♦চীন এক কিলোমিটার বিস্তৃত একটি বিশাল সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করবে, যা পৃথিবীর সমস্ত তেলের চেয়েও বেশি শক্তি উৎপন্ন করবে।
♦চীন একটি উচ্চাভিলাষী প্রকল্প ঘোষণা করেছে যা বিজ্ঞান কল্পকাহিনীর মতো শোনালেও দ্রুত বাস্তবে পরিণত হচ্ছে - মহাকাশে একটি বিশাল সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র, যা প্রায় এক কিলোমিটার প্রশস্ত। কক্ষপথে অবস্থিত, এই ভবিষ্যত বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি মেঘ, রাত বা আবহাওয়ার কোনও বাধা ছাড়াই সূর্যালোক ধারণ করবে, যা এটিকে পৃথিবীর সৌর প্যানেলের চেয়ে অনেক বেশি দক্ষ করে তুলবে।
♦ভূমি-ভিত্তিক সিস্টেমের বিপরীতে, মহাকাশ সৌর বিদ্যুৎ দিনে 24 ঘন্টা শক্তি সংগ্রহ করতে পারে, তীব্র, অপরিশোধিত সূর্যালোক শোষণ করে। এরপর শক্তি মাইক্রোওয়েভ বা লেজার বিমে রূপান্তরিত হবে এবং নিরাপদে পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনা হবে, যেখানে রিসিভিং স্টেশনগুলি এটিকে ব্যবহারযোগ্য বিদ্যুতে রূপান্তরিত করবে। বিজ্ঞানীরা অনুমান করেন যে এই একক কাঠামোটি পৃথিবীতে বর্তমানে উত্তোলিত সমস্ত তেলের সম্মিলিত শক্তির চেয়ে বার্ষিক বেশি শক্তি উৎপন্ন করতে পারে।
♦সফল হলে, এর প্রভাব বিপ্লবী। এই প্রযুক্তি জীবাশ্ম জ্বালানির উপর নির্ভরতা নাটকীয়ভাবে হ্রাস করতে পারে, বিশ্বব্যাপী কার্বন নির্গমন কমাতে পারে এবং বিদ্যুৎ ঘাটতির সাথে লড়াই করা অঞ্চলগুলিতে পরিষ্কার শক্তি সরবরাহ করতে পারে। এটি এমন এক ভবিষ্যতের দিকে একটি সাহসী পদক্ষেপের প্রতিনিধিত্ব করে যেখানে শক্তির অভাব আর মানুষের অগ্রগতির জন্য সীমাবদ্ধ কারণ থাকবে না।
♦এই প্রকল্পটি মহাকাশ উদ্ভাবন এবং পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তির নেতৃত্বে চীনের ক্রমবর্ধমান ভূমিকাও তুলে ধরে। প্রকৌশলীরা এই উন্নয়নের গুরুত্বকে থ্রি জর্জেস বাঁধ নির্মাণের সাথে তুলনা করেন - যা মানব ইতিহাসের বৃহত্তম বিদ্যুৎ প্রকল্পগুলির মধ্যে একটি - তবে মহাজাগতিক স্কেলে।
♦ব্যয়, মহাকাশ সমাবেশ এবং শক্তি সঞ্চালন দক্ষতা সহ চ্যালেঞ্জগুলি রয়ে গেলেও, মহাকাশ প্রকৌশল এবং রোবোটিক্সের দ্রুত অগ্রগতি একসময়ের অসম্ভবকে অর্জনযোগ্য করে তুলছে। যদি বাস্তবায়িত হয়, তবে এই মহাকাশ-ভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি সভ্যতা কীভাবে শহর, শিল্প এবং প্রযুক্তিকে শক্তি দেয় তা পুনরায় সংজ্ঞায়িত করতে পারে - একটি নতুন যুগের সূচনা যেখানে সূর্য সরাসরি মহাকাশ থেকে পৃথিবীকে জ্বালানি সরবরাহ করে।
♦এই ছবিটি পুরো বিশ্বকে নাড়িয়ে দিয়েছিলো!!! (যেখানে সে তার ছোট্ট ভাইটিকে পিঠে বহন করছিলেন)। আর সে গর্বের সাথে বলছিলেন, "সে আমার কাছে ভারী নয়! সে আমার ভাই আর এটা কখনও আমার কাছে বোঝা নয়।")
🔺১৯৪৫ সাল। যুদ্ধবিধ্বস্ত জাপান। এক কিশোর তার মৃ*ত ভাইকে মা*টি চা*পা দিতে পিঠে করে বয়ে নিয়ে যাচ্ছে। পথিমধ্যে এক সেনা অফিসার বিষয়টি লক্ষ্য করে কিশোরকে বললেন, "লা*শটা পিঠ থেকে ফে*লে দাও, ওটা তে অনেক ভারী! বইতে কষ্ট হচ্ছে....'
🔷কিশোরটি সাথে সাথেই দৃঢ় স্বরে জবাব দিল, --"সে ভারী নয়, সে আমার ভাই!" কিশোরের এমন জবাবে আর্মি অফিসার হতভম্ব হয়ে গেলেন! পুরো ঘটনাটি বুঝতে কিছুক্ষণ সময় লাগে তাঁর। এরপর পুরো বিষয়টি অনুধাবন করতে পেরে হাউমাউ করে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।
🔴জানা যায়, এই ঘটনা নিমেষেই ছড়িয়ে পড়ে সমগ্র জাপান জুড়ে। সেই থেকে ছবিটি হয়ে ওঠে দেশটির ইস্পাত কঠিন ঐক্যের সমুজ্জ্বল প্রতীক। ভাইকে পিঠে তুলে নেওয়া সেই কিশোরের ওই উক্তি হয়ে যায় তাদের জাতীয়
✅স্লোগান:----🚩🚩🚩🚩🚩🚩🚩🚩🚩🚩🚩
💠💠💠 "সে বোঝা নয়, সে আমার ভাই/বোন।" (He’s not a burden, he’s my brother/sister.) 💠💠💠
🔴বিশ্বজুড়ে খনিজ তেলের মজুদ: বর্তমানে সারা বিশ্বে প্রমাণিত খনিজ তেলের মজুদের পরিমাণ প্রায় ১.৫৭ ট্রিলিয়ন ব্যারেল। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক জ্বালানি গবেষণা সংস্থার ২০২৬ সালের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই সংখ্যাটি সামান্য পরিবর্তিত হতে পারে, তবে এটি নিশ্চিত যে পৃথিবীর ভূগর্ভে এখনও বিশাল তেলের ভাণ্ডার অবশিষ্ট রয়েছে। এই তেলের সিংহভাগই মূলত মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ আমেরিকা এবং উত্তর আমেরিকার কয়েকটি নির্দিষ্ট দেশে পুঞ্জীভূত।
🔵এই তেল আগামীতে কত বছর চলবে? বর্তমান বিশ্বে তেলের ব্যবহারের হার এবং চাহিদার ওপর ভিত্তি করে বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন যে, এই মজুদ দিয়ে বিশ্ব আরও প্রায় ৪৭ থেকে ৫০ বছর চলতে পারবে। তবে এটি কোনো স্থির সময়সীমা নয়। এর পেছনে কয়েকটি কারণ কাজ করে। প্রথমত, আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে এখন এমন সব উৎস থেকে তেল উত্তোলন করা সম্ভব হচ্ছে যা আগে অসম্ভব ছিল। দ্বিতীয়ত, যদি নতুন কোনো বড় তেলের খনি আবিষ্কৃত হয়, তবে এই মেয়াদ আরও বাড়বে। আবার বিপরীতভাবে, যদি বিশ্বজুড়ে তেলের চাহিদা দ্রুত কমে যায় এবং মানুষ সৌরশক্তি বা ইলেকট্রিক গাড়ির দিকে ঝুঁকে পড়ে, তবে বর্তমান মজুদ দিয়ে আরও অনেক বেশি সময় চলা সম্ভব হবে।
