Nazib Mahfuz Khan

Bangladeshi Village and it's beauty is the main content of this channel


Nazib Mahfuz Khan

গাজীপুরে বনের পাশে গ্রামাঞ্চলে আমাদের মুখের ভাষায় 'গজারি গড়'।এটাই প্রাণের শব্দমালা।

কথ্যে আমরা শালবন,বন,জঙ্গল/জুঙ্গল বলি না সাধারণত।তবে লেখার সময় লিখি।

গজার বন শব্দটি পাওয়া যায় ১০০/১৫০ বছর আগে প্রকাশিত ঢাকা/ভাওয়ালের কিছু ব‌ইতে।

ই/উ/টি/উ/বে বেশ বড় একটা ভিডিও আসছে।

এমন পথে আমার একাকী সাইকেল চালানোর রোমাঞ্চকর সব দৃশ্যপট থাকছে সেখানে।

3 days ago | [YT] | 15

Nazib Mahfuz Khan

আমার দাদার মা ১৯৮৩ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
উনার স্বামী ১৯৫৭, শ্বশুর ১৯৬৪,একমাত্র ছেলে ১৯৬৫ এবং ছেলের ব‌উ ১৯৭১ সালে মারা যায়।

ছেলের ঘরের পাঁচ জন নাতী-নাতনীকে বটবৃক্ষের মতো আগলে রেখেছিলেন।সংসার করেছেন অবসরের বয়সে।

অবশ্য কাছে-দূরে বিয়ে হ‌ওয়া উনার চারজন মেয়ে তখনো জীবিত।উনারা আসা-যাওয়া করতেন।ওখানেও একঝাঁক নাতী-পুতি।

নতুন প্রজন্মটা নিশ্চয়ই উনার একমাত্র মন ভালো থাকার উৎস ছিল ঐ পরিস্থিতিতেও।

আমার জন্মের পাঁচ বছর আগে বড়‌আম্মা/দাদার মার মৃত্যু।

পাড়ার সবার জন্য জন্ম সাল/তারিখ/বার তিনি মনে রাখতেন।

অশীতিপর বয়সেও তিনি খুব ভালো ভর্তা বানাতেন।আব্বার কাছে উনার ঝিঙ্গা ভর্তার স্বাদের কথা কয়েকবার শুনেছি।

কেউ কারো জন্মতারিখ জানতে চাইলেই বলে দিতেন ১৩৫০ সন আষাঢ় মাসের পাঁচ তারিখ,জেড(জৈষ্ঠ্য) মাসের ওমুক তারিখ,এসব আরকি।

যখন‌ বয়স্কদের নিকট শত বছর আগের পুরাতন পারিবারিক ইতিহাস শুনতে চাইতাম, ঠেকে গেলে উনারা বলতেন মুগার মা থাকলে বলতে পারতো।

দাদার মাকে মুগার মা বলে ডাকতো প্রতিবেশীরা।মুগা উনার কোন সন্তানের নাম নয়। কথ্য নাম‌ও না।

তবুও কেন এই নাম প্রচলিত হয়েছিল তা জানা কখনোই সম্ভব নয় আর।

তেমনি দাদার দাদীকে ডাকা হত 'মধুর মা'।
মধু উনার কোন সন্তানের নাম ছিল না।হয়তো কারো ডাক নাম থাকতেও পারে কিছু সময়ের জন্য। নামহীন অদৃশ্য নামের কথ্যনাম হবার সম্ভাবনা‌ই বেশি।

মুগার মার শ্বাশুড়ি ছিলেন মধুর মা।

কে কত সালে মৃত্যুবরণ করেছেন এই পারিবারিক ইতিহাস লিখিত ছিল না কোথাও।

আমি নিজের কৌতূহলে দীর্ঘদিনের চেষ্টা এসব উদ্ধার করেছি।

3 days ago | [YT] | 5

Nazib Mahfuz Khan

মানিকগঞ্জের বগজুরি গ্রামে ১৮৬৬ সালে জন্ম নেয়া দুটি শিশু।
হীরালাল সেন ও দীনেশচন্দ্র সেন।

বিস্ময়কর।

বগজুরি কোন থানায় পড়েছে?এখনো কি এই নামে পরিচিত?

