Love to learn and help others to learn efficiently


Md Faiz Ullah

যুদ্ধবিরতির সুযোগে ইরান পুরোদমে রিকনস্ট্রাকশন কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। অলরেডি তারা ধ্বংস হওয়া অধিকাংশ রেল লাইন মেরামত করে ফেলেছে।

ইরানি ইঞ্জিনিয়াররা মাত্র ৪০ ঘণ্টার মধ্যে কোম শহরের ইয়াহইয়া আবাদ ব্রিজের ধ্বংস হওয়া অংশ মেরামত করে ব্রিজটা যানবাহন পারাপারার জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছে।

এছাড়াও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্রিজ, রাস্তাঘাট এবং কল-কারখানাও পুনরায় চালু করার লক্ষ্যে তারা জোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

এই যুদ্ধে ইরানের ৯৪২টা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আগামী তিন মাসের মধ্যে ইরানের সরকার সেগুলো মেরামত করার উদ্যোগ হাতে নিয়েছে।

শুধু তাই না, ইরানের সরকার ঘোষণা দিয়েছে, মিনাব শহরের ১৬৮ জন শহিদ স্কুল শিক্ষার্থীর প্রত্যেকের নামে একটা করে মোট ১৬৮টা নতুন স্কুল নির্মাণ করবে।

যে জাতি একইসাথে জ্ঞান-বিজ্ঞান, শিক্ষা-দীক্ষা, সভ্যতা-সংস্কৃতি এবং ধর্মকে গুরুত্ব দেয়, তাদেরকে কি না ট্রাম্প প্রস্তর যুগে পাঠিয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়!

যাদের হাতে সভ্যতা নির্মিত হয়, তারা প্রস্তর যুগে ফিরে গেলেও সেখান থেকে ফিরে আসতে তাদের সময় লাগে না।

সংগৃহীত

16 hours ago | [YT] | 13

Md Faiz Ullah

হাদি কে কেনো সরিয়ে দেয়া হলো?
এই প্রশ্নটা এখন আমার কাছে আর স্রেফ একটি প্রশ্ন নয়—এটা যেনো একটি কেইস ফাইল, যেটা আমি যতই বন্ধ করতে চাই, ততই খুলে বসে। খুব করে ভাবি, একটা কষ্ট অহর্নিশ তাড়া করে ফেরে—আমি সরাতে পারি না। একজন অনুসন্ধানকারীর মতো বারবার ফিরে যাই একই জায়গায়, একই দৃশ্যে, একই শূন্যতায়। অনেক মানুষ আসলে কোনো দিন জানবেই না আমরা আসলে কি হারিয়েছি।

আমরা আমাদের শব্দকে হারিয়েছি, আমাদের অভিব্যক্তিকে হারিয়েছি, আমাদের ভাষাকে হারিয়েছি। আমাদের মনের গহীনের এক অব্যক্ত ভাষা যা হাদি’র জবানীতে ব্যক্ত হতো, আমাদের কল্পণা যা অন্ধকারের বস্ত্রহরণ করে অজেয় সূর্যের আলোক রশ্মি হয়ে বিচ্ছুরিত হতো। হাদি ছিলো আমাদের ভাবনার বহিঃপ্রকাশ, হাদি ছিলো সেই কন্ঠস্বরের মুখপাত্র—যা ফ্যাসিবাদের হৃদয়ে কাঁপন ধরিয়ে দিতো।

আমি আমার নোটে লিখে রাখি—
তারা জানতো, হাদিকে হজম করা সম্ভব নয়;
তারা জানতো, হাদিকে কিনে ফেলা সম্ভব নয়;
তারা জানতো, এই অগ্নিবীণার ইথার তরঙ্গ বজ্র নিনাদে সব জঞ্জাল চূর্ণ করে দেবে।

সুতরাং, তদন্তের প্রথম লাইনেই দাঁড়িয়ে যায় একটি সিদ্ধান্ত—হাদিকে সরিয়ে দেয়া ছাড়া তাদের আর কোনো উপায় ছিলো না।

ঘটনার টাইমলাইন যখন সাজাতে শুরু করি, তখনই প্রথম অস্বাভাবিকতা চোখে পড়ে। যেদিন হাদিকে গুলি করা হলো, ঠিক সেদিনই তারেক লন্ডন থেকে ঢাকায় ফেরার ঘোষণা দিলেন—আগেও নয়, পরেও নয়। একজন অনুসন্ধানকারী হিসেবে এই মিলটাকে আমি কাকতালীয় বলে পাশ কাটাতে পারি না। শোক ও শ্রদ্ধার নিদর্শন হিসেবে সে ঘোষণাটি তো দু’এক দিন পরেও দেয়া যেতো—যেতো তো, তাই না?

এই প্রশ্নটাই আমাকে দ্বিতীয় ফাইলে নিয়ে যায়।

খালেদা মৃত্যুর দুয়ারে—সারা দেশের মানুষ চেয়েছে তারেক ফিরে আসুক, শিয়রে ছেলেকে দেখলে তিনি শান্তি পেতেন। দেশের আপামর জনগণ চেয়েছে তারেক ফিরে আসুক। কিন্তু সবাইকে অবাক ও হতাশ করে তিনি ঘোষণা দিলেন—দেশে ফিরে আসা তার একক সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে না। একজন তদন্তকারীর চোখে এই বক্তব্যের মানে খুব স্পষ্ট—তিনি নিয়ন্ত্রিত। আরো সহজ ভাষায় বললে, তিনি যাদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত তারা তাকে দেশে আসার সবুজ সংকেত দিচ্ছিলো না।

তফসীল ঘোষণা এবং হাদি’কে সরিয়ে দেয়াই কি তাহলে তারেকের দেশে আসার পথে বাঁধা ছিলো?

