Ficus rumphii (পাকুড়) বনসাই পরিচর্যার জন্য পর্যাপ্ত সূর্যালোক, নিয়মিত জল, ভালো নিষ্কাশনযুক্ত মাটি এবং সঠিক সময়ে ছাঁটাই ও শাখা-প্রশাখা পরিবর্তন প্রয়োজন।
পরিচর্যার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়👉 ✅প্রথম করণীয় গাছের কান্ড মোটা করতে প্রথম ২ /৩ বছর বড় পাত্রে লাগিয়ে রাখতে হবে। প্রয়োজনে কিছু ব্রাঞ্চের উপর কাজ করা যেতে পারে। এরপর প্রতি বছর নতুন ব্রাঞ্চ আসলে ব্রাঞ্চের উপর কাজ করতে হবে।
✅সূর্যালোক বনসাইটিকে পর্যাপ্ত সূর্যালোক পেতে হবে, তবে সরাসরি প্রখর রোদ থেকে বাঁচানো উচিত।
✅জল দেওয়া মাটির আর্দ্রতা বজায় রাখা জরুরি। মাটি পুরোপুরি শুকিয়ে যাওয়ার আগেই জল দিতে হবে, তবে অতিরিক্ত জল দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
✅মাটি বনসাইয়ের জন্য ভালো নিষ্কাশন ব্যবস্থা সম্পন্ন মাটি ব্যবহার করতে হবে।
✅ছাঁটাই (Pruning) বনসাইয়ের আকার ঠিক রাখতে নিয়মিত ছাঁটাই করা প্রয়োজন। এতে গাছের বৃদ্ধিতে নিয়ন্ত্রণ আনা যায়।
✅মাটি পরিবর্তন সময়মতো মাটি পরিবর্তন করা গাছের জন্য উপকারী, কারণ এটি গাছের পুষ্টি এবং স্বাস্থ্যকর বৃদ্ধি নিশ্চিত করে।
✅প্রজাতি Ficus rumphii একটি বৃহদাকার উদ্ভিদ, তাই বনসাই হিসেবে এর সঠিক যত্ন নিলে এটি দেখতে খুব আকর্ষণীয় হয়।
✅অন্যান্য যত্ন শিকড় ছাঁটাই করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী গাছের ডালপালা বা শিকড় পরিবর্তন করার মাধ্যমে বনসাইটিকে সুন্দর রাখা যায়। এই পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করলে আপনি আপনার পাকুড় বনসাইকে সুস্থ ও সুন্দর রাখতে পারবেন।
হিউমিক অ্যাসিডের কাজ ও ব্যাবহার – উপকারীতা শুনে চমকে যাবেনঃ 😲 গাছে হিউমিক অ্যাসিডের কাজ: 👉 যথেষ্ট খাবার দেওয়া সত্ত্বেও কি গাছের গ্রোথ হচ্ছে না? মাটির টব পাল্টেও কি কোনো ফল মিলছে না? মাসের পর মাস একই রকমভাবে বসে আছে গাছ? এই সব প্রশ্ন যদি আপনাকে জর্জরিত করে, তাহলে এই পোস্টটি আপনার জন্য। আজকের পোস্টে এমন একটি খনিজ পদার্থের কথা বলবো, যার উপকারীতা শুনে চমকে যাবেন। টবে বা মাটিতে প্রয়োগ করলে, ফল মিলবে মাত্র দু’সপ্তাহে। গাছে হিউমিক অ্যাসিডের কাজ নামে অ্যাসিড হলেও, আসলে কিন্তু অ্যাসিড নয়। এটি প্রয়োগ করলে মাটি অ্যাসিডিক হবে না। এটি কোনো সার বা কীটনাশকও নয়, বরং বলা যায় গাছের ফিডিং বুস্টার, যা গাছের খিদে বাড়ায়। এর নাম হিউমিক অ্যাসিড, আজ এর সম্বন্ধে অনেক কিছু জানাবো আপনাদের। 