Dr. Bashudeb Kumar Saha 

Dr. Bashudeb Kumar Saha, MBBS, BCS (Health), MS (ENT).
ENT Specialist & Head Neck Surgeon.
Senior Consultant (Department of ENT), Central Police Hospital, Dhaka.
Chief consultant, Malleus ENT Specialized Hospital Limited,
24/1 (Lift 4), Shan Tower, Shantinagar, Dhaka-1217.
For serial contact this number: 09613 651020, 01324 254498, 01324 254499


Dr. Bashudeb Kumar Saha

একজন মা তার সন্তানের চিন্তা বাদ দিয়ে নিজের চিন্তাটা কখনোই করেন না। বরং নিজের কষ্টটা বাদ দিয়ে সন্তানের সুখের কথাটাই আগে ভাবেন। তাই তো এ ভুবনে সবার ঊর্ধ্বে মা। যার কোনো তুলনা হয় না। যার ঋণ কখনো শোধ হয় না।

গলার সামনে বিশাল বড় একটি থাইরয়েড গ্ল্যান্ডের টিউমার নিয়ে ৬ সন্তানের একজন মা যখন আমার কাছে এলেন; আমি জানতে পারলাম সন্তানগুলো খুব ছোট রেখেই অনেক বছর আগে তার স্বামী এই পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন।

স্বামী হারিয়ে সন্তান ও নিজের দেহে থাকা ২৫ বছরের একটি টিউমার নিয়ে খুব কষ্টে জীবন কাটিয়েছেন এই মা জননী। তবুও অপারেশন করে রোগমুক্ত হননি শুধু একটি মাত্র ভয়ে, যদি তার কিছু হয়ে যায় তবে তার সন্তানদের কী হবে।

টিউমারটির সাথে সাথে সন্তানরা যখন বড় হলো, তখন সেই সন্তানরাই মায়ের কষ্ট দূর করতে উঠে-পড়ে লাগল। একের পর এক পরীক্ষা আর চিকিৎসক দেখাতে দেখাতে অবশেষে তার সন্তানরা আমার কাছে নিয়ে এলেন তাদের মাকে।

সকল পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখলাম তার টিউমারটি এত বড় হয়ে গেছে, শ্বাসনালির উপর চাপ পড়েছে। যেটা অজ্ঞান করার ক্ষেত্রে অনেকটা ঝুঁকি থাকে। আমি তাদের সবকিছু বুঝিয়ে বলার পরও তারা অপারেশনে রাজি হলেন।

সকলের দোয়া ও সৃষ্টিকর্তার কৃপায় আমার টিম নিয়ে টানা ৬ ঘণ্টা অপারেশনের পর ২৫ বছরের টিউমারটি অপসারণ করতে সক্ষম হলাম। আমি সবার প্রতি কৃতজ্ঞ, যারা আমার সাথে ছিলেন। তিনি ভালো আছেন। এমনই একটি ভিডিও দেখবেন আগামীকাল সকাল ১০:০০টায়।

এই মায়ের পূর্ণ সুস্থতার জন্য দোয়া ও আশীর্বাদ চাই। সকলের সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনা করছি। ধন্যবাদ সবাইকে।

A mother never thinks of herself before thinking of her children. Instead, she puts aside her own pain and always thinks about her children’s happiness first. That is why, in this world, a mother is above everyone else. There is no comparison to a mother, and her debt can never truly be repaid.

When a mother of six came to me with a huge thyroid gland tumor at the front of her neck, I learned that her husband had passed away many years ago, leaving their children very young.

After losing her husband, this mother spent years struggling to raise her children while carrying a 25-year-old tumor in her own body. Yet she never underwent surgery because of one fear: “If something happens to me, what will happen to my children?”

As the years passed, the tumor grew along with her children. Eventually, those same children became determined to relieve their mother’s suffering. After undergoing one test after another and consulting several doctors, they finally brought their mother to me.

After completing all the necessary examinations, I found that the tumor had grown so large that it was putting pressure on her airway. This made anesthesia and surgery considerably more challenging and risky. Even after I explained all the risks and details to the family, they agreed to proceed with the operation.

With everyone’s prayers and the grace of the Almighty, I performed the surgery with my team. After six continuous hours of surgery, we were able to successfully remove the 25-year-old tumor.

I am deeply grateful to everyone who stood by me throughout the procedure. She is doing well.

You will be able to watch a video of this remarkable case tomorrow at 10:00 AM.

