Stoic Mindset For Women

Stoic Mindset For Women - এখানে Stoicism এর প্রাচীন জ্ঞান মিশে যাচ্ছে আজকের বাস্তব জীবনের সঙ্গে। এই চ্যানেলে তুমি পাবে stoic philosophy, Marcus Aurelius, Seneca, Epictetus এর মত দার্শনিকদের ভাবনার সহজ এবং বাস্তব জীবনের উপযোগী ব্যাখ্যা। মানসিক শান্তি, discipline, self-control আর কনফিডেন্স গড়ার পথে তুমি যদি সিরিয়াস হও, তাহলে এই চ্যানেল তোমার জন্য। বাংলায় Stoicism শেখো, বুঝো, এবং জীবনে কাজে লাগাও – stoic mindset দিয়ে tough সময়েও কিভাবে শান্ত থাকা যায়, তা নিয়েই আমাদের journey।

📌এখানে প্রাচীন Stoic দার্শনিকদের মূল্যবান জ্ঞান সহজ বাংলায় তুলে ধরা হয়। মার্কাস অরেলিয়াস, সেনেকা ও এপিকটেটাস-এর শিক্ষা থেকে শিখুন মানসিক স্থিরতা, আত্ম-নিয়ন্ত্রণ ও অভ্যন্তরীণ শক্তি গড়ে তোলার পথ। Stoic নীতিগুলোকে আপনার আধুনিক জীবনে প্রয়োগ করে বদলান নিজের দৃষ্টিভঙ্গি ও জীবনধারা।

📹 প্রতিটি ভিডিওয় থাকছে মনকে ছুঁয়ে যাওয়া কথা, বাস্তব উদাহরণ, প্রাচীন দার্শনিক মতবাদ এবং মনোবিজ্ঞানের গভীর তথ্য।


Stoic Mindset For Women

দেখুন,
যে মানুষটা আপনাকে ভালোই বাসে না, সে কখনোই আপনার প্রতি যত্নবান হবে না। আপনার প্রতি যত্নশীল আচরণ তার মধ্যে বিস্তার লাভ করবে না। যতই চেষ্টা করুন না কেন, সে কিছুতেই আপনার কিংবা সম্পর্কের যত্ন নিবে না, আর এটাই স্বাভাবিক।

জীবন চলার পথে অনেক মানুষের সাথে পরিচয় হয়। কারণে- অকারণে সেই পরিচিত অনেক মানুষের মধ্যে ঠিক একটা মানুষের প্রতিই আপনার অনুভূতি আর আবেক কাজ করে। সব মানুষের প্রতিই কিন্তু অনুভূতি কাজ করে না। আপনি কাউকে ভালোবাসেন মানে এই নয়, সেও আপনাকে ঠিক একই ভাবে ভালোবাসবে।

হতে পারে সে ভালো না বেসেও ভালোবাসার ভান করছে মাত্র। হয়তো আপনি সেটা অনুধাবন করতে পারলেও মেনে নিতে পারছেন না।

মানুষ যাকে সত্যিকার অর্থে ভালোবাসে, সে তার ভালোবাসার মানুষটার প্রতি যত্নবান হবেই। আর সেই ভালোবাসার মানুষটার চাওয়া- পাওয়া, পছন্দ কিংবা অপছন্দের গুরুত্ব দিবেই।

নিজেকে প্রশ্ন করুন, আপনি যাকে ভালোবাসেন, তার থেকে শত অবহেলা পাওয়ার পরেও কি তাকে বিনিময়ে অবহেলা করতে পারেন? নিশ্চয়ই না।

সম্পর্কে অনিহা আর অনাগ্রহ ঠিক তখনই বেড়ে যায়, যখন সম্পর্ক মনের মতো হয় না। অবসরে সময় কাটাতে কিংবা মোহের বশে সম্পর্কে জড়িয়ে গেলে, সেখানে তিক্ততা আসবেই।

জানেন তো?
মানুষ খুবই আশ্চর্যজনক ভাবে সেই মানুষটার কাছেই ভালোবাসা এবং গুরুত্ব আশা করে, যে প্রচন্ড অবহেলা আর যন্ত্রণা দেয়! আমাদের ভালোবাসে এমন হাজার মানুষের ভীড়ে সেই একটা মানুষ যে কিনা আমাদের বোঝে না—বোঝার চেষ্টা টুকুও করে না; ঠিক তার কাছেই মূলত আমরা অসহায় মানুষগুলো নিজের ভালো থাকার নিয়ন্ত্রণ সমর্পণ করে দেই! আর তারপর? সে ভালো থাকলেও আমাদের আর ভালো থাকা হয়ে ওঠে না আসলে!

