Love to learn and help others to learn efficiently


Md Faiz Ullah

মেধাবীদের ১০টি সিক্রেট
বাদল সৈয়দ

আজ মেধাবী শিক্ষার্থীদের মিলনমেলায় গিয়েছিলাম। এরা সবাই কঠিন সংগ্রাম করে জীবনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে—অথবা এখনো পড়ছে এবং খুব ভালো রেজাল্ট করছে।

তাদের কিছু কমন বৈশিষ্ট্য দেখলাম। আমার ধারণা, এসব অনুসরণ করলে যে কারো পক্ষে ভালো রেজাল্ট করা সম্ভব।

১) জেদ—
এরা সবাই জেদি। একজন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে প্রতিজ্ঞা করেছিল, কেমিস্ট্রি থেকে সে পুরো সায়েন্স ফ্যাকাল্টিতে অনার্সে ফার্স্ট হবে। সবাই বলেছিল—এটা অসম্ভব। এতে তার জেদ আরও বেড়ে যায়। শেষ পর্যন্ত সে কেমিস্ট্রি থেকে ফ্যাকাল্টি ফার্স্ট হয়েছিল।

২) স্বপ্ন—
একটি ছেলের বাবা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় রিকশা চালাতেন। প্রায় তাঁর রিকশায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা চরতেন। তিনি বাসায় এসে ছেলেমেয়েদের কাছে এসব শিক্ষার্থীর গল্প করতেন। তাঁর গল্পই দুই ছেলেমেয়ের মধ্যে ইউনিভার্সিটিতে পড়ার স্বপ্ন বুনে দেয়। দুই ভাইবোনই এখন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে। রেজাল্টও খুব ভালো।

৩) বাবা-মায়ের সমর্থন—
এদের মা-বাবা আর্থিক সংকটে থাকলেও ছেলেমেয়েদের পড়াশোনায় পূর্ণ সাপোর্ট দিয়েছেন। পড়ালেখায় ভালো করার জন্য বাবা-মার সাপোর্ট খুব দরকার।

৪) ভালো বন্ধু—
এরা সবাই বন্ধু নির্বাচনের ব্যাপারে খুব সতর্ক ছিল। যা তাদের ভুল পথে পা বাড়াতে দেয়নি।

৫) পরিশ্রম—
এরা সবাই খুব পরিশ্রমী। আয় করার জন্য এরা বিভিন্ন কাজ করেছে, কিন্তু সেজন্য পড়ার ক্ষতি হতে দেয়নি। এমন অভিজ্ঞতাও শুনেছি, টিউশনি শেষে রাত দশটায় বাসায় বা হলে ফিরে ভোররাত পর্যন্ত পড়েছে। তারপর কিছুক্ষণ ঘুমিয়ে ক্লাসে গেছে।

৬) শৃঙ্খলা ও রুটিন—
এরা সবাই কঠিন শৃঙ্খলা মেনে চলেছে। সবাই পড়ার রুটিন করে তা অনুসরণ করেছে।

৭) সোশ্যাল মিডিয়া কম ব্যবহার—
ছাত্রাবস্থায় এরা সোশ্যাল মিডিয়ায় খুব কম সময় দিয়েছে, যাতে সময় নষ্ট না হয়।

৮) লাইব্রেরি ব্যবহার—
খেয়াল করলাম, এরা সবাই নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের লাইব্রেরি সর্বোচ্চ ব্যবহার করেছে।

৯) ক্লাস অ্যাটেনডেন্স—
সবাই নিয়মিত ক্লাস করেছে। নোট নিয়েছে।

১০) নিজ বিষয়ের বাইরে পড়া—
প্রায় সবার নিজ বিষয়ের বাইরে অন্যান্য বই পড়ার অভ্যাস আছে, যা চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে অনেক বড় অবদান রেখেছে।

প্রিয় শিক্ষার্থী—ম্যাক্সিমাম পঁচিশ/ছাব্বিশ বছর পর্যন্ত তুমি পরিবারের সাপোর্ট পাবে। তারপর তোমার নিজের জীবন শুরু হবে। এ বয়সের পর রোজগার না করলে তুমি প্রথম সম্মান হারাবে নিজ পরিবারে।
এটিই অপ্রিয় সত্য।

#আসুনমায়াছড়াই
#BadalSyed

6 days ago | [YT] | 43

Md Faiz Ullah

আল্লাহ তায়ালার কুদরত কী আজিব দেখুন-

ঢাকা ৮। সবাই মনে-প্রাণে চেয়েছিলো ওসমান হা দি বসুক এই চেয়ারে। কিন্তু আল্লাহ তায়ালা চেয়েছেন সে জান্নাতের পাখী হোক। তাই হলো।

মিডিয়া পাড়ায় হাইপ উঠেছিলো, হয়ত পাটোয়ারী বসতে যাচ্ছে ঐ চেয়ারে, কিন্তু ঘোষণা এলো চেয়ার হবে মীর্জা আব্বাসের।

মানুষ ভেবেছে মীর্জা আব্বাস বুঝি এই চেয়ারে বসবে, অথচ সংসদের সব চেয়ার তার আরোহণকারী পেলেও ৮নং চেয়ার ফাকা-ই রয়ে গেলো এখনও।
হা দি মরে গিয়েও যেন দখল করে আছে এই চেয়ার।

রব্বুল আলামিনের কুদরত বুঝবে এমন মাথা আছে কার!

