পাবুর বাদেও পাবরিয়াচালা/পাবুরিয়াচালা নামে আলাদা তিনটি গ্রাম রয়েছে গাজীপুর জেলায়।
নিশ্চয়ই একটা অর্থ আছে পাবুরের।
নলগাঁওয়ের নামকরণ নিয়ে দারুণ তথ্য জানলাম আজ।
১৯৭২ সালে এসএসসি এবং পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় পড়াশোনা করে আসা স্থানীয় একজন অবসরপ্রাপ্ত হাইস্কুল শিক্ষকের(কাজী আব্দুল হাই)সাথে হঠাৎ পরিচয় এবং আলাপ।
আঞ্চলিক ইতিহাসের প্রতি আমরা কাছাকাছি কৌতূহলী। তিনি বারবার বলছিলেন, "আপনার সময় আছে ,পারবেন"।
নলগাঁওয়ে ছিল বলধার জমিদারি। হঠাৎ করে খাজনা বাড়িয়ে দেন ২৫ ভাগ। স্থানীয় সংক্ষুব্ধ এমারত ফকির মামলা করেন ঢাকার আদালতে। জমিদারের পরাজয় হয়।লোক পাঠিয়ে চেষ্টা করে আলোচনায় বসেন জমিদার।
মামলা প্রত্যাহারের/(উচ্চতরে ফাইট না করা) অনুরোধ করেন এই শর্তে যে, যেহেতু তিনি জমিদার তাই মানসম্মান রক্ষার্থে মামলায় তিনি জিতবেন, বিনিময়ে বিঘাপ্রতি জমির মাপ বাড়িয়ে দিবেন।জমি বেশি দিবেন আরকি।বড় নল দিয়ে মাপা হবে। এখনো ৪০ শতকে এক বিঘা নলগাঁওয়ে!
(এখানে আসার আগমুহূর্তে ঐ ৯৮ বয়স্ক প্রবীণও বলেছিলেন নলগাঁওয়ে জমির মাপ ভিন্ন। কাকতালীয় ভাবে মিলে গেল বিষয়টা। হালুয়াঘাট যেতেন যে মুরব্বি উনার কথা বলছি।আজকেই পোস্ট আছে)
তিনি শুনেছেন ১২৯৩ বঙ্গাব্দে মামলা হয়েছিল। অর্থাৎ ১৪০ বছর আগের কথা।তার আগে নলগাঁওয়ের নাম ছিল মুকিমাবাদ।এই নামটা তিনি শুনেছিলেন শিকদার বাড়ির একজন মুরব্বির নিকট।ঐ মুরব্বি আবার জেনেছিলেন পুরাতন আমলের কবুলিয়াত-পাট্টা কাগজপত্রের মাধ্যমে।
নলগাঁও চাঁদপুর ইউনিয়ন( কাপাসিয়া) এবং পাবুর কাপাসিয়া সদর ইউনিয়নে অবস্থিত।
অন্যদিকে (১)পাবরিয়াচালা,রাজাবাড়ি ইউনিয়ন, শ্রীপুর, (২)পাবরিয়াচালা,ফুলবাড়িয়া ইউনিয়ন, কালিয়াকৈর এবং (৩)পাবুরিয়াচালা,বোয়ালী ইউনিয়ন, কালিয়াকৈরে অবস্থিত।
রাজাবাড়ির পাবরিয়াচালার অনেকেই এই পাবুর থেকেই হয়তো গিয়েছিলেন।কেননা ওখানকার আশেপাশের গ্রামগুলোতে প্রচুর পাবুর ব্যাকগ্রাউন্ড পেয়েছি আমি।
নলগাঁও নামকরণ বিষয়ে জানিয়ে হাই স্যার আমাদের ঋণী করে দিলেন।আমি সরাসরি উনার কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছি এজন্য।
