EdGenie is an EdTech platform,run by Tajwar Hasnat Thuha, specially for the admission candidate.We provide free classes and guidelines for intermediate level students too.Hence we have paid courses (medical admission test, academic)
ইতিহাসের কলঙ্কময় সেই কালরাত... যে রাতে নিভে গিয়েছিল হাজারো প্রাণের প্রদীপ, কিন্তু জ্বলে উঠেছিল একটি জাতির স্বাধীনতার তীব্র আকাঙ্ক্ষা। ২৫শে মার্চ, আমাদের জাতীয় জীবনের সবচেয়ে যন্ত্রণাদায়ক এবং ভয়াবহ এক স্মৃতি। অপারেশন সার্চলাইটের নামে সেদিন যে নারকীয় তাণ্ডব চালানো হয়েছিল, তার ক্ষত আজও আমাদের হৃদয়ে তাজা।
মাটি চেয়েছিল তারা, মানুষ নয়। কিন্তু সেই মাটির বুকেই বাংলার দামাল ছেলেরা রক্ত দিয়ে লিখেছে মুক্তির মহাকাব্য। বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই সেইসব বীর শহিদদের প্রতি, যাঁদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আজ আমরা স্বাধীন দেশের নাগরিক।
আজকে কিন্তু আইসিটি কিং 👑অর্পণ ভাইয়ার ক্লাস আছে 🤫 সংখ্যা পদ্ধতি ও ডিজিটাল ডিভাইস পার্ট-০১🙉 অসাধারণ ক্লাস নিয়েছেন ভাইয়া ❤️🔥 আজকে সন্ধ্যা ৭টায় আপলোড হবে ইনশাআল্লাহ।
শিশির ভাইয়ার শ্বশুর ICU তে admit আছেন । দোয়া করবে সবাই । তাই আজকের matrix ক্লাসটি Upload হবে না। পরবর্তীতে অন্য চ্যাপ্টারের ক্লাসের সাথে upload করা হবে
ডাক্তার! শব্দটা উচ্চারণের সাথে সাথেই আমার চোখের সামনে ভেসে ওঠে একঝাঁক সার্জন একজন রোগীর জীবন বাঁচাতে মরিয়া হয়ে অপারেশন চালিয়ে যাচ্ছেন। Life is full of ups and down. আমার এই ছোট জীবন-ও তার ব্যতিক্রম নয়... ছোটবেলায় সবাই যখন জিজ্ঞেস করতো যে তুমি বড় হয়ে কি হতে চাও, তখন একটা রেডিমেড উত্তর ছিল যে আমি ডাক্তার হতে চাই। ভেবে বলতাম না অবশ্যই। এই যে প্রথম ছবিটায়, যখন ছোট ছিলাম আম্মুর ব্যাগ-চশমা পড়ে নিজেকে ডাক্তার জাহির করে সবাইকে নাপা ঔষধ লিখে দিতাম। সাল ২০২০। তখন সবেমাত্র নবম শ্রেণিতে উঠি।আম্মুর হার্টের ভাল্ভ এর অসুখটা প্রকট হয়ে ওঠে। (due to rheumatic fever) এরপর-ই ডিসিশন নেয়া হয় আম্মুর অপারেশন করা হবে। BMU তে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারির ৫ তারিখে অপারেশন করা হয়,অপারেশন সফল হয়নি। আম্মু লাইফ সাপোর্টে ছিলেন ৯ তারিখ সকাল পর্যন্ত। আমার এখনো চোখে ভাসে ডাক্তার'রা আম্মুকে মৃত ঘোষণা করার আগে কিভাবে CPR দিচ্ছিলেন.... সে-ই থেকে দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ ছিলাম বড় হয়ে একজন হার্ট সার্জন হবো। স্কুলের গন্ডি পেরিয়ে কলেজে ভর্তি হই। গ্রামের স্কুলে ছিলাম বলে-ই বুঝতে পারলাম কলেজে অনেক ঝামেলা পোহাতে হবে। বই কেনার আগেই সবাই ভয় পাইয়ে দিল অর্গানিক কেমিস্ট্রি শেষ করা আর সাত সমুদ্র