5 days ago | [YT] | 77

Stoic Mindset For Women

প্রিয়তমা,
ইন্দিরােশ্রী..

পত্রের প্রথমে একরাশ রজনীগন্ধা আর তোমার পছন্দের একগুচ্ছ গোলাপের শুভেচ্ছা নিও....

আশা করি ভালো আছো। সবসময় ভালো থাকো এটাই কামনা করি। আমিও ভালো আছি। তবে ইদানীং কেন যেন একটা ভ্রম মায়ার মোহনজালে আবদ্ধ হচ্ছি।

সে আবদ্ধ হবোই বা না কেন, বলো?
তোমার অবয়ব ভয়ঙ্করদর্শনে হৃদয় যে উতলা হয়ে যায়। তোমার সরল চাহুনি, আকুলতায় ভরা নির্লিপ্ত কণ্ঠস্বর, তোমার নিষ্পাপ হাসির মায়ায় নিজেকে জড়িয়ে কি আদৌ ঠিক থাকা যায়?

তুমি পারো, আমি তো পারি না।
সেই তোমায় প্রথম দেখা, চোখ যুগল দেখার সৌভাগ্য হয়েছিল কোনোরকমে। সেই চোখ দেখেই ডুবে গিয়েছিলাম অতল গহ্বরে! তারপর... তারপর তোমার মায়া ভরা মুখখানি দেখার সৌভাগ্য হয়েছিল।
অবশেষে আমি পড়লুম, পড়লুম তোমার প্রেমে!

এমন সাদামাটা মুখখানি আমার নজর কেড়ে নেয়।
তোমার ছেলেমানুষী, আহ্লাদী স্বভাব আমায় আরও আকৃষ্ট করে তোলে তোমার প্রতি। এলো চুল কিংবা অবাধ্য চুলগুলোকে বেঁধে রেখে শাস্তি দেয়া; সে যেমনই হোক, তোমায় কিন্তু দারুণ লাগে।

আমি যে ঘুমাতে পারছি না! তোমার কাজল চোখের মায়ায় ডুবে ডুবে জল খাচ্ছি। সাঁতার জানি না। কি করবো বলো?

কতশত কাব্য রচনা করেছি জীবনে। তবে কারও প্রেমে পড়লে যে ভাষা হারিয়ে যায়, তা বোধহয় তোমার প্রেমে না পড়লে জানতামই না।

রাতদিন তোমাকে ভেবে কিভাবে কেটে যায় আজকাল, টেরই পাই না। তোমার ভাবনায়, তোমার কামনায় আজকাল বড্ড উদাসীন হয়ে গেছি।

অফিসের কাজ, বন্ধুদের সাথে খুনসুটি আড্ডা, কড়া লিকারে এক কাপ চায়ের সাথে সিগারেট, খুব একটা ভালো লাগে না আজকাল! মনই বসাতে পারি না। যে মন তোমায় ভাবে, সে মন অন্যকিছুতে বসবে কিভাবে বলো?

কিভাবে লিখবো আজ? কিভাবেই বা বলে বোঝাবো? তোমার তীক্ষ্ণ চাহুনি আর অভিমানী মুখখানা দেখে যে আমি তোমার প্রেমে পড়েছি। শুধু প্রেমেই পড়িনি, আমি বোধহয় তোমাকে ভালোবাসতে শুরু করেছি।

আমি জানি,
পত্রটা পড়ার পরেরদিন থেকেই আমায় দেখে তুমি হাসবো। সে না হয় হেঁসো, ক্ষতি নেই। কিন্তু যে মন তুমি চু*রি করেছো, সেই মন কি আর কখনোই ফেরত পাবো না? ফেরত না পেলাম, অন্তত আমাকে ফিরিয়ে দিবো না তো?

