Love to learn and help others to learn efficiently


Md Faiz Ullah

ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ ভাই বললেন, 'আমি বাংলাদেশের খুব বেশি মসজিদের খতিবের আলোচনায় মুগ্ধ হই নাই, লোম শিউরে ওঠে নাই আমার। গতানুগতিক গৎবাঁধা কথাবার্তা সবখানে। সমাজে মুসলিম তরুণদের দায়িত্ব কি, ইতিহাসে আলেমদের ভূমিকা কেমন ছিল; এ সম্পর্কে কোনো খতিবকে আলোচনা করতে শুনি নাই কখনও।'

ফুয়াদ ভাই একটা চমৎকার বিষয় সামনে এনেছেন। ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে উপমহাদেশের আলেমসমাজের কী সাংঘাতিক ভূমিকা ছিল, কোনো খতিবকে আপনি এ সংক্রান্ত আলোচনা করতে শুনবেন না কোনোদিন। পাকিস্তান আন্দোলনে তাঁদের ভূমিকা নিয়ে কেউ কথা বলেন না। এমনকি চব্বিশে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের, হুজুরদের, হাফেজ-আলেমদের অবদান নিয়ে কোনো খতিবের আলোচনা আজ পর্যন্ত চোখে পড়ে নাই।

জুমার দিন জাতি হিসেবে মুসলমানদের জন্য একটা ব্লেসিংস। এটি এমন একটি দিন, যেদিন একটা কমিউনিটির প্রায় সিংহভাগ মুসলিম সেজেগুজে, শরীরে পারফিউম লাগিয়ে মসজিদে এসে বসে একজন মানুষের আলোচনা শোনার জন্য। কিন্তু খতিব সাহেবের কোনো প্রস্তুতি নাই, আলোচনার টপিক নির্ধারণের সেন্স নাই। জমিনের ওপরের আলাপ নাই, প্রায় সব আলাপ ঈমান-আমল পর্যন্ত কেন্দ্রীভূত।

অথচ খতিব সাহেব একটা বিরাট প্রজন্মকে তাদের অতীত গৌরবের ইতিহাস স্মরণ করিয়ে দিতে পারেন, তরুণদের দায়িত্ব-কর্তব্য সম্পর্কে আলোকপাত করতে পারেন, ইতিহাসের সেরা বীরদের জীবনের গল্প বলে উদ্বুদ্ধ করতে পারেন জনতাকে। সাইয়েদ বেরলভী শহীদ, মাওলানা জাফর থানেশ্বরী, হাবিলদার রজব আলীদের মতো ক্যারেক্টর আমাদের আছে। অথচ তরুণদের সাথে তাঁদের পরিচয় করিয়ে দেওয়ার মতো কোনো খতিব নেই। আফসোস!

'যেমন ইমাম চাই'/ লাবিব আহসান

2 days ago | [YT] | 13

Md Faiz Ullah

এতদিনে মনের মত একটা পোস্ট পেলাম। লেখা দীর্ঘ হলেও পড়ে দেখুন 👇🙏

যে প্রতিষ্ঠানে যোগ্যতার চেয়ে আনুগত্যের মূল্য বেশি, সেখানে মেধাবীরা কাজ করে—আর সুবিধাবাদীরা এগিয়ে যায়। কারণ সেখানে আপনার দক্ষতা, সততা, পরিশ্রম কিংবা সৃজনশীলতার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে আপনি কার কতটা কাছের, কার কথায় কতটা সায় দেন এবং প্রয়োজনের সময় কার পক্ষে দাঁড়ান। একজন মেধাবী মানুষ নিজের কাজ দিয়ে প্রতিষ্ঠানের জন্য মূল্য তৈরি করতে চায়, ভুল দেখলে তা তুলে ধরতে চায়, নতুন কিছু করার চেষ্টা করে এবং নিজের যোগ্যতার মাধ্যমে এগিয়ে যেতে চায়। কিন্তু যে পরিবেশে সত্য কথা বলা অপরাধ, প্রশ্ন করা অবাধ্যতা এবং ভিন্নমত প্রকাশ করা হুমকি হিসেবে দেখা হয়, সেখানে ধীরে ধীরে মেধাবীরা নীরব হয়ে যায়। তারা কাজ করে, দায়িত্ব পালন করে, ফলাফল দেয়—কিন্তু স্বীকৃতি পায় না।