Please keep this mother in your prayers and blessings for her complete recovery.

Wishing everyone good health, happiness, and well-being.

Thank you all.

1 day ago | [YT] | 371

Dr. Bashudeb Kumar Saha

যে মানুষটিকে সহজে বোঝানো যায় না, তাকেই বেশি ভালোবাসি। বুঝতে না চাইলেও আদর, স্নেহ আর ভালোবাসা দিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করি। কারণ আমি সব সময় মনে করি, সে আমার আপনজন। তার ভালোটাই আমি সব সময় চাই। বলছি শিশুদের কথা। আমার চেম্বারে শিশুদের আগমন সবচেয়ে বেশি, যেটা আমার খুব ভালো লাগে। তবে খারাপ লাগার দিকটা হলো, যখন তাদের বাবা-মায়ের মুখে তাদের কষ্টের কথাগুলো শুনি।

অনেকেই আছেন, আমার কাছে আসার আগে অনেক জায়গায় গিয়েছিলেন। অপারেশনের কথা শুনে ভয় পেয়ে, চিকিৎসায় ভালো ফলাফল না পেয়ে, বিদেশে গিয়ে এবং বিদেশের চিকিৎসা নিয়েও ফিরে এসে আমার কাছে আসেন। এতে আমার বীরত্বের কিছুই নেই, তবে দায়িত্ব অনেক বাড়িয়ে দিতে হয়। বিশেষ করে শিশুদের কথা না বললেই নয়। কখনো কখনো পরিবারের মানুষের মতোই অভিভাবক হয়ে পাশে থাকতে হয়।

একজন শিশুর যখন অপারেশনের সিদ্ধান্ত দিই, বাবা-মা শুনেই পিছিয়ে যায়—“স্যার, ওষুধ দিয়ে ভালো করেন।” ওষুধ খেয়ে যখন পরিপূর্ণ সুস্থ না হয়, তখন সন্তানের কষ্ট সহ্য করতে না পেরে তারাই বলেন, “স্যার, অপারেশন করেন।”এরপর শুরু হয় আমাদের চুলচেরা বিশ্লেষণ। খুব সতর্কতার সাথে প্রতিটি শিশুর অপারেশনে নামতে হয়। কারণ সন্তানটিকে নিজের সন্তানের মত ভেবে অপারেশন করি। আর সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করি, সন্তান যেন মায়ের কোলে ফিরিয়ে দিতে পারি।

অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া থেকে শুরু করে জ্ঞান ফেরা পর্যন্ত বাবা-মায়ের চিন্তার চেয়ে চিকিৎসকের টেনশন কোনো অংশ কম থাকে না। শিশুদের হাসিমুখে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া, তাদের অজ্ঞান করা—এত সহজ কাজ না। তারপরও সৃষ্টিকর্তার কৃপায়, আপনাদের সবার দোয়ায় আমরা অপারেশন করছি। বিশেষ শিশু, বয়সে ছোট শিশু — যাদের অপারেশন করতে না চাইলেও শিশুদের কষ্ট দেখে, বাবা-মায়ের অনুরোধে অসংখ্য শিশুর সফল অপারেশন করেছি।

তবে আমি বিশ্বাস করি, সৃষ্টিকর্তা চাইলে সুস্থতা কেউ ঠেকাতে পারবে না। আবার সৃষ্টিকর্তা না চাইলে কেউ সুস্থও হতে পারে না। এটা মেনেই চিকিৎসা নিতে হয়। কারণ সবকিছুর মালিক তিনি, যিনি আমাদের সৃষ্টি করেছেন। আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন। চিকিৎসা দিয়ে আমি যেন আপনাদের পাশে থাকতে পারি। সকলের সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনা করছি। ধন্যবাদ।

I love the people who are not easy to convince or make understand. Even when they don’t want to understand, I try to explain things to them with care, affection, and love. Because I always feel that they are my own people, and I always want what is best for them.

I’m talking about children. Children are the most frequent visitors to my chamber, and I genuinely love that. The difficult part, however, is listening to their parents describe the suffering their children are going through.

Many patients come to me after visiting numerous other places. Some are frightened after being advised to undergo surgery; some come after not getting satisfactory results from treatment; and others come to me after traveling abroad and receiving treatment there without achieving the desired outcome. There is nothing heroic about this for me, but it certainly increases my responsibility. This is especially true when it comes to children. Sometimes, I have to stand beside them like a member of their own family and take on the role of a guardian.

