Well come to Golpo bangla m Well come to my channel. We upload here all type of funny and audio story. Please suport my channel. we upload here bengali audio story.


Golpo Bangla M

"গল্প (ভূতের বাড়ি) লেখক : মিরাজ

বিমল নিজের বাড়িতে টিকতে পারছেনা |
কারণ তার নিজের বাড়িতে ভূত আছে |
সে আবার যা তা ভূত নয়
সে খুব ভয়ঙ্কর খুনি ভূত |
সে প্রতিদিন বিমলকে মারার চেষ্টা করে, আর বিমল ও
তার হাত থেকে বাঁচার চেষ্টা করে | এই ভাবে তো আর বাঁচা যায়না, তাই বিমল একটা লোক দেখে
তার কাছে এই বাড়িটা বেচে, তার কাছ থেকে
টাকা নিয়ে সোজা চলে গেলো | লোকটা বিমলের পুরো বাড়িটা ঘুরে দেখলো |
ভালো দু তলা বাড়ি, লোকটির এই বাড়িটা খুব পছন্দ হলো |
তাই সে আরাম করে এই বাড়িতে থাকতে লাগলো |
কিন্তু একদিন রাতে, লোকটি খাওয়া দাওয়া সেরে, নিজের শোয়ার ঘরে গিয়ে শুয়ে পড়লো | এবার রাত যখন ৩টে বাজলো, তখন লোকটির ঘরে কোথা থেকে একটা মশা, উড়ে উড়ে এসে লোকটির নাকে বসলো |লোকটি কিন্তু ঘুমোচ্ছে, এবার মশাটা লোকটির কানের কাছে এসে উড়তে লাগলো | মশাটা কিন্তু কোনো ভো ভো আওয়াজ করছেনা, একদম চুপ আছে | কিন্তু এবার মশাটা লোকটিকে না কামড়ে লোকটির কানের ভিতরে ঢুকে, একেবারে লোকটির ব্রেনে চলে গেলো |
ব্রেনে গিয়ে ব্রেনে হুল ফুটিয়ে লোকটিকে জাগিয়ে দিলো |
লোকটি জেগে উঠে বুঝতে পারলো তার ব্রেনে কেউ হুল ফুটিয়েছে, কিছু একটা তার মাথার ভিতরে ঢুকেছে, সেই হুল ফোটাচ্ছে | আর একবার না
বারবার হুল ফোটাচ্ছে |
লোকটি এতে খুব যন্ত্রণা পাচ্ছে | তাই আর থাকতে না পেরে লোকটা, নিজের মাথায় (যেখানে মশা হুল ফোটাচ্ছে) সেই জায়গায় খুব জোরে কিল,গাঁট্টা,চড়,ঘুসি সব মারতে লাগলো | এতে কিন্তু মশাটা একটুও থামলোনা, সে কিন্তু এই রকম ভাবে ব্রেনে হুল ফোটাতেই লাগলো |
এই রকম ভয়ঙ্কর যন্ত্রণা আর সহ্য করতে না পেরে, লোকটি খুব জোরে চিৎকার চ্যাচামেচি করতে লাগলো,প্রায় লোকটির পাগল হয়ে যাওয়ার মতো অবস্থা | শেষে লোকটি আর থাকতে না পেরে কিচেন রুমে ছুটলো | কিচেন রুমে থাকা থালা বাসন স্টিলের হাঁড়ি যাই পেলো, তাই দিয়েই মাথায় খুব জোরে মারতে লাগলো | মারতে মারতে লোকটির হাত ব্যাথা হয়ে গেলো | কিন্তু ব্রেনে হুল ফোটানো আর বন্ধ হচ্ছেনা | কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে লোকটি আবার নিজের মাথায়, খুব জোরে মারতে লাগলো | কিচেন রুমের দরজা হাঁট হয়ে খোলা ছিলো,কিচেন রুমের মেঝেটা একদম পরিস্কার | আর সেই পরিস্কার মেঝেতে কোথা থেকে শয় শয় কেন্ন এসে জড়ো হলো | লোকটা কিন্তু এটা জানেনা, তো সেই কেন্নগুলো কি করলো ?
তো সেই কেন্নগুলো লোকটির গা বেয়ে উঠে,লোকটির কানে আর নাকে ঢুকে গেলো | ঢুকে তারা সোজা লোকটির ব্রেনে গিয়ে জড়ো হলো | আর কি ?
লোকটি খুব জোরে চিৎকার করতে লাগলো |
লোকটি চিৎকার করতে করতে কোনো রকমে একটা ধাড়ালো কিচেন নাইফ নিয়ে, নিজের মাথায় খুব জোরে মারলো (একদম মাথা ফুটো করে মাথার ভিতরে ঢুকে গেলো কিচেন নাইফটা) ব্যাস এমন মার মারলো মাথা ফুটো করে ঢুকে গেলো কিচেন নাইফটা, মাথার ভিতরে | আর সেখান থেকে খুব রক্ত বেরোচ্ছে, লোকটি এবার মরে যাবো এবার মরে যাবো অবস্থা | তো মরার আগে লোকটি কিচেন নাইফটা মাথার ভেতর থেকে বের করে, সোজা মেঝেতে পড়ে গেলো | আর লোকটির মাথার ওই ফুটো থেকে, সব কেন্নগুলো আসতে আসতে বেরোলো, আর তার সাথে ওই মশাটাও বেরিয়ে গেলো,লোকটি কিন্তু কিচ্ছু জানেনা, কারণ লোকটি মেঝেতে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই মারা গেছিলো |"

