উনি চালনি দিয়ে ছেকে ছেকে, স্ত্রী ও তার গর্ভস্থ সন্তানের হাড়গোড় জড়ো করছেন...!! উনার নাম আবু ইসমাইল হাম্মাদ। দুই বছর দুই মাস আগে গাজায় এক হামলায় তার স্ত্রী, অনাগত সন্তান এবং অন্য সকল সন্তানেরা শাহাদাত বরণ করেন। তখন থেকেই তারা সেই ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে ছিলেন। আজ তিনি একটি হাতড়ি আরেকটি চালনি নিয়ে তার স্ত্রীও সন্তানদের দেহাবশেষ খুঁজে বের করার কাজ শুরু করেছেন,যেন কবর দিতে পারেন। আবু ইসমাইল বলেন, অবশেষে আমি আমার স্ত্রীর দেহাবশেষ খুঁজে পেয়েছি। এই আদিম পদ্ধতিতেই চালনি দিয়ে সেকে আমি তাকে এবং তার গর্ভের অনাগত সন্তানকে একত্রে জড়ো করেছি। ইনশাল্লাহ আমি আমার বাকি ছেলেমেয়েদের অবশেষেও খুঁজে পাবো। সকল প্রশংসা জগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য। 🤲 স্তব্ধ হয়ে যেতে হয়, হাই গাজার দুঃ*খ... আর কত দুঃ*খ দেখবে পৃথিবী!!
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম রাজবন্দী: অকুতোভয় বীর মেজর এম এ জলিল
১৯৭১-এর ১৬ ডিসেম্বর লাল-সবুজের পতাকা উড়লো আকাশে, বিজয়ের আনন্দে উদ্ভাসিত হলো জাতি। কিন্তু সেই আলোর প্রথম স্পর্শ যেন ছুঁতে পারেনি এক অটল যোদ্ধার জীবনে—মেজর মোহাম্মদ আব্দুল জলিল। স্বাধীনতার মাত্র পনেরো দিন পর, ৩১ ডিসেম্বর ১৯৭১-এ, যশোরের পথে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। অপরাধ? সদ্য স্বাধীন দেশের সম্পদ, অস্ত্র-শস্ত্র, গোলা-বারুদ—পাকিস্তানি বাহিনীর ফেলে যাওয়া এসব যেন ভারতীয় বাহিনী লুট করে নিয়ে যেতে না পারে, তার তীব্র প্রতিবাদ। খুলনা-সাতক্ষীরা সীমান্তে লুটপাট ও পাচারের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি—দেশের সার্বভৌমত্ব ও সম্পদ রক্ষার জন্য একাকী লড়াই। এই সাহসিকতাই তাঁকে বানিয়ে দিল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম রাজবন্দী।
প্রথমে যশোর থেকে ধরে নেওয়া হয় ঢাকার রেসকোর্স ময়দানের সেনা ক্যাম্পে, পরে কার্যত নজরবন্দী করে রাখা হয়। যে বীর ৯ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার হিসেবে পাকিস্তানি হানাদারদের বিরুদ্ধে অসংখ্য যুদ্ধ জিতেছিলেন, স্বাধীনতার পর তাঁরই এই পরিণতি—এক অমানবিক বিস্ময়!