তের নদী পার করা একই কথা। তখন-ই মনের ভিতর একটা অজানা ভয় আর বিরক্তি কাজ করতো রসায়ন বিষয়টির উপর। স্কুলে থাকাকালীন প্রাইভেট পড়া হয়নি বললেই চলে। আপুরা পড়া দেখিয়ে দিতেন, আব্বু ম্যাথ দেখিয়ে দিতেন (আব্বু হাই-স্কুলের শিক্ষক)। কলেজে উঠে এই প্রাইভেট থেকে ঐ প্রাইভেট-এ ছোটাছুটি,রাত হলে ক্লান্ত হয়ে খুব তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়তাম। ঠিক সুবিধে হয়ে উঠছিল না। রসায়ন বিষয়টির আগা-মাথা কিছু বুঝতাম না। আমাদের শর্ট সিলেবাস থাকায় প্রাইভেটে "গুনগত রসায়ন" শেষে "মৌলের পর্যায়বৃত্ত ধর্ম অধ্যায়টা শুরু করে, আমি একটা ক্লাস somehow মিস করি। এরপরদিন স্যার সংকরায়ন টপিকটা শুরু করে, কিছুই বুঝি নাই। বাড়ির কাজ ছাড়াই পরের ক্লাসে যাই। এরপর স্যার এর খুব সুন্দর অপমান মাথায় নিয়ে আরো দুইদিন ক্লাস মিস দিই। এরপরদিন গিয়ে দেখি অর্গানিক কেমিস্ট্রি শুরু করেছে। কি কি পড়াচ্ছে দেখে আমার মাথায় বাজ পড়লো। একে তো আগে থেকেই এই বিষয়টার প্রতি ভালোবাসা নাই। তার উপর কিছুই বুঝতে পারছিলাম না। স্যার কে সরল মনে "বেনজিন রিং" টা দেখিয়ে বললাম স্যার এটার নাম কি, স্যার আবার-ও সবার সামনে খুব সুন্দর করে অপমান করে বললেন "ডালিয়া তোমার এইচএসসি এর পড়া এখানেই শেষ,তোমার আর ফেরার পথ নেই"। লজ্জায় কান্না করে দিয়েছিলাম। আর যাই নি ঐ স্যার এর প্রাইভেটে। এরপর-ই হতাশা গ্রাস করে আমাকে। খুব করুন ভাবে ফার্স্ট-ইয়ার থেকে সেকেন্ড ইয়ারে উঠি। বোধ আসলো এই পড়ালেখা দিয়ে জিপিএ-৫ পাবো না। এরপর-ই সিরিয়াস হয়ে যাই। আস্তে আস্তে ভালোভাবে সব শেষ করি। আলহামদুলিল্লাহ খুব ভালো প্রস্তুতি নিতে সক্ষম হই। যদিও জুলাই আন্দোলনের জন্যে পরে আর সব বিষয়ের পরীক্ষা হয়নি।(হ্যাঁ,জিপিএ-৫ পেয়েছিলাম।) আমার শর্ট সিলেবাস ভালোভাবে পড়া থাকলেও এর বাইরের অধ্যায়গুলো নিয়ে কোনো ধারনা-ই ছিলো না। তাই মেডিকেলের পড়ার ইচ্ছাকে দমিয়ে রেখে আমি বাস্তবতা মেনে নিয়ে ঠিক করি ঢাবির জন্যে প্রস্তুতি নিব। কিন্তু আব্বু বললো,"আমি চাই তুই ডাক্তার হ, তোর আম্মু তো এটাই চাইতেন"। এরপর আর কিছু না ভেবে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নেয়া শুরু করি। ভালোই আগাচ্ছিল সব, কিন্তু শেষের দিকে ফুল সিলেবাস এর চ্যাপ্টার গুলো পড়তে গিয়ে খেই হারিয়ে ফেলি। পরে আস্তে আস্তে প্রস্তুতি সম্পন্ন করি। এক্সাম এর কয়েকদিন আগে এতো ভয় পাচ্ছিলাম যে আমি আর পড়তেই পারছিলাম না। এই ভয়-ই আমার ফার্স্ট টাইমে চান্স পাওয়াতে কাল হয়ে দাঁড়ায়। ফলশ্রুতিতে খুব বাজেভাবে চান্স মিস হয়। আরো কিছু এক্সামে অংশগ্রহণ করেছিলাম-ও বটে। তবে ওয়েটিং লিস্টেই আটকে ছিলাম। পরে ডিসিশন নিই আবার মেডিকেল এক্সাম দিব। পুরো উন্মাদিনী হয়ে গিয়েছিলাম চান্স পাওয়ার