Voices of Resilience


Voices of Resilience — কম্পমান শরীরে অদম্য স্বপ্নের প্রতিধ্বনি

শরীরের প্রতিটি পেশি যেখানে বিদ্রোহ করে, পারকিনসন্স (Parkinson's Disease) যেখানে পথ রুখতে চায়, সেখান থেকেই শুরু আমার জয়ের আখ্যান। হাত-পা আজ অবাধ্য, মুখে শব্দও আটকায়—কিন্তু আমার আত্মা অপরাজেয়। আমি হার মানতে শিখিনি।

Welcome to Voices of Resilience, a digital sanctuary for the differently-abled community across Bangladesh and West Bengal.

আমাদের লক্ষ্য:
Rights & Info: দুই বাংলার প্রতিবন্ধী ভাই-বোনদের অধিকার ও সরকারি সুবিধার সঠিক তথ্য।
Parkinson’s Advocacy: যন্ত্রণাকে শক্তিতে রূপান্তরের এক জীবন্ত দলিল।
AI - My Digital Voice: এই লড়াইয়ে AI আমার শ্রেষ্ঠ বন্ধু। প্রযুক্তি না থাকলে আজকের এই 'আমি' হয়তো অন্ধকারের আড়ালেই হারিয়ে যেতাম।

"Disability is not a limit, it’s a different way of existence."

এই কঠিন যাত্রায় আমি আপনার ভালোবাসা চাই। I seek your support to build an Inclusive World. আপনার সাবস্ক্রাইব ও অনুপ্রেরণা আমার বেঁচে থাকার রসদ।

Together, we are Resilient.


Voices of Resilience

হুইলচেয়ার শুধু একটি সহায়ক উপকরণ নয়, এটি একজন মানুষের চলার স্বাধীনতা।

বাংলাদেশে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মধ্যে হুইলচেয়ার বিতরণ করা হয়। রাষ্ট্র প্রতিবন্ধী মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য এমন উদ্যোগ নিচ্ছে, এটি অবশ্যই ইতিবাচক।

কিন্তু একজন হুইলচেয়ার ব্যবহারকারী হিসেবে আমার একটি প্রশ্ন আছে:

আমরা কি শুধু একটি হুইলচেয়ার দিতে চাই, নাকি এমন একটি হুইলচেয়ার দিতে চাই যা একজন মানুষ দীর্ঘদিন নিরাপদে ও স্বাধীনভাবে ব্যবহার করতে পারবেন?

আমাদের অনেক ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতায় দেখা যায়, কিছু হুইলচেয়ার দীর্ঘস্থায়ী নয় এবং কয়েক মাসের মধ্যেই ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ে। তখন একজন মানুষ আবারও চলাচলের সংকটে পড়েন।

একজন প্রতিবন্ধী ব্যক্তির জন্য একটি ভালো মানের হুইলচেয়ার মানে শুধু আরাম নয়।
এটি তার স্বাধীনতা, গতি, শিক্ষা, কর্মসংস্থান, আত্মনির্ভরতা এবং সামাজিক অংশগ্রহণের সুযোগ।

তাই আমার দাবি খুব সাধারণ:

সরকারি হুইলচেয়ার বিতরণে শুধু সংখ্যার দিকে নয়, মানের দিকেও গুরুত্ব দিতে হবে।

ব্যবহারকারীর প্রয়োজন অনুযায়ী হুইলচেয়ার নির্বাচন, মানসম্মত পণ্য, ব্যবহারকারীর মতামত, সঠিক ফিটিং এবং বিক্রয়-পরবর্তী রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

আমরা সরকারের ভালো উদ্যোগের প্রশংসা করি। একই সঙ্গে চাই, সেই উদ্যোগ আরও কার্যকর ও টেকসই হোক।

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য নয়, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সঙ্গে নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হোক।

একটি ভালো মানের হুইলচেয়ার একজন মানুষের জীবনকে থামিয়ে রাখে না, বরং তাকে আরও দ্রুত এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দেয়।

মানসম্মত সহায়ক উপকরণ কোনো বিলাসিতা নয়। এটি অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।

#DisabilityInclusion #WheelchairAccess #AssistiveTechnology #Inclusive #DisabilityRights #Accessibility