When I recommend surgery for a child, the parents often become hesitant as soon as they hear the word “operation.” They say, “Sir, please make my child better with medicine.” But when medication fails to bring complete recovery, and they can no longer bear to see their child suffer, they themselves say, “Sir, please perform the surgery.”

That is when our detailed analysis begins. Every child’s surgery has to be approached with extreme caution and care. I operate on each child as if they were my own. And I pray to the Almighty that I may be able to return that child safely to their mother’s arms.

From the moment a child is taken into the operating theatre until they regain consciousness, a doctor’s anxiety is no less than that of the parents. Taking a child into the operating theatre with a smile on their face and putting them under anesthesia is never an easy task. Yet, by the grace of the Almighty and with all your prayers, we continue to perform these operations. Whether it is a child with special needs or a very young child—although there are times when I may hesitate to operate because of their age or condition—seeing their suffering and responding to their parents’ requests has led me to successfully operate on countless children.

However, I believe that when the Almighty wills someone to recover, no one can prevent it. And if He does not will it, no one can make recovery happen. We have to accept this while seeking medical treatment. He is the ultimate owner of everything, the One who created us.

Please keep me in your prayers. May I always be able to stand beside you through medical care and treatment. I wish everyone good health, happiness, and well-being.

Thank you.

#ডাঃবাসুদেবকুমারসাহা
#DrBashudebKumarSaha

5 days ago | [YT] | 552

Dr. Bashudeb Kumar Saha

সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছায় মানুষ রোগমুক্ত হয়।
*********************
দুঃখিনী এক মায়ের একটি মাত্র আদরের সন্তান, নাম তার হেলেনা। আজ থেকে প্রায় এক বছর আগে গলার সামনে একটি বীভৎস টিউমার নিয়ে আমার কাছে এসেছিলেন তিনি ও তার স্বামী। আমি তাকে দেখলাম এবং জানতে চেয়েছিলাম, কীভাবে তার এমন হলো।

গলার সামনে ছোট্ট একটি রক্তের মতো দাগ নিয়ে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। বাবা-মা বলেছিলেন, এটি জন্মদাগ। এরপর স্বামীর সংসারে গিয়ে স্বামীর নখের সামান্য আঘাতে সেটি একটি ছোট্ট গোটায় পরিণত হয়। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা নিয়ে বছরের পর বছর পার হলেও দূর হয়নি তার সেই গোটা।

হঠাৎ খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে ছোট্ট গোটাটি অনেক বড় হয়ে গেল।একটা সময় রক্ত ঝরতে লাগল। এরপর শুরু হয়েছিল তার যন্ত্রণা। শরীরের যন্ত্রণার চেয়ে মানুষের দেওয়া কষ্ট কোনো অংশে কম ছিল না তার। কাপড়ের আঁচলে ঢেকেও যেন রক্ষা পাননি প্রতিবেশীদের নানান প্রশ্ন থেকে।

আমার সঙ্গে এমন কষ্টের কথাগুলো বলতে বলতে অঝোরে কেঁদেছিলেন এই বোনটি। আমি তাকে সান্ত্বনা দিয়ে বলেছিলাম, “কাঁদবেন না। সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছায় আপনি সুস্থ হবেন। আমি আমার সর্বোচ্চ সহযোগিতা করব।” তার একটি অপারেশন করেছিলাম আজ থেকে প্রায় এক বছর আগে।

এক বছর পর যখন তিনি আমার চেম্বারে এলেন, আমি তাকে চিনতেই পারছিলাম না। তার স্বামীর মোবাইলে তার আগের ছবি দেখে এবং বর্তমানে তার দিকে তাকিয়ে অনেকটা খুশি হলাম। সত্যি, রোগীরা যখন সুস্থ হয়, একজন চিকিৎসক কতটা শান্তি পান—সেটা রোগীদের হতে পারে অজানা।

সকল রোগীকে রোগমুক্ত করতে একজন চিকিৎসক যে কতটা চেষ্টা করেন, এটাও তারা বুঝতে চান না। তারপরও আমরা আমাদের সর্বোচ্চটা দিয়ে একজন রোগীকে সুস্থ করার চেষ্টা চালিয়ে যাই। রোগীটি সুস্থ হওয়ার পর আমার চেম্বারে এসে অতীতের কষ্টের কথা ভেবে আবার কেঁদেছিলেন।

