Life and colour in Germany

Life and colour in Germany.
Email: lifeandcoloringermany@gmail.com


You can join my WhatsApp channel
in this link -
chat.whatsapp.com/EGcrZ37PoFELQkP7Ywq8Ja


Life and colour in Germany

“আমি তো নিয়ম করে দুধ খাই।
তবু হাঁটুতে ব্যথা, কোমরে ভর নেই। এটা কীভাবে হয়?”👇

এই প্রশ্নটা আমি গত কয়েক বছরে এতবার শুনেছি যে এখন আর অবাক হই না।
বরং প্রতিবারই মনে হয়, আমরা সবাই একটা খুব পরিচিত ভুল বিশ্বাসের ভেতরে আটকে আছি।

একজন রোগীর কথা বলি।

মিরপুরের একজন ভদ্রলোক। বয়স বায়ান্ন।
স্কুলে পড়ুয়া নাতি আছে।
নিজের কথায়,
“হাড় তো এখনই বাঁচাতে হবে।”

তার সকাল শুরু হয় এক গ্লাস দুধ দিয়ে।
কারণ ছোটবেলা থেকে তিনি যেটা শুনে এসেছেন,
দুধ খেলেই হাড় মজবুত হয়।

কিন্তু বাস্তবতা অন্য কথা বলছিল।

তার এক্সরে রিপোর্টে ধরা পড়ল,
অস্টিওপোরোসিসের শুরু।

রিপোর্ট হাতে নিয়ে তিনি শুধু একটাই কথা বললেন,
“ডাক্তার, আমি তো কোনোদিন দুধ বাদ দিইনি।”

এই জায়গাটাতেই গল্পটা একটু ঘুরে যায়।

আমরা যেটাকে এতদিন সত্য বলে মেনে নিয়েছি,
সেটা কি সত্যিই বিজ্ঞানসম্মত?

একটু ভাবুন তো।

প্রকৃতিতে কোনো পূর্ণবয়স্ক স্তন্যপায়ী প্রাণী কি মায়ের দুধ খায়?
না।

শুধু মানুষই ব্যতিক্রম।
আর তাও নিজের প্রজাতির দুধ না, গরুর দুধ।

এই প্রশ্নটা আমরা খুব কমই করি।

অনেকেই বলেন,
“দুধে তো ক্যালসিয়াম আছে।”

হ্যাঁ, আছে।
কিন্তু আসল প্রশ্ন হলো,
সেই ক্যালসিয়াম শরীর কতটা ব্যবহার করতে পারে?

দুধের সাথে আসে ল্যাকটোজ।
আসে এমন কিছু প্রোটিন,
যেগুলো অনেক মানুষের শরীরে ইনফ্লেমেশন বাড়ায়।

ফলে হজমে সমস্যা হয়।
ক্যালসিয়াম থাকলেও শোষণ ঠিকমতো হয় না।

অন্যদিকে,
আমাদের পরিচিত সবুজ শাক
পালং শাক
লাল শাক
সরিষা শাক

এই খাবারগুলো থেকে শরীর অনেক সহজে ক্যালসিয়াম নিতে পারে।

কিন্তু দুধ কোম্পানির বিজ্ঞাপনে এসব কথা খুব একটা শোনা যায় না।

আরেকটা অস্বস্তিকর সত্য আছে।

যেসব দেশে দুধ খাওয়ার হার সবচেয়ে বেশি,
সেখানেই হিপ ফ্র্যাকচার আর অস্টিওপোরোসিসের হারও বেশি।

শুনতে অদ্ভুত লাগে, জানি।
কারণ এই কথাটা আমরা এতদিন শুনতেই চাইনি।

দুধে প্রাকৃতিক ভিটামিন ডি নেই।
অথচ হাড়ের জন্য এই ভিটামিনটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

সূর্যের আলো
শরীরের নড়াচড়া
পেশির কাজ

এসব ছাড়া শুধু দুধ খেয়ে হাড় মজবুত করার চিন্তা আসলে অসম্পূর্ণ।

এই প্রসঙ্গে একটা বইয়ের কথা মনে পড়ে।

Whitewash
The Disturbing Truth About Cow’s Milk and Your Health

এই বইটা পড়লে বোঝা যায়,
কীভাবে একটা ধারণা ধীরে ধীরে এমনভাবে গড়ে তোলা হয়েছে,
যেন সেটাই একমাত্র সত্য।

আমি এখানে কাউকে দুধ খেতে মানা করতে আসিনি।
আবার জোর করে খেতে বলতেও না।

আমি শুধু একটা প্রশ্ন রেখে যেতে চাই।

আপনি যেটাকে আজীবন হাড়ের বন্ধু ভেবে এসেছেন,
সেটা কি সত্যিই আপনার হাড়ের কথা ভেবেই এসেছে?