👉 হিউমিক অ্যাসিড কি? হিউমিক অ্যাসিড হল- উদ্ভিদ এবং প্রাণীর মৃত্যুর দীর্ঘ সময় পর, তা থেকে জমা হওয়া বিশেষ প্রাকৃতিক উপাদান, কয়লার মতো জমা হয় খনিতে। গাছের শুকনো পাতা মাটিতে পড়ে পচতে শুরু করলে, হিউমাস তৈরি হয়। পাতা সহ বিভিন্ন জৈব পদার্থ পচে মাটির উপরে একটা কালো রঙের লেয়ার তৈরি করে, এই প্রক্রিয়াকে হিউমিফিকেশন বলে। হিউমাস মাটির 2 থেকে 10 ইঞ্চি গভীর পর্যন্ত থাকতে পারে। এই হিউমাস থেকেই মাটিতে যোগ হয় হিউমিক অ্যাসিড। 👉 গাছে হিউমিক অ্যাসিডের ব্যাবহার➝ সব রকম ফসল বা গাছে দেওয়া যায় হিউমিক অ্যাসিড। জমিতে চাষের ক্ষেত্রে- বীজ বোনার সময় বা ফসল লাগানোর 20-25 দিনের মধ্যে এটি ব্যবহার করলে, ফল পাওয়া যায় সব থেকে ভালো। টবের গাছ বা বড় গাছের ক্ষেত্রে যেকোনো সময় এটা ব্যবহার করা যায়। 👉 হিউমিক অ্যাসিডের কার্যপ্রণালী➝ হিউমিক অ্যাসিড নিজে থেকে কোনো খাদ্যগুণ বা পুষ্টিগুণ গাছকে জোগাতে পারে না। এটি সেখানেই কাজ করতে পারে, যেখানে আগে থেকে সার বা জৈবিক খাবার আছে। যেসব গাছ অণুখাদ্যের অভাব জনিত কারণে ধুঁকছে, গাছের পাতা হলুদ হয়ে যাচ্ছে, সেগুলিতে ভালো কাজ করে। হিউমিক অ্যাসিড গাছের শিকড়কে জল ও পুষ্টি গ্রহণ করতে সাহায্য করে। অবিশ্বাস্যভাবে ফলন বাড়ায় হিউমিক অ্যাসিড। 👉 গাছে হিউমিক অ্যাসিডের উপকারীতা➝ হিউমিক অ্যাসিডের উপকারিতাকে পাঁচটি প্রধান ভাগে ভাগ করা যেতে পারে- 👉ফিজিকাল বা শারীরিক উপকারীতা➝ মাটির গঠনগত চরিত্র পরিবর্তন করে, ড্যামেজ মাটি রিপেয়ার করে। কমপ্যাক্ট মাটিকে হালকা ও ঝুরঝুরে করে, বেলে মাটির মধ্যে জল ও পুষ্টিগুণের পরিমাণ বাড়ায়, মাটির জল ধরে রাখার ক্ষমতা বাড়াতে পারে, খরার মতো প্রতিকূল পরিবেশেও গাছকে, মাটি থেকে জল ও খাবার পেতে সাহায্য করে হিউমিক অ্যাসিড। এটি মাটিকে কালো করে, যার ফলে বেশি করে সূর্যের আলো গ্রহণ করতে পারে মাটি। 👉কেমিক্যাল বা রাসায়নিক উপকারীতা➝ মাটির মধ্যে থাকা অ্যাসিড ও ক্ষারের ভারসাম্য রক্ষা করে, পিএইচ মাত্রা ঠিক রাখে হিউমিক অ্যাসিড। গাছের ক্লোরোফিল তৈরির অন্যতম প্রধান উপকরণ হল আয়রন৷ এই আয়রন গ্রহণে গাছকে ভীষণভাবে সাহায্য করে এটি। কোনো কারণে মাটির মধ্যে টক্সিক পরিবেশ তৈরি হলে, তা কমাতে সাহায্য করে। মাটিতে যে পরিমাণ সার দেওয়া হয়, তার সবটা কিন্তু গাছ গ্রহণ করতে পারে না। মোটামুটি ভাবে 50% খাবার খেতে পারে গাছ। কিছুটা জলের সঙ্গে বেরিয়ে যায়, আর বাকিটা বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে মাটির মধ্যে লক হয়ে যায়। হিউমিক অ্যাসিড প্রয়োগ করলে, মাটির মধ্যে আটকে যাওয়া খাবারও গাছ গ্রহণ করতে পারে। 