Nazib Mahfuz Khan

Bangladeshi Village and it's beauty is the main content of this channel


Nazib Mahfuz Khan

ঠিক ১০ বছর আগের এই দিনে আমি।একাকী ৬৪ জেলা ভ্রমণের টানা দ্বিতীয় উইকেন্ড(সপ্তাহ শেষের ছুটি)।
মধ্যনগর,সুনামগঞ্জ।

1 day ago |[YT] | 11

Nazib Mahfuz Khan

৬ ইউনিয়নের ২৪ গ্রাম অতিক্রম করেছি আজ সাইকেলে লোকজ তথ্যানুসন্ধানে।

তরগাঁও ---উত্তরখামের, সরসপুর।

কড়িহাতা---পেওরাইট, তরুন, মেরুয়া,পাকিয়াব, কুড্ডাইদ।

বারিষাব---গাওরার, ভেরারচালা, বরিরচালা,ডাওরা, গিয়াসপুর, নয়ানগর, কীর্তুনিয়া, ছেলদিয়া।

টোক---দিঘাবো, ডুমদিয়া, উজলী দিঘীর পাড়, বড়চালা, কেন্দুয়াব।

সিংহশ্রী---নামিলা, কপালেশ্বর।

রায়েদ---বেলাশী, রায়েদ।

1 day ago |[YT] | 14

Nazib Mahfuz Khan

ধন্য এই সান্নিধ্য।

আজ বিকালে ডুমদিয়া বাজারে।

টোক ইউনিয়নের পাশাপাশি তিন গ্রামের বাসিন্দা তাঁরা তিন নব্বই প্লাস।
কাশেরা, ডুমদিয়া এবং পাঁচুয়া গ্রাম।

হঠাৎ দেখা।চলেই যাচ্ছিলাম।

রশিদ মাস্টার সাহেবকে(১৯৬৩ মেট্রিক-‌এস‌এসসি,স্কুল জীবনে শিক্ষা বিরতি আছে) দেখে থেমে গেলাম।

উনাকে নিয়ে আগে পোস্ট করেছি।আজ সহ তিন দিন দেখা হল।

পাশের জন উঠে এলেন কৌতূহল নিয়ে খুশি মনে।কয়েক মিনিট কথা বলে অচেনা আমাকে চমকে দিয়ে বললো আপনাকে পেয়ে আমরা আনন্দিত! বিরল স্বীকৃতি।

আরেকজন থেমে গেল আমাদের দেখে। সৌভাগ্যক্রমে ঐ দুজন রশিদ মাস্টারেরও সিনিয়র।

উনাদের মাঝে যা আছে এক দশকের ছোট পাশ করা লোকদের তা নাই তো‌।

সব কিছু তো আর সার্টিফিকেট বা সিলেবাসের পড়াশোনার ইস্যু না।

অনেক প্রবীণ বাড়িয়ে বলে,ভুল বলে , মিথ্যাও বলে।বলুক।সব‌ই সত্যি। কিন্তু ফিল্টারিং করে করে সম্পাদনা বিশ্লেষণের পর তবেই না কোন কিছু গ্রহণ করা হচ্ছে ,হবে।

দুধ জ্বাল দিতে দিতে বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে যেমন মাখন-ঘি তৈরী হয়।অনেকটা তেমন‌ই।

1 day ago |[YT] | 6

Nazib Mahfuz Khan

অথচ আজকেই প্রথম আসলাম নিজের থানার পাহাড়সদৃশ এই ছোট্ট গ্রামে!