অন্যদিকে, সুবিধাবাদীরা খুব দ্রুত বুঝে যায় প্রতিষ্ঠানের আসল নিয়ম কোথায়। তারা কাজের চেয়ে সম্পর্ককে গুরুত্ব দেয়, যোগ্যতার চেয়ে প্রশংসা করতে শেখে, ভুল দেখেও চুপ থাকে এবং প্রয়োজনে সত্যের চেয়ে ক্ষমতাবান ব্যক্তির মন জয় করাকেই বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে করে। ফলে একসময় এমন একটি সংস্কৃতি তৈরি হয়, যেখানে দক্ষ মানুষরা হতাশ হয় আর তোষামোদকারীরা পুরস্কৃত হয়। তখন পদোন্নতি আর পারফরম্যান্সের ফল থাকে না; হয়ে ওঠে আনুগত্যের পুরস্কার। সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো, এই ব্যবস্থায় প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি শুরু হলেও তাৎক্ষণিকভাবে বোঝা যায় না। কারণ মেধাবীরা হয়তো চুপচাপ কাজ করে যাচ্ছে, কিন্তু তাদের ভেতরের আগ্রহ, উদ্যম এবং প্রতিষ্ঠানের প্রতি বিশ্বাস ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে।

একটি সুস্থ প্রতিষ্ঠানে আনুগত্য অবশ্যই মূল্যবান, কিন্তু সেই আনুগত্য হতে হবে প্রতিষ্ঠানের মূল্যবোধ, নৈতিকতা ও কাজের প্রতি—কোনো ব্যক্তি বিশেষের প্রতি অন্ধ আনুগত্য নয়। একজন কর্মীর মূল্যায়ন হওয়া উচিত তার দক্ষতা, সততা, ফলাফল, নেতৃত্ব, সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা এবং শেখার মানসিকতার ভিত্তিতে। কারণ দীর্ঘমেয়াদে কোনো প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে নিয়ে যায় না তোষামোদকারী মানুষ; এগিয়ে নিয়ে যায় সেই মানুষগুলো, যারা কঠিন সময়ে সত্য কথা বলতে পারে, ভুল স্বীকার করতে পারে, নতুন ধারণা দিতে পারে এবং নিজের কাজের মাধ্যমে পরিবর্তন তৈরি করতে পারে।

তাই কোনো প্রতিষ্ঠানে যদি দেখেন যোগ্যতার চেয়ে আনুগত্যের দাম বেশি, তাহলে বুঝতে হবে সেখানে সমস্যা শুধু কিছু মানুষের নয়—সমস্যাটা পুরো সংস্কৃতির। এমন পরিবেশে মেধাবীরা হয় নিজেকে গুটিয়ে নেয়, নয়তো একসময় অন্য কোথাও নিজের যোগ্যতার মূল্য খুঁজতে চলে যায়। আর যখন একটি প্রতিষ্ঠান একের পর এক মেধাবী মানুষ হারায়, তখন তার জায়গা পূরণ করে এমন মানুষ, যারা প্রতিষ্ঠানের উন্নতির চেয়ে নিজের অবস্থান নিরাপদ রাখতেই বেশি ব্যস্ত। শেষ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি বাইরে থেকে হয়তো টিকে থাকে, কিন্তু ভেতর থেকে তার শক্তি, উদ্ভাবন এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে যায়।

মনে রাখা দরকার—একজন কর্মীর আনুগত্য প্রতিষ্ঠানকে কিছুদিন টিকিয়ে রাখতে পারে, কিন্তু যোগ্যতা, সততা ও মেধার সমন্বয়ই একটি প্রতিষ্ঠানকে দীর্ঘদিন এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। যে প্রতিষ্ঠান মেধাবীদের মূল্য দেয়, সেখানে মানুষ কাজকে ভালোবাসে; আর যে প্রতিষ্ঠান শুধু আনুগত্যের পুরস্কার দেয়, সেখানে মানুষ কাজের চেয়ে ক্ষমতার কাছাকাছি থাকাকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে করতে শেখে। আর সেখানেই শুরু হয় একটি প্রতিষ্ঠানের পতনের সবচেয়ে নীরব অধ্যায়।

