'the POST', Bangladesh's first Meta Non-Fiction new media, a human story hub. POST breaks and redefines the essence of News-Narrative.
In a world of information tsunami dominated by fictional realities, POST stands to uncover and speak stories that matter. From national to international, from lives to politics-culture-sports- entertainment, we deliver human content beyond headlines. In a sea of noise and post truth, choose clarity, choose insight, choose depth— choose POST.
the POST
মশা! ছোট্ট একটি পরজীবী প্রাণি; কিন্তু এর হুলের ভয়ে তটস্থ থাকেন ধনী, ক্ষমতাবানরাও। আর গরীবরা তো মশার চুম্বনকে ধরে নিয়েছে তাদের নিয়তি হিসেবেই! হাজার বছর ধরে মানুষের অন্যতম প্রধান শত্রুদের একটি মশা। আর হাল আমলে মশা যেভাবে ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়াসহ নানা প্রজাতির রোগ ছড়িয়ে মানবসভ্যতাকে হুমকির মুখোমুখি করছে, তাতে মশার বিরুদ্ধে যেকোনো সময়ই নামতে হতে পারে যুদ্ধে।
মশা আজকালের কোনো আপদ নয়। এই পৃথিবীতে মানুষের চেয়েও পুরনো মশা। জীবাশ্মবিদ্যা এবং বিজ্ঞানীদের দেয়া তথ্য বলছে, মশা এই পৃথিবীতে টিকে আছে ১০ কোটি বছরেরও বেশি সময় ধরে। অর্থাৎ ডাইনোসর যুগেও পৃথিবীতে মশার অস্তিত্ব ছিল! সেই হিসাবে ডাইনোসরের রক্তও পান করেছে ছোট্ট এই প্রাণিটি। বিজ্ঞানীরা বলছেন পৃথিবীতে প্রায় ৩,৫০০ প্রজাতির মশা থাকলেও এর মধ্যে মাত্র কয়েকশ প্রজাতি প্রাণির রক্ত পান করে এবং রোগ ছড়ায়। আরও একটি মজার ব্যাপার হলো, সব মশা কিন্তু কামড়ায় না! কেবল স্ত্রী মশাই ডিম পাড়ার প্রোটিন সংগ্রহের জন্য রক্ত শোষণ করে। বাকি সময় তারা ফুলের মধু খেয়েই বেঁচে থাকে। ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ও সিডিসি সূত্র জানাচ্ছে—পুরুষ মশারা মূলত পরিবেশের পরাগায়নকারী হিসেবে কাজ করে।
মশা নামক ক্ষুদ্র পতঙ্গটিই বিশ্বের সবচেয়ে বড় খুনি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, প্রতি বছর মশার কামড়ে সৃষ্ট রোগে প্রায় ৭ লক্ষ থেকে ১০ লক্ষ মানুষ মারা যায়। বাংলাদেশে এর প্রকোপ আরও ভয়াবহ। বিশেষ করে ২০২৩ ও ২০২৪ সালে ডেঙ্গু আক্রান্তের হার ও মৃত্যু রেকর্ড ছাড়িয়েছিল। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্যমতে, ২০২৪ সালে বাংলাদেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে প্রায় ৫ শতাধিক মানুষ, আর ২০২৩ সালে এই সংখ্যা ছিল ১,৭০৫ জন। জলবায়ু পরিবর্তন এবং অপরিকল্পিত নগরায়নের ফলে এডিস মশা এখন সারা বছরই আতঙ্ক ছড়াচ্ছে। শুধু ডেঙ্গু নয়, ফাইলেরিয়া, চিকুনগুনিয়া আর জিকা ভাইরাসের মতো মরণব্যাধি ছড়িয়ে মশা যেন এক মানুষের এক জীবন্ত যমদূত!