🔴শীর্ষ তেলসমৃদ্ধ দেশগুলোর বিবরণ: বিশ্বের অধিকাংশ তেলের মজুদ হাতেগোনা কয়েকটি দেশের হাতে রয়েছে। তালিকায় সবার উপরে রয়েছে ভেনেজুয়েলা। দেশটির মাটির নিচে ৩০৩ বিলিয়ন ব্যারেলেরও বেশি তেল রয়েছে, যা বিশ্বের মোট মজুদের প্রায় ১৮ শতাংশ। তবে সেখানকার তেল অত্যন্ত ঘন বা ভারী হওয়ায় তা উত্তোলন করা বেশ ব্যয়বহুল। এরপরই রয়েছে সৌদি আরব। সৌদি আরবের মজুদের পরিমাণ প্রায় ২৬৭ বিলিয়ন ব্যারেল। তাদের তেলের মান যেমন উন্নত, তেমনি উত্তোলনের খরচও অনেক কম। তৃতীয় অবস্থানে থাকা ইরান এবং পঞ্চম অবস্থানে থাকা ইরাক—উভয় দেশই মধ্যপ্রাচ্যের তেলের রাজনীতিতে বড় শক্তি। চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে কানাডা, যেখানে বিপুল পরিমাণ তেল 'অয়েল স্যান্ড' বা বালু মিশ্রিত অবস্থায় পাওয়া যায়। এছাড়া কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং রাশিয়ার নামও এই তালিকায় ওপরের দিকেই থাকে।
🔴গ্রিনল্যান্ডে তেলের উপস্থিতি: গ্রিনল্যান্ড নিয়ে অনেক আগে থেকেই জল্পনা ছিল যে এর বরফের নিচে বিপুল পরিমাণ তেলের খনি লুকিয়ে আছে। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ অনুযায়ী, গ্রিনল্যান্ডের উত্তর-পূর্ব উপকূলে প্রায় ৩১ থেকে ৫০ বিলিয়ন ব্যারেল তেলের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বর্তমানে সেখানে কোনো বাণিজ্যিক তেল উৎপাদন হচ্ছে না। এর মূল কারণ হলো পরিবেশ রক্ষা। ২০২১ সালে গ্রিনল্যান্ড সরকার জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি এড়াতে এবং তাদের সমুদ্র ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা করতে নতুন করে সব ধরনের তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান পুরোপুরি নিষিদ্ধ করেছে। এছাড়া সেখানকার প্রচণ্ড শীত এবং ভাসমান বরফের মধ্যে তেল উত্তোলন করা যেমন কঠিন, তেমনি অত্যন্ত ব্যয়বহুল।
🔴কেনিয়ায়, উদ্ভাবনী মোবাইল সোলার ভ্যানের একটি বহর প্রত্যন্ত গ্রামগুলিতে পরিষ্কার জলের অ্যাক্সেসকে রূপান্তরিত করছে - চলমান বৃষ্টির জল ফিল্টার এবং বিশুদ্ধকরণের মাধ্যমে। প্রতিটি ভ্যান ছাদের সৌর প্যানেল দিয়ে সজ্জিত যা উচ্চ-দক্ষতা সম্পন্ন পরিস্রাবণ ইউনিটগুলিকে প্রতিদিন 2,000 লিটার পর্যন্ত জল পরিশোধন করতে সক্ষম করে। স্থায়ী অবকাঠামোর অভাব রয়েছে এমন সম্প্রদায়ের মধ্যে ভ্রমণের জন্য ডিজাইন করা, এই ভ্যানগুলি সংগ্রহ করা বৃষ্টির জল সংগ্রহ করে বা স্থানীয় স্টোরেজ ট্যাঙ্কে ট্যাপ করে, তারপর মাল্টি-স্টেজ ফিল্টার, ইউভি জীবাণুমুক্তকরণ এবং সৌর-চালিত পাম্প ব্যবহার করে তা বিশুদ্ধ করে।
🔵একবার পরিশোধিত হয়ে গেলে, পরিষ্কার জল সাধারণ ট্যাঙ্কে বিতরণ করা হয়, যা রান্না, পানীয় এবং স্বাস্থ্যবিধির জন্য নিরাপদ। কিছু ভ্যান পুনর্ব্যবহারযোগ্য পাত্র এবং সহজ জল শিক্ষা কর্মশালাও অফার করে, যা পরিবারগুলিকে নিরাপদ সংরক্ষণ পদ্ধতি এবং পরিষ্কার জলের স্বাস্থ্য উপকারিতা বুঝতে সাহায্য করে। পুরো ব্যবস্থাটি অফ-গ্রিডে চলে - যা নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎবিহীন গ্রামীণ অঞ্চলের জন্য এটিকে আদর্শ করে তোলে।
🔴দীর্ঘস্থায়ী খরা এবং বিচ্ছিন্ন অঞ্চলে বোতলজাত বা পরিশোধিত পানি পরিবহনের উচ্চ খরচের প্রতিক্রিয়ায় এই মোবাইল স্টেশনগুলি চালু করা হয়েছিল। এখন, কেবল সূর্যালোক এবং স্মার্ট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সাহায্যে, ভ্যানগুলি হাজার হাজার মানুষের জীবন রক্ষাকারী। এগুলি কেবল তাৎক্ষণিক ত্রাণই প্রদান করে না বরং স্থিতিস্থাপকতার মোবাইল হাব হিসেবেও কাজ করে - অসুস্থতা হ্রাস, স্কুলে উপস্থিতি উন্নত করা এবং সম্প্রদায়ের স্বাস্থ্যকে শক্তিশালী করা।
🔵কেনিয়ার জলাবদ্ধ অঞ্চলে, এই সৌর ভ্যানগুলি কেবল যানবাহন নয় - এগুলি চাকার উপর আশার আলো, প্রতিটি সূর্যোদয়ের সাথে সাথে নীরবে পৌঁছে যায়।
🔵পৃথিবীর সবচেয়ে শীতলতম স্থানগুলোর তালিকা করলে প্রথমেই আসবে জনমানবহীন অ্যান্টার্কটিকা এবং এরপর সাইবেরিয়ার বিভিন্ন জনপদ। এই চরম প্রতিকূল পরিবেশে মানুষের জীবনযাপন যেমন কষ্টকর, তেমনই বিস্ময়কর। নিচে পৃথিবীর শীতলতম ১০টি স্থানের বর্ণনা এবং সেখানকার জীবনযাত্রার বিবরণ দেওয়া হলো:
🔴১. ডোম ফুজি (Dome Fuji), অ্যান্টার্কটিকা এটি পৃথিবীর শীতলতম স্থান হিসেবে পরিচিত। ২০১০ সালে এখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল -৯২.৩° সেলসিয়াস।
🎥জীবনযাপন: এখানে কোনো স্থায়ী জনবসতি নেই। তবে একটি জাপানি গবেষণা কেন্দ্র রয়েছে। গবেষকরা এখানে বিশেষ ধরনের 'আইসোলেটেড মডিউল'-এ থাকেন এবং তুষার ঝড় ও তীব্র ঠান্ডার কারণে অধিকাংশ সময় ঘরের ভেতরেই কাটান।
🔴২. ভোস্তক স্টেশন (Vostok Station), অ্যান্টার্কটিকা রুশ গবেষণা কেন্দ্রটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে অনেক উচ্চতায় অবস্থিত। ১৯৮৩ সালে এখানে তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল -৮৯.২° সেলসিয়াস।