লেখা: সংগৃহীত

1 week ago | [YT] | 14

Md Faiz Ullah

সূরা আল-ওয়াকিয়া মাগরিবের পর পড়লে আয়-রোজগার বাড়ে—এমন কোনো সহিহ হাদিস নেই।

অনেকের মুখে শোনা যায়, "যে ব্যক্তি প্রতি রাতে সূরা আল-ওয়াকিয়া পড়বে, সে কখনো দারিদ্র্যে আক্রান্ত হবে না।" তবে এ বর্ণনাটি অধিকাংশ হাদিস বিশারদের মতে দুর্বল (যঈফ)।

তাই মাগরিবের পর বিশেষভাবে সূরা আল-ওয়াকিয়া পড়লে আয় বৃদ্ধি হবে—এ কথা রাসূল ﷺ-এর নামে বলা বা প্রচার করা ঠিক নয়।

তবে কুরআন তিলাওয়াত সব সময়ই অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ ইবাদত। আর রিজিক বৃদ্ধির জন্য সহিহ দলিলে প্রমাণিত আমলগুলো হলো—

- বেশি বেশি ইস্তিগফার করা,
- তাকওয়া অবলম্বন করা,
- আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখা,
- সদকা করা,
- আল্লাহর কাছে দোয়া করা এবং হালাল উপার্জনের জন্য চেষ্টা করা।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে হালাল, বরকতময় রিজিক দান করুন। আমীন।

4 weeks ago | [YT] | 11

Md Faiz Ullah

শাইখ আহমাদুল্লাহ

২০২৪ সালে অনেক বলেকয়ে শাইখ আহমাদুল্লাহকে রাজি করালাম আমাদের (বাইতুশ শফীক, গাজীপুর) একটি দ্বীনি হালাকাহ (আলোচনা অনুষ্ঠানে)র জন্য। সময় নিয়ে এলেন, মুসল্লিদের সঙ্গে আলাদাও কথা বললেন, ২ ঘন্টা আলোচনা করলেন। মুসল্লিরা তৃপ্ত হয়ে প্রাণভরে আলোচনা শুনল। খাবারের জন্য রিকোয়েস্ট করলাম। তিনি খাবেন না। খাবেন না তো না-ই। এক ভাই অনেক রিকোয়েস্ট করলেন। হলো না। শেষতক তার অনুরোধের প্রেক্ষিতে আমিও জোর রিকোয়েস্ট করলাম। অল্প কয়টা খেলেন।
কিছু সামান্য হাদিয়া দিতে চাইলাম। অনেক চেষ্টা করেও তাকে দিতে পারলাম না। কিছুতেই না। তখন বললেন, আপনাকে না আগেই বলা হয়েছে, নিজ খরচে আসাযাওয়া করব, কোনো হাদিয়া দিতে পারবেন না!

আরেকদিন তিনি হঠাৎ এলেন। সাথে আব্দুল হাই সাইফুল্লাহ ভাই। কোনো ফর্মালিটি নেই, বিশেষ ব্যবস্থা নেই, আপ্যায়ন নেই। অজু করলের, নামাজ পড়লেন। একটু কথা বলেই চলে গেলেন৷ ময়মনসিংহের দিকে যাচ্ছিলেন। একদম সাদাসিধেভাবে এলেন-গেলেন। এটা অবশ্য অনেকদিন আগের।

অন্যদিকে যারা তাকে নিয়ে উল্টাপাল্টা মন্তব্য করতে চান, তাদের কারো কারো একঘন্টার বক্তব্যের ফি ১ লাখ, হেলিকপ্টারের খরচ আলাদা, টিফিন ক্যারিয়ার ভরে খাবার দিয়ে দিতে হয়। এভাবে দিনে ৩টি, রাতে ৩টি মাহফিল। এসব গলাবাজদের যখন আলোচনায় থাকার আর কোনো টপিক থাকে না তখন শাইখ আহমাদুল্লাহকে নিয়ে একটু বলাবলি করে আলোচনায় থাকার চেষ্টামাত্র।