এই প্রশ্নটাকে আমি আলাদা করে মার্ক করি। তফসীল ঘোষণা কোন দিন হবে তা তো অনেক দিন আগেই নির্ধারিত হয়ে গিয়েছিলো—কিন্তু সে মুতাবেক দেশে ফেরার কোনো পদক্ষেপই নেননি তারেক। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয় থেকে জানানো হলো তারেক দেশের ফেরার ট্রাভেল পাস নেননি, এমনকি ট্রাভেল পাসের জন্যে আবেদনও করেননি। লন্ডনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে তারেকের সাথে যোগাযোগ করা হলো—তিনি চাইলে দূতাবাস কর্মকর্তা তার বাসায় গিয়ে ট্রাভেল পাসের আবেদনের ব্যবস্থা করবেন। কিন্তু তারেক সম্মতি দিলেন না। একজন তদন্তকারীর নোটে এই জায়গায় লেখা থাকে—“ইচ্ছাকৃত বিলম্ব?”

তফসীল ঘোষণা নির্ধারিত, তার পরেও তিনি দেশে আসার প্রস্তুতি নিচ্ছেন না কেনো? তার মা ‘ক্লিনিক্যালি ডেড’, তখনও তিনি দেশে আসার কোনো উদ্যোগ নেননি। পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয় থেকে বলা হলো—তারেক যদি ফিরতে চান তাহলে সরকার সব রকম ব্যবস্থা করবে—কিন্তু যার জন্যে এতো উদ্যোগ, তিনি নীরব এবং অনিচ্ছুক! অথচ, যখনই হাদিকে গুলি করা হলো, তার ঠিক কয়েক ঘন্টা পরেই তারেক ঘোষণা দিলেন তিনি দেশে ফিরছেন।

এই ঘটনা কি কাকতালীয়?

এখানে আমার তদন্তে একের পর এক প্রশ্ন উত্থাপিত হয়।

প্রথমতঃ তারেক কি জানতেন দেশে অস্বাভাবিক কিছু হতে যাচ্ছে, যাতে সারা দেশের দৃশ্যপট বদলে যেতে পারে? খেয়াল করে দেখুন, হাদি’র খুনী মাসুদ করিম ফয়সলের প্রেমিকা কি বলেছিলো—সে এমন কাজ করতে যাচ্ছে যার ফলে সারাদেশ উলট-পালট হয়ে যাবে। কাজেই হাদি’র খুনের নেপথ্যে ‘গডফাদার’ যারা ছিলো তাদের সাথে তারেকের যোগাযোগ ছিলো—এমন প্রশ্ন উত্থাপন করা কি অমূলক হবে?

দ্বিতীয়তঃ অনেক নাটকীয়তার পর হাদি’র খুনী ভারতে ধরা পড়লো। খুনীর অবস্থান নিয়ে শুরুতেই একটি চক্র ধূম্রজাল তৈরী করেছিলো। কে খুন করলো, কিভাবে খুন করলো, কিভাবে পালিয়ে গেলো—সব জানে এক সবজান্তা শমসের। একটি খুনের আদ্যোপান্ত ও খুনী পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা সাথে সাথে সেই শমসের জানে কিভাবে? এতো দ্রুত বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় রাষ্ট্রীয় গোয়ান্দা সংস্থাগুলো কোনো খুনের ঘটনার কিনারা করতে পেরেছে—এমন নজীর নেই। CIA, MI6, KGB—এদের কারোই এই রেকর্ড নেই। আছে শুধু কথিত এক অনুসন্ধিৎস্যু ‘সাংঘাতিক’ এর। কাজেই যারা এই খুনের নেপথ্যে ছিলো তারাই এই ঘটনার খবর এই ‘সাংঘাতিক’ এর মাধ্যমে প্রকাশ করেছে—এই প্রশ্ন করা যায় তো, তাই না? তা না হলে লন্ডনে বসে এই ‘সাংঘাতিক’ এতো কিছুর ‘real time’ আপডেট দেয় কিভাবে?

তৃতীয়তঃ ফয়সল তো ‘foot soldier’ ছিলো—‘গডফাদার’ কারা? কারা ফয়সলকে নিয়োগ করেছিলো? ফয়সল তো জেলে ছিলো—কোন আইনজীবী জামিন করিয়েছে, কোন বিচারক অতিদ্রুততার সাথে জামিন দিয়েছে—এসব তো আমরা সবাই জানি। জামিন করানো আইনজীবী বিএনপি’র জানু রাজনীতিবিদদের কে ‘টেক্কা’ দিয়ে ডেপুটি স্পিকারের পদ ভাগিয়ে নিয়েছেন—অবাক করা উলম্ব উত্থান নয়কি? সামান্য ‘নোক্তা’ দিয়ে রাখলাম।

