The Galposalpo is the knowledgeable YouTube channel where you can get the biographies and life stories of of great people as well as different discussion on great trending topics of your surroundings and the whole world... Unknown facts and to-the-point topic regarding big personalities or events are the main focus of this channel.. Actually this channel is trying to be different from the rest ... If you click my channel, you definitely have the awesome flavour of life, society and civilization ... Please watch the videos and express your feelings in the comment box...If you like the videos, please hit the like button...If you don't like the videos, please tell the defects you find in the video...Your views are essential so that this channel could be more perfect...Feel free to subscribe the channel....Please, press the bell icon to get early notifications for new videos of this channel....Thanks a lot.....
The Galposalpo
1 week ago | [YT] | 155
View 10 replies
The Galposalpo
স্রোতের বিরুদ্ধে একা/-
ইংল্যান্ডের ঐতিহাসিক শহর অক্সফোর্ড। সেখানে ১৯৭২ সাল থেকে বসবাস শুরু করেছিলেন এমন একজন বাঙালি লেখক ও চিন্তাবিদ যাঁর অসামান্য পাণ্ডিত্য, স্মৃতিশক্তি এবং ইউরোপীয় সংস্কৃতির উপর তাঁর গভীর জ্ঞান তাবড় তাবড় তৎকালীন ইংরেজ পণ্ডিতদের স্তম্ভিত করেছিল, আজও তিনি ব্যতিক্রমী হিসেবেই চিহ্নিত।
সেই শহরের সাধারণ অধিবাসীদের কাছে তিনি ছিলেন এক অত্যন্ত কৌতূহলোদ্দীপক চরিত্র। বাইরে বের হলে খাঁটি বিলেতি জেন্টলম্যানের মতো থ্রি-পিস সুট, মাথায় হ্যাট ও হাতে ছড়ি নিয়ে ঘুরে বেড়াতেন; অথচ নিজের বাড়ির ভেতরে তিনি পুরোপুরি বাঙালি আভিজাত্য বজায় রাখতেন—পায়ে চটি, পরনে ধুতি ও সুতির পাঞ্জাবি। সেই শহরেই এই মানুষটি শতবর্ষ অতিক্রম করে আরো প্রায় দু'বছর পরে ধূলিধুসরিত এই পৃথিবীকে বিদায় জানিয়েছিলেন। তিনি ছিলেন বিংশ শতাব্দীর ভারতীয় ইংরেজি সাহিত্যের প্রথাবিরোধী, বিতর্কিত, অনন্য মননশীল ব্যক্তিত্ব নীরদচন্দ্র চৌধুরী, সংক্ষেপে নীরদ সি চৌধুরী।
১৯৫১ সালে ইংল্যান্ডের বিখ্যাত প্রকাশনা সংস্থা থেকে প্রকাশিত হয় তাঁর ধ্রুপদী আত্মজীবনী “The Autobiography of an Unknown Indian”। বইটি প্রকাশের সাথে সাথেই বিশ্ব সাহিত্যে তাঁর জ্ঞান ও প্রজ্ঞা স্বীকৃতি পেল, কিন্তু একই সাথে সদ্য স্বাধীন হওয়া ভারতে এটি এক অভূতপূর্ব রাজনৈতিক ও সামাজিক বিতর্কের জন্ম দিল।
বইটির সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর অংশটি ছিল বইয়ের উৎসর্গপত্র, যেখানে লেখক অকুণ্ঠভাবে বইটি উৎসর্গ করেছিলেন "ভারতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের স্মৃতির উদ্দেশ্যে"। তিনি লিখেছিলেন যে, ভারতের ভেতরে যা কিছু শ্রেষ্ঠ, জীবিত ও গতিশীল, তা ব্রিটিশ শাসনের প্রভাবেই শেকড় গেড়েছে ও বিকশিত হয়েছে। সাম্রাজ্যবাদের এই প্রকাশ্য ঐতিহাসিক সমর্থন সদ্য স্বাধীন দেশের রাজনীতিতে এক বিরাট সংঘাত তৈরি করে। রাষ্ট্রের জাতীয়তাবাদী আবেগে বইটি ছিল এমনই এক চরম আঘাত যে সমকালীন ভারতীয় সাহিত্যিকেরা নীরদচন্দ্রকে "শেষ ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদী" বা "ব্রাউন সাহেব" বলে অভিহিত করলেন। বলাবাহুল্য, অল ইন্ডিয়া রেডিওতে তাঁর চাকরির সম্প্রসারণ না হওয়া এবং সরকারি নির্দেশে রেডিওতে তাঁর ভাষণ সম্প্রচার বন্ধ হওয়া---- এসবই ছিল সেইসময়ের পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ।