তাছাড়া কূলগঙ্গা,ভিটিপাড়া,বৈলারকান্দি,পোনাশারী,সোহাগপুর এবং ঐতিহাসিক গ্রাম/দিঘীর গ্রাম কপালেশ্বর রয়েছে।
যদিও ইউনিয়নের নাম সিংহশ্রী নামে কোন গ্রামই নেই।তবে মৌজা আছে বিশাল।পুরো ইউনিয়নের ১৭ গ্রামের মাঝে ১৪টি গ্রাম নিয়ে সিংহশ্রী মৌজা।
সিংহশ্রীর মত একই থানার তরগাঁও ইউনিয়নেও গ্রামের সংখ্যা ১৭।
ভিটিপাড়া গ্রামটি সিংহশ্রীর সদর। এজন্য এটাই দূরের মানুষের নিকট সিংহশ্রী গ্রাম নামে পরিচিত।
রেনেলের মানচিত্রে বর্তমান কাপাসিয়ার তিনটি স্থাননাম রয়েছে এর মাঝে সিংহশ্রী একটি।
যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনের সময় এখনকার যায়েদ এবং সিংহশ্রী মিলে একটা ইউনিয়নই ছিল।পরে রায়েদ আলাদা হয়েছে। তখন প্রতি ইউনিয়নে ছিল একটা ভোটকেন্দ্র।
সিংহশ্রীর বিপরীত পাড়েই শ্রীপুরের বরামা গ্রাম।মজার বিষয় হচ্ছে সেই বরামার নামে এপাড়ের সিংহশ্রীর কথ্য নাম দূরের মানুষের নিকট বরামা হয়ে গিয়েছিল।
এই ইউনিয়নের প্রার্থী তাজউদ্দিন আহমদ নিজেই উনার ডায়েরিতে সিংহশ্রী ভোটকেন্দ্রকে সেজন্য বারবার বরামা লিখেছেন।
প্রবীণদের মুখে মুখে এখনো বরামা নামটি রয়েছে সিংহশ্রী অর্থে।
ডালপালা বিস্তার করে এই লেখাটাই যৌক্তিকভাবে টেনে অনেক বড় করা যায় তথ্যকথা হিসেবে।তথ্যউপন্যাস বলে কিছু আছে?তেমন কিছুই করা যায় স্বতঃস্ফূর্ত বিশাল ক্যানভাসে।
কি দরকার ফেইসবুকে এখানে থেঙ্কলেস,ভেল্যুলেস হবার? সবকিছুর একটা মূল্য থাকা উচিত।বইয়ের জন্য উঠানো থাকুক এসব।
একই থানা হলেও এরিয়াল পয়েন্টে দুই গ্রামের দূরত্ব প্রায় ২০ কিলোমিটার।
গাজীপুর কাপাসিয়ার ২৩১ গ্রামের মাঝে কাশেরায় গত পরশু প্রথমবার গেলাম।
কাপাসিয়ায় আরো হয়তো ৮/১০ ছোট্ট গ্রাম এখনো বাকি ভ্রমণের ।যেখানে স্কুল/বাজার/বড় রাস্তা/সাইনবোর্ড নাই।একসময় হিসেব করবো এবং শেষ করতে চাই দেখে, গবেষণা করে।
কাশেরার পাশ্ববর্তী গ্রামগুলো হচ্ছে পাঁচুয়া,ডুমদিয়া, সুলতানপুর,নয়াসাঙ্গুন ইত্যাদি।
Nazib Mahfuz Khan
রাণীগঞ্জে ভাওয়াল রাজার কাচারি ঘর।
জয়দেবপুর জমিদারির এমন পাকা খাজনা আদায়ের ভবন আরো দেখেছি পূবাইল, গোসিংগা এবং দক্ষিণ গফরগাঁওয়ের শিলা বাজারে।
