আপনি এই লেখা পরলে অনেক বেশী কাদবেন,এখন আর বেঁচে থাকার শার্থকতা নেই,তারা ৫০ লাখ একদিনে মরতে পারে আপনি লেখাটা পরারও সময় পাচ্ছন না আহ! এই শহরের আর একজন ও বেঁচে নেই। সর্বশেষ বিশ্ব স*ন্ত্রা*সী ই*রা*ইল মসজিদে আকসাকেও ধ্বংস করে দিলো 😭 মাত্র কয়েকদিনের মধ্যে হয়তো গাঁজা বাসি পৃথিবীর মানচিত্র থেকে মুছে যাবে। 💔 ১ লাখ ১৭ হাজার মানুষের একটা শহর রাফাহ, সেখানে একটি মানুষও আর নেই। কেউ আর বিশ্ববাসীর কাছে জবাব চাইবেনা, আর কেউ সাহায্য চাইবেনা। ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে— পাকিস্তান ও তুরস্ক ছিল বিশ্বের অন্যতম পারমাণবিক শক্তিধর , তবু গাজার রক্ষার্থে একটি বোমাও উড়ে আসেনি।
মিশরের বুক চিরে নীলনদ বয়ে গিয়েছে শতাব্দীর পর শতাব্দী , যা প্রাণ জুগিয়েছে আফ্রিকার মরুভূমিকে। অথচ , পাশেই গাজার শিশুরা তৃষ্ণায় কাঁপতে কাঁপতে মাটিতে লুটিয়ে পড়েছিল।
সৌদি আরব , আরব আমিরাত ছিল তেলের সাগর তেলের সাগরে ভেসে থাকা বিলাসী সাম্রাজ্য , কিন্তু , গাজার অ্যাম্বুলেন্সগুলো পেট্রোল না পেয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছিল নিঃশব্দে , নিরূপায়। নিরবতা যেনো তাদের একমাত্র আর্তনাদ।
সর্বোচ্চ আশা-প্রত্যাশার অসংখ্য চোখ তাকিয়ে ছিল তুরস্কের দিকে। নেতৃত্বের স্বপ্নে বিভোর , ‘উম্মাহ’র দাবি করা মুখপাত্র। তবুও , গাজার জন্য তারা কিছুই করলো না। না রসদ-সামগ্রীর সাহায্য, সামরিক সহযোগিতা, না নিরাপত্তা নিশ্চয়তায় কূটনৈতিক আগ্রাসন..
গোটা বিশ্বের মুসলমানদের ছিল ৫০ লাখ সৈন্য , ছিল ট্যাংক , ক্ষেপণাস্ত্র , যুদ্ধবিমান , স্যাটেলাইট , গোয়েন্দা বাহিনী , ছিল আধুনিক প্রযুক্তি এমনকি হাইড্রোজেন পরমাণু বোমা— কিন্তু , গাজার আকাশে একটাও ছায়া পড়েনি। গাজার দিকে কেউ হাঁটেনি।
সবকিছু থাকবে ইতিহাসে। গাজার মতোই– কাশ্মীর , উইঘুর , রোহিঙ্গা সহ বিভিন্ন প্রান্তে জুলুমাতের অন্ধকারে থাকা মুসলমানদের কথা। তবে, সবচেয়ে করুণভাবে লেখা থাকবে– 'তারা চুপ ছিল। সবাই নিরব ছিল। মৃত্যুর চেয়েও গভীর ছিল সে নীরবতা।
ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে— পাকিস্তান ছিল বিশ্বের অন্যতম পারমাণবিক শক্তিধর, তবু গাজার রক্ষার্থে একটি বোমাও উড়ে আসেনি।
মিশরের বুক চিরে নীলনদ বয়ে গিয়েছে শতাব্দীর পর শতাব্দী, যা প্রাণ জুগিয়েছে আফ্রিকার মরুভূমিকে। অথচ, পাশেই গাজার শিশুরা তৃষ্ণায় কাঁপতে কাঁপতে মাটিতে লুটিয়ে পড়েছিল।
সৌদি আরব, আরব আমিরাত ছিল তেলের সাগর তেলের সাগরে ভেসে থাকা বিলাসী সাম্রাজ্য, কিন্তু, গাজার অ্যাম্বুলেন্সগুলো পেট্রোল না পেয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছিল নিঃশব্দে, নিরূপায়। নিরবতা যেনো তাদের একমাত্র আর্তনাদ।
সর্বোচ্চ আশা-প্রত্যাশার অসংখ্য চোখ তাকিয়ে ছিল তুরস্কের দিকে। নেতৃত্বের স্বপ্নে বিভোর, ‘উম্মাহ’র দাবি করা মুখপাত্র। তবু, গাজার জন্য তারা কিছুই করলো না। না রসদ-সামগ্রীর সাহায্য, সামরিক সহযোগিতা, না নিরাপত্তা নিশ্চয়তায় কূটনৈতিক আগ্রাসন..
