শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলনের কি পদত্যাগ করা উচিত? ___ড. এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী
ঠুনকো অজুহাতকে পুঁজি করে দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টির অপসংস্কৃতি যুগ যুগ ধরে চলে আসছে; যা আমরা বহুবার লক্ষ্য করেছি; যা দেশের আর্থ-সামাজিক বিকাশে ও সুষ্ঠু রাজনৈতিক ধারা সৃষ্টিতে বিঘ্নতা সৃষ্টি করে। সমসাময়িক সবচেয়ে আলোচিত বিষয়, যা গতকালের “talk of the country” ছিল যে, শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে। তিনি ছাত্রদেরকে নিয়ে কটু মন্তব্য করেছেন। দুটি অভিযোগ এখানে শিক্ষামন্ত্রীর ব্যাপারে আনা হয়েছে। একটি হচ্ছে প্রবল বৃষ্টিপাত, বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির মধ্যে কেন পরীক্ষা হচ্ছে। অবশ্যই এ বিষয়টি যদি শিক্ষামন্ত্রী বিবেচনা করতেন, তাহলে ছাত্রদের জন্য ভালো হতো; কিন্তু তার দায় কি শুধুমাত্র শিক্ষামন্ত্রীর উপর বর্তায়? বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় ডি.সি, টি.এন.ও, ইউ.এন.ও. পরীক্ষা কার্যক্রমের সাথে তাদের প্রত্যেকের সংশ্লিষ্টতা আছে। আর হুট করে পরীক্ষা বন্ধ করে দেওয়া —এটাও কোন কাজের কাজ নয়। বরং প্রতিকূল পরিবেশ বা পরিস্থিতিতে সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা নেওয়াটাই হচ্ছে প্রকৃত সফলতা। যদিওবা এদিকটিকে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করে পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়া হলে কাজটি ভালো হতো। কিন্তু তাই বলে, এই অপরাধে শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে— এটা একটি অমানবিক দাবি এবং ইনসাফ বহির্ভূত সিদ্ধান্ত।
দ্বিতীয়ত, রসিকতা করে ড. এহছানুল হক মিলন ছাত্রদেরকে পোল্ট্রি মুরগির সাথে তুলনা করেছেন। যদিওবা এ ধরনের কটাক্ষ করা উচিত হয়নি; কিন্তু এরকম মন্তব্য করার কারণে শিক্ষামন্ত্রী তো আর কাফের বা মুরতাদ হয়ে যাননি যে, তাকে ক্ষমা চাইতে হবে কিংবা পদত্যাগ করতে হবে। তিনি দুঃখ প্রকাশ করেছে—সেটাই তো যথেষ্ট। এখন কথা হলো— ছাত্রদের আন্দোলনের কারণে যদি শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন পদত্যাগ করে, তাহলে বাংলাদেশের রাজনীতিতে আরেকটি অপসংস্কৃতি যুক্ত হবে। অর্থাৎ যে কোন সময় যে কোন মন্ত্রীর রাজনৈতিক ভুলের কারণে জনগণ রাজপথে নেমে আসবে এবং মন্ত্রণালয় থেকে তাকে পদত্যাগে বাধ্য করা হবে। এতে দেশের সুষ্ঠু ও সুস্থ রাজনৈতিক বিকাশে বিঘ্নতা সৃষ্টি হবে।
অতএব, ছাত্রদের উদ্দেশ্যে আমাদের বক্তব্য থাকবে— ইন্দো প্যাসিফিক অঞ্চলে বাংলাদেশের অবস্থান হওয়ায় এদেশের সামনে রয়েছে বহুমুখী চ্যালেঞ্জ, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা, দেশের অর্থনীতিকে মজবুত করা, রাজনৈতিকভাবে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা। রাজনৈতিক ঠুনকো কোন বিষয়কে কেন্দ্র করে বড় ধরনের আন্দোলন করা হলে দেশ ও জাতির শত্রু, যারা দেশি ও বিদেশি অপশক্তি, তারা সুযোগ লুফে নেওয়ার চেষ্টা করবে—সেটা আমাদের সকলের জন্যই ক্ষতিকারক।
