বাংলাদেশের ইতিহাস, প্রকৃতি বাস্তবতা কে তুলে নিয়ে আসা


Bangladesh

শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবসে
সকল শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও অশ্রুসিক্ত নিবেদন।

১৯৭১-এর সেই কালরাতে যখন দেশের সেরা মস্তিষ্কগুলোকে একে একে তুলে নিয়ে যাওয়া হলো, তখন শুধু প্রাণই হারায়নি—হারিয়ে গেছে একটা জাতির চিন্তার আলো, বিবেকের দীপশিখা। সেই থেকে আমরা যেন অন্ধকারে হাঁটছি, চোখ থাকতেও অন্ধ।

দেশ স্বাধীন হয়েছে ঠিকই, কিন্তু বুদ্ধির স্বাধীনতা কই?
যেখানে একসময় কলম ছিল অস্ত্র, সেখানে আজ অস্ত্রই হয়ে উঠেছে কলমের মালিক।
যেখানে বিতর্ক হতো আদর্শ নিয়ে, সেখানে আজ শুধু চলে কাদা ছোড়াছুড়ি।
যেখানে নেতৃত্ব দিতেন আলোকিত মানুষ, সেখানে আজ দখল করে আছে অন্ধকারের দালালরা।

আমরা লক্ষ লক্ষ ডিগ্রি বিলি করছি,
কিন্তু মানুষ তৈরি করতে পারছি না।
আমরা উঁচু উঁচু ভবন বানাচ্ছি,
কিন্তু চরিত্রের উচ্চতা বাড়াতে পারছি না।
আমরা হাজারো স্কুল-কলেজ খুলছি,
কিন্তু বিবেকের স্কুল বন্ধ করে দিয়েছি অনেক আগেই।

এদেশ এখন এক বিশাল জঙ্গল—
যেখানে শিয়াল-ভাল্লুকের দলই রাজত্ব করে।
নিরীহ হরিণেরা শুধু লুকিয়ে বেঁচে থাকার চেষ্টা করে।
যেখানে শকুনেরা অপেক্ষায় থাকে কারো পতনের জন্য,
আর হায়েনারা হাসে মৃতের দেহ দেখে।

শহীদদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে
একদল লোক শুধু নিজেদের সিংহাসন মজবুত করছে।
দেশের নামে চলে লুটপাট,
স্বাধীনতার নামে চলে অরাজকতা।
যে স্বাধীনতার জন্য লাখো প্রাণ গেল,
সেই স্বাধীনতাকে আজ বন্দি করে রাখা হয়েছে
ক্ষমতার লোভীদের অন্ধকার গুহায়।

৫৪ বছর পার হয়ে গেল,
কিন্তু আমরা কি সত্যিই মুক্ত হয়েছি?
নাকি এতটাই “স্বাধীন” হয়ে গেছি
যে, যার যা খুশি তাই করার লাইসেন্স পেয়ে গেছে?

স্বাধীনতা পাওয়া যায় যুদ্ধে,
কিন্তু স্বাধীনতা ধরে রাখতে হয় প্রতিদিনের লড়াইয়ে—
বিবেকের লড়াইয়ে, সততার লড়াইয়ে, মানবতার লড়াইয়ে।
সেই লড়াই আমরা হারিয়ে ফেলেছি কবে?

হে শহীদ বুদ্ধিজীবীরা,
তোমাদের রক্ত বৃথা যাক না।
একদিন এই অন্ধকার কেটে যাক,
আবার আলো ফিরে আসুক এদেশে।
যেদিন আবার বুদ্ধির জয় হবে,
সেদিনই তোমরা শান্তি পাবে।

1 month ago | [YT] | 0

Bangladesh

প্রতিটি বাড়ির ছাদে ১৬ই ডিসেম্বর এ পতাকা উড়িয়ে বিজয় উদযাপন হোক আমাদের ২০২৫ এর লক্ষ্য

