Hi, I am Debasis Chakraborty and I make videos on various Talks, Discussions, and Interviews on my YouTube channel Katha Mukh.

Katha Mukh channel is a platform to convey messages of various Life Talks from different aspects. Katha Mukh talks on Life, mainly from Politics to Sociology, from Cinema/Movies to Literature.

Life is a Philosophy, and we canvas it through expression of Talks, Discussions, and Interviews and after all Social Analysis. The mood of our life is political and humanitarian. Sociology, Arts & Culture, Politics play a major role in our daily life when we smile, we cry, we love and play. Our channel celebrates the spirit of Life as well as the spirit of the People. Watch the videos to know in depth analysis about life and its various aspects.


Katha Mukh

ধন্যবাদ শ্রদ্ধেয় স্বপনবাবু ও সমরেন্দ্রদা
+) +)

এখন সত্য সত্যই সত্য উৎপাদিত হয়। আমরা সেই কবে অপ্রাতিষ্ঠানিক লেখক সুবিমল মিশ্রের অ্যান্টি - উপন্যাসে এসব পড়েছিলাম।

এখন এসব উপকণ্ঠে চলে এসেছে। দৈনন্দিন জীবনের বিষয় হয়ে গেছে। মৌলবাদী ও ফ্যাসিস্টদের তাণ্ডব নৃত্য শুরু চলছে , চলবে। কিন্তু যা শুরু হয় তা শেষও হয় , শেষ করতে হয়। গণশত্রু ও শ্রেণিশত্রুদের অন্ত রাখতে নেই। শেষনাগ , যে নাগের অনন্ত ফণা থাকে। যে ধনসম্পদের কোটি কোটি শির নিয়ে একটি মহাশীর্ষ সক্রিয় দেখা যায়।
ব্যাঙ্কে ব্যাঙ্কে থাকা নগদ নারায়ণ অনন্তনাগের ক্রোড়ে শয়ান থাকে , রয়েছেন।
এই অনন্তনাগ কল্পান্তেও স্হায়ী। ব্যাঙ্কের মালিক বহু নাগরিক , তাই ব্যাঙ্কের সহস্র মাথা। রাষ্ট্র পরিচালকদের বদল ঘটে গেলেও , কল্পান্ত হয়ে গেলেও , এই নাগ টিকে থাকেন। সড়স্র ফণাযুক্ত শেষনাগের মস্তকে প্রত্যেক কল্পের শেষে বিষ্ণু অবস্থান করেন। বিষ্ণুর নানা অবতার। ইনি ক্ষীরোদশায়ী। জনসাধারণের শ্রম ও মেধা থেকে যে উৎপন্ন সম্ভার জন্মায় , তা ক্ষরিত হয়ে যে সম্পদের সমুদ্র তৈরি হয় , তিনি সেখানে শয়ন করে থাকেন। এঁর শয্যা অনন্ত। পত্নী বা আধারশক্তি লক্ষ্মী , বাহন গরুড়।জগৎপালক বিষ্ণুর গুরুভার বহনকারী সত্তা , বিষ- শক্তি সমাজ আকাশে উড়ে বেড়ায়। বিষ-ণু> =বিষ্ণু। সামাজিক বিষ বা গরল যদি চিহ্নিত করতে না পারি তাহলে সমাজ পরিবর্তন হবে কীভাবে ?

সামনের সপ্তাহেই মনে হয় মহালয়া ?? ! !
...................................
: রামতনু দত্ত

3 days ago | [YT] | 6

Katha Mukh

ইতিহাসের পাতা থেকে: গোমাংস, ব্রাহ্মণ্যবাদ এবং আজকের 'ডিলিট মহোৎসব
দেবাশিস চক্রবর্তীর