দেশ আর গ্রাম তো মায়ের সাথে তূলনীয়।বগজুরি গ্রামকে রত্নগর্ভা গ্রাম বলাই যায়।

সম্পর্কে উনারা কাজিন।

হীরালাল সেন-
বাংলা চলচ্চিত্রের জনক।ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম পথিকৃৎ।

দীনেশচন্দ্র সেন -
ময়মনসিংহ গীতিকা উনারা মাধ্যমেই বিশ্ববাসীর দৃষ্টিতে আসে। কুমিল্লার গ্রামে গ্রামে ঘুরে প্রাচীন পুঁথি সংগ্রহ করেছেন।

যেতে চাই একসময় বগজুরিতে।

© Nazib Mahfuz khan

5 days ago | [YT] | 4

Nazib Mahfuz Khan

যমুনা পাড়ের পিংনা কেন বিখ্যাত হয়ে উঠেছিল সেটা বুঝতে চেষ্টা করছি।

১৮৭১ সালে মুন্সেফী আদালত(নিম্ন দেওয়ানি আদালত/জমি সংক্রান্ত) স্থাপিত হয় পিংনায়।

জামালপুর সরিষাবাড়ীর সবচেয়ে দক্ষিণের ইউনিয়ন পিংনাকে নিয়ে ভাবছি আমি গাজীপুরের নাজিব মাহফুজ খান।

১৮৭৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় পিংনা ইংলিশ স্কুল/মাইনর স্কুল।

১৮৯৬ সালে পিংনা হাইস্কুল। এন্ট্রান্স/প্রবেশিকা(ম্যাট্রিক) স্কুল।

১৯০৫ সালের দিকে পুরো বৃহত্তর ময়মনসিংহের ১৮টি স্কুলে ম্যাট্রিক (তখনকার এন্ট্রান্স) পর্যন্ত পড়ানো হত।

এখনকার জামালপুর জেলায় মাত্র দুটি ছিল হাইস্কুল।তার মাঝে পিংনা একটা।

১৮৯৯ সালে পিংনার উত্তর পাশের এলাকা জগন্নাথগঞ্জ ঘাট পর্যন্ত রেল যায়।

তখন ময়মনসিংহ থেকে পাবনা যাওয়ার পথ ছিল মুক্তাগাছা-মধুপুর-গোপালপুর-সুবর্ণখালী ঘাট হয়ে।

পিংনার দক্ষিণেই তখনকার বিখ্যাত ঘাট সুবর্ণখালী।

এলাকাটা এখন টাঙ্গাইল গোপালপুরের হেমনগর।১৯০০ সালে প্রতিষ্ঠিত স্কুল।সুবর্ণখালি শশীমুখী হাইস্কুল।

অর্থাৎ বৃহত্তর ময়মনসিংহের ১৮ ম্যাট্রিক স্কুলের মাঝে এখানেই পাশাপাশি দুটি। বিস্ময়কর, চমকপ্রদ!

শশীমুখী স্কুলটি নাহয় হেমনগরের জমিদারের অবদান।পিংনার স্কুল কি তবে কোন জমিদার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন?

জানা নেই আমার,জানতে হবে।

সুবর্ণখালী শশীমুখী হাইস্কুলের নাম এখন হেমনগর শশীমুখী হাইস্কুল।

তাহলে কি সুবর্ণখালীর নাম বদল করে হেমনগর রাখা হয়েছে?
নাকি সুবর্ণখালী ঘাট/বন্দরটি যমুনায় চলে গিয়েছিল?