জন্যে। মেন্টাল হেলথ এতো বাজে ছিল যে বলার মতো না। তখন-ই ত্বহা ভাইয়ার ভিডিও গুলো আমার জন্যে ডোপামিন হিসেবে কাজ করে। ভাইয়ার endgame course এ ভর্তি হই। ভাইয়ার প্রত্যেকদিনের zoom গাইডলাইন সেশন একজন সেকেন্ড টাইমারকে motivated রাখতে যথেষ্ট। এভাবেই অনেক চড়াই-উৎরাই পার করে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে ১৬০তম স্থান অধিকার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজে চান্স পাই। রেজাল্ট এর মুহুর্তটা আমার জীবনের সেরা একটা মুহূর্ত। আমার আব্বু-আপুরা এত্তো বেশি খুশি হয়েছিলেন! আমার আম্মু থাকলে এর চেয়ে আরো বেশি খুশি হতেন, ওটা কল্পনা করে আমি আরো অনেক বেশি খুশি। আমার জন্যে দুয়া করবেন সবাই।
আমি আগে কখনো এইভাবে লিখে পোস্ট করিনি, ভুল হলে কিছু মনে করবেন না। Edgenie এর সাথে আমার যাত্রা এডমিশনের শেষের দিকে হলেও তোহা ভাইয়ার গাইডলাইন ভিডিও অনেক আগে থেকেই দেখতাম। মূলত ভাইয়াকে দেখেই অনলাইনে অনেকগুলো প্লাটফর্মের সাথে যুক্ত হতে পারি। এডমিশনের আগে আমি অফলাইনে শুধু মেডিকোতে ছিলাম, পরে ভাইয়ার ভিডিও দেখে উন্মেষ এ ভর্তি হই। শেষের দিকে gk নিয়ে অনেক সমস্যা হচ্ছিল তখন ভাইয়ার কোর্স সম্পর্কে জানতে পারি। ওনার কুইক রিকেপ ক্লাসগুলো এককথায় অসাধারন ছিলো, অনেক কম সময়ে এক্সট্রা রাইটার সহ গুছানো ক্লাস আর পিডিএফ অনেক হেল্পফুল ছিল। আবার প্রতিদিন রেপিড ফায়ারের প্রশ্নগুলোর ও আনসার দিতাম। আর ভাইয়ার এক্সামের প্রশ্ন অনেক স্ট্যান্ডার্ড ছিলো, এক্সাম দিলে মনে হতো আমি কিছুই পারিনা। ভাইয়াকে যখন টেক্সট করতাম রিপ্লাই পেতাম, ফার্স্টে ভাবতাম ভাইয়া টপার হওয়াই তেমন গুরুত্ব পাবো না কিন্তু ভাইয়ার মন-মানসিকতা অনেক ভালো। মাঝেমধ্যে কল দিলে যখন পড়লেখার খবর নিত তখন এমনিতেই মোটিভেশন কাজ করত। মেডিক্রাউন এক্সামের পুরস্কার নেইনি ভাবছিলাম চান্স হবে না । রেজাল্টের পর এই পুরস্কার নেওয়ার জন্যই প্রোগ্রামে আসি। Edgenie grand celebration এর বিষয়ে বলতে গেলে গান-বাজনা খুব একটা হয়নি, আবার টিচারদের ভাষনেও বিরক্ত লাগেনি। উপস্থাপনাও অনেক ভালো হয়েছে। অন্যান্য কোচিংয়ের তুলনায় এটা বেস্ট ছিলো।
সবশেষে তোহা ভাইয়াকে অনেক ধন্যবাদ এডমিশন জার্নিতে পাশে থাকার জন্য। দোয়া করবেন যাতে ভালো ডাক্তার হতে পারি।
গতকাল গ্রান্ড সেলিব্রেশন প্রোগ্রামে ত্বোহা ভাইয়ার এই ছবিটা। একটা সেটিসফেকশন এর বহিঃপ্রকাশ। গত কয়েকদিন ত্বোহা ভাইয়া অমানুষিক খাটনি - গ্রান্ড সেলিব্রেশনকে সফল করার জন্য। সেটা ছিলো অসাধারণ। জ্বর নিয়েও শেষ অবধি কাজ করে গেছে।
অবশেষে গ্রান্ড সেলিব্রেশন সুন্দর ভাবে সমাপ্ত এবার ২০২৬ এইচএসসি ব্যাচ এর পালা ❤️
EdGenie
ডা. শামীম শাহরিয়ার , 44th BCS পররাষ্ট্র ক্যাডারে ১ম , MBBS (DMC) 💥🔥
