মঙ্গল শোভাযাত্রা ও পহেলা বৈশাখ উদযাপন করা মুসলিমদের জন্য হারাম। ..........
পহেলা বৈশাখ উদযাপনের মধ্যে রয়েছে কমপক্ষে পাঁচটি ইসলাম ও ঈমান বিরোধী বিষয় –
১. ঈমান-আকিদাবিরোধী প্রথার প্রচলন। যেমন, জীবজন্তুর মূর্তি নিয়ে মঙ্গল শোভাযাত্রা, মুখে উল্কি আঁকা,শাঁখা-সিঁদুরের রংয়ে (সাদা ও লাল) পোশাক পরিধান,রাখি বাঁধা, শাঁখা পরা, কপালে লাল টিপ ও চন্দন এবং সিথিতে সিঁদুর দেয়া। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন-
“আল্লাহর নিকট তিন শ্রেণীর লোক সবচেয়ে বেশী ঘৃণিত – ১ম শ্রেণী হচ্ছে, যারা হারাম শরীফের মধ্যে কুফরী কার্যকলাপ করে। ২য় শ্রেণী হচ্ছে, যারা ইসলামে থাকা অবস্থায় (মুসলমান হয়েও) জাহিলিয়্যাতের রীতি–নীতি ও আদর্শ (কাফের মুশরিকদের অনুকরণ–অনুসরণ) পালন করে। ৩য় শ্রেণী হচ্ছে, যে ব্যক্তি অন্যায়ভাবে কারো রক্ত প্রবাহিত করে।” (বুখারী ৬৮৮২ দিয়াত অধ্যায়)
২. বিজাতির অনুসরণ। বির্ধমীরা তাদের সংস্কৃতির রীতি অনুযায়ী ইংরেজী নববর্ষ পালন করে আর আমরা বাংলা সংস্কৃতি মতে বাংলা নববর্ষ বা পহেলা বৈশাখ পালন করি। অথচ রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
যে ব্যক্তি যে জাতির অনুকরন করবে সে ব্যক্তি সে জাতির মধ্যে গণ্যহবে। (আবু দাউদ ৩৫১২)
৩. নগ্নতা, অশ্লীলতা, ব্যভিচারপূর্ণ অনুষ্ঠান। এই ব্যভিচার বিভিন্ন অঙ্গের দ্বারা হতে পারে, যেমনটি রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেছেন যে,
দুই চোখের ব্যভিচার হল হারাম দৃষ্টি দেয়া, দুই কানের ব্যভিচার হল পরনারীর কণ্ঠস্বর শোনা, জিহবার ব্যভিচার হল, [পরনারীর সাথে সুড়সুড়িমূলক] কথোপকথন। হাতের ব্যভিচার হলব্যভিচার হল পরনারী স্পর্শ করা, পায়ের ব্যভিচার হল গুনাহর কাজের দিকে পা বাড়ান, অন্তরের ব্যভিচার হল কামনা-বাসনা আর গুপ্তাঙ্গঁ তা সত্য অথবা মিথ্যায় পরিণত করে। (মুসলিম ২৬৫৭, মুসনাদে আহমাদ ৮৯৩২)
নির্লজ্জতা ও অশ্লীলতার কাছেও যেও না, চাই তা প্রত্যক্ষ হোক আর পরোক্ষ হোক। (সূরা আনআম ১৫১)
৪. গান ও বাদ্য ও মদ্যপানপূর্ণ অনুষ্ঠান। রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেছেন,
এই উম্মতের জন্য ভূমিধ্বস, চেহারা বিকৃতি এবং পাথর বর্ষণের আযাব রয়েছে। জনৈক মুসলিম ব্যক্তি তখন বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ, কখন হবে তা? তিনি বললেন, যখন গায়িকা ও বাদ্যযন্ত্রের বিস্তার ঘটবে এবং মদ্যপান দেখা দিবে। (তিরমিযী ২২১৫)
৫. সময় ও অর্থ অপচয়কারী অনর্থক ও বাজে কথা এবং কাজ। আল্লাহ পাক বলেন,
সেই মুমিনরা সফলকাম হয়েছে, যারা বাজে কাজ থেকে বিরত থেকেছে। (সূরা মুমিনুন ৩)
ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে উক্ত পাঁচটি কাজ পুরোপুরিভাবেই নিষিদ্ধ। ইসলামের দৃষ্টিতে বিভিন্ন উৎসব-অয়োজন ও আচার-অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রেও শরয়ি নির্দেশনার এক চুল বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই। এজন্যই অমুসলিমদের উৎসব-অনুষ্ঠানে অংশ নেয়া, আর তাদের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে অংশ নেয়া ইসলাম বিরোধী কাজ। অমুসলিমদের কৃষ্টি-কালচার, ইসলাম বিরোধী পথ ও পদ্ধতি অনুযায়ী আয়োজিত উৎসব-অনুষ্ঠানের সাথে একমত পোষণ করার মানে হলো কুফরের সাথে একমত পোষণ করা। কাজেই সন্দেহ নেই, ,পহেলা বৈশাখ উদযাপনে ইসলামের দৃষ্টিতে সম্পূর্ণ হারাম। মুসলিম হিসেবে যা অবশ্যই বর্জন করতে হবে।