ঘাগুটিয়া ইউনিয়নের 'জাব'।

ঐ যে বললাম না কাপাসিয়া থানার ২৩১ গ্রামের মাঝে বাজার/স্ট্যান্ড/স্কুল বিহীন ৮/১০টি ছোট গ্রামে আমার যাওয়া বাকি।তার মাঝে একটা শেষ হল আজ।

পাশের কড়িহাতা ইউনিয়নে রয়েছে আনজাব গ্রাম।

চার বছর আগে এই গ্রামের নাম সম্পর্কে প্রথম যখন জানি তখন বিশ্বাস হচ্ছিল না 'জাব' নামে কোন গ্রাম যে ঘাগুটিয়ায় আছে।

এই গ্রামের একজনের বিয়ে হয় আমার শ্বশুর বাড়ির পাশের বাড়িতে/আত্মীয়-প্রতিবেশী।সেই সূত্রে ওয়াইফের মুখে প্রথম শুনি জাব নামটি।অবিশ্বাস্যের মধ্যেই ছিলাম প্রথম দিকে অনেকবার।কারন ইউনিয়নের নামের তালিকায় কেন জানি এই নামটি স্কিপ করে গিয়েছিলাম আগেই।এমনকি মৌখিকভাবে তর্ক/মানা করে দিয়েছিলাম এই নামের অস্তিত্ব সম্পর্কে।

ভাওয়াল প্লাইস্টোসিনের সবচেয়ে পূর্ব প্রান্ত।এরপর ওয়ারী বটেশ্বর বেল্ট পর্যন্ত টানা ১৪ কিলোমিটারের (এরিয়াল)মত পলল সমতল।

নিচের অটোরিকশাটি খেয়াল করলে উচ্চতা অনুভব করা যাবে।

3 days ago |[YT] | 16

Nazib Mahfuz Khan

যেখানে পথ থেমে গিয়েছে...
অনুভবে ৭০ বৎসর পূর্বের সেই গর্জন।বাস্তব ঐতিহাসিক গল্প লেখার প্রয়োজনেই আজ এখানে।

কপালেশ্বর, কাপাসিয়া।

5 days ago |[YT] | 11

Nazib Mahfuz Khan

এই বাড়িতে একজন থাকে শুধু এখন।প্রায় ৬৮ বয়সের বাড়িওয়ালা।উনার সন্তান ব্যবসা করেন শ্রীপুর থেকে। অসুস্থ স্ত্রী সেখানেই থাকেন।তিনি বাড়ি পাহারা দেন আর গৃহস্থালি কৃষি কাজ দেখেন।

আজ দুপুরে হঠাৎ পরিচিত হলাম।কথায় কথায় অনেক কথা। গবেষণায় অনেক তথ্য জোগাড় হলো এখানে।

ঠান্ডা পানি আর বিস্কুট দিলেন।মুড়ি মেখে দিতে চাইছিলেন।তিনি নিজেই রান্না করেন।

সকালে উঠে আল্লাহর কাছে নাকি একজন অতিথির আগমন প্রত্যাশা করে দোয়া করেন তিনি।আজ সেজন্য ভাগ্যবান মনে করেছেন নিজেকে।

এই বাড়িতে দীর্ঘদিন মেহমান আসেনা।

কত হাসি কত গল্প কত প্রাণোচ্ছ্বল সময়‌ ছিল এখানে!
জীবনের সবকিছু থেমে যায় একসময়।সব অনুভব ম্লান হয়ে আসে। নিষ্ঠুর সময় সবকিছু কেড়ে নেয় এই উঠোনের সেই যৌবনের মত।

1 week ago |[YT] | 16

Nazib Mahfuz Khan

ভাওয়ালের রায়েদ গ্রামে আজ বিকালে চলতি পথে সাইকেলে বসে।

1 week ago |[YT] | 32

Nazib Mahfuz Khan

ছোট্ট শালদহে বৃষ্টির পর ভীষণ স্রোত হয়।এই নদীর শেষ গন্তব্য তুরাগে।

ভাওয়াল মীর্জাপুর বাজারের উত্তর-পশ্চিমে লবণদহ এবং শালদহ মিশেছে তুরাগ নদীতে।

মধুপুর-ভাওয়াল বেল্টের মিলিত স্রোত। পাহাড়ি নদীর মত সামান্য। গাজীপুরের নিজমাওনা গ্রাম থেকে টাঙ্গাইলের কালমেঘা যাচ্ছিলাম সেদিন।

