“যখন ঈশ্বর দেখেন মানুষ নিজের প্রকৃতি বদলাইয়াছে, তার বিষয়াসক্তি নাই, সত্য, সংযম, অহিংসা তাঁর অঙ্গভূষণ হইয়াছে, তখন তিনি নিজেই মানুষের চোখের সামনে থেকে অবিদ্যার আড়ালখানা তুলে ধরে বলেন- এই আমার স্বরূপ দেখ, তুমি আর আমি এক ও অভিন্ন।" ..........শ্রীশ্রীমদ্ দুর্গাপ্রসন্ন পরমহংসদেব
দেহতত্ত্বের দুর্গম পথে 'মুর্শিদ' বা গুরু কেবল একজন শিক্ষক নন, বরং তিনি হলেন সেই 'নূরের চেরাগ' যা অন্ধকার সুড়ঙ্গে পথ দেখায়। আধ্যাত্মিক সাধনায় 'বায়াত' হওয়া এবং গুরুর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে কিছু গভীর ও মরমী ব্যাখ্যা নিচে দেওয়া হলো:
আধ্যাত্মিকতার পথ বড়ই দুর্গম, যেখানে নিজের ছায়াও মাঝেমধ্যে শত্রু হয়ে দাঁড়ায়। এই গোলকধাঁধায় একজন 'মুর্শিদ' হলেন সেই আলোকবর্তিকা, যিনি আধারের পর্দা ছিঁড়ে সত্যের পথ দেখান। বায়াত হওয়া মানে কেবল হাত ধরা নয়, বরং নিজের 'আমি'ত্বকে গুরুর চরণে সঁপে দিয়ে নতুন এক 'আমি'র জন্ম দেওয়া। "মুর্শিদ চেরাগ, মুর্শিদ আশার আলো, মুর্শিদ বিনে এই ভুবনে সবই আঁধার কালো।"
১. মুর্শিদ কেন প্রয়োজন? (The Divine Guide) আধ্যাত্মিক জগত এক বিশাল গোলকধাঁধার মতো। এখানে নফস (প্রবৃত্তি) অনেক সময় ইবাদত বা সাধনার ছদ্মবেশে সাধককে ধোঁকা দেয়। বিপজ্জনক পথ: আপনি যেমন গাইড ছাড়া অজানা পাহাড়ে পথ হারাতে পারেন, তেমনি মুর্শিদ ছাড়া 'ছয় লতিফা' বা 'পুলসিরাত' পাড়ি দিতে গেলে সাধক পথভ্রষ্ট হতে পারেন।
আয়নার কাজ: মুর্শিদ হলেন একটি স্বচ্ছ আয়না। সাধক যখন গুরুর সান্নিধ্যে যান, তখন তিনি গুরুর আয়নায় নিজের ভেতরের ময়লা বা অহংকারগুলো দেখতে পান, যা নিজের চোখে দেখা সম্ভব নয়।
শক্তির সঞ্চার (রূহানি ফয়েজ): মোবাইল যেমন চার্জ দেওয়ার জন্য বিদ্যুৎ সংযোগ লাগে, তেমনি সাধকের রূহকে জাগানোর জন্য মুর্শিদের রূহানি শক্তি বা 'ফয়েজ' প্রয়োজন হয়।
২. বায়াত বা আত্মসমর্পণের রহস্য 'বায়াত' শব্দটি আরবি 'বাই' (বিক্রি করা) থেকে এসেছে। বায়াত হওয়ার অর্থ হলো— নিজেকে নিজের মুর্শিদের হাতে বিক্রি করে দেওয়া। * আমিত্বের বিলোপ: বায়াত হওয়ার সময় মুরিদ বা শিষ্য প্রতিজ্ঞা করেন যে, এখন থেকে তার ইচ্ছা, তার বুদ্ধি এবং তার জীবন গুরুর আদেশের অধীন। এই যে স্বেচ্ছায় নিজের 'অহংকার' বিসর্জন দেওয়া, এটাই হলো 'মরণ জ্যান্ত' হওয়ার প্রথম ধাপ। শিকল বা সিলসিলা: বায়াত হওয়ার মাধ্যমে শিষ্য একটি দীর্ঘ রূহানি শিকলের (সিলসিলা) সাথে যুক্ত হন, যা মুর্শিদ থেকে শুরু হয়ে পর্যায়ক্রমে নবী (সা.) পর্যন্ত গিয়ে পৌঁছায়। এই সিলসিলার মাধ্যমেই আধ্যাত্মিক বিদ্যুৎ বা নূর শিষ্যের হৃদয়ে প্রবাহিত হয়।
