সৌদি আরবে হামলার বিরুদ্ধে গ্রুপ ফোর যৌথভাবে কঠোর ভাষায় নিন্দা করেছে। গ্রুপ ফোরের সদস্য হলো- সৌদি আরব, তুরস্ক, পাকিস্তান ও মিশর। প্রশ্ন হচ্ছে- মিশরও কি যোগ দিচ্ছে মক্কা জোটে এবং তারা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নামবে যুদ্ধে?? আর ভিকটিম হবে- গরিব জাতির লোকজনগুলো?? হায় ইনসাফ!!
মাত্র ৮ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর সোবহানা মুস্তারি ও অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতির ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ানো। প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ...
১৪০০ সাল আগে থেকে মুনাফিক মুসলমান আহলে বাইত আঃ এর অনুসারীদের কে হত্যা করে আসছে। যতই তাদের কে হত্যা করছে, ততই আহলে বাইত আঃ এর অনুসারীর লোক বেড়েয় চলেছে। কারন কি? কারন আল্লাহ তায়ালা বলেন আমি হালাল জিনিসে বরকত দান করি।
“তারা নিজেদের মুখের ফুঁ দিয়ে আল্লাহর নূর নিভিয়ে দিতে চায়। অথচ আল্লাহ তাঁর নূরকে পূর্ণতা দান করবেন, যদিও কাফিররা তা অপছন্দ করে।”(সূরা আস-সাফ, আয়াত ৮।)
ইমাম মূসা ইবনে জাফর (আ.)-কে «يُرِيدُونَ لِيُطْفِئُوا نُورَ اللَّهِ»—“তারা আল্লাহর নূর নিভিয়ে দিতে চায়”—এই আয়াতাংশের অর্থ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলো। তিনি বললেন, এর দ্বারা আমিরুল মুমিনিন হযরত আলী (আ.)-এর প্রতি ভালোবাসাকে বোঝানো হয়েছে।
আর «وَاللَّهُ مُتِمُّ نُورِهِ»—“আল্লাহ তাঁর নূরকে পূর্ণতা দান করবেন”—এর অর্থ হলো, আল্লাহ ইমামতকে পূর্ণতা দান করবেন। এর প্রমাণ হিসেবে তিনি এই আয়াতাংশ উল্লেখ করেন:
অর্থাৎ, “অতএব, তোমরা আল্লাহ, তাঁর রাসুল এবং যে নূর আমরা অবতীর্ণ করেছি, তার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করো।” এখানে নূর বলতে ইমামকে বোঝানো হয়েছে।
মুহাম্মদ ইবনে ফুদাইল বলেন, আমি জিজ্ঞাসা করলাম, «هُوَ الَّذِي أَرْسَلَ رَسُولَهُ بِالْهُدَىٰ وَدِينِ الْحَقِّ»—এর অর্থ কী?
ইমাম (আ.) বললেন, এর অর্থ হলো, আল্লাহ তাঁর রাসুলকে নির্দেশ দিয়েছেন, যেন তিনি মানুষের কাছে তাঁর উত্তরসূরি আমিরুল মুমিনিন হযরত আলী (আ.)-এর প্রতি ভালোবাসার অপরিহার্যতার বিষয়টি ঘোষণা করেন। আর রাসুলের ওসির প্রতি ভালোবাসাই হলো সত্য দ্বীন।
আমি আবার জিজ্ঞাসা করলাম, «لِيُظْهِرَهُ عَلَى الدِّينِ كُلِّهِ»—এর অর্থ কী?