🎥জীবনযাপন: এখানে কেবল ২৫-৩০ জন বিজ্ঞানী শীতকালে অবস্থান করেন। খাবার হিসেবে মূলত টিনজাত ও ফ্রোজেন মাংস ব্যবহার করা হয়। বাইরে বের হতে হলে কয়েক স্তরের বিশেষ পোশাক এবং অক্সিজেন মাস্কের প্রয়োজন হতে পারে।
🔴৩. অয়মিয়াকন (Oymyakon), রাশিয়া এটি পৃথিবীর সবচেয়ে শীতলতম স্থায়ী জনপদ। ১৯৩৩ সালে এখানে তাপমাত্রা -৭১.২° সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমেছিল।
🎥জীবনযাপন: এখানকার মানুষ মূলত ঘোড়া ও হরিণ পালন এবং মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে। পাইপলাইনের পানি জমে যাওয়ায় মানুষ বরফ গলিয়ে পানি পান করে। এখানে গাড়ি চালু রাখলে তা বন্ধ করা হয় না, কারণ ইঞ্জিন একবার জমে গেলে পুনরায় চালু করা অসম্ভব হয়ে পড়ে।
🔴৪. ডেনালি (Denali), আলাস্কা উত্তর আমেরিকার সর্বোচ্চ এই পর্বতশৃঙ্গে ২০০৩ সালে তাপমাত্রা -৭৩° সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছিল।
🎥জীবনযাপন: পর্বতারোহী এবং পর্যটকরা এখানে যান, তবে স্থায়ী কোনো বসতি নেই। তবে কাছাকাছি কোভুকোন (Koyukon) নামক আদিবাসী সম্প্রদায় বাস করে যারা তীব্র শীতের সাথে খাপ খাইয়ে নিয়েছে।
🔴৫. ভারখয়ানস্ক (Verkhoyansk), রাশিয়া সাইবেরিয়ার এই শহরে তাপমাত্রা -৬৯.৮° সেলসিয়াস পর্যন্ত নামে। তবে গ্রীষ্মকালে এখানকার তাপমাত্রা আবার ৩০° সেলসিয়াসের ওপরে চলে যায়।
🎥জীবনযাপন: এখানে বসবাসকারী ১,০০০-এর মতো মানুষ মূলত পশম ব্যবসায় এবং খনি শিল্পের ওপর নির্ভরশীল। শীতকালে মাছের বাজারে মাছগুলো পাথরের মতো শক্ত হয়ে জমে থাকে, তাই সেগুলো আলাদাভাবে কাটার প্রয়োজন হয় না।
🔴৬. ইয়াকুৎস্ক (Yakutsk), রাশিয়া এটি পৃথিবীর শীতলতম বড় শহর। গড় তাপমাত্রা এখানে -৪০° সেলসিয়াস থাকে।
🎥জীবনযাপন: ৩ লক্ষাধিক মানুষের এই শহরে জীবনযাত্রা বেশ আধুনিক। তবে প্রতি পদক্ষেপে সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়। যেমন, ১০-১৫ মিনিটের বেশি কেউ বাইরে দাঁড়িয়ে থাকে না, কারণ তাতে চোখের পাপড়িও জমে যেতে পারে।
🔴৭. ক্লিঙ্ক রিসার্চ স্টেশন (Klink Research Station), গ্রিনল্যান্ড গ্রিনল্যান্ডের বরফ চাদরের ওপর অবস্থিত এই স্টেশনে তাপমাত্রা -৬৯.৪° সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।
🎥জীবনযাপন: এটি একটি সম্পূর্ণ গবেষণাকেন্দ্র। এখানকার কর্মীরা ছয় মাস অন্ধকারের (Polar Night) মধ্যে অতিবাহিত করেন এবং বাইরে যাওয়ার জন্য স্লেজ কুকুরের সাহায্য নেন।
🔴৮. স্ন্যাগ (Snag), কানাডা কানাডার ইউকন অঞ্চলে অবস্থিত এই গ্রামে ১৯৪৭ সালে তাপমাত্রা ছিল -৬৩° সেলসিয়াস।
🎥জীবনযাপন: একসময় এখানে বিমানঘাঁটির কর্মীরা থাকতেন। তীব্র শীতে এখানে শব্দ অনেক দূর পর্যন্ত প্রতিধ্বনিত হয়—বলা হয় যে কয়েক মাইল দূরের কুকুরের ডাকও পরিষ্কার শোনা যেত। বর্তমানে এটি প্রায় পরিত্যক্ত।
🔴৯. ইউলানবাটর (Ulaanbaatar), মঙ্গোলিয়া এটি পৃথিবীর শীতলতম রাজধানী শহর। শীতকালে তাপমাত্রা -৪০° সেলসিয়াস পর্যন্ত নামে।
🎥জীবনযাপন: এখানকার অর্ধেক মানুষ 'গের' (Ger) নামক ঐতিহ্যবাহী পোর্টেবল তাঁবুতে বাস করে। এই তীব্র শীতে গরম থাকতে তারা কয়লার উনুন ব্যবহার করে।
🔴১০. ইউরেকা (Eureka), কানাডা আর্কটিক সার্কেলের ভেতরে অবস্থিত এই আবহাওয়া স্টেশনে তাপমাত্রা -৪০° সেলসিয়াস এর নিচে থাকে বছরের অধিকাংশ সময়।
🎥জীবনযাপন: এখানে মূলত অস্থায়ী বৈজ্ঞানিক দল যাতায়াত করে। হেলিকপ্টার বা বিমানে করে খাবার ও প্রয়োজনীয় রসদ পাঠানো হয়।
🔷শীতলতম স্থানে জীবনযাত্রার বিশেষ বৈশিষ্ট্য:
✅খাদ্যভাস: শাকসবজি খুব একটা পাওয়া যায় না বলে মানুষ মূলত মাংস (হরিণ, ঘোড়া বা সিল) এবং উচ্চ চর্বিযুক্ত খাবার খেয়ে শরীরের তাপমাত্রা ঠিক রাখে।
✅পোশাক: পশুর চামড়া (বিশেষ করে বলগা হরিণের চামড়া) থেকে তৈরি জুতো এবং পোশাকই এখানে শ্রেষ্ঠ সুরক্ষা দেয়।
✅শিক্ষা ও কাজকর্ম: অয়মিয়াকনের মতো জায়গায় তাপমাত্রা -৫২° সেলসিয়াস না হওয়া পর্যন্ত স্কুল বন্ধ দেওয়া হয় না। শিশুরা এই তীব্র ঠান্ডাতেও স্কুলে যায়।
✅মৃতদেহ সৎকার: এখানে জমি খুঁড়তে হলে আগুনের কুণ্ডলী তৈরি করে বরফ গলাতে হয়, যা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য কাজ।
🔴একটি একক মেঘের ওজন দশ লক্ষ পাউন্ডেরও বেশি হতে পারে।
🔵আকাশ জুড়ে ভেসে বেড়াচ্ছে সেই হালকা, তুলতুলে মেঘ? আসলে এর ওজন দশ লক্ষ পাউন্ডেরও বেশি হতে পারে। মেঘ কোটি কোটি মাইক্রোস্কোপিক জলকণা বা বরফের স্ফটিক দিয়ে তৈরি।
🔴প্রতিটি ফোঁটা এত ছোট যে বায়ু প্রতিরোধ এবং ক্রমবর্ধমান বায়ুপ্রবাহ এটিকে স্থগিত রাখে, যদিও মোট ভর বিশাল। যেহেতু ফোঁটাগুলো এত বিশাল আয়তনে ছড়িয়ে থাকে, তাই ওজন কোনও কঠিন বস্তুর মতো অনুভূত হয় না।
🔵যখন ফোঁটাগুলো সংঘর্ষে লিপ্ত হয়, মিশে যায় এবং যথেষ্ট বড় হয়, কেবল তখনই মাধ্যাকর্ষণ শক্তি অবশেষে দখল করে নেয় এবং মেঘ তার ওজন বৃষ্টি হিসেবে ছেড়ে দেয়।
🔴এটি প্রকৃতির নীরব বিভ্রমগুলির মধ্যে একটি: এমন কিছু যা ওজনহীন দেখায়...পাহাড়ের ভর বহন করে।