সরকার এবং বিশেষ করে শিক্ষামন্ত্রীকে বলব, তাদের অবস্থান আরো মজবুত করা হোক। যখন তখন ছাত্ররা মবক্রেসির মাধ্যমে পদত্যাগ দাবি করবে, আর মন্ত্রীও সেটা মেনে নেবে বা সরকারও সেটা মেনে নেবে, এতে বাংলাদেশের রাজনৈতিকভাবে সুস্থ পরিবেশ সৃষ্টিতে বিঘ্নতা সৃষ্টি হবে এবং একটি অপসংস্কৃতি চালু হবে বাংলাদেশে। শিক্ষামন্ত্রীর কটু মন্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করাটাই যথেষ্ট। আর যারা পরীক্ষা দেওয়ার ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদের ক্ষতিটা পুষিয়ে দিলেই আশা করা যায়, এই বিষয় নিয়ে নতুন কোন আন্দোলনের সুযোগ থাকে না।
আল্লাহ আমাদের সকলকেই সহীহ সামাঝ এবং হেদায়েত দান করুন, আমীন। বাণীতে :আল্লামা এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী
ইসলামপন্থীদের পক্ষে টকশোর পর্দায় নির্ভীক কণ্ঠস্বরের নাম—আল্লামা ড. এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী। আজকের আলোচনাও তার ব্যতিক্রম ছিল না। https://youtu.be/L6YLBSKM318
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রীকে হুঁশিয়ার করছি, ইতিহাস ভালো করে পড়ুন ___ আল্লামা ড. এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী
নির্বাচনের মাধ্যমে সদ্য ক্ষমতায় আসা বিএনপির সামনে চারটি বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ অপেক্ষায় আছে, যা আমি আগ থেকেই অনুভব করেছিলাম; যদিও কোনো বক্তব্যে বা লেখায় তা প্রকাশ পায়নি। কিন্তু বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস নিয়ে কিছু অতিরঞ্জন এবং মিথ্যাচার প্রকাশ পেয়েছে, যার কারনে আমি মনে করি, বর্তমান সরকারকে আগ থেকেই সাবধান করা উচিত, হুঁশিয়ার করা উচিত।
যে চারটি চ্যালেঞ্জ বিএনপিকে মোকাবেলা করতে হবে, তার মধ্যে অন্যতম একটি হচ্ছে বিএনপির অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা সেসব মন্ত্রী-এমপি; যারা মূলত বামের ডান। তাদের রক্তে-মাংসে মিশে আছে ভারত প্রীতি; তথাকথিত বাঙালি জাতীয়তাবাদের ঠুনকো অজুহাতে তারা মূলত নিজেদেরকে মুসলিম পরিচয় দেওয়ার চেয়ে বাঙালী বা বাংলাদেশী পরিচয় দেওয়াতেই গর্ববোধ করে।
২৬শে মার্চ তার বক্তব্যে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস তুলতে যেয়ে ব্যাপক মিথ্যাচার ও ইতিহাস সম্পর্কে অজ্ঞতা প্রকাশ পায়। পাকিস্তানের বিরোধিতা করা এক বিষয়, কিন্তু সেখানে ধর্মের বিষয় টেনে আনা আরেকটি বিষয়। মূলত ভারতের দালালরা বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস উপস্থাপন করার সময় পাকিস্তানের বিরোধিতা করতে যেয়ে ইসলামপন্থীদের কটাক্ষ করে, যারা ইসলামকে জীবনের চেয়ে বেশি ভালোবাসে, ইসলামকে লালন করে, সেসকল আলেম উলামা, পীর-মাশায়েখ ও ইসলামপন্থীদেরকে; সব সময়ই বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রতিপক্ষ হিসাবে দাঁড় করাতে চায়।
বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে ১৯৭১ সালে; কিন্তু ১৯৪৭-এ যদি ধর্মের ভিত্তিতে, দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে ভারত ও পাকিস্তান দুটো রাষ্ট্র না হতো, তাহলে বাংলাদেশ কি আদৌ স্বাধীন হতে পারতো? দ্বিজাতি তত্ত্বের ব্যাপারে এই কথিত মন্ত্রীর কতটুকু ধারণা আছে, আমার জানা নেই। দ্বিজাতিতত্ত্বের মূল বিষয় ছিল— যে ভূখণ্ডে মুসলমান বেশি, সেটা হবে পাকিস্তান; যে ভূখণ্ডে হিন্দু বেশি, সেটা হবে হিন্দুস্তান। যেহেতু বাংলাদেশে মুসলমানের সংখ্যা বেশি ছিল, সেজন্য বাংলাদেশ পাকিস্তানের অংশ হয়েছে; আর পরবর্তীতে পাকিস্তানিদের শোষণ-নিপীড়নের কারণে বাংলাদেশের মুসলিমগণ লড়াই করে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশকে গড়ে তুলেছে। যদি ৪৭-এ এটা মুসলমানের সংখ্যাধিক্যের কারণে পাকিস্তানের অংশ না হতো, তাহলে এটা স্বাভাবিকভাবেই ভারতের অংশ হতো; তখন কোনদিনও ত্রিপুরা, আসাম বা কাশ্মীরের মত বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করত না।
অতএব, বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূল ভিত্তি ধর্মনিরপেক্ষতা নয়, বাঙালি জাতীয়তাবাদ নয়; বরং ইসলামের ঐতিহ্য ও বিশ্বাস, যেটা এদেশের মুসলিম নেতাগণ লালন করেছেন, এদেশের জনগণ লালন করেছেন।
বাকি দেশ স্বাধীনের আগের পাকিস্তানিদের শোষণ-নিপীড়নের কথা। নিঃসন্দেহে পাকিস্তানিগণ এদেশের মানুষের উপর শোষণ এবং নিপীড়ন করেছে, এটা ঠিক; কিন্তু সেটা তো কোন ধর্মীয় কারণে করা হয়নি। কিন্তু মন্ত্রী কিভাবে একথা বললেন—সে রাষ্ট্র যখন এক মুসলমান হয়ে আরেক মুসলমান ভাইয়ের উপর নির্যাতন করল, ধর্মকে যখন শোষণের যন্ত্র বানালো—এ ধরনের মিথ্যাচার, বানোয়াট কথা আগাগোড়া ভারতপন্থী কোন হিন্দুত্ববাদী দালালের মুখেই শোভা পায়। ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাসী জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর কোন কেবিনেট, সংসদ সদস্যের মুখে মোটেও শোভা পায় না।
যখন ৫২ সালে ভাষা আন্দোলন হয়েছে, সেখানেও ধর্মের কোন স্বার্থ ছিল না; সেটা ছিল একান্তই ভাষাগত দ্বন্দ্ব এবং একটি নৃতাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব। পরবর্তীতে যত আন্দোলন হয়েছে, সেটার সাথেও ধর্মের কোন সম্পর্ক ছিল না; সেটা ছিল আওয়ামী লীগের ক্ষমতায় যাওয়ার লিপ্সা, প্রচেষ্টা আর বাঙালিদের হাতে রাষ্ট্রক্ষমতা না দেওয়ার চক্রান্ত—সে বিষয়টির সাথে তো ইসলাম ধর্মের স্বার্থের ন্যূনতম কোন সম্পর্ক ছিল না।
অতএব, আমরা চাই এই মিথ্যা বক্তব্যটি কথিত মন্ত্রী প্রত্যাহার করুক এবং সে জাতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুক। পাশাপাশি বিএনপি চেয়ারপারসন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বলব— "বিএনপির মধ্যে যারা ঘাপটি মেরে থাকা ডান পরিচয়ে সুবিধাভোগী, মূলত বাম এবং উচ্ছিষ্টভোগী এমপি, নেতা কিংবা মন্ত্রী আছে, তারাই বিএনপিকে সামনে বেকায়দায় ফেলবে। অতএব, তাদের বক্তব্য দেওয়ার ক্ষেত্রে মাননীয় চেয়ারম্যান যেন লাগাম টেনে ধরেন—এই অনুরোধ থাকবে।”
প্রিয় শায়েখ মদিনাতুল মুনাওয়্যারায় প্রবেশ করলেই চেহারার দিকে তাকালে মনে হয় সব সময় চিন্তিত। হ্যা এটাই আশেকে রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বৈশিষ্ট্য,কারণ ওনাদের চিন্তা থাকে কিভাবে আল্লাহ ও তার রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে খুশি করা যায়,সব সময় সেই ফিকির করেন💚
deen tube
শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলনের কি পদত্যাগ করা উচিত?
