Hi, I am Debasis Chakraborty and I make videos on various Talks, Discussions, and Interviews on my YouTube channel Katha Mukh.

Katha Mukh channel is a platform to convey messages of various Life Talks from different aspects. Katha Mukh talks on Life, mainly from Politics to Sociology, from Cinema/Movies to Literature.

Life is a Philosophy, and we canvas it through expression of Talks, Discussions, and Interviews and after all Social Analysis. The mood of our life is political and humanitarian. Sociology, Arts & Culture, Politics play a major role in our daily life when we smile, we cry, we love and play. Our channel celebrates the spirit of Life as well as the spirit of the People. Watch the videos to know in depth analysis about life and its various aspects.


Katha Mukh

অদ্ভুত কান্ড দেখলাম লাইভটা, যেটা একটু আগে করলাম -শুধু চুরি? রাধাকৃষ্ণন বনাম যদুনাথ সিংহ? যে রাজনীতি নিয়ে কথা হচ্ছে না? মাঝপথে অদ্ভুতভাবে থেমে গেল অনেক জায়গায় কেটে গেল। ফলে ডিলিট করলাম কালকে আবার করব।
এই খেলাটা অনেকদিন ধরে চলছে, অদ্ভুতভাবে গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো কেটে যাচ্ছে। ইন্টারেস্টিং।

5 days ago (edited) | [YT] | 11

Katha Mukh

www.facebook.com/share/v/18G6sHYZ55/
আমরা একসাথে পথ হাঁটছি, এটাই সবচেয়ে বড় পুরস্কার।