এসব খালের মত ছোট নদী এককালে প্রমত্তা ছিল।যখন এসবে ব্রহ্মপুত্রের প্রবাহ ভাটিতে যেত যমুনার আগে।আরো আগে।

1 week ago |[YT] | 16

Nazib Mahfuz Khan

এখানেই কি কাপাসিয়া থানার মাঝে সবচেয়ে বেশি মানুষ শহীদ হয়েছিলেন মুক্তিযুদ্ধের সময়?

৯ জন /১৭ জন/১৮ ।এই তিনটি ভিন্ন ভিন্ন তথ্য এখন পর্যন্ত পেয়েছি।কয়েক জনের স্পষ্ট নাম ঠিকানাও জানা হয়েছে।

আরো দীর্ঘদিন অসংখ্য স্থানীয়দের সাথে করা বলে সবার বৃত্তান্ত নোট করবো ক্রমানুসারে।

সিংহশ্রী(ভিটিপাড়া)।

যতটুকু জেনেছি সম্মুখ যু/দ্ধ হয়নি এই স্পটে।সবাই সাধারণ জনতা ছিলেন।একজন নারী নি/র্যাতিত হয়ে শহীদ হয়েছেন। উনার ভাইয়ের ছেলে সেদিন আফসোস করে আমাকে বলছিলেন কোন সহায়তা কোন সরকার থেকে পায়নি পরিবারের কেউ।

যারা শহীদ মুক্তিযোদ্ধা না বরং সাধারণ শহীদ,উনাদের বোধহয় কোন সরকারি বিশেষ তালিকাভুক্ত স্বীকৃতি তথা ভাতা নেই।

সিংহশ্রী ছিল মুক্তিযুদ্ধের সময় বিশাল সংখ্যক মুক্তিযোদ্ধাদের ঘাঁটি।নদীর ওপাড় থেকে এপারের আট ইউনিয়নকে তো হিন্দুস্থান বলতোই পাকিস্তান সেনাবাহিনী।

নদীর এপাড় তারা এলে গাছের একটা পাতাও রাখবে না বলে হু/মকি তো ছিলোই। সেজন্য‌ই বহু পরিবার শ্রীপুর-গফরগাওঁয়ে স্থানান্তরিত হয়ে গিয়েছিল ভয়ে।

সিংহশ্রীর প্রতি কেন এত আক্রোশ ছিল তাদের?

এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজতে আরো নাহয় পঞ্চাশ জনের সাথে ক্লান্তিহীন কথা বলবো আমি অসংখ্য দিন গিয়ে গিয়ে। ইতোমধ্যেই ছয় জনের সাথে গল্প হয়েছে বিভিন্ন সময়ে।

যতটুকু জানতে পেরেছি তা জানাচ্ছি।

মুক্তিবাহিনীর বিশাল জনবল (৬০ এবং পরবর্তীতে আরো ৩০০) সম্পর্কে জেনে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে পাকিস্তানিরা।

অধিকাংশ প্রবীণ স্থানীয় কিন্তু পাকিস্তান কিংবা আর্মি বলেনা।বিহারী অথবা পাঞ্জাবি বলে ডাকে সাধারণত।

গোসিংগা অথবা পেলাইদ দিয়ে নাকি নদী পার হয়ে এদিকে আসে। (এমনিতে রায়েদ হয়ে আর্মিরা উত্তরে আসার বিষয়ে অন্য জায়গা থেকে আগেই জেনেছি)।

ছোট করে বলছি।

তাদের আগমন সংবাদে এখানকার মুক্তিরা ক্যাম্প ছেড়ে উত্তর দিকে চলে যায় এবং ফাঁকা গু/লি ছুড়ে ভয় দেখিয়ে তাদের আগমন ঠেকানোর চেষ্টা করে।