তিনি বললেন, এর অর্থ হলো, আল্লাহ আমাদের কায়েম ইমাম মাহদি (আ.)-এর আবির্ভাবের সময় সত্য দ্বীনকে সব বাতিল ধর্ম ও মতবাদের ওপর বিজয়ী করবেন।
যেমন আল্লাহ বলেছেন, «وَاللَّهُ مُتِمُّ نُورِهِ»—“আল্লাহ তাঁর নূরকে পূর্ণতা দান করবেন।” অর্থাৎ, আল্লাহ আলে মুহাম্মদের কায়েম ইমাম মাহদি (আ.)-এর বেলায়াতের মাধ্যমে তাঁর নূরকে পূর্ণতা দান করবেন।
আর «وَلَوْ كَرِهَ الْكَافِرُونَ»—“যদিও কাফিররা তা অপছন্দ করে”—এর অর্থ হলো, যদিও আলী (আ.)-এর শত্রুরা তা অপছন্দ করে।
আমি জিজ্ঞাসা করলাম, আপনি যা বললেন, তা কি কুরআনের অবতীর্ণ অর্থ ও বাহ্যিক অর্থ?
তিনি বললেন, “হ্যাঁ, আমি যা বলেছি, তা কুরআনের অবতীর্ণ অর্থ ও বাহ্যিক অর্থ।”
তখনও তাঁর দাড়ি গজায়নি, বয়েসে কেবলই এক দূরন্ত কিশোর। কিন্তু মক্কার পরাক্রমশালী কুরাইশ সর্দাররা যখন নবুওয়াতের নতুন সত্যের নাম শুনে হুঙ্কার দিয়ে উঠছিল, তখন বনু হাশেমের সেই থমথমে মজলিসে এক কিশোর একাই দাঁড়িয়ে গিয়েছিলেন। তিনি ছিলেন হযরত আলী ইবনে আবী তালেব রাদিয়াল্লাহু আনহু। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্নেহের ছায়ায় লালিত-পালিত হওয়া এই কিশোর সত্যের প্রথম আহ্বান শোনামাত্রই কোনো দ্বিধা ছাড়া তা হৃদয়ে ধারণ করে নিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর সত্য গ্রহণের চেয়েও রোমাঞ্চকর ছিল সেই সত্যের ওপর পাহাড়ের মতো অটল থাকার গল্প। তিনি শুধু প্রথম কিশোর হিসেবে ঈমান আনেননি; পরবর্তীতে বীরত্ব ও সাহসিকতার এমন সব অধ্যায় রচনা করেছিলেন, যা আজও বিশ্বকে বাকরুদ্ধ করে দেয়। যার মধ্যে সবচেয়ে শিহরণ জাগানো দৃশ্যটি ঘটেছিল হিজরতের সেই থমথমে রাতে। মক্কার ঘাতকরা তখন হাতে উদ্যত তরবারি নিয়ে ঘিরে রেখেছে প্রিয় নবীজির বাড়ি। ঘরের বাইরে মৃত্যুর শীতল হাতছানি। ঠিক সেই মুহূর্তে তাকে প্রিয় নবীজি সা. বললেন তাঁর আমানতগুলো মানুষের কাছে ফিরিয়ে দিয়ে মদিনায় পৌঁছানোর কথা। রাতের অন্ধকারে শত্রুর ধারালো তলোয়ারের তোয়াক্কা না করে, নিজের জীবনের মায়ার বিপরীতে যিনি শুয়ে পড়েছিলেন নবীজির বিছানায়—তিনি আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু! ঈমানের পরীক্ষা কেবল হিজরতের রাতে শেষ হয়নি। বদরের ময়দানে প্রতিপক্ষ শায়বাকে এক আঘাতে পরাস্ত করা থেকে শুরু করে, খন্দকের রণাঙ্গনে কাফেরদের দুর্ধর্ষ যোদ্ধা আমর ইবনে আবদে উদকে পরাস্ত করা—প্রতিটি যুদ্ধেই তিনি ছিলেন এক অপরাজেয় সিংহ! এমনকি খাইবারের বিখ্যাত যুদ্ধে বিজয়ের পাতাকাও আল্লাহর নির্দেশে উঠেছিল যাঁর হাতে। হুদাইবিয়ার ঐতিহাসিক চুক্তির দলিল লেখা থেকে শুরু করে বিদায় হজ্জের পর মক্কার বুকে আসমানি বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া—সর্বত্রই তিনি ছিলেন আসমানি সাহসের প্রতীক। পরবর্তীতে চার খলিফার শেষ খলিফা হয়ে সংকটময় এক সময়ে উম্মাহর দায়িত্ব কাধে নিয়েছিলেন জীবনের শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত। আমরা প্রায়ই অজুহাত দিই— এখনও তো বয়স হয়নি, জীবন তো পড়ে আছে। কিন্তু কিশোর বয়সেই আলী রা.