যে মুসলিম সত্য মেনে এটি বর্জন করবে না . আল্লাহ তাআলা বলেন,
যে ব্যক্তি ঈমান প্রত্যাখ্যান করবে তার কর্ম নিষ্ফল হবে এবং আখিরাতে সে ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে। (সূরা মায়েদা ৫)
উক্ত আয়াতের তাফসিরে আল্লামা বাগাবি রহ বলেন,
“যে ব্যক্তি ঈমান প্রত্যাখ্যান করবে’ এ কথার অর্থ হলো, যে ব্যক্তি হারামকে হালাল মনে করবে এবং হালালকে হারাম সাব্যস্ত করবে তার যাবতীয় আমল বৃথা হয়ে যাবে। আর আখেরাতে সে ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে। ইবনে আব্বাস রাযি. বলেন, তার সাওয়াবগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হবে।” (তাফসীরে বাগাবী ২/২০)
Aesthetic Tasnim
5 months ago | [YT] | 2
View 0 replies
Aesthetic Tasnim
6 months ago | [YT] | 1
View 0 replies
Aesthetic Tasnim
এটাই কি সেই বাংলাদেশ যে একসময় ইজরাইল এর আকাশ কাপিয়েছিল?
6 months ago (edited) | [YT] | 2
View 2 replies
Aesthetic Tasnim
6 months ago | [YT] | 1
View 0 replies
Aesthetic Tasnim
কি? কোনো মিল পাচ্ছেন? ১ম এবং ২য় ছবির সাথে? #milestonschool #planecrush
6 months ago | [YT] | 2
View 1 reply
Aesthetic Tasnim
https://youtu.be/aSYz7ThBAEg?feature=...
9 months ago | [YT] | 2
View 3 replies
Aesthetic Tasnim
❤️🩹..
I'm taking a break from YouTube for study. Please don't unsubscribe me.
9 months ago | [YT] | 3
View 3 replies
Aesthetic Tasnim
মঙ্গল শোভাযাত্রা ও পহেলা বৈশাখ উদযাপন করা মুসলিমদের জন্য হারাম।
..........
পহেলা বৈশাখ উদযাপনের মধ্যে রয়েছে কমপক্ষে পাঁচটি ইসলাম ও ঈমান বিরোধী বিষয় –
১. ঈমান-আকিদাবিরোধী প্রথার প্রচলন। যেমন, জীবজন্তুর মূর্তি নিয়ে মঙ্গল শোভাযাত্রা, মুখে উল্কি আঁকা,শাঁখা-সিঁদুরের রংয়ে (সাদা ও লাল) পোশাক পরিধান,রাখি বাঁধা, শাঁখা পরা, কপালে লাল টিপ ও চন্দন এবং সিথিতে সিঁদুর দেয়া। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন-
“আল্লাহর নিকট তিন শ্রেণীর লোক সবচেয়ে বেশী ঘৃণিত – ১ম শ্রেণী হচ্ছে, যারা হারাম শরীফের মধ্যে কুফরী কার্যকলাপ করে। ২য় শ্রেণী হচ্ছে, যারা ইসলামে থাকা অবস্থায় (মুসলমান হয়েও) জাহিলিয়্যাতের রীতি–নীতি ও আদর্শ (কাফের মুশরিকদের অনুকরণ–অনুসরণ) পালন করে। ৩য় শ্রেণী হচ্ছে, যে ব্যক্তি অন্যায়ভাবে কারো রক্ত প্রবাহিত করে।” (বুখারী ৬৮৮২ দিয়াত অধ্যায়)
২. বিজাতির অনুসরণ। বির্ধমীরা তাদের সংস্কৃতির রীতি অনুযায়ী ইংরেজী নববর্ষ পালন করে আর আমরা বাংলা সংস্কৃতি মতে বাংলা নববর্ষ বা পহেলা বৈশাখ পালন করি।
অথচ রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
যে ব্যক্তি যে জাতির অনুকরন করবে সে ব্যক্তি সে জাতির মধ্যে গণ্যহবে। (আবু দাউদ ৩৫১২)
৩. নগ্নতা, অশ্লীলতা, ব্যভিচারপূর্ণ অনুষ্ঠান। এই ব্যভিচার বিভিন্ন অঙ্গের দ্বারা হতে পারে, যেমনটি রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেছেন যে,