তিনি চরম আর্থিক ও সামাজিক সংকটে পড়েছিলেন ঠিকই , কিন্তু সেই সামাজিক একঘরে অবস্থা বা সমালোচনা তাঁর আত্মবিশ্বাসকে বিন্দুমাত্র টলাতে পারেনি, বরং অচিরেই তিনি নিজেকে একজন নিরপেক্ষ ঐতিহাসিক পর্যবেক্ষক বা 'ক্যাসান্ড্রা' হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করলেন।
কেবলমাত্র একটি ইংরেজি আত্মজীবনীতেই তিনি থেমে থাকেননি; তাঁর সাহিত্যকর্ম বিস্তৃত ছিল ইতিহাস, ভ্রমণকাহিনী, সামাজিক নৃবিজ্ঞান, জীবনী এবং বাংলা প্রবন্ধের নানা দিগন্তে। ১৯৫৫ সালে বিবিসি ও ব্রিটিশ কাউন্সিলের যৌথ আমন্ত্রণে তিনি মাত্র পাঁচ থেকে আট সপ্তাহের জন্য প্রথমবারের মতো বিলেত সফরে যান। সেই সংক্ষিপ্ত সফরের প্রত্যক্ষ ও গভীর সামাজিক পর্যবেক্ষণ নিয়ে ১৯৫৯ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর চমৎকার ভ্রমণ-বিশ্লেষণমূলক বই “A Passage to England”। ই. এম. ফরস্টারের 'A Pssaage to India' উপন্যাসের বিপরীতে এটি ছিল এক সচেতন ভারতীয়ের চোখে পাশ্চাত্য সংস্কৃতির স্থায়িত্ব ও সৌন্দর্যের বস্তুনিষ্ঠ রূপায়ন।
১৯৬৫ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর নৃতাত্ত্বিক ও মনস্তাত্ত্বিক আখ্যান “The Continent of Circe”। গ্রিক পৌরাণিক চরিত্র সার্সির মায়াজালের উপমাকে সামনে রেখে তিনি ভারতীয় মহাদেশে বিভিন্ন জনজাতির আগমন, পরিবেশের প্রভাব এবং ভারতীয়দের মনস্তাত্ত্বিক স্থবিরতার তীব্র সমালোচনা করেন। এই কালজয়ী মননশীল রচনার জন্য তিনি ১৯৬৭ সালে ইংল্যান্ডের সম্মানজনক 'ডাফ কুপার মেমোরিয়াল অ্যাওয়ার্ড' লাভ করেন, যা কোনো ভারতীয় হিসেবে সেটাই ছিল প্রথম পুরস্কারপ্রাপ্তি।
ইংরেজি ভাষায় বিখ্যাত জার্মান পণ্ডিত ম্যাক্স মুলারের প্রামাণ্য জীবনী 'Scholar Extraordinary” রচনার জন্য তিনি ১৯৭৫ সালে ভারতের সর্বোচ্চ সাহিত্য সম্মাননা 'সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার' লাভ করেন।
পরবর্তীতে ১৯৭৫ সালে প্রকাশিত হয় “Clive of India' এবং ১৯৭৬ সালে প্রকাশিত হয় পোশাকের নৃতাত্ত্বিক ইতিহাস নিয়ে লেখা “Culture in the Vanity Bag” । পরবর্তীতে ৯০ বছর বয়সে প্রকাশিত হয় তাঁর দ্বিতীয় পর্বের বিশালাকার আত্মজীবনী “Thy Hand, Great Anarch!” ।
ইংরেজি ভাষায় বিশ্বজোড়া খ্যাতি অর্জন করলেও, নীরদচন্দ্র চৌধুরীর বাংলা সাহিত্যের প্রতি অনুরাগ ও মমতা ছিল অপরিসীম। তাঁর বাংলা গ্রন্থগুলো মূলত ছিল বাঙালি জাতির আত্মঅন্বেষণ ও মনস্তাত্ত্বিক পর্যালোচনা। ১৯৬৮ সালে প্রকাশিত 'বাঙালী জীবনে রমণী' দিয়ে শুরু করে তিনি “আত্মঘাতী বাঙালী”, 'আত্মঘাতী রবীন্দ্রনাথ” এবং “আমার দেবোত্তর সম্পত্তি”-র মতো তীক্ষ্ণ বিশ্লেষণধর্মী বই উপহার দেন।
তাঁর ইংরেজি আত্মজীবনী যদি হয় আত্মপরিচয়, তবে বাংলায় লেখা তাঁর বইগুলি হল বাঙালির জন্য এক নির্মোহ আত্মপরীক্ষা। তিনি ১৯ শতকের রেনেসাঁসের সাথে ২০ শতকের শেষভাগের বাঙালি চিন্তাভাবনার তুলনা করে দেখান যে কীভাবে বাঙালি সমাজ তাঁর অতীত ঐতিহ্য ভুলে এক অলস ও মেকি আধুনিকতায় নিমজ্জিত হচ্ছে। এই নির্মোহ ব্যবচ্ছেদ অনেকের কাছে অপ্রিয় মনে হলেও, তা ছিল বাঙালির সংস্কৃতির প্রতি তাঁর গভীর দায়িত্ববোধের প্রকাশ।
অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৯০ সালে এই অনমনীয় স্বাধীন চিন্তাবিদকে সম্মানসূচক 'ডি.লিট' ডিগ্রি প্রদান করে। ১৯৯২ সালে ব্রিটেনের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ তাঁকে 'কমান্ডার অব দ্য অর্ডার অব দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার' উপাধিতে ভূষিত করেন। মাতৃভূমি ভারত থেকেও তাঁর জীবনের শেষভাগে বিপুল শ্রদ্ধা জানানো হয়; বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে তাঁদের সর্বোচ্চ সম্মাননা ‘দেশিকোত্তম’ অর্পণ করে এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকার ১৯৯৭ সালে তাঁকে 'বিদ্যাসাগর পুরস্কার' দিয়ে সম্মানিত করে।
নীরদচন্দ্র চৌধুরী ছিলেন এমন এক বিরল ব্যক্তিত্ব, যাকে কোনো নির্দিষ্ট দল বা ভাবধারার ছাঁচে ফেলা যায় না। তিনি সাম্রাজ্যবাদের ইতিবাচক দিক নিয়ে কথা বলেছেন বলে যেমন অন্ধ জাতীয়তাবাদীদের রোষানলে পড়েছেন, তেমনই পাশ্চাত্য সংস্কৃতির পতন নিয়ে মন্তব্য করে ইংরেজ আধুনিকতাবাদীদেরও অস্বস্তিতে ফেলেছেন। তিনি সারা জীবন স্রোতের বিপরীতে সাঁতার কেটেছেন।
১৯৯৯ সালের ১ আগস্ট, ১০১ বছর ২৫১ দিন বয়সে অক্সফোর্ডে নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন নীরদচন্দ্র চৌধুরী। তাঁর প্রয়াণ দিবসে তাঁর স্মৃতির প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা।
#niradchandra #niradchandrachowdhuri #niradcchowdhury #নীরদচন্দ্র #নীরদচন্দ্রচৌধুরী
কপিরাইট : The Galposalpo
১লা আগষ্ট ২০২৬
1 week ago | [YT] | 92
View 9 replies
The Galposalpo
রবীন্দ্রনাথের নীরবতা ও নীলকণ্ঠ বিদ্যাসাগর/-
প্রায় ৩০ বছর ধরে বাংলার আকাশে বিদ্যাসাগর নামক সূর্য জ্বলজ্বল করলেও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কিন্তু তাঁর জীবদ্দশায় বিদ্যাসাগর সম্পর্কে ছিলেন তুলনামূলকভাবে আশ্চর্য রকম নীরব।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছেলেবেলায় একবার ইংরেজ নাট্যকার শেক্সপিয়ারের নাটক 'ম্যাকবেথ'-এর কিছু অংশ বাংলায় অনুবাদ করেছিলেন। সেই অনুবাদকে নিয়ে তিনি দুরু দুরু বুকে বিদ্যাসাগরের কাছে পৌঁছেছিলেন। উদ্দেশ্য ছিল --- তাঁর নিজের কথায়: “ইহার পূর্বে বিদ্যাসাগরের মতো শ্রোতা আমি তো পাই নাই; অতএব এখান হইতে খ্যাতি পাইবার লোভটা মনের মধ্যে খুব প্রবল ছিল।“
এখানে মনে রাখা দরকার যে, বিদ্যাসাগর রবীন্দ্রনাথের চাইতে প্রায় ৪১ বছরের বড় ছিলেন। তা, বিদ্যাসাগরের সাথে বালক রবীন্দ্রনাথের প্রথম সাক্ষাৎটি ছিল একেবারেই সাদামাটা। তেমন উল্লেখযোগ্য বিষয় না থাকলেও কবিগুরু পরবর্তীকালে লিখেছেন: “বোধ করি কিছু উৎসাহ সঞ্চয় করিয়া ফিরিয়াছিলাম।”
তাঁদের মধ্যে দ্বিতীয় সাক্ষাৎটি হয়েছিল ১৮৮২ সালে। সে বছর জুন মাসে অথবা জুলাই মাসের গোড়ার দিকে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর গিয়েছিলেন বিদ্যাসাগরের কাছে। উদ্দেশ্য ছিল, ‘কলকাতা সারস্বত সমাজ’-এর পক্ষে বিদ্যাসাগরকে একটি সভায় আমন্ত্রণ করা।
