নতুন নতুন কীর্তন পালা কীর্তন, নীলা কীর্তন, হরির নাম সংকীর্তন দেখার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন চ্যানেলটা,
আমাদের এই চ্যানেলটি বানানোর উদ্দেশ্য সনাতন ধর্মকে প্রচার করা ও সকল ভক্তবৃন্দ গুরুজন ও মা-বোনেদের কাছে সনাতন ধর্মকে শ্রদ্ধা ভক্তি করা এবং কীর্তনের মাধ্যমে সকল ভক্তবৃন্দ ও গুরুজন দের ও মা বোনদের কাছে কীর্তনের মাধ্যমে সনাতন ধর্মকে প্রচার করা চেষ্টা !
Hare Krishna Best Kirtan Dekhne Ke Liye subscribe This Channel And Like This Video New Kirtan Dekhne Ke Liye Follow Me On This YouTube Channel My YouTube Channel Name = Kirtan Hari Bol , pala kirtan, Nila Kirtan, Hari Naam sankirtan, harinam bhajan, Pradeep Pal kirtan, Sampa Goswami Kirtan, Suman Bhattacharya Kirtan, Jagannath Ghosh kirtan,Shyam Sundar Das kirtan, Beauty Mondal Kirtan, Arindam Bhattacharya Kirtan. Padma Palash kirtan, Papiya Das kirtan, Moumita Ghosh kirtan,Krishna Das Mukherjee,Rakhi Barui Kirtan,Nupur Banerjee Kirtan, Radharani Das kirtan,Pabitra Mukherjee kirtan, Ekadashi

For Business Sponsorship👇
👉 suryasikda91@gmail.com


Kirtan Hari Bol

আজ ২৫ শে জানুয়ারি রবিবার শ্রী অদ্বৈত আচার্য প্রভুর শুভ আবির্ভাব তিথি (অদ্বৈত সপ্তমী)। এই উপলক্ষ্যে সকলকে আন্তরিক কৃষ্ণপ্রীতিও শুভেচ্ছা। শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর লীলায় অদ্বৈত আচার্য এক অতি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। তিনি না থাকলে মহাপ্রভুর এই ধরাধামে অবতরণই হতো না।

শ্রী অদ্বৈত আচার্যের পরিচয় ও স্বরূপঃ

গৌড়ীয় বৈষ্ণব দর্শন অনুযায়ী, শ্রী অদ্বৈত আচার্য হলেন পঞ্চতত্ত্বের অন্যতম তত্ত্ব। তিনি মূলত সদাশিব এবং মহা-বিষ্ণু (কারণোদকশায়ী বিষ্ণু)-র সম্মিলিত অবতার। শ্রীচৈতন্যচরিতামৃতে (আদি লীলা, ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ) তাঁর স্বরূপ বর্ণিত হয়েছে:

"অদ্বৈত আচার্য ঈশ্বর অবতার।
তাঁহার মহিমা লোকে নাহি জান পার।।"

তিনি স্বয়ং ভগবান হওয়া সত্ত্বেও নিজেকে মহাপ্রভুর দাস হিসেবে পরিচয় দিতে বেশি আনন্দ পেতেন। শ্রীঅদ্বৈত শব্দের অর্থ হলো—যিনি ভগবান হরি থেকে অভিন্ন বা অদ্বৈত। আবার তিনি ভক্তি প্রচারের দ্বারা জগতকে উদ্ধার করেন বলে তাঁকে 'আচার্য' বলা হয়।

শ্রী অদ্বৈত আচার্য প্রণাম মন্ত্রঃ

যেকোনো পূজা বা জপের শুরুতে এই মন্ত্রটি পাঠ করা হয়:

অদ্বৈতং হরিণা দ্বৈতাদাদ্বৈতং নামধারকং।
দয়ালুং ভক্তরূপং তং অদ্বৈতং প্রণমাম্যহম।।

সরল অর্থ: যিনি ভগবান শ্রীহরি থেকে অভিন্ন হওয়ার কারণে 'অদ্বৈত' নামে পরিচিত এবং যিনি অত্যন্ত দয়ালু ও ভক্তরূপে অবতীর্ণ, সেই শ্রী অদ্বৈত আচার্য প্রভুকে আমি প্রণাম জানাই।

পঞ্চতত্ত্ব মন্ত্রঃ

শ্রী অদ্বৈত আচার্য যেহেতু পঞ্চতত্ত্বের একজন,
তাই তাঁর কৃপা পেতে এই মন্ত্রটি সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ:

শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ।
শ্রীঅদ্বৈত গদাধর শ্রীবাসাদি গৌরভক্তবৃন্দ।।

শ্রী অদ্বৈত আচার্যের আরতি (মূল অংশ):
শ্রী অদ্বৈত প্রভুর আরতির সময় ভক্তগণ এই চরণের মাধ্যমে তাঁর মহিমা কীর্তন করেন:

জয় জয় অদ্বৈত আচার্য দয়াময়।
যাঁহার হুঙ্কারে গৌর অবতার হয়।।
গঙ্গাজল তুলসী দিয়া পূজিলা ভগবান।
অধম তারিতে কৈলা করুণা বিধান।।
সীতা-নাথ অদ্বৈত চরণে নমস্কার।
ভক্তি দান দিয়া মোরে করহ উদ্ধার।।

উৎসবের জন্য বিশেষ প্রার্থনাঃ

আগামীকাল দুপুর পর্যন্ত উপবাস থেকে আপনি এই প্রার্থনাটি করতে পারেন।

"হে অদ্বৈত আচার্য প্রভু, আপনি যেমন আপনার ব্যাকুল প্রার্থনার মাধ্যমে গোলকবিহারী ভগবানকে ধরাধামে এনেছিলেন, তেমনি আমাদের হৃদয়েও ভক্তির উদয় ঘটান এবং শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর চরণে আশ্রয় দান করুন।"

“গঙ্গাজল তুলসী দিয়া করেন পূজন।
হুঙ্কারে ডাকেন করি’ মহাপ্রভু আমন্ত্রণ।।”

বাংলা অনুবাদ:

"(শ্রী অদ্বৈত আচার্য) গঙ্গার পবিত্র জল এবং তুলসী পাতা দিয়ে পরমেশ্বর ভগবানের পূজা করতে লাগলেন এবং উচ্চস্বরে (হুঙ্কার দিয়ে) ডাকতে শুরু করলেন, যাতে মহাপ্রভু (শ্রীকৃষ্ণ) এই পৃথিবীতে আবির্ভূত হওয়ার জন্য আমন্ত্রিত হন।"

আধ্যাত্মিক তাৎপর্য:

গঙ্গাজল ও তুলসী: শাস্ত্রমতে, ভগবান বিষ্ণু বা কৃষ্ণকে তুলসী ও গঙ্গাজল দিয়ে পূজা করলে তিনি ভক্তের কাছে ঋণী হয়ে যান। অদ্বৈত আচার্য এই শাস্ত্রীয় বিধান মেনে ভগবানকে বাধ্য করেছিলেন।

হুঙ্কার: এটি সাধারণ কোনো চিৎকার ছিল না। এটি ছিল জগতের অধঃপতিত জীবের প্রতি মায়া এবং ভগবানের প্রতি একান্ত আকুলতা মিশ্রিত এক প্রবল আহ্বান।

আমন্ত্রণ: এই আহ্বানেই শ্রীকৃষ্ণ তাঁর গোলক ধাম ত্যাগ করে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু রূপে নদীয়ার নবদ্বীপে অবতীর্ণ হয়েছিলেন।

শ্রী অদ্বৈত আচার্যের শান্তিপুরের লীলা এবং তাঁর বংশ পরিচয় অত্যন্ত গভীর এবং তাৎপর্যপূর্ণ।