নাকি আমরা সবাই কখনো প্রশ্ন না করেই
একটা গল্প বিশ্বাস করে নিয়েছি?

ভাববার মতো প্রশ্ন, তাই না?

❤️ যদি এই লেখাটা পড়ে আপনার নিজের জীবন, বা কাছের কারও কথা মনে পড়ে যায়—তাহলে পোস্টটা শুধু পড়েই রাখবেন না।
👍 ভালো লাগলে Like দিন
💬 আপনার অনুভূতিটা Comment-এ লিখুন
📤 আর Share করে দিন—হতে পারে এই লেখাটাই কারও নতুন করে বাঁচার কারণ খুঁজে পাওয়ার শুরু হবে।
✨ কখনো কখনো একটা Share-ই কারও জীবনের সবচেয়ে দরকারি ওষুধ হয়ে ওঠে।

DR. A. R. M. JAMIL
Career Milestones and Experiences in-
MBBS (Dhaka-SSMC), BCS (Health-Ex).
CFNMP (American Academy of Functional Health)-USA.
Functional, Bio-Hormonal, and
Metabolic Medicine from FMMA-INDIA.
CCD (BIRDEM), DHMS (Homeopathy).
Fellowship Training and Course in Pediatrics.
Certified Functional and Integrated Medicine Consultant.

🏣 চেম্বার ঠিকানা:
ইন্টিগ্রেটেড মেডিকেয়ার ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসালটেশন সেন্টার, ১৭৮-১৭৯, টু-স্টার টাওয়ার (২য় ও ৯ম তলা-IFIC বিল্ডিং) (সরকারী বিজ্ঞান কলেজ থেকে রেল গেট আসতে হাতের ডানে), পূর্ব তেজতুরি বাজার, ফার্মগেট তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫

যেকোনো ধরণের স্বাস্থ্য বিষয়ক কনসাল্টেশন ও পুষ্টিবিদের পরামর্শ পেতে কল করুনঃ
📞+88 09639187187 (হটলাইন)
📞+8801708091918 (হোয়াটসঅ্যাপ)
(সকাল ৮ টা থেকে রাত ১১ টার মধ্যে ফোন দিবেন)

#DrArmJamil #DrJamil #FunctionalMedicine #NaturalMedicine #IntegratedMedicare

6 days ago | [YT] | 0

Life and colour in Germany

বসে থাকার অভ্যাস কি আপনার ডিপ্রেশনের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে?

ল্যাপটপ, মোবাইল, টিভি—দিনের বেশিরভাগ সময় কেটে যায় চেয়ারে বসে বা শুয়ে।

মন ভারি লাগা, অকারণে মন খারাপ, কাজে মন বসছে না, এর পেছনে বড় কারণ হতে পারে অলস ও বসে থাকা জীবনযাপন।

বেশি বসে থাকলে কেন মন খারাপ বাড়ে?

একটানা অনেকক্ষণ বসে থাকলে আমাদের মস্তিষ্ক যেন ‘স্লিপ মোড’-এ চলে যায়।

শরীর নড়াচড়া না করলে-

➜ অলসতা বাড়ে

➜ নেতিবাচক চিন্তা মাথায় ঘুরতে থাকে

➜ ডিপ্রেশন ও এনজাইটির ঝুঁকি ধীরে ধীরে বেড়ে যায়

গবেষণায় দেখা গেছে, অলস জীবনযাপন বা 'সিডেন্টারি লাইফস্টাইল' ডিপ্রেশন ও এনজাইটির ঝুঁকি কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়।

🚶‍♂️ মাত্র ১৫ মিনিটের হাঁটা কীভাবে মন ভালো করে দেয়?

