Cantact No.- 9681259126
Well Come to_NAAZ studio
LIKE * COMMENT * SHARE * SUBSCRIBE
Email- skali399@gmail.com

আসসালামুআলাইকুম শ্রোতা ভাই ও বোনেরা । এটি একটি ইসলামিক চ‍্যানেল । ইসলাম প্রচারের বৃহত্তর স্বার্থে, আমার এই চ্যানেলটিকে সাবস্ক্রাইব করুন এবং শেয়ার করুন । অবশ্যই লাইক 👍করতে ভুলবেননা ।
এতে আমাদের মনবল বাড়ে এবং আরো কাজ করার ইচ্ছে জাগ্রত হয় । 🙏 ধন্যবাদ ।।।


NAAZ studio

হুগলির পুইনানে অনুষ্ঠিত 'তাবলীগি ইজতেমা ২০২৬' থেকে গতকাল ফিরলাম। ভালো মন্দ অনেক অভিজ্ঞতা অর্জন হলো। অনেক সুন্দর বক্তব্য‌ও শুনলাম। কিছুটা আত্মশুদ্ধি হলো। আলহামদুলিল্লাহ।
কিন্তু একটা বিষয় আমি এখনও ঠিক বুঝে উঠতে পারছি না। এখনও মাথায় বন বন করে ঘুরছে। সেটা হলো, ইজতেমা ময়দানে ফটোগ্রাফি এবং ভিডিওগ্রাফি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ছিল। (এটা থাকতেই পারে বিভিন্ন সিকিউরিটি বা অন্যান্য কারণে) কিন্তু প্রতিনিয়ত মাইকে এটা বলে ঘোষণা হচ্ছিল যে, কেউ ফটো তুলবেন না ভিডিও বানাবেন না। কারণ, মোবাইলে ফটো ক্যাপচার করা, ভিডিও গ্রাফি করা সম্পূর্ণ হারাম, কবিরা গুনাহের কাজ।

অত্যন্ত আশ্চর্য হলাম। কারণ, ইসলামি শরিয়তে হালাল এবং হারাম বিষয়গুলো স্পষ্ট বর্ণনা করা আছে। হালাল এবং হারামের মাঝামাঝি বিষয়গুলো সন্দেহ যুক্ত। এই মর্মে হাদিসও বর্ণিত আছে। সেই কারণে স্পষ্ট হালাল এবং স্পষ্ট হারাম বিষয়গুলো নিয়ে বিজ্ঞ উলামাদের মাঝে কোনো মতভেদ নেই। মতভেদ ও মত পার্থক্য আছে হালাল এবং হারামের মাঝামাঝি থাকা সন্দেহযুক্ত বিষয়গুলো নিয়ে।

যেমন মুর্তি বানানো, প্রাণীর ছবি আঁকা স্পষ্ট হারাম। এই মর্মে হাদিসও বর্ণিত আছে। কিন্তু মোবাইলে বা ক্যামেরায় ফটোগ্রাফি এটা স্পষ্ট হারাম নয় বরং হালাল হারামের মাঝামাঝি একটা সন্দেহ যুক্ত বিষয়। কারণ মোবাইলে বা ক্যামেরায় ফটোগ্রাফি আর কাগজে বা কোনো জায়গায় ছবি অঙ্কন করা দুটি এক‌ই জিনিস নয়। দুটোকে এক মনে করলেই বাস্তবে কিন্তু সম্পূর্ণ রূপে এক হয়ে যায় না।

