(৬ই জুন ২০২৩ য়ে আমার মূল ইংরেজি লেখা “ End of Common Worldly Consensus” থেকে বাংলায় অনুবাদ করা) ।
এক দশক আগেও সাধারণ সমাজে যেসব বিষয় ও মূল্যবোধগুলো মৌলিক ও অপরিবর্তনীয় বলে মনে হতো, সেগুলো নিয়ে এখন আর মানুষের মধ্যে কোনও সাধারণ ঐকমত্য থাকছে না এবং আরোই থাকবে না আগামীদিনে । এখন প্রত্যেকের "সত্য" দিন দিন হয়ে উঠছে "ব্যক্তিগতভাবে(customised ) বাছাই করা তথ্য"-নির্ভর। এই ব্যাপারটি এখনও তার সদ্যকৈশোরে আছে তবে তা অতি দ্রুতগতিতে বাড়ছে।
আজ আর “সত্য” শুধু সত্য নয়…. সেগুলো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর ইগো, পক্ষপাত বা চেতনার স্তরের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে। এখন একজন মানুষের জানা "সত্য" সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রিত হয় মিডিয়া দ্বারা—তাকে কি ধরনের কাস্টমাইজড তথ্য খাওয়ানো হচ্ছে, তার উপর তা নির্ভর করে । এটি আমার গভীর পর্যবেক্ষণের ফল, এবং আমি এটিকে ভাল বা খারাপ জাতীয় কোনও বিশেষ দৃষ্টিকোণ থেকে দেখছি না।
সাধারণ বা নিচস্থ দুনিয়ার দিক থেকে দেখলে, এটি হল অতি সুপরিকল্পিত কর্পোরেট মিডিয়া ম্যানিপুলেশন ও মাস মাইন্ড প্রোগ্রামিংয়ের ফল। প্রতিটি মানুষের জন্য "ব্যক্তিগত তথ্যের বাবল" তৈরি করা হচ্ছে—সযত্নে বাছাই করা তথ্য দিয়ে, যা একজন ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর ইগো, অহংকার ও অবচেতন প্রবণতার সাথে মিলে যায়। এর লক্ষ্য হলো মানুষকে বিভিন্ন শ্রেণীতে বিভক্ত করে তাদের মধ্যে একটি কৃত্রিম পরিচয় ও ব্যক্তিত্ব তৈরি করা, যাতে তাদের "কাস্টমাইজড সত্য"-এর ভিত্তিতে আলাদা করে ফেলা যায় এবং একে অপরকে ঘৃণা করতে প্ররোচিত করা যায়। এই প্রক্রিয়া দিন দিন আরও সূক্ষ্ম ও নির্ভুল হয়ে উঠছে, উন্নত AI ও অ্যালগরিদম ব্যবস্থার মাধ্যমে। তাই বৃহত্তর ঐকমত্য বা দীর্ঘস্থায়ী সাধারণ লক্ষ্যকেন্দ্রিক আন্দোলন এখন শুধু কল্পনা বা অতীতের গল্প। শুধু ভয় বা লোভভিত্তিক প্রপাগান্ডা, যা বৃহৎ কর্পোরেট বা রাষ্ট্রীয় চালিকাশক্তি তাদের গোপন ও স্বার্থসিদ্ধির জন্য চালায়, সেগুলোই এখন কার্যকর হতে থাকবে।
যত বেশি পরিচয়ের বিভাজন ও ঘৃণা, তত বেশি নির্ভরতা সেই "পছন্দের প্রভাবশালীদের" উপর। যত বেশি মানসিক বিচ্ছিন্নতা, তত বেশি লাভ সেইসব লোকের, যারা এই বিভাজনের বাক্সগুলো তৈরি করছে।
কিন্তু আরও গূঢ় বা উচ্চতর চেতনার দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে, এই পরিস্থিতি একরকম অবশ্যম্ভাবী। সময় বদলাচ্ছে, গ্রহের চেতনা বদলাচ্ছে, সমাজের পুরনো, অনড়, পরিবর্তনের প্রবল ঝড়ে একমাত্রিক বাস্তবতার গভীর সংস্কারগুলি মানুষের অবচেতন থেকে উপড়ে যাচ্ছে। সত্যের নতুন নতুন জগত খুলে যাচ্ছে। বিভিন্ন মাত্রা, বিভিন্ন কম-বেশি কম্পাঙ্কের তরঙ্গ, ভিন্ন ভিন্ন চেতনার স্তরের মানুষের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পুরনো ম্যাট্রিক্সের আবরণ উঠে যাচ্ছে, তৈরি হচ্ছে নতুন ও পরিবর্তিত ম্যাট্রিক্সের অগুন্তি জাল। এটি একই সাথে চরম বিশৃঙ্খলা, ধ্বংস এবং রূপান্তর ও বিবর্তনের সময়। পুরনো বিশ্বের ভারসাম্য ভেঙে পড়ছে, এবং এর ভরকেন্দ্র দ্রুত সরে যাচ্ছে।