1 week ago | [YT] | 6

Katha Mukh

২০২৬ রেডিওইনফো এশিয়া পডকাস্ট অ্যাওয়ার্ডে বিজয়ী কথামুখ
২০২৬ রেডিওইনফো এশিয়া পডকাস্ট অ্যাওয়ার্ডে বিজয়ী কথামুখ। কথামুখের মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুতুল নাচের ইতিকথা নিয়ে করা এই এপিসোডটিকে স্বীকৃতি জানিয়েছে রেডিওইনফো এশিয়া পডকাস্ট অ্যাওয়ার্ড।
আমাদের এখানে সাংবাদিকতা বলতে যখন শুধু সাম্প্রদায়িকতা আর প্রযুক্তি, নানা ধরনের দুর্বল ধর্মনিরপেক্ষ ভয়েস—ঠিক সেই সময় আগুনের পরশমণির মতো জ্বলে ওঠে হয়তো নানা ভয়েস, ওঠে জ্বলে ইনডিপেনডেন্ট মিডিয়া।
এখনও যারা একটা মোবাইল এবং সামান্য ইন্টারনেট নিয়ে গোটা পৃথিবীর মুখ ঘুরিয়ে নেওয়ার, প্রতিদিন চূড়ান্ত অবহেলার শিকার হওয়ার পরও হাল ছাড়তে রাজি হন না; বরং কণ্ঠ আরও জোরালো করেন। বিড়ালকে বিড়াল এবং কোদালকে কোদাল বলেন—সেই আশ্চর্য লড়াইয়ের গল্পই হয়তো এই স্বীকৃতি।
কথামুখের এই স্বীকৃতি আসলে ভাবনামুখেরও স্বীকৃতি, সেইসব চ্যানেলের স্বীকৃতি, যারা অন্যভাবে ভাবে।
বন্ধু ও দাদা, বিশিষ্ট তাত্ত্বিক কৌশিক দাশগুপ্ত বলেছিল—আন্তর্জাতিক মানের সংবাদের দিকে এগোয় কথামুখ।
বাংলার মাটিতে দাঁড়িয়ে আমরা যে গভীরভাবে আন্তর্জাতিক হতে পারি, সবকিছু হিন্দি মিডিয়া করে দিয়েছে আর আমরা শুধু মাঠে বল কুড়োচ্ছি—বিষয়টা যে এমন নয়। বরং বিষয়টা হলো, আন্তর্জাতিক মানের প্রবন্ধের মতো ভিডিও, সঙ্গে বাংলার মাটি-আকাশ, দুঃখ, যন্ত্রণা, ফড়িং এবং প্রজাপতির উড়ে চলা—এসব নিয়েই যে বিকল্প মিডিয়ার এক আন্তর্জাতিক চ্যালেঞ্জ গড়ে তোলা যায়।
সেই প্রচেষ্টার নামই হলো কথামুখ। অথবা, আজকের এই স্বীকৃতি।
সংবাদ বলতে শুধু ঘটনাকে রিপ্রেজেন্ট করা বোঝায় না। ইতিহাস, রাজনীতি, দর্শনের গভীরে লুকিয়ে থাকা আলোর ভেতর দিয়ে যে মানুষ আলোর পথযাত্রী হয়—শ্যামাসংগীত থেকে কার্ল মার্কস, সব আলোই যে আমাদের।
কোথাও জলকে ঘিরে অফুরান জল রয়ে গেছে-এর মতোই—এক আশ্চর্য, অদ্ভুত জীবনের গল্প, যা প্রতিদিন আপনাকে টানে, ভাবায়। সেই সব গল্পকে অস্বীকার করতে শেখায় যে মিডিয়া, তার বাইরে দাঁড়িয়ে যে সংবাদ রচিত হয়—সেই অভিযাত্রার অংশ হতে পারাটাই যে জীবন। তারই বোধহয় স্বীকৃতি দিল এই পুরস্কার।
এক সময় কেউ কেউ খুব হেসেছিলেন, আজও হাসেন। তাঁদের প্রশ্ন—কথামুখের মতো চ্যানেলগুলো কী করে আন্তর্জাতিক হয়?
এই আশ্চর্য, অস্পষ্ট ধারণার বিরুদ্ধে একটা আওয়াজ বোধহয় তুলে ধরল এই পুরস্কার।
সুতরাং আমার সকল বন্ধুকে আমার তীব্র ভালোবাসা।
কথামুখের যাত্রাপথে আমরা যারা একসঙ্গে হাঁটলাম, বা হাঁটছি—আজ আমাদের সবার স্বীকৃতি হলো হয়তো এই Asia Podcast Award-এ বিজয়ী হিসেবে কথামুখের স্থান পাওয়া।
এই অনুষ্ঠানের থাম্বনেল তৈরি করেছিল ভাই অনুরাগ। ও আমায় বলেছিল, “মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে অনুষ্ঠান করবে না?”
এই সমস্ত চেনা-অচেনা গল্প, যেগুলো আমাদের প্রাত্যহিকতার প্রতিটি মুহূর্তে মাঝে মাঝে রূপকথা হয়ে লুকিয়ে থাকে—সেটারই হয়তো স্বীকৃতি হলো এই প্রাপ্তি।
রেডিওইনফো এশিয়াকে আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।
আর প্রবল কৃতজ্ঞতা আপনাদের, তোমাদের—যারা নিয়মিত আমায় সহ্য করো। আমরা একসঙ্গে হাঁটছি। অন্য ভাবনার মিছিল তৈরি হচ্ছে।
Link:www.radioinfo.asia/
Link of podcast: https://youtu.be/6JjyOZExWAg

1 week ago (edited) | [YT] | 12

Katha Mukh

‘পেঁচা বলে সবই ফাঁকি’ – দেশদ্রোহী কে, ল্যাপটপ না লাঠি?

চারিদিকে গদি মিডিয়ার এত আবোল-তাবোল চিৎকার শুনে সুকুমার রায়ের এই কবিতার লাইনটা মাথায় ঘোরে, "পেঁচা বলে, 'আমি তো দেখি সবই ফাঁকি'"? অথবা প্রাচীন সেই প্রবাদ, "প্যাঁচা কয় পেঁচানি খাসা তোর চেঁচানি"।

কিন্তু এগুলোর মাঝখানে যে কথাটা বলা হয় না, তা হলো প্রমাণ। বামপন্থীরা যদি সত্যি এ ধরনের স্লোগান দিত, এই ‘টুকরো টুকরো’ হওয়ার স্লোগান, তাহলে কানহাইয়া কুমারকে সুপ্রিম কোর্ট মুক্তি দিত কি? শুধু বাম কেন, আজ অবধি এরা যাদের নামে দেশদ্রোহিতার অভিযোগ এনেছে, কাউকে কি এরা সেটা প্রমাণ করতে পেরেছে?