হাঁটা মানে শুধু ব্যায়াম না
এটা আপনার মনের জন্য এক ধরনের রিসেট বাটন।

দিনে মাত্র ১৫ মিনিট হাঁটলে-

➜ হ্যাপি হরমোন বাড়ে

হাঁটার সময় শরীরে এন্ডোরফিন ও ডোপামিন তৈরি হয়,
যা স্বাভাবিকভাবেই মন ভালো করে দেয়।

➜ চিন্তা পরিষ্কার হয়

ঘরের বাইরে গেলে চোখ ও মন নতুন পরিবেশ পায়।
ফলে মাথার ভেতরের জট খুলতে শুরু করে, মন হালকা লাগে।

➜ স্ট্রেস কমে

খোলা বাতাস ও প্রাকৃতিক আলো শরীরের কর্টিসল (স্ট্রেস হরমোন) কমাতে সাহায্য করে।

✅ কীভাবে সহজভাবে শুরু করবেন?

জিমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটানোর দরকার নেই।
মেন্টাল হেলথ ভালো রাখতে ছোট ছোট অভ্যাসই সবচেয়ে কাজের।

✔ হাঁটার সময় ফোন দূরে রাখুন:

চারপাশ দেখুন, শ্বাস নিন, এটাই ছোট্ট এক ধরনের মেডিটেশন।

✔ কাজের ফাঁকে ব্রেক নিন:

একটানা ১ ঘণ্টা বসে কাজ করলে,
৫–১০ মিনিট হাঁটাহাঁটি করুন ঘরের ভেতর বা বারান্দায়।

✔ বিকেলের আলো উপভোগ করুন:

বিকেলের নরম রোদে ১৫ মিনিট হাঁটা
মন ভালো রাখার পাশাপাশি ঘুমের সমস্যাও কমায়।

যখন মন খুব ভারি লাগবে,
কোনো কাজে মন বসবে না,
তখন জোর করে বসে না থেকে হাঁটাহাঁটি করুন।

এই ১৫ মিনিটের হাঁটা আপনার
সারাদিনের সবচেয়ে ভালো সময় হয়ে উঠবে।

শরীর নড়াচড়া করলে মনও ধীরে ধীরে ভালো হতে শুরু করে।

2 weeks ago | [YT] | 1

Life and colour in Germany

আপনার কি মনে হয় ব্যায়াম শুধুই ওজন কমানোর জন্য?
যদি তাই ভেবে থাকেন তবে আপনি বড় ভুল করছেন। বিশেষ করে আপনি যদি একজন নারী হন।

পুরুষ এবং নারীর শরীর এক নিয়মে চলে না। একজন পুরুষের হরমোন তুলনামূলক স্থির থাকে। কিন্তু একজন নারীর শরীর প্রতিদিন, প্রতি মুহূর্তে একটি যুদ্ধক্ষেত্রের মতো। ইস্ট্রোজেন, প্রোজেস্টেরন, কর্টিসলের মতো হরমোনগুলো প্রতি মাসে ওঠানামা করে। এই হরমোনের ঝড়ের কারণেই আপনার মুড সুইং হয়, বিনা কারণে বিষন্ন লাগে, আবার হঠাৎ রেগে যান।

এই হরমোনাল রোলার-কোস্টারকে শান্ত করার একমাত্র প্রাকৃতিক উপায় হলো ব্যায়াম। এটি নারীর শরীরের জন্য কোনো সাধারণ কাজ নয়, এটি রীতিমতো ওষুধের মতো কাজ করে।

কেন ব্যায়াম না করলে আপনার জীবন ঝুঁকিতে পড়বে, তার কারণগুলো জানুন:
১. হাড়ের ক্ষয় ও ভবিষ্যৎ পঙ্গুত্ব:
সবচেয়ে ভয়ের কথা হলো, পুরুষদের তুলনায় নারীদের হাড় দ্রুত দুর্বল হয়। ৩০ থেকে ৪০ বছর বয়স পার হওয়ার সাথে সাথেই আপনার হাড়ের ঘনত্ব কমতে শুরু করে। এখন যদি ব্যায়াম না করেন, তবে বয়সকালে অস্টিওপোরোসিস, হাঁটু ব্যথা এবং কোমর ব্যথায় ভুগতে হবে। ভারোত্তোলন বা ওয়েট এক্সারসাইজ আপনার হাড়কে মজবুত রাখে, যা কোনো ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট একা করতে পারবে না।

