Stoic Mindset For Women

Stoic Mindset For Women - এখানে Stoicism এর প্রাচীন জ্ঞান মিশে যাচ্ছে আজকের বাস্তব জীবনের সঙ্গে। এই চ্যানেলে তুমি পাবে stoic philosophy, Marcus Aurelius, Seneca, Epictetus এর মত দার্শনিকদের ভাবনার সহজ এবং বাস্তব জীবনের উপযোগী ব্যাখ্যা। মানসিক শান্তি, discipline, self-control আর কনফিডেন্স গড়ার পথে তুমি যদি সিরিয়াস হও, তাহলে এই চ্যানেল তোমার জন্য। বাংলায় Stoicism শেখো, বুঝো, এবং জীবনে কাজে লাগাও – stoic mindset দিয়ে tough সময়েও কিভাবে শান্ত থাকা যায়, তা নিয়েই আমাদের journey।

📌এখানে প্রাচীন Stoic দার্শনিকদের মূল্যবান জ্ঞান সহজ বাংলায় তুলে ধরা হয়। মার্কাস অরেলিয়াস, সেনেকা ও এপিকটেটাস-এর শিক্ষা থেকে শিখুন মানসিক স্থিরতা, আত্ম-নিয়ন্ত্রণ ও অভ্যন্তরীণ শক্তি গড়ে তোলার পথ। Stoic নীতিগুলোকে আপনার আধুনিক জীবনে প্রয়োগ করে বদলান নিজের দৃষ্টিভঙ্গি ও জীবনধারা।

📹 প্রতিটি ভিডিওয় থাকছে মনকে ছুঁয়ে যাওয়া কথা, বাস্তব উদাহরণ, প্রাচীন দার্শনিক মতবাদ এবং মনোবিজ্ঞানের গভীর তথ্য।


Stoic Mindset For Women

১০,০০০ সাবস্ক্রাইবার — Stoic Mindset for Women 🖤

এটা শুধু একটা সংখ্যা নয়, এটা ১০,০০০ শক্তিশালী নারীর একটি যাত্রা, যারা আবেগ নয়, শক্তি দিয়ে নিজেকে গড়ছে।

আপনাদের প্রতিটি সাবস্ক্রাইব, প্রতিটি সমর্থন এই চ্যানেলকে আরও শক্তিশালী করেছে।

এই পথ এখানেই শেষ নয়, এটা শুধু শুরু।

Stay Strong. Stay Calm. Stay Stoic.

1 month ago | [YT] | 16

Stoic Mindset For Women

এই যে তুমি মন চাইলে ছেড়ে যাও, অবহেলা করো, সময় দাও না—সঙ্গ দাও না, আমার বুঝি কষ্ট হয় না? আমি তো কেবল তোমার সঙ্গই চেয়েছি। আমার যে কোনোকিছুই ভালো লাগে না!

এই যে তুমি অকারণে দূরত্ব বাড়াও, দু'চোখ থেকে সরতে সরতে মন থেকেও সরে যাও, এভাবে ভালোবাসা হয়? নিয়ম করে কথা বলো না, দেখা দাও না, মন চাইলে ফিরে আসো, মন চাইলেই ছেড়ে যাও; এভাবে ভালোবাসা হয়?

যে ভালোবাসায় আকুলতা নেই, হারানোর ভয় নেই, কথা বলার আকাঙ্খা নেই, সেই ভালোবাসা মানুষকে শুধু দুঃখই দেয়!

জানি তুমিও ভালোবাসো।
তবে এ ভালোবাসা কেবল করুনার মতো। তুমি সহানুভূতি দেখাও, সমানুভূতি নয়। আমার যে কষ্ট হয়, দিব্যি টের পাও। অথচ সব বুঝেও না বোঝার ভান করে সব এড়িয়ে যাও।

এই যে তুমি অবহেলা করো, বিরক্তি নিয়ে কথা বলো, আমি কি কিচ্ছু বুঝি না? আমি অবুঝ নই। ভালোবাসা না পেলেও দুঃখ নেই। তবে যে ভালোবাসা মানুষকে একা করে দেয়, ভালো থাকতে দেয় না, যে ভালোবেসে পাওয়ার পরেও মানুষ জীবনের সমস্ত সুখ—আনন্দ হারিয়ে ফেলে, সেই ভালোবাসা কি কেউ চায়?

