আমার খুব প্রিয় একটা কাজ হলো মোনাজাতের ভাষা শেখা, আল্লাহপাকের কাছে চাইতে শেখা। আমরা চাইতেও জানিনা, গাড়ি চাই, বাড়ি চাই,টাকা চাই অথচ সুন্দর ভাষায় দুনিয়া আর আখিরাতের কল্যাণ চাইলে কিন্তু সব cover হয়! সুন্দর একটা মোনাজাত সংগ্রহ করেছি আজকে। কথাগুলো বেশিরভাগই জানা,চেষ্টা করি এভাবেই আল্লাহপাকের কাছে চাইতে।ফেসবুক ওয়ালে দিয়ে দিলাম আমার মতন আরো অনেকেই যাতে শিখতে পারে।
ইয়া আল্লাহ, ইয়া রহমান, ইয়া রহিম, ইয়া যাল যালালি ওয়াল ইকরাম, ইয়া মালিক, ইয়া খালিক, ইয়া রব। রব্বুল আলামীন আপনার ঐ মহান নামের উছিলায় আমাদের দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণ দিন।
আমাদের রিযিক বৃদ্ধি করে দিন, আমাদের কে ঋনমুক্ত, অভাব মুক্ত, চিন্তা মুক্ত রাখুন মাবুদ। রব্বুল আলামীন আমাদের কে নেক হায়াত দান করুন, আমাদের পিতা মাতার মঙ্গল করুন।
যেসব আত্নীয় স্বজন কবরবাসি হয়েছে তাদের কবর গুলো আপনি জান্নাতের বাগান বানিয়ে দিন, তাদের কবরের আজাব মাফ করে দিন।
রব্বুল আলামীন আপনার তাওহীদ - লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু এর উছিলায়,আপনার হাবীব প্রিয় বন্ধু হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উম্মত হওয়ার উছিলায় আমাদের মনের নেক ইচ্ছে গুলো কবুল আর মঞ্জুর করুন আল্লাহ।
রব্বুল আলামীন মা বাবার সন্তানদের উপর রহমত বর্ষণ করুন, স্বামী স্ত্রীর মধ্যে দূরত্ব কমিয়ে ভালোবাসা বাড়িয়ে দিন, প্রত্যেকটি পরিবারের উপর রহমত বর্ষণ করুন, আমাদের মানসিক দুশ্চিন্তা, দুঃখ কষ্ট দূর করে দিন।
আমি জানিনা কিভাবে ডাকলে আমার ডাকে সাড়া দিবেন..আমি জানিনা কিভাবে চাইলে আমার চাওয়া পূরণ করবেন...আমি জানিনা কিভাবে হাত উঠালে আমার হাত ভরে দিবেন আমি জানিনা কিভাবে দোয়া করলে আমার দোয়া কবুল করবেন..কিন্তু আপনি তো আপনার গুনাহগার বান্দার অন্তরের খবর জানেন.,ইয়া রব! আপনি তো অন্তরটাই দেখেন এবং আপনিই তো বলেছেন,,তোমরা আমাকে ডাকো আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দিবো-তোমরা আমার কাছে চাও আমি তোমাদের চাওয়া পূরণ করব।
আপনিই তো বলেছেন খালি হাতে ফিরিয়ে দিতে আপনি লজ্জা বোধ করেন।
আমি অযোগ্য আমার যোগ্যতার বাহিরে আপনি অনেক কিছুই দান করেছেন।
আমি এবারও বিশ্বাস করি আপনি আমাকে নিরাশ করবেন না..
আমি জানি আমি ছাড়া আপনার অনেক উওম বান্দা আছে কিন্তু আমার আপনি ছাড়া কেউ নেই ইয়া রব!
আমার আবদার করার মতো, ডাকার মতো, চাওয়ার মতো আপনি ছাড়া আর কেউ নেই।
ইয়া রব! আমি দুর্বল আমার ধৈর্যের পরীক্ষা নেবেন না! আমি তার উপযুক্ত নই, আমার জন্য পরীক্ষা সহজ করে দিন।
আপনি আমার ডাকে সাড়া দিন, আমার চাওয়া পূরণ করুন, ইয়া মালিক,
যারা সারাক্ষণ অন্যের ক্ষতি করার ফন্দি আঁটে—এই লেখা তাদের জন্যঃ
ইসলাম কাউকে ক্ষতি করার অনুমতি দেয় না। কিন্তু কিছু মানুষ আছে— যারা হাসিমুখে কথা বলে, আর আড়ালে ছুরি চালায়‼️ যারা অন্যের সম্মান নষ্ট করে শান্তি পায়, অন্যের চোখের জলকে তুচ্ছ মনে করে। তারা ভুলে যায়—
আল্লাহ সব দেখেন। সব শোনেন। সব হিসাব রাখেন। দুনিয়াতে তাদের পরিণতি কী?