নিম্ন ও সাধারণ চেতনার মানুষ, যারা সিস্টেম-প্রোগ্রাম্ড বুদ্ধিতে চলেন, তারা বুঝতেই পারছেন না কী ঘটছে। তাদের বাস্তবতার অসঙ্গতি তাদের ভীতসন্ত্রস্ত করে তুলছে। তারা যে যুক্তিগুলোর নিরিখে এই পৃথিবীকে চিনতেন, তা অকল্পনীয় গতিতে ভেঙে পড়ছে, এবং তাদের অনিশ্চয়তাজনিত আতঙ্ক চরমে চলে যাচ্ছে। মানুষ আঁকড়ে ধরতে চাইছে তাদের পুরনো বিশ্বাস ব্যবস্থাকে, যাই হোক না কেন, এবং তাদের পুরনো নিরাপত্তা ব্যবস্থা, তা সে যতই নিম্নমানের হোক না কেন, ধরে রাখতে আক্রমণাত্মক হয়ে উঠছে। ফলে আতঙ্ক, বিশৃঙ্খলা, অবিশ্বাস ও আগ্রাসন দিন দিন বাড়ছে।
বাস্তবে, এই মহাজাগতিক পরিবর্তনের সময়ে বিভিন্ন কম-বেশি কম্পাঙ্ক, বিভিন্ন মাত্রার (ইতিবাচক ও নেতিবাচক) কম্পন একে অপরের সাথে জড়িয়ে যাচ্ছে এবং মানুষের অবচেতন ও মানসিক গঠনের উপর ভিত্তি করে সম্পূর্ণ ভিন্ন, কখনও পরস্পরবিরোধী অস্তিত্বের ছবি তৈরি করছে।
বাইরে থেকে দেখলে, এই পরিস্থিতি ভয়ঙ্কর, উত্তেজনাপূর্ণ ও প্রবল চাপ সৃষ্টিকারী মনে হয়—ব্যক্তি ও গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ অনিবার্য বলে মনে হয়। কিন্তু গভীর ও উচ্চতর চেতনার দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখলে, এটি সম্পূর্ণ বিপরীত। আমরা যত শান্ত, স্থির, সচেতন ও নির্লিপ্ত থাকতে পারব, এই রূপান্তর তত মসৃণ হবে। ঘর্ষণ, যা অনিবার্য, তা থাকবেই, কিন্তু তার প্রভাব অনেক কম ক্ষতিকর হবে এবং সম্ভবত আমাদের অন্যভাবে চেতনার উন্নতির দিকে নিয়ে যাবে।
বর্তমান দেহ ও মনের পক্ষে এটি সঙ্গে সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া একেবারেই সহজ নয়, কিন্তু অসম্ভবও নয়। এর জন্য আমাদের -
তর্কের বদলে, আরও শান্ত বা নীরব হতে হবে ;
অসহিষ্ণু প্রতিক্রিয়াশীল হওয়ার বদলে আরও দায়িত্বশীল স্থিতিস্থাপক হতে হবে ;
বিচার করার বদলে যথাযথভাবে বুঝতে হবে ;
সারাক্ষণ গা-জোয়ারি সঠিক হওয়ার চেয়ে জিজ্ঞাসু ও গ্রহণশীল হতে হবে ;
এবং সর্বোপরি, সত্যিকারের অর্থে আরও সচেতন হতে হবে।
বাইরের পরিস্থিতি যত মনের টানকে বাইরের দিকে নিয়ে যাবে, মন ততই বিচ্ছিন্ন ও বিশৃঙ্খল হয়ে পড়বে। যতই মন ভেতরের দিকে, শান্ত ও গভীরভাবে কেন্দ্রীভূত হবে, ততই স্বচ্ছতা ও সমতা আসবে। সরল, নির্দোষ, সাধারণ ঐকমত্যের দিন—যেখানে জীবন ও বিশ্ব সম্পর্কে অভিন্ন ও মৌলিক ধারণা ছিল—তা এখন শেষ। সম্ভবত আমাদের মন ও চেতনাকে আরও বিস্তৃত, সুদূরপ্রসারী, বৈচিত্র্যময় ও গভীর সম্ভাবনার দিকে খুলে দেওয়ার সময় এসেছে।
তাই এসো পুরনো দিনের নিরাপত্তার সিটবেল্ট আলাগা করে দিয়ে , নতুন উড়ানের জন্য প্রস্তুত হই আমরা ।
DHRUBOSCOPE CREATION - A debjit bera Initiative
7 months ago | [YT] | 3
View 0 replies
DHRUBOSCOPE CREATION - A debjit bera Initiative