1 week ago | [YT] | 3

Voices of Resilience

প্রতিবন্ধী ভাতা কবে আসবে....?
.
.
.
.
.
🚨 প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা অপেক্ষায় আছে কবে ভাতা আসবে কিন্তু এখনও এলো না....😭

1 week ago | [YT] | 4

Voices of Resilience

আজ বিকেলে মামার বাড়ি থেকে পা বাড়ালাম হাকালুকি হাওরের জিরো পয়েন্টের পথে। পথের নীরবতা, হাওরের মায়াবী বিস্তার আর মৃদু বাতাস—সব মিলিয়ে মনে হলো, প্রকৃতি আজ নিঃশব্দে বুকের ভেতর একটু শান্তি লিখে দিল।

2 weeks ago | [YT] | 4

Voices of Resilience

নুসরাত হত্যা মামলায় প্রদত্ত উচ্চ আদালতের রায়ের বিষয়ে গণমাধ্যমের শিরোনামগুলো কপি-পেস্টের মতো লাগছে!

বিচারকের বিচারিক ক্ষমতা কেড়ে নেয়ার বিষয়টিই এই চঞ্চল্যকর হত্যা মামলার রায়ের শিরোনাম হলো কোন বিচারে? অধঃস্তন আদালতের রায়ে দন্ডিত ১০ জনের বেকসুর খালাস পাওয়ার বিষয়টিই তো শিরোনাম হতে পারত! সেই বাতাস ঘুরিয়ে দিয়ে বিচারকের উপরে আরোপিত দন্ডটিই শিরোনাম হলো কেনো? এটি কি নির্দেশিত ও আদিষ্ট হয়ে গণমাধ্যম করেছে? তা না হলে সকল গণমাধ্যমের একই নিউজ টাইটেল হবার কথা না।

অধঃস্তন আদালতে ”পিলো পাসিং” কালচার সীমাহীন পর্যায়ে চলে যাওয়ায় আমি নিজেই অনেকবার অসন্তোষ প্রকাশ করে লিখালিখি করেছি। উচ্চ আদালতের আজকের রায়ে দেয়া অবজারভেশনে সেই পিলো পাসিং বা জুডিশিয়াল মাইন্ড এপ্লাই না করে ”আপিলে যা হবার হবে” এই ভেবে যেনতেনভাবে রায় বা আদেশ দেয়ার যে ভয়ঙ্কর সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে সেটির একটা সত্যতা পাওয়া গেলেও, আমি নুসরাত মামলার রায়ে অধঃস্তন আদালতের বিচারকের বিচারকি ক্ষমতা কেড়ে নেয়ার বিষয়টির সাথে একমত হতে পারছি না। উক্ত বিচারককে সতর্ক করা যেত, বিচারিক ক্ষমতা কেড়ে নেয়াটা অন্তত নুসরাত হত্যা মামলার প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত বলে মনে করছি। কেনো এমনটা মনে করছি?

প্রতি বছর কয়েক হাজার হত্যা, ধর্ষণ সহ পৈচাশিক ঘটনায় বিবিন্ন আদালতে মামলা দায়ের হয়ে থাকে। এগুলোর মধ্য থেকে বেছে বেছে গড়ে ১০/১২ জন মহা সৌভাগ্যবান ভিকটিমের ঘটনাতে মিডিয়ার ঝড় উঠে থাকে। এই ঝড়ে জনরোষ তৈরী হয়। জনরোষের ঢেউ আদালতের উপরে গিয়ে পরে এবং অধিকাংশ চাঞ্চল্যকর মামলায় বিচারকের রায় জনরোষের দ্বারা খুব স্বাভাবিক কারণেই প্রভাবিত হয়।