হা দি হত্যার বিচার চাই।

1 week ago | [YT] | 97

Md Faiz Ullah

খোরাসানের এক ছোট্ট গ্রামে তিন বছর ধরে বৃষ্টি নেই। মাটি ফেটে গেছে। ফসল নেই। কূপের পানি শুকিয়ে আসছে। গরু-ছাগল মরছে। মানুষ শহরে চলে যাচ্ছে একে একে। যারা থেকেছে — তারা থেকেছে কারণ যাওয়ার মতো শক্তি নেই অথবা এই মাটি ছাড়তে পারছে না।

গ্রামের মসজিদে একজন বৃদ্ধ ইমাম ছিলেন — নাম শায়খ নূরুদ্দিন। বয়স সত্তরের উপরে। চলতে কষ্ট হয়, কিন্তু পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ানো কখনো বাদ দেননি। গ্রামের মানুষ তাঁকে ভালোবাসত। কিন্তু এই তিন বছরে কেউ কেউ অভিযোগ করতে শুরু করেছিল — “শায়খ এত দুআ করেন, কিন্তু বৃষ্টি আসে না। কী লাভ?” কেউ কেউ বলত — “হয়তো গ্রামে বড় কোনো পাপ আছে, তাই আল্লাহ মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন।”

এই কথাগুলো শায়খের কানে যেত। তিনি কিছু বলতেন না। শুধু মাথা নিচু করে হাঁটতেন। কিন্তু রাতে একা ঘরে বসে তিনি ভাবতেন — মানুষ ঠিকই বলছে। হয়তো তাঁর দুআতেই কোনো ঘাটতি আছে। হয়তো তাঁর হৃদয় পরিষ্কার নয়। হয়তো আল্লাহ তাঁর ডাক শুনছেন না। এই ভাবনাগুলো তাঁকে ভেতর থেকে কুরে কুরে খাচ্ছিল।

একদিন গ্রামে একজন মুসাফির এলো। নাম তার তাহির। বয়স ত্রিশের কাছাকাছি। পরনে সাধারণ কাপড়, কাঁধে একটি থলে। সে মসজিদে এসে বিশ্রাম নিল। শায়খের সাথে পরিচয় হলো। তাহির জিজ্ঞেস করল — “শায়খ, এই গ্রামে এত শুষ্কতা কেন?” শায়খ বললেন — “তিন বছর ধরে বৃষ্টি নেই।” তাহির বলল — “ইস্তিসকার নামাজ পড়েছেন?” শায়খ বললেন — “অনেকবার।” তাহির বলল — “তাহলে?” শায়খ একটু চুপ করে রইলেন। তারপর বললেন — “আল্লাহর ইচ্ছা।”

তাহির সেই রাতে মসজিদেই রইল। শায়খ লক্ষ্য করলেন — রাত গভীর হলে তাহির উঠে নামাজ পড়তে শুরু করল। দীর্ঘ নামাজ। তারপর দুআ। শায়খ কাছে যাননি — দূর থেকে দেখেছেন। তাহির এমনভাবে দুআ করছিল — যেন সে কারো সাথে কথা বলছে। কোনো আনুষ্ঠানিকতা নেই। কোনো মুখস্থ শব্দের মতো পড়া নেই। একেবারে নিজের ভাষায় — “হে আল্লাহ, এই গ্রামের মানুষগুলো তোমার বান্দা। তারা কষ্টে আছে। তুমি দেখছ। তুমি যদি না দিতে চাও — তোমার অধিকার আছে। কিন্তু তুমি যদি দাও — তোমার রহমত প্রকাশ পাবে। আর তোমার রহমত প্রকাশ পাওয়াই সবচেয়ে সুন্দর।”
শায়খ এই দুআ শুনে থমকে গেলেন। তিনি এতদিন দুআ করেছেন — কিন্তু এভাবে করেননি। তিনি দুআ করেছেন “দাও, দাও, দাও” বলে। কিন্তু তাহির দুআ করল — “তুমি যদি দাও, তোমার রহমত প্রকাশ পাবে।” এই দুটো দুআর মধ্যে একটা বিশাল পার্থক্য আছে। একটা দুআ নিজের জন্য — আরেকটা দুআ আল্লাহর মহিমার জন্য।

পরদিন সকালে শায়খ তাহিরকে জিজ্ঞেস করলেন — “তুমি রাতে এভাবে দুআ করলে কেন? ‘তোমার রহমত প্রকাশ পাবে’ — এই কথাটা কোথা থেকে শিখেছ?” তাহির বলল — “শায়খ, আমরা যখন শুধু নিজের জন্য চাই — তখন দুআটা একটু ছোট হয়ে যায়। কিন্তু যখন বলি — হে আল্লাহ, তুমি দিলে তোমার রহমত প্রকাশ পাবে — তখন দুআটা আর শুধু আমার থাকে না। সেটা আল্লাহর মহিমার সাথে জড়িত হয়ে যায়। আর আল্লাহ তাঁর মহিমা প্রকাশ করতে ভালোবাসেন।” শায়খ অনেকক্ষণ চুপ করে রইলেন। এত বছর ইমামতি করেছেন — কিন্তু এই সহজ কথাটা কেউ কোনোদিন বলেনি।

