Gyan Maha Samudra

জ্যোতিষ শাস্ত্র, বাস্তু শাস্ত্র, সংখ্যাতত্ত্ব , হস্তরেখা বিশ্লেষণ, বিভিন্ন টিপস্, টোটকা ও উৎসব, পূজা, পার্বণ , তিথিতে ভাগ্য উন্নতির উপায় জানতে এবং কিছু জ্ঞান অর্জন করতে SUBSCRIBE করুন "জ্ঞান মহা সমুদ্র" চ্যানেলটি।

"বিশ্বাসে সফলতা বিশ্বাসই ভক্তি,
বিশ্বাসে বিশ্ব খু্ঁজে পায় শক্তি ।"

GYAN MAHA SAMUDRA


Gyan Maha Samudra

17.09.2025. ইন্দিরা একাদশী: কেন পালন করা হয় এবং এর গুরুত্ব ---
ইন্দিরা একাদশী একটি বিশেষ তিথি যা হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা অত্যন্ত ভক্তি সহকারে পালন করেন। এটি আশ্বিন মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশী তিথিতে পালিত হয়। এই ব্রত পালনের মূল উদ্দেশ্য হলো মৃত পূর্বপুরুষদের আত্মা শান্তি দেওয়া এবং তাদের নরক থেকে মুক্তি পাইয়ে স্বর্গে স্থান পেতে সাহায্য করা।
ব্রত পালনের কারণ ও পৌরাণিক তাৎপর্য
ইন্দিরা একাদশীর ব্রতকথা ভবিষ্যোত্তর পুরাণে শ্রীকৃষ্ণ এবং মহারাজ যুধিষ্ঠিরের কথোপকথনের মাধ্যমে বর্ণিত আছে। এই কাহিনীর মূল চরিত্র হলেন মহারাজ ইন্দ্রসেন, যিনি মাহিমতী নগরের রাজা ছিলেন।
একবার নারদ মুনি ব্রহ্মলোক থেকে নেমে এসে মহারাজ ইন্দ্রসেনকে জানান যে তাঁর পিতা পূর্বজন্মে কোনো পাপের কারণে নরকে অবস্থান করছেন। নারদ মুনি রাজাকে বলেন যে, যদি তিনি ইন্দিরা একাদশীর ব্রত নিষ্ঠা সহকারে পালন করেন, তবে তাঁর পিতার আত্মা নরক থেকে মুক্তি পেয়ে স্বর্গে যাবে।
মহারাজ ইন্দ্রসেন তখন নারদ মুনির উপদেশ অনুসারে এই ব্রত পালনের সিদ্ধান্ত নেন। তিনি তাঁর পরিবার এবং প্রজাদের সঙ্গে একাদশীর উপবাস শুরু করেন। এই ব্রতের প্রভাবে তাঁর পিতার আত্মা নরকের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেয়ে বৈকুণ্ঠ অর্থাৎ বিষ্ণুর ধামে স্থান পায়।
ইন্দিরা একাদশীর গুরুত্ব
এই ব্রত কেবল পূর্বপুরুষদের মুক্তি দেয় না, বরং এটি পালনকারীকেও অনেক পুণ্যফল প্রদান করে। এই দিনে উপবাস ও বিষ্ণু পূজা করলে নিম্নলিখিত উপকারগুলো পাওয়া যায়:
* পিতৃপুরুষদের মুক্তি: এই ব্রত পালনের প্রধান লক্ষ্য হলো মৃত পূর্বপুরুষদের আত্মা শান্তি দেওয়া এবং তাদের নরক থেকে মুক্তি দান।
* পাপমুক্তি: এই ব্রত পালন করলে সমস্ত পাপ ধুয়ে যায় এবং মন শুদ্ধ হয়।
* সফলতা ও সমৃদ্ধি: এটি জীবনে সুখ, শান্তি এবং সমৃদ্ধি নিয়ে আসে।
* বিষ্ণুর আশীর্বাদ: এই দিনে বিষ্ণুর আরাধনা করলে ভগবান বিষ্ণু সন্তুষ্ট হন এবং ব্রত পালনকারীকে আশীর্বাদ করেন।
এককথায়, ইন্দিরা একাদশী হলো পিতৃপুরুষদের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার এক অনন্য উপায়। এটি আমাদের পূর্বপুরুষদের আত্মার শান্তি কামনার একটি সুযোগ দেয় এবং একই সাথে আমাদের নিজেদের জীবনকে পবিত্র ও পুণ্যময় করে তোলে।

3 months ago | [YT] | 19

Gyan Maha Samudra

🌼🌼🌼🌼🌼🌼🌼🌼🌼🌼🙏🙏🙏

4 months ago | [YT] | 9

Gyan Maha Samudra

"ফল" মানে ফলাফল বা কর্মফল এবং "হারিনী" মানে হরণকারী। অর্থাৎ, যিনি ভক্তের সমস্ত পাপ ও কষ্টের ফল হরণ করেন – তিনি হলেন ফলহারিনী কালী।

7 months ago | [YT] | 2

Gyan Maha Samudra

🌼🔱🌼🌼🌺🪔🪔🪔

8 months ago | [YT] | 10

Gyan Maha Samudra

11 months ago | [YT] | 10

Gyan Maha Samudra

আজ রাস পূর্ণিমা । রাস শুধুমাত্র বৈষ্ণবদের কাছে পালনীয় তা নয়। এই বিশেষ উৎসব অনেকের কাছেই খুব প্রিয়। বৈষ্ণবদের কাছে এই উৎসব হল ভক্ত ও ভগবানের মিলনের উৎসব। এই উৎসব বিভিন্ন জায়গায় নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করা হয়। এই দিনটি অত্যন্ত শুভ দিন। এই দিন বিশেষ কিছু উপায়ের মাধ্যমে ভাগ্যকে সদা সহায় করা যায়।

1 year ago | [YT] | 0

Gyan Maha Samudra

ভূত চতুর্দশীতে কেন ১৪ প্রদীপ জ্বালানো হয়?

