাকে না, অনেক সময় ঘরের ভেতরেই আত্মীয়তার মুখোশ পরে ঘুরে বেড়ায়।
এই মা যদি সেদিন ক্যামেরাটা অন না রাখতেন, তবে হয়তো কোনোদিন জানাই যেত না বাচ্চাটার এই অবস্থা কেন হচ্ছিলো। সবাই ভাবতো বাচ্চার কোনো রোগ হয়েছে বা খাট থেকে পড়ে ব্যথা পেয়েছে।
এই নরপিশাচ মহিলার এমন শাস্তি হওয়া উচিত যাতে আর কোনো বাচ্চার ওপর এভাবে হাত তোলার সাহস কেউ কোনোদিন না পায়।
নিজের বাচ্চাদের চোখে চোখে রাখুন। আজকাল কাকে বিশ্বাস করবেন আর কাকে করবেন না সেটাই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।🙂
সেনাপ্রধান দায়িত্বে থাকাকালে দাড়ি রাখতে দেখিনি। তিনিই সম্ভবত প্রথম এমন দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন।
কেউ বলতেই পারেন, দাড়িই কি ইসলাম?
জি ভাই, আমার কাছে এটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
দাড়ির জন্য এইদেশে কত মানুষ গুম হয়েছেন, জ---ঙ্গি ট্যাগ খেয়েছেন, গ্রেফতার হয়েছেন সেই তালিকা অনেক লম্বা। এমন একটি দেশের সেনাপ্রধান যদি দাড়ি রাখেন, আমি একে স্যালুট জানাই। আল্লাহ উনাকে কবুল করুন।
প্রত্যেক মা-বাবার এই লিখাটা পড়া উচিত! ঈদের ছুটি কাটাতে সবাই গ্রামে যাচ্ছেন। ছোট বাচ্চাদেরকে দূর সম্পর্কের চাচাতো ভাই, ফুপাতো ভাই, মামা-চাচাদের আপনার উপস্থিতি ব্যতীত কোলে দিবেন না। তাদের সাথে একা দোকানে, বাজারে, হাঁটতে পাঠাবেন না। না মানে না।
◾বর্তমানে সন্তানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তার জন্যই সবাইকে অনিরাপদ ভাবতে হবে। কারন : আপনি এমন একদেশে বাস করেন, ১২বছর আগের ক্ষোভ আপনার সন্তানের উপর ঝাড়বে! এজন্য বাচ্চার কাজিনরা একত্রে ঘুমাতে চাইলে তাতেও নজরদারি রাখবেন। মেয়েকে ছেলে বাচ্চার সাথে ঘুমাতে দিবেন না। মেয়ে কাজিনদের সঙ্গে ঘুমালেও একই ঘরে সম্ভব হলে আপনিও থাকবেন। যেখানে বেড়াতে যাবেন : চোখের আড়াল হতে দেওয়া যাবে না। বিশেষ করে মেয়ে সন্তানকে। সন্তান কার সঙ্গ দিচ্ছে, কি খেলছে, কোন কনটেন্ট দেখছে। এই বিষয়েই নজর রাখতেই হবে। মেয়েকে অন্য বাচ্চাদের সাথে নিশ্চিন্তে খেলাধুলা করতে দিবেন। আর সে নিরাপদ থাকবে। এটা অন্তত আর ভাবার সুযোগ নেই।
◾মনে রাখবেন : বাচ্চাগুলো আমাদের সন্তানই না, এরা রবের দেওয়া আমানত। কিয়ামতের দিন এই আমানতের হেফাজত সম্পর্কেও জিজ্ঞাসা করা হবে। এখন সেই যুগ আর নেই যে হেলতে দুলতে সন্তান বড় করে ফেলবেন। আপনার সন্তানের হাতটা খুব শক্ত করে ধরে রাখুন, নিষ্পাপ ফুলদের জন্য এই পৃথিবী নিরাপদ নয়।
meem TV
সৌদি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায়
বাংলাদেশের অর্জন
ছেলে গ্রুপে ৩০ পারা ৩য়,১৫ পারা ১ম।
মেয়ে গ্রুপে ৩০ পারা ৩য়,১৫ পরা ৩য় স্থান।
1 week ago | [YT] | 437
View 9 replies
meem TV
মাশাআল্লাহ অসাধারণ দৃশ্য
3 weeks ago | [YT] | 0
View 0 replies
meem TV
গতকাল থেকে সংবাদমাধ্যমে বেশ শোরগোল—গাজিপুরের একটি হোটেল থেকে নাকি দুজন আলেমসহ সাতজনকে আটক করা হয়েছে। ছবিতে সাদা রুমালে মুখ ঢাকা দুজন আলেমকে দেখে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে, ঢালাওভাবে কাউকেই কি অপরাধী বলে দেওয়া যায়? ভালো করে দেখুন তো, ওই আলেমদ্বয়কে কি অপরাধী মনে হয়?