🔹 তারা কখনো প্রকৃত শান্তি পায় না। 🔹 হিংসা তাদের হৃদয়কে পুড়িয়ে ফেলে। 🔹 মানুষ বিশ্বাস হারায়, সম্পর্ক ভেঙে যায়। 🔹 আল্লাহ বরকত তুলে নেন—থাকে শুধু অশান্তি আর শূন্যতা‼️
আজ হয়তো এসব করে আপনি নিজেকে সফল মনে করছেন; কিন্তু মনে রাখুন— যে ক্ষতি করে, সে নিজেই একদিন সেই ক্ষতির নিচে চাপা পড়ে।
আখিরাতে কী অপেক্ষা করছে❓
⚠️ কিয়ামতের দিন কোনো টাকার দাম থাকবে না, ⚠️ থাকবে না ক্ষমতা বা পরিচয়ের জোর। থাকবে শুধু— ➡️ নামাজ ➡️ রোজা ➡️ আর মানুষের হক রাসূল ﷺ বলেছেন—
“প্রকৃত দেউলিয়া সে, যে কিয়ামতের দিন অনেক আমল নিয়ে আসবে, কিন্তু মানুষকে কষ্ট দেওয়ার কারণে তার সব নেকি অন্যদের দিয়ে দেওয়া হবে।” ভাবুন একবার… আপনার নামাজ, রোজা, দান— সব চলে যাচ্ছে সেই মানুষের হাতে, যাকে আপনি কষ্ট দিয়েছিলেন। আর যখন নেকি শেষ হয়ে যাবে— তখন তাদের গোনাহ আপনার ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়া হবে।
একটি ভয়ংকর সত্য ***আল্লাহ হয়তো নিজের হক মাফ করে দেন, কিন্তু বান্দার হক ছেড়ে দেন না, যতক্ষণ না সেই মানুষ নিজে ক্ষমা করে।
আজও সময় আছে.... কারো ক্ষতি করার আগে ভাবুন— এই ক্ষতিটা কি আপনি আখিরাতে বইতে পারবেন⁉️
**** হে আল্লাহ, আমাদের এমন মানুষ বানাবেন না, যার কারণে অন্যের চোখে জল আসে‼️
বরং আমাদের এমন মানুষ বানান— যার কারণে মানুষ দোয়া করে❤️
"একবার আমি এক ব্যক্তির এক বোঝা লাকড়ি (জ্বালানি কাঠ) মাথায় করে তার বাড়িতে পৌঁছে দিচ্ছিলাম। পথিমধ্যে আমার দাঁতের ফাঁকে কিছু একটা আটকে গিয়েছিল। আমি মালিকের অজান্তেই সেই লাকড়ির বোঝা থেকে একটি ছোট্ট কাঠি (খিলাল হিসেবে ব্যবহারের জন্য) ভেঙে নিলাম এবং তা দিয়ে দাঁত খিলাল করলাম।
এরপর যখন আমার মৃত্যু হলো, আল্লাহ তা’আলা আমাকে বললেন, 'হে আমার বান্দা! তুমি কি জানতে না যে আমি তোমাকে আজ এই হিসাবের কাঠগড়ায় দাঁড় করাব? অমুক ব্যক্তি তার টাকা দিয়ে কাঠ কিনেছিল এবং তোমাকে মজুরি দিয়েছিল তা বয়ে নেওয়ার জন্য। তুমি সেই মালিকের অনুমতি ছাড়া কেন একটি কাঠি ভেঙে নিলে?'