২. জেদি পেটের চর্বি এবং ডায়েটের ব্যর্থতা:
নারীদের শরীরে প্রাকৃতিকভাবেই তলপেটে চর্বি জমার প্রবণতা থাকে। অনেকেই শুধু না খেয়ে বা কঠোর ডায়েট করে এই চর্বি কমাতে চান। কিন্তু এতে হিতে বিপরীত হয়। জেকে লাইফস্টাইলে আমরা সবসময় বলি, শুধু ডায়েট শরীরের জন্য যথেষ্ট নয়। ব্যায়াম না করলে ইনসুলিন সেনসিটিভিটি বাড়ে না, আর পেটের ভেতরের ক্ষতিকর চর্বিও গলে না। শুধু ডায়েট আপনাকে দুর্বল করবে, কিন্তু ব্যায়াম আপনাকে ভেতর থেকে ফিট করবে।

৩. মানসিক প্রশান্তি ও আত্মবিশ্বাস:
মেয়েরা মানসিকভাবে বেশি সংবেদনশীল। সংসারের চাপ, কর্মক্ষেত্রের চাপ সব মিলিয়ে উদ্বেগ আর বিষণ্নতা ঘিরে ধরে। ব্যায়াম আপনার মস্তিষ্কে এমন কিছু রাসায়নিক নিঃসরণ করে যা প্রাকৃতিকভাবেই আপনার মন ভালো রাখে, ঘুম ভালো করে এবং আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। এটি আপনার জন্য সেরা থেরাপি।

৪. জীবনের বিভিন্ন ধাপের সুরক্ষা:
গর্ভধারণ থেকে শুরু করে মেনোপোজ পর্যন্ত নারীর শরীর বিশাল পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যায়। এই ধকলগুলো সামলাতে শরীরকে প্রস্তুত করার একমাত্র উপায় নিয়মিত ব্যায়াম। এটি হরমোনজনিত জটিলতার ঝুঁকি কমায়।

Muhammad Jahangir Kabir জেকে লাইফস্টাইল যা বলে:
আমরা জেকে লাইফস্টাইলে বিশ্বাস করি সুস্থতা একটি সামগ্রিক প্রক্রিয়া। এটি কেবল রোগমুক্ত থাকা নয়, বরং শারীরিক ও মানসিকভাবে শক্তিশালী থাকা। নারীদের ক্ষেত্রে হরমোনের ভারসাম্য রক্ষা করাই সুস্থতার মূল চাবিকাঠি। জেকে লাইফস্টাইলের মূল দর্শন হলো, সঠিক খাদ্যাভ্যাসের সাথে নিয়মিত ব্যায়ামকে জীবনের অংশ করে নেওয়া। ব্যায়ামকে আমরা কোনো অপশন মনে করি না, এটি শরীরের জন্য অক্সিজেনের মতোই প্রয়োজনীয়। যখন আপনি ব্যায়াম করেন, তখন আপনি নিজের শরীরের ওপর নিয়ন্ত্রণ ফিরে পান, যা আপনার মনের জোর বাড়িয়ে দেয়।
শেষ কথা:
মনে রাখবেন, পুরুষদের জন্য ব্যায়াম হয়তো পারফরম্যান্স বাড়ানোর উপায়, কিন্তু মহিলাদের জন্য ব্যায়াম হলো সুরক্ষা কবচ, শারীরিক ভারসাম্য আর আত্মমর্যাদা বজায় রাখার মূল অস্ত্র।

নিজের সৌন্দর্য, স্বাস্থ্য এবং দীর্ঘ কর্মক্ষম জীবনের জন্য আজ থেকেই ব্যায়াম শুরু করুন। অজুহাত বাদ দিন, নিজের শরীরের যত্ন নিন। — with Nazia Islam Ovi and 8 others.