তাত্বিকভাবে বিচারকদের আমরা “সৃস্টিকর্তার প্রতিনিধি” হিসেবে বিবেচনা করে তাদের নিকট থেকে সেই লেভেলের ভূমিকা প্রত্যাশা করলেও বাস্তবতা হলো বিচারক শ্রেফ একজন মানুষ, প্রতিনিধি-টনিতিধি তিনি নহেন। তার পরিবার আছে। তার জীবন ও জীবীকার বিষয়টা সমাজের আর দশজন মানুষের মতোই! সৃষ্টিকর্তার প্রতিনিধি ভাবলেও তিনি সৃষ্টিকর্তার কোনো বিশেষ সুবিধা কিন্তু পান না! যেমন: কোনো খুণী কে কোনো এক সকালে ফাঁসির রায় দিয়ে বাসায় ফিরে যখন সাধারণ মানুষের মতোই পায়ে হেঁটে বা রিক্সায় চড়ে বাজার করতে যান বিকাল বেলায় তখন ফাঁসির আদেশপ্রাপ্ত ব্যক্তির ক্ষুব্ধ স্বজনদের আক্রমনের মুখোমুখি হলে আলিফ-লায়লার গল্পের মতো কোনো ম্যাজিকেল যায়নামাজ এসে সেই বিজ্ঞ বিচারক কে কিন্তু উড়িয়ে সেইফলি বাসায় ফিরিয়ে আনে না! আবার সৃষ্টিকর্তার সরাসরি এমন হস্তক্ষেপে বেঁচে যাবার সুযোগ না থাকায় রাষ্ট্রও কিন্তু বিশেষ কোনো সুবিধা দেন না! নিজের টাকা দিয়ে গাড়ি কিনলে দুদক ধরে, সরকারের গাড়ি পাইতে কুড়ি বছর সময় লাগে! এই যখন অবস্থা তখন বিচারকের নিকট থেকে আমরা প্রভাবমুক্ত রায় কিভাবে আশা করতে পারি?

এবার নুসরাত হত্যার ঘটনায় অধঃস্তন আদালতের রায় প্রদানকারী বিচারকের কথা ভাবুন। ঘটনাটি যে লেভেলের আলোড়ন তুলেছিলো সেই অবস্থায় মহামান্য উচ্চ আদালত আজকে যে রায় দিয়েছেন সেই রায়টি দেয়া হলে নিশ্চিত বিচারকের বিরুদ্ধে ঘুষ-দুর্ণীতির অভিযোগের শিরোনামই হতো! স্বেচ্ছায় হোক, আদিষ্ট হয়ে হোক- গণমাধ্যম বিচারকের মুন্ডুপাত করতই!

বেচারা যাবে কোথায়?

সবচেয়ে বড় কথা, মেয়েটির সাথে যেভাবে নারকীয় অপরাধ সংঘটিত হয়েছিলো সেটি সংঘটনের জন্য যে লেভেলের এফোর্ট অপরাধীদের দিতে হয়েছিলো সেটার রিফ্লেকশন দু’টো জল্লাদের ফাঁসির আদেশে হয় না! অপরাধটা মাত্র দুইজনের ফাঁসির আদেশ টেকার অপরাধের চাইতে গুরুতর।

যাদের মৃত্যুদন্ডের বদলে যাবজ্জীবন দেয়া হয়েছে তাদের রায়টা মেনে নিতে পারলেও আমি মনেকরি “বেকসুর খালাস” প্রাপ্তদের বিষয়ে মাহামান্য উচ্চ আদালতের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করা জরুরী। অপরাধের সাথে যে যতটুকু পরিমানে সম্পৃক্ত হয়েছে তাকে ততটুকু সাজা দেয়া হোক, কিন্তু খালাস নয়।

নুসরাত হত্যার সাথে একটা পুরো ইন্সটিটিউশন এমন কি পুলিশ সদস্যরা সম্পৃক্ত হয়ে পরেছিলো। তাদের কারো দায় হয়তো কেরোসিন ঢালা বা আগুন লাগানোর সাথে সরাসরি প্রমানীত হয়নি, নুসরাতের মায়ের অভিযোগে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ না করার মাধ্যমে নুসরাত কে হত্যাযোগ্য করে তোলার জন্য যথেষ্ট দায় তাদের উপরে আরোপিত হওয়া সমীচিন।