এই যে তুমি আকুলতা বোঝো না, কেন এমন দিশেহারা হয়ে থাকি, বোঝো না, বুঝতে চাও না; এমন উদাসীনতায় ভালোবাসা শুধু নষ্টই হয়! তুমি তো অনুভূতি বোঝো না, ভালোবাসা বুঝবে কি করে? অনুভূতি বুঝলে কি আর, অবহেলা করতে? হয়তো করতে। মানুষ অবহেলা পাওয়ার জন্যই মানুষকে ভালোবাসে। অবহেলা না পেলে ভালোবাসা গভীর হয় না। কষ্ট না পেলে মানুষ ভালোবাসার কদর করে না!

1 month ago | [YT] | 40

Stoic Mindset For Women

আমারে কেউ কইতে পারবেন, একখান মানুষ রে ভুলবার লাইগা আর কি করবার পারি। ঘর ছাড়লাম, পর ছাড়লাম, গেরাম ছাইড়া শহরে আইলাম। পাহাড়ে পাহাড়ে ঘুরলাম, মদ গাঞ্জা খাইলাম, রাতবেরাত চিৎকার চেঁচামেচি করলাম, ভবঘুরে হইয়া রাস্তায় রাস্তায় দিন কাটাইলাম। কই তারে তো ভুলবার পারতাছি না।

আমারে কেউ কইতে পারবেন, আপনারা যারা প্রিয় মানুষ রে হারাইয়া ভুইলা যাইতে পারছেন, আপনারা কোন পথে হাঁটছিলেন। আমিও সেই পথে হাঁটবার চাই, ভুলবার চাই তারে, যে আমারে ভেতর থাইকা আউলাইয়া দিতাছে। বিশ্বাস করেন আমি আর পারতাছি না, আল্লার দোহাই লাগে আমারে কেউ কন, আর কি করলে একখান মানুষ রে ভুইলা যাওন যায়।

আইচ্ছা আপনারা কেউ কইতে পারবেন, মানুষ এমন হয় কেন। কেন হারাইয়া যাইবো যাইনাও কাছে আহে। কেন ভালোবাসি ভালোবাসি কইয়া মুখে ফেনা তোলে। একটু একটু কইরা বুকের ভিতরে জায়গা দখল করে, আদর যত্ন কইরা পিরিতের মায়ায় বান্ধে। যেই বিপরীত পাশের মানুষটা, ভেতরে বাহিরে, শয়নেস্বপনে দেখতে পায়, তখনি হাওয়া হইয়া যায়। কই হাওয়া হইয়া যায়, বইলা পর্যন্ত যায় না।

তারা কেন বুঝবার পারে না, যেই মানুষটারে পিরিত শিখাইয়া ছাইড়া আইলাম, সেই মানুষটা শক্ত মানুষ নাও হইবার পারে। হারানোর স্যাঁতস্যাঁতে যন্ত্রণা নাও সইবার পারে। তারা কেন বুঝে না এই জগতের সব মানুষ, দুঃখ কাটাইয়া উঠবার পারে না। কেউ কেউ আইলাইয়া যায়, বিশ্রীভাবে আউলাইয়া যায়। মাইয়া মাইনসের মত ঘরের দরজা বন্ধ কইরা কান্দে, জন্মের কান্দা কান্দে। কেউ কেউ আর ফিরতে পারে না সুন্দর একখান জীবনে।

আইচ্ছা আপনারা কেউ আমারে কইতে পারবেন, কেমনে মানুষ চিনোন যায়। এমন মায়াভরা ডাগর দুইডা চক্ষুর দিকে তাকাইয়া বুঝবার উপায় নাই, এই চক্ষু দুইডা মিথ্যা হইবার পারে। শালিক পাখির লাহান এমন দরদ লইয়া কথা কয়, কে জানবো এই দরদে সব মিথ্যার চক্রান্ত। আইচ্ছা আপনারা কেউ কি আমারে এমন কোন স্পেশাল লেন্সের খবর দিবার পারবেন, যা চোক্ষে লাগাইলে মানুষ চিনোন যাইবো।