সেই দিনের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখেছেন: “যখন বিদ্যাসাগর মহাশয়কে এই সভায় আহবান করার জন্য গেলাম, তখন সভার উদ্দেশ্য ও সভ্যদের নাম শুনিয়া তিনি বলিলেন, ‘আমি পরামর্শ দিতেছি, আমাদের মতো লোককে পরিত্যাগ করো --- হোমরা-চোমরাদের লইয়া কোন কাজ হইবে না, কাহারো সঙ্গে কাহারো মতে মিলবে না।‘ – এই বলিয়া তিনি সভায় এ সভায় যোগ দিতে রাজি হলেন না।“
মজার বিষয় হল, বিদ্যাসাগরের ভবিষ্যৎবাণীকে সফল করে অল্প কিছুদিনের মধ্যেই কিন্তু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘কলকাতা সারস্বত সমাজ’ সাহিত্য পরিষদটি ভেঙে গিয়েছিল। হয়তো তার অন্যতম কারণ ছিল ওই হোমরা-চোমরাদের পরিষদের অন্তর্ভুক্ত করা। তবে একথা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, বিদ্যাসাগরের সঙ্গে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দ্বিতীয় এই সাক্ষাৎটিও ছিল নিতান্তই অকিঞ্চিৎকর, প্রায় তাৎপর্যবিহীন।
এবার যে কথাটা আপনাদেরকে বলতে চাই, তা হল এই যে, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে জীবিত অবস্থায় পেয়েছিলেন প্রায় ৩৩ বছর। অন্যদিকে, রবীন্দ্রনাথের জীবনের প্রথম ৩০ বছর বিদ্যাসাগরের দীপ্ত উপস্থিতিতেই অতিবাহিত হয়েছিল।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কিন্তু বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে প্রায় সারা জীবনই চর্চা করে গেছেন, আলোচনা করেছেন, গ্রন্থের সমালোচনা করেছেন, মূল্যায়ন করেছেন, ব্যাখ্যা করেছেন, অথচ আশ্চর্যজনক ভাবে বিদ্যাসাগর সম্পর্কে তাঁর আলোচনা ছিল বড়ই যৎসামান্য। যেমন, ‘জীবনস্মৃতি’ বইটির সূচনাতে কবিগুরু বিদ্যাসাগরের ‘বর্ণপরিচয়: বইটির প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলেছেন, “সেদিন পড়িতেছি, 'জল পড়ে পাতা নড়ে’। আমার জীবনে এইটেই আদিকবির প্রথম কবিতা।“
তবে একথা অনস্বীকার্য যে, বিদ্যাসাগরের মৃত্যুর চার বছর পর ১৮৯৫ সালের ২৮শে জুলাই কলকাতার এমারেল্ড থিয়েটারে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিদ্যাসাগরকে নিয়ে যে সুদীর্ঘ প্রবন্ধ পাঠ করেছিলেন তা এককথায় অনন্যসাধারণ, তুলনাবিহীন, নিশ্চিতভাবে একটি ব্যতিক্রমী রচনা। আপনারা সকলেই জানেন, পরে সেই প্রবন্ধটির নাম দেওয়া হয়েছিল 'বিদ্যাসাগরচরিত', চারিত্রপূজা গ্রন্থে প্রথম প্রবন্ধ হিসাবে সেই 'বিদ্যাসাগরচরিত' প্রবন্ধটিকে সংযুক্ত করা হয়েছিল।
তা, ভাবতে অবাক লাগে যে বিদ্যাসাগর যখন কবিগুরুর পিতৃদেব মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গে মিলিত হয়ে তত্ত্ববোধিনী সভা করছেন, তত্ত্ববোধিনী পত্রিকায় লেখালেখি করছেন, বিধবাবিবাহ নিয়ে বাংলা তথা সারা ভারতবর্ষে আন্দোলনের প্রবল জোয়ার তুলেছেন, মেয়েদের স্কুল প্রতিষ্ঠা করার জন্য সারা বাংলা জুড়ে নবজাগরণের ঢেউ তুলছেন, আমরা অবাক হয়ে দেখি, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কিন্তু বিদ্যাসাগরের এই সব মহাকাব্যিক কর্মকাণ্ড নিয়ে অনেকটাই নীরব। এই নীরবতাকে সরাসরি উপেক্ষা বলে চিহ্নিত করা যায় কি না, সে প্রশ্ন নিয়ে কিন্তু গবেষকদের মধ্যে যথেষ্ট মতভেদ রয়েছে।