# সাধারণ বিশ্বাসযোগ্য ঐকমত্যের দিন শেষ #
(৬ই জুন ২০২৩ য়ে আমার মূল ইংরেজি লেখা “ End of Common Worldly Consensus” থেকে বাংলায় অনুবাদ করা) ।
এক দশক আগেও সাধারণ সমাজে যেসব বিষয় ও মূল্যবোধগুলো মৌলিক ও অপরিবর্তনীয় বলে মনে হতো, সেগুলো নিয়ে এখন আর মানুষের মধ্যে কোনও সাধারণ ঐকমত্য থাকছে না এবং আরোই থাকবে না আগামীদিনে । এখন প্রত্যেকের "সত্য" দিন দিন হয়ে উঠছে "ব্যক্তিগতভাবে(customised ) বাছাই করা তথ্য"-নির্ভর। এই ব্যাপারটি এখনও তার সদ্যকৈশোরে আছে তবে তা অতি দ্রুতগতিতে বাড়ছে।
আজ আর “সত্য” শুধু সত্য নয়…. সেগুলো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর ইগো, পক্ষপাত বা চেতনার স্তরের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে। এখন একজন মানুষের জানা "সত্য" সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রিত হয় মিডিয়া দ্বারা—তাকে কি ধরনের কাস্টমাইজড তথ্য খাওয়ানো হচ্ছে, তার উপর তা নির্ভর করে । এটি আমার গভীর পর্যবেক্ষণের ফল, এবং আমি এটিকে ভাল বা খারাপ জাতীয় কোনও বিশেষ দৃষ্টিকোণ থেকে দেখছি না।
সাধারণ বা নিচস্থ দুনিয়ার দিক থেকে দেখলে, এটি হল অতি সুপরিকল্পিত কর্পোরেট মিডিয়া ম্যানিপুলেশন ও মাস মাইন্ড প্রোগ্রামিংয়ের ফল। প্রতিটি মানুষের জন্য "ব্যক্তিগত তথ্যের বাবল" তৈরি করা হচ্ছে—সযত্নে বাছাই করা তথ্য দিয়ে, যা একজন ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর ইগো, অহংকার ও অবচেতন প্রবণতার সাথে মিলে যায়। এর লক্ষ্য হলো মানুষকে বিভিন্ন শ্রেণীতে বিভক্ত করে তাদের মধ্যে একটি কৃত্রিম পরিচয় ও ব্যক্তিত্ব তৈরি করা, যাতে তাদের "কাস্টমাইজড সত্য"-এর ভিত্তিতে আলাদা করে ফেলা যায় এবং একে অপরকে ঘৃণা করতে প্ররোচিত করা যায়। এই প্রক্রিয়া দিন দিন আরও সূক্ষ্ম ও নির্ভুল হয়ে উঠছে, উন্নত AI ও অ্যালগরিদম ব্যবস্থার মাধ্যমে। তাই বৃহত্তর ঐকমত্য বা দীর্ঘস্থায়ী সাধারণ লক্ষ্যকেন্দ্রিক আন্দোলন এখন শুধু কল্পনা বা অতীতের গল্প। শুধু ভয় বা লোভভিত্তিক প্রপাগান্ডা, যা বৃহৎ কর্পোরেট বা রাষ্ট্রীয় চালিকাশক্তি তাদের গোপন ও স্বার্থসিদ্ধির জন্য চালায়, সেগুলোই এখন কার্যকর হতে থাকবে।
যত বেশি পরিচয়ের বিভাজন ও ঘৃণা, তত বেশি নির্ভরতা সেই "পছন্দের প্রভাবশালীদের" উপর। যত বেশি মানসিক বিচ্ছিন্নতা, তত বেশি লাভ সেইসব লোকের, যারা এই বিভাজনের বাক্সগুলো তৈরি করছে।
কিন্তু আরও গূঢ় বা উচ্চতর চেতনার দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে, এই পরিস্থিতি একরকম অবশ্যম্ভাবী। সময় বদলাচ্ছে, গ্রহের চেতনা বদলাচ্ছে, সমাজের পুরনো, অনড়, পরিবর্তনের প্রবল ঝড়ে একমাত্রিক বাস্তবতার গভীর সংস্কারগুলি মানুষের অবচেতন থেকে উপড়ে যাচ্ছে। সত্যের নতুন নতুন জগত খুলে যাচ্ছে। বিভিন্ন মাত্রা, বিভিন্ন কম-বেশি কম্পাঙ্কের তরঙ্গ, ভিন্ন ভিন্ন চেতনার স্তরের মানুষের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পুরনো ম্যাট্রিক্সের আবরণ উঠে যাচ্ছে, তৈরি হচ্ছে নতুন ও পরিবর্তিত ম্যাট্রিক্সের অগুন্তি জাল।