দুনিয়ার ব্যবাক পথ হাঁইটা বেড়ানো শেষ, ব্যবাক চেষ্টা বৃথা, একখান মানুষ ভুইলা যাওনের কোন রাস্তা পাইলাম না। আকাশের কাছে আকুতি মিনতি কইরা কত কইলাম, যারে পামু না, তাইলে তার লাইগা জন্মানো আমার ভিতরের হগল মায়া কমায় দেন। মসজিদে মান্নাত করলাম, মাজারে শিন্নী বিলাইলাম। কত কবিরাজ ফকিরের বাড়ি বাড়ি ঘুরলাম, কাম হইতাছে না। হইবো, হইবো যহন মৃত্যুর লগে আত্মীয়তা গইড়া ফুড়ুৎ হইয়া যামু, তহন ঠিকি ভুইলা যাওন হইবো।

1 month ago | [YT] | 24

Stoic Mindset For Women

চারপাশের মানুষদের থেকে কষ্ট, যন্ত্রণা, আঘাত, অবহেলা পেতে পেতে আর মানুষের সান্নিধ্যে যেতে ইচ্ছে করবে না! সবসময় একা থাকতে ইচ্ছে করবে, মানুষ থেকে দূরে থাকতে ইচ্ছে করবে।

কারো কাছ থেকে প্রচন্ড আঘাত কিংবা কাউকে বিশ্বাস করে বিশ্বাসঘাতকতার শিকার হয়ে বেঁচে থাকার ইচ্ছেটাই হারিয়ে ফেলতে হয়! এটা ভীষণ যন্ত্রণার! কিন্তু এত সহজে ভেঙ্গে পড়লে যে আসল খেলাটা দেখাই বাকি থেকে যাবে।

মানুষের কাছ থেকে কষ্ট পেয়ে একা থাকা ভালো, তবে সাবধান! আর কোনো ভুল সিদ্ধান্ত নেয়া যাবে না। যে করেই হোক এই জীবন যুদ্ধে টিকে থাকতে হবে।

কখনো কখনো সব দেখেও না দেখার ভান করতে হয়, সব জেনেও না জানার অভিনয় করতে হয়, আবার সবকিছু বুঝেও, কিছুই না বোঝার ভান করতে হয়। আপনি সহজে ভেঙ্গে পড়লে যারা আপনাকে বোকা ভেবে আঘাত করেছে, তারাই তো দিনশেষে সফল।

যারা আপনাকে বোকা ভেবে আঘাত করে, তাদের বোকা প্রমাণ করতে আপনাকে ধৈর্য ধরে নিজের খারাপ সময়গুলো অতিক্রম করতে হবে।

জানেন তো?
মানুষের অভিশাপ কখনোই বিফলে যায় না। মীরজাফর বিশ্বাসঘাতকতার শাস্তি হিসাবে, তার মৃত্যুর পরেও মানুষ তাকে ঘৃণা ভরে স্মরণ করে এমনকি তার বংশধরকেও মানুষ ঘৃণা করে! ইতিহাস সাক্ষীঃ পৃথিবীতে যারাই কারো বিশ্বাস নিয়ে খেলে কিংবা অকারণে কষ্ট দেয়, তারাই সারাজীবন মানুষের ঘৃণার পাত্র হয়ে থাকে!