7 months ago | [YT] | 0

Golpo Bangla M

এই গল্প শুনলে
আপনারা মজা পেয়ে যাবেন 👇https://youtu.be/zmU5JnlQoyc?si=MUEYZ...

7 months ago | [YT] | 0

Golpo Bangla M

"কাল্পনিক জগত"
লেখক: মিরাজ

সৃজিত কোমায় চলে গেছে |
তাই সৃজিতের বাবা-মা খুব কান্না কাটি করছে |
একমাত্র ছেলে , কি সুন্দর বাইক চালাতো , বাইক চালিয়ে বারুইপুর-সোনারপুর যেতো | কিন্তু এখন ও কোমায় চলে গেছে |
ওর কোমায় যাওয়ার পর থেকেই সংসারে অভাব চলে এসছে , কারণ ওর বাবা খুব অসুস্থ | সংসারটা এখন কে চালাবে ?
যে চালাতো , সেই তো কোমায় চলে গেছে |
সে যখন সুস্থ ছিলো, তখন সে চুরি ডাকাতি করে সংসারটা চালাতো | এখন তো সে কোমায় চলে গেছে | চলো, এবার আমরা জেনেনি সৃজিত কোমায় গিয়ে ঠিক কি দেখছে |
সেটাই জানা যাক | তো সৃজিত কোমায় গিয়ে দেখছে যে সে একটা চায়ের দোকানে বসে , চা খাচ্ছে , দুধ-চা | কিন্তু হঠাৎ একটা লোক এসে , সৃজিতের গালে একটা সপাটে চড় মারলো |
সৃজিত চড় খেয়ে মাটিতে পড়ে গেলো | পড়ে গিয়ে অজ্ঞান হয়ে গেলো |
সৃজিতের যখন জ্ঞান ফিরলো তখন দেখলো , সে একটা ফাঁকা মাঠে পড়ে রয়েছে | কেউ নেই আসে পাশে , সব চুপচাপ | সৃজিত এবার উঠে দাঁড়ালো , উঠে দাঁড়িয়ে চারিদিকে ভালো করে তাকালো | দেখলো কেউ কোত্থাও নেই | সৃজিত ভাবলো এবার যাওয়া যাক কিন্তু হঠাৎ , পিছন থেকে কেউ একজন সৃৃজিতকে ডাকলো |
সৃজিত পিছন ফিরে তাকিয়ে দেখলো | একটা রোগা প্যাটকা ছেলে , সৃজিতকে "মাল্লু ভাই" "মাল্লু ভাই" বলে ডাকছে |
সৃজিত এবার খুব অবাক হয়ে গেলো , সৃজিত সেই ছেলেটিকে জিজ্ঞাসা করলো -"তুমি আমাকে মাল্লু ভাই মাল্লু ভাই বলে ডাকছো কেনো ?"
ছেলেটি এর উত্তরে বলল "তুমি মাল্লু ভাই, তাই তোমাকে মাল্লু ভাই মাল্লু ভাই বলে ডাকছি"
সৃজিত এবার খুব রেগে গেলো , রেগে মেগে বলল-"আমার নাম মাল্লু ভাই নয় আমার নাম সৃজিত , সৃজিত মুখার্জি"
ছেলেটি এবার হেসে বলল-"তোমার ছবি কিন্তু আমার কাছে আছে, চাইলে তোমাকে দেখাতে পারি,দেখালে বিশ্বাস করবে তো ?"
সৃজিত এবার খুব খুব খুব অবাক হয়ে গেলো, ভাবলো-"আমার ছবি ওর কাছে কি করে থাকতে পারে? সৃজিত ভাবছিলো
ছেলেটি একটু হেসে বলল-"অতো ভাবার কিছু নেই" সৃজিত এবার সেই ছেলেটিকে বলল-"ঠিক আছে, আমাকে ছবিটা দেখাও"
ছেলেটি বলল-"আমার স্মার্ট ফোনেই ছবিটা আছে, কিন্তু ফোনটা আমার বাড়িতে,ছবিটা দেখতে হলে তোমাকে আমার সাথে আমার বাড়িতে যেতে হবে"|
সৃজিত বলল-"ঠিক আছে আমি যাবো" |