শ্রী অদ্বৈত আচার্যের বংশ পরিচয়ঃ

শ্রী অদ্বৈত আচার্য এক অতি উচ্চ কুলীন ব্রাহ্মণ পরিবারে আবির্ভূত হয়েছিলেন। তাঁর পূর্বপুরুষগণ ছিলেন অত্যন্ত শাস্ত্রজ্ঞ এবং ভক্তিময়।

পিতা ও মাতা: তাঁর পিতার নাম ছিল শ্রী কুবের পণ্ডিত এবং মাতার নাম ছিল শ্রীমতী নাভাদেবী। কুবের পণ্ডিত ছিলেন লাউড় রাজ্যের রাজা দিব্যসিংহের মন্ত্রী।

জন্মস্থান: বর্তমান বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ জেলার অন্তর্গত শ্রীহট্টের (সিলেট) লাউড় গ্রামে তিনি আবির্ভূত হন। পরবর্তীকালে তিনি সপরিবারে শান্তিপুরে চলে আসেন।

পত্নী: তাঁর দুই পত্নী ছিলেন—শ্রীমতী সীতা দেবী এবং শ্রীমতী শ্রীদেবী। সীতা দেবী স্বয়ং যোগমায়ার অবতার হিসেবে পরিচিত, যিনি মহাপ্রভুর জন্মের পর তাঁকে দেখতে গিয়েছিলেন এবং 'নিমাই' নামটি দিয়েছিলেন।

সন্তান: তাঁর ছয়জন পুত্র ছিলেন—অচ্যুতানন্দ, কৃষ্ণমিশ্র, গোপাল দাস, বলরাম, বনমালী এবং জগদীশ। এর মধ্যে অচ্যুতানন্দ ছিলেন পরম ভক্ত এবং মহাপ্রভুর অত্যন্ত প্রিয়।

অদ্বৈত প্রভুর শান্তিপুরের মহিমান্বিত লীলাঃ

শান্তিপুর ছিল শ্রী অদ্বৈত আচার্যের সাধনার প্রধান কেন্দ্র। এখানে তাঁর জীবনের প্রধান কয়েকটি লীলা নিচে তুলে ধরা হলো:

১. মহাপ্রভুর আগমন ও উপবাস ভঙ্গ

মহাপ্রভু সন্ন্যাস গ্রহণের পর প্রথম শান্তিপুরে অদ্বৈত আচার্যের ঘরে এসেছিলেন। অদ্বৈত আচার্য অত্যন্ত আনন্দিত হয়ে মহাপ্রভুকে নানাবিধ ব্যঞ্জন দিয়ে ভোজন করিয়েছিলেন। বৈষ্ণব সমাজে এটি 'শান্তিপুরে মহাপ্রভুর ভোজন লীলা' নামে অত্যন্ত বিখ্যাত।

২. হরিদাস ঠাকুরের সঙ্গে সখ্যতা

নামাচার্য শ্রী হরিদাস ঠাকুর যখন সমাজচ্যুত হওয়ার ভয়ে ভীত ছিলেন, তখন অদ্বৈত আচার্য তাঁকে নিজের বাড়িতে আশ্রয় দেন। এমনকি তাঁর পিতৃশ্রাদ্ধের পাত্র (ব্রাহ্মণ ভোজনের শ্রেষ্ঠ আসন) হরিদাস ঠাকুরকে দিয়ে তিনি প্রমাণ করেছিলেন যে, ভক্তের কোনো জাতি নেই—"ভক্তিই শ্রেষ্ঠ"।

৩. অদ্বৈত আচার্যের প্রহার লীলা

একবার অদ্বৈত আচার্য মনে করলেন যে মহাপ্রভু তাঁকে অনেক সম্মান করেন, কিন্তু তিনি তো মহাপ্রভুর দাস! তাই মহাপ্রভুর হাতে 'দণ্ড' বা প্রহার খাওয়ার জন্য তিনি মুক্তি মার্গ বা জ্ঞান মার্গ ব্যাখ্যা করতে শুরু করেন। এতে মহাপ্রভু ক্রোধের ছলে তাঁকে প্রহার করেন। অদ্বৈত আচার্য এতে অত্যন্ত আনন্দিত হয়ে নেচে উঠেছিলেন, কারণ তিনি ভগবানের শাসন বা কৃপা লাভ করেছিলেন।