-এর সত্যের পক্ষে দাঁড়ানোর সাহসিকতা প্রমাণ করে, সত্য ও ঈমানের জন্য বয়সের প্রবীণতার প্রয়োজন হয় না, প্রয়োজন হয় একটি সিংহহৃদয়ের। রাসূল স.-এর যুগের বিরল ঘটনা সিরিজ ➔ পর্ব ০৫ (সমগ্র মক্কা যখন নবুওয়াতের কথা শুনে ধোঁকা আর জাদুটোনা বলে উড়িয়ে দিচ্ছিল, ঠিক তখন যিনি এক মুহূর্তের দ্বিধা ছাড়া বলে উঠেছিলেন—'আপনি যদি সত্য নিয়ে এসে থাকেন, তবে আমি আপনার ওপর ঈমান আনলাম!' সেই অবিচল ঈমান ও নিঃশর্ত বন্ধুত্বের রোমাঞ্চকর পর্বটি মিস করলে, প্রথম কমেন্টে পিন করা পোস্ট লিংক থেকে পড়ে আসতে পারেন।) হযরত আলী রা.-এর জীবনের কোন অধ্যায়টি আপনার হৃদয়কে সবচেয়ে বেশি নাড়া দিয়েছে? ১. অল্প বয়সে বনু হাশেমের মজলিসে ঈমানের ঘোষণা দেওয়া? ২. হিজরতের রাতে নবীজির বিছানায় শুয়ে থাকা? ৩. নাকি বদর ও খন্দকের রণাঙ্গনে বীরত্বের সাথে অটল থাকা? কমেন্টে আপনার মতামত অবশ্যই জানান। আগামী পর্বে আসছে এমন একজন মানুষের অবিশ্বাস্য গল্প, যাকে ডাকাতরা মাত্র ৮ বছর বয়সে মা-বাবার কাছ থেকে ছিনিয়ে এনে বাজারে বিক্রি করে দিয়েছিল! কিন্তু পরবর্তীতে মনিবের দেওয়া স্বাধীনতার চেয়েও প্রিয় নবীজির দরবারে তাঁর ভালোবাসাকেই যিনি জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি মেনে নিয়েছিলেন। নবীজির সেই পরম ভালোবাসার ‘মাহবুবে রাসূল’ কে? জানতে কমেন্টে লিখুন “পর্ব ৬” বা “জানতে চাই”। #রাসূলের_বিরল_ঘটনা#SeeratUnNabi#Seerah#prophetmuhammad#muslim
Oictv
সৌদি আরবে হামলার বিরুদ্ধে গ্রুপ ফোর যৌথভাবে কঠোর ভাষায় নিন্দা করেছে। গ্রুপ ফোরের সদস্য হলো- সৌদি আরব, তুরস্ক, পাকিস্তান ও মিশর। প্রশ্ন হচ্ছে- মিশরও কি যোগ দিচ্ছে মক্কা জোটে এবং তারা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নামবে যুদ্ধে?? আর ভিকটিম হবে- গরিব জাতির লোকজনগুলো?? হায় ইনসাফ!!
12 hours ago | [YT] | 0
View 0 replies
Oictv
দাদা বাবু ঈদ মোবারক 🇮🇳🤣🤣
#reelsviralシ #reelsfbシ
13 hours ago | [YT] | 0
View 0 replies
Oictv
গরুর মাংসের দাম ২৫০ টাকা করার দাবি, সরকারকে লিগ্যাল নোটিশ
21 hours ago | [YT] | 0
View 0 replies
Oictv
সৌদি আরবে হুতিদের হামালায় আরো ২ বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
Two more Bangladeshis killed in Houthi attacks in Saudi Arabia: State Minister for Foreign Affairs
21 hours ago | [YT] | 1
View 0 replies
Oictv
মাত্র ৮ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর সোবহানা মুস্তারি ও অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতির ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ানো। প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ...