বাস্তবতা কিন্তু এর বিপরীতও হতে পারে। চিকিৎসার প্রয়োজনে, কিংবা বেড়াতে এসে, অথবা কোনো জরুরি কাজে দূর থেকে এসে আত্মীয়স্বজনের বাসায় ওঠার সুযোগ না থাকায় নিজের বিবাহিত স্ত্রীকে নিয়ে হোটেলে ওঠা কি অপরাধ? কিন্তু আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যখন কোনো হোটেলে অভিযান চালায়, তখন অপরাধীদের পাশাপাশি কোনো বৈধ দম্পতি বা নিরপরাধ আলেম বিপদে পড়লেও তাদের একই পাল্লায় মেপে গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরা হয়।
আজ থেকে প্রায় ১০–১২ বছর আগের একটি ঘটনা মনে পড়ে। আমার এক ক্লাসমেট, যিনি আলেম, সিলেটের বাইরে এক জায়গায় খেদমত করতেন। উনার স্ত্রী সিলেট শহরের একটি মহিলা মাদ্রাসায় পড়তেন। সেখানে কোনো আত্মীয়ের বাসা না থাকায় মাঝেমধ্যে স্ত্রীকে নিয়ে তিনি হোটেলে উঠতেন। একদিন হোটেলের সব রুমে পুলিশ তল্লাশি চালিয়ে অন্যান্যদের সাথে তাদেরকেও ধরে অনৈতিক কাজের তকমা দেওয়ার চেষ্টা করে। কাবিননামা না থাকায় তাদের চরম হেনস্তার শিকার হতে হয়। শেষ পর্যন্ত উভয় পরিবারের অভিভাবকরা ফোনে ক্লিয়ারেন্স দেওয়ার পর তারা মুক্ত হন। পরবর্তীতে সেই সাথী আক্ষেপ করে বলেছিলেন—একজন সাধারণ মানুষ হোটেলে উঠলে কেউ কিছু বলে না, কিন্তু কোনো আলেম প্রয়োজনে স্ত্রীকে নিয়ে গেলেও সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি বদলে যায়।
গাজিপুরের ঘটনাটিতেও লক্ষ্য করুন—আটক সাতজনের মধ্যে বাকি পাঁচজনকে নিয়ে বিশেষ কোনো আলোচনা নেই। গণমাধ্যমের পুরো নজর ‘দুই আলেম’ এর ওপর। সংবাদমাধ্যমের এই চটকদার মানসিকতা (Sensationalism) এবং ঢালাও প্রচারণার কারণে সমাজে এক ধরনের ‘ইসলামোফোবিয়া’ বা ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের প্রতি বিদ্বেষ উসকে দেওয়া হচ্ছে।
এটাও কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। সাম্প্রতিক সময়ে মাদরাসা ও হুজুরবিদ্বেষ ছড়ানোর অপচেষ্টারই অংশ হতে পারে। দেশের সচেতন নাগরিক বলতেই জানেন,
প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে নূরানী ও কওমি ধারা সাধারণ মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। অন্যদিকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে আশংকাজনক হারে কমেছে ছাত্র-ছাত্রী। এর কারণ হিসেবে চিত্রিত করা হয়েছে দেশের আনাচেকানাচে প্রচুর নূরানি কওমি মাদরাসা! আর এরপর থেকেই সমাজের চোখে মাদরাসা-শিক্ষার ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য একটা মহলকে সরব ভূমিকা পালন করতে দেখা যায়!