অবশ্য এই কথা অনস্বীকার্য যে, জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে বিদ্যাসাগর যেমন বহু বিদগ্ধ মানুষজনের উপেক্ষা-সমালোচনার মুখোমুখি হয়েছিলেন, তেমনি নিদারুণ সামাজিক প্রত্যাখ্যানও তাঁকে নীরবে সইতে হয়েছিল। যে মানুষ নিজের অর্জিত বিদ্যাকে মানুষ গড়ার কাজে লাগিয়েছিলেন, মানুষের দুঃখমোচনে নিজেকে যেমন সম্পূর্ণ সঁপে দিয়েছিলেন, তাঁকে নিজের জীবনেও ভোগ করতে হয়েছিল সাগর-সমান দুঃখ আর বেদনা। একাকী জীবনের সমস্ত বিষ গ্রহণ করে বিদ্যাসাগর হয়ে উঠেছিলেন নীলকন্ঠ।
তবু তিনি আমাদের জীবনে চিরভাস্বর, জীবন সংগ্রামের এক অপরাজিত যোদ্ধা।
আজ তাঁর প্রয়াণ দিবস। তাঁকে নত মস্তকে স্মরণ করি। গভীর শ্রদ্ধা জানাই।
তথ্যসূত্র :
১) বিদ্যাসাগর, তাঁর সমসময়ে
by অমিত্রসূদন ভট্টাচার্য
২) দেশ – ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২০
৩) উইকিপিডিয়া
৪) গুগল
#ISWARCHANDRAVIDYASAGAR
#বিদ্যাসাগর #ঈশ্বরচন্দ্রবিদ্যাসাগর #vidyasagar #iswarchandra #iswarchandravidyasagar
কপিরাইট: The Galposalpo
2 weeks ago (edited) | [YT] | 93
View 3 replies
The Galposalpo
অরণ্যের আত্মা, মানুষের লেখিকা/-
বছর পাঁচেক আগে বিরসা মুন্ডাকে নিয়ে যখন কাজ করেছিলাম, তখন দ্বিতীয়বার ‘অরণ্যের অধিকার’ পড়া হয়েছিল। প্রথমবার পড়েছিলাম উচ্চমাধ্যমিকের গণ্ডি পেরিয়ে, প্রতিবার বিস্ময়বোধে জারিত হয়েছে ভেতরটা।
বিরসা মুন্ডার মতো একজন অসাধারণ সংগ্রামীকে আগে কখনও এমন ভাবে জানা হয় নি। বর্ষণসিক্ত জঙ্গলে তাঁর ঈশ্বরসুলভ আত্ম-উপলব্ধির যে দৃশ্য, নিজেকে 'ধরতি আবা' বা পৃথিবীর পিতা হিসেবে, একজন ঈশ্বর-প্রেরিত নেতা হিসেবে তাঁর যে আত্ম-উপলব্ধি, যে পর্যায়টিকে সমালোচকরা ‘spiritual turning point’ বলে অভিহিত করেছেন----- সেই মুহূর্তগুলি ভাবলে আজও আবিষ্ট হয়ে থাকে সমগ্র মনপ্রাণ।
পাশাপাশি জন্ম নিয়েছিল এক গভীর শ্রদ্ধাবোধ। লেখিকা মহাশ্বেতা দেবীর প্রতি। তিনিই প্রথম তাঁর লেখনীর মাধ্যমে নাগরিক জীবনকে শিক্ষা দিয়েছিলেন যে, অরণ্য শুধু প্রকৃতি নয়—অরণ্য একটি জাতির আত্মা। অরণ্য আসলে স্বাধীনতার প্রতীক। অরণ্য কেড়ে নেওয়া মানে একটি জাতির স্মৃতি, সংস্কৃতি এবং আত্মপরিচয় কেড়ে নেওয়া। প্রান্তিক মানুষের ইতিহাসকে নতুন চোখে দেখার এক ছকভাঙ্গা আহ্বান জানিয়েছিলেন মহাশ্বেতা দেবী।
সম্ভবত ইউনিভার্সিটি জীবনে পড়েছিলাম তাঁর আরেক বিখ্যাত উপন্যাস ‘হাজার চুরাশির মা’। আজও মনে আছে, উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র একজন সাধারন মা। তাঁর ছেলে নকশাল আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত। একদিন পুলিশ তাকে হত্যা করে। মর্গে ছেলের সন্ধান করতে গিয়ে মায়ের সাথে পরিচয় হয় শুধু একটি সংখ্যার —১০৮৪। সেই থেকেই তাঁর নাম "হাজার চুরাশির মা"।
মা ধীরে ধীরে জানতে পারেন, তাঁর ছেলে কেন সেই পথ বেছে নিয়েছিল এবং সমাজের তন্ত্রে তন্ত্রে কতটা গভীর বৈষম্য, অন্যায় আর শোষণ বহমান। ব্যক্তিগত শোক থেকে তিনি ধীরে ধীরে বৃহত্তর সামাজিক সত্যের মুখোমুখি হন। তাঁর সাথে সাথে পাঠকরাও সেই সত্যের মুখোমুখি হয়ে যায়।
বলাবাহুল্য , এই ছিলেন মহাশ্বেতা দেবী, যিনি বরাবর মহত্তর লক্ষ্যে পাঠককে জীবনসংগ্রামের মধ্যে দাঁড় করিয়ে দেন ।