#cricket #cricketnews #Sports
21 hours ago | [YT] | 0
View 0 replies
Oictv
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র: প্রথম ইউনিটে প্রথমবারের মতো সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরু
21 hours ago | [YT] | 0
View 0 replies
Oictv
শাহজালালে আচারের বয়ামে মিললো পৌনে ৩ কোটি টাকার স্বর্ণালংকার, গ্রেফতার ১
21 hours ago | [YT] | 0
View 0 replies
Oictv
ইউক্রেনে নতুন প্রেসিডেন্ট চান ট্রাম্প, পাল্টা তোপ জেলেনস্কির
21 hours ago | [YT] | 0
View 0 replies
Oictv
১৪০০ সাল আগে থেকে মুনাফিক মুসলমান আহলে বাইত আঃ এর অনুসারীদের কে হত্যা করে আসছে। যতই তাদের কে হত্যা করছে, ততই আহলে বাইত আঃ এর অনুসারীর লোক বেড়েয় চলেছে। কারন কি? কারন আল্লাহ তায়ালা বলেন আমি হালাল জিনিসে বরকত দান করি।
কাফেররা মুখের ফুতকারে আল্লাহর নূর নিভিয়ে দিতে চায়
«يُرِيدُونَ لِيُطْفِئُوا نُورَ اللَّهِ بِأَفْوَاهِهِمْ وَاللَّهُ مُتِمُّ نُورِهِ وَلَوْ كَرِهَ الْكَافِرُونَ»
বাংলা অনুবাদ:
“তারা নিজেদের মুখের ফুঁ দিয়ে আল্লাহর নূর নিভিয়ে দিতে চায়। অথচ আল্লাহ তাঁর নূরকে পূর্ণতা দান করবেন, যদিও কাফিররা তা অপছন্দ করে।”(সূরা আস-সাফ, আয়াত ৮।)
ইমাম মূসা ইবনে জাফর (আ.)-কে «يُرِيدُونَ لِيُطْفِئُوا نُورَ اللَّهِ»—“তারা আল্লাহর নূর নিভিয়ে দিতে চায়”—এই আয়াতাংশের অর্থ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলো। তিনি বললেন, এর দ্বারা আমিরুল মুমিনিন হযরত আলী (আ.)-এর প্রতি ভালোবাসাকে বোঝানো হয়েছে।
আর «وَاللَّهُ مُتِمُّ نُورِهِ»—“আল্লাহ তাঁর নূরকে পূর্ণতা দান করবেন”—এর অর্থ হলো, আল্লাহ ইমামতকে পূর্ণতা দান করবেন। এর প্রমাণ হিসেবে তিনি এই আয়াতাংশ উল্লেখ করেন:
«فَآمِنُوا بِاللَّهِ وَرَسُولِهِ وَالنُّورِ الَّذِي أَنْزَلْنَا»
অর্থাৎ, “অতএব, তোমরা আল্লাহ, তাঁর রাসুল এবং যে নূর আমরা অবতীর্ণ করেছি, তার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করো।” এখানে নূর বলতে ইমামকে বোঝানো হয়েছে।
মুহাম্মদ ইবনে ফুদাইল বলেন, আমি জিজ্ঞাসা করলাম, «هُوَ الَّذِي أَرْسَلَ رَسُولَهُ بِالْهُدَىٰ وَدِينِ الْحَقِّ»—এর অর্থ কী?
