I am an architect by profession, I make videos for social awareness and for those people who are not aware of architecture profession.
I love to share knowledge and exchange ideas , In this channel you can learn about architectural rules, tips and tricks that may be related to Bangladesh context.
I love to travel so you may be also get some travel videos and some funny experience sharing story here.
If you love those video and find those helpful , please do subscribe the channel and give a thumbs up.
Use the Google Form Link for your inquiry : forms.gle/7TtVNUc1CZbX5Nkf8
Business email : myquestion2ar.niloy@gmail.com
Ar. Niloy
আগামী ১৭ থেকে ২০ সেপ্টেম্বর ধানমণ্ডির Women’s Voluntary Association-এ বাংলাদেশ বনসাই সোসাইটির বনসাই এক্সিবিশন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
আমি এই প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ করছি। তাই সবাইকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি—শহরের ব্যস্ত জীবনের মাঝে প্রকৃতির সঙ্গে একটু সময় কাটাতে এবং বনসাইয়ের এই সুন্দর আয়োজনটি দেখতে চলে আসুন।
আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে।
📍 ভেন্যু ও লোকেশন:
maps.app.goo.gl/z4oK9e7RLWVRZvF36?g_st=ic
আপনাদের সবার সঙ্গে দেখা হবে আশা করি।
#Bonsai #BonsaiExhibition #BangladeshBonsaiSociety #Dhaka #BonsaiLovers #arniloy
4 hours ago | [YT] | 1
View 0 replies
Ar. Niloy
চারপাশে এত অস্থিরতা, এত যুদ্ধ, এত অনিশ্চয়তা। পৃথিবীর কোথাও যেন মানুষ শান্তিতে নেই।
এই সময়ে একটু প্রশান্তির জন্য প্রকৃতির কাছে ফিরে যাওয়ার কোনো বিকল্প নেই। অথচ শহরের জীবনে প্রকৃতির কাছাকাছি যাওয়াটাও সহজ নয়।
এই জায়গা থেকেই বাংলাদেশ বনসাই সোসাইটির এই আয়োজন।
১৭–২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ বনসাই সোসাইটির বনসাই এক্সিবিশন।
ছোট্ট পাত্রের মধ্যে গড়ে ওঠা একেকটি মহীরুহ। শহরের ব্যস্ত জীবনে প্রকৃতিকে একটু কাছে থেকে দেখা, অনুভব করা এবং কিছুটা সময় নিজের সঙ্গে কাটানোর একটা সুযোগ।
সবান্ধব আপনারা সবাই আমন্ত্রিত।
প্রকৃতির কাছে আসুন।
একটু প্রশান্তি নিয়ে ফিরে যান।
এক্সিবিশনের বিস্তারিত তথ্য ফটো কার্ডে দেওয়া আছে।
— স্থপতি নিলয়
১৫।৯।২৬
বাংলাদেশ বনসাই সোসাইটির মেম্বার হিসাবে আমি উপস্থিত থাকবো আপনি আসছেন তো ?
1 day ago | [YT] | 8
View 0 replies
Ar. Niloy
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ, তেলের সংকট এবং আমাদের স্থাপত্য—সম্পর্কটা কোথায়?
গত কয়েকদিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সংঘাত আবারও নতুন মাত্রা পেয়েছে। যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। আজ ৮ সেপ্টেম্বর Brent crude প্রায় ৯৭ ডলার/ব্যারেল পর্যন্ত উঠেছে, আর Strait of Hormuz ঘিরে সরবরাহের ঝুঁকি বাড়ছে। (Reuters)
আমাদের মতো জ্বালানি আমদানিনির্ভর দেশের জন্য এই যুদ্ধ শুধু দূরের কোনো ভূরাজনৈতিক ঘটনা নয়।
এর উত্তাপ আমাদের বিদ্যুৎ বিল, জ্বালানি ব্যয়, পরিবহন খরচ এবং শেষ পর্যন্ত আমাদের পকেটে এসে লাগে।
তাহলে প্রশ্ন হলো—এই সংকট থেকে বের হওয়ার জন্য আমরা শুধু বেশি জ্বালানি আমদানি করব, নাকি আমাদের জ্বালানি ব্যবহারের ধরনটাও বদলাব?
এখানেই স্থাপত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে।
বাংলাদেশের মতো উষ্ণ ও আর্দ্র দেশে ভবনের বিদ্যুৎ ব্যবহারের বড় একটি অংশ cooling-এর সঙ্গে সম্পর্কিত। অথচ আমরা দিনের পর দিন এমন ভবন তৈরি করছি, যেগুলো প্রকৃতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার পরিবর্তে প্রকৃতিকে পুরোপুরি অস্বীকার করে।
ঢাকার অনেক কমার্শিয়াল ভবনের দিকে তাকান।
চারপাশে কাচ। ভেতরে সারাক্ষণ AC। জানালা বন্ধ। বাইরের গরম বাতাস ঢুকতে পারবে না, কিন্তু সূর্যের তাপ কাচের মাধ্যমে ভবনের cooling load বাড়াবে।
এটা শুধু aesthetic বা architectural fashion-এর বিষয় নয়—এটা energy economics-এর বিষয়।
US Department of Energy-এর building research-ও দেখাচ্ছে, glazing ভবনের heating ও cooling load-এ গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে এবং solar heat gain নিয়ন্ত্রণ না করলে cooling demand বাড়তে পারে। বিশেষ করে গরম জলবায়ুতে low-SHGC glass, shading এবং সঠিক building orientation গুরুত্বপূর্ণ। (The Department of Energy’s Energy.gov)
অর্থাৎ সমস্যা কাচ নিজে নয়।
সমস্যা হলো—
জলবায়ু বিবেচনা না করে কাচের ব্যবহার।
আমরা যদি একটি ভবনের প্রায় পুরো façade কাচ দিয়ে মুড়ে দিই, অথচ external shading, orientation, solar control, natural ventilation এবং high-performance glazing-এর বিষয়গুলো উপেক্ষা করি, তাহলে ভবনটি ধীরে ধীরে AC-নির্ভর একটি sealed box-এ পরিণত হয়।
তারপর সেই AC চালাতে আরও বিদ্যুৎ লাগে।
বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ে → জ্বালানির প্রয়োজন বাড়ে → উৎপাদন ও আমদানি ব্যয় বাড়ে → অর্থনীতিতে চাপ পড়ে → শেষ পর্যন্ত সেই চাপ আসে আপনার-আমার পকেটে।
এখানে স্থপতিদেরও দায় আছে।
আমাদের এখন সময় এসেছে “কীভাবে ভবনটাকে সুন্দর দেখাব?”—এই প্রশ্নের পাশাপাশি জিজ্ঞেস করার—
“কীভাবে ভবনটাকে কম শক্তি খরচ করিয়ে সুন্দর করা যায়?”
এটা সম্ভব।
এর সবচেয়ে সুন্দর উদাহরণগুলোর একজন হলেন মালয়েশিয়ান স্থপতি Ken Yeang।
তার bioclimatic skyscraper ধারণায় high-rise ভবনকে শুধু কাচের বাক্স হিসেবে না দেখে building orientation, shading, natural ventilation, sky courts, vegetation এবং airflow-এর সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। Menara Mesiniaga-র মতো প্রকল্পগুলো দেখিয়েছে—একটি high-rise একই সঙ্গে আধুনিক, landmark এবং climate-responsive হতে পারে। (ArchDaily)
তাহলে বাংলাদেশে আমরা কেন এখনও অনেক ক্ষেত্রে ৮০–৯০-এর দশকের সেই “glass box” architecture-এর নান্দনিকতায় আটকে আছি?