🔴নরওয়ে বিশ্বের সবচেয়ে গভীর এবং দীর্ঘতম পানির নিচের সড়ক টানেল নির্মাণ করছে, এটি ২ বিলিয়ন ডলারের একটি মেগাপ্রকল্প যা সমুদ্রের তলদেশে ১,৩০০ ফুট (৩৯২ মিটার) গভীরে চলবে।
🔷রগফাস্ট টানেল নামে পরিচিত, এটি ২৭ কিলোমিটার (১৭ মাইল) জুড়ে বিস্তৃত হবে, যা স্ট্যাভাঙ্গার এবং হাউগাল্যান্ডেটকে সংযুক্ত করবে। ভ্রমণের সময় ৪০ মিনিট কমানোর জন্য ডিজাইন করা এই টানেলটি বাণিজ্য এবং প্রতিদিনের যাত্রীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ রুট হবে।
🔶ইঞ্জিনিয়ারিং চ্যালেঞ্জ বিশাল - শ্রমিকদের কঠিন পাথরের মধ্য দিয়ে খনন করতে হবে, পানির নিচে প্রচণ্ড চাপ সহ্য করতে হবে এবং জরুরি পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। এই সমস্যা সমাধানের জন্য, টানেলটিতে অত্যাধুনিক বায়ুচলাচল, পালানোর পথ এবং উচ্চ প্রযুক্তির পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
🔯সম্পূর্ণ হলে, রগফাস্ট প্রকৌশলের এক বিস্ময় হিসেবে দাঁড়াবে, যা প্রমাণ করবে যে মানুষের বুদ্ধিমত্তা দিয়ে সমুদ্রও অতিক্রম করা সম্ভব। #Norway#youtubepost
🇨🇳চীনের শিক্ষা ব্যবস্থা এখন পর্যন্ত সবচেয়ে তীব্র পর্যায়ে প্রবেশ করছে - এবং এটি সবই AI আধিপত্যের জন্য বিশ্বব্যাপী প্রতিযোগিতার দ্বারা ইন্ধনপ্রাপ্ত। কিছু স্কুল তাদের শিক্ষার দিনগুলি প্রায় 14 ঘন্টা পর্যন্ত বাড়িয়েছে, পাঠ্যক্রম বহির্ভূত কার্যকলাপগুলিকে সম্পূর্ণরূপে গণিত, কোডিং, ডেটা বিজ্ঞান এবং উচ্চ-কার্যক্ষমতাসম্পন্ন শিক্ষার উপর মনোনিবেশ করার জন্য বাদ দিয়েছে।
🇨🇳অনেক শিক্ষার্থীর কাছে, স্কুলের দিনটি এখন ভবিষ্যতের প্রকৌশলী, গবেষক এবং AI বিশেষজ্ঞ তৈরির জন্য তৈরি একটি উচ্চ-চাপ প্রশিক্ষণ ক্ষেত্র বলে মনে হয়। শিক্ষকরা অতিরিক্ত কাজের চাপের কথা জানান, অভিভাবকরা গর্ব এবং উদ্বেগ উভয়ই অনুভব করেন এবং শিক্ষার্থীরা উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং ক্লান্তির মধ্যে উত্তেজনায় আটকে থাকে।
🇨🇳সমর্থকরা যুক্তি দেন যে এই মডেলটি পরবর্তী প্রজন্মকে অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক প্রযুক্তিগত ক্যারিয়ারের জন্য প্রস্তুত করছে। এমন একটি বিশ্বে যেখানে AI সবকিছুকে পুনর্গঠন করছে - চিকিৎসা থেকে শুরু করে জাতীয় নিরাপত্তা - চীন বিশ্বাস করে যে শক্তিশালী একাডেমিক শৃঙ্খলা এমন একটি কর্মীবাহিনী তৈরি করবে যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্যান্য বিশ্বব্যাপী প্রতিযোগীদের ছাড়িয়ে যেতে পারে।
🇨🇳কিন্তু সমালোচকরা খরচ সম্পর্কে সতর্ক করে দিয়েছেন। পাঠ্যক্রম বহির্ভূত পাঠ্যক্রম বাদ দেওয়ার অর্থ সৃজনশীলতা, সামাজিক বিকাশ, শারীরিক স্বাস্থ্য এবং মানসিক ভারসাম্যের জন্য কম সময়। উদ্বেগের বিষয় হল যে একাডেমিক পরিপূর্ণতার জন্য চাপ দেওয়া উদ্ভাবনের জন্য প্রয়োজনীয় কল্পনাপ্রসূত চিন্তাভাবনাকে দমন করতে পারে।
🇨🇳চীন যখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নেতৃত্ব অর্জনের প্রচেষ্টাকে ত্বরান্বিত করছে, তখন তার শিক্ষার্থীদের একটি জাতীয় কৌশলের কেন্দ্রবিন্দুতে রাখা হচ্ছে - যা শিক্ষার ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় প্রশ্ন উত্থাপন করে। সুষম প্রবৃদ্ধির আগে কি একাডেমিক অর্জন আসা উচিত? নাকি সত্যিকারের উদ্ভাবনের স্বাধীনতা, বিশ্রাম এবং অন্বেষণের প্রয়োজন?
🇨🇳উত্তর যাই হোক না কেন, একটি বিষয় স্পষ্ট: বিশ্বব্যাপী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিযোগিতা কেবল ল্যাব এবং বোর্ডরুমেই ঘটছে না - এটি শ্রেণীকক্ষের ভিতরেই বিকশিত হচ্ছে, লক্ষ লক্ষ তরুণ মনের জীবনকে রূপ দিচ্ছে যারা প্রযুক্তির পরবর্তী যুগকে সংজ্ঞায়িত করবে।
FMaruf
♦চীন এক কিলোমিটার বিস্তৃত একটি বিশাল সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করবে, যা পৃথিবীর সমস্ত তেলের চেয়েও বেশি শক্তি উৎপন্ন করবে।
♦চীন একটি উচ্চাভিলাষী প্রকল্প ঘোষণা করেছে যা বিজ্ঞান কল্পকাহিনীর মতো শোনালেও দ্রুত বাস্তবে পরিণত হচ্ছে - মহাকাশে একটি বিশাল সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র, যা প্রায় এক কিলোমিটার প্রশস্ত। কক্ষপথে অবস্থিত, এই ভবিষ্যত বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি মেঘ, রাত বা আবহাওয়ার কোনও বাধা ছাড়াই সূর্যালোক ধারণ করবে, যা এটিকে পৃথিবীর সৌর প্যানেলের চেয়ে অনেক বেশি দক্ষ করে তুলবে।
♦ভূমি-ভিত্তিক সিস্টেমের বিপরীতে, মহাকাশ সৌর বিদ্যুৎ দিনে 24 ঘন্টা শক্তি সংগ্রহ করতে পারে, তীব্র, অপরিশোধিত সূর্যালোক শোষণ করে। এরপর শক্তি মাইক্রোওয়েভ বা লেজার বিমে রূপান্তরিত হবে এবং নিরাপদে পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনা হবে, যেখানে রিসিভিং স্টেশনগুলি এটিকে ব্যবহারযোগ্য বিদ্যুতে রূপান্তরিত করবে। বিজ্ঞানীরা অনুমান করেন যে এই একক কাঠামোটি পৃথিবীতে বর্তমানে উত্তোলিত সমস্ত তেলের সম্মিলিত শক্তির চেয়ে বার্ষিক বেশি শক্তি উৎপন্ন করতে পারে।