**শৈশবের কষ্ট থেকে স্বপ্নের যাত্রা**
১৯৪২ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি, বরিশালের উজিরপুরে নানার বাড়িতে জন্ম তাঁর। পিতা জোনাব আলী চৌধুরী (বা সিকদার) জন্মের মাত্র তিন মাস আগেই চিরবিদায় নেন। পিতৃহীন শৈশব কেটেছে দারিদ্র্য ও সংগ্রামের মাঝে, কিন্তু স্বপ্ন ছিল অটুট। উজিরপুর ডব্লিউবি ইউনিয়ন ইনস্টিটিউশন থেকে ১৯৫৯ সালে কৃতিত্বের সঙ্গে মাধ্যমিক পাস করেন। প্রথমে ফিশারিজ বিভাগে চাকরি নেন, কিন্তু মন বসে না। চাকরি ছেড়ে পশ্চিম পাকিস্তানে গিয়ে পড়াশোনা করেন। ১৯৬১ সালে মারি ইয়ং ক্যাডেট ইনস্টিটিউশন থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস, পাশাপাশি সামরিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ।
**সামরিক জীবন: যুদ্ধের আগুনে পোড়া সোনা**
১৯৬২ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে ট্রেনি অফিসার হিসেবে যোগদান। চাকরির পাশাপাশি বি.এ. সম্পন্ন করেন। ১৯৬৫-এ কমিশন পান, ১২ নম্বর ট্যাঙ্ক ক্যাভালরি রেজিমেন্টে অফিসার হয়ে পাক-ভারত যুদ্ধে অংশ নেন। যুদ্ধবিরতির পর পাকিস্তান একাডেমি থেকে গ্র্যাজুয়েশন, মুলতানে কর্মরত অবস্থায় ইতিহাসে এম.এ. ডিগ্রি। ১৯৭০ সালে মেজর পদে উন্নীত।
**মুক্তিযুদ্ধ: অমর অধ্যায়**
১৯৭১-এর ১০ ফেব্রুয়ারি মায়ের অসুস্থতায় ছুটি নিয়ে বরিশালে আসেন। মার্চ মাসে ঝাঁপিয়ে পড়েন মুক্তিযুদ্ধে। প্রথমে বরিশাল অঞ্চলের ডিফেন্স চিফ, পরে এপ্রিলে মুজিবনগর সরকার তাঁকে ৯ নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার নিয়োগ করে। ৭ জুলাই তাঁর উদ্যোগে গঠিত হয় ‘বঙ্গবন্ধু স্কোয়াড’—স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম নৌবাহিনী। খুলনা বেতার কেন্দ্র মুক্ত করার ঝটিকা অপারেশন, সাতক্ষীরা-খুলনা-বরিশালে সম্মুখ ও গেরিলা যুদ্ধে অসংখ্য বিজয়। মাত্র ৩২ বছর বয়সে এই অসাধারণ নেতৃত্ব!
কিন্তু স্বাধীনতার পর তাঁকে কোনো রাষ্ট্রীয় খেতাব দেওয়া হয়নি—অন্য সেক্টর কমান্ডারদের দেওয়া হয়েছে বীর উত্তম। এই বঞ্চনা তাঁর জীবনের এক কালো অধ্যায়।
**অটল আদর্শের যাত্রা**
গ্রেফতারের পর ১৯৭২ সালের ২ সেপ্টেম্বর মুক্তি পান। পরবর্তীতে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা, দলের সভাপতি হন। শোষিত-বঞ্চিত মানুষের অধিকারের জন্য লড়াই চালিয়ে যান। একাধিকবার কারাবরণ, এমনকি সামরিক ট্রাইব্যুনালে যাবজ্জীবন সাজা—কিন্তু তাঁর আদর্শ অটুট।
১৯৮৯ সালের ১৯ নভেম্বর চিরবিদায় নেন এই মহান বীর। তবু তাঁর সাহস, ত্যাগ ও দেশপ্রেমের আলো আজও জ্বলে—আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, স্বাধীনতা শুধু ভূখণ্ড নয়, আদর্শ, সততা ও ন্যায়েরও।
**সালাম তোমাকে, মেজর জলিল! তোমার মতো অকুতোভয় যোদ্ধারা না থাকলে আমাদের স্বাধীনতার গল্প অসম্পূর্ণ থেকে যেত। তোমার ত্যাগ চিরকাল অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে বাংলার প্রতিটি সন্তানের হৃদয়ে।** 🇧🇩
Md Asad 6.7
উনি চালনি দিয়ে ছেকে ছেকে, স্ত্রী ও তার গর্ভস্থ সন্তানের হাড়গোড় জড়ো করছেন...!!