হে আল্লাহর নবী! আল্লাহর কসম, আমি আজ ৪০ বছর ধরে এই একটিমাত্র খড়কুটোর হিসাব দিয়ে যাচ্ছি কিন্তু আজও মুক্তি পাইনি! দয়া করে আপনি আমার জন্য আল্লাহর কাছে সুপারিশ করুন।"
আমরা অনেক সময় অন্যের অতি ক্ষুদ্র জিনিস অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করি। আমরা একে খুব তুচ্ছ মনে করি। কিন্তু মনে রাখতে হবে, আল্লাহর কাছে ‘আমানত’ অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। অন্যের হক যদি একটি খড়কুটোর সমপরিমাণও হয়, তবুও পরকালে তার কড়ায়-গণ্ডায় হিসাব দিতে হবে।
১️⃣ আন্তরিক তওবা করা আগের ভুলের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। অনুতপ্ত হওয়া হারাম কাজ ছেড়ে দেওয়া ভবিষ্যতে আর না করার দৃঢ় সিদ্ধান্ত 📖 “নিশ্চয়ই আল্লাহ তওবা কবুল করেন।” (সূরা যুমার: ৫৩)
২️⃣ অপ্রয়োজনীয় যোগাযোগ বন্ধ করা নিকাহ না হওয়া পর্যন্ত— একান্তে কথা বলা আবেগী চ্যাট / কল দেখা করা এগুলো সীমিত বা বন্ধ রাখা জরুরি। 📖 “তোমরা ব্যভিচারের নিকটবর্তী হয়ো না।” (সূরা ইসরা: ৩২)
৩️⃣ পরিবারকে জানানো (হালাল পথে যাওয়ার নিয়ত) ছেলে ও মেয়ে—দু’জনের পরিবারকে বিষয়টি জানানো। লুকানো সম্পর্ক → প্রকাশ্য হালাল উদ্দেশ্য সম্মান ও বরকত আসে
৪️⃣ দ্রুত নিকাহ করার চেষ্টা করা বড় আয়োজন জরুরি নয়। নিকাহের জন্য দরকার— প্রস্তাব ও কবুল দুইজন সাক্ষী মহর নির্ধারণ 🕊️ রাসুল ﷺ বলেছেন: “যে ব্যক্তি নিকাহ করে, সে তার দ্বীনের অর্ধেক পূর্ণ করল।” (বায়হাকি)
৫️⃣ আর্থিক দুর্বলতা হলে দোয়া ও ধৈর্য টাকা না থাকলেও নিকাহ বিলম্ব করা ঠিক নয়। 📖 “তারা দরিদ্র হলে আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে অভাবমুক্ত করবেন।” (সূরা নূর: ৩২)
৬️⃣ নিকাহের আগে শারীরিক সম্পর্ক নয় এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। নিকাহের আগে স্পর্শ, চুমু, শারীরিক সম্পর্ক—সবই হারাম ধৈর্যই এখানে ইবাদত
৭️⃣ নিয়মিত দোয়া ও নামাজ বিশেষ করে— সালাতুল হাজত ইস্তিখারা এই দোয়া পড়তে পারো: رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ উচ্চারণ: রব্বানা হাব লানা মিন আযওয়াজিনা ওয়া যুররিয়্যাতিনা কুররাতা আ‘ইউন অর্থ: হে আমাদের রব! আমাদের স্ত্রী ও সন্তানদেরকে আমাদের চোখের শীতলতা বানিয়ে দাও।
🌿 পরিবার না মানলে করণীয় (ইসলামিক দৃষ্টিকোণ) ১️⃣ আগে নিজেকে প্রশ্ন করুন 👉 সম্পর্কটা কি সত্যিই নিকাহের উপযোগী? দ্বীন ও চরিত্র ঠিক আছে? দায়িত্ব নেওয়ার মানসিকতা আছে? শুধু আবেগ নয় তো? 📌 যদি এগুলো ঠিক না থাকে → আল্লাহ হয়তো রক্ষা করছেন।
২️⃣ ধৈর্য ও সম্মান বজায় রেখে বোঝানো মা–বাবাকে চাপ বা ঝগড়া করে নয়— শান্তভাবে সময় নিয়ে সম্মানের সাথে 📖 “তোমার রব আদেশ করেছেন, পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহার করতে।” (সূরা ইসরা: ২৩) 🔹 অনেক সময় পরিবার ভয় পায়— সমাজ, ভবিষ্যৎ, দায়িত্ব এসব নিয়ে।
৩️⃣ পরিবারের আপত্তির কারণ খুঁজে বের করুন কারণ আলাদা হলে সমাধানও আলাদা— আপত্তির কারণঃ — করণীয়ঃ- আর্থিক সমস্যা — সময় নিয়ে প্রস্তুতি বয়স/পড়াশোনা — অপেক্ষা করা বংশ/এলাকা — বিশ্বস্ত আলেমের মাধ্যমে বোঝানো ভুল ধারণা — বাস্তব তথ্য দেওয়া
৪️⃣ বিশ্বস্ত আলেম / বড় মুরুব্বিকে মধ্যস্থতায় আনুন 👉 ইমাম, আলেম, শিক্ষক বা পারিবারিক বড় কেউ তাদের কথা অনেক সময় পরিবার গ্রহণ করে। 📖 “সৎ লোকদের সাথে থাকো।” (সূরা তাওবা: ১১৯)
