Syed Ahsanul Annom

আপনি কি BCS এবং অন্যান্য সরকারি চাকরির প্রস্তুতির চাপে হিমশিম খাচ্ছেন? আমি আছি আপনার পাশে।

এই চ্যানেলটি আপনার সরকারি চাকরির প্রস্তুতির সহায়তার জন্য। আপনাদের সরকারি চাকরি পাওয়ার যাত্রায় আপনার পাশে থাকাই আমার লক্ষ্য। যেন আমার করা ভুলগুলি আপনি না করেন।

এই চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন এবং আসুন, আমরা একসঙ্গে BCS সহ সরকারি চাকরির যুদ্ধ জয় করি!

আপনার বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষী
জেড, এ, সৈয়দ আহসানুল আন্নোম
৩৮ তম BCS (তথ্য) ক্যাডার
সাবেক কর পরিদর্শক, ৩৭ তম BCS নন-ক্যাডার
সাবেক ডেপুটি জেলার, ৩৬ তম BCS নন-ক্যাডার


Syed Ahsanul Annom

ইংরেজিকে আমরা সবচেয়ে বেশি ভয় পাই।
এই ভয় দূর করার উপায় জানতে আমার সাথে থাকুন আজ রাত ০৯:৩০ মিনিটে Youtube Live-এ। থাকছেন তো??

3 weeks ago | [YT] | 6

Syed Ahsanul Annom

নতুন পরীক্ষার্থীরা কিভাবে এত কম সময়ে ৫০ ত বিসিএস এর সিলেবাস কাভার করবেন!!
হতাশ লাগছে??
দেখা হচ্ছে রাত ০৯ঃ৩০ এ।
আপনি থাকছেন তো Live এ ??

4 weeks ago (edited) | [YT] | 7

Syed Ahsanul Annom

বিসিএস ক্যাডার চয়েস নিয়ে কি ডিটেইলস ভিডিও চান?
(১০০+ পজেটিভ মতামত দিলে নতুন ভিডিও নিয়ে আসবো)

1 month ago | [YT] | 6

Syed Ahsanul Annom

৫০ তম বিসিএস এ আপনার ফার্স্ট চয়েজ কি দিতে চান?

1 month ago | [YT] | 6

Syed Ahsanul Annom

আপনি কি শুধু চাকরি প্রস্তুতি না নিলে মানুষ কি বলবে!! সেজন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন?
নাকি আসলেই কোনো লক্ষ্য রয়েছে আপনার? সঠিক পরিকল্পনা প্রয়োজন?
আজকের লাইভ আপনার জন্যই।
সাথে থাকুন রাত ৯ঃ০০ টায়।।

2 months ago | [YT] | 5

Syed Ahsanul Annom

আপনি কোন জবের প্রস্তুতি নিচ্ছেন?

2 months ago | [YT] | 4

Syed Ahsanul Annom

কর্কটক্রান্তির অক্ষাংশ কত?

2 months ago | [YT] | 5

Syed Ahsanul Annom

বান্দরবান জেলা

বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে অবস্থিত বান্দরবান জেলা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর একটি জেলা। এটি চট্টগ্রাম বিভাগের অংশ এবং দেশের দক্ষিণ-পূর্ব সীমান্তে ভারতের মিজোরাম রাজ্যের সঙ্গে সংযুক্ত। বান্দরবানের নাম ‘বান্দর’ এবং ‘বান’ শব্দের সংমিশ্রণ, যার অর্থ “বান্দরের বন” বা বানরের বন।

জেলাটির মোট এলাকা প্রায় ৪,৪৭০ বর্গকিলোমিটার এবং এটি পার্বত্য এলাকার কারণে বাংলাদেশের বৃহত্তম পাহাড়ি জেলা। বান্দরবানে পাহাড়, নদী, জলপ্রপাত ও বনভূমির অপরূপ সমাহার রয়েছে। এখানকার উচুঁ পাহাড়, সবুজ ভ্যালি এবং নদী-ঝর্ণার দৃশ্য পর্যটকদের আকর্ষণ করে।

প্রশাসনিকভাবে বান্দরবান জেলায় ২টি থানা এবং ১০টি উপজেলা রয়েছে। এখানকার প্রধান উপজেলাগুলো হলো বান্দরবান সদর, থানচি, লামা, আলীকদম, রুমা, সেনবাগ, নাফখুম, মাতামুহুরি, জাফলং ও আলীকদম। জেলায় প্রধান জনগোষ্ঠী হল বাঙালি ও বিভিন্ন উপজাতি সম্প্রদায়, যেমন মারমা, চাকমা, তুলু, ম্রো ও পনু। উপজাতি সংস্কৃতি এখানে জীবন্তভাবে দেখা যায়।