সংগৃহীত

1 month ago | [YT] | 22

Md Faiz Ullah

❖ দ্বীন মানতে গিয়ে আপনাকে একটু চালাক হতে হবে। উচু নিচু ক্লাস তো শুধু দুনিয়াতে নয়, জান্নাতেও আছে।আর এই চালাকি আল্লাহ পাক পছন্দও করবেন। জান্নাতে এতে আপনার মর্যাদাও বাড়বে। চালাকিটা কোথায় দেখাবেন বলি--
◉১. ইশা ও ফজরের নামাজ জামাতের সাথে পড়ুন। (প্রতি ওয়াক্তই জামাতের সাথে পড়বেন। কিন্তু এই দুই ওয়াক্ত যেন কোন ভাবেই মিস না হয়)এক হাদিসে এসেছে, ‘যে ব্যক্তি ইশা ও ফজর জামাতের সঙ্গে পড়ল, সে যেন সারা রাত দাঁড়িয়ে নামাজ পড়ল।’ (মুসলিম, হাদিস : ৬৫৬)
অর্থাৎ ঘুমিয়ে থেকে সারারাত ইবাদতের নেকি পেলেন।

◉২. কোন ভাবেই কোন ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসী পড়া মিস দিবেন না।হাদিস শরিফে এসেছে, রাসূল (সা.) বলেন-"যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসী পড়বে তার জান্নাতে প্রবেশের মধ্যে কেবল মৃত্যুই একমাত্র বাঁধা।" (সুনানে নাসায়ী, হাদিস: ৯৯২৮)
অর্থাৎ দুনিয়া ও জান্নাতের মধ্যে দূরত্ব শুধুই মৃত্যুর।

◉৩. রাতে ঘুমানোর আগে সুরা মুলক একবার পড়ে নেন।এক হাদিসে এসেছে, ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত,"যে ব্যক্তি প্রতি রাতে তাবারাকাল্লায়ী বিয়াদিহিল মুলক পড়বে, আল্লাহ তাআলা তাকে এই সূরার মাধ্যমে কবরের আযাব থেকে বাঁচিয়ে রাখবেন।’ (সহিহুত তারগিব ২/২৫৩, হাদিস: ১৫৮৯)

◉৪. তাহাজ্জুদের নিয়তে ঘুমাতে যান।এক হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, আবু দারদা (রা.) বলেন, "রাসুল (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি তাহাজ্জুদের সালাত আদায় করার নিয়তে বিছানায় আসে, কিন্তু তার চোখগুলো নিদ্রা প্রবল হয়ে যাওয়ায় ভোর পর্যন্ত সে ঘুমিয়ে থাকে, তার জন্য তার নিয়ত অনুসারে সওয়াব লেখা হবে, আর আল্লাহর পক্ষ থেকে তার নিদ্রা তার জন্য সদকাস্বরূপ হয়ে যাবে। (সুনানে নাসায়ি, হাদিস : ১৭৮৭)নিয়ত ঠিক করে ঘুমাতেন যান, আর কি।

◉৫. সন্তানকে কুরআনের হাফেজ/হাফিজা বানান। এটা মুস্তাহাব আমল। কিন্তু কাল আখিরাতে একজন হাফেজের বাবা হিসেবে আপনার মর্যাদা অনেক বাড়িয়ে দিবে। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "যে ব্যক্তি কুরআন পড়বে এবং তার ওপর আমল করবে, তার পিতা-মাতাকে কিয়ামতের দিন একটি মুকুট পরানো হবে, যার আলো সূর্যের আলো অপেক্ষা বেশি হবে। যদি সেই সূর্য তোমাদের ঘরে হয়! সুতরাং যে ব্যক্তি নিজে কুরআনের উপর আমল করে তার সম্পর্কে তোমাদের কি ধারণা?!’ (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ১৪৫৩)

◉৬. প্রতিদিন দিনে অন্তত ১০০ বার ইস্তেগফার করুন।মুমিন তো গোনাহ নিয়ে বসে থাকতে পারে না।

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা আমাদের সবাইকে আমল করার তাওফিক দান করুন।