2 weeks ago | [YT] | 0

Life and colour in Germany

💊 Daily Supplement Plan

📍 Now (Sept–Dec: Recovery Phase)

👉 Goal: Recover from miscarriage, rebuild strength, prepare body
• Morning (with breakfast):
• Prenatal vitamin with Iron + 800 mcg Folic Acid
• Vitamin D3 (2000 IU)
• Omega-3 capsule
• Afternoon (with lunch):
• Vitamin E (if your doctor prescribed)
• Night (after dinner):
• Magnesium (helps relax muscles & sleep)

📍 From January (Pre-Conception Phase)

👉 Goal: Improve egg quality, prepare for pregnancy
• Morning (with breakfast):
• Decaren (CoQ10 200 mg) – 1 capsule
• Prenatal with Iron + Folic Acid
• Vitamin D3 (2000 IU)
• Omega-3
• Afternoon (with lunch):
• Decaren (CoQ10 200 mg) – 1 capsule
• Vitamin E (if advised)
• Night (after dinner):
• Decaren (CoQ10 200 mg) – 1 capsule
• Folinic 5 – 1 tablet
• Magnesium

✅ Important Tips
• Always take CoQ10, Omega-3, Vitamin D, Vitamin E with food (fat helps absorption).
• Magnesium works best at night → relaxes body & improves sleep.
• Prenatal with iron may cause constipation → drink water, eat fiber (vegetables, flaxseed, chia).
• Don’t add extra supplements unless doctor approves.

1 month ago | [YT] | 0

Life and colour in Germany

„Frohe Weihnachten für dich und deine Familie!“

1 month ago | [YT] | 1

Life and colour in Germany

✨ Christmas Magic in Germany ✨
Erlebe die festliche Stimmung, Lichter und Traditionen!
🎄💫 Wenn du solche Weihnachtsmomente liebst, abonniere meinen Kanal für mehr magische Videos.
#Weihnachtsmarkt #germany #christmas #holiday #Magic #Festive

youtube.com/shorts/dfMtGdNUqq...

2 months ago | [YT] | 0

Life and colour in Germany

B2 Hören Test
Übungstest 1 – Deutsch für den Beruf!
Jetzt anhören und mitlernen:
👉 https://youtu.be/CQiSFt5o9UI?si=iY3To...

Viel Glück 🍀 beim Üben!
Wenn dir das hilft, abonniere den Kanal für mehr TELC-Übungen & teile es mit anderen Deutschlernenden!

#TELC #B2
#DeutschFürDenBeruf
#TELCÜbungstest
#DeutschHören
#B2Deutsch
#GermanListeningPractice

3 months ago | [YT] | 1

Life and colour in Germany

Under the Klimaschutzgesetz (Climate Action Act), the country targets a 65% emissions reduction by 2030 (vs 1990) and full climate neutrality by 2045.

3 months ago | [YT] | 1

Life and colour in Germany

লিপিড প্রোফাইল টেস্ট কি ?



এটা হচ্ছে সোজা বাংলায় কোলেস্টেরল টেস্ট। তিন ধরণের কোলেস্টেরল চেক করা হয় এই টেস্টে।



HDL - high-density lipoprotein . ঘণ চর্বি (সোজা বাংলায়)

LDL - ligh-density lipoprotein বা সোজা বাংলায় পাতলা চর্বি।

triglycerides - ট্রাইগ্লিসারাইড



ঘণ চর্বি বেশি থাকলে ভালো। পাতলা চর্বি বেশি থাকা খারাপ। ট্রাইগ্লিসারাইড বেশি থাকা আরো খারাপ।



HDL বা ঘণ চর্বি থাকে পরিমিত পরিমান ঘিয়ে, বাদামে, ওমেগা ত্রি যুক্ত ডিম, ফ্যাটি এসিড বিশিষ্ট মাছ (তৈলাক্ত মাছ)



LDL বা পাতলা চর্বি বাড়ে বিভিন্ন ভাঁজা পোড়া, ফাস্ট ফুড (পিজ্জা, বার্গার শর্মা ইত্যাদি), ট্রান্সফ্যাট বিশিষ্ট খাবার খেলে। ট্র্যান্স ফ্যাট থাকে সয়াবিন তেলে। তাই এই তেলে রান্না করা খাবার খাওয়া ঠিক না। সরিষার তেল ব্যবহার করুন।