সেই দিন শায়খ গ্রামের সবাইকে ডাকলেন। মাঠে গেলেন সবাই মিলে। শায়খ বললেন — “আজ আমরা ইস্তিসকার নামাজ পড়ব। কিন্তু আগে আমাদের একটা কাজ করতে হবে।” সবাই জিজ্ঞেস করল — “কী কাজ?” শায়খ বললেন — “যদি কারো সাথে কারো বিরোধ থাকে — এখনই মিটিয়ে নাও। যদি কারো কাছে কারো পাওনা থাকে — এখনই দিয়ে দাও। যদি কেউ কারো উপর অন্যায় করে থাকো — এখনই ক্ষমা চাও।” গ্রামের মানুষ অবাক হলো। এটা তারা আশা করেনি।

কিছুক্ষণ নীরবতা। তারপর একজন বৃদ্ধ উঠলেন। বললেন — “আমি আমার ভাইয়ের সাথে বিশ বছর ধরে কথা বলি না। জমির বিরোধ নিয়ে।” তিনি ভাইয়ের দিকে হাঁটলেন। দুই ভাই কুড়ি বছর পর একে অপরকে জড়িয়ে ধরল। তারপর আরেকজন উঠল — “আমি আমার প্রতিবেশীর সাথে অন্যায় করেছি। তার ফসলের পানি আমি সরিয়ে নিয়েছিলাম।” একে একে মানুষ উঠতে লাগল। পুরনো অভিযোগ, পুরনো রাগ, পুরনো ক্ষত — একে একে বলা হলো, ক্ষমা চাওয়া হলো।

শায়খ দেখলেন — এই মানুষগুলো বদলে যাচ্ছে তাঁর চোখের সামনে। তিন বছরের খরা শুধু মাটিতে নয় — হৃদয়েও ছিল। মানুষে মানুষে দূরত্ব, অবিশ্বাস, পুরনো রাগ — এগুলোই ছিল আসল খরা। তারপর সবাই মিলে নামাজ পড়ল। শায়খ দুআ করলেন — এবার ভিন্নভাবে। বললেন — “হে আল্লাহ, আমরা তোমার বান্দা। আমরা পাপী। আমরা একে অপরের সাথে অন্যায় করেছি। কিন্তু আজ আমরা ক্ষমা করেছি এবং ক্ষমা চেয়েছি। তুমি দেখেছ। এখন তোমার রহমত আসুক। কারণ তোমার রহমত আসলে তোমার মহিমাই প্রকাশ পায়।”

সেই বিকেলে আকাশ মেঘলা হলো। রাতে বৃষ্টি এলো। প্রথমে আস্তে আস্তে। তারপর জোরে। গ্রামের মানুষ ঘর থেকে বের হয়ে বৃষ্টিতে দাঁড়িয়ে রইল। কেউ কাঁদছে, কেউ হাসছে, কেউ সিজদায় পড়ে গেল মাটিতে। শায়খ মসজিদের দরজায় দাঁড়িয়ে বৃষ্টি দেখছিলেন। তাহির পাশে এসে দাঁড়াল। শায়খ বললেন — “বৃষ্টি এলো।” তাহির বলল — “বৃষ্টি আগেই আসত। শুধু পথটা বন্ধ ছিল।” শায়খ জিজ্ঞেস করলেন — “কোন পথ?” তাহির বলল — “হৃদয়ের পথ। মানুষে মানুষে যখন দেওয়াল থাকে — আল্লাহর রহমতও যেন আটকে যায়। আজ দেওয়ালগুলো ভাঙল। বৃষ্টি এলো।”

পরদিন সকালে তাহির চলে গেল। শায়খ তাকে থাকতে বললেন। তাহির বলল — “আমার যাওয়ার আছে। আরো গ্রাম আছে। আরো মানুষ আছে।” শায়খ বললেন — “তুমি কে?” তাহির হাসল। বলল — “একজন মুসাফির। যে শিখতে শিখতে চলে।” শায়খ বললেন — “তুমি আমাকে অনেক কিছু শিখিয়ে গেলে।” তাহির বলল — “আপনি জানতেন শায়খ। শুধু মনে ছিল না।” শায়খ জিজ্ঞেস করলেন — “কী জানতাম?” তাহির বলল — “যে আল্লাহর রহমত পেতে হলে আগে মানুষের সাথে সম্পর্ক ঠিক করতে হয়। উপরে হাত তোলার আগে পাশের মানুষের হাত ধরতে হয়।”

শায়খ দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে রইলেন তাহিরের যাওয়ার পথের দিকে তাকিয়ে। বৃষ্টিতে ভেজা মাটির গন্ধ আসছে। দূরে মাঠে সবুজের একটু আভাস দেখা যাচ্ছে। শায়খ মনে মনে বললেন — “আল্লাহ, তুমি কত উপায়ে শেখাও। কখনো কিতাবে, কখনো কষ্টে, কখনো একজন মুসাফিরের মুখ দিয়ে।” তারপর ঘুরে মসজিদের দিকে হাঁটলেন। ফজরের আজান হয়ে গেছে। মানুষ আসছে। আজ তাদের মুখে হাসি আছে। তিন বছর পর।