জানা নেই আমার,জানতে চাই।

১৮৭১ সালে পিংনার ঐ মুন্সেফী আদালত দ্বিতীয়বারের মত স্থাপিত।

অর্থাৎ আগেও একবার ছিল আদালত ওখানে।

পিংনার নির্দিষ্ট ইতিহাস স্পষ্ট করে জানতে হবে আমাকে।পড়তে হবে জামালপুর, সরিষাবাড়ী,গোপালপুরের সকল আঞ্চলিক ইতিহাসের ব‌ই এবং ঐ এলাকার ভূমিপুত্রদের লিখিত সকল স্মৃতিকথা-আত্মজীবনী।

সরাসরি যেতে হবে পিংনায়। খুঁজতে হবে পুরাতন সেসব স্থাপনার শেষ কোন চিহ্ন।হয়তো কিছুই নেই।সব গিয়েছিল যমুনায়।

কথা বলতে হবে পিংনার সচেতন প্রবীণদের সাথে।

একবার হেমনগর থেকে সরিষাবাড়ী গিয়েছিলাম।তখন তো আর পিংনা সম্পর্কে জানাশোনা ছিল না।

জামালপুর অঞ্চলের একটা নদীর নাম দেখলাম সুবর্ণখালী। বাস্তবেও খুঁজতে হবে তাকে।

© Nazib Mahfuz khan

5 days ago | [YT] | 7

Nazib Mahfuz Khan

বৃহত্তর বরিশালের আঞ্চলিক ভাষায় ট্রাককে টেরাক বলে।

গলাচিপা দশমিনায় ভিপি নূরের মিছিল খেয়াল করলে শোনা যায় 'টে‌এ রাক' 'টে‌এ রাক'।

নূরের আসনের ট্রাক মার্কা এবং টেরাক উচ্চারণের বিষয়টা জানা না থাকলে দূরের দর্শকদের পক্ষে মিছিলের ঐসব আঞ্চলিক স্লোগান বুঝতে পারা প্রায় অসম্ভব পর্যায়ের বিষয়।

ট্রাকের আঞ্চলিক উচ্চারণ আর কি কি আছে বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায়?

6 days ago | [YT] | 3

Nazib Mahfuz Khan

চিলাহাটি থেকে ছেড়ে আসা খুলনার ট্রেনে পরের স্টেশন ডোমার থেকে উঠলাম।

সান্তাহারে নামলাম।

সিএনজিতে রাণীনগর।এরপর আবাদপুকুর বাজার/হাট

সেখান থেকে পতিসর রবীন্দ্র কুঠিবাড়ি।এরপর কালীগঞ্জ বাজার।

ওখান থেকে শেরপুর বাসস্ট্যান্ড।

২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর।

চিলাহাটি,ডোমার-নীলফামারী জেলা।

সান্তাহার-বগুড়া

রানীনগর,আবাদপুকুর,পতিসর-ন‌ওগাঁ

কালীগঞ্জ -(সিংড়া)নাটোর
শেরপুর -বগুড়া।

© Nazib Mahfuz khan

1 week ago | [YT] | 6

Nazib Mahfuz Khan

ঢাকা অঞ্চলে সিএস জরিপের সময় ১১০ বছর আগে কেরানীগঞ্জ থানাটি উত্তর-দক্ষিণে সামান্য কৌনিক লম্বায় ছিল প্রায় ৬৩ কিলোমিটার।

কেরানীগঞ্জের কোন্দা ইউনিয়ন থেকে গাজীপুর সাফারি পার্ক অঞ্চলে বাঘের বাজার এলাকার উত্তর পাশে তুলা গবেষণা/শিরিরচালা গ্রাম/ময়মনসিংহ মড়াসড়কের নতুন বাজার বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত।

কাপাসিয়া থানাটি উত্তর-দক্ষিণে কোনাকুনিভাবে লম্বায় ছিল প্রায় ৫৩ কিলোমিটার।

নরসিংদী পলাশের ডাঙ্গা ইউনিয়নর দক্ষিণ প্রান্ত থেকে গাজীপুর শ্রীপুরের কাওরাইদ ইউনিয়নের হয়দেবপুর/জাহাঙ্গীরপুর গ্রাম।

© Nazib Mahfuz khan

1 week ago | [YT] | 4

Nazib Mahfuz Khan

১৮৩৯ সালেও ঢাকার শহরের রাস্তায় ফেরী করে পনির বিক্রি হত। চকবাজারে প্রতিদিন বিকালে ফালুদা পাওয়া যেত।