এবারের EdGenie এর মেডিকেল কোর্সসমূহের (২৬/২৫/২৭) GK ক্লাস নিয়ে থাকছেন ডা. শামীম শাহরিয়ার ভাইয়া ( BCS পররাষ্ট্র ক্যাডার ১ম , প্রশাসন ক্যাডার ১৫তম , MBBS (DMC K-73)) । দীর্ঘ ৮ বছরের বেশি সময় ধরে ২টি অফলাইন মেডিকেল কোচিংয়ে এডমিশন জগতে যুক্ত ছিলেন ।
এবারের EdGenie মেডিকেলের সকল কোর্সে ভাইয়া থাকছেন তোমাদের GK instructor হিসেবে ।
10 hours ago | [YT] | 45
View 9 replies
EdGenie
ইতিহাসের কলঙ্কময় সেই কালরাত...
যে রাতে নিভে গিয়েছিল হাজারো প্রাণের প্রদীপ, কিন্তু জ্বলে উঠেছিল একটি জাতির স্বাধীনতার তীব্র আকাঙ্ক্ষা। ২৫শে মার্চ, আমাদের জাতীয় জীবনের সবচেয়ে যন্ত্রণাদায়ক এবং ভয়াবহ এক স্মৃতি। অপারেশন সার্চলাইটের নামে সেদিন যে নারকীয় তাণ্ডব চালানো হয়েছিল, তার ক্ষত আজও আমাদের হৃদয়ে তাজা।
মাটি চেয়েছিল তারা, মানুষ নয়। কিন্তু সেই মাটির বুকেই বাংলার দামাল ছেলেরা রক্ত দিয়ে লিখেছে মুক্তির মহাকাব্য। বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই সেইসব বীর শহিদদের প্রতি, যাঁদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আজ আমরা স্বাধীন দেশের নাগরিক।
6 days ago | [YT] | 74
View 0 replies
EdGenie
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের নতুন
স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ!
ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল!
সংসদের প্রথম অধিবেশনের সভাপতি খন্দকার মোশাররফ হোসেন !
সংসদীয় দলনেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান
উপনেতা আব্দুল্লাহ তাহের
চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম
2 weeks ago | [YT] | 53
View 4 replies
EdGenie
আজকে কিন্তু আইসিটি কিং 👑অর্পণ ভাইয়ার ক্লাস আছে 🤫
সংখ্যা পদ্ধতি ও ডিজিটাল ডিভাইস পার্ট-০১🙉
অসাধারণ ক্লাস নিয়েছেন ভাইয়া ❤️🔥
আজকে সন্ধ্যা ৭টায় আপলোড হবে ইনশাআল্লাহ।
1 month ago | [YT] | 49
View 1 reply
EdGenie
Last Hope 1.0 Update!
শিশির ভাইয়ার শ্বশুর ICU তে admit আছেন । দোয়া করবে সবাই । তাই আজকের matrix ক্লাসটি Upload হবে না। পরবর্তীতে অন্য চ্যাপ্টারের ক্লাসের সাথে upload করা হবে
1 month ago | [YT] | 32
View 0 replies
EdGenie
🚀 *HSC 2026 – সময় এখনই!*
অবশেষে অপেক্ষার পালা শেষ করে তোমাদের জন্য শুরু হতে যাচ্ছে একদম *FREE Full Revision Program – LAST HOPE 1.0*🎯
📚 বাংলা ইংরেজি ICT সহ ম্যাথ, পদার্থ, রসায়ন, জীববিজ্ঞান
🎓 অভিজ্ঞ মেন্টর
📝 একদম এক্সাম-ফোকাসড রিভিশন
💯 সম্পূর্ণ ফ্রি ক্লাস
যারা সিরিয়াসলি প্রস্তুতি নিতে চাও,একটা Comeback দিতে চাও, তাদের জন্য এটাই হতে পারে তোমার **লাস্ট টার্নিং পয়েন্ট** 🔥
⏰ Launching Live সন্ধ্যা ৭ টায়!