“আল্লাহর রহমত পেতে হলে আগে নিজের হৃদয় পরিষ্কার করো। মানুষের সাথে সম্পর্ক ঠিক করো। কারণ যে হৃদয়ে অভিযোগ আছে — সেই হৃদয় দিয়ে দুআ করলে দুআ ভারী হয়ে যায়। আর হালকা হৃদয়ের দুআ সরাসরি আরশে পৌঁছায়।”
— ইমাম ইবনুল জাওযি রহ., আল-লাতাইফ

“তোমরা একে অপরকে ক্ষমা করো। তোমরা কি চাও না যে আল্লাহ তোমাদের ক্ষমা করুন?”
— সূরা আন-নূর, ২৪:২২

“রহমান যারা, তাদেরকে রহমান আল্লাহ ভালোবাসেন। তোমরা পৃথিবীর মানুষদের প্রতি দয়া করো — আকাশের অধিপতি তোমাদের প্রতি দয়া করবেন।”
— সুনানে তিরমিযি, হাদিস: ১৯২৪ — সনদ সহিহ

সূত্র: আল-লাতাইফ ফিল ওয়াআজ, ইমাম আবুল ফারাজ ইবনুল জাওযি রহিমাহুল্লাহ (৫০৮–৫৯৭ হি.)

1 week ago | [YT] | 33

Md Faiz Ullah

বিসিএস দিয়ে সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজে এসেছি বেশিদিন হয়নি। নতুন শিক্ষক হিসেবে সবে মাত্র ছাত্রছাত্রীরা আমাকে ও আমি তাদেরকে চিনতে শুরু করেছি।

গত পরশু কলেজের ক্লাস শেষে বাসায় ফেরার জন্য অটো রিকশায় উঠে পিছনের সিটে বসলাম। ড্রাইভারের পাশের সিটে দেখলাম, আমার এক ছাত্রও উঠেছে। ছাত্রের সাথে কথা বলে বুঝলাম, আমাদের গন্তব্য কাছাকাছি।
অটো রিকশা থেকে নামার সময় দেখি- আমার ছাত্র দৌড়ের ভঙ্গিতে হেঁটে চলে যাচ্ছে। আমি ভাবলাম হয়ত তাড়াহুড়ো আছে, তাই এমনভাবে হেঁটে যাচ্ছে।

আমি অটো ওয়ালাকে ভাড়া দিতে গিয়ে তো অবাক!
অটো ওয়ালা বলছে- " স্যার, আপনার ছাত্র আপনার ভাড়া দিয়ে গেছে।"
তৎক্ষণাৎ বুঝলাম, আমার ছাত্রের তাড়াহুড়োর কারণ।

পরের ক্লাসে আমার ছাত্রকে জিজ্ঞেস করলাম, তুমি এই কাজটা কেন করলে?
উত্তরে বললো, "স্যার, বাবা-মা বলেছে, শিক্ষককে সবসময় সম্মান করতে।"

শিক্ষকের ভাড়া পরিশোধ করে দেওয়াও হয়ত ওর কাছে সম্মানের বিষয়, তাই আর কথা বাড়ালাম না।

মনে মনে ভাবলাম, বিচারপতি আলী রেজা সাহেব এবং তার স্ত্রীও বাবা-মা, আর আমার এই ছাত্রেরও বাবা-মা।

আলী রেজা সাব বিচারপতির পাওয়ার দেখিয়ে তার বেয়াদব ছেলেকে আরো বেশি বেয়াদব বানানোর জন্য শিক্ষককে বাসায় ডেকে লাঞ্ছিত করে, আর আমার এই ছাত্রের বাবা-মা তার ছেলেকে বলে দেয় - একই গাড়িতে কোনো শিক্ষক থাকলে তার ভাড়া পরিশোধ করে দিয়ে কীভাবে একজন অল্প পরিচিত শিক্ষককেও সম্মান করতে হয়।
এটার নামই পারিবারিক শিক্ষা। আর পারিবারিক শিক্ষা কোনো প্রতিষ্ঠান বা শিক্ষক শেখাতে পারেনা, এটা আপনার-আমার পরিবার থেকেই আমাদের সন্তানরা শিখবে।

#সংগৃহীত

#parenting #kids

2 weeks ago | [YT] | 79

Md Faiz Ullah

বাচ্চাকে "না" বলার একটা সুন্নাহ উপায় আছে।

এটা জানার পর থেকে আমার আর চিৎকার করতে হয় না।

তেরো মাসের বাচ্চা মানেই হলো — সব কিছুতে হাত দেবে, সব জায়গায় যাবে, সব কিছু মুখে দেবে।
আর আমি সারাদিন বলছি — "না। না। না।"

একটা সময় সে "না" শুনেও থামে না। কারণ "না" শব্দটা তার কাছে মানে হারিয়ে ফেলেছে।

নবী (সাঃ) এর পদ্ধতি ছিল আলাদা। তিনি সরাসরি কঠোরভাবে "না" বলতেন না। বিকল্প দিতেন।

সেটা এখন করছি —
"ওটা ধরো না" — এর বদলে বলি "এটা ধরো।"
"ওখানে যেও না" — এর বদলে বলি "এদিকে আসো।"
"মুখে দিও না" — এর বদলে অন্য কিছু হাতে দিই।
ম্যাজিকের মতো কাজ করে।