আমাদের Building Code এবং design guidelines-এ এখন আরও গুরুত্ব দেওয়া দরকার—
• Climate-responsive building design
• Building orientation
• Window-to-wall ratio
• Solar Heat Gain Coefficient (SHGC)
• External shading devices
• Low-E / high-performance glazing
• Natural ventilation
• Appropriate operable openings
• Green roofs ও vertical greenery
• Energy-efficient HVAC
• এবং প্রয়োজন হলে building energy modelling
তবে একটা বিষয় পরিষ্কার করা দরকার—আমি বলছি না যে “সব কাচের ভবন খারাপ” কিংবা প্রতিটি commercial building-এ ৬০% জানালা খুলতেই হবে।
বরং আমাদের প্রয়োজন performance-based regulation—যেখানে ভবন কতটা কাচ ব্যবহার করবে তার পাশাপাশি ভবনটি কতটা solar heat নিয়ন্ত্রণ করছে, কতটা energy ব্যবহার করছে এবং প্রাকৃতিক ventilation-এর সুযোগ কতটা রাখছে—এসবও বিবেচনায় আসবে।
কারণ আধুনিক স্থাপত্য মানেই কাচ নয়।
আধুনিক স্থাপত্য মানে প্রযুক্তি, জলবায়ু, অর্থনীতি এবং মানুষের প্রয়োজনকে একসঙ্গে বোঝা।
আর renewable energy?
সেটাও অবশ্যই দরকার। বাংলাদেশ ইতোমধ্যে Renewable Energy Policy 2025 এবং Net Metering Guideline 2025-এর মতো উদ্যোগ নিয়েছে। (Sreda)
কিন্তু শুধু rooftop solar বসালেই সমস্যার সমাধান হবে না।
যে ভবন অপ্রয়োজনীয়ভাবে বেশি energy consume করে, তাকে আগে energy-efficient করতে হবে।
তারপর সেই ভবনের প্রয়োজনীয় শক্তির একটি অংশ renewable source থেকে আনতে হবে।
এটাই হতে পারে আমাদের ভবিষ্যতের পথ—
Less Energy → Better Design → Renewable Energy → Lower Operating Cost
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ হয়তো আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে।
তেলের আন্তর্জাতিক বাজারও আমাদের হাতে নেই।
কিন্তু আমরা কেমন ভবন তৈরি করব—সেটা আমাদের হাতে।
আজ যদি আমরা এমন ভবন তৈরি করি যেগুলো সূর্যের সঙ্গে যুদ্ধ করে, বাতাসকে আটকে রাখে এবং সারাক্ষণ AC-এর ওপর নির্ভরশীল থাকে—তাহলে সেই ভুলের খরচ আগামী কয়েক দশক ধরে আমাদের অর্থনীতিকে দিতে হবে।
তাই এখন সময় এসেছে স্থাপত্যকে শুধু “দেখতে সুন্দর” করার প্রতিযোগিতা থেকে বের করে “কম শক্তি খরচ করে সুন্দরভাবে বাঁচতে পারে”—এমন স্থাপত্যের দিকে নিয়ে যাওয়ার।
যুদ্ধের উত্তাপ হয়তো মধ্যপ্রাচ্যে।
কিন্তু তার প্রভাব আমাদের শহরের ভবন পর্যন্ত পৌঁছে গেছে।
এখন সিদ্ধান্ত আমাদের—
আমরা কি আরও বেশি AC দিয়ে গরমের সঙ্গে যুদ্ধ করব?
নাকি স্থাপত্য দিয়েই গরমের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া শিখব?
ভাবার সময় এসেছে।
আলোচনা করার সময় এসেছে।
আর সবচেয়ে বড় কথা—ডিজাইন পরিবর্তন করার সময় এসেছে।
— স্থপতি নিলয়
৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
#স্থপতি_নিলয় #Architecture #Bangladesh #Dhaka #EnergyCrisis #OilCrisis #IranIsraelWar #RenewableEnergy #GreenArchitecture #SustainableArchitecture #BioclimaticArchitecture #ClimateResponsiveDesign #EnergyEfficientBuilding #UrbanHeatIsland #BuildingCode #FutureOfArchitecture #বাংলাদেশ #স্থাপত্য Tarique Rahman #arniloy
1 week ago | [YT] | 11
View 3 replies
Ar. Niloy
প্ল্যানিং পারমিট: নির্মাণ খাতকে সহায়তা, নাকি আরেকটি অতিরিক্ত বাধা?