কথা দিচ্ছি,
এই ঊনবিংশ শতাব্দীতে এসে ভালো প্রেমিক হবো তোমার, তুমি চাইলে ভালো স্বামীও হতে পারি। আর ঐ যে, তুমি মাছ খেতে অপছন্দ করো। আরে অপছন্দ নয় ঠিক, শুধু পুটিমাছটা খাও... আর মাংস কিংবা শাকসবজিও খুব একটা পছন্দ করো না। ভয় নেই, সংসারে বাজার তালিকা থেকে তোমার অপছন্দের সবকিছু বাদ যাবে।

মাসে একটা করে শাড়ি, তবে কম দামী হলে কি রাগ করবে ভীষণ? বুঝোই তো, ছোট্ট একটা চাকরি, নামেমাত্র বেতন। খেয়ে পড়ে যা বাঁচবে তা থেকেই তো সিনামা দেখতে হবে, তোমায় নিয়ে ঘুরতে যেতে হবে, তোমার মন ভালো করার জন্য।

কি হলো?
মনে মনে হাসছো?
ভাবছো, গ্রহণই করলে না তার আগেই এতকিছু কেন ভাবছি? সবকিছু পরিকল্পনায় হওয়া ভালো। পরিকল্পনা না থাকলে, তোমায় নিয়ে না ভাবলে, তোমাকে ভালো রাখবো কি করে, বলো?

যাকে এতটা ভালোবাসি, যার প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছি, তাকে ভালো রাখার দায়িত্ব যে নিজেকেই নিতে হবে।

আজ আর বেশিকিছু লিখবো না। হয়তো হারিকেন বা পিদিম নিভিয়ে ঘুমিয়ে পড়েছো। আমি জেগে জেগে তোমাকে লিখছি। কষ্ট করে চিঠির উত্তর লিখতে হবে না। শুধু তোমার আর কি কি অপছন্দের তার একটি তালিকা করে দিলেই হবে। কেমন?

ইতি,
তোমার কবি।

6 days ago | [YT] | 14

Stoic Mindset For Women

অতিরিক্ত চাহিদাসম্পন্ন মানুষের সঙ্গীর চাহিদা তুলনামূলক ভাবে খুবই কম থাকে! যদি মানুষটা রসিক স্বভাবের হয়, তবে সঙ্গী হয় বেরসিক কিংবা গম্ভীর স্বভাবের।

শারীরিক চাহিদা কিংবা মনস্তাত্ত্বিক চাহিদাসম্পন্ন মানুষ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তার সঙ্গীর দিক থেকে অপরিপূর্ণ থাকে! যা আমৃ*ত্যু একটা মানুষকে ভোগায়! মানুষ মূলত নিজেকে অসুখী মনে করে যখন তার সঙ্গীর দিক থেকে চাহিদা পূরণ হয় না।

একটা মানুষের যখন শারীরিক এবং মানসিক চাহিদা পূরণ হয়, তখন সে নিজেকে সুখী মনে করে। কখনো কখনো সঙ্গীর মনের আর শরীরের দিকে নজর দেয়াটা জরুরী। সঙ্গীর থেকে সে আসলে কি চায়– কি আশা করে, এটা যদি সঙ্গী বুঝতে না পারে কিংবা সবটা বুঝেও না বোঝার ভান করে, তবে সেই মানুষটা হতাশাগ্রস্ত হবেই!

চাহিদার দিক থেকে একটা মানুষের সাথে অপর একটা মানুষের মিল নাই থাকতে পারে। কিন্তু সেই অমিল যদি চরম পর্যায়ে পৌঁছে যায়, তবে দাম্পত্য জীবনে সুখী হওয়াটা বড্ড কঠিন ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়।

মানুষ যখন শারীরিক দিক থেকে Unsatisfied থাকে, তখন সে মনের ক্ষুধায় ভোগে! আর যখন মনের ক্ষুধা মিটাতে না পারে, তখন সে যন্ত্রণা পেতে থাকে।

মনের ক্ষুধা এবং শরীরের খুদা, এ দুটো জিনিস যখন মানুষ মিটাতে পারে না, তখন সে হয় যন্ত্র মানব! হতাশা, কোনো কিছু ভালো না লাগা, অনুভূতির অবক্ষয়, মন খারাপ আর বিষন্নতায় ভুগতে থাকে!