👉বায়োলজিক্যাল বা জৈবিক উপকারীতা➝ বীজের অঙ্কুরোদগম ও তার কার্য ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, ফুল ও ফলের মান বাড়ায় হিউমিক অ্যাসিড। মাটির মধ্যে যেসব উপকারী জীবানু থাকে, সেগুলির বংশ বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। রোগ ও পোকা-মাকড়ের বিরুদ্ধে গাছের প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলে। মাটির গভীরে মূল ও শিকড়ের বৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করে। খাদ্য মূল বৃদ্ধি করে, গাছের ডাল-পালা তৈরিতে সাহায্য করে। যত খাদ্য মূল বৃদ্ধি হবে, গাছ তত খাদ্য গ্রহণ করতে পারবে। 👉ইকোনমিক্যাল বা অর্থনৈতিক উপকারীতা➝ কেবলমাত্র সার প্রয়োগ করে, কোনো ফসলের সর্বোচ্চ ফলন পাওয়া যায় না। তারজন্য জৈবিক পদার্থ ও হিউমিক অ্যাসিড খুবই প্রয়োজন। সারের ব্যাবহার 30% পর্যন্ত কমিয়ে দেয় হিউমিক অ্যাসিড, সঙ্গে ফুল-ফল 70% পর্যন্ত বাড়িয়ে দেয়। মাটির জল ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি করায়, জলের খরচ কম হয়। ইকোলজিক্যাল বা পরিবেশগত উপকারীতা:- রাসায়নিক সারের ব্যবহার কম হয় বলে, জল দূষণ কম হয়। টব বা পটে অতিরিক্ত জল প্রয়োগের সময় খনিজ উপাদান, জলের সঙ্গে বেরিয়ে যেতে পারে না। অর্থাৎ খনিজ উপাদানের অপচয় রোধ করে। মাটির ক্ষয় রোধ করে হিউমিক অ্যাসিড । 👉 হিউমিক অ্যাসিড ব্যাবহারের নিয়ম➝ বাজারে তিন রকমের হিউমিক অ্যাসিড পাওয়া যায় – দানা, পাউডার ও তরল আকারে। ব্যাবহার করাও যায় তিনভাবে। দানা, পাউডার বা লিকুইড জলে গুলে গাছে দেওয়া যায়। দানা বা পাউডার হলে, এক চামচ এক লিটার জলে গুলে দিতে হবে বছরে 3-4 বার। আর তরল হিউমিক অ্যাসিড হলে, এক লিটার জলের জন্য 3ml। জলে ভালো করে মেশাতে হবে। টবের মাটি যদি কম্প্যাক্ট হয়, তাহলে তরল দেওয়ার আগে মাটি খুঁচিয়ে নেবেন। তারপর টব ও গাছের সাইজ অনুযাই ব্যাবহার করতে হবে, পরিমান একটু কম বেশি হলে কোনো ক্ষতি নেই। 6-7 ইঞ্চি টবের জন্য দিতে হবে 250ml, 10 ইঞ্চি টবের জন্য লাগবে 500ml, 12-14 ইঞ্চি টব হলে দিতে হবে 750ml।
কল্পতরু - Kalpataru Garden
Ficus rumphii (পাকুড়) বনসাই পরিচর্যার জন্য পর্যাপ্ত সূর্যালোক, নিয়মিত জল, ভালো নিষ্কাশনযুক্ত মাটি এবং সঠিক সময়ে ছাঁটাই ও শাখা-প্রশাখা পরিবর্তন প্রয়োজন।