এবার আমার আশ্চর্যের কারণ বলি।পৃথিবীর বড় বড় ইসলামি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বড় বড় মুফতি ও আলেমদের থেকে মোবাইল বা ক্যামেরার মাধ্যমে ফটোগ্রাফি এবং ভিডিওগ্রাফি সম্পূর্ণ রূপে হারাম, এই মর্মে কোনো ফতোয়া আজ পর্যন্ত আমি তো পাইনি। আপনারা পেয়ে থাকলে কমেন্টে জানান।
হ্যাঁ, সন্দেহ যুক্ত হ‌ওয়ার কারণে অনেক আলেম এগুলো থেকে বেঁচে থাকেন এবং অন্যকে বেঁচে থাকতে বলেন, সীমিত কয়েকজন আলেম গুনাহের কাজ বলে মনে করেন। পৃথিবীর সংখ্যাগরিষ্ট উলামায়ে কেরাম সর্ত সাপেক্ষে সম্পূর্ণ জায়েজ অর্থাৎ গুনাহমুক্ত মনে করেন। তন্মধ্যে বর্তমান যুগের শ্রেষ্ঠ আলেম ও পাকিস্তানের চিফ জাস্টিস মুফতি তাকি উসমানী সাহেব‌ও আছেন।

অথচ অত বড় ইজতেমা যেখানে কোটি মানুষের উপস্থিতি ছিল। বার বার প্রতি মূহুর্তে এই হারামের কথাই ঘোষণা করা হচ্ছিল। শুধু তাই নয় মাজমায় বসে থাকা মানুষজন‌ও হারাম এবং কবিরা গুনাহের কথা বলেই অন্যকে নিষেধ‌ও করছিল।

আমি একজন আলেম ও মুফতি। তেমন উচ্চাঙ্গের নয় তবে দারুল উলুম দেওবন্দে পড়াশোনা করেছি। সেখানকার কয়েকজন শিক্ষক এই বিষয়ে খুব কঠোর‌ও ছিলেন। তন্মধ্যে আল্লামা ও যুগশ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিস সাঈদ আহমদ পালনপুরী রহঃ ও ছিলেন।তবে স্পষ্ট হারাম এবং কবিরা গুনাহ এই নির্দেশ আমাদের কখনও দেননি। তারা বলতেন, 'আমি হারাম মনে করি তাই এর থেকে বেঁচে থাকি'। তাই কনফিউশনে পড়ে গেলাম। পাকিস্তান, বাংলাদেশ,ভারত, সৌদি আরব, ইন্দোনেশিয়া মালেশিয়া সহ পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি দেশের অসংখ্য বিজ্ঞ উলামায়ে কেরাম ফটো গ্রাফি করেন, ভিডিওর মাধ্যমে বায়ান বক্তব্য দিয়ে থাকেন,লাইভ ভিডিও করেন। তাহলে তারা সকলেই প্রকাশ্যে হারাম কাজ করছেন? প্রকাশ্যে কবিরা গুনাহ করছেন? আর প্রকাশ্যে কবিরা গুনাহ করা ব্যক্তি ফাসিক। যার পিছনে নামাজ পড়াও মকরুহ। আমি আগে আর ভাবতে পারছি না।