অন্যথায়, দেশে খুণের যে মহোৎসব- সেটা কোনোভাবেই লাগাম দেয়া যাবে না।

Rejaul Karim Siddiquee

2 weeks ago | [YT] | 2

Voices of Resilience

আপনারা ছবিতে যে বইটি দেখতে পাচ্ছেন, সেটি একটি ব্রেইল বই। দূর থেকে দেখে হয়তো মনে হতে পারে—এ তো একটি সাদা পৃষ্ঠা, এতে আবার কী লেখা আছে! কিন্তু এটি কোনো সাদা পৃষ্ঠা নয়; এই পাতাজুড়ে রয়েছে অসংখ্য ব্রেইল ডট, যা স্পর্শের মাধ্যমে পড়েন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মানুষ।

যেখানে চোখে দেখা যায় না, সেখানে স্পর্শই হয়ে ওঠে পড়ার ভাষা। একটি ছোট্ট ব্রেইল ডট একজন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মানুষের কাছে হতে পারে একটি অক্ষর, একটি শব্দ, এমনকি একটি নতুন জগতের দরজা।

ব্রেইল শুধু কয়েকটি উঁচু বিন্দু নয়—এটি শিক্ষা, জ্ঞান, স্বাধীনতা ও স্বপ্ন দেখার অধিকার। আমরা ব্রেইল সম্পর্কে জানি, এর গুরুত্ব বুঝি এবং দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মানুষের শিক্ষার অধিকার ও অন্তর্ভুক্তির প্রতি আরও সচেতন হই। ❤️

2 weeks ago | [YT] | 2

Voices of Resilience

ছোটদের আয়োজনটা ছিল আকারে ছোট, অথচ আনন্দে ছিল বিশাল—কাঁচি বিরিয়ানি। নিজেদের হাতে বাজার করা, মুষলধারে বৃষ্টি, তীব্র বাতাস, বারবার বিদ্যুতের লুকোচুরি—সবকিছুকে উপেক্ষা করে মোবাইলের আলোয় পরিত্যক্ত কুঁড়েঘরের বাইরে তাদের রান্না। প্রতিকূলতার মাঝেও সেই বিরিয়ানি হয়ে উঠেছিল অসাধারণ সুস্বাদু—স্বাদে যেমন তৃপ্তি, তেমনি স্মৃতিতে মিশে থাকা এক টুকরো নির্মল আনন্দ।

2 weeks ago | [YT] | 1

Voices of Resilience

বাংলাদেশে প্রতিবন্ধী মানুষের স্বনির্ভরতার কথা আমরা অনেক বলি। কিন্তু বাস্তবে একজন প্রতিবন্ধী মানুষ যখন শিক্ষা শেষ করে চাকরি করতে চান, তখন তার সামনে একের পর এক বাধা এসে দাঁড়ায়।

একজন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ব্যক্তি সরকারি চাকরির পরীক্ষায় অংশ নিতে চাইলে অনেক সময় ভাইভা পর্যন্ত পৌঁছানোই কঠিন হয়ে যায়। পরীক্ষার ব্যবস্থা, প্রশ্নপত্র, সহায়ক প্রযুক্তি, শ্রুতিলেখক বা প্রয়োজনীয় যুক্তিসঙ্গত ব্যবস্থা নিয়ে নানা জটিলতার মুখোমুখি হতে হয়।

আবার একজন হুইলচেয়ার ব্যবহারকারী চাকরি পেলেও সমস্যা শেষ হয় না।

অফিস বা কারখানায় ঢোকার জন্য র‍্যাম্প নেই।
হুইলচেয়ার নিয়ে চলাচলের পর্যাপ্ত জায়গা নেই।
ব্যবহারযোগ্য অ্যাক্সেসিবল টয়লেট নেই।
কর্মস্থলের পরিবেশ অনেক সময় হুইলচেয়ার ব্যবহারকারীর জন্য উপযোগী নয়।

তারপর আছে সবচেয়ে বড় বাস্তব সমস্যা, যাতায়াত।

পাবলিক বাসে ওঠার ব্যবস্থা নেই, ফুটপাত ও রাস্তা ব্যবহার করা কঠিন, গণপরিবহনে নিরাপদ ও স্বাধীনভাবে চলাচলের সুযোগ সীমিত।

তাহলে আমরা একজন প্রতিবন্ধী মানুষকে কীভাবে বলব,
“আপনি স্বনির্ভর হন, চাকরি করুন, নিজের পায়ে দাঁড়ান”?