পরিচর্যার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়👉
✅প্রথম করণীয়
গাছের কান্ড মোটা করতে প্রথম ২ /৩ বছর বড় পাত্রে লাগিয়ে রাখতে হবে। প্রয়োজনে কিছু ব্রাঞ্চের উপর কাজ করা যেতে পারে। এরপর প্রতি বছর নতুন ব্রাঞ্চ আসলে ব্রাঞ্চের উপর কাজ করতে হবে।
✅সূর্যালোক
বনসাইটিকে পর্যাপ্ত সূর্যালোক পেতে হবে, তবে সরাসরি প্রখর রোদ থেকে বাঁচানো উচিত।
✅জল দেওয়া
মাটির আর্দ্রতা বজায় রাখা জরুরি। মাটি পুরোপুরি শুকিয়ে যাওয়ার আগেই জল দিতে হবে, তবে অতিরিক্ত জল দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
✅মাটি
বনসাইয়ের জন্য ভালো নিষ্কাশন ব্যবস্থা সম্পন্ন মাটি ব্যবহার করতে হবে।
✅ছাঁটাই (Pruning)
বনসাইয়ের আকার ঠিক রাখতে নিয়মিত ছাঁটাই করা প্রয়োজন। এতে গাছের বৃদ্ধিতে নিয়ন্ত্রণ আনা যায়।
✅মাটি পরিবর্তন
সময়মতো মাটি পরিবর্তন করা গাছের জন্য উপকারী, কারণ এটি গাছের পুষ্টি এবং স্বাস্থ্যকর বৃদ্ধি নিশ্চিত করে।
✅প্রজাতি
Ficus rumphii একটি বৃহদাকার উদ্ভিদ, তাই বনসাই হিসেবে এর সঠিক যত্ন নিলে এটি দেখতে খুব আকর্ষণীয় হয়।
✅অন্যান্য যত্ন
শিকড় ছাঁটাই করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী গাছের ডালপালা বা শিকড় পরিবর্তন করার মাধ্যমে বনসাইটিকে সুন্দর রাখা যায়।
এই পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করলে আপনি আপনার পাকুড় বনসাইকে সুস্থ ও সুন্দর রাখতে পারবেন।
3 months ago | [YT] | 1
View 0 replies
কল্পতরু - Kalpataru Garden
হিউমিক অ্যাসিডের কাজ ও ব্যাবহার
– উপকারীতা শুনে চমকে যাবেনঃ 😲
গাছে হিউমিক অ্যাসিডের কাজ: 👉
যথেষ্ট খাবার দেওয়া সত্ত্বেও কি গাছের গ্রোথ হচ্ছে না? মাটির টব পাল্টেও কি কোনো ফল মিলছে না? মাসের পর মাস একই রকমভাবে বসে আছে গাছ? এই সব প্রশ্ন যদি আপনাকে জর্জরিত করে, তাহলে এই পোস্টটি আপনার জন্য। আজকের পোস্টে এমন একটি খনিজ পদার্থের কথা বলবো, যার উপকারীতা শুনে চমকে যাবেন। টবে বা মাটিতে প্রয়োগ করলে, ফল মিলবে মাত্র দু’সপ্তাহে।
গাছে হিউমিক অ্যাসিডের কাজ
নামে অ্যাসিড হলেও, আসলে কিন্তু অ্যাসিড নয়। এটি প্রয়োগ করলে মাটি অ্যাসিডিক হবে না। এটি কোনো সার বা কীটনাশকও নয়, বরং বলা যায় গাছের ফিডিং বুস্টার, যা গাছের খিদে বাড়ায়। এর নাম হিউমিক অ্যাসিড, আজ এর সম্বন্ধে অনেক কিছু জানাবো আপনাদের।
👉 হিউমিক অ্যাসিড কি?