দাম্পত্য জীবনে সেই সবচেয়ে ভালো মানুষ, যে তার সঙ্গীর মনের এবং শরীরের চাহিদার দিকে নজর রাখে। একসাথে দুটো পূরণ করতে হিমসিম খেলেও যদি একটা চাহিদা পূরণ করতে পারে, তবুও তাকে ভালো সঙ্গী বলা যায়। আর যে দুটোর একটাও পূরণ করতে পারে না কিংবা পূরণ করে না, তার মতো স্বার্থপর কিংবা উদাসীন মানুষের সাথে সংসার করা কিংবা একই ছাদের নিচে থাকাটাই বড্ড কঠিন হয়ে দাঁড়ায়!

6 days ago | [YT] | 36

Stoic Mindset For Women

আমার আর বেশি কিছু চাওয়ার নেই, বিশ্বাস করো।
সব চাওয়া-পাওয়ার হিসাব আমি অনেক আগেই গুটিয়ে ফেলেছি।

জীবনের শেষ ক্ষণটুকুতে শুধু তোমার খুব কাছে থাকতে চাই। শেষ নিঃশ্বাসটা নিতে চাই তোমার কোলে মাথা রেখে, যেন পৃথিবীর সমস্ত ক্লান্তি, সমস্ত ব্যথা এক মুহূর্তে শান্ত হয়ে যায়। দম বের হওয়ার যন্ত্রণা যেন তোমার মুখে তাকিয়েই ভুলে যেতে পারি অনায়াসে।

শুধু এটুকু অনুভব করতে চাই, আমি থাকবো না বলে কেউ তো আছে শোক করার। আমার সম্ভাব্য মৃত্যুতে তোমার অস্থিরতা আমাকে মৃত্যুর যন্ত্রণা ভুলিয়ে দিবে!

একজন ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির কাছে যেমন তার শেষ ইচ্ছেটা জানতে চাওয়া হয়, ঠিক তেমন করেই আমি আজ আমার শেষ ইচ্ছেটা তোমার কাছে বলে দিলাম। এর বাইরে আর কিছু নেই, আর কোনো আবদার নেই।

আমার জীবনে আর কোনো স্বপ্ন বাকি নেই, নেই কোনো লক্ষ্য কিংবা দীর্ঘ সাধনা। এই একটিমাত্র ইচ্ছেই আমার সব। এই একটিমাত্র আকাঙ্ক্ষাই আমার জীবনের শেষ প্রার্থনা।

যদি শেষ মুহূর্তে তুমি পাশে থাকো, তাহলে বিশ্বাস করো, এই জীবনটাকে অসম্পূর্ণ বলে আর কখনো মনে হবে না। তুমি পাশে থাকলে, আমি যে ম*রেও শান্তি পাবো!

1 week ago | [YT] | 19

Stoic Mindset For Women

মেহের নিগার....

শাড়ি পরোনি আজ?
দু-হাতে কাঁচের চুড়ি কিংবা রেশমি চুড়ি, দু'চোখে গাঢ় কাজল, কপালে ছোট্ট কালো টিপ লাগিয়ে আজ তার সাথে জোছনা বিলাস করতে বের হওনি বুঝি?

অভিমান করেছো?
অভিমানে শাড়ি না পরে, দিব্যি সারাদিন শুধু ঘুমিয়ে কাটিয়েছো? নাওয়াখাওয়া বাদ দিয়ে সারাক্ষণ মন খারাপ করে শুয়েছিলে বুঝি?

আজকের চাঁদটা দেখোনি?
দেখোনি সে আলো ছড়িয়ে আকাশের বুকে কেমন দাপিয়ে বেড়াচ্ছে?

তুমি বের হওনি আজ রাতে? আজ রাতে চাঁদ দেখবে আর তারাদের গুনবে না? এত অভিমান কেন তোমার?

আজকের দিনেও কেউ কাঁদে? অসুস্থ তুমি!
জ্বর প্রচন্ড নাকি মনের অসুখে ভুগছো?

ওষুধ খাওনি? সে তোমায় নিজের হাতে ওষুধ খাওয়ায়নি? সে তোমায় আদর দিয়েছে আজ?