তাই বলে মশা কি শুধুই ক্ষতিকর? বিজ্ঞান বলছে মশা প্রকৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। মশার লার্ভা জলাশয়ের ক্ষুদ্র পুষ্টি কণা ও অণুজীব খেয়ে পানি পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া মশা অসংখ্য মাছ, ব্যাঙ এবং ড্রাগনফ্লাইয়ের প্রধান খাদ্য। নেচার জার্নাল ও স্মিথসোনিয়ান ইনস্টিটিউটের তথ্য বলছে-উত্তর মেরু অঞ্চলের উদ্ভিদের পরাগায়ন কেবল মশার মাধ্যমেই সম্পন্ন হয়। যদি পৃথিবী থেকে সব মশা চিরতরে হারিয়ে যায়, তবে খাদ্যশৃঙ্খলে বিশাল ধস নামবে। অনেক প্রজাতির পাখি ও মাছ খাদ্যাভাবে বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে এবং কিছু উদ্ভিদের প্রজনন চিরতরে বন্ধ হয়ে যাবে। এমনকি বিজ্ঞানীরা বলছেন, মশা না থাকলে ক্রান্তীয় বনাঞ্চলে মানুষের প্রবেশ বেড়ে যাবে, ফলে বন উজাড় হওয়ার গতি তীব্র হবে।
যদি মশা না থাকে, পৃথিবী হয়তো রোগমুক্ত হবে কিন্তু পরিবেশগত ভারসাম্য হারাবে। এটিই সবচেয়ে বড় বিপদ। মশা হারিয়ে গেলে কয়েকশ প্রজাতির প্রাণী তাদের প্রধান খাবার হারাবে, যার প্রভাব পড়বে মানুষের ওপরও। তাহলে উপায় কী? মশা থাকার বিপদ যেমন প্রাণহানি, না থাকার বিপদ তেমন বাস্তুসংস্থানের ধ্বংস। এই উভয়সংকট থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় হলো বৈজ্ঞানিক নিয়ন্ত্রণ। বিজ্ঞানীরা এখন ‘জেনেটিক ড্রাইভ’ বা ‘ওলবাকিয়া’ ব্যাকটেরিয়াযুক্ত মশা ব্যবহারের চেষ্টা করছেন, যা মশার রোগ ছড়ানোর ক্ষমতা নষ্ট করে দেয় কিন্তু প্রজাতি বিলুপ্ত করে না। অর্থাৎ মশা থাকবে, কিন্তু তা আর মরণঘাতী হবে না।
মশাবাহিত রোগ থেকে বাঁচার তাৎক্ষণিক সমাধান হলো সচেতনতা। জমে থাকা পানি পরিষ্কার রাখা, মশারি ব্যবহার এবং ব্যক্তিগত সুরক্ষা নিশ্চিত করাই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে কার্যকর অস্ত্র। দিনশেষে, মশা আমাদের যেমন মৃত্যুর দুয়ারে নিয়ে যায়, তেমনি প্রকৃতির টিকে থাকার এক অদ্ভুত সমীকরণও বজায় রাখে। ল্যানসেট ইনফেকশাস ডিজিজেস ও বিবিসি সায়েন্স ফোকাসের গবেষণা বলছে—মশার সাথে যুদ্ধটা কেবল নির্মূলের নয়, বরং বুদ্ধিদীপ্ত সচেতনতা ও নিয়ন্ত্রণের হওয়া উচিত। কারণ প্রকৃতিতে কোনো কিছুই অপ্রয়োজনীয় নয়, এমনকি এই ছোট্ট রক্তচোষা দানবটিও!