৫️⃣ ছেলে হলে: পরিবারের অনুমতি ছাড়া নিকাহ? 🔹 ছেলের ক্ষেত্রে— ইসলামে সে প্রাপ্তবয়স্ক হলে ওয়ালি লাগে না। ➡️ শরীয়ত মতে নিকাহ সহীহ হতে পারে। ⚠️ কিন্তু: পরিবার ভেঙে, সম্পর্ক নষ্ট করে নিকাহ করা উৎসাহিত নয়।
৬️⃣ মেয়ে হলে: পরিবারের অনুমতি ছাড়া নিকাহ? 🔴 মেয়ের ক্ষেত্রে— অধিকাংশ আলেমের মতে ওয়ালির অনুমতি ছাড়া নিকাহ সহীহ নয়। 📖 হাদিস: “ওয়ালি ছাড়া কোনো নিকাহ নেই।” (তিরমিজি, আবু দাউদ) 🔹 যদি ওয়ালি অযৌক্তিকভাবে বাধা দেয়— শরীয়তী ক্বাযী / আলেমের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত হয় প্রয়োজনে আদালত নিযুক্ত ওয়ালি হতে পারে
৭️⃣ পরিবার না মানলে হারাম পথে যাওয়া যাবে না ❌ পালিয়ে বিয়ে ❌ গোপন সম্পর্ক ❌ শারীরিক সম্পর্ক 📖 “আল্লাহর সীমা অতিক্রম করো না।” (সূরা বাকারা: ২২৯)
৮️⃣ সবচেয়ে কঠিন কিন্তু সবচেয়ে নিরাপদ পথ: অপেক্ষা 👉 ধৈর্য রাখা 👉 দোয়া করা 👉 নিজের চরিত্র ও অবস্থান শক্ত করা 🕊️ রাসুল ﷺ বলেছেন: “যে ব্যক্তি আল্লাহর জন্য কিছু ত্যাগ করে, আল্লাহ তাকে তার চেয়ে উত্তম কিছু দেন।”
Fahmida Akther
আমার খুব প্রিয় একটা কাজ হলো মোনাজাতের ভাষা শেখা, আল্লাহপাকের কাছে চাইতে শেখা। আমরা চাইতেও জানিনা, গাড়ি চাই, বাড়ি চাই,টাকা চাই অথচ সুন্দর ভাষায় দুনিয়া আর আখিরাতের কল্যাণ চাইলে কিন্তু সব cover হয়! সুন্দর একটা মোনাজাত সংগ্রহ করেছি আজকে। কথাগুলো বেশিরভাগই জানা,চেষ্টা করি এভাবেই আল্লাহপাকের কাছে চাইতে।ফেসবুক ওয়ালে দিয়ে দিলাম আমার মতন আরো অনেকেই যাতে শিখতে পারে।
"আলহামদুলিল্লাহ রব্বিল আলামিন ওয়াস সালাতু ওয়াস সালামু আলা সায়্যিদিল মুরসালিন।
ইয়া আল্লাহ, ইয়া রহমান, ইয়া রহিম, ইয়া যাল যালালি ওয়াল ইকরাম, ইয়া মালিক, ইয়া খালিক, ইয়া রব।
রব্বুল আলামীন আপনার ঐ মহান নামের উছিলায় আমাদের দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণ দিন।
আমাদের রিযিক বৃদ্ধি করে দিন, আমাদের কে ঋনমুক্ত, অভাব মুক্ত, চিন্তা মুক্ত রাখুন মাবুদ। রব্বুল আলামীন আমাদের কে নেক হায়াত দান করুন, আমাদের পিতা মাতার মঙ্গল করুন।
যেসব আত্নীয় স্বজন কবরবাসি হয়েছে তাদের কবর গুলো আপনি জান্নাতের বাগান বানিয়ে দিন, তাদের কবরের আজাব মাফ করে দিন।
রব্বুল আলামীন আপনার তাওহীদ -
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু এর উছিলায়,আপনার হাবীব প্রিয় বন্ধু হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উম্মত হওয়ার উছিলায়
আমাদের মনের নেক ইচ্ছে গুলো কবুল আর মঞ্জুর করুন আল্লাহ।
রব্বুল আলামীন মা বাবার সন্তানদের উপর রহমত বর্ষণ করুন, স্বামী স্ত্রীর মধ্যে দূরত্ব কমিয়ে ভালোবাসা বাড়িয়ে দিন, প্রত্যেকটি পরিবারের উপর রহমত বর্ষণ করুন, আমাদের মানসিক দুশ্চিন্তা, দুঃখ কষ্ট দূর করে দিন।
আমি জানিনা কিভাবে ডাকলে আমার ডাকে সাড়া দিবেন..আমি জানিনা কিভাবে চাইলে আমার চাওয়া পূরণ করবেন...আমি জানিনা কিভাবে হাত উঠালে আমার হাত ভরে দিবেন আমি জানিনা কিভাবে দোয়া করলে আমার দোয়া কবুল করবেন..কিন্তু আপনি তো আপনার গুনাহগার বান্দার অন্তরের খবর জানেন.,ইয়া রব! আপনি তো অন্তরটাই দেখেন এবং আপনিই তো বলেছেন,,তোমরা আমাকে ডাকো আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দিবো-তোমরা আমার কাছে চাও আমি তোমাদের চাওয়া পূরণ করব।
আপনিই তো বলেছেন খালি হাতে ফিরিয়ে দিতে আপনি লজ্জা বোধ করেন।
আমি অযোগ্য আমার যোগ্যতার বাহিরে আপনি অনেক কিছুই দান করেছেন।
আমি এবারও বিশ্বাস করি আপনি আমাকে নিরাশ করবেন না..