DAP এলাকার প্রায় সব ধরনের স্থাপনার ক্ষেত্রেই এখন Planning Permit বাধ্যতামূলক। নিয়ম থাকা নিয়ে আপত্তি নেই; আপত্তি হলো অতিরিক্ত ফি, জটিলতা ও হয়রানি নিয়ে।
একটি Planning Permit-এর মাধ্যমে মূলত একটি জমিতে কী ধরনের development potential রয়েছে, কত FAR প্রাপ্য হতে পারে, কত ইউনিট করা সম্ভব—এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ প্রাথমিক সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়।
এখন একজন জমির মালিক যদি জানতে চান—
“আমার জমিতে আদৌ প্রকল্প করা সম্ভব কি না?”
তাহলে সেই প্রাথমিক feasibility যাচাই করতেই তাকে কয়েক হাজার টাকা খরচ করতে হচ্ছে।
বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ কারণ বর্তমানে দেশের নির্মাণ খাত ও real estate sector কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।
অনেক জমির মালিক Planning Permit বা feasibility report পাওয়ার পর সিদ্ধান্ত নেন—
* নিজে নির্মাণ করবেন কি না,
* Developer-এর সঙ্গে joint venture করবেন কি না,
* জমি বিক্রি করবেন কি না,
* নাকি আপাতত প্রকল্প স্থগিত রাখবেন।
অর্থাৎ এই পর্যায়টি মূলত investment decision-এর আগের feasibility stage
দুই বছর আগেও Planning Permit-এর আবেদন ফি ছিল মাত্র ১,১৫০ টাকা। বর্তমানে সেটি বেড়ে প্রায় ৫,৭০০ টাকা।
একটি Planning Permit-এর মাধ্যমে মূলত জমিতে কত FAR, কত ইউনিট বা কী ধরনের development potential রয়েছে—সেই প্রাথমিক ধারণাই পাওয়া যায়। অথচ এই feasibility জানতেই একজন জমির মালিককে এখন কয়েক হাজার টাকা খরচ করতে হচ্ছে।
বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে নির্মাণ খাত এমনিতেই সংকটে। অনেক land owner এই feasibility দেখেই সিদ্ধান্ত নেন—নিজে নির্মাণ করবেন, developer-কে দেবেন, নাকি প্রকল্প স্থগিত রাখবেন। শুরুতেই অতিরিক্ত খরচ ও জটিলতা তৈরি হলে অনেকেই প্রকল্পে যেতে নিরুৎসাহিত হবেন।
আরেকটি বিষয় আরও উদ্বেগের—অনলাইনে আবেদন করার পরও কোথাও কোথাও আবেদনকারীকে ফোন করে অফিসে ডাকার অভিযোগ রয়েছে। ডিজিটাল ব্যবস্থার উদ্দেশ্য হওয়া উচিত কম খরচ, কম সময় এবং হয়রানিমুক্ত সেবা।
আমি কোনো ব্যক্তি বা কর্মকর্তাকে অভিযুক্ত করছি না। তবে পুরো প্রক্রিয়াটি যদি আরও স্বচ্ছ, অনলাইন ও স্বয়ংক্রিয় করা যায়, তাহলে সাধারণ মানুষের হয়রানি এবং অনানুষ্ঠানিক লেনদেনের সুযোগ দুটোই কমবে।
আমার অনুরোধ খুব simple—Planning Permit থাকুক, কিন্তু ফি ও প্রক্রিয়া যৌক্তিক করা হোক।
নির্মাণ খাতকে সচল করতে এখন দরকার—
কম ফি + সহজ প্রক্রিয়া + দ্রুত সেবা + সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা।
নগর উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ করা কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব; কিন্তু সেই নিয়ন্ত্রণ যেন নতুন বিনিয়োগের পথে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়।
স্থপতি নিলয়
২৮।৮।২৬
দুই বছর আগে অনলাইনে প্ল্যানিং পারমিট নেয়ার প্রক্রিয়া নিয়ে একটা ভিডিও বানিয়েছিলাম, প্রক্রিয়া সেইম থাকলেও সরকারি ফি কয়েক গুন বেড়ে গেছে।ভিডিও লিংকটা এইখানে দিলাম: https://youtu.be/AfEOTesbN8o?si=LoEzf...