গোটা বিশ্বের মুসলমানদের ছিল ৫০ লাখ সৈন্য, ছিল ট্যাংক, ক্ষেপণাস্ত্র, যুদ্ধবিমান, স্যাটেলাইট, গোয়েন্দা বাহিনী, ছিল আধুনিক প্রযুক্তি এমনকি হাইড্রোজেন পরমাণু বোমা— কিন্তু, গাজার আকাশে একটাও ছায়া পড়েনি। গাজার দিকে কেউ হাঁটেনি।
সবকিছু থাকবে ইতিহাসে। গাজার মতোই– কাশ্মীর, উইঘুর, রোহিঙ্গা সহ বিভিন্ন প্রান্তে জুলুমাতের অন্ধকারে থাকা মুসলমানদের কথা। তবে, সবচেয়ে করুণভাবে লেখা থাকবে– 'তারা চুপ ছিল। সবাই নিরব ছিল। মৃত্যুর চেয়েও গভীর ছিল সে নীরবতা।'
১ লাখ ১৭ হাজার মানুষের একটা শহর রাফাহ, সেখানে একটি মানুষও আর নেই। কেউ আর বিশ্ববাসীর কাছে জবাব চাইবেনা, আর কেউ সাহায্য চাইবেনা।
মানবহীন ভূমি দেখে যারা উল্লাস করছে তারা জানেনা প্রতিশোধের বদলা শুধু মানুষই নেয়না প্রকৃতিও নেয়। রাফার মাটির সাথে যে রক্ত মিশে আছে সেই রক্তমাখা মাটিই একদিন হিংস্র হয়ে গ্রাস করবে।
আজকে রাফা'হ মানবশূন্য ঠিকই কিন্তু একদিন এই রাফাই আবার জনমানবে বিস্তৃত হবে, শেষ লড়াই টা লড়বে। উল্লাস তখন মুসলমান করবে, পতাকা উড়বে ফিলিস্তিনে কিন্তু সমাদৃত হবে পুরো বিশ্বে ইন শা আল্লাহ।
আমাদের সকলের প্রিয় মো: ওমর ফারুক সোহাগ স্যার, যিনি পেশায় একজন শিক্ষক, মাত্র ৩২ বছর বয়সে মরণব্যাধি ব্লাড ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই করছেন। তার AML ক্যান্সার শনাক্ত হয়। পরে ভারতে আরও দুটি পরীক্ষা করানো হলে AML (Acute Myeloid Leukemia) এবং FLT3 ধরা পড়ে
ডাক্তারের নির্দেশনা অনুযায়ী : দ্রুত বোনম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট করা জরুরি।
বোনম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট ও খরচ: আনুমানিক : ৬০-৭০ লক্ষ টাকা বোনম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট সাধারণত দুইভাবে হয়- ১. Autologous (নিজের কোষ থেকে ট্রান্সপ্লান্ট) ২. Allogeneic (ভাই-বোন, পিতা-মাতা বা সন্তান থেকে ট্রান্সপ্লান্ট)
সোহাগের ক্ষেত্রে Allogeneic ট্রান্সপ্লান্ট প্রয়োজন, যা খরচসাপেক্ষ।
চিকিৎসা দ্রুত চালিয়ে যেতে বৃহৎ অর্থসংস্থানের প্রয়োজন। AML-এর "High Risk" স্তরের কারণে সময় নষ্ট না করে । দ্রুত বোনম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট করানোই একমাত্র সমাধান।শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গড়তে পাশে থেকেছেন। এখন তিনি নিজেই বেঁচে থাকার লড়াইয়ে আমাদের সহযোগিতা কামনা করছেন।
ইতি মধ্যে তার ব্যয় হয়েছে ৩০ লক্ষ টাকা।
🩺 বর্তমানে চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ: ৬০-৭০ লক্ষ টাকা।
তার পরিবার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেও চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে হিমশিম খাচ্ছে। কিন্তু আমরা সবাই যদি একসাথে এগিয়ে আসি, তাহলে সোহাগ স্যারকে নতুন জীবনের আলো দিতে পারবো এবং তার মাসুম দুটি বাচ্চার মুখে হাসি ফুটাতে পারবো ইনশাআল্লাহ।