শুধু চাকরির কোটা বা নিয়োগের সুযোগ দিলেই অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত হয় না।

চাকরির পরীক্ষায় প্রবেশাধিকার থেকে শুরু করে ভাইভা, কর্মস্থলে প্রবেশ, টয়লেট, কর্মপরিবেশ এবং বাসা থেকে কর্মস্থলে যাতায়াত পর্যন্ত পুরো ব্যবস্থাটাকেই প্রতিবন্ধীবান্ধব করতে হবে।

প্রতিবন্ধী মানুষকে কর্মসংস্থানের সুযোগ দিয়ে যদি কর্মস্থলে পৌঁছানোর পথটাই বন্ধ করে রাখা হয়, তাহলে সেই সুযোগ বাস্তবে কতটা অর্থবহ?

আমাদের প্রয়োজন করুণা নয়,
প্রয়োজন অ্যাক্সেসিবিলিটি এবং যুক্তিসঙ্গত ব্যবস্থা।

একজন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মানুষ যেন যোগ্যতার ভিত্তিতে চাকরির প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারেন।

একজন হুইলচেয়ার ব্যবহারকারী যেন নির্বিঘ্নে অফিস বা কারখানায় ঢুকতে পারেন, কাজ করতে পারেন এবং অ্যাক্সেসিবল টয়লেট ব্যবহার করতে পারেন।

আর প্রত্যেক প্রতিবন্ধী মানুষ যেন নিরাপদ ও স্বাধীনভাবে কর্মস্থলে যাতায়াত করতে পারেন।

কর্মসংস্থান শুধু নিয়োগপত্র দেওয়ার নাম নয়।
কর্মসংস্থান মানে কাজ করার মতো একটি সম্পূর্ণ পরিবেশ তৈরি করা।

বাংলাদেশ যদি সত্যিই প্রতিবন্ধী মানুষের স্বনির্ভরতা চায়, তাহলে আমাদের এখন প্রশ্ন করতে হবে:

চাকরি দেওয়ার আগে নয়, চাকরি করার পুরো পথটাকে আমরা কতটা প্রতিবন্ধীবান্ধব করেছি?

এই পরিবর্তন শুধু প্রতিবন্ধী মানুষের জন্য নয়।
এটি একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের জন্য।

#প্রতিবন্ধীঅধিকার #Accessibility #DisabilityInclusion #চাকরিরঅধিকার #প্রতিবন্ধীমানুষ #স্বনির্ভরতা #Inclusive

2 weeks ago | [YT] | 8

Voices of Resilience

একজন ব্যক্তি তখনই সফল হয় যখন সে নিজের প্যারাডাইম (PARADIGM) দিয়ে কাজ করে। আর আমরা প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা নিজের প্যারাডাইম সম্পর্কে খুব বেশি কিছু জানিও না। অন্যের কিছু মন্তব্যের মাঝে শুধুমাত্র নিজেকে খুঁজে বেড়ায়।

2 weeks ago | [YT] | 7

Voices of Resilience

বেতনভুক্ত সৈনিক দিয়ে যুদ্ধ জয় করা সম্ভব হয় না। যুদ্ধটা সৈনিকরা তখনই জিতে যখন বেতনের বিনিময়ে গুলি না ছোঁড়ে, যুদ্ধ জয়ের নেশায়, প্রতিশোধের আগুন নেভাতে ও বীরত্বের স্মারক হিসেবে গুলি ছোঁড়ে!

অধিকার আদায়ের লড়াইটাও একটা বিরাট যুদ্ধ! এই যুদ্ধে যদি অধিকার লঙ্ঘনকারীদের লালিত-পালিত ও সুবিধাভোগিরা সৈনিক হিসেবে যুক্ত হয় তাহলে যুদ্ধ জয় হবেনা।

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার আদায়ের যুদ্ধে যারা জড়িত আছেন তারা লক্ষ্য রাখবেন আপনার সহযোদ্ধাটি কোনোভাবে এমন কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী বা সংস্থার সুবিধাভোগি কি-না যারা নিজেরাই প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার লঙ্ঘনের জন্য অভিযুক্ত!