#PlanningPermit #DAP #RAJUK #ConstructionSector #RealEstate #UrbanDevelopment #Bangladesh৯
2 weeks ago | [YT] | 12
View 1 reply
Ar. Niloy
স্থাপত্য—অঙ্কের বাইরে এক টুকরো স্বপ্ন
স্থাপত্য আর পুরকৌশল বা ইঞ্জিনিয়ারিং—এই দুটির মধ্যে একটা মৌলিক পার্থক্য আছে।
স্থাপত্যের ভেতর প্রকৌশলের অঙ্ক আছে, হিসাব আছে, মাপজোক আছে, কাঠামোর যুক্তি আছে। কিন্তু তার সঙ্গে আরও কিছু আছে—প্রাণ আছে, আবেগ আছে, কল্পনা আছে, স্বপ্ন আছে।
একজন স্থপতি যখন কোনো একটি বাড়ি, একটি ঘর কিংবা একটি বিশাল প্রকল্পের নকশা করেন, তখন তাকে আসলে কিছু সময়ের জন্য একটা কল্পনার জগতে বিচরণ করতে হয়। অন্যের বাড়ি, অন্যের ঘর, অন্যের জীবনযাপনের জন্য জায়গা তৈরি করতে করতে কখন যেন সেই বাড়িটাকেই নিজের মনে হতে শুরু করে। নকশা করতে করতে স্থপতি নিজের অজান্তেই সেই বাড়ির ভেতর বসবাস করতে শুরু করেন—কল্পনায়, স্বপ্নে।
একটা বড় প্রকল্পের হাজারো বর্গফুটের মধ্যে হয়তো মাত্র কয়েক বর্গফুটের একটা ছোট্ট কর্নার থাকে, যেটা হয়ে ওঠে স্থপতির সবচেয়ে প্রিয় জায়গা। সেখানে হয়তো একটা জানালা থাকবে, সকালের আলো এসে পড়বে, পাশে একটা গাছ থাকবে—ব্যস, সেই সামান্য জায়গাটুকুতেই স্থপতি তার পুরো স্বপ্নটা দেখতে পান।
এই কারণেই স্থাপত্যের প্রতিটি নকশার পেছনে শুধু অঙ্ক থাকে না; থাকে অসংখ্য কল্পনার বিচরণ।
কিন্তু দুঃখের বিষয়, বাংলাদেশে একজন স্থপতির করা স্থাপত্য সবসময় তার কল্পিত রূপটি বাস্তবে দেখতে পায় না।
স্থপতিকে দিয়ে নকশা করানোর পরও অনেক সময় নির্মাণের পর্যায়ে এসে স্থাপনার চেহারা বদলে যায়। কারণ শেষ পর্যন্ত স্থপতির সাথে একি স্বপ্ন দেখা বাড়ির মালিকের পছন্দ, চাহিদা নির্মানের রুপ দেখা সেই স্থাপনায় তার মত করে সাজানোর ইচ্ছায় স্থপতিকে বাদ দিয়েই অনেক কিছু যুক্ত করা শুরু হয় , বাস্তবতার সঙ্গে স্থপতির কল্পনার একটা সংঘাত তৈরি হয় ।
অনেক সময় স্থপতির নকশায় করা সেই স্থাপনায় স্থপতিকে নেয়াও বাড়তি খরচ মনে করা হয়। ফলে যতটুকু প্রয়োজন, ততটুকু রেখে বাকি অংশে নিজের মতো করে রং মাখিয়ে, উপকরণ বদলে, কোনো একটা অংশ বাদ দিয়ে কিংবা নতুন কিছু যোগ করে ভবনটাকে এমন একটা রূপ দেওয়া হয়—যেটা হয়তো স্থপতির কল্পনার সঙ্গে আর কোনোভাবেই মেলে না।
দিন শেষে স্থাপনাটি দাঁড়িয়ে থাকে ঠিকই, কিন্তু তার মধ্যে সেই স্বপ্নের পুরোটা আর খুঁজে পাওয়া যায় না।
এই অপুর্নতার ক্ষেদটা একজন স্থপতির ভেতরে থেকে যায়।
এদেশে না বলা একটা কঠিন বাস্তবতা হলো, একজন স্থপতির করা প্রতিটি স্থাপনা যে অসাধারণ সুন্দর হবে, সেটা বাস্তবতার নিরিখে কখনোই সম্ভব নয়। একটি ভালো স্থাপত্যের জন্য শুধু ভালো ডিজাইনই যথেষ্ট নয়।
ভালো ডিজাইন, স্থাপত্যবোধসম্পন্ন একজন ক্লায়েন্ট, সেই সাথে স্বপ্নের রুপ দেয়ার পর্যাপ্ত সামর্থ্য, নির্মাণের মান এবং নকশার প্রতি আস্থা—সবকিছু যখন একই জায়গায় এসে মিলিত হয়, তখনই হয়তো একটি স্থাপত্য তার কাঙ্ক্ষিত রূপটি পেতে পারে।