কিছু অখ্যাত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দু-একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে যখন পুরো কওমি ও মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থাকে কলঙ্কিত করার অপচেষ্টা চালানো হয়, তখন এর পেছনের উদ্দেশ্যে নিয়ে সন্দেহ জাগা স্বাভাবিক।
আইনি প্রক্রিয়া বা সত্যতা উন্মোচনের আগেই কাউকেই গণমাধ্যমের কাঠগড়ায় অপরাধী বানিয়ে দেওয়া এবং তার ওপর ভিত্তি করে একটি পুরো গোষ্ঠীকে হেয় করা সুস্থ বিচারবুদ্ধির পরিচয় হতে পারে না। আবেগের বশে গণমাধ্যমের এসব প্রচারণা গিলে না খেয়ে, ঘটনার পেছনের সামাজিক বাস্তবতা ও উদ্দেশ্য বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়াই এখন সচেতন নাগরিকের কাজ।
© মাওলানা Ainul Haque Qasimi
1 month ago | [YT] | 0
View 0 replies
meem TV
ঘটনাটা নরসিংদীর। বাচ্চাটার মা বেশ কিছুদিন ধরেই খেয়াল করছিলেন, উনি বাচ্চাকে রেখে একটু বাইরে গেলেই ফিরে এসে দেখেন বাচ্চাটা একদম চিল্লাইয়া কান্নাকাটি করতেছে। শরীরের বিভিন্ন জায়গায় লাল লাল দাগও দেখতেন।
মায়ের মন তো, খটকা লেগেছিলে। কিন্তু প্রমাণ ছাড়া তো আর ঘরের মানুষকে সন্দেহ করা যায় না, উল্টো সবাই তাকেই পাগল বলবে। তাই উনি বুদ্ধি করে ঘরের এক কোণায় মোবাইলের ক্যামেরা অন করে রেখে ওয়াশরুমে যান।
আর তাতেই বেরিয়ে আসে সেই শিউরে ওঠার মতো সত্যি!
ভিডিওতে দেখা যায়, মা ঘর থেকে বের হতেই সেখানে ঢোকে বাচ্চাটার আপন বড় চাচি।
কোনো দ্বিধাদ্বন্দ্ব ছাড়া, একদম ঠান্ডা মাথায় বিছানায় শোয়া ওই ছোট্ট বাচ্চার পা-টা উল্টো দিকে মুচড়ে জোরে চাপ দেয়। বাচ্চার হা/ ড় ভে/ ঙে যাওয়ার সাথে সাথে সে য/ন্ত্রণা/য় চিৎকার করে ওঠে, আর ওই মহিলাও কাজ সেরে দৌড়ে পালায়।
ভাইরে ভাই, একটা মানুষ এতটা নিচে কীভাবে নামতে পারে? একটা মেয়ে মানুষ হয়ে আর একজন মা বা চাচি হয়ে কীভাবে একটা ২ মাসের নবজাতকের সাথে এই অমানুষিক কাজটা করতে পারলো?
ভিডিওটা না দেখলে আসলেই বিশ্বাস করা কঠিন হতো।
এই ঘটনা আমাদের চোখ আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিলো যে শত্রু শুধু বাইরের রাস্তায় থাকে না, অনেক সময় ঘরের ভেতরেই আত্মীয়তার মুখোশ পরে ঘুরে বেড়ায়।
এই মা যদি সেদিন ক্যামেরাটা অন না রাখতেন, তবে হয়তো কোনোদিন জানাই যেত না বাচ্চাটার এই অবস্থা কেন হচ্ছিলো। সবাই ভাবতো বাচ্চার কোনো রোগ হয়েছে বা খাট থেকে পড়ে ব্যথা পেয়েছে।
এই নরপিশাচ মহিলার এমন শাস্তি হওয়া উচিত যাতে আর কোনো বাচ্চার ওপর এভাবে হাত তোলার সাহস কেউ কোনোদিন না পায়।
নিজের বাচ্চাদের চোখে চোখে রাখুন। আজকাল কাকে বিশ্বাস করবেন আর কাকে করবেন না সেটাই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।🙂
1 month ago | [YT] | 2
View 0 replies
meem TV
বাংলাদেশের বিখ্যাত ব্যাক্তি।
হযরতের নাম কে কে জানেন?
