Welcome back to our YouTube channel "BHON KATTA ।। ভোঁ কাট্টা"
উড়ছে ঘুড়ি বাঁধা সুতোয়,
টানাটানির প্যাঁচে।
মন মানেনা, ছল ছুঁতোয়,
থাকতে চায়না কাছে।
এক ঘেয়েমির কাটাতে জীবন,
চাই মিঠা, খাট্টা।
সুতো ছিড়ে তাই ঘুড়ি
চলল, ভোঁ কাট্টা।
* for business inquiry : bhonkatta@gmail.com
BHON KATTA ।। ভোঁ কাট্টা
ফেলে আসা পুরাতন বছরের সমস্ত গ্লানি, ক্লান্তি, অবসাদকে ত্যাগ করে নতুন বছরে নতুন করে একসাথে হেঁটে যাওয়ার অঙ্গীকার নিয়ে নতুন বছরকে নতুন করে স্বাগত জানিয়ে শুরু হোক পথ চলা।
স্বাগতম ২০২৫
1 year ago | [YT] | 6
View 1 reply
BHON KATTA ।। ভোঁ কাট্টা
কে জানত! তোমার আর ঘরে ফেরা হবেনা, কে জানত! তোমার মনের ইচ্ছা শক্তি তোমার শারীরিক ক্ষমতার কাছে সময়ের সাপেক্ষে হেরে যাবে, কে জানত! তোমার অদম্য ঘুরে বেড়ানোর ইচ্ছা একদিন হঠাৎ করে থেমে যাবে, কেইবা জানত! তুমি সর্বস্ব সমর্পণ করবে বাবা বরফানির দর্শন করে।
আমরা ৮ই জুলাই,২০২৪ যাত্রা শুরু করেছিলাম জম্মু তাওয়াইয়ের পথে অমরনাথজীর উদ্দেশ্যে। আমরা প্রস্তুতি নিয়েছিলাম আট জন। তার মধ্যে রাজকুমারদার অসুবিধার কারণে আমরা সাত জন রওনা হয়েছিলাম। আমাদের সবাইকার বয়স আনুমানিক ৪০ এর গোড়ায়। কেবল কাকু (শংকর ভট্টাচার্য্য)-র বয়স ৬১ বছর। তবু আমাদের মধ্যে যে বয়সের পার্থক্য আছে তার বিন্দুমাত্র প্রকাশ পায় না।
শুরু করলাম পথ চলা। সবাই ঠিকই ছিল। ইতিমধ্যে আমি পেহেলগাঁও-এ এসে অসুস্থ হয়ে পড়ি। সবাই একটু চিন্তিত হলেও কাউকে চিন্তিত হওয়ার লক্ষণ বুঝতে দিইনি আমি। রীতিমতো সকালে উঠে ফ্রেশ হয়ে বেরিয়ে পড়লাম চন্দনবাড়ির উদ্দেশ্যে। আমার মনের ইচ্ছা শক্তি থাকলেও শরীরের ইচ্ছাশক্তি শেষ হতে চলেছে। অপরদিকে কাকু তখনও জ্বলন্ত আগুনের শিখা। পিসু টপ আসার পর শরীর না মানায় ঘোড়া নিতে বাধ্য হলাম। কাকু চন্দনবাড়ি গেট থেকে আগে হাঁটতে শুরু করেছিলেন এটা ভেবে যে, আমরা যেহেতু কম বয়সী, আমরা হেঁটে কাকুকে ধরে নেব। আমাদের আগে পিসু টপ আসার পর কাকু-ও ঘোড়া নিয়েছিলেন। কাকু যেহেতু আগে ঘোড়া করে নিয়েছিলেন, তাই কাকু আগে পৌঁছে গিয়েছিলেন শেষ নাগ। আমি বিকাল পাঁচটা নাগাদ পৌঁছালাম। গিয়ে শুনলাম কাকু ঘোড়া থেকে নামতে গিয়ে পড়ে গেছেন। তেমন কোনো আঘাত পাননি। এইভাবে কাটলো শেষনাগের রাত।
পরের দিন আমরা চারজন ঘোড়া করলাম শেষনাগ থেকে পঞ্চতরিনীর উদ্দেশ্যে। মোটামুটি সকাল সাতটা তে বেরিয়ে বারোটার মধ্যে পৌঁছে গেলাম। পৌঁছে একই বিভ্রাট। কাকু আবার ঘোড়া থেকে পড়ে গেলেন। এবারে জখম।