প্রথমেই যে কথাটা প্রবল জোরের সঙ্গে বলবো তা হোলো — গোহত্যা কোনোদিনই সনাতন ধর্মে কোনো ব্রাত্য বা নিষিদ্ধ বিষয় ছিল না। ঋগ্বেদে যে সমস্ত মাংস পূজা-অর্চনার জন্য ব্যবহারযোগ্য ছিল, তার মধ্যে অন্যতম ছিল গোমাংস। 'তৈত্তিরীয় ব্রাহ্মণ' গ্রন্থে স্পষ্টভাবেই গোমাংস ভক্ষণের রেওয়াজ এবং প্রাচীন জীবনযাত্রার সঙ্গে তার সম্পর্কের কথা বলা হয়েছে।
​আসলে বৌদ্ধধর্মের চ্যালেঞ্জের সামনে, নতুন করে ব্রাহ্মণ্যবাদকে 'লাইফলাইন' বা নবজীবন দেওয়ার প্রয়োজনেই গোমাংসের বিষয়টা ব্রাত্য হয়ে ওঠে। যেহেতু তৎকালীন শাসকশ্রেণির সঙ্গে এখানকার আধিপত্যবাদী ব্রাহ্মণ্যবাদের গভীর এক আদান-প্রদানের (give and take) সম্পর্ক ছিল, সেই কারণেই শুধু মুঘল নয়, প্রায় প্রতিটি শাসকই হিন্দু সংস্কৃতি বলতে ব্রাহ্মণ্যবাদী প্রচলিত সংস্কৃতিকে মান্যতা দিতে চেয়েছে। আর এই কারণেই গোমাংস নিষিদ্ধ হয়েছিল। এই নিষিদ্ধকরণের পিছনে শ্রেণি-সমঝোতা বা 'ক্লাস অ্যালায়েন্স' একটি বড় বিষয় ছিল।
​আর এই বিন্দুতে এসেই বোধহয় ডি. ডি. কোসাম্বীর মতো ইতিহাসবিদদের বিশেষ গুরুত্ব উপলব্ধি করা যায়। জওহরলাল নেহরুর 'ডিসকভারি অফ ইন্ডিয়া'-র সমালোচনা করে তিনি বলেছিলেন— লেখাটা অত্যন্ত ভালো, কিন্তু 'শ্রেণিচরিত্র' বা class character-এর জায়গায় এতে খামতি রয়েছে; ইতিহাসকে এখানে অত্যন্ত সরলভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
​আর আজকের যারা শাসক, তারা না জানেন হিন্দুধর্ম, না জানেন ভারত। সুতরাং, ম্যাকলের খিচুড়ি আর হিটলারের জগা— এই দুই মিলেমিশে এমন এক মিশ্রণ তৈরি হয়েছে, যেখানে অন্ধ ভক্তদের কাছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চেয়েও মোদীজি বড় হয়ে ওঠেন। তারা এটাও জানার চেষ্টা করে না যে, সবচেয়ে বেশি মহাভারতের অনুবাদ মুঘল আমলেই হয়েছিল। হিন্দু শাস্ত্র অনুবাদের জন্য ঔরঙ্গজেব নিজে কবি চন্দ্রমামকে পুরস্কৃত করেছিলেন।
​সুতরাং, তাদের কাছে ভারত হলো 'ডিলিট লগ্নের' ভারত; ভোটার থেকে ইতিহাস— সবকিছুকেই ডিলিট করো। এখন আসলে একটা 'ডিলিট মহোৎসব' চলছে।

5 days ago | [YT] | 21

Katha Mukh

কে কত টাকা খেল—সেই খবর আছে, কিন্তু যারা লড়ল তাদের খবর কোথায়? মত প্রকাশের জন্য কেন গ্রেফতার হবে কেউ?
দেবাশিস চক্রবর্তী

দাঁতের ব্যথা যখন কাবু মে আ রাহা হ্যায়। তখনই এই বিস্ফোরণ! কিন্তু এবার হবে, মাই ডিয়ার, এই নিউজ রহস্যের আসল উন্মোচন। সবাই ঘুঘু দেখাবে, কিন্তু ফাঁদের কথা বলবে না—আর আমরা দুটোই বলব। তবে দেখা না-দেখা আপনার চয়েস।

খবরটা নিশ্চয়ই এতক্ষণে সবাই দেখে নিয়েছেন—বিজেপির কাছ থেকে কোন ইউটিউবার, কোন কনটেন্ট ক্রিয়েটর কত দক্ষিণা নিয়েছেন। এ নিয়ে বিরাট হালুম-হুলুম হচ্ছে। কিন্তু যারা এসব হালুম করছেন, তারা কি জানতেন না—এটাই বাস্তব?

