কাদা ছিটা ছিটিতো অনেক হল এবার থামুন 🙂 বাংলাদেশের প্রত্যেকটা মানুষ নির্দ্বিধায় স্বীকার করতে বাধ্য যে উনারা দুজনই এ জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান এবং শ্রেষ্ঠ আলেম। দুজনের খেদমতই ব্যাপক। হয়তো কেউ মানবতার ফেরিওয়ালা হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে অথবা কাফের মুশরেক বেইমান খ্রিস্টান মিশনারীদের বিরুদ্ধে মুসলমান জাতির জন্য বিনা স্বার্থে লড়াই করে যাচ্ছে। এখন আমার কথা হচ্ছে যদি আলেমে আলেমে এরকম বিদ্বেষ চলতে থাকে তাহলে তো কাফের মুশরিকরা সুযোগ পেয়ে মুসলমানদের ক্ষতি করবে। সেটার দায়ভার কে নিবে?
এখন আসি আব্বাসী হুজুরের বিষয়ে। আল্লামা এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী হুজুর কোন ফাউন্ডেশনের নাম উল্লেখ করে বলেনি। বাংলাদেশে শত শত ফাউন্ডেশন আছে যারা এরকম ভন্ডামি করছে। হুজুর হয়তো তাদের কথাই বলেছেন। তাহলে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন কেন নিজে থেকে নিজেদের গায়ে লাগাচ্ছে?
বিষয়টা হচ্ছে একজন ইউটিউবার এই ভেজালটা লাগিয়েছে। আমি তার মিডিয়ার নাম জানি কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে চিনি না তাই তার নামটা বলছি না। হুজুর যখন ফাউন্ডেশনের কথা বলেছেন তখন ওই ইউটিউবার আহমাদুল্লাহ হুজুরের ছবি লাগিয়ে দিয়েছে। এবং একটি নির্দিষ্ট দলের বট বাহিনী এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে গুজব ছড়িয়েছে। আস -সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের কর্তৃপক্ষর বুঝা উচিত ছিল আব্বাসী হুজুর তো কারো নাম বলেনি।
যাইহোক সর্বশেষ কথা হচ্ছে যদি এভাবে কাদা ছিটা ছিটি হতে থাকে তাহলে আলেমদের প্রতি সাধারণ জনগণের বিশ্বাস এবং ভরসা উঠে যাবে এবং মুসলমান জাতির ক্ষতি হবে। তাই আমরাসাধারণ জনগণ হিসেবে চাই আব্বাসী হুজুর এবং আহমাদুল্লাহ হুজুরের একটি সৌজন্য সাক্ষাতের মাধ্যমে এই বিষয়ে এখানেই শেষ করা উচিত। শায়েখ আহমদউল্লাহ সাহেবকে অনুরোধ করব,আপনি যেখানে জুম্মা পড়ান ভূমি পল্লী মসজিদ থেকে আব্বাসী মঞ্জিল মাত্র ৩-৪ কিলোমিটার। আপনি আপনার ব্যক্তিগত উদ্যোগে আব্বাসী হুজুরের সাথে একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ করুন এবং এই বিষয়টিকে এখানেই শেষ করেন। এতে লক্ষ লক্ষ মুসলমানের মনের আশা পূরণ হবে এবং মুসলমান জাতী উপকৃত হবে এটা আমার ব্যক্তিগত মতামত পরিচালক, পপুলার টিভি #allama_enaytullah_abbasi #sayekh_ahmadullah #assunnahfoundation
শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলনের কি পদত্যাগ করা উচিত? ___ড. এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী
ঠুনকো অজুহাতকে পুঁজি করে দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টির অপসংস্কৃতি যুগ যুগ ধরে চলে আসছে; যা আমরা বহুবার লক্ষ্য করেছি; যা দেশের আর্থ-সামাজিক বিকাশে ও সুষ্ঠু রাজনৈতিক ধারা সৃষ্টিতে বিঘ্নতা সৃষ্টি করে। সমসাময়িক সবচেয়ে আলোচিত বিষয়, যা গতকালের “talk of the country” ছিল যে, শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে। তিনি ছাত্রদেরকে নিয়ে কটু মন্তব্য করেছেন। দুটি অভিযোগ এখানে শিক্ষামন্ত্রীর ব্যাপারে আনা হয়েছে। একটি হচ্ছে প্রবল বৃষ্টিপাত, বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির মধ্যে কেন পরীক্ষা হচ্ছে। অবশ্যই এ বিষয়টি যদি শিক্ষামন্ত্রী বিবেচনা করতেন, তাহলে ছাত্রদের জন্য ভালো হতো; কিন্তু তার দায় কি শুধুমাত্র শিক্ষামন্ত্রীর উপর বর্তায়? বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় ডি.সি, টি.এন.ও, ইউ.এন.ও. পরীক্ষা কার্যক্রমের সাথে তাদের প্রত্যেকের সংশ্লিষ্টতা আছে। আর হুট করে পরীক্ষা বন্ধ করে দেওয়া —এটাও কোন কাজের কাজ নয়। বরং প্রতিকূল পরিবেশ বা পরিস্থিতিতে সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা নেওয়াটাই হচ্ছে প্রকৃত সফলতা। যদিওবা এদিকটিকে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করে পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়া হলে কাজটি ভালো হতো। কিন্তু তাই বলে, এই অপরাধে শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে— এটা একটি অমানবিক দাবি এবং ইনসাফ বহির্ভূত সিদ্ধান্ত।
দ্বিতীয়ত, রসিকতা করে ড. এহছানুল হক মিলন ছাত্রদেরকে পোল্ট্রি মুরগির সাথে তুলনা করেছেন। যদিওবা এ ধরনের কটাক্ষ করা উচিত হয়নি; কিন্তু এরকম মন্তব্য করার কারণে শিক্ষামন্ত্রী তো আর কাফের বা মুরতাদ হয়ে যাননি যে, তাকে ক্ষমা চাইতে হবে কিংবা পদত্যাগ করতে হবে। তিনি দুঃখ প্রকাশ করেছে—সেটাই তো যথেষ্ট। এখন কথা হলো— ছাত্রদের আন্দোলনের কারণে যদি শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন পদত্যাগ করে, তাহলে বাংলাদেশের রাজনীতিতে আরেকটি অপসংস্কৃতি যুক্ত হবে। অর্থাৎ যে কোন সময় যে কোন মন্ত্রীর রাজনৈতিক ভুলের কারণে জনগণ রাজপথে নেমে আসবে এবং মন্ত্রণালয় থেকে তাকে পদত্যাগে বাধ্য করা হবে। এতে দেশের সুষ্ঠু ও সুস্থ রাজনৈতিক বিকাশে বিঘ্নতা সৃষ্টি হবে।
অতএব, ছাত্রদের উদ্দেশ্যে আমাদের বক্তব্য থাকবে— ইন্দো প্যাসিফিক অঞ্চলে বাংলাদেশের অবস্থান হওয়ায় এদেশের সামনে রয়েছে বহুমুখী চ্যালেঞ্জ, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা, দেশের অর্থনীতিকে মজবুত করা, রাজনৈতিকভাবে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা। রাজনৈতিক ঠুনকো কোন বিষয়কে কেন্দ্র করে বড় ধরনের আন্দোলন করা হলে দেশ ও জাতির শত্রু, যারা দেশি ও বিদেশি অপশক্তি, তারা সুযোগ লুফে নেওয়ার চেষ্টা করবে—সেটা আমাদের সকলের জন্যই ক্ষতিকারক।