HDL এবং LDL সম্পর্কে এগুলা হয়তো অনেকেই জানেন, তাই আর বিস্তারিত বললাম না।



বিস্তারিত বলব ট্রাইগ্লিসারাইড নিয়ে। এটা কি ? এটা হচ্ছে এমন একটা ফ্যাট যেটা শরীরের থাকা অতিরিক্ত চিনি বা শর্করা জমিয়ে রাখে যদি তা ব্যবহৃত না হয়।



তাই, আপনি যেই ভাত খাচ্ছেন, মিষ্টি খাচ্ছেন, কেক, বিস্কিট চানাচুর ইত্যাদি খাচ্ছেন, এগুলার মাধ্যমে যেই ক্যালরি নিচ্ছেন (চিনি, শর্করা এগুলা সবই ক্যালরি), চিন্তা করে দেখুন তো সেই পরিমাণ কাজ কি আমরা আসলেই করি ? উত্তর হচ্ছে, না। আমরা বেশিরভাগই ডেস্কজব করি, কিংবা হোমমেকিং করি। অথব আমরা যেই পরিমানে খাই, সাধারণত রিকশা টানা বা কৃষিকাজ বা কুলির কাজ করা ছাড়া এই এনার্জি ব্যয় করা সম্ভব না।



ট্রাইগ্লিসারাইড কেন বেশি খারাপ

ট্রাইগ্লিসারাইড শরীরের অতিরিক্ত ক্যালরির স্টোরেজ ফ্যাট, যা মূলত ফ্যাট সেল ও লিভারে জমে। লিভারে জমে হলে ফ্যাটি লিভার হয়। আর রক্তে বেশি ট্রাইগ্লিসারাইড থাকলে তা LDL কণার মাধ্যমে ধমনীর দেয়ালে প্লাক জমায়, যা হার্ট ব্লক ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই স্বাভাবিক সীমার বাইরে যেতে দেয়া যাবে না। ট্রাইগ্লিসারাইডেক অতিরিক্ত মাত্রা HDL কমায় এবং LDL বাড়ায়।



পরিমিত মাত্রা কতটুকু ?

১৫০ এর কম থাকলে তা পরিমিত।

১৫০-১৯৯ এর মধ্যে থাকলে তা বর্ডারলাইন হাই। এতে ভবিষ্যতে হার্ট ও ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি বাড়তে শুরু করে (আল্লাহ না করুন)

২০০-৪৯৯ঃ হাই। হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক, ফ্যাটি লিভার ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বেশি।

৫০০ এর উপরেঃ খুবই বেশি। প্যানক্রিয়াটাইটিস, মারাত্মক হার্ট ও লিভার সমস্যা হতে পারে।



ট্রাইগ্লিসারাইড কমাতে কার্যকরী খাবারঃ

• গ্রিন টি

• মেথি বীজ

• ফ্ল্যাক্সসিড

• রসুন

• পেয়াজ

• কালিজিরা (সীমিত পরিমাণে)

• শাকসবজি:

• শাক (পালং, লাল শাক, পুঁই শাক), সবুজ শাকসবজি, বরবটি, করলা, লাউ, মুলা, শসা, ফুলকপি, বাঁধাকপি), গাজর, বেগুন, কুমড়া

• ফল (সীমিত পরিমাণে)ঃ কমলা, মাল্টা, আপেল, পেয়ারা, জাম, বেরি জাতীয় ফল, কলা ও আম সীমিত, কারণ এগুলোতে চিনি বেশি।

• প্রোটিনঃ মাছ (বিশেষ করে নদীর ছোট মাছ, ইলিশ/রুই/কাতলা তেলে ভেজে নয়, সেদ্ধ/ঝোল/গ্রিল), মুরগির বুকের মাংস (চামড়া ছাড়া), ডাল, ছোলা, মসুর, ডিমের সাদা অংশ

• তেল: সীমিত পরিমাণে অলিভ অয়েল, সরিষার তেল বা সয়াবিন তেল। দিনে মোট ২–৩ চামচের বেশি তেল খাবেন না

• কার্বোহাইড্রেট (শর্করা): লাল চাল/আটা/ওটস/ডালিয়া, ব্রাউন ব্রেড (সীমিত)