মূলত মহাশ্বেতা দেবীর জীবন ছিল এমনই বহু বাস্তব ঘটনার ভাণ্ডার, যা তাঁর সাহিত্যকেও ছাপিয়ে যায়। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, মেদিনীপুর, ঝাড়খণ্ডসহ বিভিন্ন অঞ্চলের আদিবাসীদের মধ্যে তিনি বছরের পর বছর কাটিয়েছেন। তাঁদের সঙ্গে থেকেছেন, তাঁদের ভাষা ও জীবনযাপন শিখেছেন। আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষজন তাঁকে নির্দ্বিধায় “মা” বলে সম্বোধন করেছেন।
একবার এক সাক্ষাৎকারে মহাশ্বেতা দেবী বলেছিলেন : “Writing is activism for me.” অর্থাৎ, তাঁর কাছে লেখালেখি ছিল সমাজ পরিবর্তনের একটি হাতিয়ার। কৃষক, শ্রমিক, আদিবাসী ও দলিত মানুষের অধিকার নিয়ে আজীবন সংগ্রাম করা এই দুর্লভ লেখিকা আজীবন ছিলেন বামপন্থী ভাবাদর্শে জারিত, যদিও চুনি কোটালের মৃত্যুর ঘটনায় এবং পরবর্তীকালে সিঙ্গুরে জমি-অধিগ্রহণ ইস্যুতে তিনি বামফ্রন্ট সরকারের কঠোর সমালোচক ছিলেন।
তৃণমূল পার্টি ক্ষমতাসীন হবার পর মমতা ব্যানার্জির সাথে তাঁর ঘনিষ্ঠতা বেড়েছিল, সেজন্য অনেকেই দুঃখ পেয়েছিলেন। আমারও ভীষণ খারাপ লেগেছিল।
তবে আজ তাঁর এই প্রয়াণ দিবসে, এ কথা অস্বীকার করার কোন উপায় নেই যে, তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান যাই হোক না কেন, আসলে তাঁর আনুগত্য কোনো দলের প্রতি নয়, তা ছিল বরাবর মানুষের প্রতি।
প্রয়াণ দিবসে তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই।
#MahaswetaDevi #মহাশ্বেতা #মহাশ্বেতাদেবী #mahasweta #aronyeradhikar #অরন্যেরঅধিকার
তথ্যসূত্র:
১) তবু একলব্য (মহাশ্বেতা দেবী সংখ্যা)
২) আনন্দবাজার পত্রিকা
৩) জেমিনি
৪) উইকিপিডিয়া
কপিরাইট: The Galposalpo
2 weeks ago | [YT] | 65
View 3 replies
The Galposalpo
একজন বিজ্ঞানী রাষ্ট্রপতি ও ধর্ম /-
২০০৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের ৯ তারিখ। দেশের তদানীন্তন রাষ্ট্রপতি হঠাৎই সেদিন তাঁর প্রোটোকল ভেঙে হাজির হলেন ৯৩ বছর বয়সী ডক্টর খুশবন্ত সিং-এর দিল্লির বাড়িতে। উদ্দেশ্য ছিল জন্মদিন উপলক্ষ্যে খুশবন্ত সিংকে শুভেচ্ছা জানানো। তা, রাষ্ট্রপতির সেই সিদ্ধান্তে অনেকে অখুশি হয়েছিলেন, কেননা খুশবন্ত সিং ছিলেন একজন বিতর্কিত ব্যক্তিত্ব। তাঁর অনেকগুলি বিতর্কের মধ্যে একটি ছিল, তিনি হিন্দু-মুসলিম-খ্রিস্টান ---- কারো কোন ধর্ম মানতেন না অর্থাৎ তিনি ধর্মে অবিশ্বাসী ছিলেন। তিনি নিজেকে বলতেন অজ্ঞেয়বাদী বা agonistic ।
আপনারা জানেন, অজ্ঞেয়বাদী হলেন তাঁরা, যাঁরা বলেন, ঈশ্বর বা ভগবান আছে কি নেই, তা মানুষের পক্ষে জানা কখনোই সম্ভব নয়, অর্থাৎ ঈশ্বরের অস্তিত্ব জানা সম্ভব নয় কেননা তা মানুষের বুদ্ধির অতীত। তিনি নিজেকে কিন্তু নাস্তিক বলেন নি। নাস্তিক সাধারণভাবে তাঁরা যাঁরা ঈশ্বরের অস্তিত্বে বিশ্বাস করেন না। খুশবন্ত সিং সেই বিশ্বাস অবিশ্বাসের প্রশ্নেই যাননি, তিনি বলেছেন, ঈশ্বর অজ্ঞাত বা মানুষের বুদ্ধির অতীত। যার জন্য তাঁকে অজ্ঞেয়বাদী বা agonistic বলা হয়।
তা, ডক্টর খুশবন্ত সিংয়ের সঙ্গে যখন দেশের রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎ হলো, খুব স্বাভাবিকভাবেই উঠে আসলো সেই বিশ্বাস-অবিশ্বাসের প্রশ্ন।
খুশবন্ত সিং জিজ্ঞাসা করেছিলেন, আচ্ছা ইসলামে তো আছে শেষ বিচারের দিন, কয়ামতের দিন বা লাস্ট জাজমেন্ট ডে, যেখানে জীবনের শেষে, মৃত্যুর পর মানুষের বিচার হয় সে স্বর্গে যাবে না নরকে যাবে, আপনি কি এসব মানেন?