তিনি হয়তো ভেবেছিলেন, তিনি আর সুস্থ হতে পারবেন না। তার মা একমাত্র সন্তানের জন্য নামাজ পড়ে সৃষ্টিকর্তার কাছে কেঁদে কেঁদে বলেছিলেন, তার সন্তান যেন সুস্থ হয়। সৃষ্টিকর্তার কৃপায় তার সন্তান তার কোলে ফিরে পেয়েছেন। আর হেলেনা আপা পেয়েছেন এক নতুন জীবন—যেটা ছিল তাদের পরম পাওয়া।

একজন চিকিৎসক হিসেবে তাদের কাছ থেকে আমি যা পেয়েছি, সেটাও ছিল আমার জীবনে খুব প্রয়োজনীয়। তার মা আমাকে যা দিয়ে যাচ্ছেন তাই জানতে পারবেন তার কাছ থেকে। আমার সঙ্গে তার একটি ভিডিও দেখবেন আগামীকাল বিকেল ৫:০০টায়। সকলের সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনা করছি। ধন্যবাদ।

6 days ago | [YT] | 466

Dr. Bashudeb Kumar Saha

কান মানবদেহের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ। সৃষ্টিকর্তা এই কান দিয়েছেন বলেই আমরা শুনতে পারি মায়ের মধুর ডাকসহ পৃথিবীর সকল শব্দ। অনেকেই আছেন, যাঁরা কানের ছোটখাটো সমস্যা নিয়ে তেমন একটা গুরুত্ব দেন না। তবে কানে বড় কোনো রোগ হলে তখন আর বসে থাকা যায় না। যন্ত্রণা নিরাময়ের জন্য ঘর থেকে বেরিয়ে চিকিৎসকের কাছে যেতে হয়।

আমরা নাক-কান-গলা রোগের চিকিৎসকরা প্রতিদিন অনেক রোগী পাই, যাঁরা কানের বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত থাকেন। যেমন—কানের পর্দা ছিদ্র, কান ব্যথা করা, পুঁজ-পানি পড়া এবং হরেক রকমের শব্দ হওয়া। তবে একটি কমন সমস্যা রয়েছে, যেটিকে মানুষ গুরুত্ব না দিলেও অনেকের মধ্যেই দেখা যায়। কানের ভেতরে জমে থাকা খৈল, যেটা মানুষকে কখনো কখনো অনেক কষ্ট দেয়।

সম্প্রতি আমার চেম্বারে কানের এমনই একটি সমস্যা নিয়ে জনপ্রিয় অভিনেতা "খাইরুল আলম সবুজ" ভাই আসেন। আমি তাঁর কষ্টের কথাগুলো শুনে খুব সহজেই বুঝতে পারলাম, তাঁর কানের ভেতর খৈল জমে আছে, যেটা তাঁকে কষ্ট দিচ্ছে। আমি তাঁকে আশ্বস্ত করলাম, "আপনার কানের ভেতরের খৈল বের করে দিলেই আপনি কষ্ট থেকে মুক্ত হয়ে শান্তি পাবেন।"

আমাদের সমাজে অনেকেই আছেন, যাঁরা এটার গুরুত্ব দেন না। এর ফলে কানের যে ক্ষতি হতে পারে, সেটাও অনেকেই জানেন না। পাখির পালক, ম্যাচের কাঠি, চশমার ডাঁটি, চাবি—হাতের কাছে যখন যেটা পাওয়া যায়, তাই দিয়ে কান চুলকাতে এবং খৈল বের করে আনার চেষ্টা করেন। এর ফলে কখনো কখনো নিজেরাই নিজেদের কানের ক্ষতি করে ফেলেন। কেউ কেউ আবার রাস্তায় ভ্রাম্যমাণ কোয়াকের মাধ্যমেও কান পরিষ্কার করে থাকেন, যেটা অনেক সময় হতে পারে খুবই বিপজ্জনক।

আমরা ইএনটি চিকিৎসকরা যত্ন ও গুরুত্ব সহকারে রোগীদের কান পরিষ্কার করে থাকি। আপনি নিজে এবং কোয়াকের মাধ্যমে কখনোই সেটা করতে পারবেন না। তাই সকলের উদ্দেশ্যে একটি বার্তা দিতে চাই—কানের ভেতরের যেকোনো সমস্যা বা জমে থাকা খৈল নিয়ে অবহেলা করবেন না। অবহেলা করলে কানের কী ক্ষতি হতে পারে, কানে খৈল হলে কী করবেন এবং আমরা কীভাবে খৈল বের করে কান পরিষ্কার করি—সবকিছু নিয়ে একটি ভিডিও দেখবেন আগামীকাল সকাল ১০:০০টায়।