লক্ষ্মীটি,
তুমি এখনো শুয়ে আছো? জোছনা দেখবে না? শাড়ি পরে হাঁটবে না আমার সাথে? টং এর দোকানে বসে রং চা খাবে না? কতদিনের জমানো কথা বুকে চেপে আছো, বলবে না সেগুলো?

দেখো না...
এই দেখো, নির্বাক হয়ে বসে আছি আমি! তুমি সত্যিই আসবে না? শাড়ি, চোখে গাঢ় কাজল আর কপালে ছোট্ট কালো টিপ লাগিয়ে আমার পাশে বসবে না?
এই মধুচন্দ্রিমায় তোমার মায়াভরা মুখখানি অপলক দৃষ্টিতে সারারাত তাকিয়ে তাকিয়ে দেখবো বলে বসে আছি তোমার অপেক্ষায়।

আসবে না বুঝি? এখনো অভিমান নিয়ে শুয়ে থাকবে? কথা বলবে না আজ?

আর এদিকে যে আমি ছটফট করছি তোমার মুখখানা দেখার জন্য, তোমাকে ঠিক কেমন লাগছে আজ..বড্ড দেখতে ইচ্ছে করছে।

লক্ষ্মীটি...
চলো না, আজ সব অভিমানী দ্বিধা ভুলে দু'জন এক হয়ে যাই। এই জোছনা রাতে দু'জন প্রেম বিলাই, আমি তোমার সেই পছন্দের পাঞ্জাবি আর তুমি আমার সেই পছন্দের শাড়ি পরে আমার সামনে এসো না একটু।

স্পর্শ করতে না দাও, অন্তত তোমায় দেখে বারবার মুগ্ধ হতে তো দাও সোনা। পাশে এসে বসো,একটু হাসো, হেঁসে পাগল করে দাও আমায়।

স্পর্শ করতে না দাও, অন্তত সামনাসামনি এক নজর দেখতো তো দাও লক্ষ্মীটি।

মেহের নিগার...
তুমি আসবে না? এখনো অভিমানে শুয়ে থাকবে?
এই রাত শেষ হলে কি আর কভু ফিরে আসবে, বলো?

প্লিজ আসো,
স্পর্শ করতে না দাও, অধিকার ফিরিয়ে না দাও, অন্তত পাশে এসে তো বসো। এ ঠোঁটে ঠোঁট না রাখো, তীব্র আলিঙ্গন না দাও, অন্তত আজকের এ মধুচন্দ্রিমায় আমার খুব কাছেই আছো; এটুকু তো অনুভব করতে দাও।

মেহের নিগার..
আসবে না?

1 week ago | [YT] | 14

Stoic Mindset For Women

আমাকে ভালোবেসে তোমার কোনো ফায়দা নেই!
এই আপাদমস্তক জরাজীর্ণ, অতি সাধারণ, নিঃস্ব মানুষকে ভালোবেসে সুখী হতে পারবে না কভু।

ক্ষণে ক্ষণে মান করা, বড্ড আবেগী, হতাশাগ্রস্ত জীবন, এবং প্রাপ্তির খাতা শূন্য যার, তাকে ভালোবেসে কোনো ফায়দা নেই তোমার। ভীষণ আক্ষেপ হবে, জেদ হবে, নিজেকে ছোট মনে হবে, আমি যে কারো ভালোবাসা পাওয়ার যোগ্য নই।

অবহেলা-অনাদরে পড়ে থেকে জীবন যার ছন্দ হারা, তাকে ভালোবেসে কোনো ফায়দা নেই! কি দিবো তোমায়? বলো...

যেটুকু ছিল নিজের কাছে, সেটুকুই আজ বিসর্জন দিয়েছি হতাশায়! অনুভূতি নষ্ট হয়ে গেলে মানুষ আর ভালোবাসা বোঝে না, মানুষ চায় শান্তি। এই আমায় ভালোবেসে কারো কোনো ফায়দা নেই!