চতুর্থতঃ জামিন করানো আইনজীবীকে কে বা কারা ‘hire’ করেছিলো? তাদের কি এই আইনজীবীকে ডেপুটি স্পিকার বানানোর ক্ষমতাও আছে? হ্যাঁ—আছে। কি, চোখ কপালে গিয়ে ঠেকছে? খানিক অপেক্ষা করুন, একটু পরেই সব পরিষ্কার হয়ে যাবে।

পঞ্চমতঃ হাদি’র খুনির একাউন্টে অস্বাভাবিক লেনদেন হয়েছিলো। ব্যাংকে যাদের বেশি ক্যাশ হ্যান্ডলিং করার অভিজ্ঞতা আছে তারা জানেন—ঐ রকমের একাউন্টগুলোকে ব্যাংকের কর্তা ব্যক্তিরা কতটা নজরদারীর মধ্যে রাখেন। ফয়সলের ক্ষেত্রে তার কিছুই করা হয়নি—যা ব্যাংকের শীর্ষ পর্যায়ে লিয়াজো না থাকলে সম্ভব নয়। ফয়সলের একাউন্ট ছিলো ‘ঢাকা ব্যাংক’ এ। ঢাকা ব্যাংকের মালিক হলো মির্জা আব্বাস। আরেকটি ‘নোক্তা’ দিলাম।

এদিকে হাদি’র খুনী ধরা পড়ার পর থেকেই ‘মারাত্মক অসুস্থ’ মির্জা আব্বাস সিঙ্গাপুরে আছেন। তার স্বাস্থ্যের কোনো আপডেট দল কিংবা পরিবারের পক্ষ থেকে দেয়া হচ্ছে না। অনেকে অনেক কথা বললেও কোনো উত্তর মিলছে না।

ষষ্ঠতঃ সেনাবাহিনী হাদি’র ওপর ক্ষিপ্ত ছিলো। কারণ খুব পরিষ্কার—শত শত আওয়ামী দুর্বৃত্তের অভয়ারণ্য ছিলো ক্যান্টনমেন্ট। ওয়াকার ও হাসিনার ফ্যাসিবাদের দোসর জেনারেলরা ঐ দুর্বৃত্তের দলকে আশ্রয় দিয়ে পরবর্তীতে ভারতসহ অন্যান্য দেশে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করেছিলো। ফ্রন্টলাইনারদের মধ্যে এ ব্যাপারে হাদিই ছিলো সবচেয়ে বেশি সোচ্চার। গুম ও খুনের সাথে জড়িত জেনারেলরা যদি জুলাই বিপ্লবের বিরুদ্ধে দাঁড়ায় তাহলে ক্যান্টনমেন্টের ইট খুলে নিয়ে আসার ঘোষণা দিয়েছিলো হাদি।

সপ্তমতঃ ভারতীয় আধিপত্যবাদ বিরোধী সংগ্রামে তরুণ প্রজন্মের সিপাহশালার ছিলো হাদি। ভারতীয় নাম্বার থেকে প্রতিনিয়ত হত্যার হুমকি পেতো সে। তরুণ প্রজন্মকে যেভাবে উজ্জীবিত করেছিলো, সেটা ছিলো কল্পণাতীত—যা কেবল ক্যারিশমাটিক লিডারদের পক্ষেই সম্ভব।

হাদি বেঁচে থাকলে তাদের সকল প্ল্যান ভেস্তে যেতো। যে ঢেউ ছড়িয়ে পড়েছিলো তাতে ঢাকার ১টি আসনেও বিএনপি’র জেতা কষ্টকর হতো। ‘বিএনপি-আওয়ামীলীগ-ভারত’ এই ত্রয়ের সমঝোতায় যদি বিএনপি জিতেও যেতো, তবে পার্লামেন্ট হতো ঝুলন্ত। সরকার হতো নড়বড়ে। দুর্বল সরকার দিয়ে ‘জুলাই সনদ ও রাষ্ট্র সংস্কার’ কে ঘায়েল করা যেতো না। নির্বাচনের মাঠে হাদি থাকলে বিএনপি কোনো ভাবেই ‘Brute Majority’ পেতো না।

এবার আসুন সবগুলো ডট একসাথে মিলিয়ে দেখি।

কোলকাতার ‘আনন্দবাজার’ পত্রিকার রিপোর্টের কথা মনে পড়ে। ভারতের সাথে কোন তিন সমঝোতায় ‘খালেদাপুত্র’ দেশে ফিরেছিলেন?

বাংলাদেশে ভারতীয় ‘asset’ কে নিরাপত্তা দেবে—এই শর্তেই তারেকের ‘সিকিউরিটি ক্লিয়ারেন্স’ মিলে ছিলো। এবার বুঝতে পারছেন—তারেক কেনো বলেছিলেন তার দেশে ফেরা একক সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে না এবং আমাদের অন্য সবার মতো তার স্বাধীন সিদ্ধান্ত নেবার সুযোগ নেই?

এই কারণেই গুম অধ্যাদেশ বাতিল করা হয়েছে—কারণ এতে ওয়াকারসহ অন্যান্য খুনি জেনারেলরা ফেঁসে যাবে। গুমের শিকার অনেকেই হিন্দিতে জিজ্ঞাসাবাদ কিংবা কথা বলতে শুনেছেন—সে কথা তারা মিডিয়াতেও বলেছেন। গুমের বিচার চলমান থাকলে ভারতেও সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত হয়ে যাবে। জট খুলতে শুরু করেছে—তাই না?