___ড. এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী
ঠুনকো অজুহাতকে পুঁজি করে দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টির অপসংস্কৃতি যুগ যুগ ধরে চলে আসছে; যা আমরা বহুবার লক্ষ্য করেছি; যা দেশের আর্থ-সামাজিক বিকাশে ও সুষ্ঠু রাজনৈতিক ধারা সৃষ্টিতে বিঘ্নতা সৃষ্টি করে। সমসাময়িক সবচেয়ে আলোচিত বিষয়, যা গতকালের “talk of the country” ছিল যে, শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে। তিনি ছাত্রদেরকে নিয়ে কটু মন্তব্য করেছেন। দুটি অভিযোগ এখানে শিক্ষামন্ত্রীর ব্যাপারে আনা হয়েছে। একটি হচ্ছে প্রবল বৃষ্টিপাত, বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির মধ্যে কেন পরীক্ষা হচ্ছে। অবশ্যই এ বিষয়টি যদি শিক্ষামন্ত্রী বিবেচনা করতেন, তাহলে ছাত্রদের জন্য ভালো হতো; কিন্তু তার দায় কি শুধুমাত্র শিক্ষামন্ত্রীর উপর বর্তায়? বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় ডি.সি, টি.এন.ও, ইউ.এন.ও. পরীক্ষা কার্যক্রমের সাথে তাদের প্রত্যেকের সংশ্লিষ্টতা আছে। আর হুট করে পরীক্ষা বন্ধ করে দেওয়া —এটাও কোন কাজের কাজ নয়। বরং প্রতিকূল পরিবেশ বা পরিস্থিতিতে সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা নেওয়াটাই হচ্ছে প্রকৃত সফলতা। যদিওবা এদিকটিকে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করে পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়া হলে কাজটি ভালো হতো। কিন্তু তাই বলে, এই অপরাধে শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে— এটা একটি অমানবিক দাবি এবং ইনসাফ বহির্ভূত সিদ্ধান্ত।
দ্বিতীয়ত, রসিকতা করে ড. এহছানুল হক মিলন ছাত্রদেরকে পোল্ট্রি মুরগির সাথে তুলনা করেছেন। যদিওবা এ ধরনের কটাক্ষ করা উচিত হয়নি; কিন্তু এরকম মন্তব্য করার কারণে শিক্ষামন্ত্রী তো আর কাফের বা মুরতাদ হয়ে যাননি যে, তাকে ক্ষমা চাইতে হবে কিংবা পদত্যাগ করতে হবে। তিনি দুঃখ প্রকাশ করেছে—সেটাই তো যথেষ্ট।
এখন কথা হলো— ছাত্রদের আন্দোলনের কারণে যদি শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন পদত্যাগ করে, তাহলে বাংলাদেশের রাজনীতিতে আরেকটি অপসংস্কৃতি যুক্ত হবে। অর্থাৎ যে কোন সময় যে কোন মন্ত্রীর রাজনৈতিক ভুলের কারণে জনগণ রাজপথে নেমে আসবে এবং মন্ত্রণালয় থেকে তাকে পদত্যাগে বাধ্য করা হবে। এতে দেশের সুষ্ঠু ও সুস্থ রাজনৈতিক বিকাশে বিঘ্নতা সৃষ্টি হবে।