এই বলে সৃজিত সেই ছেলেটার সাথে তার বাড়িতে গেলো,বাড়িতে ঢুকেই সেই ছেলেটার বউকে দেখলো , দেখে সৃজিত পাগল হয়ে গেলো , ছেলেটার বউ সৃজিতকে বলল-"আপনি চা খাবেন?"সৃজিত বউটির ঠোঁটের দিকে তাকিয়ে বলল-"হ্যা খাবো" |
এই কথাটা শুনে বউটি চা করতে চলে গেলো"
ছেলেটা সৃজিতকে বলল-"তুমি দাঁড়িয়ে আছো কেনো বসো"
সৃজিত বলল-"বসছি"
এই বলে সৃজিত বিছানায় বসে পড়লো |
এক মিনিট পর বউটি চা নিয়ে এলো, সৃজিতকে দিলো, সৃজিত খুব হয়ে চাটা নিলো , তার পর বলল-"আপনার চা করা এতো তারাতারি হয়ে গেলো?"
বউটি হেসে বলল-"আমি জানি আপনি আসবেন, তাই আগে ভাগে চা করে রেখেছি, শুধু চাটা একটু গরম করে আনলাম"
সৃজিত এবার আরো অবাক হয়ে গেলো | বুঝতেই পারছেনা, এরা কারা |
কিন্তু ছেলেটা বুঝতে পারছে , সৃজিত কিছু একটা ভাবছে |
তাই ছেলেটা তার বউকে বলল-" তুমি এখন যাও"
বউটি চলে গেলো , বউটি চলে যাওয়ার পর সৃজিত তাড়াহুড়ো করে, সেই ছেলেটিকে বলল-"এবার আমায় বলোতো তোমরা কারা?, আর হ্যাঁ আমার ছবিটা দেখাও"
এই কথা শুনে ছেলেটা হাসতে হাসতে বলল-"এতো তাড়া কিসের?"
সৃজিত রেগে গিয়ে বলল-"আমার তাড়া আছে আমাকে দেখাও"
ছেলেটা এবার হাসি থামিয়ে নিজের প্যান্টের পকেট থেকে একটা ছবি বের করে করে সৃজিতকে দিলো |
সৃজিত ছবিটা দেখলো,দেখে খুব খুব খুব রেগে গেলো,রেগে গিয়ে বলল-"আরে এটা তো তোমার ছবিটা,আমার ছবি কোথায়?" ছেলেটা এবার নিজের হাসি চেপে বলল-"তোমার ছবি আমার কাছে নেই, আর মাল্লু ভাই তোমার নাম নয়, তোমার নাম হচ্ছে সাল্লু ভাই, মাল্লু ভাই তো আমার নাম, আর হ্যাঁ আমার বাবার নাম কাল্লু ভাই, কারণ আমার বাবার গায়ের রং কালো, আর আমার দাদার নাম আল্লু ভাই, কারণ আমার দাদা আল্লু আর্জুনের মতো দেখতে, আর আমার মামার নাম বাল্লু ভাই, কারণ আমার মামা ঘরের দরজা বন্ধ করে বাল ছেঁড়ে | সৃজিত এবার রেগে লাল হয়ে গেলো, বলল-"আমি তোর পেটে খুব জোরে লাথি মারবো হারামজাদা"
ছেলে এবার ভয়ে ভয়ে বলল-"আমার ভুল হয়ে গেছে আমাকে ক্ষমা করে দাও,আমি তোমাকে আমার বাড়িতে এনেছি একটা দরকারি কথা বলবো বলে"
সৃজিত এবার মাথা ঠান্ডা করে বলল-"বলো,কি বলবে?"
ছেলেটা বলল-" তুমি আমার বউকে মেরে দিতে পারবে?"
এই কথা শুনে সৃজিত খুব খুব খুব অবাক হয়ে গেলো, বলল-"কেনো?, তোমার বউকে মারবো কেনো?"
ছেলেটা বলল-"ওকে মেরে দিলে তাহলে একটা মেয়েকে পটিয়ে আমার বাড়িতে আনতে পারি"
সৃজিত বলল-"কি দরকার?,তোমার বউতো পরীর মতো দেখতে"