1 month ago | [YT] | 0

Bangladesh

The greatest glory in living lies not in never falling, but in rising every time we fall.
https://t.me/HRHMBS_Channel

2 months ago | [YT] | 0

Bangladesh

১৯০০–২০০০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ অঞ্চলের (পূর্ববঙ্গ → পূর্ব পাকিস্তান → বাংলাদেশ) শাসনের পূর্ণাঙ্গ তালিকা ও ঐতিহাসিক পরিবর্তন:

| সময়কাল | শাসন ব্যবস্থা / রাষ্ট্র | প্রধান শাসক / সরকারপ্রধান |
|-------------------------|-------------------------------------------|------------------------------------------------------------------------------------------|
| ১৯০০–১৯০৫ | ব্রিটিশ ভারত (বাংলা প্রেসিডেন্সি) | কলকাতা থেকে লেফটেন্যান্ট গভর্নর |
| ১৯০৫–১৯১২ | পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশ (রাজধানী ঢাকা) | লেফটেন্যান্ট গভর্নর (বামফিল্ড ফুলার, ল্যান্সলট হেয়ার প্রমুখ) |
| ১৯১২–১৯৪৭ | ব্রিটিশ ভারত (বাংলা প্রেসিডেন্সি/প্রদেশ) | ১৯৩৭ থেকে নির্বাচিত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী (এ কে ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, খাজা নাজিমুদ্দিন) |
| ১৯৪৭ আগস্ট–১৯৫৫ | পাকিস্তানের অংশ (পূর্ব বাংলা / পূর্ব পাকিস্তান) | প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী: খাজা নাজিমুদ্দিন, নুরুল আমিন, এ কে ফজলুল হক |
| ১৯৫৫–১৯৫৮ | পূর্ব পাকিস্তান (ওয়ান ইউনিটের আগে) | মুখ্যমন্ত্রী: আবু হোসেন সরকার, আতাউর রহমান খান |
| ১৯৫৮–১৯৬৯ | পাকিস্তানে সামরিক শাসন (আইয়ুব খান) | গভর্নর শাসন, মুখ্যমন্ত্রী পদ বিলুপ্ত → ১৯৬৯ পর্যন্ত |
| ১৯৬৯–১৯৭১ (মার্চ) | পাকিস্তানে সামরিক শাসন (ইয়াহিয়া খান) | গভর্নর ও মার্শাল ল শাসন |
| ১৯৭১ মার্চ ২৬ – ডিসেম্বর ১৬ | মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশ | মুজিবনগর সরকার (রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ) |
| ১৯৭১ ডিসেম্বর ১৬ – ১৯৭২ জানুয়ারি | স্বাধীন বাংলাদেশ (অস্থায়ী) | রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (মুক্তিযুদ্ধের পর ফিরে আসেন ১০ জানুয়ারি ১৯৭২) |
| ১৯৭২–১৯৭৫ | গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ (প্রথম সংসদীয়) | প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান (১৯৭২–১৯৭৫) |
| ১৯৭৫ জানুয়ারি–আগস্ট | একদলীয় শাসন (বাকশাল) | রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান |
| ১৯৭৫ আগস্ট ১৫ | সামরিক অভ্যুত্থান → বঙ্গবন্ধু নিহত | খন্দকার মোশতাক আহমদ (রাষ্ট্রপতি, ১৫ আগস্ট–৬ নভেম্বর ১৯৭৫) |
| ১৯৭৫ নভেম্বর–১৯৭৭ | সামরিক শাসন | জিয়াউর রহমান (প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক, পরে রাষ্ট্রপতি ১৯৭৭–১৯৮১) |
| ১৯৭৮–১৯৮১ | জিয়াউর রহমান (নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি) | বিএনপি প্রতিষ্ঠা, বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনর্বহাল |
| ১৯৮১–১৯৮২ | আবদুস সাত্তার (নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি) | ১৯৮২ মার্চে এরশাদের অভ্যুত্থান |
| ১৯৮২–১৯৯০ | সামরিক শাসন (হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ) | প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক → রাষ্ট্রপতি (১৯৮৩–১৯৯০), জাতীয় পার্টি |
| ১৯৯০ ডিসেম্বর–১৯৯১ মার্চ | তত্ত্বাবধায়ক সরকার (শাহাবুদ্দিন আহমেদ) | এরশাদের পতনের পর |
| ১৯৯১–১৯৯৬ | খালেদা জিয়া (বিএনপি) | প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী |
| ১৯৯৬ জুন–জুলাই | তত্ত্বাবধায়ক সরকার (হাবিবুর রহমান) | |
| ১৯৯৬–২০০১ | শেখ হাসিনা (আওয়ামী লীগ) | প্রথম মেয়াদ |
| ২০০১–২০০৬ | খালেদা জিয়া (বিএনপি-জোট) | দ্বিতীয় মেয়াদ |
| ২০০৬ অক্টো–২০০৮ ডিসেম্বর | তত্ত্বাবধায়ক সরকার (ফখরুদ্দীন আহমদ) | ১/১১ সংকট, সেনাসমর্থিত, জরুরি অবস্থা |
| ২০০৯–২০২৪ (আগস্ট) | শেখ হাসিনা (আওয়ামী লীগ) | ২০০৯, ২০১৪, ২০১৮, ২০২৪ নির্বাচনে জয় (২০২৪-এর নির্বাচন বিতর্কিত) |
| ২০২৪ আগস্ট ৫–৮ | ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান → শেখ হাসিনার পতন | |
| ২০২৪ আগস্ট ৮ – এখনও | অন্তর্বর্তীকালীন সরকার | প্রধান উপদেষ্টা: ড. মুহাম্মদ ইউনূস (৮ আগস্ট ২০২৪ থেকে) |