৩. ফানা-ফিশ-শায়খ (গুরুর সত্তায় বিলীন হওয়া) আধ্যাত্মিকতার গভীর স্তরে একটি পর্যায় আছে যাকে বলা হয় 'ফানা-ফিশ-শায়খ'।
এখানে মুরিদ বা শিষ্য তার মুর্শিদকে সবসময় তার হৃদয়ে কল্পনা করেন। এক সময় শিষ্য অনুভব করেন যে তার চিন্তা, দেখা এবং অনুভব করার শক্তি গুরুর শক্তিতে রূপান্তরিত হয়েছে।
এটি মূলত 'ফানা-ফিল্লাহ' (স্রষ্টায় বিলীন হওয়া) শিখার একটি প্রাথমিক পাঠ। যে গুরুর মাঝে নিজেকে হারাতে পারে না, সে স্রষ্টার মাঝেও নিজেকে বিলীন করতে পারে না।
৪. দেহের 'কালব' বা হৃদয়ে চেরাগ জ্বালানো দেহতত্ত্ব অনুযায়ী, মানুষের হৃদপিণ্ড একটি বদ্ধ কক্ষের মতো। মুর্শিদ তার 'নিগাহ' বা দৃষ্টির মাধ্যমে সেই কক্ষের তালা খুলে দেন। মুর্শিদ শিষ্যকে দমের (শ্বাসের) সেই গোপন কাজ শিখিয়ে দেন, যার মাধ্যমে 'নাম' বা জিকির সরাসরি রক্তে মিশে যায়।
গুরুর দেওয়া 'সবক' বা পাঠ যখন শিষ্য নিয়মিত চর্চা করেন, তখন তার দেহের ভেতর সেই 'পুলসিরাত' পার হওয়ার শক্তি তৈরি হয়।
লোহা যেমন পরশ পাথরের ছোঁয়ায় সোনা হয়, তেমনি একজন কামেল গুরুর সান্নিধ্যে মানুষের ভেতরকার পশুত্ব নূরে রূপান্তরিত হয়। মুর্শিদ হলেন হৃদয়ের সেই ডাক্তার, যিনি অতি সন্তর্পণে নফসের ব্যাধি নিরাময় করেন। বায়াত হওয়ার রহস্য হলো নিজের ইচ্ছাকে পরম ইচ্ছায় বিলীন করা। যিনি নিজেকে বিলিয়ে দিতে জানেন, তিনিই কেবল আসল ধনের সন্ধান পান।
একটি মরমী সত্য: মরমী কবিরা বলেন, "মুর্শিদ ধরলে খোদা পাওয়া যায়।" এর অর্থ এই নয় যে মুর্শিদ নিজেই খোদা, বরং মুর্শিদ হলেন সেই উইন্ডো বা জানালা যার মধ্য দিয়ে সূর্যের আলো (খোদা) ঘরে প্রবেশ করে। জানালার কাঁচ যত পরিষ্কার হবে, আলোর তীব্রতা তত বেশি হবে।