💖 আপনার ছোট্ট সাহায্যই হতে পারে জীবন বাঁচানোর কারণ! ➡ যারা সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতা করতে চান, অনুগ্রহ করে নিচের একাউন্টে দান করুন।
**MD OMAR FARUK SHOHAG Ac No-20501210206198704 ROUTING NO-125191157 SWIFT CODE-IBBLBDDH121 ISLAMI BANK BANGLADESH PLC CUMILLA BRANCH**
**OMAR FARUK SHOHAG Ac No-0112007774987 ROUTING NO-100192597 SWIFT CODE-EXBKBDDH EXIM BANK PLC KASHINAGAR BRANCH**
FR Roast 3.0
যার যার অবস্থান থেকে আইপিএল বয়কট করুন ❌🚫 #Boycottipl
3 weeks ago | [YT] | 6
View 1 reply
FR Roast 3.0
ভোট হয়ে যাক বিভাগ নিয়ে 👇 let's go
3 months ago | [YT] | 2
View 0 replies
FR Roast 3.0
মনটা অনেক খারাপ ছিল কিন্তু নাটকের নাম খুঁজতে গিয়ে কমেন্টগুলো পড়ে হাসতে বাধ্য হলাম 🤣
4 months ago | [YT] | 2
View 0 replies
FR Roast 3.0
আলহামদুলিল্লাহ 🥰
7 months ago | [YT] | 4
View 1 reply
FR Roast 3.0
যদিও গল্পটা ব্যর্থতায় ভরা,তবুও আমি আমার গল্পে সেরা।😊
7 months ago | [YT] | 3
View 1 reply
FR Roast 3.0
মন ভালো হয়ে যাবার মতো দৃশ্য 🥳
8 months ago | [YT] | 3
View 0 replies
FR Roast 3.0
আপনি এই লেখা পরলে অনেক বেশী কাদবেন,এখন আর বেঁচে থাকার শার্থকতা নেই,তারা ৫০ লাখ একদিনে মরতে পারে আপনি লেখাটা পরারও সময় পাচ্ছন না আহ!
এই শহরের আর একজন ও বেঁচে নেই।
সর্বশেষ বিশ্ব স*ন্ত্রা*সী ই*রা*ইল মসজিদে আকসাকেও ধ্বংস করে দিলো 😭
মাত্র কয়েকদিনের মধ্যে হয়তো গাঁজা বাসি পৃথিবীর মানচিত্র থেকে মুছে যাবে। 💔
১ লাখ ১৭ হাজার মানুষের একটা শহর রাফাহ, সেখানে একটি মানুষও আর নেই। কেউ আর বিশ্ববাসীর কাছে জবাব চাইবেনা, আর কেউ সাহায্য চাইবেনা।
ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে— পাকিস্তান ও তুরস্ক ছিল বিশ্বের অন্যতম পারমাণবিক শক্তিধর ,
তবু গাজার রক্ষার্থে একটি বোমাও উড়ে আসেনি।
মিশরের বুক চিরে নীলনদ বয়ে গিয়েছে শতাব্দীর পর শতাব্দী , যা প্রাণ জুগিয়েছে আফ্রিকার মরুভূমিকে। অথচ , পাশেই গাজার শিশুরা তৃষ্ণায় কাঁপতে কাঁপতে মাটিতে লুটিয়ে পড়েছিল।
সৌদি আরব , আরব আমিরাত ছিল তেলের সাগর তেলের সাগরে ভেসে থাকা বিলাসী সাম্রাজ্য , কিন্তু , গাজার অ্যাম্বুলেন্সগুলো পেট্রোল না পেয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছিল নিঃশব্দে , নিরূপায়। নিরবতা যেনো তাদের একমাত্র আর্তনাদ।
সর্বোচ্চ আশা-প্রত্যাশার অসংখ্য চোখ তাকিয়ে ছিল তুরস্কের দিকে। নেতৃত্বের স্বপ্নে বিভোর , ‘উম্মাহ’র দাবি করা মুখপাত্র। তবুও , গাজার জন্য তারা কিছুই করলো না। না রসদ-সামগ্রীর সাহায্য, সামরিক সহযোগিতা, না নিরাপত্তা নিশ্চয়তায় কূটনৈতিক আগ্রাসন..