• আর প্রচুর পানি খাবেন।

• বাদাম খাবেন (কাঠ বাদাম, আখরোট) তবে পরমানমত।


যা এভয়েড করবেনঃ

• ভাজা-পোড়া খাবার (সিঙ্গারা, সমুচা, পুরি, পরোটা, ফাস্টফুড)

• ঘি, মাখন, কেক, বিস্কুট, চকলেট, চানাচুর

• লাল মাংস (গরু, খাসি)

• চিনিযুক্ত খাবার (মিষ্টি, আইসক্রিম, কোমল পানীয়, মিষ্টি দুধ, কেক)

• বেশি চাল, আলু, নুডলস, পাস্তা

• ধুমপান (যদি কেউ খান, সম্পূর্ণ বন্ধ করতে হবে)



আরেকটা কথা, অনেকেই ডায়েটিং করে জিরো ফিগার করে ফেলেন। শরীরের মাংস চর্বি কিছুই থাকে না। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, ওজন অনুযায়ী শরীরে মাংস থাকা কিন্তু ভালো। কারণ, আপনি যদি অতিরিক্ত চিনি/কার্ব ইনটেক করেন, তবে অতিরিক্ত চিনি লিভার বা ধমনীতে জমার আগেই রক্তের মাধ্যমে মাংস তা নিজের মধ্যে শুষে নেয়। ফলে লিভারে জমার জন্য এক্সট্রা চিনি আর অবশিষ্ট থাকে না বা কম থাকে। (অবশ্যই মাংসের একটা ধারণক্ষমতা আছে, চিনির লিমিট তার বাইরে গেলে তা লিভারে জমবে)



এছাড়া

• সাইক্লিং, সাতার, ব্যায়াম, ফুটবল বা অন্যান্য খেলাধুলা

• প্রতিদিন ৩০–৪৫ মিনিট হাঁটা

• ওজন নিয়ন্ত্রণ (যদি বেশি থাকে)

• রাতে দেরি করে খাওয়া কমান

• নিয়মিত ঘুম (৬–৮ ঘণ্টা)



পরিশেষে বলতে চাই, রোগ ধরা পড়ার আগে সচেতনতাই কাম্য। কারণ, প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম।

4 months ago (edited) | [YT] | 0

Life and colour in Germany

“Big NO List” of foods and habits that can hurt egg quality and increase miscarriage risk.

🚫 Big NO Foods for Egg Quality & Fertility

❌ Processed & Sugary Foods
• White bread, pastries, cakes, cookies
• Soft drinks, sweetened juices
• Candy & chocolate with lots of sugar
👉 Reason: Causes insulin spikes, hormone imbalance, and oxidative stress.

❌ Trans Fats & Deep-Fried Foods
• Margarine, fast food fries, fried chicken, chips
• Packaged snacks with “hydrogenated oil”
👉 Reason: Damages cell membranes of eggs, raises inflammation.

❌ Too Much Caffeine
• More than 1 cup of coffee / 200 mg caffeine daily
• Strong black tea, energy drinks
👉 Reason: High caffeine linked with lower fertility and miscarriage risk.

❌ Alcohol
• Beer, wine, liquor
👉 Reason: Directly damages egg DNA and hormone balance.

❌ Smoking (including passive smoke)

👉 Reason: Strongly reduces egg reserve and damages DNA.

❌ Processed & Red Meat (too much)
• Sausages, bacon, salami
• Too much beef/pork
👉 Reason: Increases oxidative stress, not good for egg quality.

❌ Plastic & Toxin Exposure
• Avoid heating food in plastic containers (BPA leaks into food).
• Limit pesticides → wash fruits & vegetables well.
👉 Reason: These chemicals disrupt hormones.

⚠️ Foods to Limit (not fully avoid, just keep moderate)
• White rice, pasta, potatoes → better to switch to whole grains.
• High-mercury fish → swordfish, shark, king mackerel, big tuna (choose salmon, sardines, trout instead).
• Full-fat fried fast foods → rare treats only.

✅ Golden Rule:
• Eat whole, fresh, colorful foods.
• Avoid packaged, fried, sugary, chemical-rich foods.

Would you like me to prepare a visual “YES & NO Food Chart” (in PDF, easy to print and stick in the kitchen) so you always have a reminder at home?

4 months ago | [YT] | 1