এই অভিযুক্ত সংস্থা/ব্যক্তি/গোষ্ঠী নিজেদের অপরাধ আড়াল করার জন্য খুব চালাকির সাথে আমাদের মধ্য থেকেই এমন কিছু মডেল বা টোকেন টাইপের সৈনিক তৈরী করেছে যাদের কথায় মনে হবে অনেক ধার- কিন্তু অভিযুক্ত প্রভূর শেখানো কথার বাহিরে তারা কখনোই কথা বলতে পারে না।

মডেল বা টোকেন টাইপের এই জাঁদরেল সৈনিকদের বিষয়ে সাবধান থাকুন।

- Rejaul Karim Siddiquee

2 weeks ago | [YT] | 7

Voices of Resilience

”পুতুল নাচ” চলছেই!

একপাল পুতুল নিয়ে এই যে নৃশংস পুতুল নাচের উৎসব- এটা বন্ধ না হলে দেশে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার কখনোই বাস্তবায়িত হবে না।

দেখুন, যে সংস্থাটি এই কথিত সমতার বাংলাদেশ- এর ধারক সে সংস্থাটি পরিচালিত হয় অ-প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের দ্বারা। যিনি সমতার বাংলাদেশ এর হর্তাকর্তা তিনিও একজন অ-প্রতিবন্ধী ব্যক্তি। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগ্রহণ প্রক্রিয়ায় জড়িত এইসব সংগঠন অ-প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নেতৃত্বে চলার কারণে শুধু প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকারের ক্ষতিই হচ্ছে না, চিত্রটি বেশ দৃষ্টিকটূ, বিশ্রী ও লজ্বাস্কর!

নারীর অধিকার নিয়ে যে সংগঠন কাজ করে, নারীর অধিকার বিষয়ক সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে সেই সংগঠনে আমরা নারীদের প্রাধান্য দেখতে পছন্দ করি। কারণ, নারীদের বিষয়ে বেস্ট ডিসিশন নেয়ার জন্য নারীকেই থাকতে হবে সেন্টারে-ফ্রন্টে-রাইটে-লেফ্টে এটাই হওয়া উচিৎ।

কিন্তু প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নিয়ে যে সকল সংস্থা কাজ করে- তাদের ক্ষেত্রে কেনো আমরা নেতৃত্বে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের দেখতে পছন্দ করি না? এই প্রশ্নের উত্তর সহজ! কেউ কি নিজের আসন ছেড়ে দিয়ে অন্যের আসন রেডি করতে চায়? প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নেতৃত্বে বসালে অ-প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের আসনটা যে কমে যাবে! কেউ কি নিজের আসন ছেড়ে দিতে চায়? তাই এ বিষয়ে আওয়াজ নেই! হিসাব সোজা!

যাইহোক।

অ-প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নিয়ন্ত্রিত সংস্থাটি/গুলো নিজেদের ডিজাইনের প্রজেক্ট বাস্তবায়নের জন্য ”সংসদীয় ককাস” গঠনের জন্য উঠেপরে লেগেছেন। আর সেই অর্থহীন কাজে রাবার স্ট্যাম্প হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছেন আমাদেরই প্রিয় কিছু ভাই-বোন-বন্ধু।

রাবার স্ট্যাম্প কি- জানেন তো?
রাবার স্ট্যাম্পের নিজের কোনো বক্তব্য নেই। অন্যের বক্তব্যের উপরে “সীল” হয়ে সম্মতির চিহ্ন হিসেবেই শুধু রাবার স্ট্যাম্প ব্যবহৃত হয়।
রাবার স্ট্যাম্প হিসেবে ব্যবহৃত হওয়া একজন মানুষের জন্য ভীষণ অসম্মানজনক। তবু নিষ্ঠুরভাবে আমাদের প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের রাবার স্ট্যাম্প হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছেই!