1 month ago | [YT] | 6
View 0 replies
meem TV
হে আল্লাহ সকল শিশুদের কে আপনি হেফাজত করেন
1 month ago | [YT] | 1
View 0 replies
meem TV
পবিত্র কাবা
নতুন গিলাফে সজ্জিত মাশাআল্লাহ।
হে আল্লাহ আপনার ঘরের জন্য
আমাদের কে কবুল করেন।
#kaba #Haramain
2 months ago | [YT] | 18
View 0 replies
meem TV
জেনারেল ওয়াকারুজ্জামান। বাংলাদেশের সেনাপ্রধান।
সেনাপ্রধান দায়িত্বে থাকাকালে দাড়ি রাখতে দেখিনি। তিনিই সম্ভবত প্রথম এমন দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন।
কেউ বলতেই পারেন, দাড়িই কি ইসলাম?
জি ভাই, আমার কাছে এটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
দাড়ির জন্য এইদেশে কত মানুষ গুম হয়েছেন, জ---ঙ্গি ট্যাগ খেয়েছেন, গ্রেফতার হয়েছেন সেই তালিকা অনেক লম্বা। এমন একটি দেশের সেনাপ্রধান যদি দাড়ি রাখেন, আমি একে স্যালুট জানাই। আল্লাহ উনাকে কবুল করুন।
2 months ago | [YT] | 7
View 0 replies
meem TV
যাঁরা নিজের মায়ের সাথে এমন আচরণ করে !
তারা দেশ-ও জাতিকে কি দিবে ?
হে আল্লাহ সবাই কে সঠিক বুঝ দান করেন।
2 months ago | [YT] | 2
View 0 replies
meem TV
প্রত্যেক মা-বাবার এই লিখাটা পড়া উচিত!
ঈদের ছুটি কাটাতে সবাই গ্রামে যাচ্ছেন। ছোট বাচ্চাদেরকে দূর সম্পর্কের চাচাতো ভাই, ফুপাতো ভাই, মামা-চাচাদের আপনার উপস্থিতি ব্যতীত কোলে দিবেন না। তাদের সাথে একা দোকানে, বাজারে, হাঁটতে পাঠাবেন না। না মানে না।
◾বর্তমানে সন্তানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তার জন্যই সবাইকে অনিরাপদ ভাবতে হবে।
কারন : আপনি এমন একদেশে বাস করেন, ১২বছর আগের ক্ষোভ আপনার সন্তানের উপর ঝাড়বে!
এজন্য বাচ্চার কাজিনরা একত্রে ঘুমাতে চাইলে তাতেও নজরদারি রাখবেন। মেয়েকে ছেলে বাচ্চার সাথে ঘুমাতে দিবেন না। মেয়ে কাজিনদের সঙ্গে ঘুমালেও একই ঘরে সম্ভব হলে আপনিও থাকবেন।
যেখানে বেড়াতে যাবেন : চোখের আড়াল হতে দেওয়া যাবে না। বিশেষ করে মেয়ে সন্তানকে। সন্তান কার সঙ্গ দিচ্ছে, কি খেলছে, কোন কনটেন্ট দেখছে। এই বিষয়েই নজর রাখতেই হবে। মেয়েকে অন্য বাচ্চাদের সাথে নিশ্চিন্তে খেলাধুলা করতে দিবেন।
আর সে নিরাপদ থাকবে। এটা অন্তত আর ভাবার সুযোগ নেই।
◾মনে রাখবেন :
বাচ্চাগুলো আমাদের সন্তানই না, এরা রবের দেওয়া আমানত। কিয়ামতের দিন এই আমানতের হেফাজত সম্পর্কেও জিজ্ঞাসা করা হবে। এখন সেই যুগ আর নেই যে হেলতে দুলতে সন্তান বড় করে ফেলবেন। আপনার সন্তানের হাতটা খুব শক্ত করে ধরে রাখুন, নিষ্পাপ ফুলদের জন্য এই পৃথিবী নিরাপদ নয়।
3 months ago | [YT] | 2
View 0 replies
Load more