নিয়ে গেলাম পঞ্চতরিনীর বেস ক্যাম্প হসপিটালে। সেখানে এক্স-রে ও মেডিসিন দিয়ে বললেন আজ রাতটা বিশ্রাম নিতে। রীতিমতো সেই ভাবেই রাতটা কাটালাম।
পরের দিন আমি একটু সুস্থ। কাকুকে ও প্রেমাংশুকে ঘোরা করে দেয়া হলো (প্রেমাংশুর গত দিনে পায়ে মোচর লেগেছিল)। যথারীতি আমাদের আগে পৌঁছে সঙ্গমে আমাদের জন্য অপেক্ষা করছিল কাকু ও প্রেমাংশু। আমরা আবার ডুলি করে দিলাম কাকুকে সঙ্গম থেকে বাবা বরফানির দর্শন করার জন্য। দর্শন হলো। ফিরে এলাম সঙ্গমে।
আমার শরীর আবার খারাপ হওয়ার কারণে দর্শন সেরে ফেরার সময় আমি, কাকু, প্রেমাংশু ও দাদা (শুভঙ্কর) ঘোড়া করে ফিরে এলাম বালতাল বেস ক্যাম্পে। ফিরতে বেশ রাত হয়ে গিয়েছিল। প্রায় রাত আটটা। সেদিন রাতটা না খেয়েই শুয়ে পড়লাম।
পরের দিন শুরু হল বিপত্তি।
কাকুর শরীর একটু একটু করে খারাপ হতে শুরু করলো।
সকাল আটটা নাগাদ নিয়ে গেলাম বালতাল বেস ক্যাম্প হসপিটালে। সেখানে কাকুকে প্রাথমিকভাবে ফিরিয়ে দেয়া হলেও একটু রিকুয়েস্ট করার পর অক্সিজেন দেওয়া হলো। আস্তে আস্তে শুরু হল ডাক্তার সাহেবদের নজরদারি।
বেলা যতো গড়াচ্ছে অক্সিজেন স্যাচুরেশন স্বাভাবিক না হওয়ার কারণে কাকুকে রেফার করে দেওয়া হল SKIMS, Srinagar-এ। আমরাও কাকুর সাথে চলে এলাম বালতাল থেকে শ্রীনগরে। ভর্তি করা হলো হসপিটালে, শুরু হলো নজরদারির ব্যস্ততা। খবর দেয়া হলো দিগন্ত দা (শংকর কাকুর পুত্র) কে। কাকুর তেমন কোন অসুবিধা সেই মুহূর্তে ছিল না অক্সিজেনের মাত্রা কমা বারা ছাড়া। সেইদিন সারারাত আমি কাটালাম হসপিটালে।
পরেরদিন দিগন্ত দা আসায় আমি চলে এসেছিলাম জম্মুতে। আমাদের ট্রেন ছিল ১৭ তারিখ।
ভাবতে পারিনি যে সেই দেখাটাই শেষ দেখা হবে, মুখে একটু একটু করে জল খাওয়ানোটাই আমার শেষ জল খাওয়ানো হবে। ভাবতে পারিনি ওষুধের দোকানে মেডিসিন স্লিপ দেখিয়ে ওষুধ আনাটাই একদিন শেষ ওষুধ আনা হবে।
শংকর কাকু (প্রয়াণ দিবস ০৫/০৮/২০২৪, SKIMS, Srinagar) এভাবে না ফেরার দেশে পৌঁছে যাবেন ঘরে না ফিরে, ভাবতে পারিনি। যেখানেই থেকো কাকু ভালো থেকো।
সর্বশেষে বলে রাখি, সবই বাবা বরফানির ইচ্ছা, তিনি কাকে রাখবেন, কাকে তাঁর শ্রী চরণে স্থান দেবেন সম্পূর্ণ ইচ্ছা তাঁর।
তবে কোন রকম ছোট থেকে বড় শারীরিক অসুস্থতা থাকলে আপনাদের কাছে বিনীত অনুরোধ বরফানির দর্শন হেলিকপ্টারে করুন বা ঘোড়াতে করুন (ঘোড়াতে দর্শন করলেও শারীরিক ক্ষমতা যেন অক্ষুন্ন থাকে, পাহাড়ি এলাকায় অক্সিজেনের পরিমাণ স্বাভাবিক এর থেকে কম থাকায় শারীরিক সমস্যা হতে পারে)। অযথা কোনো রকম ঝুঁকি নেবেন না।