সংসদীয় ককাস গঠনের জন্য জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পীকার মহোদয়ের সাথে আজ সাক্ষাত-সভা করা হলো। যারা সাক্ষাৎ করলেন তারা কাদের প্রতিনিধিত্ব করলেন? সংসদীয় কাকাসের মতো একটা ক্ষতিকর জিনিস গঠন করার জন্য এডভোকেসি করলেন- গোটাদেশের প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সম্পৃক্ততা কিভাবে নিশ্চিত করলেন? অধিকাংশের মতামত ছাড়াই এমন একটা ক্ষতিকর এজেন্সি খোলার এডভোকেসির এখতিয়ার কি আপনাদের আদৌ আছে?

যাইহোক।

এই সংসদীয় ককাস আসলে কি?
সংসদীয় ককাসের আদৌ কোনো প্রয়োজনীয়তা আছে?
সংসদীয় ককাসের জন্য তারা এতটা মরিয়া কেনো?

আমাদের প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সুরক্ষার জন্য জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে গোটা দেশের ৬৪টা জেলায় ৬৪ টা সুরক্ষা কমিটি আছে। আইন মোতাবেক প্রতিটা জেলা কমিটি তে একজন করে সংসদ সদস্য উপদেষ্টা হিসেবে থাকার কথা। তার মানে ৩৫০ জন সংসদ সদস্যের মধ্যে অন্তত ৬৪ জন এমপি আমাদের প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সুরক্ষা কমিটির উপদেষ্টা হিসেবে তৎপর থাকার কথা।

যেখানে আইনানুযায়ী ৬৪ জন সংসদ সদস্য নিয়োজিত সেখানে পৃথকভাবে কয়েকজন সংসদ সদস্যদের নিয়ে ককাস করার দরকার কি? আইনী বিধান কে বাইপাস করে সংসদ সদস্যদের নিয়ে পৃথক ফোরাম করার এই তোরজোরের অর্থ কি? ৬৪ জন সংসদ সদস্যদের তৎপরতা বৃদ্ধির প্রচেষ্টা না করে নিজেদের ভাবমতো নতুন সংসদীয় ককাস কেনো? এইসব প্রশ্নের উত্তর পাবেন অতীতের ককাস ও সেই ককাসের কাজকর্ম যদি পর্যবেক্ষণ করেন, তবেই!

কতিপয় ব্যক্তির বিশেষ হীন উদ্দেশ্যে সরকার ও সরকারি লোকদের সাথে ঘনিষ্টতা বাড়িয়ে নেয়ার একটা মেশিন হিসেবেই মূলত এই ককাস কাজ করে। মুস্টিমেয় কিছু সংসদ সদস্যের সাথে খাতির জমিয়ে, মন্ত্রণালয় ও সচিবালয়ে দাপিয়ে বেড়ানো ছাড়া, বিশেষ এজেন্ডা বাস্তবায়ন ছাড়া অতিতে কাকাসের কোনো ফাংশন ছিলো না। অতিতের ককাসের লোকদেরকেই নতুন কাকাস গঠনের জন্য বেশি দৌড়ঝাপ দেখা যাচ্ছে।

৬৪ জন সংসদ সদস্য কে জেলা কমিটিতে ভূমিকা রাখতে বাধ্য করার চাইতে কাকাসের প্রতি আগ্রহ কেনো- তা স্পষ্টতই বোধগম্য!

অপ্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ইচ্ছে পূরণের জন্য পুতুল সমাবেশে হাজিরা দিয়ে আমাদের প্রিয় ভাই-বোন-বন্ধুরা আমাদের প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের বৃহত্তর স্বার্থের ক্ষতি করে চলেছেন।

আমি আশা করব তারা দ্রুতই এই কথিত সংসদীয় ককাস গঠনের পথ থেকে সরে আসবেন।

সেই সাথে মাননীয় স্পীকার মহোদয় সহ সকল পলিসিমেকারদের অনুরোধ করব কাকাসের মতো একটি দুরভিসন্ধিমূলক কাজে জড়িয়ে সংসদের রিসোর্স বিনষ্ট করবেন না।

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য পৃথক সংসদীয় ককাস আইন অনুযায়ী গঠিত সুরক্ষা কমিটি ও ৬৪ জন সংসদ সদস্যের মর্যাদার জন্যও ক্ষতিকর হবে!

- Rejaul Karim Siddiquee

2 weeks ago | [YT] | 5