অন্যথায় স্থপতির কল্পনার রঙতুলিতে আঁকা সেই স্থাপনাগুলো অনেক সময় কাগজেই থেকে যায়—একটা স্বপ্ন হয়ে।
এই জীবনে কম স্থাপনা নকশা করিনি।
কিছু বাস্তবতার রূপ পেয়েছে।
কিছু নির্মাণের পথে হারিয়ে গেছে।
কিছু হয়তো এখনো নির্মাণের অপেক্ষায়।
আর কিছু—সম্ভবত চিরকালই আমার কল্পনার জগতের অংশ হয়ে থাকবে।
তবুও স্থপতির পথচলা থেমে থাকে না।
প্রতিটি নতুন নকশার সঙ্গে আবার নতুন করে একটা স্বপ্ন জন্ম নেয়। আবার একটা বাড়ির ভেতর হাঁটি, আবার একটা ঘরের জানালা দিয়ে আলো দেখি, আবার কোনো ছোট্ট কর্নারকে নিজের প্রিয় জায়গা বানিয়ে ফেলি।
হয়তো কোনো একদিন, কোনো একটা স্বপ্ন—যেভাবে কল্পনার রংতুলিতে এঁকেছিলাম, ঠিক সেভাবেই বাস্তবতার রূপ পাবে।
সেই আশাতেই একজন স্থপতির জীবন কেটে যায়।
স্বপ্ন বুনতে বুনতে।
নকশা করতে করতে।
আর কল্পনার জগৎ থেকে বাস্তবতার পৃথিবীতে একের পর এক স্থাপত্যকে জন্ম দেওয়ার অপেক্ষায় ..................
স্থপতি নিলয়
২২/৮/২৬
AI এর যুগে নিজের করা কিছু ডিজাইন প্রজেক্ট কে জল রঙে রুপান্তর করে দেখতে গিয়ে মনের মধ্যে তৈরি ভাবনা থেকে লিখা।
#arniloy #integraldesignstudio Integral design studio #buildingdesign #ArchitecturalDesign #watercolorpainting Hasan Shahriar Khan #architecturalvisualization #render
3 weeks ago | [YT] | 60
View 5 replies
Ar. Niloy
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায় প্ল্যান পাস প্রক্রিয়া নিয়ে অনেকেই বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন করেন।
তাদের সুবিধার্থে এই ডকুমেন্টটি শেয়ার করা হলো, যাতে কোনো দালালের সাহায্য ছাড়াই কীভাবে প্ল্যান পাসের পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যায় তা ধাপে ধাপে সহজভাবে বোঝা যায়।
আশা করি ডকুমেন্টটি সাধারণ মানুষ, জমির মালিক এবং ভবন নির্মাণে আগ্রহীদের জন্য উপকারী হবে। সচেতন হোন, নিয়ম জানুন, এবং নিজের কাজ নিজেই সম্পন্ন করুন।
#Rajuk #PlanPass #BuildingPermit #DAP #BNBC #DhakaCity #Architect #IntegralDesignStudio #স্থপতি #রাজউক #প্ল্যানপাস #ভবননির্মাণ #ইমারতনির্মাণবিধিমালা #বাংলাদেশ
1 month ago | [YT] | 11
View 1 reply
Ar. Niloy
একটা অনলাইন নার্সারি থেকে বারোশো টাকা দিয়ে কলমের সমান ছোট্ট একটা চারাগাছ কিনে এই বনসাইয়ের যাত্রা শুরু করেছিলাম। আজও গাছটার দিকে তাকালে অবাক হয়ে যাই। এর পাতাগুলো হাতে নিয়ে বারবার মনে হয়—সৃষ্টিকর্তা কত অদ্ভুত মমতা আর সৌন্দর্য দিয়ে প্রকৃতিকে সাজিয়েছেন! (গাছ ভালোবাসা যে কোন মানুষ এই গাছের পাতা সামনা সাম্নি দেখলে এর প্রেমে পরে যাবে।)
পাতাগুলো দেখতে অনেকটা আমাদের পরিচিত তেঁতুল পাতার মতো, কিন্তু এটি আমাদের দেশীয় গাছ নয়; বিদেশি একটি প্রজাতি।গাছটার নাম শমী গাছ, বৈজ্ঞানিক নাম Prosopis cineraria।এটা সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) জাতীয় গাছ।