বিএনপি’কে ক্ষমতায় বসানো ছাড়া ভারতের হাতে কোনো ‘option’ ছিলো না। প্রায় ১০০টি আসন যেখানে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে এবং যে কারো জয়-পরাজয় অনিশ্চিত—সেগুলোতে ইঞ্জিনিয়ারিং করা হয়েছে।

‘Narrow margin’ এ জয় লাভ করা ৯৫% আসন জিতেছে বিএনপি—এবার বুঝতে পারছেন ঘটনা কি ঘটেছে?

২০০৮ এর নির্বাচন যে পাতানো ছিলো সেটা বুঝতে দেশের অধিকাংশ মানুষের ১০ বছরের বেশি সময় লেগেছে। অনেকে এখনো জানে না যে ঐ নির্বাচনটি ব্যাপকভাবে পাতানো ছিলো। অসচেতনতার জন্যে এভাবেই আমাদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হয়—আর আমরা অন্ধকারেই রয়ে যাই।

প্রসঙ্গত বলে রাখি, ইলেকশান ইঞ্জিনিয়ারিং কিংবা তা মোকাবেলার জামায়াতের কোনো অভিজ্ঞতা নেই—কারণ ভোটের মাঠে জামায়াত এতো বড় রাজনৈতিক শক্তি কখনোই ছিলো না। ভোট জালিয়াতির ‘হেডমাস্টার’ হলো আওয়ামীলীগ এবং বিএনপি’রও ভালো অভিজ্ঞতা আছে। তাই আওয়ামীলীগের সাথে জালিয়াতিতে পেরে না উঠলেও জামায়াতের চোখে ধুলো দিতে তাদের কোনো সমস্যাই হয়নি—আর সাথে আওয়ামীলীগের সহযোগিতা তো ছিলোই। জামায়াত যখন জালিয়াতি টের পেয়েছে—তার অনেক আগেই খেলা শেষ হয়ে গিয়েছিলো। অর্থাৎ, একটি পাতানো নির্বাচনে বিএনপি’কে ‘Brute Majority’ দেয়া হয়েছে যাতে সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে গণভোট, জুলাই সনদ ও রাষ্ট্র সংস্কারকে গলাটিপে ধরা যায়—এবং হচ্ছেও তাই।

ভেবে দেখুন তো—যদি ঝুলন্ত পার্লামেন্ট হতো—হাদি, নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী, ব্যারিস্টার ফোয়াদ এবং শিশির মনির’রা সংসদে!

হাদিকে হত্যা করে তারা ভয় উৎপাদন করেছে, নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীর এজেন্টদের কে দাঁড়াতেই দেয়নি। ফোয়াদ ও শিশির মনির’দের আগেই হারিয়ে দেয়া হয়েছে। ভূয়া ফ্যামিলি কার্ড ছাপিয়ে ‘লোক ঠকিয়ে’ ভোটের বাক্স ভরার বন্দোবস্ত করা হয়েছে। সুস্পষ্টভাবে নির্বাচনী বিধি ভঙ্গ করা হয়েছে—নির্বাচন কমিশনকে কোনো আওয়াজ করতে দেখেছেন?

সবশেষে চলুন কেস ফাইলের শেষ পাতায় দৃষ্টি দেই—
হাদি হত্যা—ভারত খেলেছে পর্দার অন্তরালে, ওয়াকার এন্ড গং ছিলো মাঠে। তারেক, শিলিং সালাউদ্দিন ও মির্জা আব্বাসরা জানতো। এই কিলিং মিশনের জন্যেই অস্ত্র মামলার আসামী ফয়সলকে অস্বাভাবিক দ্রুততায় জামিনে বের করে আনা হয়েছে। তারাই তাজুল ইসলামকে ট্রাইব্যুনাল সরিয়ে দিয়েছে এবং জামিনের পুরস্কার স্বরূপ কায়সার কামালকে ডেপুটি স্পিকার বানিয়েছে। চুপ্পুর মেয়াদ শেষ হলে মেজর হাফিজ কে রাষ্ট্রপতি এবং কায়সার কামাল কে স্পিকার বানানো হবে। সরল অর্থ হলো—কায়সার কামাল ‘Backup President’।

এই ছকে তো হাদিকে রাখা যায় না—সরিয়ে দিতে হয়। তাই সরিয়ে দেয়া হয়েছে।

হাদি হত্যা কাণ্ডের ‘বেনিফিসিয়ারী’ কারা?
যারা ‘বেনিফিসিয়ারী’ তারা এই মূল পরিকল্পনার কোনো না কোনো পর্যায়ে যুক্ত ছিলো—এই প্রশ্ন উত্থাপন করলে খুব কি অমূলক হবে?

প্রশ্ন রেখে গেলাম।

মইনুল হক
ডেট্রয়েট, মিশিগান।

18 hours ago | [YT] | 21

Md Faiz Ullah

Dr. Shusama Reza আপুর ওয়াল থেকে❤️

একটা খুবই সহজ কিন্তু ভীষণই অবহেলিত প্যারেন্টিং পদ্ধতি নিয়ে আজকের এই পোস্ট।

'এটা করো না'!
'ওটা ধরো না'!
'বলেছি না আর করবেনা! আবার তাও একই কাজ করছ' -

নানা পরিস্থিতিতে বাচ্চাদেরকে সামলাতে আমাদের এরকম 'না' গুলো হয়তো বলতেই হয় !