অদ্বৈত আচার্য ও মদন মোহন বিগ্রহঃ

কথিত আছে, শ্রী অদ্বৈত আচার্য শান্তিপুরের গঙ্গার ঘাটে সাধনা করার সময় একটি কৃষ্ণ বিগ্রহ পেয়েছিলেন, যা পরবর্তীতে 'মদন মোহন' নামে পরিচিত হয়। তাঁর ভক্তি ও আহ্বানেই ব্রজেন্দ্রনন্দন কৃষ্ণ কলিযুগে গৌরাঙ্গ রূপে অবতীর্ণ হয়েছিলেন।

শ্রী অদ্বৈত আচার্যের এই মহান লীলাসমূহ শ্রবণ করলে হৃদয়ে ভক্তির উদয় হয়।

অদ্বৈত সপ্তমীর গুরুত্ব ও ব্রত পালনঃ

মাঘ মাসের শুক্লা সপ্তমী তিথিতে শ্রী অদ্বৈত আচার্য লাউড় গ্রামে (বর্তমান শ্রীহট্ট বা সুনামগঞ্জ, বাংলাদেশ) আবির্ভূত হন। এই দিনটিকে অত্যন্ত পবিত্র মনে করা হয়।

ব্রত পালনের নিয়ম:

উপবাস: এই দিন দুপুর পর্যন্ত উপবাস থাকা শাস্ত্রীয় বিধান।

পূজা ও অভিষেক: শ্রী অদ্বৈত আচার্যের বিগ্রহ বা ছবির পূজা করা হয়। তাঁর চরণে তুলসী ও চন্দন অর্পণ করা অত্যন্ত ফলদায়ক।

কথা শ্রবণ: তাঁর লীলা ও মহাপ্রভুকে ডাকার কাহিনী শ্রবণ করলে ভক্তি লাভ হয়।

পারন: দুপুরের পর মহাপ্রভুর প্রসাদ গ্রহণের মাধ্যমে উপবাস ভঙ্গ করা হয়।

শ্রী অদ্বৈত আচার্য প্রভুর অশেষ করুণা ছাড়া শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর প্রেমভক্তি পাওয়া অসম্ভব। তিনি "গৌর আনা ঠাকুর", কারণ তাঁরই আকর্ষণে গৌরসুন্দরের এই ধরায় আগমন।

।। জয় শ্রীঅদ্বৈত জয় ।। গৌড় আনা ঠাকুর ।।

1 day ago | [YT] | 16

Kirtan Hari Bol

জয় শ্রী রাধে গোবিন্দ কি জয় 🙏🙏🙏🙏🙏

3 days ago | [YT] | 21

Kirtan Hari Bol

হরে কৃষ্ণ 🙏 🙏 🙏 জয় গোপাল 🙏🙏🙏 জয় শ্রীকৃষ্ণ 🙏🙏🙏 জয় শ্রী রাধে গোবিন্দ 🙏🙏🙏

1 week ago | [YT] | 23

Kirtan Hari Bol

হরে কৃষ্ণ 🙏🙏🙏 রাধে রাধে 🙏🙏🙏 Hare Krishna 🙏🙏🙏🙏🙏 Radhe Radhe Radhe 🙏🙏🙏🙏🙏

2 weeks ago | [YT] | 45

Kirtan Hari Bol

Jai Narasimha Dev 🙏🙏🙏

3 weeks ago | [YT] | 16

Kirtan Hari Bol

রাধে রাধে 🙏🙏🙏 Radhe Radhe 🙏🙏🙏

3 weeks ago | [YT] | 26