একদিনের কথা, ডোনাল্ড ট্রাম্প, যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট, তার মার-এ-লাগো রিসোর্টে সময় কাটাচ্ছিলেন। হঠাৎ তিনি শুনলেন দরজার বাইরে কিছু ঘেউ ঘেউ শব্দ। প্রথমে ভাবলেন কোনো প্রতিবেশীর কুকুর হবে। কিন্তু শব্দ থামল না।
তিনি দরজা খুলে দেখেন, একটি ছোট কুকুর—ধূলিমাখা, ক্লান্ত আর কাঁপছে। তার গলায় কোনো কলার নেই, চোখে এক ধরনের ভীত-ভীত ভাব। ট্রাম্প একটু অস্বস্তিতে পড়ে গেলেন, কারণ তিনি খুব কুকুরপ্রেমী ছিলেন না। কিন্তু তবুও তিনি বললেন:
কুকুরটা তার দিকে তাকিয়ে লেজ নাড়ল। যেন বলছে, “আমাকে একটু বিশ্বাস করুন।”
ট্রাম্প কুকুরটিকে একটু খাবার দিলেন—এক টুকরো স্টেক। কুকুরটি তা চেটেপুটে খেলো, আর ট্রাম্পের পেছনে পেছনে হেঁটে ঘরে ঢুকে পড়ল।
---
টগোর নতুন জীবন
এই কুকুরের নাম দেওয়া হলো "টগো", ১৯৩০ সালের বিখ্যাত স্লেজ কুকুরের নামে। ট্রাম্প আস্তে আস্তে টগোকে পছন্দ করে ফেললেন। সকালবেলা টগো তার চেয়ারের পাশে বসে থাকত, প্রেস ব্রিফিং চলার সময় চুপচাপ শুয়ে থাকত, মাঝে মাঝে সাংবাদিকদের সামনে হালকা ঘেউ ঘেউ করে সবাইকে হাসাতো।
ট্রাম্প টগোকে নিয়ে টুইট করতেন:
টগো এখন শুধু একটা কুকুর নয়, একদম প্রেসিডেন্টের পরামর্শদাতা হয়ে উঠেছিল (অবশ্য মনের মধ্যে!)। যখন ট্রাম্প কোনো সিদ্ধান্ত নিতে দ্বিধায় পড়তেন, তখন টগোর দিকে তাকিয়ে বলতেন
টগো একবার ঘেউ করলে মানে ছিল "হ্যাঁ", দুইবার মানে "না"।
---
বন্ধুত্বের শিক্ষা
দিন যায়, মাস যায়। টগো ট্রাম্পের জীবনে একটা আলাদা স্থান করে নেয়। সংবাদমাধ্যম টগোকে ভালোবেসে নাম দেয় "First Dog"।
একবার এক সাংবাদিক প্রশ্ন করল
ট্রাম্প হেসে উত্তর দিলেন:
> “I didn’t choose Togo. Togo chose me. And sometimes, the
চাটাম প্রতিযোগিতা আমার ছোটবেলায় আমাদের স্কুল মাঠে একবার চাটাম (গালগল্প) প্রতিযোগিতা হয়েছিল। ফার্স্ট পুরস্কার ধার্য ছিল গরু। একজন মুরুব্বী চাটাম দিচ্ছিলেন এই বলে যে, এক ঘাটে ৫ বাড়ীর ৫ বউ গোসল করতে এসে কেউ কারো সঙ্গে গল্প দূরে থাক কথা পর্যন্ত বলেনি। সবাই হো হো করে হাসল বেশ হয়েছে। মেয়েরা একসঙ্গে হলে কথা বলবেই, সো এটা একটা দ্বারূন চাটাম হয়েছে।
পরের প্রতিযোগী বলল, বউকে বললাম খাবার রেডি কর, আমি গোসল সেরে আসছি, আমি বাড়ী এসে দেখি বউ আমার ভাতের হাঁড়ি নারকেল গাছের মাথায় রেখে নারকেল গাছের গোড়ার খড়ি দিয়ে জ্বাল দিচ্ছে। আর তাতেই ভাত টগবগ করে ফুটে গেছে। সবাই আবারও হেসে লুটোপুটি খেতে লাগল।
একসময় প্রতিযোগিতায় প্রথম কে হলেন বিচার বিশ্লেষণ চলছে কে হবে ফার্স্ট, জিতে নিয়ে যাবে গরু। বিজয়ীর নাম ঘোষণা দিতে এসে মাইক্রোফোন হাতে নিয়ে বললেন, উপস্থিত দর্শকবৃন্দ, পুরস্কার হিসেবে গরু দেওয়াও আমার একটা চাটাম ছিল। সবাই হাসতে হাসতে লুটোপুটি খেতে লাগল। একজন জনপ্রতিনিধি দাঁড়িয়ে বললেন, আপনিই চাটামে ফার্স্ট, এখন গরু নেবেন নাকি ডিম পুরস্কার নেবেন সেটা আপনার ব্যাপার।😊😊
Tanvir Television
ট্রাম্প এবং তার কুকুর
