পাঁচ ঘণ্টা তথ্যগল্প শুনে মাত্র আসলাম। অসামান্য ভালোলাগা কাজ করছে।
(১)১১০ বছরের (প্রকৃতই এমন) একজন তেমন কিছুই বলতে পারেন না, শুনতে পারেন না এখন।দুয়েক বছর আগে গেলে তথ্যের খনি পেতাম।কেননা ছিলেন তিনি সহ শিকারি, পুঁথিপাঠক, বনের পাশেই বাড়ি।
(২) বাংলা ১৩২৮ সনে জন্মানো ১০৪ বছর বয়সী একজন ঘন্টাখানেক কথা বলে সমৃদ্ধ করে দিয়েছেন আমাদের।এই প্রথম একজন প্রবীণ পেলাম যিনি জন্মসন নির্দিষ্ট করে বললেন এবং স্পষ্ট করে বয়স যা বলেছেন অঙ্কের হিসেবে সেটাই হয়েছে।
(৩) বয়স প্রায় ৮০। প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনা সামান্যই। কিন্তু অসীম উনার নিজের এবং আশেপাশের গ্রামের জ্ঞান। সমীহ জাগানো মুখস্থ শক্তি। বাংলা সনের ব্যবহার করেন কথায় কথায়।উনার সাথেই মাগরিবের পর থেকে দশটা পর্যন্ত গল্প করেছি।পিতার নিকট থেকে অনেক কিছুই জেনে নিতে পেরেছেন তিনি।বাবা ছিলেন লোকজ তথ্যের বড় একটা খনি।। বিশ্বাস করেন বা নাই করেন।এখানে বিশ্বাস অবিশ্বাসের চেয়ে যুক্তিটাই আসল।যা থাকবে বইতে। তিন ছোটবেলায় একই রুমে বাঘের সাথে ঘুমাতেন। চিতাবাঘের বাচ্চার নাম দিয়েছিলেন 'মনু'।বাবা ধরে এনেছিলেন মাসখানেক বয়সের শাবক।এরপর খাঁচা হয় ঠিকানা।যেখানে এক চক্কর দিতে পারতো প্রাণিটি। বিস্তারিত বকেয়া থাকলো আপাতত।
গাজীপুর কাপাসিয়ার কপালেশ্বর গ্রামের ঘটনা।
এখনকার পুরো গাজীপুর ভূখণ্ড ভাওয়াল পরগণায় ছিলনা। ভাওয়াল পরগণা আর ভাওয়াল জমিদারি এক নয়।রণ ভাওয়াল এবং ভাওয়াল সম্পূর্ণ আলাদা দুটি পরগণা। ভাওয়াল পরগণার পুরোটাই আবার ভাওয়াল জমিদারির ছিলনা। ভাওয়াল জমিদারি মানে জয়দেবপুরের রাজা-জমিদাররা।
যেমন এখন পর্যন্ত কাপাসিয়া থানায় দশটি ছোট-বড় জমিদারির ইতিহাসের সন্ধান পেয়েছি। কাপাসিয়া সিংহশ্রী ইউনিয়নে এখন পর্যন্ত চারটি পৃথক জমিদারির তথ্য পেয়েছি।
কপালেশ্বর গ্রামে ছিল হোসেনপুরের ফকির গোষ্ঠী, গফরগাঁওয়ের জয়ধরখালির পাল এবং গৌরীপুরের জমিদারি।
ইন্টারেস্টিং না!
এসব কিন্তু থাকছে ভাওয়ালের বন্যপ্রাণির ইতিহাস বিষয়ক বইতে।
অদেখা বরমী ইউনিয়ন।গাড়ারন এবং তাঁতীসূতা গ্রাম। এই অংশে আজকেই প্রথম আসা হল বই লেখার কাজে নেমে।। অথচ বরমী বাজারে ছয় বছর বসবাস করে, চাকরি করে প্রচুর ঘুরতাম শুক্র-শনিতে। ইউনিয়নের প্রায় চল্লিশটি গ্রামের সবগুলোতে যাওয়া হয়েছিল। তবে এই অংশটা বাকি ছিল অজান্তেই।
গোসিংগা ইউনিয়নের পটকা এবং পাঁচলটিয়ার একাংশ দেখা যাচ্ছে।
প্রকৃত বয়স কাছাকাছি অনুমান করতে আমি এখন উনাদের বাড়ির লিচুগাছের নিচে বসে আছি।
দুজন চেয়ারে বসে গল্প করছি।পাশেই রেলপথ এবং বন।ঝকঝকাঝক ট্রেন গেল এই মাত্র।
উনার বাবা সারাদিন বনেই থাকেন ৬/৭ গরু নিয়ে। তীব্র নেশা। শতবর্ষের বেশি সময় ধরে বনেই কাটাচ্ছেন জীবনভর। সকালে যান দুপুরে ফিরেন এরপর আবার গিয়ে বিকালে আসেন।
কত সুন্দর মাঠ! রায়েদ ইউনিয়নের সবচেয়ে উত্তরের গ্রাম।বিবাদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের একাংশ। এই গ্রামের কথ্য নাম 'আওলাবর' কেন এটা খোঁজে বেড়াবো একসময়।
Nazib Mahfuz Khan
সূর্যোদয়ের সময় পুব দিকে মুখ রেখে বসেছিল চিতাবাঘ।ঐ অবস্থায় পেছন থেকে বাঘটিকে দেখেন এক কিশোর।
ঐ কিশোরটাই এখন বেশ বৃদ্ধ।সেদিন রাতে গল্পের আসর জমেছিল উনার সাথে।
এখানে বন ছিল।তবে বনবিভাগের আওতাধীন নয়।কয়েকটি জমিদারের নিজস্ব জমি।হাতবদল হতে হতে এলাকাটা এখন বনহীন জোত এলাকা।কারখানাও হচ্ছে।
রুপকথার মত বদলে গিয়েছে দৃশ্যপট। বিস্তারিত জানতে বইয়ের জন্য অপেক্ষায় থাকতে হবে।
4 hours ago | [YT] | 6
View 0 replies
Nazib Mahfuz Khan
ওপাশে গাজীপুর সিটির হাতিয়াব গ্রাম (২৩ নং ওয়ার্ড)। ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের বনাঞ্চল শুরু গ্রামের শেষে।
এদিকে শ্রীপুরের প্রহলাদপুর ইউনিয়নের বনখড়িয়া গ্রাম।
নদীর নাম চিলাই।
চিন্তা করে দেখেন একবার!