#WorldMosquitoDay #DengueAwareness #MosquitoFacts #ScienceExplained #BangladeshHealth #thepost See less
45 minutes ago | [YT] | 2
View 0 replies
the POST
#buddhaquotes #AngerManagement #InnerPeace #mindfulness #ThePost
1 hour ago | [YT] | 5
View 0 replies
the POST
১৯৬৯ সালে সামরিক অভ্যুত্থানে ক্ষমতায় আসেন মুয়াম্মার গাদ্দাফি। তিনি তার অনুসারীদের বলেছিলেন, তার কৈশোরের নায়ক ছিলেন ওমর মুখতার এবং তার (গাদ্দাফির) পিতা ওমরের অধীনে ইতালীয়দের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন। গাদ্দাফি বিভিন্ন সময় লিবীয় জনগণকে ওমর আল-মুখতারের ‘অনুসারী’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তবে এই গাদ্দাফিও তার একনায়কতান্ত্রিক শাসনকে অব্যাহত রাখতে লিবিয়ার মানুষের মনকে শৃঙ্খলিত রাখতে চেয়েছেন। গাদ্দাফি সচেতনভাবে লিবিয়ার পুরনো সংস্কৃতিকে মুছে দিয়ে সেখানে নিজেকে লিবিয়ার ত্রাণকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছেন। এটা করতে গিয়ে তিনি বেনগাজিতে ওমর মুখতারের সমাধি গুঁড়িয়ে দিয়েছেন। বেনগাজিতে ওমরের সমাধিস্থলটি ওমর মুখতার স্কয়ার নামে পরিচিত ছিল। ২০০০ সাল পর্যন্ত সেখানে সমাধিটি টিকে ছিল। ১৯৫১ সালের ২৪ ডিসেম্বর লিবিয়া স্বাধীনতা ঘোষণা করে। এর আট বছর পর তার পরিবারের অনুমোদন সাপেক্ষে ওমর মুখতারের সমাধি নির্মাণ করা হয়। সে সময়ের লিবিয়ার শাসক রাজা ইদরিস ছিলেন ওমর মুখতারের সহযোদ্ধা, বন্ধুসম। তিনি তার বন্ধুর স্মৃতিকে সম্মান দেখাতে চেয়েছিলেন। ফাঁসির পর ওমরের মরদেহ সিদি আবেইদে সমাহিত করা হয়েছিল। ১৯৬০ সালের আগস্টে সেখান থেকে তার মরদেহ বেনগাজিতে ওমর মুখতার স্কয়ারে নিয়ে আসা হয় এবং এটি হয়ে ওঠে লিবিয়ার জাতীয় স্মৃতিসৌধ। দেশী-বিদেশী মানুষ এখানে এসে ওমরকে শ্রদ্ধা জানাতেন। ওমরের ছেলে ও একমাত্র বংশধর হাজি মোহাম্মদ ওমর মুখতার মনে করতেন, গাদ্দাফি তার নিজের ভাবমূর্তিকে শক্তিশালী করা ও রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলে ওমর মুখতারকে ব্যবহার করেছেন। ওমর মুখতারের প্রতিকৃতি লিবিয়ার ১০ দিনারের নোটে ব্যবহার করা হলেও গাদ্দাফি বেশি ব্যবহূত ও দিনারের নোটে নিজের ছবি ছেপেছেন। ওমরের জীবনীনির্ভর লায়ন অব দ্য ডেজার্ট ছবি নির্মাণে গাদ্দাফি ৩ কোটি ডলারের বরাদ্দ দিয়েছিলেন ঠিকই, কিন্তু ছবিতে যেন সেনুসি সম্প্রদায়ের কথা উল্লেখ না থাকে, সে বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছিলেন। অথচ ওমর মুখতার লড়েছিলেনে এই মানুষদের জন্য। সেনুসিদের গাদ্দাফি ঘৃণা করতেন এবং তার নিদর্শনও তিনি রেখেছেন। রাজা ইদরিসের পূর্বসূরিদের কবর খুঁড়ে তাদের কঙ্ককাল মরুভূমিতে ফেলে দেয়া হয়েছিল। এদিক থেকে ওমর মুখতারের প্রতি গাদ্দাফির আচরণ অপেক্ষাকৃত নরম ছিল। ৪০ বছর বেনগাজির স্কয়ারে সমাধিস্থ থাকার পর গাদ্দাফির নির্দেশে ওমর মুখতারের দেহাবশেষ তুলে বেনগাজি