অর্থাৎ শতবর্ষের অধিক আগের চারটা পাকা কাচারি ভবন আমার চোখে পড়েছে।আরো ছিল। নিশ্চয়ই টিকে আছে এখনো কোথাও।
এখানে রাণী এসেছিলেন।সেই থেকেই গোসাইরগাঁও গ্রামের শীতলক্ষ্যা, ব্রহ্মপুত্র এবং বানার তীরবর্তী এই গঞ্জের নাম রাণীগঞ্জ।
১৯০১ সালে রাজা রাজেন্দ্রর এবং ১৯০৭ সালে রাণী বিলসমণির মৃত্যু হয়।
সেজন্য আমি ধরে নিলাম জমিদারি দেখাশোনার কাজে ১৯০১ থেকে ১৯০৭ সালের মধ্যবর্তী কোন এক সময়ে রাণী এসেছিলেন এখানে।
যেহেতু ভাওয়াল সন্ন্যাসী রাজা সহ তিন ছেলেই তখনো নাবালক এবং রাজা হয়ে উঠেননি কেউ।
1 day ago | [YT] | 19
View 1 reply
Nazib Mahfuz Khan
৯৮ বছর(ভেরিফাইড)। মাত্রই হঠাৎ দেখা বলখেলার হাটে। চায়ের কাপ হাতে গল্প হল আধাঘণ্টা।
ধান ব্যবসায়ী তিনি ট্রেন/সড়ক পথে হালুয়াঘাট যেতেন।তবে নৌকা যেত গাজীপুরের মধ্যাঞ্চল থেকে মেঘনা হাওর নেত্রকোনা ঘুরে।
আসা-যাওয়ায় ১২/১৩ দিন লাগতো মাঝিদের।বেশ ইন্টারেস্টিং।
বিস্তারিত শুনেছি। লিখবো পাণ্ডুলিপিতে।
ফিরে আসার সময় তিনি দোয়া চাইলেন, আমিতো অবশ্যই।
বৃদ্ধের তুলতুলে হাতে হাত রাখার সময় অপার্থিব অনুভব কাজ করছিলো।
1 day ago | [YT] | 11
View 1 reply
Nazib Mahfuz Khan
পাবুর বাদেও পাবরিয়াচালা/পাবুরিয়াচালা নামে আলাদা তিনটি গ্রাম রয়েছে গাজীপুর জেলায়।
নিশ্চয়ই একটা অর্থ আছে পাবুরের।
নলগাঁওয়ের নামকরণ নিয়ে দারুণ তথ্য জানলাম আজ।
১৯৭২ সালে এসএসসি এবং পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় পড়াশোনা করে আসা স্থানীয় একজন অবসরপ্রাপ্ত হাইস্কুল শিক্ষকের(কাজী আব্দুল হাই)সাথে হঠাৎ পরিচয় এবং আলাপ।
আঞ্চলিক ইতিহাসের প্রতি আমরা কাছাকাছি কৌতূহলী। তিনি বারবার বলছিলেন, "আপনার সময় আছে ,পারবেন"।
নলগাঁওয়ে ছিল বলধার জমিদারি। হঠাৎ করে খাজনা বাড়িয়ে দেন ২৫ ভাগ। স্থানীয় সংক্ষুব্ধ এমারত ফকির মামলা করেন ঢাকার আদালতে। জমিদারের পরাজয় হয়।লোক পাঠিয়ে চেষ্টা করে আলোচনায় বসেন জমিদার।
মামলা প্রত্যাহারের/(উচ্চতরে ফাইট না করা) অনুরোধ করেন এই শর্তে যে, যেহেতু তিনি জমিদার তাই মানসম্মান রক্ষার্থে মামলায় তিনি জিতবেন, বিনিময়ে বিঘাপ্রতি জমির মাপ বাড়িয়ে দিবেন।জমি বেশি দিবেন আরকি।বড় নল দিয়ে মাপা হবে।
এখনো ৪০ শতকে এক বিঘা নলগাঁওয়ে!