বিশাল বন শেষ সবেমাত্র লোকালয়ে নেমেছে নদী।তাতেই এই কালা পানি!
রাজেন্দ্রপুরের(চৌরাস্তা সহ) কিছু শিল্প নষ্ট করে ফেলেছে চিলাই।
17 hours ago | [YT] | 12
View 4 replies
Nazib Mahfuz Khan
কিংবদন্তীর সেই লবলং সাগর এখন দেখতে যেমন!
বাংলাদেশের সবচেয়ে দূষিত তিনটি নদীর একটি।
১৮৯৭ ভূমিকম্পে সবশেষ বিধ্বস্ত হয়েছিল বলেই হয়তো ১৯২৫ এর আশেপাশে এ অঞ্চলে সিএস জরিপের সময় তৎকালীন বাস্তবতায় খালের মত চিহিৃত হয়েছিল লবণদহ নদী।
তাই বলে কি নদীপাড়/খালপাড় বলে কিছু থাকবে না?
হয়তো নদীর মৃতরেখার সবটুকু ব্যক্তির নামেই জোত হিসেবে রেকর্ড হয়েছিল সিএসের সময়।
নয়তো এত বিশাল কারখানা(X Ceramics) নদীকে এভাবে চেপে ধরার আইনি ভিত্তি পায় কি করে?
মর্মান্তিক বিষয়।
1 day ago | [YT] | 16
View 4 replies
Nazib Mahfuz Khan
এই ঘরে কেউ থাকেনা এখন।যার ঘর ছিল তিনি ভাওয়ালে এসেছিলেন নরসিংদী মনোহরদীর চালাকচর অঞ্চল থেকে।
উনার জীবিত ছেলের বয়স এখন ১০৫/১০৬।সেদিন কথা বলে আসলাম।যদিও লোকে বলে ১১৮।
এই ঘর থেকে বংশ বিস্তৃত হয়েছে আশেপাশে।ঘরটি এখন পরিত্যক্ত।
একদম পাশেই খাল, রেলপথ এবং বন।
বিস্তারিত বইয়ের জন্য বকেয়া থাকলো।
2 days ago | [YT] | 12
View 1 reply
Nazib Mahfuz Khan
পাঁচ ঘণ্টা তথ্যগল্প শুনে মাত্র আসলাম। অসামান্য ভালোলাগা কাজ করছে।
(১)১১০ বছরের (প্রকৃতই এমন) একজন তেমন কিছুই বলতে পারেন না, শুনতে পারেন না এখন।দুয়েক বছর আগে গেলে তথ্যের খনি পেতাম।কেননা ছিলেন তিনি সহ শিকারি, পুঁথিপাঠক, বনের পাশেই বাড়ি।
(২) বাংলা ১৩২৮ সনে জন্মানো ১০৪ বছর বয়সী একজন ঘন্টাখানেক কথা বলে সমৃদ্ধ করে দিয়েছেন আমাদের।এই প্রথম একজন প্রবীণ পেলাম যিনি জন্মসন নির্দিষ্ট করে বললেন এবং স্পষ্ট করে বয়স যা বলেছেন অঙ্কের হিসেবে সেটাই হয়েছে।
(৩) বয়স প্রায় ৮০। প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনা সামান্যই। কিন্তু অসীম উনার নিজের এবং আশেপাশের গ্রামের জ্ঞান। সমীহ জাগানো মুখস্থ শক্তি। বাংলা সনের ব্যবহার করেন কথায় কথায়।উনার সাথেই মাগরিবের পর থেকে দশটা পর্যন্ত গল্প করেছি।পিতার নিকট থেকে অনেক কিছুই জেনে নিতে পেরেছেন তিনি।বাবা ছিলেন লোকজ তথ্যের বড় একটা খনি।।
বিশ্বাস করেন বা নাই করেন।এখানে বিশ্বাস অবিশ্বাসের চেয়ে যুক্তিটাই আসল।যা থাকবে বইতে।
তিন ছোটবেলায় একই রুমে বাঘের সাথে ঘুমাতেন। চিতাবাঘের বাচ্চার নাম দিয়েছিলেন 'মনু'।বাবা ধরে এনেছিলেন মাসখানেক বয়সের শাবক।এরপর খাঁচা হয় ঠিকানা।যেখানে এক চক্কর দিতে পারতো প্রাণিটি।
বিস্তারিত বকেয়া থাকলো আপাতত।
গাজীপুর কাপাসিয়ার কপালেশ্বর গ্রামের ঘটনা।