♦সফল হলে, এর প্রভাব বিপ্লবী। এই প্রযুক্তি জীবাশ্ম জ্বালানির উপর নির্ভরতা নাটকীয়ভাবে হ্রাস করতে পারে, বিশ্বব্যাপী কার্বন নির্গমন কমাতে পারে এবং বিদ্যুৎ ঘাটতির সাথে লড়াই করা অঞ্চলগুলিতে পরিষ্কার শক্তি সরবরাহ করতে পারে। এটি এমন এক ভবিষ্যতের দিকে একটি সাহসী পদক্ষেপের প্রতিনিধিত্ব করে যেখানে শক্তির অভাব আর মানুষের অগ্রগতির জন্য সীমাবদ্ধ কারণ থাকবে না।
♦এই প্রকল্পটি মহাকাশ উদ্ভাবন এবং পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তির নেতৃত্বে চীনের ক্রমবর্ধমান ভূমিকাও তুলে ধরে। প্রকৌশলীরা এই উন্নয়নের গুরুত্বকে থ্রি জর্জেস বাঁধ নির্মাণের সাথে তুলনা করেন - যা মানব ইতিহাসের বৃহত্তম বিদ্যুৎ প্রকল্পগুলির মধ্যে একটি - তবে মহাজাগতিক স্কেলে।
♦ব্যয়, মহাকাশ সমাবেশ এবং শক্তি সঞ্চালন দক্ষতা সহ চ্যালেঞ্জগুলি রয়ে গেলেও, মহাকাশ প্রকৌশল এবং রোবোটিক্সের দ্রুত অগ্রগতি একসময়ের অসম্ভবকে অর্জনযোগ্য করে তুলছে। যদি বাস্তবায়িত হয়, তবে এই মহাকাশ-ভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি সভ্যতা কীভাবে শহর, শিল্প এবং প্রযুক্তিকে শক্তি দেয় তা পুনরায় সংজ্ঞায়িত করতে পারে - একটি নতুন যুগের সূচনা যেখানে সূর্য সরাসরি মহাকাশ থেকে পৃথিবীকে জ্বালানি সরবরাহ করে।
#YTPost #youtubepost #chinesetechnology #chinatech #china #technology #solarenergy #solarpower #fmaruf
2 days ago | [YT] | 6
View 0 replies
FMaruf
🌎আফ্রিকা মহাদেশ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:-◼◼◼◼◼◼
➡আয়তন
৩০,২২১,৫৩২ বর্গকিলোমিটার
➡জনসংখ্যা
১৪০ কোটি
➡জনসংখ্যার ঘনত্ব
প্রতি বর্গকিলোমিটারে ৪৬ জন
➡শতকরা আয়তন
পৃথিবীর মোট আয়তনের ২০.৪%
➡শতকরা জনসংখ্যা
পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার ১৮%
➡মোট দেশ সংখ্যা
৫৪ টি স্বাধীন রাষ্ট্র (৯টি সংরক্ষিত ও বিতর্কিত অঞ্চল)
➡জাতিসংঘ ভুক্ত দেশ
৫৪ টি
➡ধর্ম
খ্রিষ্টান (৪৯%), ইসলাম (৪২%), লোকধর্ম (৮%), অন্যান্য (১%)।
➡বৃহত্তম শহর
কায়রো, গিজা, লেগোস, জোহানেসবার্গ, লুয়ান্ডা, কিনশাসা, আবিজান, নাইরোবি ও আলজিয়ার্স।
➡সবচেয়ে বড় দেশ
আলজেরিয়া
➡সবচেয়ে ছোট দেশ
সেশেলস
➡সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যার দেশ
নাইজেরিয়া
➡সবচেয়ে কম জনসংখ্যার দেশ
সেশেলস
➡সবচেয়ে ধনী দেশ
নাইজেরিয়া
➡সবচেয়ে গরিব দেশ
বুরুন্ডি
➡সর্বোচ্চ স্থান
কিলিমাঞ্জারো (৫,৮৯৫ মিটার উচু)
♦মহাদেশের বিস্তারিত ◼◼◼◼◼◼◼◼◼◼◼◼◼
➡সর্বনিম্ন স্থান
আসাল হ্রদ (সমুদ্র পৃষ্ঠতল থেকে ১৫৫ মিটার নিচে)
➡সবচেয়ে জনবহুল শহর
কিনশাসা
➡ভাষার সংখ্যা
২০০০ এর বেশি
➡সবচেয়ে জনপ্রিয় ভাষা
সোয়াহিলি (প্রায় ২০ কোটির বেশি মানুষ)
➡সবচেয়ে দামি মুদ্রা
তিউনিসিয়ান দিনার (১ তিউনিসিয়ান দিনার = ৩০ টাকা)
➡সবচেয়ে বড় নদী
নীলনদ (৬,৮৫৩ কিলোমিটার)
➡সবচেয়ে বড় সাগর
আফ্রিকার মধ্যেই কোনো সাগর নেই। তবে উত্তরে ভূমধ্যসাগর এবং উত্তর-পূর্বে লোহিত সাগরের সীমানা রয়েছে।
➡নোবেল পাওয়া মানুষের সংখ্যা
২৯ জন
#Amazing #generalknowledge #geography #africa #ContinentofAfrica #আফ্রিকামহাদেশ
1 week ago | [YT] | 8
View 0 replies
FMaruf
♦এই ছবিটি পুরো বিশ্বকে নাড়িয়ে দিয়েছিলো!!! (যেখানে সে তার ছোট্ট ভাইটিকে পিঠে বহন করছিলেন)। আর সে গর্বের সাথে বলছিলেন, "সে আমার কাছে ভারী নয়! সে আমার ভাই আর এটা কখনও আমার কাছে বোঝা নয়।")
🔺১৯৪৫ সাল। যুদ্ধবিধ্বস্ত জাপান।
এক কিশোর তার মৃ*ত ভাইকে মা*টি চা*পা দিতে পিঠে করে বয়ে নিয়ে যাচ্ছে। পথিমধ্যে এক সেনা অফিসার বিষয়টি লক্ষ্য করে কিশোরকে বললেন, "লা*শটা পিঠ থেকে ফে*লে দাও, ওটা তে অনেক ভারী! বইতে কষ্ট হচ্ছে....'
🔷কিশোরটি সাথে সাথেই দৃঢ় স্বরে জবাব দিল,
--"সে ভারী নয়, সে আমার ভাই!" কিশোরের এমন জবাবে আর্মি অফিসার হতভম্ব হয়ে গেলেন! পুরো ঘটনাটি বুঝতে কিছুক্ষণ সময় লাগে তাঁর। এরপর পুরো বিষয়টি অনুধাবন করতে পেরে হাউমাউ করে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।
🔴জানা যায়, এই ঘটনা নিমেষেই ছড়িয়ে পড়ে সমগ্র জাপান জুড়ে। সেই থেকে ছবিটি হয়ে ওঠে দেশটির ইস্পাত কঠিন ঐক্যের সমুজ্জ্বল প্রতীক। ভাইকে পিঠে তুলে নেওয়া সেই কিশোরের ওই উক্তি হয়ে যায় তাদের জাতীয়
✅স্লোগান:----🚩🚩🚩🚩🚩🚩🚩🚩🚩🚩🚩
💠💠💠 "সে বোঝা নয়, সে আমার ভাই/বোন।"
(He’s not a burden, he’s my brother/sister.) 💠💠💠
#inspiration #motivation #Info #fmaruf
2 weeks ago | [YT] | 30
View 1 reply
FMaruf
🔴বিশ্বজুড়ে খনিজ তেলের মজুদ:
বর্তমানে সারা বিশ্বে প্রমাণিত খনিজ তেলের মজুদের পরিমাণ প্রায় ১.৫৭ ট্রিলিয়ন ব্যারেল। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক জ্বালানি গবেষণা সংস্থার ২০২৬ সালের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই সংখ্যাটি সামান্য পরিবর্তিত হতে পারে, তবে এটি নিশ্চিত যে পৃথিবীর ভূগর্ভে এখনও বিশাল তেলের ভাণ্ডার অবশিষ্ট রয়েছে। এই তেলের সিংহভাগই মূলত মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ আমেরিকা এবং উত্তর আমেরিকার কয়েকটি নির্দিষ্ট দেশে পুঞ্জীভূত।
🔵এই তেল আগামীতে কত বছর চলবে?