সকলের সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনা করছি। ধন্যবাদ।

1 week ago | [YT] | 465

Dr. Bashudeb Kumar Saha

ভয় কখনো কখনো মানুষের জীবনকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়। আবার এই ভয়কে জয় করেই কেউ কেউ বছরের পর বছর বেঁচে থাকতে পারেন। বিশেষ করে জটিল রোগের চিকিৎসা না নিয়ে কেউ ঘরে বসে থাকলে তখন আর সুস্থতা পাওয়ার সুযোগ থাকে না। বছরের পর বছর রোগ নিয়ে কষ্টে কাটে দিন।

আমার এক সম্মানিত রোগী যখন গলার সামনে বিশাল বড় থাইরয়েড গ্ল্যান্ডের টিউমার নিয়ে এসেছিলেন, তখন অপারেশন থিয়েটারে বসে জানতে পারলাম, ভয়ের কারণেই ২৫টি বছর তিনি অপারেশন থেকে পিছিয়ে ছিলেন। কষ্টের কথাগুলো আমি নাইবা বললাম। জানতে পারবেন তাঁর কাছেই।

আমি বলতে চাই, আপনারা ভয় পাবেন না। রোগব্যাধি আছে এবং থাকবে। চিকিৎসকের কাছে যাবেন, চিকিৎসা নিতে ভয় পাবেন না। মনে রাখবেন, একজন চিকিৎসক কখনোই আপনার ক্ষতি চাইবেন না। সৃষ্টিকর্তা চাইলে আপনিও সুস্থ হতে পারবেন। তাই দেরি না করে আপনার নিকটস্থ চিকিৎসকের কাছে যাবেন।

দুই সন্তানের জননী এই বোনটি যখন আমার ভিডিও দেখে ২৫ বছর পর সাহস করে অপারেশন করতে রাজি হলেন, একজন চিকিৎসক হিসেবে আমিও খুব খুশি হলাম। তাঁকে সাহস দিয়ে বললাম, “সৃষ্টিকর্তার কৃপায় আপনিও সুস্থ হবেন। আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।”

যেকোনো রোগের শুরুতেই যখন চিকিৎসা করা হয়, তখন সেই রোগ থেকে সহজেই মুক্তি পাওয়া যায়। দেরি করে চিকিৎসা নিতে এলে রোগী এবং চিকিৎসক—উভয়ের জন্যই তা কষ্টকর। এই বিষয়টি আমি সবসময় আপনাদের জানাতে চাই। সচেতনতার উদ্দেশ্যে বোনটির একটি ভিডিও দেখবেন আগামীকাল বিকেল ৫টায়।

সকলের সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনা করছি। আর এই বোনটির জন্য সবার কাছে দোয়া চাইছি। তিনি যেন সুস্থ হয়ে স্বামী-সন্তান নিয়ে সুন্দর একটি জীবন পান। ধন্যবাদ।

Sometimes fear can push a person’s life toward death. Yet, by overcoming that very fear, some people are able to live for many more years. Especially when someone with a serious illness stays at home without seeking treatment, the opportunity for recovery may eventually be lost. They may spend years suffering from their illness.

When one of my respected patients came to me with a very large thyroid gland tumor at the front of her neck, I learned while sitting in the operating room that she had been avoiding surgery for 25 years because of fear. I will spare you the painful details. You can hear them directly from her.

What I want to say is: **Please do not be afraid.** Illnesses exist and will continue to exist. Go to a doctor, and do not be afraid to seek treatment. Remember, a doctor would never want to harm you. With the Creator’s will, you too can recover. So, without delay, please visit the doctor nearest to you.

When this mother of two finally found the courage to undergo surgery after 25 years, having watched my video, I was also very happy as a physician. I encouraged her and said, **“By the grace of the Creator, you will recover too. We will do our very best.”**

When any disease is treated at an early stage, it is much easier to recover from it. When treatment is delayed, it becomes more difficult for both the patient and the doctor. This is something I always want to make you aware of. For the purpose of raising awareness, please watch a video about this patient tomorrow at **5:00 PM**.