বিশ্বাস করুনঃ
পৃথিবীর সব ভণ্ড এবং প্রতারকের শাস্তি সৃষ্টিকর্তা পৃথিবীতেই দেন। আজ হোক কিংবা কাল মানুষ তার কৃতকর্মের ফল ভোগ করবেই। আর সেই দিনটি দেখার জন্য হলেও আপনাকে বেঁচে থাকতে হবে। দেখতে হবে, জীবনে আঘাত আর যন্ত্রণার ঠিক শেষটা কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়।

1 month ago | [YT] | 63

Stoic Mindset For Women

দেখুন,
যে মানুষটা আপনাকে ভালোই বাসে না, সে কখনোই আপনার প্রতি যত্নবান হবে না। আপনার প্রতি যত্নশীল আচরণ তার মধ্যে বিস্তার লাভ করবে না। যতই চেষ্টা করুন না কেন, সে কিছুতেই আপনার কিংবা সম্পর্কের যত্ন নিবে না, আর এটাই স্বাভাবিক।

জীবন চলার পথে অনেক মানুষের সাথে পরিচয় হয়। কারণে- অকারণে সেই পরিচিত অনেক মানুষের মধ্যে ঠিক একটা মানুষের প্রতিই আপনার অনুভূতি আর আবেক কাজ করে। সব মানুষের প্রতিই কিন্তু অনুভূতি কাজ করে না। আপনি কাউকে ভালোবাসেন মানে এই নয়, সেও আপনাকে ঠিক একই ভাবে ভালোবাসবে।

হতে পারে সে ভালো না বেসেও ভালোবাসার ভান করছে মাত্র। হয়তো আপনি সেটা অনুধাবন করতে পারলেও মেনে নিতে পারছেন না।

মানুষ যাকে সত্যিকার অর্থে ভালোবাসে, সে তার ভালোবাসার মানুষটার প্রতি যত্নবান হবেই। আর সেই ভালোবাসার মানুষটার চাওয়া- পাওয়া, পছন্দ কিংবা অপছন্দের গুরুত্ব দিবেই।

নিজেকে প্রশ্ন করুন, আপনি যাকে ভালোবাসেন, তার থেকে শত অবহেলা পাওয়ার পরেও কি তাকে বিনিময়ে অবহেলা করতে পারেন? নিশ্চয়ই না।

সম্পর্কে অনিহা আর অনাগ্রহ ঠিক তখনই বেড়ে যায়, যখন সম্পর্ক মনের মতো হয় না। অবসরে সময় কাটাতে কিংবা মোহের বশে সম্পর্কে জড়িয়ে গেলে, সেখানে তিক্ততা আসবেই।

জানেন তো?
মানুষ খুবই আশ্চর্যজনক ভাবে সেই মানুষটার কাছেই ভালোবাসা এবং গুরুত্ব আশা করে, যে প্রচন্ড অবহেলা আর যন্ত্রণা দেয়! আমাদের ভালোবাসে এমন হাজার মানুষের ভীড়ে সেই একটা মানুষ যে কিনা আমাদের বোঝে না—বোঝার চেষ্টা টুকুও করে না; ঠিক তার কাছেই মূলত আমরা অসহায় মানুষগুলো নিজের ভালো থাকার নিয়ন্ত্রণ সমর্পণ করে দেই! আর তারপর? সে ভালো থাকলেও আমাদের আর ভালো থাকা হয়ে ওঠে না আসলে!

1 month ago | [YT] | 78

Stoic Mindset For Women

প্রিয়তমা,
ইন্দিরােশ্রী..

পত্রের প্রথমে একরাশ রজনীগন্ধা আর তোমার পছন্দের একগুচ্ছ গোলাপের শুভেচ্ছা নিও....

আশা করি ভালো আছো। সবসময় ভালো থাকো এটাই কামনা করি। আমিও ভালো আছি। তবে ইদানীং কেন যেন একটা ভ্রম মায়ার মোহনজালে আবদ্ধ হচ্ছি।

সে আবদ্ধ হবোই বা না কেন, বলো?
তোমার অবয়ব ভয়ঙ্করদর্শনে হৃদয় যে উতলা হয়ে যায়। তোমার সরল চাহুনি, আকুলতায় ভরা নির্লিপ্ত কণ্ঠস্বর, তোমার নিষ্পাপ হাসির মায়ায় নিজেকে জড়িয়ে কি আদৌ ঠিক থাকা যায়?

তুমি পারো, আমি তো পারি না।
সেই তোমায় প্রথম দেখা, চোখ যুগল দেখার সৌভাগ্য হয়েছিল কোনোরকমে। সেই চোখ দেখেই ডুবে গিয়েছিলাম অতল গহ্বরে! তারপর... তারপর তোমার মায়া ভরা মুখখানি দেখার সৌভাগ্য হয়েছিল।
অবশেষে আমি পড়লুম, পড়লুম তোমার প্রেমে!