সবাই ভালো থাকবেন। 🙏
1 year ago | [YT] | 9
View 9 replies
BHON KATTA ।। ভোঁ কাট্টা
🙂 লেপচাজগত 🙂
6,956 ফুট উচ্চতায় পাইন গাছের বনের মধ্যে একটি ছোট গ্রাম যা ঘূম এবং সুখিয়াপোখারি সংযোগকারী ভায়া NH 110 এবং ঋষি রোড রুটে দার্জিলিং থেকে কমবেশি ১৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। মূল ভাষায় লেপচাজগত মানে "লেপচা উপজাতির আশ্রয়"। লেপচাজগতের প্রধান আকর্ষণ হল দার্জিলিং-এর নিকট এবং আপনাকে অত্যাশ্চর্য প্রাকৃতিক দৃশ্য সহ একটি মনোরম গ্রামে থাকতে দেয়। এর শান্তিপূর্ণ পরিবেশ এবং মাউন্ট কাঞ্চনজঙ্ঘা এবং এর আশেপাশের চূড়ার অত্যাশ্চর্য দৃশ্যের কারণে এটি প্রকৃতি প্রেমীদের আকর্ষণ করে।
দু-একদিনের কর্মব্যস্ত জীবন থেকে যদি স্বস্তির শ্বাস নিতে হয় তাহলে অবশ্যই আসতে হবে এই গ্রামে। এখানকার ভিউ পয়েন্ট থেকে দেখা যাবে সিকিম, নেপাল, দার্জিলিং, সান্দাকফু যা আপনার এই দুদিনের ছুটিকে এক যুগের স্মৃতি হিসেবে বিবেচিত করে তুলবে।
আপনাদের যদি সম্ভব হয় অবশ্যই মনের ডায়েরিতে লেপচাজগতের নাম তুলে রাখুন।
🥰
1 year ago | [YT] | 10
View 0 replies
BHON KATTA ।। ভোঁ কাট্টা
গ্রীষ্মের প্রচন্ড দাবদাহে যখন দক্ষিণবঙ্গের সমস্ত জীবকুলের প্রাণ ওষ্ঠাগত তখনই আমাদের একটা কথাই মনে পড়ে পশ্চিমবঙ্গের অপরপ্রাণ উত্তরবঙ্গের কথা। দক্ষিণবঙ্গে তাপমাত্রার পারদ উত্তরোত্তর যত বৃদ্ধি পায়, উত্তরবঙ্গে পাহাড় প্রেমী পর্যটকদের ভিড় সমানুপাতিক হারে ততই বেড়েই চলে।
আর এই পাহাড় প্রেমী পর্যটকদের সাথে পায়ে পা মিলিয়ে আমরাও চলে এলাম পাহাড়ের রানী, ভারতবর্ষের ঐতিহ্যপূর্ণ উচ্চতম রেল স্টেশন, মেঘমুক্ত আকাশে পাহাড়ের কোলে নতুন সূর্যোদয় দেখতে দার্জিলিং-এ।
দার্জিলিং-এর এই নতুন পর্বের ভিডিওতে আপনাদের শুভাশিষ খুবই প্রয়োজন।
1 year ago | [YT] | 6
View 2 replies
BHON KATTA ।। ভোঁ কাট্টা
*** শুভ নববর্ষ,১৪৩১ ***
সময় সে তো অনেক বড়ো-সে আদি -অন্ত-হিন;
সময় মাপি আমরা সবাই -নবীন কিংবা প্রবীণ ।
শুরু করলেই শেষ হয়েযায় সাধের মুহূর্তটার,
বার্দ্ধকে আফসোস করি সেই ছোট্ট বেলাটার।
অনেক যত আশা আর তত হতাশা ,
ভালোবাসার মাঝে একটু ভালোবাসা ,
অনেক দুঃখ পেরিয়ে কষ্ট করে হাসা ,
নববর্ষের আগমনে তোমাদের জন্য রইলো শুভেচ্ছার আলিঙ্গন ,
সুস্থ হোক সুন্দর হোক তোমাদের প্রতিটি ক্ষণ।
**** হিমাঙ্কর নন্দী ****
1 year ago | [YT] | 5
View 0 replies