I wish everyone good health and well-being. I also ask everyone to pray for this woman—that she may recover fully and enjoy a beautiful life with her husband and children.

Thank you.

1 week ago | [YT] | 523

Dr. Bashudeb Kumar Saha

গিলে ফেললো ৫ টাকার কয়েন
*******************************
ছোট ছোট শিশুরা প্রায়ই খেলার ছলে একটি বড় দুর্ঘটনা ঘটিয়ে ফেলে। যেমন—পুঁতি, বোতাম, লোহার টুকরা গিলে ফেলে। তবে পয়সা গিলে ফেলার ঘটনা অনেক বেশি আলোচনার জন্ম দেয়। সম্প্রতি আমার এক বন্ধু তেমনি একটি দুর্ঘটনার সমাধান পেতে তার মেয়েকে নিয়ে আমার কাছে আসেন।

আমি সঙ্গে সঙ্গে তার সন্তানের দুটি এক্স-রে করে শনাক্ত করলাম কয়েনটি কোথায় আছে। মেয়েটির বাবার কাছে জানতে পারলাম, জীবনের প্রথম মেয়েকে শখ করে ৫ টাকার একটি কয়েন দিয়েছেন। কিন্তু সেই কয়েন যে এভাবে এত বড় দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে যাবে, সেটা তিনি কল্পনাও করেননি।

যাই হোক, এক্স-রে করে দেখতে পেলাম তেমন কোনো বিপদের সম্ভাবনা নেই। তবে যদি সেটা মলের সঙ্গে বেরিয়ে না যায়, তাহলে পরবর্তীতে কী করতে হবে, গলার ভেতরে কোন অংশে ফরেন বডি আটকে গেলে বেশি বিপদ হয়—সবকিছু নিয়ে একটি ভিডিও দেখবেন আগামীকাল বিকাল ৫:০০টায়।

বিশেষ সতর্কতা: এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে নিজেরা সতর্ক থাকুন। ছোট ছোট জিনিস, যেগুলো বাচ্চারা সহজে নাক-কান-গলায় ঢুকিয়ে দিতে পারে, সেসব জিনিস তাদের হাতের নাগালের বাইরে রাখুন। তারপরও যদি এই ধরনের ঘটনা ঘটে, নিকটস্থ ইএনটি বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের শরণাপন্ন হবেন।

নিজে সতর্ক থাকুন, অপরকেও সতর্ক রাখুন। সকলের সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনা করছি। ধন্যবাদ সবাইকে।

1 week ago | [YT] | 396

Dr. Bashudeb Kumar Saha

টাকায় হয় না সুখ, যদি দেহ ভালো না থাকে। আপনি পৃথিবীর সবচেয়ে সুখের দেশে বসবাস করলেও শান্তি পাবেন না, যদি আপনার শরীর সুস্থ না থাকে। বলা যায়, সুখের সাথে সুস্থতার পূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। সুখী হতে চাইলে দেহের সুস্থতা অবশ্যই প্রয়োজন রয়েছে।

সম্প্রতি আমার চেম্বারে একজন রোগী আসেন সুদূর ইংল্যান্ড থেকে। তাঁর কষ্টের কথা জানতে চাইলাম তাঁর কাছে। তিনি তাঁর কষ্টের কথাগুলো বলতে বলতে একের পর এক মেডিসিন এবং একটি যন্ত্র বের করে আমাকে দেখালেন এবং বললেন তাঁর যন্ত্রণার কথা।

স্লিপ অ্যাপনিয়া বা নাক ডাকা রোগ আমাদের দেশের অনেক মানুষের মধ্যেই রয়েছে। অনেকেই রোগটির একেবারেই গুরুত্ব দেন না। অনেকেই আবার এই রোগ থেকে মুক্তি পেতে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে প্রবাস থেকেও আসেন। যেমনটি এসেছেন ইংল্যান্ডপ্রবাসী এই ভাইটি।

ইংল্যান্ডে অনেক ডাক্তার দেখিয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন, তারপরও তিনি শান্তি পাননি। বরং তাঁর কাজ ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছেন এই রোগের কারণে। বহির্বিশ্বে এমনও দেখা যায়, নাক ডাকার কারণে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদও হয়। বলা যায়, এই রোগীরা অনেকটাই নিরুপায়।