🙏🙏#শ্রীগুরুজয় 🙏🙏 মন তৈরি করা মানুষের একান্ত দরকার। দেহ পবিত্র না থাকিলে ধর্ম কথা শুনে কিছু লাভ নাই। যখন শোনা যায় তখন মনে থাকে, পড়ে আর মনে থাকে না। কাজেই চিত্তশুদ্ধি সর্বপ্রথম দরকার। বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে যাহা আছে তাহা আছে তোমার দেহের মধ্যে। নিজেকে নিজে চেন, নিজেকে নিজে জান, নিজেকে নিজে ধর। প্রকৃত সাধকের বাহিরে যাহা থাকুক মনে মনে তাঁহার সহিত সর্বদা টান আছে। শ্রীভগবানের সাথে যাহাদের সম্বন্ধ আছে তাহাদের মন কখনও ইতি উতি ধায় না। যা হবার তা হবে নিশ্চিত।
তমসো মা জ্যোতির্গময়
“যখন ঈশ্বর দেখেন মানুষ নিজের প্রকৃতি বদলাইয়াছে, তার বিষয়াসক্তি নাই, সত্য, সংযম, অহিংসা তাঁর অঙ্গভূষণ হইয়াছে, তখন তিনি নিজেই মানুষের চোখের সামনে থেকে অবিদ্যার আড়ালখানা তুলে ধরে বলেন- এই আমার স্বরূপ দেখ, তুমি আর আমি এক ও অভিন্ন।"
..........শ্রীশ্রীমদ্ দুর্গাপ্রসন্ন পরমহংসদেব
2 weeks ago | [YT] | 2
View 0 replies
তমসো মা জ্যোতির্গময়
দেহতত্ত্বের দুর্গম পথে 'মুর্শিদ' বা গুরু কেবল একজন শিক্ষক নন, বরং তিনি হলেন সেই 'নূরের চেরাগ' যা অন্ধকার সুড়ঙ্গে পথ দেখায়। আধ্যাত্মিক সাধনায় 'বায়াত' হওয়া এবং গুরুর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে কিছু গভীর ও মরমী ব্যাখ্যা নিচে দেওয়া হলো:
আধ্যাত্মিকতার পথ বড়ই দুর্গম, যেখানে নিজের ছায়াও মাঝেমধ্যে শত্রু হয়ে দাঁড়ায়। এই গোলকধাঁধায় একজন 'মুর্শিদ' হলেন সেই আলোকবর্তিকা, যিনি আধারের পর্দা ছিঁড়ে সত্যের পথ দেখান। বায়াত হওয়া মানে কেবল হাত ধরা নয়, বরং নিজের 'আমি'ত্বকে গুরুর চরণে সঁপে দিয়ে নতুন এক 'আমি'র জন্ম দেওয়া।
"মুর্শিদ চেরাগ, মুর্শিদ আশার আলো, মুর্শিদ বিনে এই ভুবনে সবই আঁধার কালো।"
১. মুর্শিদ কেন প্রয়োজন? (The Divine Guide)
আধ্যাত্মিক জগত এক বিশাল গোলকধাঁধার মতো। এখানে নফস (প্রবৃত্তি) অনেক সময় ইবাদত বা সাধনার ছদ্মবেশে সাধককে ধোঁকা দেয়।
বিপজ্জনক পথ: আপনি যেমন গাইড ছাড়া অজানা পাহাড়ে পথ হারাতে পারেন, তেমনি মুর্শিদ ছাড়া 'ছয় লতিফা' বা 'পুলসিরাত' পাড়ি দিতে গেলে সাধক পথভ্রষ্ট হতে পারেন।
আয়নার কাজ: মুর্শিদ হলেন একটি স্বচ্ছ আয়না। সাধক যখন গুরুর সান্নিধ্যে যান, তখন তিনি গুরুর আয়নায় নিজের ভেতরের ময়লা বা অহংকারগুলো দেখতে পান, যা নিজের চোখে দেখা সম্ভব নয়।
শক্তির সঞ্চার (রূহানি ফয়েজ): মোবাইল যেমন চার্জ দেওয়ার জন্য বিদ্যুৎ সংযোগ লাগে, তেমনি সাধকের রূহকে জাগানোর জন্য মুর্শিদের রূহানি শক্তি বা 'ফয়েজ' প্রয়োজন হয়।