সংগৃহিত

1 month ago | [YT] | 26

Md Faiz Ullah

দুনিয়াতে কেউ আপন হয় না। যে বউ আপন, দু ঘন্টা আপন থাকে তো চার ঘণ্টা ঝগড়া করে। আছে না নেই?
যে ছেলে আপন, সে দু ঘণ্টা কথা শোনে তো চার ঘণ্টা কথা শোনেনা। ঠিক না বেঠিক ? যে ভাই আপন, সে ভাই দুই ঘণ্টা আপন আর দুই ঘণ্টা পর।

যে বাবা আপন, যে সবচেয়ে আপন!! মা আপন, সেও দেখা যাচ্ছে আরেক ভাইয়ের কথা শুনে পর হয়ে যায়। হয় না হয়না??

হাজেরীন! দুনিয়াতে কেউ ষোলো আনা আপন হয়না। আমাদের এই জীবনটা পরকে আপন করার, মানুষকে খুশি করার জন্য একটা সংগ্রাম। ছোটবেলায় বাবা-মাকে খুশি করার চেষ্টা করেছি, পারিনি। কত মারছে! ঠিক না বেঠিক?

বড় হয়ে বান্ধবীদের/বন্ধুদের খুশী করার চেষ্টা করেছি, থাকেনি। ঠিক না বেঠিক?? বিয়ে করে বউকে/স্বামীকে খুশী করার চেষ্টা করেছি ষোলো আনা কখনই হয়নি। ঠিক না বেঠিক?

কর্মক্ষেত্রে, জীবনে, সব জাগায় আমরা বারো আনা ব্যর্থ, যদি চার আনা সফল হইও। ঠিক না বেঠিক??
একজনই আছেন, যাকে আপন করলে তিনি কখনো পর হননা। তিনি কে? আল্লাহ্!!!!!

আল্লাহকে আপন করতে পারলে সবসময় আল্লাহকে সাথে পাবেন। যদি আল্লাহকে আপন করে নিতে পারেন, আপনার বিপদে-আপদে, কষ্টে-দুঃখে সবসময় মনে হবে আল্লাহ্ আপনার সাথেই রয়েছে।

যে বেদনা কারোর কাছে বলা যায় না, বউয়ের কাছে বলা যায়না, মায়ের কাছে বলা যায়না, যে আনন্দে কাউকে শরীক করা যায়না, যদি আল্লাহকে আপন করতে পারেন, সেই আনন্দে আল্লাহকে শরীক করতে পারবেন, সেই বেদনার কথা আল্লাহর কাছে বলে বুকটাকে হালকা করতে পারবেন। কথা কি বুঝতে পেরেছেন?

কাজেই ভাইয়েরা, আসেন না সবাই নিয়ত করি যে এত সহজ কাজ, আমরা নিয়ত করলাম, আল্লাহ্ আমার বাকী জীবন যতটুকু আছে, একদিন হোক আর একশো বছর হোক, আমি তোমার ওলি হওয়ার চেষ্টা করবো। আল্লাহ্ তাআলা সকলের নিয়ত কবুল করে নিন। আমিন!

♥️ ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ্ জাহাঙ্গীর (রাহিমাহুল্লাহ)

2 months ago | [YT] | 33

Md Faiz Ullah

ভেনেজুয়েলার স্মরণকালের ভয়াবহ ভূমিকম্পে প্রায় এক লক্ষ মানুষের হতাহতের আশংকা! ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য সমবেদনা।

মহান আল্লাহর বিশাল সৃষ্টি ও মহাশক্তির সামনে আমরা কত ক্ষুদ্র ও অসহায়! কিয়ামতে এভাবেই আমাদের তিল তিল করে গড়ে তোলা স্থাপনা, সম্পদ ও আয়োজন মুহূর্তেই ধূলিসাৎ হয়ে যাবে—এ যেন তারই একটি নমুনা।

এসব ঘটনা আমাদের জন্য সতর্কবার্তা। বাংলাদেশে অনেক দিন ধরেই ছোট ছোট ভূমিকম্প হচ্ছে। জনবহুল ও অপরিকল্পিত নগরায়নের এই শহরে যদি অমন ভয়াবহ ভূমিকম্প হয়, তাহলে পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে তা আল্লাহই ভালো জানেন।