আমার চেম্বারে যখন ভাইটি আসেন, তিনি দেখালেন অনেকগুলো ওষুধ ও একটি মেশিন। এবং জানালেন, দুবাই পুলিশ তাঁর ব্যাগ চেক করে অনেক ওষুধ রেখে দিয়েছে। অনেক অনুরোধ করে অল্প কিছু ওষুধ এবং একটি মেশিন নিয়ে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে নিজ দেশে এসেছেন।

নাক ডাকা রোগের কারণে দৈনন্দিন জীবনে কী কষ্ট হচ্ছে তাঁর, কত বছর ধরে ইংল্যান্ডে আছেন, কেনই বা তিনি চাকরি ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছিলেন, তারই একটি ভিডিও দেখবেন আগামীকাল বিকেল ৫:০০টায়। সকলের সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনা করছি। ধন্যবাদ সবাইকে।

2 weeks ago | [YT] | 489

Dr. Bashudeb Kumar Saha

মানুষ মানুষের জন্য। বাবা-মায়ের বিপদে পাশে থাকবে সন্তান, সন্তানের বিপদে এগিয়ে আসবেন বাবা-মা। স্বামী স্ত্রী, ভাই-বোন, আত্মীয়-স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশী সকলের বিপদ-আপদে একে অপরের পাশে এগিয়ে এসে সহযোগিতা করলে কারও বিপদই থেমে থাকে না।

এটা সত্যি যে বাবা-মা, ভাই-বোন, স্ত্রী-সন্তান, প্রতিবেশী, কিংবা আত্মীয়স্বজন যদি বিপদে-আপদে কাছে নাও থাকে তবুও কারও বিপদ থেমে থাকে না। সৃষ্টিকর্তা কোনো না কোনো উপায়ে, কারও না কারও মাধ্যমে বিপদমুক্ত করার ব্যবস্থা করে দেন। আমি এটাই বিশ্বাস করি।

আমার চেম্বারে রোগীরা চিকিৎসা নিতে এসে যখন তাঁদের কষ্টের কথাগুলো শেয়ার করেন, আমি মনোযোগ দিয়ে শুনি। তাঁদের কষ্টে আমারও খারাপ লাগে। আর আপনাদেরকেও শেয়ার করি, সবার কমেন্ট পড়ে বুঝতে পারি, আপনাদেরও বিষয়গুলো গভীরভাবে স্পর্শ করে।

সম্প্রতি এক বোন গলা, ঘাড় ও মাথা জুড়ে বিশাল বড় একটি টিউমার নিয়ে আমার চেম্বারে এসেছিলেন। আমি তাকে দেখলাম ও তাঁর জীবনের একটি হৃদয়বিদারক ঘটনা শুনে আমার খুবই কষ্ট লেগেছে। যে ঘটনা যেন কারও জীবনে না ঘটে—সেটাই কামনা করি।

তবে ভালো লাগার বিষয় ছিল, তাঁর দুর্বিষহ জীবনে এমন একজন মানুষ পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন, যা তিনি কল্পনাও করেননি। বিষয়টি দেখে আমিও মুগ্ধ হয়েছি। কী করুন ঘটনা ঘটেছিল তাঁর জীবনে এবং কীভাবে তিনি সুস্থ হতে পারবেন— তারই একটি ভিডিও দেখবেন আগামীকাল সকাল ১০:০০টায়

সবার সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনা করছি। ধন্যবাদ সবাইকে।

3 weeks ago | [YT] | 506

Dr. Bashudeb Kumar Saha

যেখানেই যাই সেখানেই ফিরিয়ে দেয়—কথাটা একজন দুঃখিনী মায়ের। যার কষ্টটা এতটাই কঠিন হয়ে গিয়েছিল যে কথাটা বলতে তার বুকফাটা কষ্টের প্রতিচ্ছবি দু'চোখে ও তার চেহারায় দেখা গেল। তার চোখের জল বলছে, আমি রোগমুক্ত হয়ে বাঁচতে চাই। আমার চেম্বারে মাঝে মাঝে এমন সব রোগী আসে, তাদের কথা শুনলে ভাবি এই মানুষগুলো আরো আগে কেন এলো না। প্রশ্ন করলে যা বলে সেটাও কষ্টকর, অর্থের অভাব আর না জানার ফলে তাদের জীবন চলে যায় মৃত্যুর দিকে।