আমি জানি আমি ছাড়া আপনার অনেক উওম বান্দা আছে কিন্তু আমার আপনি ছাড়া কেউ নেই ইয়া রব!
আমার আবদার করার মতো, ডাকার মতো, চাওয়ার মতো আপনি ছাড়া আর কেউ নেই।
ইয়া রব! আমি দুর্বল আমার ধৈর্যের পরীক্ষা নেবেন না! আমি তার উপযুক্ত নই, আমার জন্য পরীক্ষা সহজ করে দিন।
আপনি আমার ডাকে সাড়া দিন, আমার চাওয়া পূরণ করুন, ইয়া মালিক,
আমার খালি হাত আপনার রহমত দিয়ে পরিপূর্ণ করে দিন..
পড়া শেষ হলে একবার (আমিন)লিখুন ..!'🤍
সংগৃহীত
9 hours ago | [YT] | 128
View 50 replies
Fahmida Akther
যারা সারাক্ষণ অন্যের ক্ষতি করার ফন্দি আঁটে—এই লেখা তাদের জন্যঃ
ইসলাম কাউকে ক্ষতি করার অনুমতি দেয় না।
কিন্তু কিছু মানুষ আছে—
যারা হাসিমুখে কথা বলে, আর আড়ালে ছুরি চালায়‼️
যারা অন্যের সম্মান নষ্ট করে শান্তি পায়,
অন্যের চোখের জলকে তুচ্ছ মনে করে।
তারা ভুলে যায়—
আল্লাহ সব দেখেন। সব শোনেন। সব হিসাব রাখেন।
দুনিয়াতে তাদের পরিণতি কী?
🔹 তারা কখনো প্রকৃত শান্তি পায় না।
🔹 হিংসা তাদের হৃদয়কে পুড়িয়ে ফেলে।
🔹 মানুষ বিশ্বাস হারায়, সম্পর্ক ভেঙে যায়।
🔹 আল্লাহ বরকত তুলে নেন—থাকে শুধু অশান্তি আর শূন্যতা‼️
আজ হয়তো এসব করে আপনি নিজেকে সফল মনে করছেন;
কিন্তু মনে রাখুন—
যে ক্ষতি করে, সে নিজেই একদিন সেই ক্ষতির নিচে চাপা পড়ে।
আখিরাতে কী অপেক্ষা করছে❓
⚠️ কিয়ামতের দিন কোনো টাকার দাম থাকবে না,
⚠️ থাকবে না ক্ষমতা বা পরিচয়ের জোর।
থাকবে শুধু—
➡️ নামাজ
➡️ রোজা
➡️ আর মানুষের হক
রাসূল ﷺ বলেছেন—
“প্রকৃত দেউলিয়া সে, যে কিয়ামতের দিন অনেক আমল নিয়ে আসবে,
কিন্তু মানুষকে কষ্ট দেওয়ার কারণে
তার সব নেকি অন্যদের দিয়ে দেওয়া হবে।”
ভাবুন একবার…
আপনার নামাজ, রোজা, দান—
সব চলে যাচ্ছে সেই মানুষের হাতে,
যাকে আপনি কষ্ট দিয়েছিলেন।
আর যখন নেকি শেষ হয়ে যাবে—
তখন তাদের গোনাহ আপনার ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়া হবে।
একটি ভয়ংকর সত্য
***আল্লাহ হয়তো নিজের হক মাফ করে দেন,
কিন্তু বান্দার হক ছেড়ে দেন না,
যতক্ষণ না সেই মানুষ নিজে ক্ষমা করে।
আজও সময় আছে....