এটি একই সাথে চরম বিশৃঙ্খলা, ধ্বংস এবং রূপান্তর ও বিবর্তনের সময়। পুরনো বিশ্বের ভারসাম্য ভেঙে পড়ছে, এবং এর ভরকেন্দ্র দ্রুত সরে যাচ্ছে।
নিম্ন ও সাধারণ চেতনার মানুষ, যারা সিস্টেম-প্রোগ্রাম্ড বুদ্ধিতে চলেন, তারা বুঝতেই পারছেন না কী ঘটছে। তাদের বাস্তবতার অসঙ্গতি তাদের ভীতসন্ত্রস্ত করে তুলছে। তারা যে যুক্তিগুলোর নিরিখে এই পৃথিবীকে চিনতেন, তা অকল্পনীয় গতিতে ভেঙে পড়ছে, এবং তাদের অনিশ্চয়তাজনিত আতঙ্ক চরমে চলে যাচ্ছে। মানুষ আঁকড়ে ধরতে চাইছে তাদের পুরনো বিশ্বাস ব্যবস্থাকে, যাই হোক না কেন, এবং তাদের পুরনো নিরাপত্তা ব্যবস্থা, তা সে যতই নিম্নমানের হোক না কেন, ধরে রাখতে আক্রমণাত্মক হয়ে উঠছে। ফলে আতঙ্ক, বিশৃঙ্খলা, অবিশ্বাস ও আগ্রাসন দিন দিন বাড়ছে।
বাস্তবে, এই মহাজাগতিক পরিবর্তনের সময়ে বিভিন্ন কম-বেশি কম্পাঙ্ক, বিভিন্ন মাত্রার (ইতিবাচক ও নেতিবাচক) কম্পন একে অপরের সাথে জড়িয়ে যাচ্ছে এবং মানুষের অবচেতন ও মানসিক গঠনের উপর ভিত্তি করে সম্পূর্ণ ভিন্ন, কখনও পরস্পরবিরোধী অস্তিত্বের ছবি তৈরি করছে।
বাইরে থেকে দেখলে, এই পরিস্থিতি ভয়ঙ্কর, উত্তেজনাপূর্ণ ও প্রবল চাপ সৃষ্টিকারী মনে হয়—ব্যক্তি ও গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ অনিবার্য বলে মনে হয়। কিন্তু গভীর ও উচ্চতর চেতনার দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখলে, এটি সম্পূর্ণ বিপরীত। আমরা যত শান্ত, স্থির, সচেতন ও নির্লিপ্ত থাকতে পারব, এই রূপান্তর তত মসৃণ হবে। ঘর্ষণ, যা অনিবার্য, তা থাকবেই, কিন্তু তার প্রভাব অনেক কম ক্ষতিকর হবে এবং সম্ভবত আমাদের অন্যভাবে চেতনার উন্নতির দিকে নিয়ে যাবে।
বর্তমান দেহ ও মনের পক্ষে এটি সঙ্গে সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া একেবারেই সহজ নয়, কিন্তু অসম্ভবও নয়। এর জন্য আমাদের -
তর্কের বদলে, আরও শান্ত বা নীরব হতে হবে ;
অসহিষ্ণু প্রতিক্রিয়াশীল হওয়ার বদলে আরও দায়িত্বশীল স্থিতিস্থাপক হতে হবে ;
বিচার করার বদলে যথাযথভাবে বুঝতে হবে ;
সারাক্ষণ গা-জোয়ারি সঠিক হওয়ার চেয়ে জিজ্ঞাসু ও গ্রহণশীল হতে হবে ;
এবং সর্বোপরি, সত্যিকারের অর্থে আরও সচেতন হতে হবে।
বাইরের পরিস্থিতি যত মনের টানকে বাইরের দিকে নিয়ে যাবে, মন ততই বিচ্ছিন্ন ও বিশৃঙ্খল হয়ে পড়বে। যতই মন ভেতরের দিকে, শান্ত ও গভীরভাবে কেন্দ্রীভূত হবে, ততই স্বচ্ছতা ও সমতা আসবে। সরল, নির্দোষ, সাধারণ ঐকমত্যের দিন—যেখানে জীবন ও বিশ্ব সম্পর্কে অভিন্ন ও মৌলিক ধারণা ছিল—তা এখন শেষ। সম্ভবত আমাদের মন ও চেতনাকে আরও বিস্তৃত, সুদূরপ্রসারী, বৈচিত্র্যময় ও গভীর সম্ভাবনার দিকে খুলে দেওয়ার সময় এসেছে।
তাই এসো পুরনো দিনের নিরাপত্তার সিটবেল্ট আলাগা করে দিয়ে , নতুন উড়ানের জন্য প্রস্তুত হই আমরা ।
ধ্রুব@সত্যি
০৯-০৬-২৩
7 months ago (edited) | [YT] | 3
View 1 reply