1 week ago | [YT] | 8

Nazib Mahfuz Khan

ঢাকা থেকে রাজবাড়ী শহরে যেতাম সপ্তায় সপ্তায়।
গোয়ালন্দ-পাটুরিয়া তখন জমজমাট।

ফেরীর উপরের তলায় উঠে একটা চেয়ারে চুপচাপ বসে থাকতাম।দিনের বেলায় গেলে ঢেউ দেখতাম।পদ্মা-যমুনার দুই প্রকারের বর্ণ খোঁজতাম।

দিনে গেলে লঞ্চেও চড়তাম।ছাদে উঠে পা সামনের দিকে বিছিয়ে আরাম করে বসার চেষ্টা করতাম।

২০১১ সালের কথা।

মাওয়া-কাওড়াকান্দিতে লঞ্চডুবির তিন বছর আগের সময়। পদ্মায় সেজন্য লঞ্চে উঠতে ভয় করতো না ভরপুর বর্ষাতেও।

যেহেতু আমি ভাওয়ালের শুষ্ক জনপদে বেড়ে উঠা বড় ঢেউ,বড় নদীতে অনভ্যস্ত লোক।

কোচিং সেন্টার ক্লাস নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি প্রস্তুতি। সাধারণ জ্ঞান পড়াই।হলে থাকি। জহুরুল হক হল। চতুর্থ বর্ষে পড়ি।

ঘাটের আলুভাজির দিকে চোখ আটকে যেত।চলন্ত বাসে থাকলে খেতে ইচ্ছে হত।একের পর এক বড় যান।ধূলো উড়ছে ক্রমাগত।সারি সারি হোটেল।ইলিশ ভাজা চলছে।আলু ভাজি সাজানো।ধূলা তো মিশছেই খাবারে একটু আধটু।

একদা গোয়ালন্দে স্টিমার আসতো গৌহাটি, নারায়ণগঞ্জ, চাঁদপুর থেকে।অভিজাত যাত্রীরা স্টিমারে বসে খেত সুস্বাদু গোয়ালন্দ চিকেন কারি।

একদিন রোজার দিন।দুপুরেই ক্লাস নেওয়া শেষ।হাতে বেলা আছে খানিকটা। হঠাৎ ইচ্ছে হল ফরিদপুর শহর গিয়ে ভাঙ্গা-জাজিরা-মাওয়া হয়ে ঢাকায় ফিরি।

আগে কখনোই যাওয়া হয়নি ওদিকে।২০১১ সালের কথা।

ফরিদপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে ইফতার কিনে ভাঙ্গার বাসে উঠে বসলাম।বুটমুড়ি, পেঁয়াজু,পানি এসব আরকি।

পাশের যাত্রীর বাড়ি ভাঙ্গায়।পাটচাষী বড় গৃহস্থ।মোটা স্বাস্থ্য। ফরিদপুর শহরে এসেছিলেন কৃষিমজুর নিতে।তারাও বাসে উঠেছে। আধাঘণ্টা পর আজান হল। সহযাত্রী রোজা রাখেন নি। তবুও আমি সাধলাম।তিনি পেঁয়াজু খেলেন।অস্থির চিত্তের মানুষ।

ভাঙ্গায় গিয়ে বাস ভাঙ্গতে হল।আরেক বাস নিয়ে গেল ঘাটে।

ওপাড়ে মাওয়া।রাত হয়ে গিয়েছে বেশ।ফেরীর সংকট।ওপাড়ে এবং নদীতে বেশিরভাগ‌ই আটকে আছে।ঘাটের ফেরীতেও যান্ত্রিক ত্রুটি।

লোকজন স্পিডবোটেই যাচ্ছে অনেকে। কৃষ্ণপক্ষের নিশীতে পদ্মায় তীব্র ঢেউ।আগস্ট মাসের পূর্ণ যৌবনা নদী।

হোটেলগুলোর দিকে পায়চারি করতে করতে খেতে বসলাম একটাতে।ভাতটা গরম ছিল,ঘ্রাণে মাতোয়ারা ইলিশটাও ছিল পদ্মার।

খাওয়ার ভাগ্য ভালো ছিল সেই রাতে।ঘাটের অধিকাংশ ইলিশ‌ই এদিক-সেদিক থেকেই আসা।পদ্মার নয়।