কথামুখের মতো চ্যানেল অনেক দিন ধরেই তো বলে গেছে, গোটা মিডিয়াকে কিনে নেওয়া নয়; যে ইকোসিস্টেমের ওপর এই মিডিয়াগুলো বেঁচে থাকে, সেই ইকোসিস্টেমেরও গৈরিকীকরণ হয়ে গেছে। টাকা প্লাস মতাদর্শ—এই দুটো অঙ্ক দিয়েই এটা করা হয়েছে।

এবং সেই জোর এতটাই বেশি যে, যারা বিক্রি হলো, তাদের নিয়ে বিরাট খবর। কিন্তু যারা লড়াই করল, তাদের নিয়ে কোনো কথা নেই?

আমি ভাবনামুখের নরেশ জৈনকে ধন্যবাদ দেব। এই বিষয়টি নিয়ে তিনি একটি মর্মস্পর্শী লাইভ করেছেন। লাইভটা দেখুন। না দেখলেও ক্ষতি নেই—গদি মিডিয়া আছে, নানা গালাগালি দেওয়া দুর্বল ধর্মনিরপেক্ষ মিডিয়া আছে। কিন্তু দেখলে বুঝতে পারবেন, আসল প্রশ্নগুলো কী।

আর এখানেই আসল মজা।

যত ধরনের নেগেটিভ বিষয়, মাথামুণ্ডহীন কনটেন্ট—সবই যেন কনটেন্ট। Content creator শব্দটাই খুব রহস্যময়। আমি থুতু ফেলছি, সেটাও একটা কনটেন্ট হতে পারে!

এই শব্দটার ভেতর দিয়ে কি শিল্পী বা শিল্প—এদের রিপ্লেস করে দেওয়া হচ্ছে?

যাই হোক, অত ভেবে কাজ নেই!

এবার আসা যাক অন্য একটা প্রশ্নে।

এইসব কনটেন্ট ক্রিয়েটর, যাদের বিজেপি টাকা দিল, তারা আসলে কী ক্রিয়েট করল? আপনার কোনো সমস্যা বা যন্ত্রণা? দেশের অর্থনীতি বা রাজনীতি? বাংলা জীবনের ওপর আক্রমণ? এমনকি গোপাল ভাঁড়ের মতো কোনো হিউমারও কি এরা প্রডিউস করল?

আমি জানি, আপনিও বলবেন না।

তাহলে প্রশ্ন আসে—এই টাকাটা এল কেন?

আর এখানেই সব উত্তর।

জনপ্রিয়তার ভাষাগুলোকে ব্যবহার করো, এবং মস্তিষ্কগুলোকে ক্রমশ অপ্রাসঙ্গিক বানিয়ে তোলো।

অর্থাৎ, আপনি গুটখা খাওয়ার মতোই কিছু একটা চিবোবেন। তাতে মস্তি কীভাবে আসে জানি না। কিন্তু সেটাই যখন এন্টারটেনমেন্ট হয়ে উঠবে, তখন আস্তে আস্তে আপনার মনের ভেতর ঢুকিয়ে দেওয়া হবে সাম্প্রদায়িকতা।

কেননা ততক্ষণে সেটা আপনার অভ্যাস হয়ে গেছে। ফলে যুক্তিহীন চর্চা আসলে যাকে ডাকার, তাকেই ডেকে আনে।

সুতরাং রাম খেতে গিয়ে তো আপনি নকুলদানা খান না—তেমনই হলো বিষয়টা। যেখানে যেটা দরকার, সেখানে সেটাই।

ফলে বিজেপি তাদের কৌশলের জায়গা থেকে ঠিক কাজটাই করছে।

কিন্তু আপনি বিজেপি-বিরোধী। আপনি শুধু প্রচার করে যাচ্ছেন—দেখো, বিজেপি কত টাকা দিয়েছে! কীভাবে মিডিয়া বিক্রি হয়েছে!