আসুন, আমরা আল্লাহর দিকে ফিরে আসি, নির্মাণ ও নিরাপত্তাবিধি মেনে চলি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি দুর্যোগ থেকে বাঁচার আগাম ও যথাযথ প্রস্তুতি গ্রহণ করার অনুরোধ জানাই।

শায়েখ আহমাদুল্লাহ হাফিজাহুল্লাহ

#earthquake
#venezuela

2 months ago | [YT] | 7

Md Faiz Ullah

১টা বিল্ডিংয়ের ফাউন্ডেশন দুর্বল হলে বিল্ডিং টেকসই হয় না। একইভাবে দুর্বল প্রাথমিক শিক্ষা (ফাউন্ডেশন) ব্যবস্থা দিয়ে হতাশাগ্রস্ত একটি ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ছাড়া আর কী-ই-বা প্রত্যাশা করা যায়।


প্রাথমিক শিক্ষার সামগ্রিক চরম দুর্দশার কারণে সেখানে কেউই তার বাচ্চাকে পড়াতে চায় না। গ্রামগঞ্জে অপশন না থাকায় হয়তো সবাই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠায়, কিন্তু শহরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ে মূলত তারাই, যাদের বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে পড়ানোর সামর্থ্য নেই। অথচ এর সমাধানে নেই কোনো কার্যকর ও টেকসই পদক্ষেপ।


কমেন্টে দেওয়া ভিডিওটি প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার একটি glimpse মাত্র। যেখানে একজন শিক্ষক ৬টি শ্রেণির মোট ২৩টি ক্লাস নেন। যদিও বাংলাদেশের পুরো শিক্ষা ব্যবস্থাই ক্যান্সারাক্রান্ত এবং সেকেলে।


শিক্ষকদের ওপর অতিরিক্ত চাপ কমানো, প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ, যুগোপযোগী প্রশিক্ষণ ও কর্মমুখী শিক্ষানীতি প্রণয়ন এবং শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করা ছাড়া এই সমস্যার টেকসই সমাধান সম্ভব নয়।


#শিক্ষকতা
#জীবন
#primaryschool
#primaryteacher
#NTRCA

2 months ago | [YT] | 5

Md Faiz Ullah

জীবনকে একটু সহজ, সুন্দর এবং শান্ত রাখতে চাইলে এই কথাগুলো মনে রাখতে পারেন!

১। অন্যের সাফল্য আপনার ব্যর্থতার প্রমাণ নয়

২। সবকিছু আপনার নিয়ন্ত্রণে থাকবে না, এটা মেনে নিতে শিখুন

৩। অন্যের সাথে তুলনা নিজের সুখের সবচেয়ে বড় শত্রু

৪। না বলতে শেখা একটি গুরুত্বপূর্ণ দক্ষতা

৫। ব্যর্থতা শেষ নয়, শেখার একটি ধাপ

৬। নিজের লক্ষ্য অন্যের হাতে তুলে দেবেন না

৭। যা নেই তার চেয়ে যা আছে তার মূল্য বুঝুন

৮। অযথা অভিযোগের চেয়ে সমাধান খোঁজা ভালো

৯। সবাইকে খুশি করা সম্ভব নয়

১০। অপ্রয়োজনীয় তর্ক খুব কম ক্ষেত্রেই উপকার করে

১১। যে কাজ আজ করতে পারেন, তা কাল পর্যন্ত ফেলে রাখবেন না

১২। নিজের কাজের দায়িত্ব নিজেকেই নিতে হয়

১৩। মানুষের কথা নয়, নিজের বিবেকের কথা শুনুন

১৪। জীবনের সব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায় না

১৫। প্রতিটি কঠিন সময় একদিন শেষ হয়

১৬। নিজের মানসিক শান্তির মূল্য বুঝুন

১৭। জীবনে ধীরে এগোনো মানে পিছিয়ে পড়া নয়

১৮। নিজের সীমাবদ্ধতাকে অজুহাত বানাবেন না

১৯। জীবনে সবচেয়ে বড় প্রতিযোগিতা নিজের সাথেই

২০। জীবন নিখুঁত হওয়ার জন্য নয়, অর্থপূর্ণ হওয়ার জন্য

— Azizul Haque

2 months ago | [YT] | 12