এটা বরং হিতে বিপরীত হয়। পাঞ্জাবিরা এসে সাধারণ মানুষের উপর তীব্র আক্রোশে গণহ/ত্যা করে এই স্পটের আশেপাশে কারী বাড়ি এলাকা এবং এই বাদশাহাটি ধারা এলাকায়।

স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের অধিকাংশ‌ই তখন প্রশিক্ষণে ভারতে ছিল। এখানে ছিল অন্য অঞ্চলের মুক্তিযোদ্ধারা।

আরো অনেক জানার আছে।জানবো এই বিষয়ে।

আমার মুক্তিযোদ্ধা নানার (আর্মি থেকে বিদ্রোহ করে মুক্তিবাহিনীতে যোগ দেওয়া) সাথেও কথা বলবো।তিনি ৭১ এর কিছু সময় সিংহশ্রীর ক্যাম্পে ছিলেন।

পাশের রায়েদ ইউনিয়ন পুরোটাতে ১৭/১৮ জন শহীদ হননি সবমিলিয়ে ৭১ এ।অথচ ওখানে ছিল যুদ্ধকালীন প্রধানমন্ত্রী তাজ‌উদ্দিন আহমদের বাড়ি। উনার গ্রাম দরদরিয়ায় ২ জন শহীদ হয়েছেন খুব সম্ভবত।১/২/৩।
এর মধ্যে একজন অবশ্য পাঞ্জাবিদের নদী পাড় করার অভিযোগে মুক্তিবাহিনীর হাতেই নি/হত।

সিংহশ্রীতে বন ছিলনা।লোকজন পালাতে পারেনি সহজে।এটাও একটা বড় কারন অবশ্য।

স্থানীয়রা যখন ফুটবলার,নারী,শিশু,কৃষি শ্রমিক,হুজুর এভাবে বৈশিষ্ট্য ধরে ধরে শহীদ হবার বিবরণ দিচ্ছিলেন তখন উনাদের চোখ ছিল ছলছল আমিও হৃদয় দিয়ে অনুভব করছিলাম দুঃস্বপ্নের মত ঐ সময়টা।

এটা নিশ্চিত যে এই স্পটের উত্তরে যায়নি পাকিস্তান সেনাবাহিনী সেদিন।

আরো জানবো আরো শুনবো এই ঘটনার ইতিহাস।

বন্যপ্রাণির ব‌ইতে সামাজিক ইতিহাসের অংশ হিসেবে এই বিষয়েও লেখা থাকছে।কেননা দক্ষিণ পাশেই ঐ সময়ের ১৫ বছর আগে বাঘ,বাঘা এসবের বাস্তব গল্প রয়েছে।

তরগাঁও,রায়েদ, টোক এবং সিংহশ্রী এই চার ইউনিয়নের মাঝে এটাই যে সবচেয়ে বড় গণহ/ত্যার স্পট এতটুকু আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি এই কয়েক মাসের গবেষণার আলোকে।

1 week ago |[YT] | 14

Nazib Mahfuz Khan

পাশাপাশি তিনটি প্রাচীন স্কুল। ছাত্রজীবনে শখের বসে পুরান ঢাকার অলিগলিতে প্রচুর পথ চলেছি ইতিহাসের টানে।

পরবর্তীতে ভার্চুয়ালি যা হেরিটেজ ট্যুর নামে জনপ্রিয়তা পেয়েছে।ঐ সময়টাতে আমি অবশ্য ঢাকাকেন্দ্রিক নাই।সারাদেশে সলো ট্রাভেলিং শুরু করে দিয়েছি।

আবারো সময় দিতে হবে আদি ঢাকায়।এখনতো দেখার চোখ আরেকটু প্রসারিত হবার কথা। সুতরাং উপভোগ্য হবে নিশ্চয়ই।

1 week ago |[YT] | 7