ছোট্ট চারা থেকে ধীরে ধীরে এটাকে আজ বেসিক শেপে নিয়ে আসতে পেরেছি। এখনও অনেক পথ বাকি, তবু প্রতিটি ধাপ আমার কাছে একেকটা আনন্দের অভিজ্ঞতা।
এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে শিকড়ের গঠন তৈরি করা। বনসাইয়ের সৌন্দর্যের বড় অংশটাই নির্ভর করে সুন্দর নেবারি বা শিকড়ের বিস্তারের উপর। নেবারিটা যখন মনমতো হবে, তখনই এটাকে ট্রেইনিং টব থেকে তার স্থায়ী ঠিকানা বনসাই পাত্রে বসিয়ে দেব।
বনসাই আসলে শুধু গাছ বড় করার শিল্প নয়; ধৈর্য, সময় আর ভালোবাসাকে ধীরে ধীরে একটি জীবন্ত রূপ দেওয়ার নাম।
স্থপতি নিলয়
১৪।৮।২৬
1 month ago | [YT] | 8
View 0 replies
Ar. Niloy
We are truly delighted to receive this wonderful gesture. Such kindness and appreciation strengthen professional relationships and inspire us to continue our work with even greater passion and dedication.
We sincerely appreciate the PMG team for their generosity and warm wishes. Looking forward to many more meaningful collaborations in the future.
Thank you once again, PMG(Prime Marble & Granite)
Ar.Hasan Shahriar Khan (Niloy)
— Integral Design Studio
#PMG #IntegralDesignStudio #Gratitude #ThankYou #CorporateGifts #ProfessionalRelationship #ArchitectureStudio #DesignCommunity #Sylhet #Bangladesh #ArchitectLife #CreativeStudio
1 month ago (edited) | [YT] | 4
View 0 replies
Ar. Niloy
A New Landmark in Sylhet.
Proud to unveil our latest architectural project by Integral Design Studio — a G+M+16 Storied Premium Residential Building on an 8.11 Katha site at Major Tilla, Islampur, Sylhet.
Designed with a vision of contemporary living, efficient space planning, and timeless architectural aesthetics.
Architecture by:
Integral Design Studio
www.studiointegral.com / www.arniloy.net
#integraldesignstudio #architecture #highrise #residentialdesign #Sylhet #Majortilla #Islampur #contemporaryarchitecture #BangladeshArchitecture #arniloy Ar.Niloy
1 month ago | [YT] | 18
View 5 replies
Ar. Niloy
A heartfelt thank you to @BergerBD for your warm birthday wishes.
Your thoughtful message truly made my day even more special. It is always a pleasure to be associated with a brand that values creativity, quality, and meaningful relationships.
I sincerely appreciate your kindness and wish Berger Paints Bangladesh continued success and many more achievements in the years ahead.
Thank you once again for making my birthday memorable.
Ar.Niloy
1 month ago | [YT] | 22
View 1 reply
Load more