এমন সাদামাটা মুখখানি আমার নজর কেড়ে নেয়।
তোমার ছেলেমানুষী, আহ্লাদী স্বভাব আমায় আরও আকৃষ্ট করে তোলে তোমার প্রতি। এলো চুল কিংবা অবাধ্য চুলগুলোকে বেঁধে রেখে শাস্তি দেয়া; সে যেমনই হোক, তোমায় কিন্তু দারুণ লাগে।

আমি যে ঘুমাতে পারছি না! তোমার কাজল চোখের মায়ায় ডুবে ডুবে জল খাচ্ছি। সাঁতার জানি না। কি করবো বলো?

কতশত কাব্য রচনা করেছি জীবনে। তবে কারও প্রেমে পড়লে যে ভাষা হারিয়ে যায়, তা বোধহয় তোমার প্রেমে না পড়লে জানতামই না।

রাতদিন তোমাকে ভেবে কিভাবে কেটে যায় আজকাল, টেরই পাই না। তোমার ভাবনায়, তোমার কামনায় আজকাল বড্ড উদাসীন হয়ে গেছি।

অফিসের কাজ, বন্ধুদের সাথে খুনসুটি আড্ডা, কড়া লিকারে এক কাপ চায়ের সাথে সিগারেট, খুব একটা ভালো লাগে না আজকাল! মনই বসাতে পারি না। যে মন তোমায় ভাবে, সে মন অন্যকিছুতে বসবে কিভাবে বলো?

কিভাবে লিখবো আজ? কিভাবেই বা বলে বোঝাবো? তোমার তীক্ষ্ণ চাহুনি আর অভিমানী মুখখানা দেখে যে আমি তোমার প্রেমে পড়েছি। শুধু প্রেমেই পড়িনি, আমি বোধহয় তোমাকে ভালোবাসতে শুরু করেছি।

আমি জানি,
পত্রটা পড়ার পরেরদিন থেকেই আমায় দেখে তুমি হাসবো। সে না হয় হেঁসো, ক্ষতি নেই। কিন্তু যে মন তুমি চু*রি করেছো, সেই মন কি আর কখনোই ফেরত পাবো না? ফেরত না পেলাম, অন্তত আমাকে ফিরিয়ে দিবো না তো?

কথা দিচ্ছি,
এই ঊনবিংশ শতাব্দীতে এসে ভালো প্রেমিক হবো তোমার, তুমি চাইলে ভালো স্বামীও হতে পারি। আর ঐ যে, তুমি মাছ খেতে অপছন্দ করো। আরে অপছন্দ নয় ঠিক, শুধু পুটিমাছটা খাও... আর মাংস কিংবা শাকসবজিও খুব একটা পছন্দ করো না। ভয় নেই, সংসারে বাজার তালিকা থেকে তোমার অপছন্দের সবকিছু বাদ যাবে।

মাসে একটা করে শাড়ি, তবে কম দামী হলে কি রাগ করবে ভীষণ? বুঝোই তো, ছোট্ট একটা চাকরি, নামেমাত্র বেতন। খেয়ে পড়ে যা বাঁচবে তা থেকেই তো সিনামা দেখতে হবে, তোমায় নিয়ে ঘুরতে যেতে হবে, তোমার মন ভালো করার জন্য।

কি হলো?
মনে মনে হাসছো?
ভাবছো, গ্রহণই করলে না তার আগেই এতকিছু কেন ভাবছি? সবকিছু পরিকল্পনায় হওয়া ভালো। পরিকল্পনা না থাকলে, তোমায় নিয়ে না ভাবলে, তোমাকে ভালো রাখবো কি করে, বলো?