সরকার এবং বিশেষ করে শিক্ষামন্ত্রীকে বলব, তাদের অবস্থান আরো মজবুত করা হোক। যখন তখন ছাত্ররা মবক্রেসির মাধ্যমে পদত্যাগ দাবি করবে, আর মন্ত্রীও সেটা মেনে নেবে বা সরকারও সেটা মেনে নেবে, এতে বাংলাদেশের রাজনৈতিকভাবে সুস্থ পরিবেশ সৃষ্টিতে বিঘ্নতা সৃষ্টি হবে এবং একটি অপসংস্কৃতি চালু হবে বাংলাদেশে। শিক্ষামন্ত্রীর কটু মন্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করাটাই যথেষ্ট। আর যারা পরীক্ষা দেওয়ার ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদের ক্ষতিটা পুষিয়ে দিলেই আশা করা যায়, এই বিষয় নিয়ে নতুন কোন আন্দোলনের সুযোগ থাকে না।
আল্লাহ আমাদের সকলকেই সহীহ সামাঝ এবং হেদায়েত দান করুন, আমীন। বাণীতে :আল্লামা এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী
deen tube
বাংলার জমিনে নতুন ইতিহাস করলেন আব্বাসী হুজুর
51 minutes ago | [YT] | 0
View 0 replies
deen tube
আলহামদুলিল্লাহ
1 day ago | [YT] | 79
View 0 replies
deen tube
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে তৃতীয় ওমর (রা:) বুদ্ধিজীবীকে কড়া জবাব দিলেন আব্বাসী হুজুর
1 week ago | [YT] | 0
View 0 replies
deen tube
আব্বাসী মঞ্জিল জৈনপুরী দরবার শরীফে সৌজন্য সাক্ষাতে এসেছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী
1 week ago | [YT] | 342
View 10 replies
deen tube
যে বক্তব্যে শুনে পুরো দেশ তোলপাড়
3 weeks ago | [YT] | 6
View 0 replies
deen tube
কাদা ছিটা ছিটিতো অনেক হল এবার থামুন 🙂
বাংলাদেশের প্রত্যেকটা মানুষ নির্দ্বিধায় স্বীকার করতে বাধ্য যে উনারা দুজনই এ জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান এবং শ্রেষ্ঠ আলেম। দুজনের খেদমতই ব্যাপক। হয়তো কেউ মানবতার ফেরিওয়ালা হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে অথবা কাফের মুশরেক বেইমান খ্রিস্টান মিশনারীদের বিরুদ্ধে মুসলমান জাতির জন্য বিনা স্বার্থে লড়াই করে যাচ্ছে।
এখন আমার কথা হচ্ছে যদি আলেমে আলেমে এরকম বিদ্বেষ চলতে থাকে তাহলে তো কাফের মুশরিকরা সুযোগ পেয়ে মুসলমানদের ক্ষতি করবে। সেটার দায়ভার কে নিবে?
এখন আসি আব্বাসী হুজুরের বিষয়ে। আল্লামা এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী হুজুর কোন ফাউন্ডেশনের নাম উল্লেখ করে বলেনি। বাংলাদেশে শত শত ফাউন্ডেশন আছে যারা এরকম ভন্ডামি করছে। হুজুর হয়তো তাদের কথাই বলেছেন। তাহলে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন কেন নিজে থেকে নিজেদের গায়ে লাগাচ্ছে?