অতএব, ছাত্রদের উদ্দেশ্যে আমাদের বক্তব্য থাকবে— ইন্দো প্যাসিফিক অঞ্চলে বাংলাদেশের অবস্থান হওয়ায় এদেশের সামনে রয়েছে বহুমুখী চ্যালেঞ্জ, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা, দেশের অর্থনীতিকে মজবুত করা, রাজনৈতিকভাবে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা। রাজনৈতিক ঠুনকো কোন বিষয়কে কেন্দ্র করে বড় ধরনের আন্দোলন করা হলে দেশ ও জাতির শত্রু, যারা দেশি ও বিদেশি অপশক্তি, তারা সুযোগ লুফে নেওয়ার চেষ্টা করবে—সেটা আমাদের সকলের জন্যই ক্ষতিকারক।
সরকার এবং বিশেষ করে শিক্ষামন্ত্রীকে বলব, তাদের অবস্থান আরো মজবুত করা হোক। যখন তখন ছাত্ররা মবক্রেসির মাধ্যমে পদত্যাগ দাবি করবে, আর মন্ত্রীও সেটা মেনে নেবে বা সরকারও সেটা মেনে নেবে, এতে বাংলাদেশের রাজনৈতিকভাবে সুস্থ পরিবেশ সৃষ্টিতে বিঘ্নতা সৃষ্টি হবে এবং একটি অপসংস্কৃতি চালু হবে বাংলাদেশে। শিক্ষামন্ত্রীর কটু মন্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করাটাই যথেষ্ট। আর যারা পরীক্ষা দেওয়ার ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদের ক্ষতিটা পুষিয়ে দিলেই আশা করা যায়, এই বিষয় নিয়ে নতুন কোন আন্দোলনের সুযোগ থাকে না।
আল্লাহ আমাদের সকলকেই সহীহ সামাঝ এবং হেদায়েত দান করুন, আমীন।
বাণীতে :আল্লামা এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী
1 hour ago | [YT] | 3
View 0 replies
deen tube
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে আব্বাসী এবং বাবর হুজুরের আজকের সেমিনার। Jogonnath University todays seminar
link : https://youtu.be/k4GyHiJbktI
21 hours ago | [YT] | 180
View 2 replies
deen tube
আহলে বায়াতের মহব্বত: বর্তমান প্রেক্ষাপটে আমাদের করণীয়” শীর্ষক সেমিনার।
১২ই জুলাই ২০২৬ | রবিবার
জেলা শিল্পকলা একাডেমি, মৌলভীবাজার।
https://youtu.be/O-Iisw4XGOo
2 days ago | [YT] | 250
View 1 reply
deen tube
শাহজালাল (রহঃ) ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন মৌলভীবাজার- এর উদ্যোগে আহলে বায়াতের মহব্বত: বর্তমান প্রেক্ষাপটে আমাদের করণীয় শীর্ষক আলোচনা বক্তব্য রাখছেন, আল্লামা মুফতি ড: সাইয়্যেদ মুহাম্মদ এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী ওয়া সিদ্দিকী, পীর সাহেব জৌনপুর।
১২ জুলাই ২০২৬, রবিবার.
জেলা শিল্পকলা একাডেমি মৌলভীবাজার।
2 days ago | [YT] | 195
View 3 replies
deen tube
ইসলামপন্থীদের পক্ষে টকশোর পর্দায় নির্ভীক কণ্ঠস্বরের নাম—আল্লামা ড. এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী।
আজকের আলোচনাও তার ব্যতিক্রম ছিল না।
https://youtu.be/L6YLBSKM318
1 month ago | [YT] | 492
View 30 replies
deen tube
1 month ago | [YT] | 715
View 29 replies
deen tube
এর থেকে সুন্দর ছবি আর কি হতে পারে?