বর্তমান বিশ্বে তেলের ব্যবহারের হার এবং চাহিদার ওপর ভিত্তি করে বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন যে, এই মজুদ দিয়ে বিশ্ব আরও প্রায় ৪৭ থেকে ৫০ বছর চলতে পারবে। তবে এটি কোনো স্থির সময়সীমা নয়। এর পেছনে কয়েকটি কারণ কাজ করে। প্রথমত, আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে এখন এমন সব উৎস থেকে তেল উত্তোলন করা সম্ভব হচ্ছে যা আগে অসম্ভব ছিল। দ্বিতীয়ত, যদি নতুন কোনো বড় তেলের খনি আবিষ্কৃত হয়, তবে এই মেয়াদ আরও বাড়বে। আবার বিপরীতভাবে, যদি বিশ্বজুড়ে তেলের চাহিদা দ্রুত কমে যায় এবং মানুষ সৌরশক্তি বা ইলেকট্রিক গাড়ির দিকে ঝুঁকে পড়ে, তবে বর্তমান মজুদ দিয়ে আরও অনেক বেশি সময় চলা সম্ভব হবে।
🔴শীর্ষ তেলসমৃদ্ধ দেশগুলোর বিবরণ:
বিশ্বের অধিকাংশ তেলের মজুদ হাতেগোনা কয়েকটি দেশের হাতে রয়েছে। তালিকায় সবার উপরে রয়েছে ভেনেজুয়েলা। দেশটির মাটির নিচে ৩০৩ বিলিয়ন ব্যারেলেরও বেশি তেল রয়েছে, যা বিশ্বের মোট মজুদের প্রায় ১৮ শতাংশ। তবে সেখানকার তেল অত্যন্ত ঘন বা ভারী হওয়ায় তা উত্তোলন করা বেশ ব্যয়বহুল। এরপরই রয়েছে সৌদি আরব। সৌদি আরবের মজুদের পরিমাণ প্রায় ২৬৭ বিলিয়ন ব্যারেল। তাদের তেলের মান যেমন উন্নত, তেমনি উত্তোলনের খরচও অনেক কম। তৃতীয় অবস্থানে থাকা ইরান এবং পঞ্চম অবস্থানে থাকা ইরাক—উভয় দেশই মধ্যপ্রাচ্যের তেলের রাজনীতিতে বড় শক্তি। চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে কানাডা, যেখানে বিপুল পরিমাণ তেল 'অয়েল স্যান্ড' বা বালু মিশ্রিত অবস্থায় পাওয়া যায়। এছাড়া কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং রাশিয়ার নামও এই তালিকায় ওপরের দিকেই থাকে।
🔴গ্রিনল্যান্ডে তেলের উপস্থিতি:
গ্রিনল্যান্ড নিয়ে অনেক আগে থেকেই জল্পনা ছিল যে এর বরফের নিচে বিপুল পরিমাণ তেলের খনি লুকিয়ে আছে। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ অনুযায়ী, গ্রিনল্যান্ডের উত্তর-পূর্ব উপকূলে প্রায় ৩১ থেকে ৫০ বিলিয়ন ব্যারেল তেলের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বর্তমানে সেখানে কোনো বাণিজ্যিক তেল উৎপাদন হচ্ছে না। এর মূল কারণ হলো পরিবেশ রক্ষা। ২০২১ সালে গ্রিনল্যান্ড সরকার জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি এড়াতে এবং তাদের সমুদ্র ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা করতে নতুন করে সব ধরনের তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান পুরোপুরি নিষিদ্ধ করেছে। এছাড়া সেখানকার প্রচণ্ড শীত এবং ভাসমান বরফের মধ্যে তেল উত্তোলন করা যেমন কঠিন, তেমনি অত্যন্ত ব্যয়বহুল।
#YouTubepost #donaldtrump #greenland #fmaruf
2 weeks ago | [YT] | 0
View 0 replies
FMaruf
🔴কেনিয়ায়, উদ্ভাবনী মোবাইল সোলার ভ্যানের একটি বহর প্রত্যন্ত গ্রামগুলিতে পরিষ্কার জলের অ্যাক্সেসকে রূপান্তরিত করছে - চলমান বৃষ্টির জল ফিল্টার এবং বিশুদ্ধকরণের মাধ্যমে। প্রতিটি ভ্যান ছাদের সৌর প্যানেল দিয়ে সজ্জিত যা উচ্চ-দক্ষতা সম্পন্ন পরিস্রাবণ ইউনিটগুলিকে প্রতিদিন 2,000 লিটার পর্যন্ত জল পরিশোধন করতে সক্ষম করে। স্থায়ী অবকাঠামোর অভাব রয়েছে এমন সম্প্রদায়ের মধ্যে ভ্রমণের জন্য ডিজাইন করা, এই ভ্যানগুলি সংগ্রহ করা বৃষ্টির জল সংগ্রহ করে বা স্থানীয় স্টোরেজ ট্যাঙ্কে ট্যাপ করে, তারপর মাল্টি-স্টেজ ফিল্টার, ইউভি জীবাণুমুক্তকরণ এবং সৌর-চালিত পাম্প ব্যবহার করে তা বিশুদ্ধ করে।
🔵একবার পরিশোধিত হয়ে গেলে, পরিষ্কার জল সাধারণ ট্যাঙ্কে বিতরণ করা হয়, যা রান্না, পানীয় এবং স্বাস্থ্যবিধির জন্য নিরাপদ। কিছু ভ্যান পুনর্ব্যবহারযোগ্য পাত্র এবং সহজ জল শিক্ষা কর্মশালাও অফার করে, যা পরিবারগুলিকে নিরাপদ সংরক্ষণ পদ্ধতি এবং পরিষ্কার জলের স্বাস্থ্য উপকারিতা বুঝতে সাহায্য করে। পুরো ব্যবস্থাটি অফ-গ্রিডে চলে - যা নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎবিহীন গ্রামীণ অঞ্চলের জন্য এটিকে আদর্শ করে তোলে।
🔴দীর্ঘস্থায়ী খরা এবং বিচ্ছিন্ন অঞ্চলে বোতলজাত বা পরিশোধিত পানি পরিবহনের উচ্চ খরচের প্রতিক্রিয়ায় এই মোবাইল স্টেশনগুলি চালু করা হয়েছিল। এখন, কেবল সূর্যালোক এবং স্মার্ট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সাহায্যে, ভ্যানগুলি হাজার হাজার মানুষের জীবন রক্ষাকারী। এগুলি কেবল তাৎক্ষণিক ত্রাণই প্রদান করে না বরং স্থিতিস্থাপকতার মোবাইল হাব হিসেবেও কাজ করে - অসুস্থতা হ্রাস, স্কুলে উপস্থিতি উন্নত করা এবং সম্প্রদায়ের স্বাস্থ্যকে শক্তিশালী করা।
🔵কেনিয়ার জলাবদ্ধ অঞ্চলে, এই সৌর ভ্যানগুলি কেবল যানবাহন নয় - এগুলি চাকার উপর আশার আলো, প্রতিটি সূর্যোদয়ের সাথে সাথে নীরবে পৌঁছে যায়।
(এআই প্রতীকী ছবি)
#ytpost #motivation #inspiration #kenya #watersupply #fmaruf
2 weeks ago | [YT] | 17
View 0 replies
FMaruf
🔵পৃথিবীর সবচেয়ে শীতলতম স্থানগুলোর তালিকা করলে প্রথমেই আসবে জনমানবহীন অ্যান্টার্কটিকা এবং এরপর সাইবেরিয়ার বিভিন্ন জনপদ। এই চরম প্রতিকূল পরিবেশে মানুষের জীবনযাপন যেমন কষ্টকর, তেমনই বিস্ময়কর।