ইমাম (আ.) বললেন, এর অর্থ হলো, আল্লাহ তাঁর রাসুলকে নির্দেশ দিয়েছেন, যেন তিনি মানুষের কাছে তাঁর উত্তরসূরি আমিরুল মুমিনিন হযরত আলী (আ.)-এর প্রতি ভালোবাসার অপরিহার্যতার বিষয়টি ঘোষণা করেন। আর রাসুলের ওসির প্রতি ভালোবাসাই হলো সত্য দ্বীন।
আমি আবার জিজ্ঞাসা করলাম, «لِيُظْهِرَهُ عَلَى الدِّينِ كُلِّهِ»—এর অর্থ কী?
তিনি বললেন, এর অর্থ হলো, আল্লাহ আমাদের কায়েম ইমাম মাহদি (আ.)-এর আবির্ভাবের সময় সত্য দ্বীনকে সব বাতিল ধর্ম ও মতবাদের ওপর বিজয়ী করবেন।
যেমন আল্লাহ বলেছেন, «وَاللَّهُ مُتِمُّ نُورِهِ»—“আল্লাহ তাঁর নূরকে পূর্ণতা দান করবেন।” অর্থাৎ, আল্লাহ আলে মুহাম্মদের কায়েম ইমাম মাহদি (আ.)-এর বেলায়াতের মাধ্যমে তাঁর নূরকে পূর্ণতা দান করবেন।
আর «وَلَوْ كَرِهَ الْكَافِرُونَ»—“যদিও কাফিররা তা অপছন্দ করে”—এর অর্থ হলো, যদিও আলী (আ.)-এর শত্রুরা তা অপছন্দ করে।
আমি জিজ্ঞাসা করলাম, আপনি যা বললেন, তা কি কুরআনের অবতীর্ণ অর্থ ও বাহ্যিক অর্থ?
তিনি বললেন, “হ্যাঁ, আমি যা বলেছি, তা কুরআনের অবতীর্ণ অর্থ ও বাহ্যিক অর্থ।”
21 hours ago | [YT] | 0
View 0 replies
Oictv
তখনও তাঁর দাড়ি গজায়নি, বয়েসে কেবলই এক দূরন্ত কিশোর।
কিন্তু মক্কার পরাক্রমশালী কুরাইশ সর্দাররা যখন নবুওয়াতের নতুন সত্যের নাম শুনে হুঙ্কার দিয়ে উঠছিল, তখন বনু হাশেমের সেই থমথমে মজলিসে এক কিশোর একাই দাঁড়িয়ে গিয়েছিলেন।
তিনি ছিলেন হযরত আলী ইবনে আবী তালেব রাদিয়াল্লাহু আনহু।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্নেহের ছায়ায় লালিত-পালিত হওয়া এই কিশোর সত্যের প্রথম আহ্বান শোনামাত্রই কোনো দ্বিধা ছাড়া তা হৃদয়ে ধারণ করে নিয়েছিলেন।
কিন্তু তাঁর সত্য গ্রহণের চেয়েও রোমাঞ্চকর ছিল সেই সত্যের ওপর পাহাড়ের মতো অটল থাকার গল্প।
তিনি শুধু প্রথম কিশোর হিসেবে ঈমান আনেননি; পরবর্তীতে বীরত্ব ও সাহসিকতার এমন সব অধ্যায় রচনা করেছিলেন, যা আজও বিশ্বকে বাকরুদ্ধ করে দেয়।
যার মধ্যে সবচেয়ে শিহরণ জাগানো দৃশ্যটি ঘটেছিল হিজরতের সেই থমথমে রাতে।
মক্কার ঘাতকরা তখন হাতে উদ্যত তরবারি নিয়ে ঘিরে রেখেছে প্রিয় নবীজির বাড়ি। ঘরের বাইরে মৃত্যুর শীতল হাতছানি।
ঠিক সেই মুহূর্তে তাকে প্রিয় নবীজি সা. বললেন তাঁর আমানতগুলো মানুষের কাছে ফিরিয়ে দিয়ে মদিনায় পৌঁছানোর কথা।
রাতের অন্ধকারে শত্রুর ধারালো তলোয়ারের তোয়াক্কা না করে, নিজের জীবনের মায়ার বিপরীতে যিনি শুয়ে পড়েছিলেন নবীজির বিছানায়—তিনি আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু!