বিঃদ্রঃ- ফটোগ্রাফি করা আর ফটো প্রিন্ট আউট করা দুটো এক‌ই বিষয় নয়।


✍️ আবু তাহের আরমান

3 days ago | [YT] | 54

NAAZ studio

সূরা আত-তাওবাহ্-এর ৫ নম্বর আয়াতটি ইসলামের ইতিহাসে এবং সমসাময়িক আলোচনায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি আয়াত। এটিকে অনেক সময় 'আয়াতুস সাইফ' বা 'তরবারির আয়াত' বলা হয়। তবে এই আয়াতটির প্রকৃত অর্থ বোঝার জন্য এর ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট (শান-এ-নুজুল) জানা জরুরি।
​৫ নম্বর আয়াতের অনুবাদ:
​"অতঃপর যখন নিষিদ্ধ মাসগুলো অতিবাহিত হয়ে যাবে, তখন মুশরিকদের যেখানেই পাবে হত্যা করো, তাদের বন্দী করো, তাদের অবরোধ করো এবং প্রতিটি ঘাঁটিতে তাদের জন্য ওত পেতে বসে থাকো। কিন্তু যদি তারা তওবা করে, সালাত কায়েম করে ও জাকাত প্রদান করে, তবে তাদের পথ ছেড়ে দাও। নিশ্চয়ই আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।"
​বিস্তারিত বিশ্লেষণ ও প্রেক্ষাপট:
​এই আয়াতটিকে ঢালাওভাবে সব অমুসলিমের ওপর প্রয়োগ করার সুযোগ নেই। এর বিস্তারিত ব্যাখ্যা নিচে দেওয়া হলো:
​১. নির্দিষ্ট প্রেক্ষাপট (চুক্তি ভঙ্গ):
এই নির্দেশটি মক্কার সেই মুশরিক বা পৌত্তলিকদের বিরুদ্ধে ছিল, যারা মুসলিমদের সাথে শান্তি চুক্তি করেছিল কিন্তু বারবার সেই চুক্তি ভঙ্গ করে মুসলিমদের ওপর আক্রমণ চালিয়েছিল। এটি কোনো সাধারণ যুদ্ধ নয়, বরং বিশ্বাসঘাতকতার বিরুদ্ধে একটি চূড়ান্ত সতর্কবার্তা ছিল।
​২. চার মাসের অবকাশ:
আয়াতটি নাযিল হওয়ার আগে আল্লাহ ঘোষণা করেছিলেন যে, যারা চুক্তি ভঙ্গ করেছে তাদের ৪ মাস সময় দেওয়া হলো। এই সময়ের মধ্যে তারা হয় দেশত্যাগ করবে, নয়তো ইসলাম গ্রহণ করে সন্ধি করবে। এই ৪ মাস সময় পার হওয়ার পরই কেবল কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
​৩. আত্মসমর্পণের সুযোগ:
আয়াতে বলা হয়েছে, যদি তারা শিরক ছেড়ে তওবা করে, নামাজ পড়ে এবং জাকাত দেয় (অর্থাৎ ইসলাম গ্রহণ করে), তবে তাদের সাথে আর কোনো শত্রুতা রাখা যাবে না। তাদের তখন ভাই হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।
​৪. সাধারণ অমুসলিমদের জন্য নয়:
এই আয়াতটি কোনো ব্যক্তিগত শত্রুতা বা সকল অমুসলিমের জন্য প্রযোজ্য নয়। যারা মুসলিমদের সাথে শান্তিতে বসবাস করছিল বা যাদের সাথে চুক্তি বজায় ছিল, তাদের ক্ষেত্রে অন্য আয়াতে (যেমন আয়াত ৪ ও ৬) সুনির্দিষ্ট নিরাপত্তা ও মহানুভবতার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
​৫. ৬ নম্বর আয়াতের গুরুত্ব:
৫ নম্বর আয়াতের ঠিক পরেই (৬ নম্বর আয়াতে) বলা হয়েছে, যদি কোনো মুশরিক আপনার কাছে আশ্রয় চায়, তবে তাকে আশ্রয় দিন যাতে সে আল্লাহর বাণী শুনতে পারে, এরপর তাকে তার নিরাপদ স্থানে পৌঁছে দিন। অর্থাৎ, লক্ষ্য শুধু হত্যা নয়, বরং সত্যের প্রচার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
​সংক্ষেপে মূল বিষয়:
​এটি একটি রণকৌশলগত নির্দেশ ছিল যা সেই সময়ের মক্কার কুরাইশদের মধ্যে যারা চরম সীমালংঘনকারী ছিল, তাদের জন্য প্রযোজ্য হয়েছিল। ইসলামী আইনবিদদের মতে, যারা মুসলিমদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে না বা চুক্তিতে আবদ্ধ থাকে, তাদের ওপর এই নির্দেশ কার্যকর হয় না।