বাচ্চার মস্তিষ্ক এই বয়সে "না" প্রসেস করতে পারে কম। কিন্তু বিকল্পটা ধরতে পারে সহজে।

সুন্নাহ আর সায়েন্স — দুটোই একই কথা বলছে।
©

2 weeks ago | [YT] | 43

Md Faiz Ullah

ভদ্রলোক কিছু টাকা কর্জে হাসানা নিয়েছিলেন। যেদিন তার টাকা ফেরত দেওয়ার কথা, সেদিন রাত দশটায় ক্লান্ত-শ্রান্ত শরীরে এসে উপস্থিত হলেন পাওনাদারের বাড়িতে। পাওনাদার অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, 'ভাই, আপনি এত রাতে?' ভদ্রলোক বললেন, 'আপনার কাছে আমি কিছু টাকা ধার নিয়েছিলাম। আজকে দেওয়ার ওয়াদা ছিল। ভাই, বিশ্বাস করুন! আজকে সারাদিন টাকাটা জোগাড় করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেও আমি ব্যর্থ হয়েছি।'

পাওনাদার জিজ্ঞেস করলেন, 'কিন্তু আপনি কষ্ট করে এই রাতের মধ্যে আসতে গেলেন কেন? এটা বলার জন্য আগামীকাল দিনের বেলাতেও তো আসতে পারতেন!' ভদ্রলোক বললেন, 'আজকের মধ্যে আপনাকে টাকাটা ফেরত দেওয়ার ওয়াদা ছিল। মুমিন কখনও তার ওয়াদার বরখেলাফ করে না। আমি সারাদিন টাকা জোগাড়ের চেষ্টা করেছি। এই রাত দশটা পর্যন্ত ঘুরেছি এখানে-সেখানে। ব্যর্থ হয়ে আপনার কাছে এসেছি আর কয়েকদিন সময় বাড়ানোর অনুরোধ নিয়ে।'

পাওনাদার সেই ভদ্রলোকের ওয়াদা রক্ষার প্রতি কমিটমেন্ট দেখে অভিভূত হলেন। অনির্দিষ্টকালের জন্য সময় বাড়িয়ে দিলেন তিনি। এমন মানুষ তো সচরাচর দেখাই যায় না! 'বুধবারে অবশ্যই টাকাটা দিয়ে দেবো'– বলে ওয়াদা করে ধার নিয়ে কোথায় কোথায় হারিয়ে যায় মানুষগুলো! আর কোনোদিন চোখের সামনে পড়ে না, ফোন রিসিভ করে না, টেক্সট সিন হয় না। যিনি বিপদে পাশে দাঁড়াতে টাকা ধার দেন, উলটো বিপদে পড়ে যান তিনি নিজেই! নিজের দুঃখ-দুর্দ্দশার ফিরিস্তি বলে টাকা ফেরত চাইতে হয়।

আমি অবাক হয়ে ভাবি– মানুষগুলো এমন করে কেন? আপনি যার বিপদে পাশে দাঁড়ালেন, সে-ই আপনাকে উলটো বিপদে ফেলে দিলো! নির্ধারিত তারিখে টাকা ফেরত দিতে না পারলে যে পাওনাদারের কাছে সময় প্রার্থনা করা একটা স্বাভাবিক সৌজন্য, এটা পর্যন্ত অনেকেই জানে না। গোটা মুসলিম কমিউনিটি আজ এই রোগে আক্রান্ত। এ কারণেই কর্জে হাসানার মতো চমৎকার একটি ইবাদতের চর্চা আজ বিলুপ্তির পথে। কে শুধু শুধু টাকা ধার দিয়ে বিপদে পড়তে চাইবে? কে চাইবে– নষ্ট হয়ে যাক সুন্দর একটি সম্পর্ক?

'কর্জে হাসানা বাস্তবতা'/ লাবিব আহসান

2 weeks ago | [YT] | 8

Md Faiz Ullah

একজন বাবা তার মৃত বাচ্চাকে কোলে নিয়ে কতক্ষণ হাঁটতে পারে? ১ ঘন্টা বা সর্বোচ্চ ২ ঘন্টা। কিন্তু এই বাবাটা তার মৃত বাচ্চাকে কোলে নিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা হেঁটেছে।

বাচ্চাটার বয়স মাত্র ৩ বছর। তেমন কিছু বুঝার বয়স হয়নি, খেলাধুলার বয়স ছিল এটা। অথচ তার আগেই হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেল বাচ্চাটা।

বাবাটা এলাকার হাসপাতালে গিয়েছিল কিন্তু সেখানে গিয়ে দেখে হামের টিকা নাই। তাই হন্তদন্ত হয়ে রওনা দেয় মহাখালী হাসপাতালের উদ্দেশ্যে।

অথচ রাস্তায় কোন এম্বুলেন্স নাই, চিকিৎসার বাহন নাই।
তাই অসহায় বাবাটা সুদূর কামরাঙ্গীরচর থেকে কোলে করেই মহাখালী হাসপাতালে নিয়ে এসেছে বাচ্চাটাকে।

এই উত্তপ্ত গরমে যেখানে একা হাঁটতেই আমাদের কষ্ট হয় সেখানে এই বাবা'টা বাচ্চাটাকে কোলে নিয়ে পাগলের মতো দৌঁড়েছে। পেছনে মা টাও কাঁদতে কাঁদতে দৌঁড়েছে। কিন্তু এসে দেখে এখানেও টিকার সংকট!