### ১৯০০–২০০০ সালের মধ্যে মূল রাষ্ট্রীয় পরিবর্তন
- ১৯০৫–১৯১২ → প্রথমবার ঢাকা রাজধানী
- ১৯৪৭ → ভারত-পাকিস্তান বিভক্তি, পূর্ব পাকিস্তান
- ১৯৭১ → স্বাধীন বাংলাদেশ
- ১৯৭৫, ১৯৮১, ১৯৮২ → তিনটি সফল সামরিক অভ্যুত্থান
- ১৯৯১ → সংসদীয় গণতন্ত্রে পূর্ণ প্রত্যাবর্তন
- ২০২৪ আগস্ট → শেখ হাসিনা সরকারের পতন, ছাত্র-জনতার বিপ্লব

১০০ বছরে বাংলাদেশ অঞ্চল ৫ বার রাষ্ট্রীয় সত্তা ও শাসনব্যবস্থা পাল্টেছে এবং ২০২৪ সালে ষষ্ঠবার বড় পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

2 months ago | [YT] | 0

Bangladesh

১৮০০–১৮৯৯ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ অঞ্চলের (তৎকালীন বাংলা প্রেসিডেন্সি) শাসনের পূর্ণাঙ্গ তালিকা ও পরিবর্তন নিচে দেওয়া হলো:

| সময়কাল | শাসক/প্রশাসক | মন্তব্য |
|----------------------|------------------------------------------------|-------------------------------------------------------------------------|
| ১৮০০–১৮৫৪ | ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি | নবাবি বাংলা সম্পূর্ণভাবে শেষ। কলকাতা থেকে গভর্নর-জেনারেল শাসন করতেন। |

| ১৮০০–১৮৫৭ | নবাবি মুর্শিদাবাদের শেষ অবশেষ | ১৮৮০ সাল পর্যন্ত “নবাব নাজিম” উপাধি ছিল কিন্তু কোনো ক্ষমতা ছিল না। ১৮৮০ সালে ব্রিটিশ সরকার নবাবি উপাধি বাতিল করে। |