২. বায়াত বা আত্মসমর্পণের রহস্য
'বায়াত' শব্দটি আরবি 'বাই' (বিক্রি করা) থেকে এসেছে। বায়াত হওয়ার অর্থ হলো— নিজেকে নিজের মুর্শিদের হাতে বিক্রি করে দেওয়া। * আমিত্বের বিলোপ: বায়াত হওয়ার সময় মুরিদ বা শিষ্য প্রতিজ্ঞা করেন যে, এখন থেকে তার ইচ্ছা, তার বুদ্ধি এবং তার জীবন গুরুর আদেশের অধীন। এই যে স্বেচ্ছায় নিজের 'অহংকার' বিসর্জন দেওয়া, এটাই হলো 'মরণ জ্যান্ত' হওয়ার প্রথম ধাপ।
শিকল বা সিলসিলা: বায়াত হওয়ার মাধ্যমে শিষ্য একটি দীর্ঘ রূহানি শিকলের (সিলসিলা) সাথে যুক্ত হন, যা মুর্শিদ থেকে শুরু হয়ে পর্যায়ক্রমে নবী (সা.) পর্যন্ত গিয়ে পৌঁছায়। এই সিলসিলার মাধ্যমেই আধ্যাত্মিক বিদ্যুৎ বা নূর শিষ্যের হৃদয়ে প্রবাহিত হয়।
৩. ফানা-ফিশ-শায়খ (গুরুর সত্তায় বিলীন হওয়া)
আধ্যাত্মিকতার গভীর স্তরে একটি পর্যায় আছে যাকে বলা হয় 'ফানা-ফিশ-শায়খ'।
এখানে মুরিদ বা শিষ্য তার মুর্শিদকে সবসময় তার হৃদয়ে কল্পনা করেন। এক সময় শিষ্য অনুভব করেন যে তার চিন্তা, দেখা এবং অনুভব করার শক্তি গুরুর শক্তিতে রূপান্তরিত হয়েছে।
এটি মূলত 'ফানা-ফিল্লাহ' (স্রষ্টায় বিলীন হওয়া) শিখার একটি প্রাথমিক পাঠ। যে গুরুর মাঝে নিজেকে হারাতে পারে না, সে স্রষ্টার মাঝেও নিজেকে বিলীন করতে পারে না।
৪. দেহের 'কালব' বা হৃদয়ে চেরাগ জ্বালানো
দেহতত্ত্ব অনুযায়ী, মানুষের হৃদপিণ্ড একটি বদ্ধ কক্ষের মতো। মুর্শিদ তার 'নিগাহ' বা দৃষ্টির মাধ্যমে সেই কক্ষের তালা খুলে দেন।
মুর্শিদ শিষ্যকে দমের (শ্বাসের) সেই গোপন কাজ শিখিয়ে দেন, যার মাধ্যমে 'নাম' বা জিকির সরাসরি রক্তে মিশে যায়।
গুরুর দেওয়া 'সবক' বা পাঠ যখন শিষ্য নিয়মিত চর্চা করেন, তখন তার দেহের ভেতর সেই 'পুলসিরাত' পার হওয়ার শক্তি তৈরি হয়।
লোহা যেমন পরশ পাথরের ছোঁয়ায় সোনা হয়, তেমনি একজন কামেল গুরুর সান্নিধ্যে মানুষের ভেতরকার পশুত্ব নূরে রূপান্তরিত হয়। মুর্শিদ হলেন হৃদয়ের সেই ডাক্তার, যিনি অতি সন্তর্পণে নফসের ব্যাধি নিরাময় করেন। বায়াত হওয়ার রহস্য হলো নিজের ইচ্ছাকে পরম ইচ্ছায় বিলীন করা। যিনি নিজেকে বিলিয়ে দিতে জানেন, তিনিই কেবল আসল ধনের সন্ধান পান।
একটি মরমী সত্য:
মরমী কবিরা বলেন, "মুর্শিদ ধরলে খোদা পাওয়া যায়।" এর অর্থ এই নয় যে মুর্শিদ নিজেই খোদা, বরং মুর্শিদ হলেন সেই উইন্ডো বা জানালা যার মধ্য দিয়ে সূর্যের আলো (খোদা) ঘরে প্রবেশ করে। জানালার কাঁচ যত পরিষ্কার হবে, আলোর তীব্রতা তত বেশি হবে।
1 month ago | [YT] | 0
View 0 replies
তমসো মা জ্যোতির্গময়
শ্রী গুরু সঙ্ঘ
" বেলঘরিয়া মুখার্জী বাগান শাখা সঙ্ঘ "
৩৭ তম ভক্ত সম্মেলন
শ্রী গুরু জয়
🙏🙏🙏
1 month ago | [YT] | 0
View 0 replies
তমসো মা জ্যোতির্গময়
মনুষ্যেরা কুসঙ্গবশতঃ পাপকর্মা হয় এবং পাপকর্ম করিলে বুদ্ধি মলিন হয়। মনুষ্যেরা পাপাসক্ত হইয়া যখন বুদ্ধির সচ্ছতা ক্রমশঃ হারাইতে থাকে, তখন তাহাদের বিপদের বা দুর্ভাগ্যের পথ(পদে পদে উপনীত হয়) ক্রমশঃ প্রসারিত হয়। —পরমপ্রেমময় ঠাকুর শ্রী শ্রী নিগমানন্দ সরস্বতী
1 month ago | [YT] | 0
View 0 replies
তমসো মা জ্যোতির্গময়
মনুষ্যেরা কুসঙ্গবশতঃ পাপকর্মা হয় এবং পাপকর্ম করিলে বুদ্ধি মলিন হয়। মনুষ্যেরা পাপাসক্ত হইয়া যখন বুদ্ধির সচ্ছতা ক্রমশঃ হারাইতে থাকে, তখন তাহাদের বিপদের বা দুর্ভাগ্যের পথ(পদে পদে উপনীত হয়) ক্রমশঃ প্রসারিত হয়। —পরমপ্রেমময় ঠাকুর শ্রী শ্রী নিগমানন্দ সরস্বতী
1 month ago | [YT] | 1
View 0 replies
তমসো মা জ্যোতির্গময়
🙏🙏#শ্রীগুরুজয় 🙏🙏
মন তৈরি করা মানুষের একান্ত দরকার। দেহ পবিত্র না থাকিলে ধর্ম কথা শুনে কিছু লাভ নাই।
যখন শোনা যায় তখন মনে থাকে, পড়ে আর মনে থাকে না। কাজেই চিত্তশুদ্ধি সর্বপ্রথম দরকার। বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে যাহা আছে তাহা আছে তোমার দেহের মধ্যে। নিজেকে নিজে চেন, নিজেকে নিজে জান, নিজেকে নিজে ধর। প্রকৃত সাধকের বাহিরে যাহা থাকুক মনে মনে তাঁহার সহিত সর্বদা টান আছে। শ্রীভগবানের সাথে যাহাদের সম্বন্ধ আছে তাহাদের মন কখনও ইতি উতি ধায় না। যা হবার তা হবে নিশ্চিত।
শ্রী শ্রী ঠাকুর।
#শ্রীগুরুজয়গুরুকৃপাহিকেবলম্ 🙏
3 months ago | [YT] | 8
View 0 replies
তমসো মা জ্যোতির্গময়
হর হর মহাদেব 🕉🙏🙏🙏
4 months ago | [YT] | 4
View 0 replies
তমসো মা জ্যোতির্গময়
শ্রী গুরু জয় 🙏🙏🙏
5 months ago | [YT] | 7
View 2 replies
তমসো মা জ্যোতির্গময়
শ্রী গুরু জয় 🙏🙏🙏
5 months ago | [YT] | 3
View 0 replies
তমসো মা জ্যোতির্গময়
হর হর মহাদেব 🕉🕉🕉🙏🙏🙏
5 months ago | [YT] | 3
View 0 replies
Load more