(এখানে আসার আগমুহূর্তে ঐ ৯৮ বয়স্ক প্রবীণও বলেছিলেন নলগাঁওয়ে জমির মাপ ভিন্ন। কাকতালীয় ভাবে মিলে গেল বিষয়টা। হালুয়াঘাট যেতেন যে মুরব্বি উনার কথা বলছি।আজকেই পোস্ট আছে)
তিনি শুনেছেন ১২৯৩ বঙ্গাব্দে মামলা হয়েছিল। অর্থাৎ ১৪০ বছর আগের কথা।তার আগে নলগাঁওয়ের নাম ছিল মুকিমাবাদ।এই নামটা তিনি শুনেছিলেন শিকদার বাড়ির একজন মুরব্বির নিকট।ঐ মুরব্বি আবার জেনেছিলেন পুরাতন আমলের কবুলিয়াত-পাট্টা কাগজপত্রের মাধ্যমে।
নলগাঁও চাঁদপুর ইউনিয়ন( কাপাসিয়া) এবং পাবুর কাপাসিয়া সদর ইউনিয়নে অবস্থিত।
অন্যদিকে (১)পাবরিয়াচালা,রাজাবাড়ি ইউনিয়ন, শ্রীপুর,
(২)পাবরিয়াচালা,ফুলবাড়িয়া ইউনিয়ন, কালিয়াকৈর এবং
(৩)পাবুরিয়াচালা,বোয়ালী ইউনিয়ন, কালিয়াকৈরে অবস্থিত।
রাজাবাড়ির পাবরিয়াচালার অনেকেই এই পাবুর থেকেই হয়তো গিয়েছিলেন।কেননা ওখানকার আশেপাশের গ্রামগুলোতে প্রচুর পাবুর ব্যাকগ্রাউন্ড পেয়েছি আমি।
নলগাঁও নামকরণ বিষয়ে জানিয়ে হাই স্যার আমাদের ঋণী করে দিলেন।আমি সরাসরি উনার কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছি এজন্য।
© Nazib Mahfuz khan
1 day ago | [YT] | 13
View 2 replies
Nazib Mahfuz Khan
গ্রামের নাম ঝাওয়াদী।এই সিংহশ্রী ইউনিয়নেই রয়েছে হাড়িয়াদী এবং কুড়িয়াদী গ্রাম।
তাছাড়া বড়বেড়, বাড়িবাড়ি, বড়বাড়ি,বড়কাকিয়া নামের চারটি গ্রামও রয়েছে এখানে।
নামিলা,নর্দা,নয়ানগর,ডোয়াইনগর গ্রামের অবস্থানও সিংহশ্রীতে।
তাছাড়া কূলগঙ্গা,ভিটিপাড়া,বৈলারকান্দি,পোনাশারী,সোহাগপুর এবং ঐতিহাসিক গ্রাম/দিঘীর গ্রাম কপালেশ্বর রয়েছে।
যদিও ইউনিয়নের নাম সিংহশ্রী নামে কোন গ্রামই নেই।তবে মৌজা আছে বিশাল।পুরো ইউনিয়নের ১৭ গ্রামের মাঝে ১৪টি গ্রাম নিয়ে সিংহশ্রী মৌজা।
সিংহশ্রীর মত একই থানার তরগাঁও ইউনিয়নেও গ্রামের সংখ্যা ১৭।
ভিটিপাড়া গ্রামটি সিংহশ্রীর সদর। এজন্য এটাই দূরের মানুষের নিকট সিংহশ্রী গ্রাম নামে পরিচিত।
রেনেলের মানচিত্রে বর্তমান কাপাসিয়ার তিনটি স্থাননাম রয়েছে এর মাঝে সিংহশ্রী একটি।
যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনের সময় এখনকার যায়েদ এবং সিংহশ্রী মিলে একটা ইউনিয়নই ছিল।পরে রায়েদ আলাদা হয়েছে।
তখন প্রতি ইউনিয়নে ছিল একটা ভোটকেন্দ্র।
সিংহশ্রীর বিপরীত পাড়েই শ্রীপুরের বরামা গ্রাম।মজার বিষয় হচ্ছে সেই বরামার নামে এপাড়ের সিংহশ্রীর কথ্য নাম দূরের মানুষের নিকট বরামা হয়ে গিয়েছিল।