সবশেষে বিনা চিকিৎসায় মারা গেল তাদের আদরের বাচ্চাটা। বাবাটার আশা ছিল এই হাসপাতালে আনলে হয়তো টিকা পাবে, বাচ্চাটাকে বাঁচানো যাবে।

কিন্তু বাঁচানো গেল না। তাই মৃত বাচ্চাটাকে কোলে করেই হেঁটে হেঁটে বাড়ি ফিরছেন।

মনে শত কষ্ট ,শত অভিযোগ। কিন্তু কার কাছে দিবে এ অভিযোগ? এ দেশের রাজনীতিবদদের কি আর গরিব বাবার অভিযোগ শোনার সময় আছে?

এখন পর্যন্ত সারাদেশে ২৫৭ জন শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। হাসপাতালে এখনো ২৬ হাজারের উপর শিশু ভর্তি হয়ে আছে।

সেদিন সুনামগঞ্জের এক অসহায় মা টিকার জন্যে তার নাকের নাকফুলটা বিক্রি করে দিয়েছে, যদি বাচ্চাটাকে কোনভাবে বাঁচানো যায় শুধুমাত্র এই আশায়!

গত স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম গাফিলতি করে হামের টিকা আনেনি। এই সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রীও টিকা আনার ব্যাপারে কোন আগ্রহ দেখাচ্ছে না।

অথচ ডাক্তাররা প্রতিদিন টিকা আনার জন্যে রাজনীতিবিদদের আকুতি মিনতি করে যাচ্ছে। কিন্তু তারা আনছে না। কারণ রাজনীতিবিদদের কাছে টিকার চেয়ে সংসদে গলাবাজি করাটাই বড়।

আপনি হয়তো ভাবছেন রাজনীতি নিয়ে আর মাথা ঘামাবেন না কিন্তু আপনার বাচ্চার টিকার জন্যে অযোগ্য রাজনীতিবিদদের পেছনেই ঘুরঘুর করতে হয়।

বিদেশ থেকে পিইচডি করা ডাক্তাররাও একটা সাইনের জন্যে রাজনীতিবিদদের তোষামোদি করতে হয়। কারণ তাদের অনুমতি ছাড়া টিকা আসবে না।

আমরা সবাই ভাবি রাজনীতি থেকে দূরে সরে গিয়ে একটা সুন্দর জীবন কাটাবো। কিন্তু পারি না। কারণ আমাদের সুন্দর জীবনটা রাজনীতিবিদরা স্বল্প দামে কিনে নিয়ে গেছে। আমাদের স্বপ্নগুলো তাদের কাছে আটকা পড়ে আছে।

সাধারণ মানুষের সন্তানরা হামে আক্রান্ত হয়ে মারা যায় অথচ একটা নেতার সন্তানকে হামে আক্রান্ত হয়ে মরতে দেখবেন না। কারণ আমাদের ট্যাক্সের টাকায় তাদের চিকিৎসা হয় ইউরোপ ,আমেরিকাতে।

যেই ২৬ হাজার বাচ্চা হামে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে শুয়ে এখন কাতরাচ্ছে ,টিকার অভাবে তারাও হয়তো একে একে মারা যাবে। তারপর সেই বাচ্চাাকে কোলে নিয়ে বাকি বাবাদেরকেও রাস্তায় রাস্তায় দৌঁড়াতে হবে।

অথচ নেতার ছেলে-মেয়েরা ঠিকই আরামসে দিন কাটাবে। নেতারও কিচ্ছু যাবে আসবে না।

স্বাধীনতার পর থেকে এদেশে নেতাদের ভোগবিলাস বেড়েছে, তেলের দাম বেড়েছে ,চালের দাম বেড়েছে। সময়ের সাথে সাথে আরও কতকিছুর দাম বেড়েছে অথচ হতভাগা মানুষের দামটাই শুধু বাড়লো না

- Ibrahim Khalil Shawon

3 weeks ago | [YT] | 55

Md Faiz Ullah

দান-ছদকা:
বেতন এর টাকাকে মাসের শেষ পর্যন্ত অবশিষ্ট রাখার পরামর্শ-

ঘটনাটি এক সৌদি-যুবকের। সে তার জীবনের প্রতি মোটেও সন্তুষ্ট ছিল না। তার বেতন ছিল মাত্র চার হাজার রিয়াল। বিবাহিত হওয়ায় তার সাংসারিক খরচ বেতনের চেয়ে অনেক বেশি ছিল। মাস শেষ হওয়ার আগেই তার বেতনের টাকা শেষ হয়ে যেত, তাই প্রয়োজনের তাগিদে তাকে ঋণ নিতে হত। এভাবে সে আস্তে আস্তে ঋণের কাদায় ডুবে যাচ্ছিল। আর তার বেতনে এমন বিশ্বাস জন্ম নিচ্ছিল যে, তার জীবন এই অভাবেই কাটবে। অবশ্য তার স্ত্রী তার এ-অবস্থার প্রতি খেয়াল রাখত। কিন্তু ঋণের বোঝা এত ভারী হযেছিল, যেন নিশ্বাস নেওয়াও দুষ্কর।