যাকে এতটা ভালোবাসি, যার প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছি, তাকে ভালো রাখার দায়িত্ব যে নিজেকেই নিতে হবে।

আজ আর বেশিকিছু লিখবো না। হয়তো হারিকেন বা পিদিম নিভিয়ে ঘুমিয়ে পড়েছো। আমি জেগে জেগে তোমাকে লিখছি। কষ্ট করে চিঠির উত্তর লিখতে হবে না। শুধু তোমার আর কি কি অপছন্দের তার একটি তালিকা করে দিলেই হবে। কেমন?

ইতি,
তোমার কবি।

1 month ago | [YT] | 15

Stoic Mindset For Women

অতিরিক্ত চাহিদাসম্পন্ন মানুষের সঙ্গীর চাহিদা তুলনামূলক ভাবে খুবই কম থাকে! যদি মানুষটা রসিক স্বভাবের হয়, তবে সঙ্গী হয় বেরসিক কিংবা গম্ভীর স্বভাবের।

শারীরিক চাহিদা কিংবা মনস্তাত্ত্বিক চাহিদাসম্পন্ন মানুষ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তার সঙ্গীর দিক থেকে অপরিপূর্ণ থাকে! যা আমৃ*ত্যু একটা মানুষকে ভোগায়! মানুষ মূলত নিজেকে অসুখী মনে করে যখন তার সঙ্গীর দিক থেকে চাহিদা পূরণ হয় না।

একটা মানুষের যখন শারীরিক এবং মানসিক চাহিদা পূরণ হয়, তখন সে নিজেকে সুখী মনে করে। কখনো কখনো সঙ্গীর মনের আর শরীরের দিকে নজর দেয়াটা জরুরী। সঙ্গীর থেকে সে আসলে কি চায়– কি আশা করে, এটা যদি সঙ্গী বুঝতে না পারে কিংবা সবটা বুঝেও না বোঝার ভান করে, তবে সেই মানুষটা হতাশাগ্রস্ত হবেই!

চাহিদার দিক থেকে একটা মানুষের সাথে অপর একটা মানুষের মিল নাই থাকতে পারে। কিন্তু সেই অমিল যদি চরম পর্যায়ে পৌঁছে যায়, তবে দাম্পত্য জীবনে সুখী হওয়াটা বড্ড কঠিন ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়।

মানুষ যখন শারীরিক দিক থেকে Unsatisfied থাকে, তখন সে মনের ক্ষুধায় ভোগে! আর যখন মনের ক্ষুধা মিটাতে না পারে, তখন সে যন্ত্রণা পেতে থাকে।

মনের ক্ষুধা এবং শরীরের খুদা, এ দুটো জিনিস যখন মানুষ মিটাতে পারে না, তখন সে হয় যন্ত্র মানব! হতাশা, কোনো কিছু ভালো না লাগা, অনুভূতির অবক্ষয়, মন খারাপ আর বিষন্নতায় ভুগতে থাকে!

দাম্পত্য জীবনে সেই সবচেয়ে ভালো মানুষ, যে তার সঙ্গীর মনের এবং শরীরের চাহিদার দিকে নজর রাখে। একসাথে দুটো পূরণ করতে হিমসিম খেলেও যদি একটা চাহিদা পূরণ করতে পারে, তবুও তাকে ভালো সঙ্গী বলা যায়। আর যে দুটোর একটাও পূরণ করতে পারে না কিংবা পূরণ করে না, তার মতো স্বার্থপর কিংবা উদাসীন মানুষের সাথে সংসার করা কিংবা একই ছাদের নিচে থাকাটাই বড্ড কঠিন হয়ে দাঁড়ায়!

1 month ago | [YT] | 36

Stoic Mindset For Women

আমার আর বেশি কিছু চাওয়ার নেই, বিশ্বাস করো।
সব চাওয়া-পাওয়ার হিসাব আমি অনেক আগেই গুটিয়ে ফেলেছি।

জীবনের শেষ ক্ষণটুকুতে শুধু তোমার খুব কাছে থাকতে চাই। শেষ নিঃশ্বাসটা নিতে চাই তোমার কোলে মাথা রেখে, যেন পৃথিবীর সমস্ত ক্লান্তি, সমস্ত ব্যথা এক মুহূর্তে শান্ত হয়ে যায়। দম বের হওয়ার যন্ত্রণা যেন তোমার মুখে তাকিয়েই ভুলে যেতে পারি অনায়াসে।

শুধু এটুকু অনুভব করতে চাই, আমি থাকবো না বলে কেউ তো আছে শোক করার। আমার সম্ভাব্য মৃত্যুতে তোমার অস্থিরতা আমাকে মৃত্যুর যন্ত্রণা ভুলিয়ে দিবে!