উত্তরে রাষ্ট্রপতি মৃদু হেসে বলেছিলেন, স্বর্গ নরক সবই মানুষের মনে।
বলাবাহুল্য, তদানীন্তন সেই রাষ্ট্রপতি আর কেউ নন, তিনি হলেন ভারতের অন্যতম সেরা বিজ্ঞানী, ভারতের ‘মিসাইল ম্যান’, ভারতরত্ন ডক্টর এপিজে আবদুল কালাম।
তা, ডক্টর কালাম স্যারের সেই উত্তর পর্যালোচনা করে বিশেষজ্ঞরা বলেছেন যে, ডক্টর এপিজে আবদুল কালাম ব্যক্তিগতভাবে একজন নিষ্ঠাবান মুসলিম হলেও ধর্ম সম্পর্কে তাঁর তাৎপর্যপূর্ণ মতামত ছিল, যা ছিল গতানুগতিক ধর্মতত্ত্বের পরিবর্তে সারমর্মভিত্তিক নীতিশাস্ত্রের উপর নির্ভরশীল, যাকে বলা হয় সংশ্লেষিত দর্শন বা Synthesized Philosophy.
বিজ্ঞান আর আধ্যাত্মিকতা সম্পর্কে ডঃ এপিজে আব্দুল কালাম বলেছেন, বিজ্ঞান যুক্তিনির্ভর, অন্যদিকে আধ্যাত্মিকতা,ধর্ম তাহল বিশ্বাসনির্ভর। বিজ্ঞানের লক্ষ্য কি? সত্যের প্রতিষ্ঠা, Establishment of Truth । অন্যদিকে, আধ্যাত্মিকতার লক্ষ্য কি? একই -- সত্যের প্রতিষ্ঠা, Establishment of Truth । বিজ্ঞান যেমন বস্তুজগতের সত্য উন্মোচন করে, তেমনি আধ্যাত্মিকতাও আত্মিক জগতের সত্য উন্মোচন করে। অর্থাৎ ডক্টর এপিজে আবদুল কালামের মতে, বিজ্ঞান আর আধ্যাত্মিকতার মধ্যে কোন পার্থক্য নেই।
সেজন্যই তিনি বলেছেন, বিজ্ঞান, আধ্যাত্মিকতা বা ধর্ম— --এই সমস্ত বিভাজনের ঊর্ধ্বে ওঠে মানুষের উচিত সবসময় সত্যকে অনুসন্ধান করা, আর সেটাই হবে মানুষের জীবনের সর্বোচ্চ জাগতিক বা আধ্যাত্মিক কর্ম।
মূলত বিজ্ঞান ও ধর্ম -- এই দুই আপাতবিরোধী চিন্তাভাবনার মাঝখানেই তিনি তাঁর জীবনকে প্রসারিত করতে সক্ষম হয়েছিলেন, কারণ ছিল একটাই, আর তা হলো ধর্ম সম্পর্কে তার চিন্তাভাবনা কখনোই ট্র্যাডিশনাল বা গতানুগতিক বা প্রথাগত চিন্তাভাবনা ছিল না, বরং তা ছিল প্রগতিশীল চিন্তাভাবনা।
প্রসঙ্গত ডক্টর খুশবন্ত সিং অল্পকথায় খুব সুন্দরভাবে লিখেছেন:
“কোন যুক্তিবাদী ঈশ্বরত্ব সম্পর্কে কালামের দৃষ্টিভঙ্গির সমালোচনা করতে পারবেন না। কেউ ঈশ্বরকে দেখেন সত্যরূপে। কেউ প্রেম রুপে। কালামের কাছে ঈশ্বর হলো করুণা বা সহানুভূতি।“
এখানে কিন্তু ‘সহানুভূতি’ বা ‘করুণা’ -- এ কথাগুলি খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ সহানুভূতি করুণা এসব বৈজ্ঞানিকভাবে পর্যবেক্ষণযোগ্য এবং এসবই মানব সমাজের অত্যাবশ্যকীয় নৈতিক গুণ। অর্থাৎ কালাম স্যারের কাছে ধর্ম শুধু ধর্মীয়তত্ত্ব বা অতীন্দ্রিয় কোন বিষয় ছিল না, আসলে তাঁর কাছে তা ছিল মানবকল্যাণের জন্য, মানবসমাজে নৈতিকতা প্রতিষ্ঠার জন্য একটা ব্যবহারিক কাঠামো, a very practical structure, যা আসলে কনস্ট্যান্ট, ধ্রুবক।
তা ধর্ম যেখানে কালাম স্যারের কাছে মানবকল্যাণের জন্য তৈরি হওয়া একটা কনস্ট্যান্ট কাঠামো, সেখানে ইসলাম ধর্ম বলুন বা হিন্দু ধর্ম বলুন বা অন্য কোন যে কোন ধর্ম – যাই বলুন --- সব ক্ষেত্রেই তার দৃষ্টিভঙ্গি ছিল একই। অর্থাৎ তার কাছে ধর্ম মানেই মানবকল্যাণের জন্য একটা কাঠামো।