অর্থনৈতিক দিক থেকে বান্দরবান প্রধানত কৃষিনির্ভর। ধান, আখ, আলু, শাকসবজি এবং ফলমূল এখানকার প্রধান চাষযোগ্য ফসল। এছাড়াও পর্যটন বান্দরবানের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বান্দরবান জেলার শ্রীমঙ্গল ও চট্টগ্রামের তুলনায় পর্যটকদের কাছে একটি প্রাকৃতিক এবং শান্তির প্রতীক।

বান্দরবানের দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে রয়েছে নীলগিরি পাহাড়, নদী ঝর্ণা, সুন্দরবন ন্যাশনাল পার্ক, থংগাম জলপ্রপাত, জাফলং ভ্যালি এবং হিমছড়ি জলপ্রপাত। এছাড়াও পাহাড়ি পথ ঘুরে দেখা গ্রাম, উপজাতিদের ঐতিহ্যবাহী জীবনধারা এবং রঙিন পোশাক পর্যটকদের মনোমুগ্ধ করে।

সড়ক ও আকাশপথে বান্দরবান দেশের অন্যান্য অঞ্চল থেকে সহজেই পৌঁছানো যায়। বান্দরবান জেলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, পাহাড়ি পরিবেশ এবং সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য একে বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন গন্তব্যে পরিণত করেছে।

2 months ago | [YT] | 1

Syed Ahsanul Annom

মানব ভূগোলের প্রধান উপাদান কোনটি ?

2 months ago | [YT] | 3

Syed Ahsanul Annom

খাগড়াছড়ি জেলা

খাগড়াছড়ি জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত চট্টগ্রাম বিভাগের একটি পার্বত্য জেলা। এটি পার্বত্য চট্টগ্রামের তিনটি জেলার একটি, অন্য দুটি হলো রাঙামাটি ও বান্দরবান। খাগড়াছড়ির আয়তন প্রায় ২,৬৯৯ বর্গকিলোমিটার। জেলার পূর্বে রাঙামাটি, পশ্চিমে চট্টগ্রাম ও ফেনী, উত্তরে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য এবং দক্ষিণে বান্দরবান জেলা অবস্থিত।

খাগড়াছড়ি জেলা ১৯৮৩ সালে স্বতন্ত্র জেলা হিসেবে গঠিত হয়। প্রশাসনিকভাবে জেলাটিতে ৯টি উপজেলা রয়েছে—খাগড়াছড়ি সদর, দীঘিনালা, মহালছড়ি, লক্ষ্মীছড়ি, মাটিরাঙ্গা, গুইমারা, পানছড়ি, রামগড় ও মানিকছড়ি। এখানকার সদর দপ্তর খাগড়াছড়ি শহরে অবস্থিত।

এ জেলার জনসংখ্যা প্রায় ৬ লক্ষাধিক, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য অংশ বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষ যেমন—চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, তঞ্চঙ্গ্যা, বম, খুমি ও পাংখোয়া জাতিগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত। পাশাপাশি বাঙালি জনগোষ্ঠীরও উপস্থিতি রয়েছে। এখানকার মানুষ পারস্পরিক সম্প্রীতিতে বসবাস করে।

অর্থনৈতিকভাবে খাগড়াছড়ি কৃষিনির্ভর জেলা হলেও এখানে ফলমূল ও শাকসবজির পাশাপাশি আদা, হলুদ, আনারস, কলা, কফি, চা ও রাবার চাষ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। পাহাড়ি অঞ্চলের প্রাকৃতিক সম্পদ, বনজ দ্রব্য ও বাঁশ এখানকার অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করেছে।

খাগড়াছড়ির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অপার। এখানে রয়েছে আলুটিলা গুহা, রিসাং ঝরনা, দেবতাখুম, নিউ মুরারীছড়া ঝরনা, মায়াবিনীর ঝরনা, এবং সুন্দর সব পাহাড়-ঝরনাময় গ্রাম। এই কারণে জেলাটি “পাহাড়ের রাণী” নামেও পরিচিত।

এ জেলার মানুষ অতিথিপরায়ণ ও সংস্কৃতিপ্রেমী। বিভিন্ন নৃগোষ্ঠীর পোশাক, উৎসব, নাচ-গান এবং রঙিন জীবনধারা খাগড়াছড়ির সংস্কৃতিকে বৈচিত্র্যময় করে তুলেছে।

সব মিলিয়ে খাগড়াছড়ি জেলা বাংলাদেশের একটি অনন্য সৌন্দর্যবহুল অঞ্চল, যেখানে প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য, সংস্কৃতি ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান একে বিশেষভাবে আকর্ষণীয় করে তুলেছে।

2 months ago | [YT] | 4