একজন ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির কাছে যেমন তার শেষ ইচ্ছেটা জানতে চাওয়া হয়, ঠিক তেমন করেই আমি আজ আমার শেষ ইচ্ছেটা তোমার কাছে বলে দিলাম। এর বাইরে আর কিছু নেই, আর কোনো আবদার নেই।

আমার জীবনে আর কোনো স্বপ্ন বাকি নেই, নেই কোনো লক্ষ্য কিংবা দীর্ঘ সাধনা। এই একটিমাত্র ইচ্ছেই আমার সব। এই একটিমাত্র আকাঙ্ক্ষাই আমার জীবনের শেষ প্রার্থনা।

যদি শেষ মুহূর্তে তুমি পাশে থাকো, তাহলে বিশ্বাস করো, এই জীবনটাকে অসম্পূর্ণ বলে আর কখনো মনে হবে না। তুমি পাশে থাকলে, আমি যে ম*রেও শান্তি পাবো!

1 month ago | [YT] | 19

Stoic Mindset For Women

মেহের নিগার....

শাড়ি পরোনি আজ?
দু-হাতে কাঁচের চুড়ি কিংবা রেশমি চুড়ি, দু'চোখে গাঢ় কাজল, কপালে ছোট্ট কালো টিপ লাগিয়ে আজ তার সাথে জোছনা বিলাস করতে বের হওনি বুঝি?

অভিমান করেছো?
অভিমানে শাড়ি না পরে, দিব্যি সারাদিন শুধু ঘুমিয়ে কাটিয়েছো? নাওয়াখাওয়া বাদ দিয়ে সারাক্ষণ মন খারাপ করে শুয়েছিলে বুঝি?

আজকের চাঁদটা দেখোনি?
দেখোনি সে আলো ছড়িয়ে আকাশের বুকে কেমন দাপিয়ে বেড়াচ্ছে?

তুমি বের হওনি আজ রাতে? আজ রাতে চাঁদ দেখবে আর তারাদের গুনবে না? এত অভিমান কেন তোমার?

আজকের দিনেও কেউ কাঁদে? অসুস্থ তুমি!
জ্বর প্রচন্ড নাকি মনের অসুখে ভুগছো?

ওষুধ খাওনি? সে তোমায় নিজের হাতে ওষুধ খাওয়ায়নি? সে তোমায় আদর দিয়েছে আজ?

লক্ষ্মীটি,
তুমি এখনো শুয়ে আছো? জোছনা দেখবে না? শাড়ি পরে হাঁটবে না আমার সাথে? টং এর দোকানে বসে রং চা খাবে না? কতদিনের জমানো কথা বুকে চেপে আছো, বলবে না সেগুলো?

দেখো না...
এই দেখো, নির্বাক হয়ে বসে আছি আমি! তুমি সত্যিই আসবে না? শাড়ি, চোখে গাঢ় কাজল আর কপালে ছোট্ট কালো টিপ লাগিয়ে আমার পাশে বসবে না?
এই মধুচন্দ্রিমায় তোমার মায়াভরা মুখখানি অপলক দৃষ্টিতে সারারাত তাকিয়ে তাকিয়ে দেখবো বলে বসে আছি তোমার অপেক্ষায়।

আসবে না বুঝি? এখনো অভিমান নিয়ে শুয়ে থাকবে? কথা বলবে না আজ?