দুই চোখের ব্যভিচার হল হারাম দৃষ্টি দেয়া, দুই কানের ব্যভিচার হল পরনারীর কণ্ঠস্বর শোনা, জিহবার ব্যভিচার হল, [পরনারীর সাথে সুড়সুড়িমূলক] কথোপকথন। হাতের ব্যভিচার হলব্যভিচার হল পরনারী স্পর্শ করা, পায়ের ব্যভিচার হল গুনাহর কাজের দিকে পা বাড়ান, অন্তরের ব্যভিচার হল কামনা-বাসনা আর গুপ্তাঙ্গঁ তা সত্য অথবা মিথ্যায় পরিণত করে। (মুসলিম ২৬৫৭, মুসনাদে আহমাদ ৮৯৩২)
আর আল্লাহ তাআলা বলেছেন,
وَلَا تَقْرَبُوا الْفَوَاحِشَ مَا ظَهَرَ مِنْهَا وَمَا بَطَنَ
নির্লজ্জতা ও অশ্লীলতার কাছেও যেও না, চাই তা প্রত্যক্ষ হোক আর পরোক্ষ হোক। (সূরা আনআম ১৫১)
৪. গান ও বাদ্য ও মদ্যপানপূর্ণ অনুষ্ঠান। রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেছেন,
এই উম্মতের জন্য ভূমিধ্বস, চেহারা বিকৃতি এবং পাথর বর্ষণের আযাব রয়েছে। জনৈক মুসলিম ব্যক্তি তখন বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ, কখন হবে তা? তিনি বললেন, যখন গায়িকা ও বাদ্যযন্ত্রের বিস্তার ঘটবে এবং মদ্যপান দেখা দিবে। (তিরমিযী ২২১৫)
৫. সময় ও অর্থ অপচয়কারী অনর্থক ও বাজে কথা এবং কাজ। আল্লাহ পাক বলেন,
সেই মুমিনরা সফলকাম হয়েছে, যারা বাজে কাজ থেকে বিরত থেকেছে। (সূরা মুমিনুন ৩)
ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে উক্ত পাঁচটি কাজ পুরোপুরিভাবেই নিষিদ্ধ। ইসলামের দৃষ্টিতে বিভিন্ন উৎসব-অয়োজন ও আচার-অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রেও শরয়ি নির্দেশনার এক চুল বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই। এজন্যই অমুসলিমদের উৎসব-অনুষ্ঠানে অংশ নেয়া, আর তাদের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে অংশ নেয়া ইসলাম বিরোধী কাজ। অমুসলিমদের কৃষ্টি-কালচার, ইসলাম বিরোধী পথ ও পদ্ধতি অনুযায়ী আয়োজিত উৎসব-অনুষ্ঠানের সাথে একমত পোষণ করার মানে হলো কুফরের সাথে একমত পোষণ করা। কাজেই সন্দেহ নেই, ,পহেলা বৈশাখ উদযাপনে ইসলামের দৃষ্টিতে সম্পূর্ণ হারাম। মুসলিম হিসেবে যা অবশ্যই বর্জন করতে হবে।
যে মুসলিম সত্য মেনে এটি বর্জন করবে না
.
আল্লাহ তাআলা বলেন,
যে ব্যক্তি ঈমান প্রত্যাখ্যান করবে তার কর্ম নিষ্ফল হবে এবং আখিরাতে সে ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে। (সূরা মায়েদা ৫)
উক্ত আয়াতের তাফসিরে আল্লামা বাগাবি রহ বলেন,
“যে ব্যক্তি ঈমান প্রত্যাখ্যান করবে’ এ কথার অর্থ হলো, যে ব্যক্তি হারামকে হালাল মনে করবে এবং হালালকে হারাম সাব্যস্ত করবে তার যাবতীয় আমল বৃথা হয়ে যাবে। আর আখেরাতে সে ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে। ইবনে আব্বাস রাযি. বলেন, তার সাওয়াবগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হবে।” (তাফসীরে বাগাবী ২/২০)
আল্লাহ সকলকে সহিহ বুঝ দান করুন। আমিন।
9 months ago | [YT] | 0
View 0 replies
Aesthetic Tasnim
Collected
9 months ago | [YT] | 1
View 0 replies
Aesthetic Tasnim
Protest for Palestine in Bangladesh
#freepalestine #muslimah #freegaza
#marchforpalestine #march_for_gaza
Collected
10 months ago (edited) | [YT] | 3
View 0 replies
Load more