| ১৮৫৪ | বাংলা প্রেসিডেন্সি থেকে পূর্ববঙ্গ (আধুনিক বাংলাদেশ) আলাদা হয়ে “ঢাকা ডিভিশন” গঠিত | প্রশাসনিক সুবিধার জন্য ঢাকাকে আবার গুরুত্ব দেওয়া হয়। |
| ১৮৫৭–১৮৫৮ | সিপাহী বিপ্লব (বাংলায় খুব সীমিত প্রভাব) | ঢাকা, চট্টগ্রাম, যশোরে কিছু বিদ্রোহ হয়েছিল কিন্তু দ্রুত দমন করা হয়। |
| ১৮৫৮ | ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন শেষ → ব্রিটিশ ক্রাউনের সরাসরি শাসন শুরু | বাংলা হয়ে যায় ব্রিটিশ ভারতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রেসিডেন্সি। |
| ১৮৫৮–১৯০৫ | ব্রিটিশ রাজ – লেফটেন্যান্ট গভর্নর (বাংলা) | বাংলা প্রেসিডেন্সির লেফটেন্যান্ট গভর্নররা কলকাতা থেকে শাসন করতেন। পূর্ববঙ্গ ছিল তারই অংশ। |
| ১৮৭৪ | ঢাকা আবার গুরুত্ব পায় | ঢাকা পৌরসভা গঠিত (১৮৬৪-র পর আরও শক্তিশালী হয়) |
| ১৯০৫–১৯১১ | বঙ্গভঙ্গ (প্রথম বাংলা বিভাগ) | পূর্ববঙ্গ ও আসাম নিয়ে নতুন প্রদেশ গঠিত। রাজধানী ঢাকা। লেফটেন্যান্ট গভর্নর শাসন করতেন। |
| ১৯০৫–১৯১১ | স্যার বামফিল্ড ফুলার (১৯০৫–১৯০৬) → স্যার ল্যান্সলট হেয়ার প্রমুখ | প্রথম লেফটেন্যান্ট গভর্নর ছিলেন বামফিল্ড ফুলার। |
| ১৯১১ | বঙ্গভঙ্গ রদ → পূর্ববঙ্গ আবার বাংলা প্রেসিডেন্সির অধীনে | ঢাকা আবার কলকাতার অধীনস্থ ডিভিশন হয়ে যায়। |

### গুরুত্বপূর্ণ লেফটেন্যান্ট গভর্নর (বাংলা প্রেসিডেন্সি) যারা পূর্ববঙ্গ শাসন করেছেন (নির্বাচিত):
| সময়কাল | নাম |
|-------------------|-----------------------------------------|
| ১৮৫৪–১৮৫৯ | স্যার ফ্রেডরিক জেমস হ্যালিডে |
| ১৮৫৯–১৮৬২ | স্যার জন পিটার গ্রান্ট |
| ১৮৭৪–১৮৭৭ | স্যার রিচার্ড টেম্পল |
| ১৮৮৭–১৮৯৩ | স্যার স্টুয়ার্ট বেলি |
| ১৮৯৭–১৯০১ | স্যার জন উডবার্ন |
| ১৯০৩–১৯০৬ | স্যার অ্যান্ড্রু ফ্রেজার |

### সারাংশ (১৮০০–১৮৯৯):
- ১৮০০–১৮৫৮: ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন
- ১৮৫৮–১৯০৫: ব্রিটিশ ক্রাউনের সরাসরি শাসন, কলকাতা থেকে
- ১৯০৫–১৯১১: স্বল্পকালের জন্য ঢাকা রাজধানী (পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশ)
- ১৯১১–১৮৯৯ শেষ: আবার কলকাতার অধীনে

অর্থাৎ পুরো ১৯শ শতাব্দীতে বাংলাদেশ অঞ্চল ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের অধীনেই ছিল। শুধু ১৯০৫–১৯১১ সালের ৬ বছর ঢাকা একটি প্রদেশের রাজধানী হয়েছিল।