থেকে ৬০ কিলোমিটার দূরের সোলুক গ্রামে নতুন করে কবর দেয়া হয়। ২০০০ সালে ফুটবল খেলাসংক্রান্ত এক বিতর্কিত ঘটনায় গাদ্দাফির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ হয়েছিল, বিক্ষোভকারী তরুণরা নিজেদের ‘আমরা ওমর মুখতারের নাতি’ বলে আখ্যা দিয়েছিল। তারা গাদ্দাফিকে ভয় পায় না এমন স্লোগানও দিয়েছিল। গাদ্দাফির প্রতিক্রিয়া ছিল হিংসাত্মক, তিনি ওমর মুখতারের সমাধি গুঁড়িয়ে দেন এবং তার দেহাবশেষ সরিয়ে ফেলেন। এ ঘটনা প্রসঙ্গে ওমরের পুত্র হাজি মোহাম্মদ ওমর মুখতার ২০১১ সালে বলেছিলেন, ১৯৬০ সালে ওমরের দেহাবশেষ বেনগাজিতে আনা ও সমাধি নির্মাণের ব্যাপারে রাজা ইদরিস পরিবারের অনুমতি নিয়েছিলেন। কিন্তু ‘গাদ্দাফি ২০০০ সালে যখন আমার পিতার দেহাবশেষ সরিয়ে নেন, তখন আমাদের কাছে কোনো অনুমতি নেননি। তার দেহাবশেষ সোলুকে নিয়ে যাওয়া এবং তার সমাধি ধ্বংস করে দেয়ার ব্যাপারে আমাদের কোনো সম্মতি কখনই ছিল না।’
#OmarAlMukhtar #MuammarGaddafi #libyahistory #MiddleEastHistory #ThePost
2 hours ago | [YT] | 5
View 0 replies
the POST
#TariqueRahman #BNP #amanullahaman #ThePost
9 hours ago | [YT] | 10
View 2 replies
the POST
'জুলাই বিপ্লবের পর নিয়মতান্ত্রিক দলীয় রাজনীতিতে অংশগ্রহণকারী ইসলামপন্থীরা মন্দির ও পূজা মণ্ডপ পাহারা দিয়েছে। চট্টগ্রামে হিন্দুত্ববাদীদের হাতে নিহত আইনজীবী আলিফের পিতা জানাজায় দাঁড়িয়ে হিন্দু-মুসলমান শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের আহবান জানিয়েছেন। এইভাবে হাসিনা পতনের পর, শাহবাগে জড়ো করা হিন্দুত্ববাদি বজরঙ্গি, ইন্ডিয়ার গদি মিডিয়ার সমস্ত উস্কানি উপেক্ষা করে বাংলাদেশ সমাজ ঐক্যবদ্ধ থেকেছে।
এখন গোয়েন্দা সংস্থায় নতুন প্রজন্মের দেশপ্রেমিক তরুণেরা কাজ করছে। তারা নিবিড় তদন্ত করলে ঠিকই ধারাবাহিক মাজার ভাঙ্গার উস্কানির পেছনে নিয়মতান্ত্রিক দলীয় রাজনীতির বাইরের ইন্ডিয়ার অভিভাবকত্বে থাকা তালেবানপন্থীদেরকেই খুঁজে পাবে বলে ধারণা করি।
সম্প্রতি একটি জাতিসংঘ রিপোর্টে সন্ত্রাসবাদ প্রসঙ্গে মাত্র একবার বাংলাদেশের নাম উচ্চারিত হবার পর; যেসব ইন্ডিয়াঘন মিডিয়া 'জঙ্গি' শব্দটি ঘন ঘন বলে; ২০০১-০৬-এর বাসি প্রোপাগান্ডা ফাস্ট ফুড মাইক্রোওয়েভ অভেনে গরম করে ফুঁ দিয়ে খেতে চেষ্টা করছেন; তাদেরকে গ্রিক চিন্তক হেরাক্লাইটাসের উদ্ধৃতি স্মরণ করতে হবে, কেউ একই স্রোতে দুবার সাঁতার দিতে পারে না।
দিল্লির সাউথ ব্লক ও গদি মিডিয়া যখন 'আলকায়েদা ইন্ডিয়ান সাব কনটিনেন্ট' -এর গল্পটি দিয়েছে; তারা হয়তো খেয়াল করেনি একবিংশ শতকের শুরু থেকেই আন্তর্জাতিক পরিসরে ইন্ডিয়ান সাবকনটিনেন্ট শব্দটি সাউথ এশিয়া হিসেবে প্রচলিত। কথিত 'অখণ্ড ভারত' এর স্বপ্নগ্রস্থ লোক ছাড়া ভারতবর্ষ বা ইন্ডিয়ান সাবকনটিনেন্ট শব্দটি আর কেউ ব্যবহার করে না।'- লিখেছেন মাসকাওয়াথ আহসান