গোটা বিশ্বের মুসলমানদের ছিল ৫০ লাখ সৈন্য , ছিল ট্যাংক , ক্ষেপণাস্ত্র , যুদ্ধবিমান , স্যাটেলাইট , গোয়েন্দা বাহিনী , ছিল আধুনিক প্রযুক্তি এমনকি হাইড্রোজেন পরমাণু বোমা— কিন্তু , গাজার আকাশে একটাও ছায়া পড়েনি। গাজার দিকে কেউ হাঁটেনি।
সবকিছু থাকবে ইতিহাসে। গাজার মতোই– কাশ্মীর , উইঘুর , রোহিঙ্গা সহ বিভিন্ন প্রান্তে জুলুমাতের অন্ধকারে থাকা মুসলমানদের কথা। তবে, সবচেয়ে করুণভাবে লেখা থাকবে– 'তারা চুপ ছিল। সবাই নিরব ছিল। মৃত্যুর চেয়েও গভীর ছিল সে নীরবতা।
ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে— পাকিস্তান ছিল বিশ্বের অন্যতম পারমাণবিক শক্তিধর, তবু গাজার রক্ষার্থে একটি বোমাও উড়ে আসেনি।
মিশরের বুক চিরে নীলনদ বয়ে গিয়েছে শতাব্দীর পর শতাব্দী, যা প্রাণ জুগিয়েছে আফ্রিকার মরুভূমিকে। অথচ, পাশেই গাজার শিশুরা তৃষ্ণায় কাঁপতে কাঁপতে মাটিতে লুটিয়ে পড়েছিল।
সৌদি আরব, আরব আমিরাত ছিল তেলের সাগর তেলের সাগরে ভেসে থাকা বিলাসী সাম্রাজ্য, কিন্তু, গাজার অ্যাম্বুলেন্সগুলো পেট্রোল না পেয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছিল নিঃশব্দে, নিরূপায়। নিরবতা যেনো তাদের একমাত্র আর্তনাদ।
সর্বোচ্চ আশা-প্রত্যাশার অসংখ্য চোখ তাকিয়ে ছিল তুরস্কের দিকে। নেতৃত্বের স্বপ্নে বিভোর, ‘উম্মাহ’র দাবি করা মুখপাত্র। তবু, গাজার জন্য তারা কিছুই করলো না। না রসদ-সামগ্রীর সাহায্য, সামরিক সহযোগিতা, না নিরাপত্তা নিশ্চয়তায় কূটনৈতিক আগ্রাসন..
গোটা বিশ্বের মুসলমানদের ছিল ৫০ লাখ সৈন্য, ছিল ট্যাংক, ক্ষেপণাস্ত্র, যুদ্ধবিমান, স্যাটেলাইট, গোয়েন্দা বাহিনী, ছিল আধুনিক প্রযুক্তি এমনকি হাইড্রোজেন পরমাণু বোমা— কিন্তু, গাজার আকাশে একটাও ছায়া পড়েনি। গাজার দিকে কেউ হাঁটেনি।
সবকিছু থাকবে ইতিহাসে। গাজার মতোই– কাশ্মীর, উইঘুর, রোহিঙ্গা সহ বিভিন্ন প্রান্তে জুলুমাতের অন্ধকারে থাকা মুসলমানদের কথা। তবে, সবচেয়ে করুণভাবে লেখা থাকবে– 'তারা চুপ ছিল। সবাই নিরব ছিল। মৃত্যুর চেয়েও গভীর ছিল সে নীরবতা।'
১ লাখ ১৭ হাজার মানুষের একটা শহর রাফাহ, সেখানে একটি মানুষও আর নেই। কেউ আর বিশ্ববাসীর কাছে জবাব চাইবেনা, আর কেউ সাহায্য চাইবেনা।
মানবহীন ভূমি দেখে যারা উল্লাস করছে তারা জানেনা প্রতিশোধের বদলা শুধু মানুষই নেয়না প্রকৃতিও নেয়। রাফার মাটির সাথে যে রক্ত মিশে আছে সেই রক্তমাখা মাটিই একদিন হিংস্র হয়ে গ্রাস করবে।
আজকে রাফা'হ মানবশূন্য ঠিকই কিন্তু একদিন এই রাফাই আবার জনমানবে বিস্তৃত হবে, শেষ লড়াই টা লড়বে। উল্লাস তখন মুসলমান করবে, পতাকা উড়বে ফিলিস্তিনে কিন্তু সমাদৃত হবে পুরো বিশ্বে ইন শা আল্লাহ।
9 months ago | [YT] | 10
View 1 reply
FR Roast 3.0
📢 #SaveShohag | একজন শিক্ষক, জীবন-মরণের লড়াইয়ে!