বিষয়টা হচ্ছে একজন ইউটিউবার এই ভেজালটা লাগিয়েছে। আমি তার মিডিয়ার নাম জানি কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে চিনি না তাই তার নামটা বলছি না। হুজুর যখন ফাউন্ডেশনের কথা বলেছেন তখন ওই ইউটিউবার আহমাদুল্লাহ হুজুরের ছবি লাগিয়ে দিয়েছে। এবং একটি নির্দিষ্ট দলের বট বাহিনী এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে গুজব ছড়িয়েছে।
আস -সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের কর্তৃপক্ষর বুঝা উচিত ছিল আব্বাসী হুজুর তো কারো নাম বলেনি।
যাইহোক সর্বশেষ কথা হচ্ছে যদি এভাবে কাদা ছিটা ছিটি হতে থাকে তাহলে আলেমদের প্রতি সাধারণ জনগণের বিশ্বাস এবং ভরসা উঠে যাবে এবং মুসলমান জাতির ক্ষতি হবে। তাই আমরাসাধারণ জনগণ হিসেবে চাই আব্বাসী হুজুর এবং আহমাদুল্লাহ হুজুরের একটি সৌজন্য সাক্ষাতের মাধ্যমে এই বিষয়ে এখানেই শেষ করা উচিত।
শায়েখ আহমদউল্লাহ সাহেবকে অনুরোধ করব,আপনি যেখানে জুম্মা পড়ান ভূমি পল্লী মসজিদ থেকে আব্বাসী মঞ্জিল মাত্র ৩-৪ কিলোমিটার। আপনি আপনার ব্যক্তিগত উদ্যোগে আব্বাসী হুজুরের সাথে একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ করুন এবং এই বিষয়টিকে এখানেই শেষ করেন। এতে লক্ষ লক্ষ মুসলমানের মনের আশা পূরণ হবে এবং মুসলমান জাতী উপকৃত হবে
এটা আমার ব্যক্তিগত মতামত
পরিচালক, পপুলার টিভি
#allama_enaytullah_abbasi
#sayekh_ahmadullah
#assunnahfoundation
1 month ago | [YT] | 291
View 25 replies
deen tube
শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলনের কি পদত্যাগ করা উচিত?
___ড. এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী
ঠুনকো অজুহাতকে পুঁজি করে দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টির অপসংস্কৃতি যুগ যুগ ধরে চলে আসছে; যা আমরা বহুবার লক্ষ্য করেছি; যা দেশের আর্থ-সামাজিক বিকাশে ও সুষ্ঠু রাজনৈতিক ধারা সৃষ্টিতে বিঘ্নতা সৃষ্টি করে। সমসাময়িক সবচেয়ে আলোচিত বিষয়, যা গতকালের “talk of the country” ছিল যে, শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে। তিনি ছাত্রদেরকে নিয়ে কটু মন্তব্য করেছেন। দুটি অভিযোগ এখানে শিক্ষামন্ত্রীর ব্যাপারে আনা হয়েছে। একটি হচ্ছে প্রবল বৃষ্টিপাত, বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির মধ্যে কেন পরীক্ষা হচ্ছে। অবশ্যই এ বিষয়টি যদি শিক্ষামন্ত্রী বিবেচনা করতেন, তাহলে ছাত্রদের জন্য ভালো হতো; কিন্তু তার দায় কি শুধুমাত্র শিক্ষামন্ত্রীর উপর বর্তায়? বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় ডি.সি, টি.এন.ও, ইউ.এন.ও. পরীক্ষা কার্যক্রমের সাথে তাদের প্রত্যেকের সংশ্লিষ্টতা আছে। আর হুট করে পরীক্ষা বন্ধ করে দেওয়া —এটাও কোন কাজের কাজ নয়। বরং প্রতিকূল পরিবেশ বা পরিস্থিতিতে সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা নেওয়াটাই হচ্ছে প্রকৃত সফলতা। যদিওবা এদিকটিকে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করে পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়া হলে কাজটি ভালো হতো। কিন্তু তাই বলে, এই অপরাধে শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে— এটা একটি অমানবিক দাবি এবং ইনসাফ বহির্ভূত সিদ্ধান্ত।