প্রচলিত বিশ্বাস অনুসারে ভূত চতুর্দশীর দিনে কিছু সময়ের জন্য স্বর্গ ও নরকের দ্বার খুলে যায়, তখন আত্মারা মর্ত্যে নেমে আসেন। ভূত-প্রেত নিয়ে এদিন রাজা বলিও মর্ত্যে আসেন বলে মনে করা হয়। এই দিনে অশুভ শক্তির প্রকোপ বৃদ্ধি পায় বলে একটা বিশ্বাস প্রচলিত আছে। এই অশুভ শক্তিকে নিজের বাড়ি থেকে দূরে রাখতেই ১৪ প্রদীপ জ্বালানো হয়ে থাকে। যেহেতু দিনটি চতুর্দশী, তাই ১৪টি প্রদীপই জ্বালানো হয়।

অন্য একটি ধারণা অনুসারে ভূত চতুর্দশী তিথিতে মর্ত্যে আসেন পূর্বপুরুষরা, সেদিনই ফিরেও যান তাঁরা। অমাবস্যার আগের রাতে অন্ধকারে তাঁদের পথ দেখাতে ১৪টি প্রদীপ জ্বালানো হয়। যে বাড়িতে ১৪ প্রদীপ জ্বালানো হয়, সেই বাড়ির সদস্যরা যে তাদের প্রয়াত পূর্বপুরুষদের ভুলে যায়নি, এভাবেই তা প্রমাণিত হয়।

আবার ভূত চতুর্দশী তিথিটি অনেক জায়গায় যম চতুর্দশী নামেও পরিচিত। এই দিনে যমরাজের নামে প্রদীপ জ্বালালে অকাল মৃত্যুর ভয় এড়ানো যায় বলে প্রচলিত বিশ্বাস। এদিন ১৪ জন যমের উদ্দেশে তর্পণের রীতি আছে। এই ১৪ যম হলেন, ধর্মরাজ, মৃত্যু, অন্তক, সর্বভূতক্ষয়, বৃকোদর, বৈবস্বত, উড়ুম্বর, কাল, যম, দধ্ন, পরমেষ্ঠী, নীন, চিত্র ও চিত্রগুপ্ত। পদ্মপুরাণে বলা আছে ভূত চতুর্দশীতে গঙ্গা স্নান করলে নরক যন্ত্রণা কম সহ্য করতে হয়।

ভূত চতুর্দশীতে ১৪ শাক কেন খাওয়া হয়?

ভূত চতুর্দশীর দিনে ১৪ ধরনের শাক খাওয়ার রীতি প্রচলিত আছে। এই ১৪টি শাক হল - ওল, কেও, বেতো, কালকাসুন্দা, নিম, সরষে, শালিঞ্চা বা শাঞ্চে, জয়ন্তী, গুলঞ্চ, পলতা, ঘেঁটু বা ভাঁট, হিঞ্চে, শুষনি, শেলু। এই ১৪ শাক ঋতু পরিবর্তনের সময় খেলে আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে। আসলে হেমন্তকালের এই সময় তখন আস্তে আস্তে শীত পড়ে। এই সময় সর্দি কাশি-সহ নানা ধরনের রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। সেই সব রোগ মোকাবিলার জন্যই শাস্ত্রকাররা এদিন ১৪ শাক খাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন বলে মনে করা হয়।

1 year ago | [YT] | 2

Gyan Maha Samudra

পাপাঙ্কুশা একাদশী ব্রতকথা

পুরাণ অনুযায়ী বিন্ধ্যাচল পর্বতে ক্রোধন নামক এক শিকারী বসবাস করত। সে অত্যন্ত নিষ্ঠুর ও হিংস্র ছিল। হিংসা, লুটপাট, মদ্যপান ও কুসঙ্গে তার সম্পূর্ণ জীবন অতিবাহিত হয়। একদিন অকস্মাৎ জঙ্গলে তপস্যারত অঙ্গিরা ঋষির সঙ্গে তার দেখা হয়। অঙ্গিরা ঋষিকে ক্রোধন জানায় যে, সে একজন শিকারী তাই অনের নিরীহ পশু-পক্ষীর হত্যা করতে হয়েছে। সে বলে যে, সমস্ত জীবন পাপ-কার্য করেছে, এর ফলস্বরূপ তাঁকে নরকে যেতে হবে। তখন ক্রোধন অঙ্গিরা ঋষির কাছ থেকে পাপস্খলন ও মোক্ষলাভের উপায় জানতে চায়। এর পরই তাকে আশ্বিন শুক্লপক্ষের একাদশী তিথিতে নিয়ম অনুযায়ী পুজো করতে বলেন।

ঋষি অঙ্গিরার পরামর্শ অনুযায়ী ওই শিকারী উপবাস রাখে। নিয়ম মেনে বিষ্ণুর পুজো করেন এবং উপবাস রাখেন। বিষ্ণুর আশীর্বাদে শিকারীর সমস্ত পাপ দূর হয়। শিকারীর মৃত্যুর পর যমদূত যখন তাঁকে নিতে আসে, তখন সে চমৎকার দেখে আশ্চর্যচকিত হয়ে পড়েন। কারণ পাপাঙ্কুশা একাদশীর প্রভাবে তাঁর সমস্ত পাপ দূর হয়ে গিয়েছিল। খালি হাতে ফিরে আসতে হয় যমদূতকে। বিষ্ণুর আশীর্বাদে বৈকুণ্ঠ লোকে গমন করে।

1 year ago | [YT] | 3