কিন্তু একবারও বলছেন না—কীভাবে মিডিয়াও লড়াই করেছে বাংলায়।

এই ভাবনামুখের মতো চ্যানেলগুলো, কথামুখের মতো চ্যানেলগুলো সম্পূর্ণ ইউটিউবের গেমটাই পরিবর্তন করে দিয়েছে।

আগে ছিল গদি মিডিয়া বনাম ‘খেলা হবে’-ধরনের কিছু দুর্বল ধর্মনিরপেক্ষ মিডিয়া। আর সেখানে সমাজটা পড়ে থাকত পিছনে।

কিন্তু এই জায়গাটাকে সম্পূর্ণ বদলে দিয়ে আজ ভাবনামুখ, কথামুখের মতো চ্যানেলগুলো দেখিয়ে দিয়েছে—একটা মোবাইল নিয়েও আন্তর্জাতিক মানের প্রবন্ধের মতো ভিডিও তৈরি করা যায়। বাংলার এই শক্তিটাকে আবার তুলে ধরা যায়।

সংবাদ পণ্যের প্যাকেট নয়। ‘ওরা ওই খেলা খেলছে, আমি এই খেলা খেলছি’—এটা ফাটানোর জায়গা নয়।

ধর্মনিরপেক্ষতার সবচেয়ে সবল যুদ্ধটা বাংলায় বিকল্প মিডিয়া শুরু করেছে।

এশিয়া পডকাস্ট অ্যাওয়ার্ড কথামুখের পাওয়া—হয়তো এই বিকল্পধারার একটা স্বীকৃতি।

কিন্তু দেখুন, কত টাকা কে খেয়েছে—সেটা নিয়ে আলোচনা আছে। এটা নিয়ে কেউ কথা বলে না।

না, কোনো রাগ থেকে কথা বলছি না। বরং বলছি, রিয়ালিটিটা ভয়ঙ্কর।

এখানে যারা বিক্রি হয়েছে, তাদের নিয়ে সেলিব্রেশন হয়। এভাবে তাদের সুপারহিরো বানানো হয়।

কিন্তু তার বিরুদ্ধে করা নরেশ জৈনের, মত সাংবাদিকদের করা প্রেজেন্টেশন, কৌশিক দাশগুপ্তের আলোচনা—এগুলোকে খুব সুকৌশলে গানের ওপারে রেখে দেওয়া হয়।

সুতরাং এর ফলে যা হওয়ার তাই হয়।

বিকল্প মিডিয়ার চ্যালেঞ্জ না থাকার ফলে গদি মিডিয়া ফাঁকা মাঠে গোল দেয়। ওদের হেজিমনি দারুণভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। আর যতটুকু বাকি থাকে, সেটা করে দেয় বাদবাকি মিডিয়াগুলো—শুধু ওদের খবর তুলে ধরে।

সুতরাং খুব ইন্টারেস্টিং একটা সময়ে আমরা দাঁড়িয়ে আছি।

ফলে লেখা শেষ করার আগে বলি—মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে তুলে ধরুন।

দীপক ব্যাপারীর মতো ইউটিউবারকে নিয়ে প্রচুর প্রশ্ন থাকতে পারে। তাঁর অনেক বক্তব্যের আমি তীব্র বিরোধী, বিশেষ করে সংবাদের নামে খিস্তি উৎসব তৈরি করা যায় না।

কিন্তু মতপ্রকাশের কারণে কাউকে গ্রেফতার করা—সেটা মানা যায় না।

তাহলে যেখানে হেট স্পিচ গালাগালির চেয়েও কি ভয়ঙ্কর নয়? যদি গালাগালির জন্য কেউ অ্যারেস্ট হয়, তাহলে সাম্প্রদায়িক ভাষণের জন্য দু’হাজার বার অ্যারেস্ট হওয়া উচিত?

সুতরাং এই প্রশ্নগুলো একমাত্র বিকল্প মিডিয়াই তোলে।

প্রশ্নগুলোর সঙ্গে থাকুন। নতুবা গান করুন।

ফাঁকা আওয়াজ করুন।
www.facebook.com/share/v/1F8AxyUX4A/

1 week ago | [YT] | 0