কারো ক্ষতি করার আগে ভাবুন—
এই ক্ষতিটা কি আপনি আখিরাতে বইতে পারবেন⁉️
**** হে আল্লাহ, আমাদের এমন মানুষ বানাবেন না,
যার কারণে অন্যের চোখে জল আসে‼️
বরং আমাদের এমন মানুষ বানান—
যার কারণে মানুষ দোয়া করে❤️
সংগৃহীত
6 days ago | [YT] | 101
View 2 replies
Fahmida Akther
আজকে আমার একজন চাচা ইন্তেকাল করেছেন 😓
সবাই দোয়া করবেন 🤲আল্লাহ যেন উনাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করেন❤️
আমিন
সবাই আমিন বলবেন
1 week ago | [YT] | 100
View 6 replies
Fahmida Akther
হয় আল্লাহর জন্য ছেড়ে দাও,
নয় আল্লাহর উপর ছেড়ে দাও।
কারণ --->: ওয়াল্লাহু খইরুল মাকিরিন 🤍
নিশ্চয়ই আল্লাহ উত্তম পরিকল্পনাকারী। 🤍
1 week ago | [YT] | 88
View 3 replies
Fahmida Akther
একদা হযরত ঈসা (আ.) একটি কবরস্থানের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি আল্লাহর হুকুমে কবরের এক মৃত ব্যক্তিকে জীবিত করলেন। লোকটি কবরের মাটি ঝেড়ে উঠে দাঁড়াল। (উল্লেখ্য, হযরত ঈসা (আ.)-এর অন্যতম প্রধান মুজেযা (অলৌকিক ক্ষমতা) ছিল, তিনি মহান আল্লাহর হুকুমে মৃত ব্যক্তিকে জীবিত করতে পারতেন। )
হযরত ঈসা (আ.) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, "দুনিয়াতে তোমার কাজ কী ছিল?"
লোকটি উত্তর দিল, "হে আল্লাহর নবী! আমি একজন কুলি ছিলাম। মানুষের বোঝা মাথায় বহন করতাম এবং তা দিয়েই জীবিকা নির্বাহ করতাম। আমার জীবনটি খুব সাধারণ ছিল।"
হযরত ঈসা (আ.) জিজ্ঞেস করলেন, "তবে তোমার কবরের অবস্থা কী? তোমার হিসাব-নিকাশ কেমন চলছে?"
লোকটি কাঁদতে কাঁদতে বলল,
"একবার আমি এক ব্যক্তির এক বোঝা লাকড়ি (জ্বালানি কাঠ) মাথায় করে তার বাড়িতে পৌঁছে দিচ্ছিলাম। পথিমধ্যে আমার দাঁতের ফাঁকে কিছু একটা আটকে গিয়েছিল। আমি মালিকের অজান্তেই সেই লাকড়ির বোঝা থেকে একটি ছোট্ট কাঠি (খিলাল হিসেবে ব্যবহারের জন্য) ভেঙে নিলাম এবং তা দিয়ে দাঁত খিলাল করলাম।
এরপর যখন আমার মৃত্যু হলো, আল্লাহ তা’আলা আমাকে বললেন, 'হে আমার বান্দা! তুমি কি জানতে না যে আমি তোমাকে আজ এই হিসাবের কাঠগড়ায় দাঁড় করাব? অমুক ব্যক্তি তার টাকা দিয়ে কাঠ কিনেছিল এবং তোমাকে মজুরি দিয়েছিল তা বয়ে নেওয়ার জন্য। তুমি সেই মালিকের অনুমতি ছাড়া কেন একটি কাঠি ভেঙে নিলে?'
হে আল্লাহর নবী! আল্লাহর কসম, আমি আজ ৪০ বছর ধরে এই একটিমাত্র খড়কুটোর হিসাব দিয়ে যাচ্ছি কিন্তু আজও মুক্তি পাইনি! দয়া করে আপনি আমার জন্য আল্লাহর কাছে সুপারিশ করুন।"
আমরা অনেক সময় অন্যের অতি ক্ষুদ্র জিনিস অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করি। আমরা একে খুব তুচ্ছ মনে করি। কিন্তু মনে রাখতে হবে, আল্লাহর কাছে ‘আমানত’ অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। অন্যের হক যদি একটি খড়কুটোর সমপরিমাণও হয়, তবুও পরকালে তার কড়ায়-গণ্ডায় হিসাব দিতে হবে।
সূত্র: আয যাহরুল ফাইহ (ইমাম ইবনুল জাওযি রহ.)