কিন্তু, আমরা আমাদের বাচ্চাদেরকে ২৪ ঘন্টার মধ্যে নানা কিছুতে সরাসরি এভাবে কত শতবার যে 'না' বলি - সেটা কখনো মিলিয়ে দেখেছি কি?

'না' যে একেবারেই বলা যাবে না সেটা কিন্তু নয়।এখানে প্রশ্নটা হল, এতে কিছু লাভ হচ্ছে কি আসলে?

আমাদের যেকোন বাঁধায় বাচ্চারা মুহূর্তে থেমে গেলেও আসলে তারা শেখে না যে সেই মুহূর্তে তার আসলেই কী করা উচিত ছিল।

এটাই প্রধান সমস্যা।

তাতে এই শত শত 'না' গুলো বাচ্চাদের আচরণগত সমস্যা সমাধানে একেবারেই সহায়ক হয়না।

একটু ভেবে যদি 'না' এর জায়গায় আমরা স্পষ্ট দিকনির্দেশনা/ইনফরমেশন দিই, তাহলে বাচ্চারা শুধু বাঁধাই পায় না বরং সেই মুহূর্তের বিকল্পটাও শিখে নেয়।

আর সেটাই তো আসলে দরকার!
তবেই না ওরা নানা পরিস্থিতির ভেতরে যেয়ে প্রতিটা ক্ষেত্রে করণীয়টার ব্যাপারে স্পষ্ট ধারণাটা পাবে।

আজকের পোস্ট টিতে আমাদের 'না' গুলোর বিকল্প কি হতে পারে সে ব্যাপারে একটা ধারণা দেয়ার চেষ্টা করেছি।

চলুন কয়েকটি উদাহরণ মিলিয়ে দেখি।

✔️ধরুন, বাচ্চাটা খাটে লাফাচ্ছে।
"খাটে লাফিও না" বলার বদলে যদি বলা হয় "খাটে বসে খেলো, লাফাতে চাইলে মাটিতে খেলি" - তাতে কি লাভ?

লাভ টা হল, তাহলে সে বুঝতে পারে সেই মুহূর্তে তার কি/কীভাবে আচরণ করতে হবে/ আপনার প্রত্যাশাটা কি।

✔️একইভাবে "দৌড়াবে না" না বলে "এখানে আস্তে হাঁটি, বাইরে গিয়ে দৌঁড়াতে পারো" বললে তার এনার্জিটা আটকে দেওয়া হল না, বরং সঠিক জায়গায় চালিত হল।

✔️"চিৎকার করো না" বলার বদলে "নরম গলায় বলো, আমি শুনছি" বললে সে নিজের কণ্ঠ নিয়ন্ত্রণ করতে শেখে, আবার তার নরম গলাও যে শোনা যায় সেটাও অনুভব করে।

✔️যখন আমরা বলি "ওটা ধরো না", তখন বাচ্চার কৌতূহল আরও বেড়ে যায়। কিন্তু যদি বলি "ওটা গরম, এতে হাত পুড়ে যেতে পারে" অথবা আরো যদি সাথে জুড়ে দেই "চলো বরং এটা দিয়ে খেলি" তখন সে কারণটাও বোঝে আবার বিকল্পও পায়।

✔️"মোবাইল ধরবে না" বলার বদলে "এখন খেলার সময়, পরে আমরা একসাথে ভিডিও দেখব" বললে সে অপেক্ষা করাও শিখে।

✔️"ফ্লোর নোংরা করো না" এর পরিবর্তে "এখানে পরিষ্কার রাখি, আঁকতে চাইলে কাগজে আঁকি" বললে তার সৃজনশীলতাও আটকে যায় না।

এইভাবে কথা বলার একটা বড় সুবিধা হলো বাচ্চা বুঝতে শেখে কোনটা করা যাবে এবং কেন করা যাবে।

বারবার 'না' শুনে যে বিরক্তি বা প্রতিরোধ তৈরি হয়, সেটাও কমে যায়। ধীরে ধীরে তারা নিজেরাই সিদ্ধান্ত নিতে শেখে এবং বাবা/মায়ের সাথে সম্পর্কটাও নরম ও নিরাপদ থাকে।

আরো কিছু ছোট ছোট বিষয় খেয়াল রাখলে এই পদ্ধতি আরও কার্যকর হয়। যেমন -
✔️বাচ্চার চোখের দিকে তাকিয়ে শান্তভাবে বলা
✔️কথা একদম ছোট রাখা
✔️একই নিয়ম বারবার একইভাবে বলা।

এই ব্যাপারগুলো খোলা চোখে হয়তো খুব ছোট্ট, কিন্তু বাস্তবিক অর্থে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

#Dr_Shusama_Reza
#Positive_Parenting

2 days ago | [YT] | 12

Md Faiz Ullah

#Admission #MAT #Job

Victims rely ___ the state for justice.

6 days ago | [YT] | 7

Md Faiz Ullah

#Admission #MAT #Job

Retail accounts for roughly three percent of national electricity consumption. Here 'roughly' is a/an ____.