আমাদের সকলের প্রিয় মো: ওমর ফারুক সোহাগ স্যার, যিনি পেশায় একজন শিক্ষক, মাত্র ৩২ বছর বয়সে মরণব্যাধি ব্লাড ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই করছেন। তার AML ক্যান্সার শনাক্ত হয়। পরে ভারতে আরও দুটি পরীক্ষা করানো হলে AML (Acute Myeloid Leukemia) এবং FLT3 ধরা পড়ে
ডাক্তারের নির্দেশনা অনুযায়ী :
দ্রুত বোনম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট করা জরুরি।
বোনম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট ও খরচ:
আনুমানিক : ৬০-৭০ লক্ষ টাকা
বোনম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট সাধারণত দুইভাবে হয়-
১. Autologous (নিজের কোষ থেকে ট্রান্সপ্লান্ট)
২. Allogeneic (ভাই-বোন, পিতা-মাতা বা সন্তান থেকে ট্রান্সপ্লান্ট)
সোহাগের ক্ষেত্রে Allogeneic ট্রান্সপ্লান্ট প্রয়োজন, যা খরচসাপেক্ষ।
চিকিৎসা দ্রুত চালিয়ে যেতে বৃহৎ অর্থসংস্থানের প্রয়োজন। AML-এর "High Risk" স্তরের কারণে সময় নষ্ট না করে । দ্রুত বোনম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট করানোই একমাত্র সমাধান।শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গড়তে পাশে থেকেছেন। এখন তিনি নিজেই বেঁচে থাকার লড়াইয়ে আমাদের সহযোগিতা কামনা করছেন।
ইতি মধ্যে তার ব্যয় হয়েছে ৩০ লক্ষ টাকা।
🩺 বর্তমানে চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ: ৬০-৭০ লক্ষ টাকা।
তার পরিবার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেও চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে হিমশিম খাচ্ছে। কিন্তু আমরা সবাই যদি একসাথে এগিয়ে আসি, তাহলে সোহাগ স্যারকে নতুন জীবনের আলো দিতে পারবো এবং তার মাসুম দুটি বাচ্চার মুখে হাসি ফুটাতে পারবো ইনশাআল্লাহ।
💖 আপনার ছোট্ট সাহায্যই হতে পারে জীবন বাঁচানোর কারণ!
➡ যারা সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতা করতে চান, অনুগ্রহ করে নিচের একাউন্টে দান করুন।
**MD OMAR FARUK SHOHAG
Ac No-20501210206198704
ROUTING NO-125191157
SWIFT CODE-IBBLBDDH121
ISLAMI BANK BANGLADESH PLC
CUMILLA BRANCH**
**OMAR FARUK SHOHAG
Ac No-0112007774987
ROUTING NO-100192597
SWIFT CODE-EXBKBDDH
EXIM BANK PLC
KASHINAGAR BRANCH**
01616098032 (SELF-Bkash &Nagad)
01612938265 (Younger Brother-Bkash &Nagad)
01676000302 (Younger Brother-Bkash & Nagad)
⚠ শেয়ার করুন – আপনার একটি শেয়ার আরও অনেককে সাহায্য করতে অনুপ্রাণিত করতে পারে!
মোহাম্মদ ওমর ফারুক সোহাগ স্যারের জন্য সকলের দোয়া ও সহযোগিতা একান্ত কাম্য।
#save_shohag
#Save_a_teacher
10 months ago | [YT] | 2
View 0 replies
FR Roast 3.0
Bangladesh pan
1 year ago | [YT] | 26
View 0 replies
FR Roast 3.0
বয়স এক হলেও কেউ ব্যস্ত খেলাধুলা নিয়ে আবার কেউ ব্যস্ত পেটের তাগিদে ❤️🥺
1 year ago | [YT] | 106
View 1 reply
Load more