Cantact No.- 9681259126
Well Come to_NAAZ studio
LIKE * COMMENT * SHARE * SUBSCRIBE
Email- skali399@gmail.com

আসসালামুআলাইকুম শ্রোতা ভাই ও বোনেরা । এটি একটি ইসলামিক চ‍্যানেল । ইসলাম প্রচারের বৃহত্তর স্বার্থে, আমার এই চ্যানেলটিকে সাবস্ক্রাইব করুন এবং শেয়ার করুন । অবশ্যই লাইক 👍করতে ভুলবেননা ।
এতে আমাদের মনবল বাড়ে এবং আরো কাজ করার ইচ্ছে জাগ্রত হয় । 🙏 ধন্যবাদ ।।।


NAAZ studio

উত্তরপ্রদেশের বেরেলিতে আবারও বা জ্বলে উঠল যোগী আদিত্যনাথের ‘বুলডোজার রাজ’-এর ভয়াবহ রূপ। গত শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি), আদালতের নির্দেশ বা আইনি প্রক্রিয়ার তোয়াক্কা না করেই গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো পিপারিয়া গ্রামের ঐতিহাসিক একটি মসজিদ। মাত্র ৩ ঘণ্টার অভিযানে ৩০০ বর্গগজ এলাকার এই আল্লাহর ঘরটি মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিল দুটি বুলডোজার।

প্রশাসন দাবি করছে, মসজিদটি ‘গ্রামসভার জমিতে অবৈধভাবে নির্মিত’। কিন্তু মসজিদ কমিটির তথ্যমতে, ১৯৬৯ সালে তৎকালীন গ্রাম প্রধান নরেন্দ্র প্রধান নিজেই মুসলিমদের এই জমিটি দান করেছিলেন, যা সরকারি নথিতেও উল্লেখ রয়েছে।

সবচেয়ে মর্মান্তিক বিষয় হলো, মসজিদটির বৈধতা নিয়ে ইলাহাবাদ হাইকোর্টে ‘জুনেদ আহমেদ বনাম চমন সিং’ মামলাটি বিচারাধীন ছিল। আগামী শুনানির তারিখও নির্ধারিত ছিল। কিন্তু আদালতের রায়ের অপেক্ষা করার ধৈর্য দেখায়নি প্রশাসন। মসজিদ কমিটির আইনজীবীর অভিযোগ, "পরিকল্পিত শুনানির আগেই গায়ের জোরে মসজিদটি ভেঙে ফেলা হয়েছে।"

১৯৯৬ সাল থেকে চলে আসা আইনি লড়াই এবং ২০২৬ সালের ৮ জানুয়ারি হাইকোর্টের ইস্যু করা স্লিপ—কোনোকিছুই এই ধ্বংসযজ্ঞ আটকাতে পারেনি। গ্রামটির মুসলিম পরিবারগুলো আজ কেবল তাদের উপাসনালয়ই হারায়নি, হারিয়েছে তাদের দীর্ঘদিনের স্মৃতি ও আবেগ।

আইনের শাসন যেখানে বুলডোজারের চাকার নিচে পিষ্ট হয়, সেখানে ন্যায়বিচার পাওয়ার আশা কতটুকু? আদালত অবমাননা করে এই উচ্ছেদ কি কেবলই ‘অবৈধ স্থাপনা’ সরানো, নাকি নির্দিষ্ট একটি গোষ্ঠীকে লক্ষ্যবস্তু করা?

#MosqueDemolition #UP #YogiAdityanath #HumanRights #BulldozerRaj #Bareilly #JusticeDenied #IndiaNews

1 week ago | [YT] | 7

NAAZ studio

#sir #WBPolitics #wbnews

1 month ago (edited) | [YT] | 24

NAAZ studio

হুগলির পুইনানে অনুষ্ঠিত 'তাবলীগি ইজতেমা ২০২৬' থেকে গতকাল ফিরলাম। ভালো মন্দ অনেক অভিজ্ঞতা অর্জন হলো। অনেক সুন্দর বক্তব্য‌ও শুনলাম। কিছুটা আত্মশুদ্ধি হলো। আলহামদুলিল্লাহ।
কিন্তু একটা বিষয় আমি এখনও ঠিক বুঝে উঠতে পারছি না। এখনও মাথায় বন বন করে ঘুরছে। সেটা হলো, ইজতেমা ময়দানে ফটোগ্রাফি এবং ভিডিওগ্রাফি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ছিল। (এটা থাকতেই পারে বিভিন্ন সিকিউরিটি বা অন্যান্য কারণে) কিন্তু প্রতিনিয়ত মাইকে এটা বলে ঘোষণা হচ্ছিল যে, কেউ ফটো তুলবেন না ভিডিও বানাবেন না। কারণ, মোবাইলে ফটো ক্যাপচার করা, ভিডিও গ্রাফি করা সম্পূর্ণ হারাম, কবিরা গুনাহের কাজ।