ঈমানের পরীক্ষা কেবল হিজরতের রাতে শেষ হয়নি।
বদরের ময়দানে প্রতিপক্ষ শায়বাকে এক আঘাতে পরাস্ত করা থেকে শুরু করে, খন্দকের রণাঙ্গনে কাফেরদের দুর্ধর্ষ যোদ্ধা আমর ইবনে আবদে উদকে পরাস্ত করা—প্রতিটি যুদ্ধেই তিনি ছিলেন এক অপরাজেয় সিংহ!
এমনকি খাইবারের বিখ্যাত যুদ্ধে বিজয়ের পাতাকাও আল্লাহর নির্দেশে উঠেছিল যাঁর হাতে।
হুদাইবিয়ার ঐতিহাসিক চুক্তির দলিল লেখা থেকে শুরু করে বিদায় হজ্জের পর মক্কার বুকে আসমানি বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া—সর্বত্রই তিনি ছিলেন আসমানি সাহসের প্রতীক।
পরবর্তীতে চার খলিফার শেষ খলিফা হয়ে সংকটময় এক সময়ে উম্মাহর দায়িত্ব কাধে নিয়েছিলেন জীবনের শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত।
আমরা প্রায়ই অজুহাত দিই—
এখনও তো বয়স হয়নি, জীবন তো পড়ে আছে।
কিন্তু কিশোর বয়সেই আলী রা.-এর সত্যের পক্ষে দাঁড়ানোর সাহসিকতা প্রমাণ করে, সত্য ও ঈমানের জন্য বয়সের প্রবীণতার প্রয়োজন হয় না, প্রয়োজন হয় একটি সিংহহৃদয়ের।
রাসূল স.-এর যুগের বিরল ঘটনা সিরিজ
➔ পর্ব ০৫
(সমগ্র মক্কা যখন নবুওয়াতের কথা শুনে ধোঁকা আর জাদুটোনা বলে উড়িয়ে দিচ্ছিল, ঠিক তখন যিনি এক মুহূর্তের দ্বিধা ছাড়া বলে উঠেছিলেন—'আপনি যদি সত্য নিয়ে এসে থাকেন, তবে আমি আপনার ওপর ঈমান আনলাম!'
সেই অবিচল ঈমান ও নিঃশর্ত বন্ধুত্বের রোমাঞ্চকর পর্বটি মিস করলে, প্রথম কমেন্টে পিন করা পোস্ট লিংক থেকে পড়ে আসতে পারেন।)
হযরত আলী রা.-এর জীবনের কোন অধ্যায়টি আপনার হৃদয়কে সবচেয়ে বেশি নাড়া দিয়েছে?
১. অল্প বয়সে বনু হাশেমের মজলিসে ঈমানের ঘোষণা দেওয়া?
২. হিজরতের রাতে নবীজির বিছানায় শুয়ে থাকা?
৩. নাকি বদর ও খন্দকের রণাঙ্গনে বীরত্বের সাথে অটল থাকা?
কমেন্টে আপনার মতামত অবশ্যই জানান।
আগামী পর্বে আসছে এমন একজন মানুষের অবিশ্বাস্য গল্প, যাকে ডাকাতরা মাত্র ৮ বছর বয়সে মা-বাবার কাছ থেকে ছিনিয়ে এনে বাজারে বিক্রি করে দিয়েছিল! কিন্তু পরবর্তীতে মনিবের দেওয়া স্বাধীনতার চেয়েও প্রিয় নবীজির দরবারে তাঁর ভালোবাসাকেই যিনি জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি মেনে নিয়েছিলেন।
নবীজির সেই পরম ভালোবাসার ‘মাহবুবে রাসূল’ কে?
জানতে কমেন্টে লিখুন “পর্ব ৬” বা “জানতে চাই”।
#রাসূলের_বিরল_ঘটনা #SeeratUnNabi #Seerah #prophetmuhammad #muslim
21 hours ago | [YT] | 0
View 0 replies
Load more