একদিনের কথা, ডোনাল্ড ট্রাম্প, যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট, তার মার-এ-লাগো রিসোর্টে সময় কাটাচ্ছিলেন। হঠাৎ তিনি শুনলেন দরজার বাইরে কিছু ঘেউ ঘেউ শব্দ। প্রথমে ভাবলেন কোনো প্রতিবেশীর কুকুর হবে। কিন্তু শব্দ থামল না।
তিনি দরজা খুলে দেখেন, একটি ছোট কুকুর—ধূলিমাখা, ক্লান্ত আর কাঁপছে। তার গলায় কোনো কলার নেই, চোখে এক ধরনের ভীত-ভীত ভাব। ট্রাম্প একটু অস্বস্তিতে পড়ে গেলেন, কারণ তিনি খুব কুকুরপ্রেমী ছিলেন না। কিন্তু তবুও তিনি বললেন:
কুকুরটা তার দিকে তাকিয়ে লেজ নাড়ল। যেন বলছে, “আমাকে একটু বিশ্বাস করুন।”
ট্রাম্প কুকুরটিকে একটু খাবার দিলেন—এক টুকরো স্টেক। কুকুরটি তা চেটেপুটে খেলো, আর ট্রাম্পের পেছনে পেছনে হেঁটে ঘরে ঢুকে পড়ল।
---
টগোর নতুন জীবন
এই কুকুরের নাম দেওয়া হলো "টগো", ১৯৩০ সালের বিখ্যাত স্লেজ কুকুরের নামে। ট্রাম্প আস্তে আস্তে টগোকে পছন্দ করে ফেললেন। সকালবেলা টগো তার চেয়ারের পাশে বসে থাকত, প্রেস ব্রিফিং চলার সময় চুপচাপ শুয়ে থাকত, মাঝে মাঝে সাংবাদিকদের সামনে হালকা ঘেউ ঘেউ করে সবাইকে হাসাতো।
ট্রাম্প টগোকে নিয়ে টুইট করতেন:
টগো এখন শুধু একটা কুকুর নয়, একদম প্রেসিডেন্টের পরামর্শদাতা হয়ে উঠেছিল (অবশ্য মনের মধ্যে!)। যখন ট্রাম্প কোনো সিদ্ধান্ত নিতে দ্বিধায় পড়তেন, তখন টগোর দিকে তাকিয়ে বলতেন
টগো একবার ঘেউ করলে মানে ছিল "হ্যাঁ", দুইবার মানে "না"।
---
বন্ধুত্বের শিক্ষা
দিন যায়, মাস যায়। টগো ট্রাম্পের জীবনে একটা আলাদা স্থান করে নেয়। সংবাদমাধ্যম টগোকে ভালোবেসে নাম দেয় "First Dog"।
একবার এক সাংবাদিক প্রশ্ন করল
ট্রাম্প হেসে উত্তর দিলেন:
> “I didn’t choose Togo. Togo chose me. And sometimes, the
5 months ago | [YT] | 0
View 0 replies
Tanvir Television
চাটাম প্রতিযোগিতা
আমার ছোটবেলায় আমাদের স্কুল মাঠে একবার চাটাম (গালগল্প) প্রতিযোগিতা হয়েছিল। ফার্স্ট পুরস্কার ধার্য ছিল গরু। একজন মুরুব্বী চাটাম দিচ্ছিলেন এই বলে যে, এক ঘাটে ৫ বাড়ীর ৫ বউ গোসল করতে এসে কেউ কারো সঙ্গে গল্প দূরে থাক কথা পর্যন্ত বলেনি। সবাই হো হো করে হাসল বেশ হয়েছে। মেয়েরা একসঙ্গে হলে কথা বলবেই, সো এটা একটা দ্বারূন চাটাম হয়েছে।
পরের প্রতিযোগী বলল, বউকে বললাম খাবার রেডি কর, আমি গোসল সেরে আসছি, আমি বাড়ী এসে দেখি বউ আমার ভাতের হাঁড়ি নারকেল গাছের মাথায় রেখে নারকেল গাছের গোড়ার খড়ি দিয়ে জ্বাল দিচ্ছে। আর তাতেই ভাত টগবগ করে ফুটে গেছে। সবাই আবারও হেসে লুটোপুটি খেতে লাগল।
একসময় প্রতিযোগিতায় প্রথম কে হলেন বিচার বিশ্লেষণ চলছে কে হবে ফার্স্ট, জিতে নিয়ে যাবে গরু। বিজয়ীর নাম ঘোষণা দিতে এসে মাইক্রোফোন হাতে নিয়ে বললেন, উপস্থিত দর্শকবৃন্দ, পুরস্কার হিসেবে গরু দেওয়াও আমার একটা চাটাম ছিল। সবাই হাসতে হাসতে লুটোপুটি খেতে লাগল। একজন জনপ্রতিনিধি দাঁড়িয়ে বললেন, আপনিই চাটামে ফার্স্ট, এখন গরু নেবেন নাকি ডিম পুরস্কার নেবেন সেটা আপনার ব্যাপার।😊😊
9 months ago | [YT] | 4
View 1 reply
Tanvir Television
প্যারোডি কবিতা
2 years ago | [YT] | 0
View 0 replies
Tanvir Television
সাবস্ক্রাইব মাই চ্যানেল
2 years ago | [YT] | 0
View 0 replies