2 months ago | [YT] | 0

Bangladesh

১৭০০ থেকে ১৮০০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ অঞ্চল (তৎকালীন বাংলা সুবা/নবাবি বাংলা) কারা শাসন করেছিলেন, তার একটি সংক্ষিপ্ত ও সঠিক তালিকা নিচে দেওয়া হলো। (এখানে শুধু বাস্তবে ক্ষমতাধর শাসকদের নাম দেওয়া হয়েছে, নামমাত্র মুঘল সুবেদার নয়)

সময়কাল শাসকের নাম পদবি/মন্তব্য |

| ১৭০০–১৭০৭ আজিম-উশ-শান (নামমাত্র) + মুর্শিদকুলি খান (দে-ফ্যাক্টো) | মুঘল সুবেদার ছিলেন আজিম, কিন্তু প্রকৃত ক্ষমতা মুর্শিদকুলির হাতে চলে আসে |

১৭০৭–১৭২৭ মুর্শিদকুলি খান

১৭১৭ সালে সম্রাট ফারুখসিয়র তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে “নবাব” উপাধি দেন। বাংলার প্রথম স্বাধীনচেতা নবাব |
| ১৭২৭–১৭৩৯ শুজাউদ্দিন মুহম্মদ খান মুর্শিদকুলির জামাতা। বিহার ও ওড়িশাও তার অধীনে আসে

১৭৩৯–১৭৪০ সরফরাজ খান শুজাউদ্দিনের পুত্র। মাত্র ১ বছর শাসন করেন

১৭৪০–১৭৫৬ আলীবর্দী খান পলাশীর আগ পর্যন্ত সবচেয়ে শক্তিশালী নবাব। মারাঠা আক্রমণ প্রতিহত করেন
১৭৫৬–১৭৫৭ মসিরাজউদ্দৌলা আলীবর্দীর নাতি। পলাশীর যুদ্ধে (১৭৫৭) পরাজিত ও নিহত
১৭৫৭–১৭৬০ মীর জাফর ইংরেজদের পুতুল নবাব (প্রথম দফা)

১৭৬০–১৭৬৩ মীর কাশিম স্বাধীনচেতা, ইংরেজদের সঙ্গে যুদ্ধ (বক্সারের যুদ্ধ ১৭৬৪)

১৭৬৩–১৭৬৫ মীর জাফর দ্বিতীয়বার (ইংরেজদের পুতুল)

১৭৬৫–১৭৭০ নজমুদ্দৌলা মীর জাফরের পুত্র। ১৭৬৫ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি “দেওয়ানি” (রাজস্ব আদায়ের অধিকার) পায় |

১৭৭০–১৭৮০ (প্রায়) মোবারকউদ্দৌলা ও অন্যান্য শিশু নবাব নামমাত্র নবাব। প্রকৃত শাসন ও রাজস্ব নিয়ন্ত্রণ ইংরেজদের হাতে চলে যায়

১৭৭০–১৮০০ ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি

১৭৭২ সালে ওয়ারেন হেস্টিংস গভর্নর হওয়ার পর থেকে নবাবের ক্ষমতা একেবারে প্রতীকী। ১৭৯৩ সালে স্থায়ী বন্দোবস্ত চালু হয় |

সংক্ষেপে মূল পরিবর্তনের সময়রেখা:
- ১৭০০–১৭১৭: মুঘল সুবা → ধীরে ধীরে স্বাধীন নবাবি শাসন
- ১৭১৭–১৭৫৭: স্বাধীন নবাবি বাংলা (মুর্শিদকুলি → সিরাজউদ্দৌলা)
- ১৭৫৭ (পলাশী): ইংরেজ প্রভাব শুরু
- ১৭৬৫ (আল্লাহাবাদের চুক্তি): কোম্পানি দেওয়ানি লাভ → বাংলায় ব্রিটিশ শাসনের প্রকৃত সূচনা
- ১৭৭২ থেকে: নবাবের ক্ষমতা শুধু নামে, প্রকৃত শাসক ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি

সুতরাং ১৭০০–১৮০০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ অঞ্চলের শাসন ক্রমে মুঘল → স্বাধীন নবাব → ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনে রূপান্তরিত হয়।

2 months ago | [YT] | 0

Bangladesh

Join with him

2 months ago | [YT] | 0

Bangladesh

"ইনকিলাব জিন্দাবাদ" (ইংরেজি: Inquilab Zindabad, অর্থ: বিপ্লব চিরজীবী হোক) কোনো একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের একচেটিয়া স্লোগান নয়। এটা ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের একটি ঐতিহাসিক ও সর্বজনীন বিপ্লবী স্লোগান।

### এর উৎপত্তি ও প্রথম ব্যবহার:
- এই স্লোগানটি প্রথম জনপ্রিয় করেন **ভগত সিংহ** ও তাঁর সংগঠন **হিন্দুস্তান সোশ্যালিস্ট রিপাবলিকান অ্যাসোসিয়েশন (HSRA)**।
- ১৯২৯ সালে ভগত সিংহ, বটুকেশ্বর দত্ত ও অন্যান্য বিপ্লবীরা দিল্লির সেন্ট্রাল অ্যাসেম্বলিতে বোমা ফাটানোর পর এই স্লোগানটি উচ্চারণ করেন।
- এর আগে উর্দু কবি ও বিপ্লবী **মৌলানা হাসরত মোহানি** ১৯২১ সালে প্রথম এই শব্দবন্ধটি ব্যবহার করেছিলেন।

### কারা কারা ব্যবহার করেছে (ঐতিহাসিক ও বর্তমান):
- ভগত সিংহ, চন্দ্রশেখর আজাদ, রাজগুরু, সুখদেবের মতো বিপ্লবীরা
- নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু ও আজাদ হিন্দ ফৌজ
- ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (CPI, CPI(M), CPI(ML) গোষ্ঠীসহ বামপন্থী দলগুলো)
- নকশাল আন্দোলন ও মাওবাদী গোষ্ঠী
- বাংলাদেশের বামপন্থী ছাত্র-রাজনীতি (ছাত্র ইউনিয়ন, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী ইত্যাদি)
- পাকিস্তানের বামপন্থী ও প্রগতিশীল দলগুলোও ব্যবহার করে

### বর্তমানে বাংলাদেশ ও ভারতে:
বাংলাদেশে এটি মূলত **বামপন্থী ছাত্রসংগঠন** ও রাজনৈতিক দলগুলোর (যেমন: বাসদ, ছাত্র ফ্রন্ট, বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলন ইত্যাদি) সমাবেশে শোনা যায়।
কিন্তু এটি কোনো একক দলের সম্পত্তি নয় – এটি বিপ্লবী চেতনার প্রতীক।

সুতরাং সংক্ষেপে:
**“ইনকিলাব জিন্দাবাদ” কোনো একটি রাজনৈতিক দলের স্লোগান নয়, এটা ভারতীয় উপমহাদেশের বিপ্লবী-বামপন্থী আন্দোলনের সর্বজনগৃহীত স্লোগান।**

2 months ago | [YT] | 0

Bangladesh

দেশের সাধারণ মানুষ কি চায়?

2 months ago | [YT] | 0

Bangladesh

এই ছবিগুলোতে এমন একজন ব্যক্তি রয়েছেন যিনি সবারই পরিচিত। আপনাদের ভিতরে সর্ব প্রথম যিনি নাম বলতে পারবেন তাকেই তার মোবাইল নং এ ১০০ টাকার মোবাইল ব্যালেন্স দিয়ে দিব।।

4 months ago | [YT] | 0