দ্বিতীয়ত, রসিকতা করে ড. এহছানুল হক মিলন ছাত্রদেরকে পোল্ট্রি মুরগির সাথে তুলনা করেছেন। যদিওবা এ ধরনের কটাক্ষ করা উচিত হয়নি; কিন্তু এরকম মন্তব্য করার কারণে শিক্ষামন্ত্রী তো আর কাফের বা মুরতাদ হয়ে যাননি যে, তাকে ক্ষমা চাইতে হবে কিংবা পদত্যাগ করতে হবে। তিনি দুঃখ প্রকাশ করেছে—সেটাই তো যথেষ্ট।
এখন কথা হলো— ছাত্রদের আন্দোলনের কারণে যদি শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন পদত্যাগ করে, তাহলে বাংলাদেশের রাজনীতিতে আরেকটি অপসংস্কৃতি যুক্ত হবে। অর্থাৎ যে কোন সময় যে কোন মন্ত্রীর রাজনৈতিক ভুলের কারণে জনগণ রাজপথে নেমে আসবে এবং মন্ত্রণালয় থেকে তাকে পদত্যাগে বাধ্য করা হবে। এতে দেশের সুষ্ঠু ও সুস্থ রাজনৈতিক বিকাশে বিঘ্নতা সৃষ্টি হবে।
অতএব, ছাত্রদের উদ্দেশ্যে আমাদের বক্তব্য থাকবে— ইন্দো প্যাসিফিক অঞ্চলে বাংলাদেশের অবস্থান হওয়ায় এদেশের সামনে রয়েছে বহুমুখী চ্যালেঞ্জ, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা, দেশের অর্থনীতিকে মজবুত করা, রাজনৈতিকভাবে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা। রাজনৈতিক ঠুনকো কোন বিষয়কে কেন্দ্র করে বড় ধরনের আন্দোলন করা হলে দেশ ও জাতির শত্রু, যারা দেশি ও বিদেশি অপশক্তি, তারা সুযোগ লুফে নেওয়ার চেষ্টা করবে—সেটা আমাদের সকলের জন্যই ক্ষতিকারক।
সরকার এবং বিশেষ করে শিক্ষামন্ত্রীকে বলব, তাদের অবস্থান আরো মজবুত করা হোক। যখন তখন ছাত্ররা মবক্রেসির মাধ্যমে পদত্যাগ দাবি করবে, আর মন্ত্রীও সেটা মেনে নেবে বা সরকারও সেটা মেনে নেবে, এতে বাংলাদেশের রাজনৈতিকভাবে সুস্থ পরিবেশ সৃষ্টিতে বিঘ্নতা সৃষ্টি হবে এবং একটি অপসংস্কৃতি চালু হবে বাংলাদেশে। শিক্ষামন্ত্রীর কটু মন্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করাটাই যথেষ্ট। আর যারা পরীক্ষা দেওয়ার ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদের ক্ষতিটা পুষিয়ে দিলেই আশা করা যায়, এই বিষয় নিয়ে নতুন কোন আন্দোলনের সুযোগ থাকে না।
আল্লাহ আমাদের সকলকেই সহীহ সামাঝ এবং হেদায়েত দান করুন, আমীন।
বাণীতে :আল্লামা এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী
2 months ago | [YT] | 42
View 6 replies
deen tube
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে আব্বাসী এবং বাবর হুজুরের আজকের সেমিনার। Jogonnath University todays seminar
link : https://youtu.be/k4GyHiJbktI
2 months ago | [YT] | 286
View 2 replies
deen tube
আহলে বায়াতের মহব্বত: বর্তমান প্রেক্ষাপটে আমাদের করণীয়” শীর্ষক সেমিনার।
১২ই জুলাই ২০২৬ | রবিবার
জেলা শিল্পকলা একাডেমি, মৌলভীবাজার।
https://youtu.be/O-Iisw4XGOo
2 months ago | [YT] | 297
View 2 replies
deen tube
শাহজালাল (রহঃ) ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন মৌলভীবাজার- এর উদ্যোগে আহলে বায়াতের মহব্বত: বর্তমান প্রেক্ষাপটে আমাদের করণীয় শীর্ষক আলোচনা বক্তব্য রাখছেন, আল্লামা মুফতি ড: সাইয়্যেদ মুহাম্মদ এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী ওয়া সিদ্দিকী, পীর সাহেব জৌনপুর।
১২ জুলাই ২০২৬, রবিবার.
জেলা শিল্পকলা একাডেমি মৌলভীবাজার।
2 months ago | [YT] | 217
View 3 replies
Load more