1 week ago | [YT] | 29

NAAZ studio

#JamiyatulAymmaWalUlama
BJP MLA অসীম সরকার মুসলমানদের নবী মুহাম্মদ সাঃআঃ এর বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য ও ক্বুরআনের অপবেক্ষা করে ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের প্রনে আঘাত করেছে তারিই প্রতিবাদে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য জামিয়াতুল আইম্মা অল উলামা প্রতি থানায় থানায় FIR কর্মসূচি অভিযান শুরু করেছে। রাজ্য সরকার এবং পুলিশ মন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির কাছে বিশেষ অনুরোধ অতিসত্বর অসীম সরকারকে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করুন।

1 week ago | [YT] | 24

NAAZ studio

হিজাব খোলার মামলা এবার পশ্চিমবঙ্গে

2 weeks ago | [YT] | 15

NAAZ studio

#JamiyatulAymmaWalUlama
১৪ই ডিসেম্বর ২০২৫ জামিয়াতুল আইম্মা অল উলামার রাজ্য সভাপতি মূফতী মাঃ ইমদাদুল্লাহ কাসেমী সাহেব ও রাজ্য সম্পাদক সেখ সিদ্দীকুল্লাহ সাহেব সহ প্রত্যেক জেলার নেতৃত্ব বৃন্দ এবং রাজ্য কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ মিটিং অনুষ্ঠিত হয়। বর্তমান সময়ে SIR WAQF সহ রাজ্য ও দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও মুসলিম উম্মাহর অবদান সহ সমস্ত বিষয় আলোচনা হয়। কিভাবে জামিয়াতুল আইম্মা অল উলামা জাতি এবং দেশের স্বার্থে কাজ করা যায় বিস্তার আলোচনা হয়। সমস্ত সদস্য অঙ্গীকার বদ্ধ হয়ে সংগঠনকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সপথ গ্রহণ করে।

3 weeks ago | [YT] | 108

NAAZ studio

প্রসঙ্গ: পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ এবং মাননীয় সভাপতি হজরত মাওলানা সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী সাহেব (দাঃ বাঃ)

একটা কথা এখন প্রকাশ্যে বলতেই হবে— সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী সাহেবের আগের যুগ ছিল আলোকিত, শক্তিশালী, এবং মানুষের আস্থার প্রতীক। কিন্তু এখনকার বাস্তবতা সেই গল্প বলে না। মানুষ আজ খোলাখুলি বলছে— নেতৃত্ব আগের মতো সক্রিয় নেই, আগের মতো তেজ নেই, আগের মতো উপস্থিতি নেই।
আগে যে নেতা অন্যায়ের সামনে মাথা নত করতেন না— আজ অনেকে অভিযোগ করেন, তিনি অনেক ক্ষেত্রেই নীরব থাকেন।
আগে যে নেতা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে যেতেন— আজ মানুষ বলে, দূরত্ব বেড়েছে, মানুষ আর আগের মতো গুরুত্ব পায় না।
আগে যে জমিয়তের নাম শুনলেই মানুষের বুক ভরতো ভরসায়— আজ অনেকেই প্রশ্ন করছে, “জমিয়ত এখন কী করছে? মানুষের কোন কাজে লাগছে?”
এটা কারও ব্যক্তিগত রাগ নয়, কারও হিংসা নয়— এটা সেই মানুষের কণ্ঠস্বর যারা প্রাণ খুলে ভালোবেসেছিল এই নেতৃত্বকে এবং এখন হতাশা লুকাতে পারছে না।
একটা সংগঠন তখনই দুর্বল হয়ে পড়ে যখন নেতৃত্ব তার দায়িত্ব ভুলে যায়, যখন পদ রক্ষা কাজের চেয়ে বড় হয়ে যায়, যখন মানুষ চিৎকার করে ডাকলেও সাড়া মেলে না।
আজ মানুষের দাবি খুব স্পষ্ট— যে নেতৃত্ব একসময় গর্ব ছিল, সে নেতৃত্বকে আবার আগের মতো শক্তিশালী, ন্যায়পরায়ণ ও সক্রিয় দেখতে চায়।
এটা বিদ্বেষ নয়— এটা জবাবদিহিতা। এটা কথা বলার অধিকার। এটা গঠনমূলক সমালোচনা।

