ভৌতিক গল্প একটি ভৌতিক বাংলা ছোটগল্প দিচ্ছি, নাম "নির্জন হাওর":
নির্জন হাওর
বর্ষাকাল ছিল। রফিক চাচা তখন সদ্য বদলি হয়ে এসেছেন সুনামগঞ্জের এক হাওরপাড়ের ছোট্ট থানা ভবনে। থানাটা একটু পুরনো, খরখরে দেয়াল, টিনের ছাদ, আর পাশে বিশাল হাওর—যা বর্ষায় রাক্ষসের মতো বিস্তৃত হয়ে যায়।
স্থানীয়রা বলত, "এই থানার পেছনের ঘরটা শুয়োরেও ঢুকতে চায় না!" রফিক চাচা এসব কুসংস্কারে বিশ্বাস করতেন না। তাই তিনি ব্যারাক না নিয়ে থানার পেছনের পুরনো কোয়ার্টারেই উঠে গেলেন।
প্রথম রাতেই অদ্ভুত কিছু ঘটলো।
রাত দুইটার দিকে হঠাৎ দরজা কড় কড় করে খুলে গেল। জানালার পর্দা যেন কারো হাতেই উড়ছিল। বাতাস না থাকলেও সে আওয়াজে একটা অদ্ভুত কাঁপুনি ছিল।
তারপর—চাচা শুনলেন... "আমারে ফিরায়া দে... আমারে ফিরায়া দে..." একটা নারীকণ্ঠ... মাটি থেকে যেন উঠে আসছে।
রফিক চাচা সাহস করে টর্চ নিয়ে বের হলেন। কিচ্ছু নেই। কেবল দরজার সামনে কাদা আর রক্তের দাগ।
পরদিন সকালে থানার পুরনো কর্মচারী কালাম এসে বলল, "স্যার, ঐ কোয়ার্টারে ২০ বছর আগে একজন নার্স থাকতো—মণি। পানিতে ডুবে মরে। তবে গুজব আছে, তার স্বামী তাকে ঠেলে ফেলে দিয়েছিল হাওরে। এরপর থাইকা... ওর আর রেহাই নাই।"
চাচা হেসে উড়িয়ে দিলেও, রাত নামলে আবার সেই আওয়াজ— "আমারে ফিরায়া দে..."
তৃতীয় রাতে দরজা বন্ধ থাকা অবস্থায় চাচার ঘরের মেঝেতে দেখা গেল জলের রেখা, যেন কেউ হাঁটছে। চাচা যেদিকে টর্চ ফেলেন, সেদিকে কিছু নেই। কিন্তু পেছনে... আয়নায় দেখা গেল একটা ভেজা শাড়ি পরা মহিলা তাকিয়ে আছে, চোখে খালি পানির ছায়া।
সে রাতে রফিক চাচা আর থাকতে পারেননি। থানার অন্য কনস্টেবলরা সকালে এসে খালি ঘর পেল—চাচার সব জিনিস ঠিকঠাক, শুধু জানালার পাশে ভেজা একজোড়া পায়ের ছাপ।
AAMAR CHOKHE আমার চোখে
ভৌতিক গল্প
একটি ভৌতিক বাংলা ছোটগল্প দিচ্ছি, নাম "নির্জন হাওর":
নির্জন হাওর
বর্ষাকাল ছিল। রফিক চাচা তখন সদ্য বদলি হয়ে এসেছেন সুনামগঞ্জের এক হাওরপাড়ের ছোট্ট থানা ভবনে। থানাটা একটু পুরনো, খরখরে দেয়াল, টিনের ছাদ, আর পাশে বিশাল হাওর—যা বর্ষায় রাক্ষসের মতো বিস্তৃত হয়ে যায়।
স্থানীয়রা বলত, "এই থানার পেছনের ঘরটা শুয়োরেও ঢুকতে চায় না!"
রফিক চাচা এসব কুসংস্কারে বিশ্বাস করতেন না। তাই তিনি ব্যারাক না নিয়ে থানার পেছনের পুরনো কোয়ার্টারেই উঠে গেলেন।
প্রথম রাতেই অদ্ভুত কিছু ঘটলো।
রাত দুইটার দিকে হঠাৎ দরজা কড় কড় করে খুলে গেল। জানালার পর্দা যেন কারো হাতেই উড়ছিল। বাতাস না থাকলেও সে আওয়াজে একটা অদ্ভুত কাঁপুনি ছিল।
তারপর—চাচা শুনলেন... "আমারে ফিরায়া দে... আমারে ফিরায়া দে..."
একটা নারীকণ্ঠ... মাটি থেকে যেন উঠে আসছে।
রফিক চাচা সাহস করে টর্চ নিয়ে বের হলেন। কিচ্ছু নেই। কেবল দরজার সামনে কাদা আর রক্তের দাগ।
পরদিন সকালে থানার পুরনো কর্মচারী কালাম এসে বলল,
"স্যার, ঐ কোয়ার্টারে ২০ বছর আগে একজন নার্স থাকতো—মণি। পানিতে ডুবে মরে। তবে গুজব আছে, তার স্বামী তাকে ঠেলে ফেলে দিয়েছিল হাওরে। এরপর থাইকা... ওর আর রেহাই নাই।"
চাচা হেসে উড়িয়ে দিলেও, রাত নামলে আবার সেই আওয়াজ—
"আমারে ফিরায়া দে..."
তৃতীয় রাতে দরজা বন্ধ থাকা অবস্থায় চাচার ঘরের মেঝেতে দেখা গেল জলের রেখা, যেন কেউ হাঁটছে।
চাচা যেদিকে টর্চ ফেলেন, সেদিকে কিছু নেই। কিন্তু পেছনে... আয়নায় দেখা গেল একটা ভেজা শাড়ি পরা মহিলা তাকিয়ে আছে, চোখে খালি পানির ছায়া।
সে রাতে রফিক চাচা আর থাকতে পারেননি। থানার অন্য কনস্টেবলরা সকালে এসে খালি ঘর পেল—চাচার সব জিনিস ঠিকঠাক, শুধু জানালার পাশে ভেজা একজোড়া পায়ের ছাপ।
.
7 months ago | [YT] | 0
View 0 replies
AAMAR CHOKHE আমার চোখে
লোকসভা ভোটে পশ্চিম বঙ্গে কোন দল সব থেকে বেশি ভোট পাবে বলে আপনার মনে হয়।
1 year ago | [YT] | 0
View 0 replies
AAMAR CHOKHE আমার চোখে
Bishnupur to tarakeswar rail line er কাজ কতটা এগোলো তার ভিডিও আসছে খুব শীঘ্রই।
3 years ago | [YT] | 1
View 0 replies