নিচে পৃথিবীর শীতলতম ১০টি স্থানের বর্ণনা এবং সেখানকার জীবনযাত্রার বিবরণ দেওয়া হলো:
🔴১. ডোম ফুজি (Dome Fuji), অ্যান্টার্কটিকা
এটি পৃথিবীর শীতলতম স্থান হিসেবে পরিচিত। ২০১০ সালে এখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল -৯২.৩° সেলসিয়াস।
🎥জীবনযাপন: এখানে কোনো স্থায়ী জনবসতি নেই। তবে একটি জাপানি গবেষণা কেন্দ্র রয়েছে। গবেষকরা এখানে বিশেষ ধরনের 'আইসোলেটেড মডিউল'-এ থাকেন এবং তুষার ঝড় ও তীব্র ঠান্ডার কারণে অধিকাংশ সময় ঘরের ভেতরেই কাটান।
🔴২. ভোস্তক স্টেশন (Vostok Station), অ্যান্টার্কটিকা
রুশ গবেষণা কেন্দ্রটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে অনেক উচ্চতায় অবস্থিত। ১৯৮৩ সালে এখানে তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল -৮৯.২° সেলসিয়াস।
🎥জীবনযাপন: এখানে কেবল ২৫-৩০ জন বিজ্ঞানী শীতকালে অবস্থান করেন। খাবার হিসেবে মূলত টিনজাত ও ফ্রোজেন মাংস ব্যবহার করা হয়। বাইরে বের হতে হলে কয়েক স্তরের বিশেষ পোশাক এবং অক্সিজেন মাস্কের প্রয়োজন হতে পারে।
🔴৩. অয়মিয়াকন (Oymyakon), রাশিয়া
এটি পৃথিবীর সবচেয়ে শীতলতম স্থায়ী জনপদ। ১৯৩৩ সালে এখানে তাপমাত্রা -৭১.২° সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমেছিল।
🎥জীবনযাপন: এখানকার মানুষ মূলত ঘোড়া ও হরিণ পালন এবং মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে। পাইপলাইনের পানি জমে যাওয়ায় মানুষ বরফ গলিয়ে পানি পান করে। এখানে গাড়ি চালু রাখলে তা বন্ধ করা হয় না, কারণ ইঞ্জিন একবার জমে গেলে পুনরায় চালু করা অসম্ভব হয়ে পড়ে।
🔴৪. ডেনালি (Denali), আলাস্কা
উত্তর আমেরিকার সর্বোচ্চ এই পর্বতশৃঙ্গে ২০০৩ সালে তাপমাত্রা -৭৩° সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছিল।
🎥জীবনযাপন: পর্বতারোহী এবং পর্যটকরা এখানে যান, তবে স্থায়ী কোনো বসতি নেই। তবে কাছাকাছি কোভুকোন (Koyukon) নামক আদিবাসী সম্প্রদায় বাস করে যারা তীব্র শীতের সাথে খাপ খাইয়ে নিয়েছে।
🔴৫. ভারখয়ানস্ক (Verkhoyansk), রাশিয়া
সাইবেরিয়ার এই শহরে তাপমাত্রা -৬৯.৮° সেলসিয়াস পর্যন্ত নামে। তবে গ্রীষ্মকালে এখানকার তাপমাত্রা আবার ৩০° সেলসিয়াসের ওপরে চলে যায়।
🎥জীবনযাপন: এখানে বসবাসকারী ১,০০০-এর মতো মানুষ মূলত পশম ব্যবসায় এবং খনি শিল্পের ওপর নির্ভরশীল। শীতকালে মাছের বাজারে মাছগুলো পাথরের মতো শক্ত হয়ে জমে থাকে, তাই সেগুলো আলাদাভাবে কাটার প্রয়োজন হয় না।
🔴৬. ইয়াকুৎস্ক (Yakutsk), রাশিয়া
এটি পৃথিবীর শীতলতম বড় শহর। গড় তাপমাত্রা এখানে -৪০° সেলসিয়াস থাকে।
🎥জীবনযাপন: ৩ লক্ষাধিক মানুষের এই শহরে জীবনযাত্রা বেশ আধুনিক। তবে প্রতি পদক্ষেপে সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়। যেমন, ১০-১৫ মিনিটের বেশি কেউ বাইরে দাঁড়িয়ে থাকে না, কারণ তাতে চোখের পাপড়িও জমে যেতে পারে।
🔴৭. ক্লিঙ্ক রিসার্চ স্টেশন (Klink Research Station), গ্রিনল্যান্ড
গ্রিনল্যান্ডের বরফ চাদরের ওপর অবস্থিত এই স্টেশনে তাপমাত্রা -৬৯.৪° সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।
🎥জীবনযাপন: এটি একটি সম্পূর্ণ গবেষণাকেন্দ্র। এখানকার কর্মীরা ছয় মাস অন্ধকারের (Polar Night) মধ্যে অতিবাহিত করেন এবং বাইরে যাওয়ার জন্য স্লেজ কুকুরের সাহায্য নেন।
🔴৮. স্ন্যাগ (Snag), কানাডা
কানাডার ইউকন অঞ্চলে অবস্থিত এই গ্রামে ১৯৪৭ সালে তাপমাত্রা ছিল -৬৩° সেলসিয়াস।
🎥জীবনযাপন: একসময় এখানে বিমানঘাঁটির কর্মীরা থাকতেন। তীব্র শীতে এখানে শব্দ অনেক দূর পর্যন্ত প্রতিধ্বনিত হয়—বলা হয় যে কয়েক মাইল দূরের কুকুরের ডাকও পরিষ্কার শোনা যেত। বর্তমানে এটি প্রায় পরিত্যক্ত।
🔴৯. ইউলানবাটর (Ulaanbaatar), মঙ্গোলিয়া
এটি পৃথিবীর শীতলতম রাজধানী শহর। শীতকালে তাপমাত্রা -৪০° সেলসিয়াস পর্যন্ত নামে।
🎥জীবনযাপন: এখানকার অর্ধেক মানুষ 'গের' (Ger) নামক ঐতিহ্যবাহী পোর্টেবল তাঁবুতে বাস করে। এই তীব্র শীতে গরম থাকতে তারা কয়লার উনুন ব্যবহার করে।
🔴১০. ইউরেকা (Eureka), কানাডা
আর্কটিক সার্কেলের ভেতরে অবস্থিত এই আবহাওয়া স্টেশনে তাপমাত্রা -৪০° সেলসিয়াস এর নিচে থাকে বছরের অধিকাংশ সময়।
🎥জীবনযাপন: এখানে মূলত অস্থায়ী বৈজ্ঞানিক দল যাতায়াত করে। হেলিকপ্টার বা বিমানে করে খাবার ও প্রয়োজনীয় রসদ পাঠানো হয়।
🔷শীতলতম স্থানে জীবনযাত্রার বিশেষ বৈশিষ্ট্য:
✅খাদ্যভাস: শাকসবজি খুব একটা পাওয়া যায় না বলে মানুষ মূলত মাংস (হরিণ, ঘোড়া বা সিল) এবং উচ্চ চর্বিযুক্ত খাবার খেয়ে শরীরের তাপমাত্রা ঠিক রাখে।
✅পোশাক: পশুর চামড়া (বিশেষ করে বলগা হরিণের চামড়া) থেকে তৈরি জুতো এবং পোশাকই এখানে শ্রেষ্ঠ সুরক্ষা দেয়।
✅শিক্ষা ও কাজকর্ম: অয়মিয়াকনের মতো জায়গায় তাপমাত্রা -৫২° সেলসিয়াস না হওয়া পর্যন্ত স্কুল বন্ধ দেওয়া হয় না। শিশুরা এই তীব্র ঠান্ডাতেও স্কুলে যায়।