যারা গালাগালি করছেন তাদের উদ্দেশ্যে বার্তা

কিছু মানুষ এখন রাগের মাথায় গালাগালি করছে— এটা ইসলামও সমর্থন করে না, সমাজও সমর্থন করে না।
গালাগালি দুর্বল লোকের কাজ। গঠনমূলক সমালোচনা শক্ত মানুষের কাজ।
গালাগালি করলে সত্য চাপা পড়ে যায়। কিন্তু যুক্তির সমালোচনা পরিবর্তনের পথ খুলে দেয়।

আমরা চাই সত্য কথা বলা হোক, কিন্তু শালীনভাবে। অভিযোগ করা হোক, কিন্তু প্রমাণ ও যুক্তি দিয়ে।
কারণ আমাদের লক্ষ্য কাউকে অপমান করা নয়— বরং নেতৃত্বকে জাগিয়ে তোলা, সংগঠনকে শক্তিশালী করা।
আমি আগেও বলেছি—গালাগালি করা কোনো বাহাদুরি নয়, কোনো শিক্ষিত বা সভ্য মানুষের কাজও নয়। কথা যদি বলতে হয়, বলবো যুক্তি দিয়ে, প্রমাণ দিয়ে, শালীন ভাষায়।
সমালোচনা তীব্র হতে পারে—কিন্তু ভাষা যেন কখনো নিচে না নামে।

আমরা সবাই জানি— জমিয়ত আমাদের হৃদয়ের স্পন্দন।
তাই একটি ব্যক্তির কার্যকলাপের কারণে পুরো সংগঠনের মর্যাদা প্রশ্নের মুখে পড়ুক—এটা কেউই চাই না। আর আমরা শুধু ফেসবুকে দু’টি পোস্ট করে দায়িত্ব শেষ করলে চলবে না।

এই কারণেই আমি পশ্চিমবঙ্গের সম্মানিত আলেমসমাজ, ছাত্রসমাজ এবং সচেতন মুসলিম জনতাকে বিনীত অনুরোধ করছি—
“জমিয়ত সংস্কার ও জবাবদিহিতা কমিটি” নামে একটি গঠনমূলক, শান্তিপূর্ণ ও দায়িত্বশীল কমিটি গঠন করা হোক।
এই কমিটিতে বিজ্ঞ আলেম, শিক্ষিত ছাত্র এবং সমাজের প্রতিনিধিরা যুক্ত হয়ে
জমিয়ত অফিসে গিয়ে সংগঠনের কাজ, সিদ্ধান্ত ও নেতৃত্ব—এসব বিষয়ে ভদ্রভাবে, প্রমাণের ভিত্তিতে জবাবদিহিতা চাইবেন।
যদি তারা সহযোগিতা করেন—সংগঠন আরও শক্তিশালী হবে।
যদি সহযোগিতা না করেন—তাহলে কমিটি শান্তিপূর্ণ, আইনসম্মত এবং শালীন পরবর্তী কর্মসূচির সিদ্ধান্ত নেবে।
প্রয়োজন হলে জমিয়ত অফিস ঘেরাও করার কর্মসূচি নেওয়া হবে।
এটা সংঘাত তৈরির জন্য নয়—জমিয়তকে আরও শক্তিশালী ও জনমুখী করার জন্য।
সময় বদলেছে, প্রেক্ষাপট বদলেছে—
ফেসবুকে শুধু লেখা–লেখি করে কিছু হবে না।
জবাব চাওয়া অপরাধ নয়—জবাব না দেওয়াটাই অন্যায়।

জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ জিন্দাবাদ।

@highlight #flowers

1 month ago | [YT] | 35