আমি যে যুগের সাথে তাল মেলাতে পারি না।
অবসরে বিনোদন, ব্যস্ততার অজুহাতে অবহেলায় পড়ে থাকা, অভিমানে নিজেকে নিজে কষ্ট দেয়া ছাড়া আমার কিছু জুটতে পারে না কপালে! আমার আবেগ-বিশ্বাস, ভালোবাসা নিয়ে খেলা করেও অবলীলায় ছেড়ে যাওয়া যায়। আমায় ভালোবেসে কোনো ফায়দা নেই।

দেয়া নেয়ার এ যুগে নিঃস্ব মানুষকে ভালোবেসে কোনো ফায়দা নেই। ভালোবাসার বিনিময়ে ভালোবাসা ছাড়া আর কিছু দেয়ার সামর্থ্য নেই আমার। শুধু ভালোবাসায় কারো পেট ভরে? শুধু ভালোবাসায় যদি মানুষের মন ভরতো তবে মানুষ কি আর মায়ার শেকল ভেঙে চলে যেত চোখের আড়ালে?

আমাকে ভালোবেসে তোমার কোনো ফায়দা নেই।
হাড়ে হাড়ে টের পাবে একদিন। নিঃস্ব মানুষকে ভালোবেসে কেউ কোনোদিনও ভালো থাকেনি, তুমিও ভালো নেই! আসলে আমাকে ভালোবেসে তোমার কোনো ফায়দা নেই!

1 week ago | [YT] | 28

Stoic Mindset For Women

কেবল যে মানুষটি আত্মকেন্দ্রিক স্বভাবের একজন মানুষকে জীবনসঙ্গী হিসেবে পেয়েছে, একমাত্র সেই বোঝে সংসার জীবন ঠিক কতটা তিক্ত, ক্লান্তিকর আর যন্ত্রণাদায়ক হতে পারে!

আত্মকেন্দ্রিক মানুষগুলো নিজের ভালো ছাড়া আর কিছুই দেখতে পায় না। তারা বুঝতে চায় না, অনুভব করতে চায় না, সঙ্গীর কষ্ট, অভিমান কিংবা নীরব কান্না তাদের চোখে পড়ে না। সঙ্গীর প্রতি এদের আচরণ চরম উদাসীনতায় ভরা। নিজের ভুল স্বীকার করার মতো ন্যূনতম সৎসাহসও এদের থাকে না; বরং অহংকারে ভর করে তারা বারবার সঙ্গীকে অসম্মান করে, কথা দিয়ে আঘাত করে, আচরণ দিয়ে ভেঙে দেয়!

এই ধরনের মানুষ যুক্তির ধার ধারে না। সব পরিস্থিতিতেই নিজের দিকটাই তাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আর যারা প্রতিদিন এমন একজন মানুষের সঙ্গে সংসার করে, তারা ধীরে ধীরে নিঃশেষ হয়ে যায়! হাসির আড়ালে জমে ওঠে হতাশা, বুকের ভেতর বাসা বাঁধে ডিপ্রেশন!

সংসার কোনো একক মানুষের রাজ্য নয়। এটি এমন একটি সম্পর্ক, যেখানে প্রতিদিনই দু’জন মানুষকে সামান্য করে ছাড় দিতে হয়, বোঝাপড়া করতে হয়, ত্যাগ স্বীকার করতে হয়। সংসার মানেই ধৈর্যের পরীক্ষা। কিন্তু তাই বলে কি একজনই সারাজীবন সবকিছু সহ্য করবে? একজনই শুধু ত্যাগ করে যাবে, আর অন্যজন নির্বিকার থাকবে, তা কখনোই ন্যায়সংগত নয়।

আত্মকেন্দ্রিক চিন্তা নিয়ে সংসার টেকে না। সংসার করতে গেলে সঙ্গীর অনুভূতির প্রতিও নমনীয় হতে হয়, তার দিকটাও ভাবতে হয়। দু’জনের ত্যাগে কম–বেশি পার্থক্য থাকতেই পারে, কিন্তু সেই পার্থক্য যেন সহনীয় সীমার মধ্যেই থাকে, এইটুকু ভারসাম্য না থাকলেই সম্পর্ক ভেঙে পড়ে।

মানুষ মাত্রই ভুল করে। ফেরেশতা ছাড়া কেউই ভুলের ঊর্ধ্বে নয়। আপনি ফেরেশতা নন। আপনারও ভুল থাকবে। কিন্তু নিজের ভুল স্বীকার করার মতো মানসিকতা যদি না থাকে, তাহলে সেই মানুষটা সংসারের জন্য প্রস্তুত নয়—এই সত্যটা মেনে নিতেই হবে।

ত্যাগ আর বোঝাপড়া ছাড়া কখনোই সুখী সংসার গড়ে ওঠে না। যেখানে দু’জন দু’জনকে বুঝতে চায় না, সেখানে ভালোবাসা টেকে না৷ থাকে শুধু অশান্তি আর দমবন্ধ করা নীরবতা!