উনার নাম আবু ইসমাইল হাম্মাদ। দুই বছর দুই মাস আগে গাজায় এক হামলায় তার স্ত্রী, অনাগত সন্তান এবং অন্য সকল সন্তানেরা শাহাদাত বরণ করেন। তখন থেকেই তারা সেই ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে ছিলেন। আজ তিনি একটি হাতড়ি আরেকটি চালনি নিয়ে তার স্ত্রীও সন্তানদের দেহাবশেষ খুঁজে বের করার কাজ শুরু করেছেন,যেন কবর দিতে পারেন।
আবু ইসমাইল বলেন, অবশেষে আমি আমার স্ত্রীর দেহাবশেষ খুঁজে পেয়েছি। এই আদিম পদ্ধতিতেই চালনি দিয়ে সেকে আমি তাকে এবং তার গর্ভের অনাগত সন্তানকে একত্রে জড়ো করেছি। ইনশাল্লাহ আমি আমার বাকি ছেলেমেয়েদের অবশেষেও খুঁজে পাবো। সকল প্রশংসা জগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য। 🤲
স্তব্ধ হয়ে যেতে হয়,
হাই গাজার দুঃ*খ... আর কত দুঃ*খ দেখবে পৃথিবী!!
(Copy Post)
#britishcolumbia #stargazing #novascotia #naturalphenomenon #quebec #travel #natureinspired #holiday #vacation
1 day ago | [YT] | 1
View 0 replies
Md Asad 6.7
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম রাজবন্দী: অকুতোভয় বীর মেজর এম এ জলিল
১৯৭১-এর ১৬ ডিসেম্বর লাল-সবুজের পতাকা উড়লো আকাশে, বিজয়ের আনন্দে উদ্ভাসিত হলো জাতি। কিন্তু সেই আলোর প্রথম স্পর্শ যেন ছুঁতে পারেনি এক অটল যোদ্ধার জীবনে—মেজর মোহাম্মদ আব্দুল জলিল। স্বাধীনতার মাত্র পনেরো দিন পর, ৩১ ডিসেম্বর ১৯৭১-এ, যশোরের পথে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। অপরাধ? সদ্য স্বাধীন দেশের সম্পদ, অস্ত্র-শস্ত্র, গোলা-বারুদ—পাকিস্তানি বাহিনীর ফেলে যাওয়া এসব যেন ভারতীয় বাহিনী লুট করে নিয়ে যেতে না পারে, তার তীব্র প্রতিবাদ। খুলনা-সাতক্ষীরা সীমান্তে লুটপাট ও পাচারের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি—দেশের সার্বভৌমত্ব ও সম্পদ রক্ষার জন্য একাকী লড়াই। এই সাহসিকতাই তাঁকে বানিয়ে দিল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম রাজবন্দী।
প্রথমে যশোর থেকে ধরে নেওয়া হয় ঢাকার রেসকোর্স ময়দানের সেনা ক্যাম্পে, পরে কার্যত নজরবন্দী করে রাখা হয়। যে বীর ৯ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার হিসেবে পাকিস্তানি হানাদারদের বিরুদ্ধে অসংখ্য যুদ্ধ জিতেছিলেন, স্বাধীনতার পর তাঁরই এই পরিণতি—এক অমানবিক বিস্ময়!