হিউমিক অ্যাসিড হল- উদ্ভিদ এবং প্রাণীর মৃত্যুর দীর্ঘ সময় পর, তা থেকে জমা হওয়া বিশেষ প্রাকৃতিক উপাদান, কয়লার মতো জমা হয় খনিতে। গাছের শুকনো পাতা মাটিতে পড়ে পচতে শুরু করলে, হিউমাস তৈরি হয়।
পাতা সহ বিভিন্ন জৈব পদার্থ পচে মাটির উপরে একটা কালো রঙের লেয়ার তৈরি করে, এই প্রক্রিয়াকে হিউমিফিকেশন বলে। হিউমাস মাটির 2 থেকে 10 ইঞ্চি গভীর পর্যন্ত থাকতে পারে। এই হিউমাস থেকেই মাটিতে যোগ হয় হিউমিক অ্যাসিড।
👉 গাছে হিউমিক অ্যাসিডের ব্যাবহার➝
সব রকম ফসল বা গাছে দেওয়া যায় হিউমিক অ্যাসিড।
জমিতে চাষের ক্ষেত্রে- বীজ বোনার সময় বা ফসল লাগানোর 20-25 দিনের মধ্যে এটি ব্যবহার করলে, ফল পাওয়া যায় সব থেকে ভালো।
টবের গাছ বা বড় গাছের ক্ষেত্রে যেকোনো সময় এটা ব্যবহার করা যায়।
👉 হিউমিক অ্যাসিডের কার্যপ্রণালী➝
হিউমিক অ্যাসিড নিজে থেকে কোনো খাদ্যগুণ বা পুষ্টিগুণ গাছকে জোগাতে পারে না। এটি সেখানেই কাজ করতে পারে, যেখানে আগে থেকে সার বা জৈবিক খাবার আছে।
যেসব গাছ অণুখাদ্যের অভাব জনিত কারণে ধুঁকছে, গাছের পাতা হলুদ হয়ে যাচ্ছে, সেগুলিতে ভালো কাজ করে।
হিউমিক অ্যাসিড গাছের শিকড়কে জল ও পুষ্টি গ্রহণ করতে সাহায্য করে।
অবিশ্বাস্যভাবে ফলন বাড়ায় হিউমিক অ্যাসিড।
👉 গাছে হিউমিক অ্যাসিডের উপকারীতা➝
হিউমিক অ্যাসিডের উপকারিতাকে পাঁচটি প্রধান ভাগে ভাগ করা যেতে পারে-
👉ফিজিকাল বা শারীরিক উপকারীতা➝
মাটির গঠনগত চরিত্র পরিবর্তন করে, ড্যামেজ মাটি রিপেয়ার করে।
কমপ্যাক্ট মাটিকে হালকা ও ঝুরঝুরে করে,
বেলে মাটির মধ্যে জল ও পুষ্টিগুণের পরিমাণ বাড়ায়,
মাটির জল ধরে রাখার ক্ষমতা বাড়াতে পারে,
খরার মতো প্রতিকূল পরিবেশেও গাছকে, মাটি থেকে জল ও খাবার পেতে সাহায্য করে হিউমিক অ্যাসিড।
এটি মাটিকে কালো করে, যার ফলে বেশি করে সূর্যের আলো গ্রহণ করতে পারে মাটি।
👉কেমিক্যাল বা রাসায়নিক উপকারীতা➝
মাটির মধ্যে থাকা অ্যাসিড ও ক্ষারের ভারসাম্য রক্ষা করে, পিএইচ মাত্রা ঠিক রাখে হিউমিক অ্যাসিড।
গাছের ক্লোরোফিল তৈরির অন্যতম প্রধান উপকরণ হল আয়রন৷ এই আয়রন গ্রহণে গাছকে ভীষণভাবে সাহায্য করে এটি।
কোনো কারণে মাটির মধ্যে টক্সিক পরিবেশ তৈরি হলে, তা কমাতে সাহায্য করে।