আজ আপনি হয়তো কেবল নিজের কথাই ভেবে সঙ্গীকে মানসিক অশান্তিতে রাখছেন। কিন্তু একদিন যখন সে সম্পূর্ণ নিরুপায় হয়ে, আপনার স্বার্থপরতা থেকে নিজেকে সরিয়ে নেবে, সেদিন ঠিকই আফসোস আসবে। যদিও আত্মকেন্দ্রিক মানুষদের আফসোস বোধ দেরিতে আসে, তবুও প্রকৃতি কাউকেই ঋণী রাখে না।

কারণ মানুষ প্রথম সংসারে বা প্রথম সঙ্গীর সঙ্গে যে আচরণ করে, দ্বিতীয় সংসারে গিয়ে সেই আচরণ আর করতে পারে না। প্রথম সংসারে আত্মকেন্দ্রিকতার কারণে যাদের বিচ্ছেদ হয়, তারা দ্বিতীয় সংসারে গিয়ে হঠাৎ করেই সংযত হয়ে যায়। তখন ঠিকই ধৈর্য আসে, সহনশীলতা আসে, সম্মানবোধ জন্ম নেয়। আগের মতো দুর্ব্যবহার বা স্বার্থপরতা আর দেখাতে পারে না।
এটাই প্রকৃতির নিয়ম—
এটাই ‘ The Revenge of Nature ’ (প্রকৃতির প্রতিশোধ)।

2 weeks ago | [YT] | 27

Stoic Mindset For Women

পেট ভরে খাওয়া মানুষ কখনো অনাহারের তীব্র যন্ত্রণা বুঝতে পারে না। চারপাশে ভালোবাসার মানুষে ঘেরা কেউ কখনো ভালোবাসার অভাব, অবহেলা কিংবা প্রতারিত হওয়ার ক্ষতটা অনুভব করতে পারে না। সুখে থাকা মানুষ দুঃখের জ্বালা বোঝে না!

সৌখিন জীবনের স্বাদ পাওয়া মানুষ কখনো হতাশা আর একঘেয়েমির নিঃশব্দ কষ্টটা ছুঁয়ে দেখে না। মানুষ সবচেয়ে সহজে যেটা করে তা হলো উপদেশ দেওয়া।
বিনা পয়সায়, বিনা দ্বিধায়, নিজের জীবনের গল্পের আলোকে। কিন্তু যাকে উপদেশ দিচ্ছে, তার জীবনযুদ্ধটা ঠিক নিজের মতো কিনা, সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে দেখার প্রয়োজনটুকুও বোধ করে না।

আমরা প্রায়ই ধরে নিই, অন্যের কষ্টগুলোও আমাদের অভিজ্ঞতার মতোই হবে। অথচ সত্যটা হলো, প্রতিটি মানুষের যুদ্ধ আলাদা, প্রতিটি যন্ত্রণা আলাদা, প্রতিটি ক্ষত আলাদা গভীরতার। আসলে যার মাথা, তারই ব্যথা।

বাকিরা দূর থেকে শুধু অনুমান করে, আর দায়সারা উপদেশে দায়িত্ব শেষ করে। দুঃখীই বোঝে দুঃখের মর্ম, কাঙ্গালই বোঝে ভালোবাসার প্রকৃত মূল্য। তাই মানুষকে উপদেশ দেওয়ার আগে, একবার ভেবে দেখুন আপনি কি সত্যিই তার জায়গায় দাঁড়িয়ে আছেন? তার মতো একই পরিস্থিতি, একই অসহায়ত্ব, একই কষ্ট বয়ে চলেছেন?

না থাকলে দয়া করে উপদেশ নয়, নীরব সহানুভূতিটুকু দিন। কারণ আপনার মূল্যহীন উপদেশ ছাড়াও জীবন তার নিয়মেই চলবে। কিন্তু অপ্রয়োজনীয় কথায় কারো ক্ষত আরও গভীর হতে পারে!