1 week ago | [YT] | 4

Md Faiz Ullah

মাঝে মাঝে কাছে একদম টাকা থাকেনা। একদমই। সেদিন ছিলো ২০৫ টাকা। সারদা থেকে রাজশাহী আসবো। ৫০ টাকা হলেই চলবে। সুতরাং কোন সমস্যা নেই। রাস্তায় এক বৃদ্ধ মানুষ এসে গা ঘেঁষে দাঁড়ালেন। তাকে চিনি বলে মনে হলো না।
বললেন, "বাবা, আজ চাল কেনা হয়নি।"
কথাগুলো বলার সময় তার চোখ ছলছল করে উঠলো। দু'এক ফোঁটা পানি গড়াতেই পাঞ্জাবির হাতা দিয়ে মুছে ফেললেন।
আমি আগামাথা না ভেবে ১০০ টাকা দিয়ে, সেখান থেকে সরে আসলাম। মানুষের চোখের পানি সহ্য করা কঠিন।

মাগরিবের নামাজ শেষ করে বের হয়েছি। একজন বৃদ্ধা সালাম দিলেন। তিনি মাসজিদ গেটে ভিক্ষাবৃত্তি করেন। সালামের উত্তর দিয়ে কিছু বলার সুযোগ না দিয়েই সরে আসলাম। আমার পকেটে মাত্র ১০৫ টাকা আছে।

আধাঘন্টা মতো বাজারে লোকজনের সাথে সাক্ষাৎ করে বাসস্ট্যান্ডের দিকে যাচ্ছি। খেয়াল করেছি আধাঘন্টাই বৃদ্ধাটি একটু দূরে থেকে আমার আশেপাশেই ঘুরছেন। বাসস্ট্যান্ডে যেতেই তিনি সামনে এসে বললেন, "বাবা জুয়েল, একটা কথা ছিলো।"
দীর্ঘদিন এই মানুষগুলো আমাকে চেনেন। মায়ের মতো করে কথা বলেন।

বললাম, "বলেন বিটি।"

- বাবা, একটা ভীষণ বিপদে পড়েছি। একশ টাকা খুব জরুরী দরকার।"

বললাম, "বিটি, আমার কাছে ১০৫ টাকা আছে। আপনাকে দিলে রাজশাহী যাওয়ার ভাড়া থাকবেনা।"
বৃদ্ধা তাড়াতাড়ি বললেন, "ঠিক আছে বাবা। থাক থাক। রোজই তো দাও। আজ তুমি আর দিও না। আমি ব্যবস্থা করে নিবো।"

আমি কিছুক্ষণ ভাবলাম। তারপর মনে হলো এইটাই উপযুক্ত সময়। আমি আল্লাহ তায়ালার উপর ভরসা করে ১০০ টাকার নোটটা ঐ বৃদ্ধার হাতে ধরিয়ে দিলাম। বললাম, "আপনি নেন। আল্লাহ তায়ালা আমার জন্য কী ব্যবস্থা করেন দেখি।"

বৃদ্ধা বারবার ফিরিয়ে দিলেও আমি জোর করে দিলাম।

পকেটে ৫ টাকা নিয়ে মোড়ে দাঁড়িয়ে আছি। বাস চলে এলে সমস্যা। পকেটে ভাড়া নেই। মনে মনে দোয়া করছি, আল্লাহ যেন কোন পরিচিত মানুষের সাথে দেখা করিয়ে দেন। তার থেকে ৫০ টাকা কর্জ নিয়ে বাসে উঠবো।

কয়েক মিনিট হলো। পরিচিত কাউকে পেলাম না। অথচ অন্যদিন বিদায়ের সময়ও কয়েকজন সাথে থাকেন।
হঠাৎ সামনে একটি প্রাইভেট কার এসে দাঁড়ালো। জানালা খুলে বললেন "আরে জুয়েল ভাই নাহ!"
আমি চিনলাম না।
বললেন, "রাজশাহীতে আপনার অংশুতে কফি খেতে যাই মাঝে মাঝে। "
আমি "ও আচ্ছা " বলে বিনয়ের হাসি হাসলাম।
জিজ্ঞেস করলেন, "কোথায় যাবেন?"
বললাম, "রাজশাহী। "
-উঠে আসেন ভাই। গল্প করতে করতে যাওয়া হবে।

আমি উঠে বসলাম। সারা রাস্তা ভদ্রলোক কী গল্প করলেন, কিচ্ছু মনে নাই। আমি বারবার চোখ মুছতে ব্যস্ত। কী অপরিসীম প্রতিদান দেওয়ার মালিক রহমানির রহিম! তিনি চাননি, তার কোন এক পাপী বান্দা অন্যের জন্য নিঃস্বার্থভাবে সবটুকু বিলিয়ে দেওয়ার পর কষ্ট পাক।

৪৫ মিনিটে বাসার সামনে এসে নামিয়ে দিয়ে গেলেন ভদ্রলোক। আমি তাকে সত্যিই আগে দেখেছি বলে মনে হলো না। কফির দাওয়াত দিলাম। মোবাইল নম্বর চাইলাম।
মুচকি হেসে বললেন, "আজ নয়। আগামীতে যেদিন অংশুতে কফি খেতে যাবো, সেদিন মোবাইল নম্বর দিবো।"

আমার সামনে দিয়ে গাড়িটি চলে গেল। ঝাপসা চোখে আমি তার চলে যাওয়া দেখলাম। নম্বর প্লেটে নম্বরগুলো অস্পষ্ট। চোখে সবকিছু অস্পষ্ট ঝাপসা দেখাচ্ছে। আকাশের দিকে তাকালাম। স্পষ্ট দেখলাম, রহমানুর রহিমের দয়া বৃষ্টির মতো ঝরে পড়ছে পৃথিবীর বুকে।

সংগৃহীত

1 week ago | [YT] | 73

Md Faiz Ullah

#Admission #MAT #job
What we desperately need now is a return to a time when measles could not turn fatal for any child. Here 'What we desperately need now' is a/an ___.