ছেলেটি এবার হো-হো করে হেসে বলল-"ও আমার বিড়ে করা বউ নয়,ওকে আমি পটিয়ে আমার বাড়িতে এনেছি আর ওকে বলেছি,আমি তোমাকে বিয়ে করবো কথা দিচ্ছি, এই কথা শুনে ও আমার সাথে থাকতে রাজী হয়ে গেছে, কিন্তু ও জানেনা, আমার উদ্দেশ্য অন্য | সৃজিত বলল-"সব বুঝলাম কিন্তু ওকে যদি আমি মেরেদি তাহলে পুলিস আমাকেও ধরবে তোমাকেও ধরবে"
এই কথা শুনে, ছেলেটি হো-হো করে হেসে বলল-"আরে পুলিস থাকলে তো ধরবে, ওসব পুলিস টুলিস তোমাদের জগতে আছে, আমাদের জগতে নেই , আমাদের জগতে কোনো জর্জ নেই, আমাদের জগতে কোনো উকিল নেই, আমাদের জগতে কোনো আইন কানুন নেই, আমরা স্বাধীন, আমরা যা খুশি তাই করতে পারি, আমাদের কেউ কিচ্ছু করতে পারবেনা |
সৃজিত কথাটা শুনে কিচ্ছুক্ষণ চুপ করে থাকলো | তারপর বলল-"বুঝলাম, সব বুঝলাম, কিন্তু আমি ওই মেয়েটাকে মারতে পারবোনা, I am Sorry"
এই বলে সৃজিত ওই ছেলেটার বাড়ি থেকে বেড়িয়ে গেলো | রাস্তায় যেতে যেতে সৃজিত ভাবছিল ওই মেয়েটার কথা, ভাবছিলো মেয়েটা কতো বোকা, যে ও একটা খারাপ ছেলেকে বিশ্বাস করে তার সাথে তার বাড়িতে রাত কাটিয়েছে, আর ছেলেটা, ওই মেয়েটাকে মারতে চায়, কেনো ?
আর মেয়েরা কতো বোকা |
তাদেরকে কতো সহজেই বোকা বানানো যায় | আর ছেলেরা কেনো তাদেরকে বোকা বানায়?
কেনো তাদেরকে সত্যিকারের ভালোবাসা দেয়না?
সেটা জানা যায়নি |
সৃজিত এসবই ভাবছিলো কিন্তু হঠাৎ , পিছন থেকে একটা মেয়ে সৃজিতকে ডাকলো "একটু দাড়ান" "একটু দাড়ান" বলে
সৃজিত পিছন ফিরে দেখলো সেই মেয়েটা , সৃজিতকে ডাকছে | সৃজিত খুব অবাক হয়ে বলল-"আপনি?"
মেয়েটা বলল-"হ্যাঁ আমি"
সৃজিত বলল-" কি হয়েছে?"
মেয়েটি এবার কাঁদতে কাঁদতে বলল-"আমি দরজার বাইরে থেকে সব শুনেছি, শুনে খুব কেঁদেছি"
সৃজিত বলল-"তোমাকে আর কাঁদতে হবেনা, তুমি আমার সাথে চলো"
মেয়েটি বলল-"কোথায় যাবো?"
সৃজিত বলল-"বাস্তব জগতে যাবে, যে জগতে গেলে তুমি বিচার পাবে,যে জগতে গেলে তুমি সুখে থাকবে, সেই জগতে চলো"
মেয়েটি বলল-"আপনি যান, আমি যেতে পারবোনা"
সৃজিত বলল-"কেনো?"
মেয়েটি বলল-"কারণ আমি কাল্পনিক জগতের মেয়ে, বাস্তব জগতে আমি কোনো ভাবেই যেতে পারবোনা, আমার যাওয়া অসম্ভব, আপনি যান|
সৃজিত বলল-"ঠিকাছে,তুমি ভালো থেকো,নিজের খেয়াল রেখো,আমি আসছি |
এই বলে সৃজিত তার বাস্তব জগতে চলে গেলো | সৃজিত এবার সুস্থ ,সে আর কোনো চুরি ডাকাতি করেনা, সে এখন শত পথে রোজগার করছে, সে একটা সুন্দরি মেয়ে দেখে বিয়ে করেছে , তার একটা ছেলেও হয়েছে, ছেলেটার নাম রাখা হয়েছে জুনিয়র সৃজিত মুখার্জি