একদিন সে তার বন্ধুদের এক মজলিসে গেল। সেদিন এমন একজন বন্ধু সেখানে উপস্থিত ছিল, যে অত্যন্ত বুদ্ধিমান এবং বিচক্ষণ ব্যক্তি। যুবকের বক্তব্য এমন ছিল যে, আমার ওই বন্ধুর সকল পরামর্শকে আমি খুব গুরুত্ব দিতাম।

কথায় কথায় যুবক তার সকল অবস্থা বন্ধুকে বলল। বিশেষত আর্থিক সমস্যাটা তার সামনে তুলে ধরল। তার বন্ধু মনোযোগ সহকারে কথাগুলো শুনল এবং বলল, আমার পরামর্শ হল- তুমি তোমার বেতন থেকে কিছু টাকা ছদকার জন্য নির্ধারণ কর। যুবক আশ্চর্য হয়ে বলল, জনাব! সাংসারিক প্রয়োজন পুরনেই ঋণ নিতে হয়; আর আপনি আমাকে ছদকার জন্য টাকা নির্ধারণ করতে বলেছেন?

যাইহোক, যুবক বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি স্ত্রীকে জানাল। তার স্ত্রী বলল, পরিক্ষা করতে সমস্যা কী? হতে পারে আল্লাহ্ তা’আলা তোমার জন্য রিযিকের দরজা খুলে দিবেন। যুবক বেতনের চার হাজার রিয়াল থেকে ত্রিশ রিয়াল ছদকার জন্য নির্ধারণের ইচ্ছা করল এবং মাসশেষে তা আদায় করতে শুরু করল।

সুবহানাল্লাহ! কসম করে বললে মোটেও ভুল হবে না, তার (আর্থিক) অবস্থা সম্পূর্ণ বদলে গেল। সে তো সবসময় টাকা-পয়সার চিন্তা টেনশনেই পড়ে থাকত; আর এখন তার জীবন যেন ফুলের মতো হয়ে গেছে। এত ঋণ থাকা সত্ত্বেও নিজেকে স্বাধীন মনে হত। মনের মধ্যে এমন এক অনাবিল শান্তি হচ্ছিল, যা বলে বুঝানো সম্ভব নয়।

কয়েক মাস পর থেকে সে নিজের জীবনকে সাজাতে শুরু করল। নিজের আয়কৃত টাকা কয়েক ভাগে ভাগ করল, আর তাতে এমন বরকত হল, যা পূর্বে কখনও হয়নি। সে হিসাব করে একটা আন্দাজ করল, কত দিনে ঋণের বোঝাটা মাথা থেকে নামাতে পারবে ইনশাআল্লাহ।

কিছুদিন পর আল্লাহ তা’লা তার সামনে আরও একটি পথ খুলে দিলেন। সে তার এক বন্ধুর সাথে প্রপাটি-ডিলিং এর কাজে অংশ নিতে শুরু করে। সে বন্ধুকে গ্রাহক/ক্রেতা এনে দিত, তাতে ন্যায্য প্রফিট পেত।

আলহামদুলিল্লাহ! সে যখনই কোনো গ্রাহকের কাছে যেত, গ্রাহক অবশ্যই তাকে অন্য গ্রাহক পর্যন্ত পৌঁছনোর রাস্তা দেখিয়ে দিত। এখানেও সে ঐ আমলের পুনরাবৃত্তি করত। অর্থাৎ প্রফিটের টাকা হাতে আসলে (আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য) অবশ্যই তা থেকে ছদকা নির্ধারণ করত।

আল্লাহর কসম! ‘ছদকা কী’ তা কেউ জানে না; ঐ ব্যক্তি ব্যতিত যে তা পরিক্ষা করেছে। ছদকা কর এবং ছবরের সাথে চল- আল্লাহর ফযলে খায়ের বরকত নাযিল হবে, যা নিজ চোখে দেখতে পাবে।

নোট:- যদি আপনি কোনো মুসলমানকে তার উপার্জনের একটি অংশ ছদকার জন্য নির্ধারণ করতে বলেন এবং এর উপর আমল করে, আপনিও ঐ পরিমাণ ছওয়াব পাবেন যে পরিমাণ ছদকাকারী পেয়েছে। আর ছদকাকারীর ছওয়াবে কোনো কমতি আসবে না।

আপনি দুনিয়া থেকে চলে যাবেন আর আপনার অবর্তমানে কেউ আপনার কারণে ছদকা করতে থাকবে। আপনি ছওয়াব পেতে থাকবেন।

যদি আপনি তালিবে ইলমও হন এবং আপনার আয় একেবারে সীমিত ও নির্ধরিতও হয়। তবুও কম-বেশি, যতদূর সম্ভব (সামান্য কিছু হলেও) ছদকার জন্য নির্ধারণ করুন।

যদি ছদকাকারী জানতে ও বুঝতে পারে যে, তার ছদকা ফকিরের হাতে যাওয়ার আগে আল্লাহর হাতে যায়। তাহলে অবশ্যই ছদকা গ্রহণকারীর তুলনায় ছদকাদানকারী অনেক গুণ বেশি আত্মিক প্রশান্তি লাভ করবে।