© Salman Farsi
2 weeks ago | [YT] | 143
View 9 replies
Fahmida Akther
আল্লাহ এই বছরের শেষ প্রান্তে দাড়িয়ে একটাই চাওয়া আগামী দিনগুলোতে আপনি আমাদের হেদায়েতের পথে চালনা করেন মালিক 🌸💖
2 weeks ago | [YT] | 119
View 17 replies
Fahmida Akther
আচ্ছা কারো সাথে কি এমন হয় যে আপনি যা চান না, আপনি অপছন্দ করেন,আপনার রাগ হবে শুনলে বা দেখলে তবুও সে বিষয়গুলো জেনেশুনে আপনার পরিবারের লোকজন বারবার করে,,
3 weeks ago (edited) | [YT] | 63
View 11 replies
Fahmida Akther
🌿 হারাম সম্পর্ককে হালাল করার সহজ ধাপসমূহ
১️⃣ আন্তরিক তওবা করা
আগের ভুলের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।
অনুতপ্ত হওয়া
হারাম কাজ ছেড়ে দেওয়া
ভবিষ্যতে আর না করার দৃঢ় সিদ্ধান্ত
📖 “নিশ্চয়ই আল্লাহ তওবা কবুল করেন।” (সূরা যুমার: ৫৩)
২️⃣ অপ্রয়োজনীয় যোগাযোগ বন্ধ করা
নিকাহ না হওয়া পর্যন্ত—
একান্তে কথা বলা
আবেগী চ্যাট / কল
দেখা করা
এগুলো সীমিত বা বন্ধ রাখা জরুরি।
📖 “তোমরা ব্যভিচারের নিকটবর্তী হয়ো না।” (সূরা ইসরা: ৩২)
৩️⃣ পরিবারকে জানানো (হালাল পথে যাওয়ার নিয়ত)
ছেলে ও মেয়ে—দু’জনের পরিবারকে বিষয়টি জানানো।
লুকানো সম্পর্ক → প্রকাশ্য হালাল উদ্দেশ্য
সম্মান ও বরকত আসে
৪️⃣ দ্রুত নিকাহ করার চেষ্টা করা
বড় আয়োজন জরুরি নয়। নিকাহের জন্য দরকার—
প্রস্তাব ও কবুল
দুইজন সাক্ষী
মহর নির্ধারণ
🕊️ রাসুল ﷺ বলেছেন:
“যে ব্যক্তি নিকাহ করে, সে তার দ্বীনের অর্ধেক পূর্ণ করল।”
(বায়হাকি)
৫️⃣ আর্থিক দুর্বলতা হলে দোয়া ও ধৈর্য
টাকা না থাকলেও নিকাহ বিলম্ব করা ঠিক নয়।
📖 “তারা দরিদ্র হলে আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে অভাবমুক্ত করবেন।”
(সূরা নূর: ৩২)
৬️⃣ নিকাহের আগে শারীরিক সম্পর্ক নয়
এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ।
নিকাহের আগে স্পর্শ, চুমু, শারীরিক সম্পর্ক—সবই হারাম
ধৈর্যই এখানে ইবাদত
৭️⃣ নিয়মিত দোয়া ও নামাজ
বিশেষ করে—
সালাতুল হাজত
ইস্তিখারা
এই দোয়া পড়তে পারো:
رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا
وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ
উচ্চারণ:
রব্বানা হাব লানা মিন আযওয়াজিনা ওয়া যুররিয়্যাতিনা কুররাতা আ‘ইউন
অর্থ:
হে আমাদের রব! আমাদের স্ত্রী ও সন্তানদেরকে আমাদের চোখের শীতলতা বানিয়ে দাও।
🌿 পরিবার না মানলে করণীয় (ইসলামিক দৃষ্টিকোণ)
১️⃣ আগে নিজেকে প্রশ্ন করুন
👉 সম্পর্কটা কি সত্যিই নিকাহের উপযোগী?
দ্বীন ও চরিত্র ঠিক আছে?
দায়িত্ব নেওয়ার মানসিকতা আছে?
শুধু আবেগ নয় তো?
📌 যদি এগুলো ঠিক না থাকে → আল্লাহ হয়তো রক্ষা করছেন।
২️⃣ ধৈর্য ও সম্মান বজায় রেখে বোঝানো
মা–বাবাকে চাপ বা ঝগড়া করে নয়—
শান্তভাবে
সময় নিয়ে
সম্মানের সাথে
📖 “তোমার রব আদেশ করেছেন, পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহার করতে।”
(সূরা ইসরা: ২৩)
🔹 অনেক সময় পরিবার ভয় পায়—
সমাজ, ভবিষ্যৎ, দায়িত্ব এসব নিয়ে।
৩️⃣ পরিবারের আপত্তির কারণ খুঁজে বের করুন
কারণ আলাদা হলে সমাধানও আলাদা—
আপত্তির কারণঃ — করণীয়ঃ-
আর্থিক সমস্যা — সময় নিয়ে প্রস্তুতি
বয়স/পড়াশোনা — অপেক্ষা করা
বংশ/এলাকা — বিশ্বস্ত আলেমের মাধ্যমে বোঝানো
ভুল ধারণা — বাস্তব তথ্য দেওয়া
৪️⃣ বিশ্বস্ত আলেম / বড় মুরুব্বিকে মধ্যস্থতায় আনুন
👉 ইমাম, আলেম, শিক্ষক বা পারিবারিক বড় কেউ
তাদের কথা অনেক সময় পরিবার গ্রহণ করে।
📖 “সৎ লোকদের সাথে থাকো।” (সূরা তাওবা: ১১৯)
৫️⃣ ছেলে হলে: পরিবারের অনুমতি ছাড়া নিকাহ?