8 months ago (edited) | [YT] | 0

Golpo Bangla M

এটা হাড় হিম করা ভয়ের গল্প
একা শুনবেননা 👇https://youtu.be/I_FuJ05FGIM?si=xiiuh...

8 months ago | [YT] | 0

Golpo Bangla M

ভূত দিয়ে কিভাবে ভূত ভাগালো
সেটা এই গল্পে শুনুন
অবাক হবেন 👇https://youtu.be/Ge3XrDVwpYE?si=GyaSa...

8 months ago | [YT] | 0

Golpo Bangla M

আমার লেখা হরর স্টোরি আপনারা শুনে
আমাকে কমেন্ট করে জানাবেন
কেমন লাগলো ?
আমার লেখা বাংলা হরর স্টোরির লিঙ্ক 👇https://youtu.be/QSRadBkvlSM?si=Ocp3i...

8 months ago | [YT] | 0

Golpo Bangla M

এই গল্প রাতে শুনবেননা 👇https://youtu.be/QYPIxT0izKY?si=EgbCQ...

8 months ago | [YT] | 0

Golpo Bangla M

এই গল্প শুনলে রাতে ঘুম আসবেনা
সাবধান 👇https://youtu.be/7l5AKUdjOGw?si=LOFMu...

9 months ago | [YT] | 0

Golpo Bangla M

সাধুবাবার ভন্ডামি কিভাবে ফাঁস হলো
জানুন 👇https://youtu.be/RX-EDf6nOdU?si=BM7zm...

9 months ago | [YT] | 0

Golpo Bangla M

সে কে ছিলো ?
জানুন 👇https://youtu.be/2DYWBkBhfjU?si=6I6kC...

9 months ago | [YT] | 0