#MaskwaithAhsan #akhandbharat #IndiaBangladesh #Geopolitics#SouthAsiaPolitics #ThePost
10 hours ago | [YT] | 21
View 7 replies
the POST
'আল-কা*য়দা আইডিওলোগরা গণতন্ত্র, প্লুরারিজম, মত প্রকাশের স্বাধীনতা, মানবাধিকারের ধারণা ইত্যাদিকে পশ্চিমা ধারণা হিসেবে চিহ্নিত করে এবং কু*ফরি মতবাদ হিসেবে আখ্যায়িত করে।
...এসব তাগুতি পশ্চিমা ধারণার দোহাই দেয়াটা কি অনৈসলামিক নয়?
আপনি যদি অন্যের মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস না করেন, মানবাধিকারকে অস্বীকার করেন, গণতন্ত্রকে কু*ফরি বলেন তাহলে সেটা নিজের জন্য ক্লেইম করেন কিভাবে? আপনাকে তো খেলায় অংশগ্রহণ করতে হবে।
আপনি গণতন্ত্রকে উৎখাত করতে চাইবেন আর গণতন্ত্র আপনাকে গণতান্ত্রিক স্পেইস দিবে? গণতন্ত্র কি পাগল নাকি শিশু?
আপনি বলতেসেন গণতন্ত্রীদের ক*ল্লা কা*টার আদর্শ প্রচার করবেন আর গণতন্ত্র সেটাকে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা হিসেবে এলাউ করবে? ভাইরে ভাই!'
#Democracy #freedomofspeech #HasanAlMahmud #humanrights #ThePost
11 hours ago | [YT] | 21
View 1 reply
the POST
'মাকাম: সেন্টার ফর সুফি হেরিটেজ' বলছে- অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে দেশজুড়ে ৯৭টি মাজারে সংগঠিত হামলা হয়েছে, ওরস ও বাউল গানের আসর বন্ধ হয়ে যাচ্ছে একের পর এক। এটা গত এক মাসের একক ঘটনা না হলেও, ওই সময়সীমার মধ্যেই প্রতিবেদনটি এসেছে এবং প্রবণতাটি চলমান।
#FreedomOfExpression #extremism #Ashes #CulturalTolerance #ThePost
12 hours ago | [YT] | 9
View 1 reply
the POST
'ইদানিং অনেক প্রতিষ্ঠিত গণমাধ্যম দেখি অশুদ্ধ কথ্য ভাষায় তাদের আধেয় নির্মাণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করছে। ইউটিউবারদের কথা না হয় বাদই দিলাম। মানে আমরা কি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছি যে শুদ্ধ ও মান বাংলা আমরা পরিত্যাগ করবো? ভাষার রাজনীতি ইত্যাদি ভিন্ন আলাপ, তাছাড়া যারা কাজটি করছেন তারা ভাষার রাজনীতি বুঝে নিয়ে করছেন, তাও না। তারা গড্ডল হচ্ছেন কেবল।
এরই ভেতর যা প্রমিত বলে দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত তাকে বিকৃত করার কোনো মানে হয় না। ঢাকার এক ধরনের মিশ্র ভাষাকে প্রতিস্থাপনের কাজে লাগানো হচ্ছে। তাহলে চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, সিলেটের কথ্যভাষা কী দোষ করলো? তারা বুঝতেও পারছেন না অশুদ্ধ উচ্চারণ ও ব্যক্তিগত পরিসরের ভাষা গণমাধ্যমে কতটা শ্রুতিকটু লাগছে! আর এতে আমাদের ভাষার ভবিষ্যৎও হুমকির মুখে পড়ছে। সাধে কি লোকে বলে "আত্মঘাতী বাঙালি"?'- লিখেছেন বিধান রিবেরু
#banglalanguage #bidhanrebeiro #mediacriticism #promitobangla #ThePost
13 hours ago | [YT] | 19
View 3 replies
the POST