এই ইউনিয়নের প্রার্থী তাজউদ্দিন আহমদ নিজেই উনার ডায়েরিতে সিংহশ্রী ভোটকেন্দ্রকে সেজন্য বারবার বরামা লিখেছেন।
প্রবীণদের মুখে মুখে এখনো বরামা নামটি রয়েছে সিংহশ্রী অর্থে।
ডালপালা বিস্তার করে এই লেখাটাই যৌক্তিকভাবে টেনে অনেক বড় করা যায় তথ্যকথা হিসেবে।তথ্যউপন্যাস বলে কিছু আছে?তেমন কিছুই করা যায় স্বতঃস্ফূর্ত বিশাল ক্যানভাসে।
কি দরকার ফেইসবুকে এখানে থেঙ্কলেস,ভেল্যুলেস হবার? সবকিছুর একটা মূল্য থাকা উচিত।বইয়ের জন্য উঠানো থাকুক এসব।
4 days ago | [YT] | 21
View 1 reply
Nazib Mahfuz Khan
এই খাল যখন নদী ছিল নাম ছিল তার ধলেশ্বরী।
ঢাকা-মুন্সীগঞ্জের ঐ বড় ধলেশ্বরী নয়। কিশোরগঞ্জ অষ্টগ্রামের ধলেশ্বরীও নয়।
গাজীপুর কাপাসিয়ার রায়েদ-তরগাঁও-কড়িহাতা এই তিন ইউনিয়নের বুক চিরে প্রবাহিত ধলাগড়-ইকুরিয়ার খাল।
উজানের দিকে এখনো রয়েছে ধলাগড়ের ধারা বা বাইদ।সেখানে আছে গজারি বন।বন ধলা (খালি) হয়েছিল বলেই কি এই নামকরণ?
মুরব্বিরা যে 'ধলেশ্বরী নদী' বলে, ঐ নামকরণ কেমনে তাহলে?
সাম্বার হরিণের সমার্থক কয়েকটা নাম দেখলাম ।যেমন মইশা হরিণ, কালেশ্বর এবং ধলেশ্বর।
ধলেশ্বর হরিণ নিশ্চয়ই ঘুরে বেড়াতো ভাওয়ালের বনাঞ্চলের মাঝে থাকা নিম্নভূমি এবং এই ছোট নদীর পাড়ে।
টেলর তো দুইশো বছর আগে লিখেছেনই ভাওয়ালের চার প্রকার হরিণের কথা।
4 days ago | [YT] | 15
View 2 replies
Nazib Mahfuz Khan
এটা কাশেরা। আরেকটা আছে নাশেরা।
কাশেরা গ্রাম, টোক ইউনিয়ন, কাপাসিয়া।
নাশেরা গ্রাম, দুর্গাপুর ইউনিয়ন, কাপাসিয়া।
একই থানা হলেও এরিয়াল পয়েন্টে দুই গ্রামের দূরত্ব প্রায় ২০ কিলোমিটার।
গাজীপুর কাপাসিয়ার ২৩১ গ্রামের মাঝে কাশেরায় গত পরশু প্রথমবার গেলাম।
কাপাসিয়ায় আরো হয়তো ৮/১০ ছোট্ট গ্রাম এখনো বাকি ভ্রমণের ।যেখানে স্কুল/বাজার/বড় রাস্তা/সাইনবোর্ড নাই।একসময় হিসেব করবো এবং শেষ করতে চাই দেখে, গবেষণা করে।
কাশেরার পাশ্ববর্তী গ্রামগুলো হচ্ছে পাঁচুয়া,ডুমদিয়া, সুলতানপুর,নয়াসাঙ্গুন ইত্যাদি।
নাশেরায় বহুবার গিয়েছি।তবে ওখানকার কুমানির টেকে এখনো যাইনি।সেখানে বাঘ গর্জন করতো।
বইয়ের কাজে ছবি উঠাতে যেতে হবে নাশেরার কুমানির টেকে।
4 days ago | [YT] | 20
View 3 replies
Nazib Mahfuz Khan