বাংলা ২ নক্ষত্র এক স্টেজে
গতকাল রাতের মাহফিল, পাইকপাড়া, নারায়ণগঞ্জ
1 month ago | [YT] | 733
View 2 replies
deen tube
মৌলভীবাজার ইনসানিয়া স্পেশালাইজড হসপিটালের উদ্বোধন করেন ড. সাইয়্যেদ মুহাম্মাদ এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী হুজুর √
2 months ago | [YT] | 314
View 4 replies
deen tube
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রীকে হুঁশিয়ার করছি, ইতিহাস ভালো করে পড়ুন ___ আল্লামা ড. এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী
নির্বাচনের মাধ্যমে সদ্য ক্ষমতায় আসা বিএনপির সামনে চারটি বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ অপেক্ষায় আছে, যা আমি আগ থেকেই অনুভব করেছিলাম; যদিও কোনো বক্তব্যে বা লেখায় তা প্রকাশ পায়নি। কিন্তু বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস নিয়ে কিছু অতিরঞ্জন এবং মিথ্যাচার প্রকাশ পেয়েছে, যার কারনে আমি মনে করি, বর্তমান সরকারকে আগ থেকেই সাবধান করা উচিত, হুঁশিয়ার করা উচিত।
যে চারটি চ্যালেঞ্জ বিএনপিকে মোকাবেলা করতে হবে, তার মধ্যে অন্যতম একটি হচ্ছে বিএনপির অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা সেসব মন্ত্রী-এমপি; যারা মূলত বামের ডান। তাদের রক্তে-মাংসে মিশে আছে ভারত প্রীতি; তথাকথিত বাঙালি জাতীয়তাবাদের ঠুনকো অজুহাতে তারা মূলত নিজেদেরকে মুসলিম পরিচয় দেওয়ার চেয়ে বাঙালী বা বাংলাদেশী পরিচয় দেওয়াতেই গর্ববোধ করে।
২৬শে মার্চ তার বক্তব্যে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস তুলতে যেয়ে ব্যাপক মিথ্যাচার ও ইতিহাস সম্পর্কে অজ্ঞতা প্রকাশ পায়। পাকিস্তানের বিরোধিতা করা এক বিষয়, কিন্তু সেখানে ধর্মের বিষয় টেনে আনা আরেকটি বিষয়। মূলত ভারতের দালালরা বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস উপস্থাপন করার সময় পাকিস্তানের বিরোধিতা করতে যেয়ে ইসলামপন্থীদের কটাক্ষ করে, যারা ইসলামকে জীবনের চেয়ে বেশি ভালোবাসে, ইসলামকে লালন করে, সেসকল আলেম উলামা, পীর-মাশায়েখ ও ইসলামপন্থীদেরকে; সব সময়ই বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রতিপক্ষ হিসাবে দাঁড় করাতে চায়।
বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে ১৯৭১ সালে; কিন্তু ১৯৪৭-এ যদি ধর্মের ভিত্তিতে, দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে ভারত ও পাকিস্তান দুটো রাষ্ট্র না হতো, তাহলে বাংলাদেশ কি আদৌ স্বাধীন হতে পারতো? দ্বিজাতি তত্ত্বের ব্যাপারে এই কথিত মন্ত্রীর কতটুকু ধারণা আছে, আমার জানা নেই। দ্বিজাতিতত্ত্বের মূল বিষয় ছিল— যে ভূখণ্ডে মুসলমান বেশি, সেটা হবে পাকিস্তান; যে ভূখণ্ডে হিন্দু বেশি, সেটা হবে হিন্দুস্তান। যেহেতু বাংলাদেশে মুসলমানের সংখ্যা বেশি ছিল, সেজন্য বাংলাদেশ পাকিস্তানের অংশ হয়েছে; আর পরবর্তীতে পাকিস্তানিদের শোষণ-নিপীড়নের কারণে বাংলাদেশের মুসলিমগণ লড়াই করে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশকে গড়ে তুলেছে। যদি ৪৭-এ এটা মুসলমানের সংখ্যাধিক্যের কারণে পাকিস্তানের অংশ না হতো, তাহলে এটা স্বাভাবিকভাবেই ভারতের অংশ হতো; তখন কোনদিনও ত্রিপুরা, আসাম বা কাশ্মীরের মত বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করত না।