এখনকার পুরো গাজীপুর ভূখণ্ড ভাওয়াল পরগণায় ছিলনা। ভাওয়াল পরগণা আর ভাওয়াল জমিদারি এক নয়।রণ ভাওয়াল এবং ভাওয়াল সম্পূর্ণ আলাদা দুটি পরগণা। ভাওয়াল পরগণার পুরোটাই আবার ভাওয়াল জমিদারির ছিলনা। ভাওয়াল জমিদারি মানে জয়দেবপুরের রাজা-জমিদাররা।
যেমন এখন পর্যন্ত কাপাসিয়া থানায় দশটি ছোট-বড় জমিদারির ইতিহাসের সন্ধান পেয়েছি। কাপাসিয়া সিংহশ্রী ইউনিয়নে এখন পর্যন্ত চারটি পৃথক জমিদারির তথ্য পেয়েছি।
কপালেশ্বর গ্রামে ছিল হোসেনপুরের ফকির গোষ্ঠী, গফরগাঁওয়ের জয়ধরখালির পাল এবং গৌরীপুরের জমিদারি।
ইন্টারেস্টিং না!
এসব কিন্তু থাকছে ভাওয়ালের বন্যপ্রাণির ইতিহাস বিষয়ক বইতে।
2 days ago | [YT] | 15
View 1 reply
Nazib Mahfuz Khan
গত এক সপ্তাহে দুই দিন গিয়েছি এখানে বই লেখার জন্য অনুসন্ধানের কাজে।
3 days ago (edited) | [YT] | 14
View 1 reply
Nazib Mahfuz Khan
অদেখা বরমী ইউনিয়ন।গাড়ারন এবং তাঁতীসূতা গ্রাম।
এই অংশে আজকেই প্রথম আসা হল বই লেখার কাজে নেমে।।
অথচ বরমী বাজারে ছয় বছর বসবাস করে, চাকরি করে প্রচুর ঘুরতাম শুক্র-শনিতে। ইউনিয়নের প্রায় চল্লিশটি গ্রামের সবগুলোতে যাওয়া হয়েছিল।
তবে এই অংশটা বাকি ছিল অজান্তেই।
গোসিংগা ইউনিয়নের পটকা এবং পাঁচলটিয়ার একাংশ দেখা যাচ্ছে।
3 days ago | [YT] | 13
View 1 reply
Nazib Mahfuz Khan
উনার বাবা শতায়ু।লোকে বলে ১১৮।
প্রকৃত বয়স কাছাকাছি অনুমান করতে আমি এখন উনাদের বাড়ির লিচুগাছের নিচে বসে আছি।
দুজন চেয়ারে বসে গল্প করছি।পাশেই রেলপথ এবং বন।ঝকঝকাঝক ট্রেন গেল এই মাত্র।
উনার বাবা সারাদিন বনেই থাকেন ৬/৭ গরু নিয়ে। তীব্র নেশা। শতবর্ষের বেশি সময় ধরে বনেই কাটাচ্ছেন জীবনভর।
সকালে যান দুপুরে ফিরেন এরপর আবার গিয়ে বিকালে
আসেন।
মুরব্বিকে খবর পাঠানো হয়েছে। অপেক্ষা করছি।
4 days ago | [YT] | 15
View 5 replies
Nazib Mahfuz Khan
পোষা কুকুরের পিঠে বসে আশেপাশে ঘুরে বেড়াতো কয়েক বছর বন্দী থাকার পর পোষ বানানো এক বানর!
কল্পনা করলে কেমন অবিশ্বাস্য বিস্ময়কর আরণ্যক অনুভব হয়।
শুরুতে এই বানরটি ধরে আনায় সময় ঝাঁকেঝাঁকে অসংখ্য বানর তথা পুরো পালটা চলে এসেছিল বাড়িতে।
৯০/৯২ বয়সের একজনের জীবন অভিজ্ঞতা।বইতে বিস্তারিত থাকবে।
4 days ago | [YT] | 15
View 1 reply
Nazib Mahfuz Khan
কত সুন্দর মাঠ!
রায়েদ ইউনিয়নের সবচেয়ে উত্তরের গ্রাম।বিবাদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের একাংশ।
এই গ্রামের কথ্য নাম 'আওলাবর' কেন এটা খোঁজে বেড়াবো একসময়।
5 days ago | [YT] | 16
View 1 reply
Load more