গতকাল দুপুরে পায়ের জুতা খোলে মাটির উপর বসে ছিলাম কিছুক্ষণ নির্জন।
একটা ছোট মাছরাঙা বারবার মাছ ধরার চেষ্টা করেই যাচ্ছিলো উড়ে এসে শক্ত ঠোঁট ডুবিয়ে। একবার দেখলাম উড়ন্ত অবস্থায় মাছটি নিচে পড়ে গেল।
বিবাদিয়া-বেলাশী,রায়েদ, কাপাসিয়া।
5 days ago | [YT] | 19
View 2 replies
Nazib Mahfuz Khan
১৯৬৩ সালে ম্যাট্রিক টোক রণেন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয় থেকে। পরীক্ষার কেন্দ্র ছিল কিশোরগঞ্জে।
তবে তখন উনার বয়স ছিল কমপক্ষে ২৫।
১৯৬৩ থেকেই পরীক্ষার অফিসিয়াল নাম অবশ্য এসএসসি।
ডুমদিয়া গ্রাম থেকে ম্যাট্রিক পাশ হিসেবে চতুর্থ ছাত্র তিনি।কর্মজীবনভর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন।
আজ শেষ বিকেলে হঠাৎ পরিচয়ে বিশ মিনিট প্রাণবন্ত আত্মিক বহুমাত্রিক গল্প হল।
আবদুর রশিদ মাস্টার সাহেবের সাথে বিস্তারিত কথা বলার জন্য আরেক দিনের লম্বা সময়ের পরিকল্পনা করে আসলাম।
জীবনে বহুবার গাজীপুর কাপাসিয়ার টোক ইউনিয়নের ডুমদিয়া-পাঁচুয়া এলাকায় গেলেও গবেষণা করতে আজকেই প্রথম।
ওখানকার গ্রাম কাঁশেরাতেও আজই প্রথমবার যাওয়া হল।
6 days ago | [YT] | 10
View 1 reply
Nazib Mahfuz Khan
আজকেও গতকালের মত চারটি ইউনিয়নের(একই)বেশকিছু গ্রাম অতিক্রম করেছি, বসেছি, কথা বলেছি, খোঁজ নিয়েছি।
কালডাইয়া-রায়েদ-মাহতাবপুর-কূলগঙ্গা-ভিটিপাড়া-বিবাদিয়া-বড়িবাড়ি-নামিলা-কেন্দুয়াব-উজলী-বড়দিয়া-উজলী-
লোহাদী এবং বেলাশী।
1 week ago | [YT] | 11
View 0 replies
Nazib Mahfuz Khan
ধেয়ে আসা বৃষ্টির শব্দ..
ডিম উৎপাদনের বিশাল ডায়মন্ড কোম্পানি এই গ্রামে।জমির দাম বেড়েছে অনেক।সেটাই এখন গলার কাটা অনেকের।
দূর্গন্ধ, ফসল পঁচে যাওয়া তো আছেই।জমি বিক্রির নগদ অর্থ ফুরিয়েছে অধিকাংশের। এদিকে আবার নতুন করে জমি কিনতে গেলেও আকাশচুম্বী দাম।
মাঝেমধ্যেই তো আমুরি খাল আর নিম্নাঞ্চল দূষিত পানিতে কুৎসিত হয়ে উঠে রাতারাতি।সেসব তো ফেইসবুকে মাঝেমধ্যে ভাইরাল হয় স্থানীয়ভাবে।
আমি শিল্প নিয়ে কোন প্রশ্ন করিনি আজ। চুপচাপ শুনছিলাম চারজনের কথোপকথন।
যারা কাপাসিয়ায় শিল্প চান উনারা টোক ইউনিয়নের উজলী সংলগ্ন কেন্দুয়াব গ্রাম থেকেও একটু ঘুরে যাইয়েন। মানুষের কথা শুনে যাবেন।
রুম ভাড়া দিয়ে চলা আর জমির দামই শেষ কথা না। সুস্থ দেহে শান্তিতে ঘুমানোটাই আসল।
1 week ago | [YT] | 9
View 3 replies
Load more