আর এদিকে যে আমি ছটফট করছি তোমার মুখখানা দেখার জন্য, তোমাকে ঠিক কেমন লাগছে আজ..বড্ড দেখতে ইচ্ছে করছে।

লক্ষ্মীটি...
চলো না, আজ সব অভিমানী দ্বিধা ভুলে দু'জন এক হয়ে যাই। এই জোছনা রাতে দু'জন প্রেম বিলাই, আমি তোমার সেই পছন্দের পাঞ্জাবি আর তুমি আমার সেই পছন্দের শাড়ি পরে আমার সামনে এসো না একটু।

স্পর্শ করতে না দাও, অন্তত তোমায় দেখে বারবার মুগ্ধ হতে তো দাও সোনা। পাশে এসে বসো,একটু হাসো, হেঁসে পাগল করে দাও আমায়।

স্পর্শ করতে না দাও, অন্তত সামনাসামনি এক নজর দেখতো তো দাও লক্ষ্মীটি।

মেহের নিগার...
তুমি আসবে না? এখনো অভিমানে শুয়ে থাকবে?
এই রাত শেষ হলে কি আর কভু ফিরে আসবে, বলো?

প্লিজ আসো,
স্পর্শ করতে না দাও, অধিকার ফিরিয়ে না দাও, অন্তত পাশে এসে তো বসো। এ ঠোঁটে ঠোঁট না রাখো, তীব্র আলিঙ্গন না দাও, অন্তত আজকের এ মধুচন্দ্রিমায় আমার খুব কাছেই আছো; এটুকু তো অনুভব করতে দাও।

মেহের নিগার..
আসবে না?

1 month ago | [YT] | 14

Stoic Mindset For Women

আমাকে ভালোবেসে তোমার কোনো ফায়দা নেই!
এই আপাদমস্তক জরাজীর্ণ, অতি সাধারণ, নিঃস্ব মানুষকে ভালোবেসে সুখী হতে পারবে না কভু।

ক্ষণে ক্ষণে মান করা, বড্ড আবেগী, হতাশাগ্রস্ত জীবন, এবং প্রাপ্তির খাতা শূন্য যার, তাকে ভালোবেসে কোনো ফায়দা নেই তোমার। ভীষণ আক্ষেপ হবে, জেদ হবে, নিজেকে ছোট মনে হবে, আমি যে কারো ভালোবাসা পাওয়ার যোগ্য নই।

অবহেলা-অনাদরে পড়ে থেকে জীবন যার ছন্দ হারা, তাকে ভালোবেসে কোনো ফায়দা নেই! কি দিবো তোমায়? বলো...

যেটুকু ছিল নিজের কাছে, সেটুকুই আজ বিসর্জন দিয়েছি হতাশায়! অনুভূতি নষ্ট হয়ে গেলে মানুষ আর ভালোবাসা বোঝে না, মানুষ চায় শান্তি। এই আমায় ভালোবেসে কারো কোনো ফায়দা নেই!

আমি যে যুগের সাথে তাল মেলাতে পারি না।
অবসরে বিনোদন, ব্যস্ততার অজুহাতে অবহেলায় পড়ে থাকা, অভিমানে নিজেকে নিজে কষ্ট দেয়া ছাড়া আমার কিছু জুটতে পারে না কপালে! আমার আবেগ-বিশ্বাস, ভালোবাসা নিয়ে খেলা করেও অবলীলায় ছেড়ে যাওয়া যায়। আমায় ভালোবেসে কোনো ফায়দা নেই।

দেয়া নেয়ার এ যুগে নিঃস্ব মানুষকে ভালোবেসে কোনো ফায়দা নেই। ভালোবাসার বিনিময়ে ভালোবাসা ছাড়া আর কিছু দেয়ার সামর্থ্য নেই আমার। শুধু ভালোবাসায় কারো পেট ভরে? শুধু ভালোবাসায় যদি মানুষের মন ভরতো তবে মানুষ কি আর মায়ার শেকল ভেঙে চলে যেত চোখের আড়ালে?

আমাকে ভালোবেসে তোমার কোনো ফায়দা নেই।
হাড়ে হাড়ে টের পাবে একদিন। নিঃস্ব মানুষকে ভালোবেসে কেউ কোনোদিনও ভালো থাকেনি, তুমিও ভালো নেই! আসলে আমাকে ভালোবেসে তোমার কোনো ফায়দা নেই!

1 month ago | [YT] | 28