Don’t miss the live!
আজ থেকেই শুরু নতুন জার্নি ✨
#HSC2026
#edgenie
#FreeRevision
1 month ago | [YT] | 47
View 14 replies
EdGenie
স্টুডেন্ট কথন - ০২ ❤️
ডাক্তার! শব্দটা উচ্চারণের সাথে সাথেই আমার চোখের সামনে ভেসে ওঠে একঝাঁক সার্জন একজন রোগীর জীবন বাঁচাতে মরিয়া হয়ে অপারেশন চালিয়ে যাচ্ছেন।
Life is full of ups and down. আমার এই ছোট জীবন-ও তার ব্যতিক্রম নয়...
ছোটবেলায় সবাই যখন জিজ্ঞেস করতো যে তুমি বড় হয়ে কি হতে চাও, তখন একটা রেডিমেড উত্তর ছিল যে আমি ডাক্তার হতে চাই। ভেবে বলতাম না অবশ্যই। এই যে প্রথম ছবিটায়, যখন ছোট ছিলাম আম্মুর ব্যাগ-চশমা পড়ে নিজেকে ডাক্তার জাহির করে সবাইকে নাপা ঔষধ লিখে দিতাম।
সাল ২০২০। তখন সবেমাত্র নবম শ্রেণিতে উঠি।আম্মুর হার্টের ভাল্ভ এর অসুখটা প্রকট হয়ে ওঠে। (due to rheumatic fever) এরপর-ই ডিসিশন নেয়া হয় আম্মুর অপারেশন করা হবে। BMU তে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারির ৫ তারিখে অপারেশন করা হয়,অপারেশন সফল হয়নি। আম্মু লাইফ সাপোর্টে ছিলেন ৯ তারিখ সকাল পর্যন্ত। আমার এখনো চোখে ভাসে ডাক্তার'রা আম্মুকে মৃত ঘোষণা করার আগে কিভাবে CPR দিচ্ছিলেন....
সে-ই থেকে দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ ছিলাম বড় হয়ে একজন হার্ট সার্জন হবো।
স্কুলের গন্ডি পেরিয়ে কলেজে ভর্তি হই। গ্রামের স্কুলে ছিলাম বলে-ই বুঝতে পারলাম কলেজে অনেক ঝামেলা পোহাতে হবে। বই কেনার আগেই সবাই ভয় পাইয়ে দিল অর্গানিক কেমিস্ট্রি শেষ করা আর সাত সমুদ্র তের নদী পার করা একই কথা। তখন-ই মনের ভিতর একটা অজানা ভয় আর বিরক্তি কাজ করতো রসায়ন বিষয়টির উপর। স্কুলে থাকাকালীন প্রাইভেট পড়া হয়নি বললেই চলে। আপুরা পড়া দেখিয়ে দিতেন, আব্বু ম্যাথ দেখিয়ে দিতেন (আব্বু হাই-স্কুলের শিক্ষক)। কলেজে উঠে এই প্রাইভেট থেকে ঐ প্রাইভেট-এ ছোটাছুটি,রাত হলে ক্লান্ত হয়ে খুব তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়তাম। ঠিক সুবিধে হয়ে উঠছিল না। রসায়ন বিষয়টির আগা-মাথা কিছু বুঝতাম না। আমাদের শর্ট সিলেবাস থাকায় প্রাইভেটে "গুনগত রসায়ন" শেষে "মৌলের পর্যায়বৃত্ত ধর্ম অধ্যায়টা শুরু করে, আমি একটা ক্লাস somehow মিস করি। এরপরদিন স্যার সংকরায়ন টপিকটা শুরু করে, কিছুই বুঝি নাই। বাড়ির কাজ ছাড়াই পরের ক্লাসে যাই। এরপর স্যার এর খুব সুন্দর অপমান মাথায় নিয়ে আরো দুইদিন ক্লাস মিস দিই। এরপরদিন গিয়ে দেখি অর্গানিক কেমিস্ট্রি শুরু করেছে। কি কি পড়াচ্ছে দেখে আমার মাথায় বাজ পড়লো। একে তো আগে থেকেই এই বিষয়টার প্রতি ভালোবাসা নাই। তার উপর কিছুই বুঝতে পারছিলাম না। স্যার কে সরল মনে "বেনজিন রিং" টা দেখিয়ে বললাম স্যার এটার নাম কি, স্যার আবার-ও সবার সামনে খুব সুন্দর করে অপমান করে বললেন "ডালিয়া তোমার এইচএসসি এর পড়া এখানেই শেষ,তোমার আর ফেরার পথ নেই"। লজ্জায় কান্না করে দিয়েছিলাম। আর যাই নি ঐ স্যার এর প্রাইভেটে। এরপর-ই হতাশা গ্রাস করে আমাকে। খুব করুন ভাবে ফার্স্ট-ইয়ার থেকে সেকেন্ড ইয়ারে উঠি। বোধ আসলো এই পড়ালেখা দিয়ে জিপিএ-৫ পাবো না। এরপর-ই সিরিয়াস হয়ে যাই। আস্তে আস্তে ভালোভাবে সব শেষ করি। আলহামদুলিল্লাহ খুব ভালো প্রস্তুতি নিতে সক্ষম হই। যদিও জুলাই আন্দোলনের জন্যে পরে আর সব বিষয়ের পরীক্ষা হয়নি।(হ্যাঁ,জিপিএ-৫ পেয়েছিলাম।)
আমার শর্ট সিলেবাস ভালোভাবে পড়া থাকলেও এর বাইরের অধ্যায়গুলো নিয়ে কোনো ধারনা-ই ছিলো না। তাই মেডিকেলের পড়ার ইচ্ছাকে দমিয়ে রেখে আমি বাস্তবতা মেনে নিয়ে ঠিক করি ঢাবির জন্যে প্রস্তুতি নিব। কিন্তু আব্বু বললো,"আমি চাই তুই ডাক্তার হ, তোর আম্মু তো এটাই চাইতেন"। এরপর আর কিছু না ভেবে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নেয়া শুরু করি। ভালোই আগাচ্ছিল সব, কিন্তু শেষের দিকে ফুল সিলেবাস এর চ্যাপ্টার গুলো পড়তে গিয়ে খেই হারিয়ে ফেলি। পরে আস্তে আস্তে প্রস্তুতি সম্পন্ন করি। এক্সাম এর কয়েকদিন আগে এতো ভয় পাচ্ছিলাম যে আমি আর পড়তেই পারছিলাম না। এই ভয়-ই আমার ফার্স্ট টাইমে চান্স পাওয়াতে কাল হয়ে দাঁড়ায়। ফলশ্রুতিতে খুব বাজেভাবে চান্স মিস হয়। আরো কিছু এক্সামে অংশগ্রহণ করেছিলাম-ও বটে। তবে ওয়েটিং লিস্টেই আটকে ছিলাম। পরে ডিসিশন নিই আবার মেডিকেল এক্সাম দিব। পুরো উন্মাদিনী হয়ে গিয়েছিলাম চান্স পাওয়ার জন্যে। মেন্টাল হেলথ এতো বাজে ছিল যে বলার মতো না। তখন-ই ত্বহা ভাইয়ার ভিডিও গুলো আমার জন্যে ডোপামিন হিসেবে কাজ করে। ভাইয়ার endgame course এ ভর্তি হই। ভাইয়ার প্রত্যেকদিনের zoom গাইডলাইন সেশন একজন সেকেন্ড টাইমারকে motivated রাখতে যথেষ্ট। এভাবেই অনেক চড়াই-উৎরাই পার করে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে ১৬০তম স্থান অধিকার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজে চান্স পাই।
রেজাল্ট এর মুহুর্তটা আমার জীবনের সেরা একটা মুহূর্ত। আমার আব্বু-আপুরা এত্তো বেশি খুশি হয়েছিলেন! আমার আম্মু থাকলে এর চেয়ে আরো বেশি খুশি হতেন, ওটা কল্পনা করে আমি আরো অনেক বেশি খুশি। আমার জন্যে দুয়া করবেন সবাই।