লেখায়:- মোঃ ফাহাদ মিয়া🌼

2 weeks ago | [YT] | 28

Stoic Mindset For Women

যে নারীর চোখ যুগলে কাজল ঠাঁই পায়, আমি সেই নারীর চোখের নেশায় বেসামাল! সেই নারীর ছলছল চোখ পৃথিবী ভুলিয়ে দেয়।

যে নারীর হৃদয় প্রেমে টইটম্বুর, প্রেম আর আদর জমে ক্ষীর, আমি সেই নারীর প্রেমসুধা পান করতে ম*রিয়া!

যে নারী হাসির আড়ালে কষ্ট রাখে লুকিয়ে, আমি তার বুক ভেদ করে হৃদয় দেখার সাধনা করে যাই।

যে নারী নক্ষত্রের মতো, খসে পড়ে তার জীবন গতি, আমি সেই নারীকে ভালোবাসি।

অধিকারের নিশ্চয়তা যদি সেই অদৃশ্যজ্ঞানীও দিতে পারে, তবে হ্যাঁ, আমি তার প্রেমে পড়েছি। পৃথিবীর জাগতিক সবকিছুকে উপেক্ষা করে আমি শুধু তাকে চাই।

যে নারীর হাসিতে মন কাড়ে, হৃদয়ে বসন্তের আনাগোনা অবশ্যম্ভাবী হয়ে যায়, আমি সেই নারীর হাসির কাছে পরাজয় স্বীকার করি।

হৃদয় যার শাড়ির আঁচলে বাঁধা, মূহুর্তেই লণ্ডভণ্ড করে দিয়ে হৃদয়ে অসীম প্রেমের ঝড় তুলে, আমি সেই নারীর রূপে মাতোয়ারা।

2 weeks ago | [YT] | 24

Stoic Mindset For Women

যেই ঠোঁট অন্য মাইনষে ছোঁয়, হেই ঠোঁট ক্যান আমি ছুঁইমু? যেই শরীরে অন্য মাইনষে জোর খাটায়, হেই শরীর ক্যান আমি চাইমু?

দুনিয়ায় কতকিছু মানুষ সহ্য করবার পারে, তয় নিজের মাইনষের ভাগ কাউরেই দিবার পারে না! তয় আমি ক্যান দিমু?

পোড়া কপাল নিয়া জন্মাইছি, জগতের সুখ কহনো পাই নাই! যারে সুখ ভাইবা বুকে আগলাই রাখছি, হেইডাই দুঃখ অইয়া আমার জীবনডা ছারখার কইরা দিছে!

জন্মের পর থাইক্যা সুখ কি জিনিস, আমি কইবার পারুম না। সুখ বলতে আমি তো খালি তোমারেই ভাবছিলাম, তয় ক্যান আমার কপালে তুমি নাই?

শ্যাষমেশ তোমারে সুখ ভাবলাম। অহন দেহি– অহন দেহি তুমিও মেলা দুঃখ অইয়া জীবনডারে শ্যাষ কইরা দিলা!

যে তুমি অন্য মাইনষের স্বপনে থাহো, হেই তুমিরে নিয়া তো আমি স্বপন দেহুম না। আমি যা চাই, হেইডা খালি আমারই থাহন লাগবো।

জগতের বেবাক মাইনষের ভালোবাসা পাইয়া তুমি সুখী অইবার পারো, তয় আমি অইবার পারুম না। যে সুখ সবার লাইগ্যা, হেই সুখ তো আমারে হাসাইবার পারবো না।

যেই ঠোঁটে ঠোঁট রাখবার লাইগ্যা, যেই শরীরে জোর খাটাবার লাইগ্যা জগতে যুদ্ধ লাইগা যায়, আমি যে হেই যুদ্ধ করবার চাইনা। আমি যুদ্ধ চাইনা, আমি শান্তি চাই। জনম ভইরা অশান্তির অনলে পুইড়া অঙ্গার অইয়া যাইতেছি। অহন একটু শান্তি পাইলে জন্মের ঘুম ঘুমাইমু– জন্মের ঘুম ঘুমাইমু!

2 weeks ago | [YT] | 22