1 week ago | [YT] | 4

Md Faiz Ullah

জীবনে বহু ক'বর খুঁড়েছি। কিন্তু গত জুমাবার রাতের সেই অদ্ভুত অভিজ্ঞতা আজও আমার বুক কাঁপিয়ে দেয়। ঘটনাটা কাউকে বিশ্বাস করাতে পারব কি না জানি না, কিন্তু আমার নিজের চোখের সামনে ঘটা দৃশ্য তো আর আমি অস্বীকার করতে পারি না!

সেদিন সারাদিন প্রচণ্ড বৃষ্টি। গো'রস্তানের মাটি একেবারে থিকথিকে কাদা হয়ে আছে। এশার নামাজের পর ফোন এলো,

- ‘ভাই, একটা লা'শ আসছে হাসপাতাল থেকে। বেওয়ারিশ লা'শ। কেউ নেই। তাড়াতাড়ি একটা কবরের ব্যবস্থা করেন।’

বৃষ্টির মধ্যে এমন কাদা-মাটিতে ক'বর খোঁড়া যে কত বড় কষ্টের কাজ, তা শুধু একজন গোরখোদকই জানে। আমি আর আমার সহকারী রফিক কোদাল নিয়ে নামলাম। বিরক্ত লাগছিল খুব। ভাবছিলাম, এমন দুর্যোগের রাতে কার লা'শ এলো রে ভাই!

কিন্তু আশ্চর্যের ব্যাপার শুরু হলো কোদাল মাটিতে পড়ার পর থেকেই।

সাধারণত বৃষ্টির পর এই গো'রস্তানের মাটি আঠালো হয়ে যায়, কোদাল চালানো যায় না। কিন্তু সেদিন...সুবহানআল্লাহ! মাটি যেন তুলোর মতো নরম হয়ে আসছিল। রফিক অবাক হয়ে বলল, "উস্তাদ, ব্যাপার কী? মাটি এত ঝুরঝুরে লাগতেছে কেন? মনে হইতেছে কেউ আগে থাইকাই আমাদের জন্য মাটি খুঁইড়া রাখছে!"

আমি ধমক দিয়ে তাকে কাজ করতে বললাম। কিন্তু আমার নিজের বুকেও তখন বিস্ময়। সবচেয়ে বড় ধাক্কাটা খেলাম ক'বর খোঁড়া শেষ হওয়ার পর। গো'রস্তানের এই কোণায় ময়লা-আবর্জনার গন্ধ থাকে সবসময়। কিন্তু হঠাৎ করেই চারপাশটা একটা অদ্ভুত, স্নিগ্ধ সুবাসে ভরে গেল। কোনো আতরের গন্ধ নয়, মনে হলো যেন এক সাথে হাজারটা হাসনাহেনা আর গোলাপ ফুল ফুটেছে! বৃষ্টির সোঁদা গন্ধের সাথে সেই সুবাস মিলে এমন এক পরিবেশ তৈরি হলো, আমার মনে হলো আমি দুনিয়ার কোনো বাগানে নেই।

এর কিছুক্ষণ পরই অ্যাম্বুলেন্স এলো। মাত্র তিনজন মানুষ লা'শের সাথে। হাসপাতালের একজন স্টাফ, আর দুজন অপরিচিত লোক। আমি জিজ্ঞেস করলাম, "ভাই, মৃত ব্যক্তি কে? উনার কোনো আত্মীয়স্বজন নেই?"

হাসপাতালের স্টাফ দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, "না ভাই। উনি শহরের ওই বড় সিগন্যালটার পাশে বসে জুতো সেলাই করতেন। মুচি ছিলেন। আজ বিকেলে হঠাৎ স্ট্রোক করে মা'রা গেছেন। কেউ নেই উনার।"

আমি অবাক হয়ে লা'শের দিকে তাকালাম। সাধারণ সস্তা কা'ফনের কাপড়ে মোড়ানো একটা জীর্ণ শরীর। যখন তাকে ক'বরে নামানো হচ্ছিল, তখনো সেই মিষ্টি সুবাসটা যেন আরও তীব্র হলো। এত প্রশান্ত একটা চেহারা আমি জীবনে কোনো লা'শের দেখিনি। মনে হচ্ছিল, সারা জীবনের ক্লান্তি শেষে মানুষটা পরম শান্তিতে ঘুমিয়ে পড়েছে। তার ঠোঁটের কোণে যেন একটা হালকা হাসির রেখা।

দা'ফন শেষ করে আমি আর রফিক যখন ফিরে আসছি, তখন দেখলাম লা'শের সাথে আসা ওই দুজন অপরিচিত লোক অঝোরে কাঁদছেন। তাদের চেহারা দেখে মনে হচ্ছিল তারা বেশ অবস্থাসম্পন্ন।

আমি আর কৌতূহল ধরে রাখতে পারলাম না। এগিয়ে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, "ভাই, আপনারা কি উনার আত্মীয়?"