#edgenie_future_doctors
জান্নাতুল আদন
ঢাকা মেডিকেল কলেজ
1 month ago | [YT] | 88
View 6 replies
EdGenie
স্টুডেন্ট কথন - ০১ ❤️
আসসালামু আলাইকুম
আমি আগে কখনো এইভাবে লিখে পোস্ট করিনি, ভুল হলে কিছু মনে করবেন না।
Edgenie এর সাথে আমার যাত্রা এডমিশনের শেষের দিকে হলেও তোহা ভাইয়ার গাইডলাইন ভিডিও অনেক আগে থেকেই দেখতাম। মূলত ভাইয়াকে দেখেই অনলাইনে অনেকগুলো প্লাটফর্মের সাথে যুক্ত হতে পারি। এডমিশনের আগে আমি অফলাইনে শুধু মেডিকোতে ছিলাম, পরে ভাইয়ার ভিডিও দেখে উন্মেষ এ ভর্তি হই। শেষের দিকে gk নিয়ে অনেক সমস্যা হচ্ছিল তখন ভাইয়ার কোর্স সম্পর্কে জানতে পারি। ওনার কুইক রিকেপ ক্লাসগুলো এককথায় অসাধারন ছিলো, অনেক কম সময়ে এক্সট্রা রাইটার সহ গুছানো ক্লাস আর পিডিএফ অনেক হেল্পফুল ছিল। আবার প্রতিদিন রেপিড ফায়ারের প্রশ্নগুলোর ও আনসার দিতাম। আর ভাইয়ার এক্সামের প্রশ্ন অনেক স্ট্যান্ডার্ড ছিলো, এক্সাম দিলে মনে হতো আমি কিছুই পারিনা।
ভাইয়াকে যখন টেক্সট করতাম রিপ্লাই পেতাম, ফার্স্টে ভাবতাম ভাইয়া টপার হওয়াই তেমন গুরুত্ব পাবো না কিন্তু ভাইয়ার মন-মানসিকতা অনেক ভালো। মাঝেমধ্যে কল দিলে যখন পড়লেখার খবর নিত তখন এমনিতেই মোটিভেশন কাজ করত। মেডিক্রাউন এক্সামের পুরস্কার নেইনি ভাবছিলাম চান্স হবে না । রেজাল্টের পর এই পুরস্কার নেওয়ার জন্যই প্রোগ্রামে আসি।
Edgenie grand celebration এর বিষয়ে বলতে গেলে গান-বাজনা খুব একটা হয়নি, আবার টিচারদের ভাষনেও বিরক্ত লাগেনি। উপস্থাপনাও অনেক ভালো হয়েছে। অন্যান্য কোচিংয়ের তুলনায় এটা বেস্ট ছিলো।
সবশেষে তোহা ভাইয়াকে অনেক ধন্যবাদ এডমিশন জার্নিতে পাশে থাকার জন্য। দোয়া করবেন যাতে ভালো ডাক্তার হতে পারি।
Sweety begum
SSMC-54
Position -456
1 month ago | [YT] | 66
View 2 replies
EdGenie
মেডিকেল ফুল কোর্স ২০২৬ ❤️
আল্লাহর রহমতে ২৫ ব্যাচের অসাধারণ রেজাল্ট এর পর এবার এইচএসসি ২৬ ব্যাচকে নিয়ে স্বপ্ন সত্যির পথে পাড়ি জমাই চলো।
কোর্স লিংক কমেন্টে।
এডমিন
1 month ago | [YT] | 40
View 11 replies
EdGenie
গতকাল গ্রান্ড সেলিব্রেশন প্রোগ্রামে ত্বোহা ভাইয়ার এই ছবিটা। একটা সেটিসফেকশন এর বহিঃপ্রকাশ। গত কয়েকদিন ত্বোহা ভাইয়া অমানুষিক খাটনি - গ্রান্ড সেলিব্রেশনকে সফল করার জন্য। সেটা ছিলো অসাধারণ। জ্বর নিয়েও শেষ অবধি কাজ করে গেছে।
অবশেষে গ্রান্ড সেলিব্রেশন সুন্দর ভাবে সমাপ্ত এবার ২০২৬ এইচএসসি ব্যাচ এর পালা ❤️
পড়াশোনার জন্য তৈরি তো !
ছবি- এডমিন
1 month ago | [YT] | 190
View 0 replies
Load more