অতএব, বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূল ভিত্তি ধর্মনিরপেক্ষতা নয়, বাঙালি জাতীয়তাবাদ নয়; বরং ইসলামের ঐতিহ্য ও বিশ্বাস, যেটা এদেশের মুসলিম নেতাগণ লালন করেছেন, এদেশের জনগণ লালন করেছেন।
বাকি দেশ স্বাধীনের আগের পাকিস্তানিদের শোষণ-নিপীড়নের কথা। নিঃসন্দেহে পাকিস্তানিগণ এদেশের মানুষের উপর শোষণ এবং নিপীড়ন করেছে, এটা ঠিক; কিন্তু সেটা তো কোন ধর্মীয় কারণে করা হয়নি। কিন্তু মন্ত্রী কিভাবে একথা বললেন—সে রাষ্ট্র যখন এক মুসলমান হয়ে আরেক মুসলমান ভাইয়ের উপর নির্যাতন করল, ধর্মকে যখন শোষণের যন্ত্র বানালো—এ ধরনের মিথ্যাচার, বানোয়াট কথা আগাগোড়া ভারতপন্থী কোন হিন্দুত্ববাদী দালালের মুখেই শোভা পায়। ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাসী জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর কোন কেবিনেট, সংসদ সদস্যের মুখে মোটেও শোভা পায় না।
যখন ৫২ সালে ভাষা আন্দোলন হয়েছে, সেখানেও ধর্মের কোন স্বার্থ ছিল না; সেটা ছিল একান্তই ভাষাগত দ্বন্দ্ব এবং একটি নৃতাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব। পরবর্তীতে যত আন্দোলন হয়েছে, সেটার সাথেও ধর্মের কোন সম্পর্ক ছিল না; সেটা ছিল আওয়ামী লীগের ক্ষমতায় যাওয়ার লিপ্সা, প্রচেষ্টা আর বাঙালিদের হাতে রাষ্ট্রক্ষমতা না দেওয়ার চক্রান্ত—সে বিষয়টির সাথে তো ইসলাম ধর্মের স্বার্থের ন্যূনতম কোন সম্পর্ক ছিল না।
অতএব, আমরা চাই এই মিথ্যা বক্তব্যটি কথিত মন্ত্রী প্রত্যাহার করুক এবং সে জাতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুক। পাশাপাশি বিএনপি চেয়ারপারসন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বলব—
"বিএনপির মধ্যে যারা ঘাপটি মেরে থাকা ডান পরিচয়ে সুবিধাভোগী, মূলত বাম এবং উচ্ছিষ্টভোগী এমপি, নেতা কিংবা মন্ত্রী আছে, তারাই বিএনপিকে সামনে বেকায়দায় ফেলবে। অতএব, তাদের বক্তব্য দেওয়ার ক্ষেত্রে মাননীয় চেয়ারম্যান যেন লাগাম টেনে ধরেন—এই অনুরোধ থাকবে।”
3 months ago | [YT] | 118
View 4 replies
deen tube
প্রিয় শায়েখ মদিনাতুল মুনাওয়্যারায় প্রবেশ করলেই চেহারার দিকে তাকালে মনে হয় সব সময় চিন্তিত।
হ্যা এটাই আশেকে রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বৈশিষ্ট্য,কারণ ওনাদের চিন্তা থাকে কিভাবে আল্লাহ ও তার রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে খুশি করা যায়,সব সময় সেই ফিকির করেন💚
3 months ago | [YT] | 856
View 56 replies
Load more