'চিফ হুইপ কর্তৃক 'রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ভোট দিলে আসন শূন্য হবে'—এমন বক্তব্য ৭০ অনুচ্ছেদের আক্ষরিক অর্থ এবং সংবিধানের ৪৮(১), ১১৯ অনুচ্ছেদ ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১-এর সমন্বিত কাঠামোর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।'- বলেছেন শহীদুল্লাহ ফরায়জী
প্রসঙ্গত, এ প্রসঙ্গে ৫৭ রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দের বিবৃতি দিয়েছেন।
তারা ৭০ অনুচ্ছেদ সংস্কার করাসহ ৪ দফা দাবি জানিয়েছেন। বলছেন- 'রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে দলীয় আনুগত্যের পরীক্ষায় পরিণত করা সংবিধানের লঙ্ঘন। সংবিধানের ৪৮(১) অনুচ্ছেদে সংসদ-সদস্যদের রাষ্ট্রপতির নির্বাচকমণ্ডলী হিসেবে নির্ধারণ করা হলেও রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সংসদের কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নয়; এটি নির্বাচন কমিশনের অধীনে অনুষ্ঠিত একটি স্বতন্ত্র সাংবিধানিক নির্বাচন। অতএব, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সংসদ-সদস্যের ভোটকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংসদে দলের বিপক্ষে ভোট হিসেবে গণ্য করার কোনো সাংবিধানিক ভিত্তি নেই।'
৫৭ বিবৃতদাতার মধ্যে অন্যতম- রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি হাসনাত কাইয়ূম, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি'র সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন, এনপিএ'র মুখপাত্র ফেরদৌস আরা রুমী ও নাজিফা জান্নাত, সম্প্রীতি যাত্রার সংগঠক শামীম আরা নীপা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক রুশাদ ফরিদী, অ্যাক্টিভিস্ট মাহাতাব উদ্দিন আহাম্মাদ, এনপিএ'র কেন্দ্রীয় কাউন্সিল সদস্য বাকী বিল্লাহ ও অনিক রায়, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ হাসিবউদ্দীন হোসেন ও রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিদার ভূঁইয়া।
#shahidullahfarazi #article70 #presidentialelection #LawAndJustice #ConstitutionalReform #ThePost
14 hours ago | [YT] | 5
View 1 reply
the POST
'কলকাতার হোটেলে আগুন লেগে যারা মারা যায় তারা " বাংলাদেশী"। ভূমধ্যসাগরে ইটালী উপকুলে নৌকাডুবিতে যে অবৈধ ( আমরা এতটাই অসভ্য রয়ে গেছি যে এখনো এই বুঝটাই আসে নাই- মানুষ কখনো অবৈধ হয় না) অভিবাসন প্রত্যাশী মারা যায় তারা বাংলাদেশী। ক্রোয়েশিয়ার বনে শীতে যে মারা যায় সে বাংলাদেশী। আমিরাতে কন্সট্রাকশনের ক্রেন দূর্ঘটনায় যে মারা যায় সেও বাংলাদেশী। আর নিজ দেশে অধিকার চাইতে গিয়ে গুলি খেয়ে যে মরে সেও বাংলাদেশী। আগে ভাবতাম মৃত্যু বুঝি এই বংগ বদ্বীপেই স্বস্তা, কিন্ত না। মৃত্যু আসলে বাংলাদেশীদের জন্যই স্বস্তা।'- লিখেছেন শিক্ষক ও লেখক বাতেন মোহাম্মদ
#kolkatahotelfire #batenmohammad #bangladeshilivesmatter #socialhypocrisy #ThePost
15 hours ago | [YT] | 5
View 0 replies
Load more