Stan Swamy একজন গান্ধীবাদী ছিলেন। তাঁকে দেশদ্রোহী বলা হলো। পরে জানা গেল, তাঁর ল্যাপটপ হ্যাক করে তথাকথিত গৈরিক শক্তি দেশদ্রোহের ভাইরাস ইনপুট করেছে।

সুতরাং একটা প্রশ্ন আসে। খুব সহজ, সরল একটা প্রশ্ন, আচ্ছা দেশদ্রোহী কে? যারা মানুষের ল্যাপটপে ভুলভাল জিনিস পুরে দেয়? যে কথা কেউ বলেনি, সে কথা যারা মানুষের মুখে ঢুকিয়ে দেয়, তাহলে তারা কি চায় ভারত টুকরো হোক?

এবার আসা যাক ভারতীয় বামপন্থীদের স্বাধীনতা সংগ্রাম প্রসঙ্গে। পূর্ণ স্বরাজের দাবি ভারতীয় বামপন্থীরাই প্রথম এনেছিল। গান্ধীর নেতৃত্বে কংগ্রেস তখনও ডোমিনিয়ন স্ট্যাটাস চাইছিল। আরএসএস কোনদিন ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামে এক পাও হেঁটেছে?

RSS-এর প্রতিষ্ঠাতা ডা. হেডগেওয়ারের আত্মজীবনী ‘সংঘ বৃক্ষ কা মূল’, যিনি এই আত্মজীবনী লিখেছেন তিনিই বলছেন, গুরুজি কখনও ব্রিটিশের বিরোধিতা করেননি।

আর সে সময় দেখুন ভগৎ সিং থেকে গণেশ ঘোষ, মুজফ্‌ফর আহমদ — এরা সবাই কিন্তু ভারতীয় স্বাধীনতার জন্য জেলে যাচ্ছেন।

এরপর আর কিছু বলার থাকে? লাল পতাকা ইউরোপে কেন নিষিদ্ধ হয়েছে, তা নিয়ে প্রচুর কথা হতে পারে। ভারতে কেন আরএসএস নিষিদ্ধ হয়েছিল? গান্ধী হত্যার সঙ্গে যাদের নাম জড়িয়ে যায়, তারা দেশদ্রোহের বিচার করবে?

সুতরাং খাসা চিৎকার দিয়ে তো আর পাথরকে পালংশাক বানানো যায় না।

এই যে বলা হচ্ছে আমরা রাষ্ট্রবাদী, এটার মানে কি দয়া করে কেউ বলবেন? রাষ্ট্র আর দেশ কি এক? রাষ্ট্র মানে তো আইন, কানুন, শাসন — যা যুগে যুগে বদলায়। আর দেশ মানে তো মানুষ। ‘ও আমার দেশের মাটি, তোমার ’পরে ঠেকাই মাথা’।

তাহলে রাষ্ট্রবাদ মানে কি দেশ মাইনাস মানুষ, শুধু আইনের শাসন? এটা কখনও জাতীয়তাবাদ হতে পারে?

যাই হোক, জাস্টিস জে এল কাপুর কমিশন আমার কথা নয়, তাঁর তদন্তে বলেছিল, গান্ধী হত্যার মূল চক্রী হলো হিন্দু মহাসভার সাভারকর। ১৯৬৯-এ রিপোর্টটি প্রকাশিত হয়। তার আগেই অবশ্য সাভারকর প্রয়াত হন। ফলে বিচারের বাণী অধরা থেকে যায়।

সুতরাং এই যাদের ট্র্যাক রেকর্ড, তারা অন্যকে দেশপ্রেম শেখাতে আসে। অঙ্কে মাইনাস 0 পাওয়া লোক ক্যালকুলাস শেখানোর প্রফেসর হয়? এটা কখনও হতে পারে? যদি পারে, তাহলে এই ধরনের বক্তব্য সত্য। না হলে সুকুমার রায়ের কথাই সত্যি।

যাই হোক, আমি তো ওপেন চ্যালেঞ্জ রাখছি। যুক্তি-তর্কের যদি দম থাকে, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে বামেদের কোনও ভূমিকা নেই, এটা প্রমাণ করে দেখান। হ্যায় দম?

1 week ago | [YT] | 26