◾ছদকা দানের উপকারিতা:-

ছদকা দানকারী এবং যে তার কারণ হবে সেও এ সকল ফায়েদার অন্তর্ভুক্ত।

১. ছদকা জান্নাতের দরজাসমূহের একটি।
২. ছদকা আমলের মধ্যে উত্তম আমল।
৩. ছদকা কেয়ামতের দিন ছাঁয়া হবে এবং ছদকা-আদায়কারীকে জাহান্নাম থেকে মুক্ত করবে।
৪. ছদকা আল্লাহ তা‘লার ক্রোধকে ঠান্ডা করে এবং কবরের উত্তপ্ততায় শীতলতার উপকরণ হবে।
৫. মৃতব্যক্তির জন্য উত্তম বদলা এবং সবচে’ উপকারী বস্তু হল ছদকা। আর ছদকার ছওয়াবকে আল্লাহ তা‘আলা ক্রমাগত বৃদ্ধি করতে থাকেন।
৬. ছদকা পবিত্রতার আসবাব, আত্মশুদ্ধির মাধ্যম ও সৎকাজের প্রবর্ধক।
৭. ছদকা কেয়ামতের দিন ছদকাকারীর চেহারার আনন্দ ও প্রফুল্লতার কারণ হবে।
৮. ছদকা কেয়ামতের ভয়াবহ অবস্থায় নিরাপত্তা হবে। অতীতের জন্য আফসোস করা থেকে বিরত রাখে।
৯. ছদকা গুনাহের ক্ষমা এবং খারাপ কাজের কাফফারা।
১০. ছদকা উত্তম মৃত্যুর সুসংবাদ এবং ফেরেস্তাদের দোয়ার কারণ।
১১. ছদকা দানকারী সর্বোত্তম বান্দাগণের অন্তর্ভুক্ত এবং ছদকার ছওয়াব প্রত্যেক ঐ ব্যক্তি পায় যে কোনো না কোনোভাবে অংশিদার হয়।
১২. ছদকা দানকারীর সঙ্গে সীমাহীন কল্যাণ ও বিরাট প্রতিদানের ওয়াদা রয়েছে।
১৩. খরচ করা মানুষকে মুত্তাকীদের কাতারে শামিল করে। ছদকাকারীকে সৃষ্টিকূল মুহাব্বত করে।
১৪. ছদকা দয়া-মায়া ও দানশীলতার আলামত।
১৫. ছদকা দোয়া কবুল এবং জটিল সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার মাধ্যম।
১৬. ছদকা বালা-মসিবত দূর করে দুনিয়াতে সততরটা খারাপির দরজা বন্ধ করে।
১৭. ছদকা হায়াত ও মাল বৃদ্ধির মাধ্যম। সফলতা এবং রিজিকের প্রশস্ততার মাধ্যম।
১৮. ছদকা চিকিৎসা, ঔষধ ও সুস্থতা।
১৯. ছদকা আগুনে পোড়া, পানিতে ডোবা ও অপহরণসহ (সকল) অপমৃত্যুর প্রতিবন্ধক।
২০. ছদকার প্রতিদান পাওয়া যায়- চাই তা পশু-পাখিকেই দেওয়া হোক না কেন।

এই মুহূর্তে আপনার জন্য সর্বোত্তম ছদকা হল, এই কথাগুলো ছদকার নিয়তে প্রচার করা।

সংগৃহীত

1 month ago | [YT] | 27

Md Faiz Ullah

#Admission #Job #MAT
‘It was a cowardly attack on a defenceless man.’ Here ‘cowardly’ is/an _____.

1 month ago | [YT] | 4

Md Faiz Ullah

যুদ্ধবিরতির সুযোগে ইরান পুরোদমে রিকনস্ট্রাকশন কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। অলরেডি তারা ধ্বংস হওয়া অধিকাংশ রেল লাইন মেরামত করে ফেলেছে।

ইরানি ইঞ্জিনিয়াররা মাত্র ৪০ ঘণ্টার মধ্যে কোম শহরের ইয়াহইয়া আবাদ ব্রিজের ধ্বংস হওয়া অংশ মেরামত করে ব্রিজটা যানবাহন পারাপারার জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছে।

এছাড়াও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্রিজ, রাস্তাঘাট এবং কল-কারখানাও পুনরায় চালু করার লক্ষ্যে তারা জোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

এই যুদ্ধে ইরানের ৯৪২টা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আগামী তিন মাসের মধ্যে ইরানের সরকার সেগুলো মেরামত করার উদ্যোগ হাতে নিয়েছে।

শুধু তাই না, ইরানের সরকার ঘোষণা দিয়েছে, মিনাব শহরের ১৬৮ জন শহিদ স্কুল শিক্ষার্থীর প্রত্যেকের নামে একটা করে মোট ১৬৮টা নতুন স্কুল নির্মাণ করবে।

যে জাতি একইসাথে জ্ঞান-বিজ্ঞান, শিক্ষা-দীক্ষা, সভ্যতা-সংস্কৃতি এবং ধর্মকে গুরুত্ব দেয়, তাদেরকে কি না ট্রাম্প প্রস্তর যুগে পাঠিয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়!

যাদের হাতে সভ্যতা নির্মিত হয়, তারা প্রস্তর যুগে ফিরে গেলেও সেখান থেকে ফিরে আসতে তাদের সময় লাগে না।

সংগৃহীত

1 month ago | [YT] | 28