ফেরী ছাড়লো বোধহয় সাড়ে নয়টার পর। বরিশালের পেয়ারা কিনলাম। সাধারণ যাত্রী খুব কম।একজন সিনিয়র ভদ্রলোকের সাথে আলাপ হল।কথায় কথায় বের হল তিনিও ঢাবির,তিনিও জহুরুল হক হলের সাবেক।জনতা ব্যাংকে চাকরি করছেন।

সেই রাতে পদ্মায় তীব্র বাতাস, প্রচণ্ড ঢেউ।হালকা ভয়ভয় লাগছিলো ফেরীতে বসেই।

অথচ ১৮১৮ সালের পূর্বে এখানে পদ্মাবতী ছিল‌ইনা।
ছিল কালীগঙ্গা আর রথখোলা। শীতলক্ষ্যার মত আকার অনেকটা।

মাওয়া থেকে কোনরকমে পেলাম শেষ বাসটি। বাবুবাজার নাকি পোস্তগোলা,কোন পথের ছিল এটা আর মনে নাই এখন।

সিএনজিতে উঠেছিলাম।রাত তখন একটার বেশি।দুইটার কাছাকাছি।

পুলিশ চেকপোস্ট।আমার ব্যাগটা একটু দেখলো। পেয়ারার দিকে তাকিয়ে ইশারায় ছেড়ে দিল।

হলে পৌঁছে সোজা ডাইনিং এ চলে যাই। রুমমেটরা তখন ম্যানেজার।

স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে ডাইনিং পরিচালনা।

বিশেষ ক্যান্টিন ঐটা।ছাত্ররা পরিচালনা করে। বাবুর্চি সহ স্টাফরা বোধহয় হলের বেতনভুক্ত।পনেরো দিনের টাকা আগাম উঠানো হয়।দুই বেলা দিনে।

তৃতীয় বর্ষের আগে অধিকাংশ ক্ষেত্রে এ বিশেষ ক্যান্টিনের সদস্য হ‌ওয়া কঠিন।কড়া নিয়ম শৃঙ্খলা।

সদস্যকে পুরো ছাত্রজীবনে যেকোনো পনেরো দিনের জন্য ম্যানেজারি নিতে হয় তিনজন যৌথভাবে।

আমি কখনো ম্যানেজার হ‌ইনি।সময় ছিল না। এজন্য ছাত্রত্ব শেষে ১৫০০ টাকা জরিমানা দিতে হয়েছিল।এটাই নিয়ম।

যারা ম্যানেজার হয় তাদের ঐ পনেরো দিনের খাবার খরচ নেই এবং ১৫০০ টাকা জরিমানা থেকে মুক্ত।

খাবারের মান যথেষ্ট ভালো।খরচ একদমই কম ছিল অন্য প্রথাগত ক্যান্টিনের তুলনায়।

বিশেষ সেই মেসটির নাম লুমিনাস(Luminus)।

আরেক দিন খাবার নিয়ে লিখবো না হয়।

রুমমেট সোহাদ,সাজু ম্যানেজার।সেহরীর এক ঘন্টা আগের মধ্যরাত।তাদের সাথে ঐ সময়টা আড্ডা দিলাম। বরিশালের পেয়ারা খেলাম সবাই মিলে।

© Nazib Mahfuz khan

1 week ago | [YT] | 5

Nazib Mahfuz Khan

ভালুকা থেকে নিয়মিত লঞ্চ চলাচল করতো কাওরাইদ রেলস্টেশন পর্যন্ত।

বুধবার বরমীর হাটে প্রচুর নৌকা আসতো ভালুকার উজানের ত্রিশাল থেকেও।

কাপাসিয়া অঞ্চলের পাইকারাও যেত ভালুকার মল্লিকবাড়ি হাটে।সেখানকার নৃগোষ্ঠী কোচ-মান্দাইরা এক মণে পাঁচ কেজি ধান বেশি দিত।ওজনেও কম দিত না।

শীতলক্ষ্যার উজান প্রবাহে দূষণের প্রধান উৎস এই খিরু নদী।

ভালুকার কিছু টেক্সটাইলের জন্যে খিরু নদীর পানি কালো কুচকুচে।

ছবিটা এক বছর আগের।

© Nazib Mahfuz khan

1 week ago | [YT] | 13