সেজন্যই খুশবন্ত সিং পরিষ্কার বলেছেন:
“No rationalist can dispute Kalam’s vision of divinity” (কোনো যুক্তিবাদী কালামের ঈশ্বরত্বের ধারণাকে অস্বীকার করতে পারে না।)
আজ আমাদের ভারতরত্ন ডক্টর এপিজে আবদুল কালামের প্রয়াণ দিবস। ২০১৫ সালের ২৭ জুলাই মেঘালয়ের শিলংয়ে তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশ্যে ভাষণ দেওয়ার সময় আকস্মিকভাবে তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হন। শিলংয়ের ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্টে (IIM Shillong) প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে "Creating a Liveable Planet Earth" (বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তোলা) শীর্ষক একটি বিশেষ বক্তৃতা দেওয়ার কথা ছিল তাঁর। বিকেল প্রায় ৬:৩৫ মিনিটে শিক্ষার্থীদের মুখোমুখি হন তিনি। বক্তৃতা শুরুর মাত্র ৫ মিনিটের মাথায় আচমকা মঞ্চে এলিয়ে পড়েন এবং অজ্ঞান হয়ে যান। তড়িঘড়ি তাঁকে নিকটস্থ বেথানি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকরা আইসিইউ-তে প্রাণপণ চেষ্টা করলেও সন্ধ্যা ৭:৪৫ মিনিটে আকস্মিক হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে এই মহান নেতার জীবনপ্রদীপ নিভে যায়।
গভীর শ্রদ্ধার সাথে তাঁকে আজ আমরা স্মরণ করছি।
তথ্যঋণ:
১) বিজ্ঞান সাধক এপিজে আবদুল কালাম By
বরুণ মজুমদার
২) এপিজে আবদুল কালাম: জীবন ও সাধনা By কমলবিকাশ বন্দ্যোপাধ্যায়
৩) ইউটিউব চ্যানেল: SivanandaGurukul
৪) জেমিনি
৫) Wikipedia
#APJAbdulKalam #drapjabdulkalamsir #abdulkalam #এপিজেআবদুলকালাম #আবদুলকালাম
কপিরাইট: the galposalpo
Link : https://youtu.be/Ojapeuy2-ak
2 weeks ago (edited) | [YT] | 56
View 0 replies
The Galposalpo
বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে ট্রাজিক ঘটনা
লিঙ্ক : https://youtu.be/8VkoDvMjDU8
1 month ago | [YT] | 33
View 1 reply
The Galposalpo
নতুন ভিডিও : তাঁর জীবনের শেষ সাত দিন
লিংক : https://youtu.be/q3qYCcTrT_I
1 month ago | [YT] | 87
View 1 reply
The Galposalpo
বিজ্ঞানী ও পরিসংখ্যানবিদ প্রশান্তচন্দ্র মহলানবিশ
জন্ম : 29 জুন, 1893
মৃত্যু : 28 জুন, 1972
লিংক : https://youtu.be/xsIv-6cc7lQ
1 month ago | [YT] | 60
View 1 reply
The Galposalpo
আজ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্মদিন।
ফিরে দেখা : https://youtu.be/Azlw_WaQaHw
1 month ago | [YT] | 47
View 1 reply
The Galposalpo
বিদ্যাসাগরের চেয়েও মেধাবী? মাত্র ২৬ বছরেই শেষ এক বিস্ময়কর জীবন। A Greater Genius Than Vidyasagar?
লিংক : https://youtu.be/eeaDCWM98qY
2 months ago | [YT] | 120
View 4 replies
Load more