৫৪ বছর বয়সের জরিনা বেগম যখন আমার কাছে চিকিৎসার জন্য এসেছিলেন। আমি তার গলার সামনের বিভৎস টিউমারটি দেখে থমকে গিয়েছিলাম। টিউমারটি ফেটে ছিদ্র হয়ে অঝোরে রক্ত ঝরছিল আর তিনি কেঁদে কেঁদে বলছিলেন, "স্যার, সবাই ফিরিয়ে দিয়েছে, আপনি ফিরিয়ে দেবেন না।" তার এমন কথা শুনে নিজেকে থামাতে পারলাম না, দ্রুত অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে তার টিউমারের রক্ত পড়া বন্ধ করলাম। সন্তানদের কাছে জানলাম তার মায়ের কষ্টের কথা। টিউমারটির বয়স ৪ বছর হলেও গত চার মাসের মধ্যে হয়েছে এমন অবস্থা।

চিকিৎসার জন্য যেখানে গিয়েছে সবাই ফিরিয়ে দিয়েছে। সত্যি বলতে একজন রোগীর অপারেশন করাটা যখন মৃত্যুর ঝুঁকি অনেক বেশি হয়, তখন অনেক হাসপাতাল তাকে ফিরিয়ে দেয়। কারণ কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে রোগীর স্বজনরা সেটা মানতে চায় না। চিকিৎসকরা নিজের জীবন দিয়ে হলেও রোগীকে বাঁচাতে চায় সেটাও বুঝতে চায় না। আমি আমার প্রতিটি রোগীকেই অপারেশনের ঝুঁকি সম্পর্কে বলে নিই। তারা আমাকে সম্মতি দিলেই অপারেশন করি।

তেমনভাবে এই মা ও তার সন্তানদের যখন বুঝিয়ে বললাম, তারা আমাকে অভয় দিয়ে মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ে অপারেশন করতে রাজি হয়েছিলেন। সৃষ্টিকর্তার কৃপায়, আপনাদের সবার দোয়া ও আশীর্বাদে আমি আমার টিম নিয়ে যে মানুষটি ধরেই নিয়েছিলেন সে আর বাঁচবে না সেই মানুষটির একটি সফল অপারেশন সম্পন্ন করেছিলাম। তারই একটি ভিডিও দেখবেন আগামীকাল বিকাল ৫:০০টায়। সকলের সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনা করছি। ধন্যবাদ সবাইকে।

3 weeks ago | [YT] | 572

Dr. Bashudeb Kumar Saha

সৌন্দর্য রক্ষার্থে কসমেটিক সেলাই।। থাইরয়েড গ্রন্থির টিউমার নিয়ে আমার চেম্বারে অনেক রোগী আসেন। অনেকেই আবার ভয় পেয়ে বছরের পর বছর এই টিউমার নিয়েই ঘরে বসে থাকেন। তাদের ধারণা, অপারেশন করতে গিয়ে যদি মৃত্যু হয়! কেউ কেউ আবার আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে অপারেশন করাতে পারেন না। বিশেষ করে কম বয়সী রোগীদের, বিশেষত মেয়েদের, একটি বড় দুশ্চিন্তা থাকে—অপারেশনের পর যদি গলার সামনে কাটা দাগ থেকে যায়। তাই অপারেশন নিয়ে তারা দ্বিধায় থাকেন। অনেকেই অনুরোধ করে বলেন, "স্যার, সেলাইটা কসমেটিক সেলাই করে দিয়েন।"

আমরা সব সময় আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করি রোগীদের সর্বোত্তম সেবা দিতে এবং তাদের প্রত্যাশার মর্যাদা রাখতে। তবে অনেক রোগীই জানেন না, এ ধরনের অপারেশনে আমাদের সবচেয়ে বড় উদ্বেগ থাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্নায়ু (নার্ভ) নিয়ে। অপারেশনের সময় এটি ক্ষতিগ্রস্ত হলে রোগীর কথা বলতে সমস্যা হতে পারে। বলা যায়, এটিই আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। সম্প্রতি আমার একজন সম্মানিত রোগীর থাইরয়েড টিউমারের অপারেশন করেছি। তিনি ফলোআপে এসেছিলেন। সে সময় তাঁর সঙ্গে একটি ভিডিও ধারণ করেছি। ভিডিওটিতে দেখতে পারবেন, অপারেশনের পর তাঁর গলার সামনের দাগ কতটা দৃশ্যমান। প্রকাশিত হবে আগামীকাল বিকেল ৫:০০টায়।

সবার সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনা করছি। ধন্যবাদ সবাইকে।

3 weeks ago | [YT] | 308