মাটিতে যে পরিমাণ সার দেওয়া হয়, তার সবটা কিন্তু গাছ গ্রহণ করতে পারে না। মোটামুটি ভাবে 50% খাবার খেতে পারে গাছ। কিছুটা জলের সঙ্গে বেরিয়ে যায়, আর বাকিটা বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে মাটির মধ্যে লক হয়ে যায়। হিউমিক অ্যাসিড প্রয়োগ করলে, মাটির মধ্যে আটকে যাওয়া খাবারও গাছ গ্রহণ করতে পারে।
👉বায়োলজিক্যাল বা জৈবিক উপকারীতা➝
বীজের অঙ্কুরোদগম ও তার কার্য ক্ষমতা বৃদ্ধি করে,
ফুল ও ফলের মান বাড়ায় হিউমিক অ্যাসিড।
মাটির মধ্যে যেসব উপকারী জীবানু থাকে, সেগুলির বংশ বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
রোগ ও পোকা-মাকড়ের বিরুদ্ধে গাছের প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলে।
মাটির গভীরে মূল ও শিকড়ের বৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করে।
খাদ্য মূল বৃদ্ধি করে, গাছের ডাল-পালা তৈরিতে সাহায্য করে। যত খাদ্য মূল বৃদ্ধি হবে, গাছ তত খাদ্য গ্রহণ করতে পারবে।
👉ইকোনমিক্যাল বা অর্থনৈতিক উপকারীতা➝
কেবলমাত্র সার প্রয়োগ করে, কোনো ফসলের সর্বোচ্চ ফলন পাওয়া যায় না। তারজন্য জৈবিক পদার্থ ও হিউমিক অ্যাসিড খুবই প্রয়োজন। সারের ব্যাবহার 30% পর্যন্ত কমিয়ে দেয় হিউমিক অ্যাসিড, সঙ্গে ফুল-ফল 70% পর্যন্ত বাড়িয়ে দেয়।
মাটির জল ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি করায়, জলের খরচ কম হয়।
ইকোলজিক্যাল বা পরিবেশগত উপকারীতা:-
রাসায়নিক সারের ব্যবহার কম হয় বলে, জল দূষণ কম হয়।
টব বা পটে অতিরিক্ত জল প্রয়োগের সময় খনিজ উপাদান, জলের সঙ্গে বেরিয়ে যেতে পারে না। অর্থাৎ খনিজ উপাদানের অপচয় রোধ করে।
মাটির ক্ষয় রোধ করে হিউমিক অ্যাসিড ।
👉 হিউমিক অ্যাসিড ব্যাবহারের নিয়ম➝
বাজারে তিন রকমের হিউমিক অ্যাসিড পাওয়া যায় – দানা, পাউডার ও তরল আকারে। ব্যাবহার করাও যায় তিনভাবে।
দানা, পাউডার বা লিকুইড জলে গুলে গাছে দেওয়া যায়।
দানা বা পাউডার হলে, এক চামচ এক লিটার জলে গুলে দিতে হবে বছরে 3-4 বার। আর তরল হিউমিক অ্যাসিড হলে, এক লিটার জলের জন্য 3ml। জলে ভালো করে মেশাতে হবে। টবের মাটি যদি কম্প্যাক্ট হয়, তাহলে তরল দেওয়ার আগে মাটি খুঁচিয়ে নেবেন।
তারপর টব ও গাছের সাইজ অনুযাই ব্যাবহার করতে হবে, পরিমান একটু কম বেশি হলে কোনো ক্ষতি নেই।
6-7 ইঞ্চি টবের জন্য দিতে হবে 250ml,
10 ইঞ্চি টবের জন্য লাগবে 500ml,
12-14 ইঞ্চি টব হলে দিতে হবে 750ml।
#হিউমিকঅ্যাসিড
#hiumicacid
4 months ago | [YT] | 1
View 0 replies