🔹 ছেলের ক্ষেত্রে—
ইসলামে সে প্রাপ্তবয়স্ক হলে ওয়ালি লাগে না।
➡️ শরীয়ত মতে নিকাহ সহীহ হতে পারে।
⚠️ কিন্তু:
পরিবার ভেঙে, সম্পর্ক নষ্ট করে নিকাহ করা উৎসাহিত নয়।
৬️⃣ মেয়ে হলে: পরিবারের অনুমতি ছাড়া নিকাহ?
🔴 মেয়ের ক্ষেত্রে— অধিকাংশ আলেমের মতে ওয়ালির অনুমতি ছাড়া নিকাহ সহীহ নয়।
📖 হাদিস:
“ওয়ালি ছাড়া কোনো নিকাহ নেই।”
(তিরমিজি, আবু দাউদ)
🔹 যদি ওয়ালি অযৌক্তিকভাবে বাধা দেয়—
শরীয়তী ক্বাযী / আলেমের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত হয়
প্রয়োজনে আদালত নিযুক্ত ওয়ালি হতে পারে
৭️⃣ পরিবার না মানলে হারাম পথে যাওয়া যাবে না
❌ পালিয়ে বিয়ে
❌ গোপন সম্পর্ক
❌ শারীরিক সম্পর্ক
📖 “আল্লাহর সীমা অতিক্রম করো না।” (সূরা বাকারা: ২২৯)
৮️⃣ সবচেয়ে কঠিন কিন্তু সবচেয়ে নিরাপদ পথ: অপেক্ষা
👉 ধৈর্য রাখা
👉 দোয়া করা
👉 নিজের চরিত্র ও অবস্থান শক্ত করা
🕊️ রাসুল ﷺ বলেছেন:
“যে ব্যক্তি আল্লাহর জন্য কিছু ত্যাগ করে, আল্লাহ তাকে তার চেয়ে উত্তম কিছু দেন।”
(আহমাদ)
#way_of_islam808
3 weeks ago | [YT] | 50
View 6 replies
Fahmida Akther
রাতে ঘুমানোর আগে শক্তিশালী আমল
1। আয়াতুল কুরসি একবার পড়া
2। ইস্তেগফার ১০০ বার (Astaghfirullah)
3। সূরা ইখলাস, ফালাক, নাস প্রতিটি ৩ বার পরে গায়ে ফু
দেওয়া।
4। দরুদ শরীফ (১০ বার)।
5। সুবহানাল্লাহ (৩৩ বার) ।
6। আলহামদুলিল্লাহ (৩৩ বার) ।
7। আল্লাহু আকবার (৩৩ বার)।
৪। বিসমিল্লাহ ২১বার।
9। মৃত মুসলিমদের জন্য দুয়া করা।
১০। সূরা মূলক (সম্পূর্ণ)।
১১। সূরা কাফিরুন (১ বার)।
১২। লা ইলা-হ ইল্লাল্লাহু (১০০ বার)।
১৩। ঘুম না আসা পর্যন্ত আস্তাগফিরুল্লাহ পড়া।
১৪। ডান কাত হয়ে শুয়া।
১৫। ঘুমানোর দোয়া পড়া।
১৬। ওজু করে ঘুমাতে যাওয়া।
১৭। সূরা ফাতিহা, কালেমা তামজিদ, (৪বার) ।
১৮। সূরা ইখলাস, দরুদ (৩বার)।
১৯। আস্তাগফিরুল্লাহাল্লাজি লা ইলা-হা ইল্লা হুয়াল হায়্যুউল
কাইয়ুম ওয়া আতুবু ইলাইহি লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা
ইল্লা বিল্লাহিল আলিউল আজিম। (১০বার
২০। সবাইকে ক্ষমা করে দেওয়া।
সংগৃহীত
3 weeks ago | [YT] | 94
View 5 replies
Fahmida Akther
আজ বছরের শেষ জুম্মা,,
জানিনা এই জুম্মা কার জীবনের শেষ জুম্মা হয়🥺
আল্লাহ আপনি আমাদের মুমিন হিসেবে কবুল করুন,, আমিন🤲
3 weeks ago | [YT] | 139
View 11 replies
Load more