তাদের মধ্যে একজন চোখ মুছে বললেন, "না ভাই। আমরা উনাকে চিনতামও না সেভাবে। কিন্তু আজ বিকেলে উনি যখন রাস্তায় পড়ে যান, আমরাই উনাকে হাসপাতালে নিই। ডাক্তার মৃত ঘোষণার পর উনার ছেঁড়া থলে থেকে একটা পুরোনো ডায়েরি পাই। সেটা পড়েই আমরা চমকে গেছি।"

তিনি ডায়েরিটা বের করলেন। "জানেন ভাই? এই লোকটা সারা দিন জুতো সেলাই করে যা পেতেন, তার নিজের জন্য রাখতেন মাত্র কয়েকটা টাকা। বাকি সব টাকা উনি গোপনে একটা এতিমখানায় দিয়ে আসতেন। গত দশ বছর ধরে একটা পঙ্গু মেয়ের চিকিৎসার পুরো খরচ এই মুচি লোকটা দিয়ে আসছিল, অথচ মেয়েটা নিজেও জানে না টাকাটা কে দেয়! ডায়েরিতে শুধু হিসাব লেখাঃ 'আজ এতিমখানার জন্য ২০০ টাকা', 'আজ ফাতেমার ওষুধের জন্য ১৫০ টাকা'।"

লোকটার কথা শুনে আমার পুরো শরীর অবশ হয়ে এলো। চোখের পানি আর আটকে রাখতে পারলাম না। আমি ফিরে তাকালাম সেই নতুন কবরটার দিকে। বুঝতে পারলাম, কেন রাতের অন্ধকারে এই কর্দমাক্ত মাটি তুলোর মতো নরম হয়ে গিয়েছিল। কেন চারপাশটা জান্নাতি সুবাসে ভরে উঠেছিল।

দুনিয়ার চোখে তিনি ছিলেন রাস্তার ধারের এক সাধারণ মুচি। কেউ তাকে দাম দিত না। কিন্তু আল্লাহর চোখে তিনি ছিলেন কতটা সম্মানিত, তা বিদায় বেলায় প্রকৃতি নিজেই সাক্ষ্য দিয়ে গেল।

গোপন আমল আল্লাহ কতটা পছন্দ করেন, সেদিন এই ঘটনা না দেখলে হয়তো কোনোদিনও বুঝতাম না!

~সংগৃহীত

1 week ago | [YT] | 107

Md Faiz Ullah

#Admission #MAT #job

Children are dying ___ Measles again.

2 weeks ago | [YT] | 3

Md Faiz Ullah

বিজ্ঞান বলছে, সুখী মানুষরা আসলে এই একটা কাজ করে।

১৯৩৮ সালে Harvard University একটা গবেষণা শুরু করেছিলো। তাদের লক্ষ্য ছিলো একটা প্রশ্নের উত্তর জানা,
মানুষ আসলে কীভাবে সুখী হয়?

৮৭ বছর ধরে চলা এই গবেষণায় ৭২৪ জন মানুষকে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।

তাদের রক্ত পরীক্ষা হয়েছে, brain scan করা হয়েছে,
প্রতি কয়েক বছরে গিয়ে interview নেওয়া হয়েছে।

গবেষকরা ভেবেছিলেন হয়তো উত্তর হবে,
বেশি টাকা, ভালো ক্যারিয়ার, অথবা ভালো স্বাস্থ্য।

কিন্তু ৮৭ বছরের ডাটা দেখে
গবেষকরা নিজেরাই অবাক হয়ে গিয়েছিলেন।

৫০ বছর বয়সে যারা নিজেদের সম্পর্কগুলো নিয়ে সবচেয়ে বেশি সন্তুষ্ট ছিলো, তারাই ৮০ বছর বয়সে সবচেয়ে সুস্থ ছিল। অনেক টাকা না। ভালো ক্যারিয়ার না। বেশি আইকিউ না। শুধু ভালো সম্পর্ক।

গবেষণার director Robert Waldinger বলেছেন,
ভালো সর্ম্পকই আমাদের সুখী আর সুস্থ রাখে।

আরও চমকানোর মতো বিষয় হলো,
একাকীত্ব আপনার শরীর আর মনের জন্য প্রতিদিন ১৫টা সিগারেট খাওয়ার সমান ক্ষতিকর।

মানে আপনি যদি একা থাকেন, আপনার শরীর ধীরে ধীরে ভেতর থেকে ক্ষয় হতে থাকে।

আমরা সারাজীবন ছুটি টাকার পেছনে।
ভালো চাকরি, বড় বাড়ি, দামি গাড়ি।

কিন্তু Harvard এর ৮৭ বছরের গবেষণা বলছে, মানুষের সুখ নির্ভর করে তার সম্পর্কের মানের উপর, আইকিউ বা সামাজিক মর্যাদার উপর না।

সুখী মানুষরা আসলে একটাই কাজ করে, তারা মানুষকে সময় দেয়। বাবা-মাকে, বন্ধুকে, পরিবারকে।

তাই আজকে থেকেই ফোন স্ক্রল করা কমান।
যাকে অনেকদিন কল করা হয়নি, তাকে একটা কল করুন। কারণ সেই কলটাই হয়তো
আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় ইনভেস্টমেন্ট।

2 weeks ago | [YT] | 28