**শৈশবের কষ্ট থেকে স্বপ্নের যাত্রা**
১৯৪২ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি, বরিশালের উজিরপুরে নানার বাড়িতে জন্ম তাঁর। পিতা জোনাব আলী চৌধুরী (বা সিকদার) জন্মের মাত্র তিন মাস আগেই চিরবিদায় নেন। পিতৃহীন শৈশব কেটেছে দারিদ্র্য ও সংগ্রামের মাঝে, কিন্তু স্বপ্ন ছিল অটুট। উজিরপুর ডব্লিউবি ইউনিয়ন ইনস্টিটিউশন থেকে ১৯৫৯ সালে কৃতিত্বের সঙ্গে মাধ্যমিক পাস করেন। প্রথমে ফিশারিজ বিভাগে চাকরি নেন, কিন্তু মন বসে না। চাকরি ছেড়ে পশ্চিম পাকিস্তানে গিয়ে পড়াশোনা করেন। ১৯৬১ সালে মারি ইয়ং ক্যাডেট ইনস্টিটিউশন থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস, পাশাপাশি সামরিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ।
**সামরিক জীবন: যুদ্ধের আগুনে পোড়া সোনা**
১৯৬২ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে ট্রেনি অফিসার হিসেবে যোগদান। চাকরির পাশাপাশি বি.এ. সম্পন্ন করেন। ১৯৬৫-এ কমিশন পান, ১২ নম্বর ট্যাঙ্ক ক্যাভালরি রেজিমেন্টে অফিসার হয়ে পাক-ভারত যুদ্ধে অংশ নেন। যুদ্ধবিরতির পর পাকিস্তান একাডেমি থেকে গ্র্যাজুয়েশন, মুলতানে কর্মরত অবস্থায় ইতিহাসে এম.এ. ডিগ্রি। ১৯৭০ সালে মেজর পদে উন্নীত।
**মুক্তিযুদ্ধ: অমর অধ্যায়**
১৯৭১-এর ১০ ফেব্রুয়ারি মায়ের অসুস্থতায় ছুটি নিয়ে বরিশালে আসেন। মার্চ মাসে ঝাঁপিয়ে পড়েন মুক্তিযুদ্ধে। প্রথমে বরিশাল অঞ্চলের ডিফেন্স চিফ, পরে এপ্রিলে মুজিবনগর সরকার তাঁকে ৯ নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার নিয়োগ করে। ৭ জুলাই তাঁর উদ্যোগে গঠিত হয় ‘বঙ্গবন্ধু স্কোয়াড’—স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম নৌবাহিনী। খুলনা বেতার কেন্দ্র মুক্ত করার ঝটিকা অপারেশন, সাতক্ষীরা-খুলনা-বরিশালে সম্মুখ ও গেরিলা যুদ্ধে অসংখ্য বিজয়। মাত্র ৩২ বছর বয়সে এই অসাধারণ নেতৃত্ব!
কিন্তু স্বাধীনতার পর তাঁকে কোনো রাষ্ট্রীয় খেতাব দেওয়া হয়নি—অন্য সেক্টর কমান্ডারদের দেওয়া হয়েছে বীর উত্তম। এই বঞ্চনা তাঁর জীবনের এক কালো অধ্যায়।
**অটল আদর্শের যাত্রা**
গ্রেফতারের পর ১৯৭২ সালের ২ সেপ্টেম্বর মুক্তি পান। পরবর্তীতে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা, দলের সভাপতি হন। শোষিত-বঞ্চিত মানুষের অধিকারের জন্য লড়াই চালিয়ে যান। একাধিকবার কারাবরণ, এমনকি সামরিক ট্রাইব্যুনালে যাবজ্জীবন সাজা—কিন্তু তাঁর আদর্শ অটুট।
১৯৮৯ সালের ১৯ নভেম্বর চিরবিদায় নেন এই মহান বীর। তবু তাঁর সাহস, ত্যাগ ও দেশপ্রেমের আলো আজও জ্বলে—আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, স্বাধীনতা শুধু ভূখণ্ড নয়, আদর্শ, সততা ও ন্যায়েরও।
**সালাম তোমাকে, মেজর জলিল! তোমার মতো অকুতোভয় যোদ্ধারা না থাকলে আমাদের স্বাধীনতার গল্প অসম্পূর্ণ থেকে যেত। তোমার ত্যাগ চিরকাল অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে বাংলার প্রতিটি সন্তানের হৃদয়ে।** 🇧🇩
1 day ago | [YT] | 1
View 0 replies
Md Asad 6.7
#justice
।#WeAreHadi
#JusticeForHadi
#JusticeHadi
#InsafForHadi
#WeAreOsmanHadi
#JusticeForOsmanHadi
#JusticeOsmanHadi
#InsafForOsmanHadi
#Inqilabzindabad
#WeWantJusticeRightNow
#BBC
#CNN
#NewYorkTimes
#bbcenglish
#BritishBroadcastingCorporation
#ANATOLIA
#VOANEWS
#AlJazeeraEnglish
#UnitedNations
#UnitedNationsHumanRightsCouncil
2 days ago | [YT] | 3
View 0 replies
Md Asad 6.7
#Saluting_Our_Cultural_Hero
#JusticeForHadi
3 weeks ago | [YT] | 2
View 0 replies