✅মৃতদেহ সৎকার: এখানে জমি খুঁড়তে হলে আগুনের কুণ্ডলী তৈরি করে বরফ গলাতে হয়, যা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য কাজ।
#YTlifestyle #cold #coldest #fmaruf
2 weeks ago | [YT] | 26
View 0 replies
FMaruf
🔴একটি একক মেঘের ওজন দশ লক্ষ পাউন্ডেরও বেশি হতে পারে।
🔵আকাশ জুড়ে ভেসে বেড়াচ্ছে সেই হালকা, তুলতুলে মেঘ? আসলে এর ওজন দশ লক্ষ পাউন্ডেরও বেশি হতে পারে।
মেঘ কোটি কোটি মাইক্রোস্কোপিক জলকণা বা বরফের স্ফটিক দিয়ে তৈরি।
🔴প্রতিটি ফোঁটা এত ছোট যে বায়ু প্রতিরোধ এবং ক্রমবর্ধমান বায়ুপ্রবাহ এটিকে স্থগিত রাখে, যদিও মোট ভর বিশাল।
যেহেতু ফোঁটাগুলো এত বিশাল আয়তনে ছড়িয়ে থাকে, তাই ওজন কোনও কঠিন বস্তুর মতো অনুভূত হয় না।
🔵যখন ফোঁটাগুলো সংঘর্ষে লিপ্ত হয়, মিশে যায় এবং যথেষ্ট বড় হয়, কেবল তখনই মাধ্যাকর্ষণ শক্তি অবশেষে দখল করে নেয় এবং মেঘ তার ওজন বৃষ্টি হিসেবে ছেড়ে দেয়।
🔴এটি প্রকৃতির নীরব বিভ্রমগুলির মধ্যে একটি: এমন কিছু যা ওজনহীন দেখায়...পাহাড়ের ভর বহন করে।
#youtubepost #science #gk #importangk
2 weeks ago | [YT] | 17
View 0 replies
FMaruf
🔴নরওয়ে বিশ্বের সবচেয়ে গভীর এবং দীর্ঘতম পানির নিচের সড়ক টানেল নির্মাণ করছে, এটি ২ বিলিয়ন ডলারের একটি মেগাপ্রকল্প যা সমুদ্রের তলদেশে ১,৩০০ ফুট (৩৯২ মিটার) গভীরে চলবে।
🔷রগফাস্ট টানেল নামে পরিচিত, এটি ২৭ কিলোমিটার (১৭ মাইল) জুড়ে বিস্তৃত হবে, যা স্ট্যাভাঙ্গার এবং হাউগাল্যান্ডেটকে সংযুক্ত করবে। ভ্রমণের সময় ৪০ মিনিট কমানোর জন্য ডিজাইন করা এই টানেলটি বাণিজ্য এবং প্রতিদিনের যাত্রীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ রুট হবে।
🔶ইঞ্জিনিয়ারিং চ্যালেঞ্জ বিশাল - শ্রমিকদের কঠিন পাথরের মধ্য দিয়ে খনন করতে হবে, পানির নিচে প্রচণ্ড চাপ সহ্য করতে হবে এবং জরুরি পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। এই সমস্যা সমাধানের জন্য, টানেলটিতে অত্যাধুনিক বায়ুচলাচল, পালানোর পথ এবং উচ্চ প্রযুক্তির পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
🔯সম্পূর্ণ হলে, রগফাস্ট প্রকৌশলের এক বিস্ময় হিসেবে দাঁড়াবে, যা প্রমাণ করবে যে মানুষের বুদ্ধিমত্তা দিয়ে সমুদ্রও অতিক্রম করা সম্ভব।
#Norway #youtubepost
4 weeks ago | [YT] | 27
View 0 replies
FMaruf
মনোনয়নপত্র কিনলেন সারজিস!
1 month ago | [YT] | 16
View 0 replies
FMaruf
🇨🇳চীনের শিক্ষা ব্যবস্থা এখন পর্যন্ত সবচেয়ে তীব্র পর্যায়ে প্রবেশ করছে - এবং এটি সবই AI আধিপত্যের জন্য বিশ্বব্যাপী প্রতিযোগিতার দ্বারা ইন্ধনপ্রাপ্ত। কিছু স্কুল তাদের শিক্ষার দিনগুলি প্রায় 14 ঘন্টা পর্যন্ত বাড়িয়েছে, পাঠ্যক্রম বহির্ভূত কার্যকলাপগুলিকে সম্পূর্ণরূপে গণিত, কোডিং, ডেটা বিজ্ঞান এবং উচ্চ-কার্যক্ষমতাসম্পন্ন শিক্ষার উপর মনোনিবেশ করার জন্য বাদ দিয়েছে।
🇨🇳অনেক শিক্ষার্থীর কাছে, স্কুলের দিনটি এখন ভবিষ্যতের প্রকৌশলী, গবেষক এবং AI বিশেষজ্ঞ তৈরির জন্য তৈরি একটি উচ্চ-চাপ প্রশিক্ষণ ক্ষেত্র বলে মনে হয়। শিক্ষকরা অতিরিক্ত কাজের চাপের কথা জানান, অভিভাবকরা গর্ব এবং উদ্বেগ উভয়ই অনুভব করেন এবং শিক্ষার্থীরা উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং ক্লান্তির মধ্যে উত্তেজনায় আটকে থাকে।
🇨🇳সমর্থকরা যুক্তি দেন যে এই মডেলটি পরবর্তী প্রজন্মকে অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক প্রযুক্তিগত ক্যারিয়ারের জন্য প্রস্তুত করছে। এমন একটি বিশ্বে যেখানে AI সবকিছুকে পুনর্গঠন করছে - চিকিৎসা থেকে শুরু করে জাতীয় নিরাপত্তা - চীন বিশ্বাস করে যে শক্তিশালী একাডেমিক শৃঙ্খলা এমন একটি কর্মীবাহিনী তৈরি করবে যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্যান্য বিশ্বব্যাপী প্রতিযোগীদের ছাড়িয়ে যেতে পারে।
🇨🇳কিন্তু সমালোচকরা খরচ সম্পর্কে সতর্ক করে দিয়েছেন। পাঠ্যক্রম বহির্ভূত পাঠ্যক্রম বাদ দেওয়ার অর্থ সৃজনশীলতা, সামাজিক বিকাশ, শারীরিক স্বাস্থ্য এবং মানসিক ভারসাম্যের জন্য কম সময়। উদ্বেগের বিষয় হল যে একাডেমিক পরিপূর্ণতার জন্য চাপ দেওয়া উদ্ভাবনের জন্য প্রয়োজনীয় কল্পনাপ্রসূত চিন্তাভাবনাকে দমন করতে পারে।
🇨🇳চীন যখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নেতৃত্ব অর্জনের প্রচেষ্টাকে ত্বরান্বিত করছে, তখন তার শিক্ষার্থীদের একটি জাতীয় কৌশলের কেন্দ্রবিন্দুতে রাখা হচ্ছে - যা শিক্ষার ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় প্রশ্ন উত্থাপন করে। সুষম প্রবৃদ্ধির আগে কি একাডেমিক অর্জন আসা উচিত? নাকি সত্যিকারের উদ্ভাবনের স্বাধীনতা, বিশ্রাম এবং অন্বেষণের প্রয়োজন?
🇨🇳উত্তর যাই হোক না কেন, একটি বিষয় স্পষ্ট: বিশ্বব্যাপী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিযোগিতা কেবল ল্যাব এবং বোর্ডরুমেই ঘটছে না - এটি শ্রেণীকক্ষের ভিতরেই বিকশিত হচ্ছে, লক্ষ লক্ষ তরুণ মনের জীবনকে রূপ দিচ্ছে যারা প্রযুক্তির পরবর্তী যুগকে সংজ্ঞায়িত করবে।
#ChinaEducationSystem
1 month ago | [YT] | 11
View 0 replies
Load more