অত্যন্ত আশ্চর্য হলাম। কারণ, ইসলামি শরিয়তে হালাল এবং হারাম বিষয়গুলো স্পষ্ট বর্ণনা করা আছে। হালাল এবং হারামের মাঝামাঝি বিষয়গুলো সন্দেহ যুক্ত। এই মর্মে হাদিসও বর্ণিত আছে। সেই কারণে স্পষ্ট হালাল এবং স্পষ্ট হারাম বিষয়গুলো নিয়ে বিজ্ঞ উলামাদের মাঝে কোনো মতভেদ নেই। মতভেদ ও মত পার্থক্য আছে হালাল এবং হারামের মাঝামাঝি থাকা সন্দেহযুক্ত বিষয়গুলো নিয়ে।

যেমন মুর্তি বানানো, প্রাণীর ছবি আঁকা স্পষ্ট হারাম। এই মর্মে হাদিসও বর্ণিত আছে। কিন্তু মোবাইলে বা ক্যামেরায় ফটোগ্রাফি এটা স্পষ্ট হারাম নয় বরং হালাল হারামের মাঝামাঝি একটা সন্দেহ যুক্ত বিষয়। কারণ মোবাইলে বা ক্যামেরায় ফটোগ্রাফি আর কাগজে বা কোনো জায়গায় ছবি অঙ্কন করা দুটি এক‌ই জিনিস নয়। দুটোকে এক মনে করলেই বাস্তবে কিন্তু সম্পূর্ণ রূপে এক হয়ে যায় না।

এবার আমার আশ্চর্যের কারণ বলি।পৃথিবীর বড় বড় ইসলামি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বড় বড় মুফতি ও আলেমদের থেকে মোবাইল বা ক্যামেরার মাধ্যমে ফটোগ্রাফি এবং ভিডিওগ্রাফি সম্পূর্ণ রূপে হারাম, এই মর্মে কোনো ফতোয়া আজ পর্যন্ত আমি তো পাইনি। আপনারা পেয়ে থাকলে কমেন্টে জানান।
হ্যাঁ, সন্দেহ যুক্ত হ‌ওয়ার কারণে অনেক আলেম এগুলো থেকে বেঁচে থাকেন এবং অন্যকে বেঁচে থাকতে বলেন, সীমিত কয়েকজন আলেম গুনাহের কাজ বলে মনে করেন। পৃথিবীর সংখ্যাগরিষ্ট উলামায়ে কেরাম সর্ত সাপেক্ষে সম্পূর্ণ জায়েজ অর্থাৎ গুনাহমুক্ত মনে করেন। তন্মধ্যে বর্তমান যুগের শ্রেষ্ঠ আলেম ও পাকিস্তানের চিফ জাস্টিস মুফতি তাকি উসমানী সাহেব‌ও আছেন।

অথচ অত বড় ইজতেমা যেখানে কোটি মানুষের উপস্থিতি ছিল। বার বার প্রতি মূহুর্তে এই হারামের কথাই ঘোষণা করা হচ্ছিল। শুধু তাই নয় মাজমায় বসে থাকা মানুষজন‌ও হারাম এবং কবিরা গুনাহের কথা বলেই অন্যকে নিষেধ‌ও করছিল।

আমি একজন আলেম ও মুফতি। তেমন উচ্চাঙ্গের নয় তবে দারুল উলুম দেওবন্দে পড়াশোনা করেছি। সেখানকার কয়েকজন শিক্ষক এই বিষয়ে খুব কঠোর‌ও ছিলেন। তন্মধ্যে আল্লামা ও যুগশ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিস সাঈদ আহমদ পালনপুরী রহঃ ও ছিলেন।তবে স্পষ্ট হারাম এবং কবিরা গুনাহ এই নির্দেশ আমাদের কখনও দেননি। তারা বলতেন, 'আমি হারাম মনে করি তাই এর থেকে বেঁচে থাকি'। তাই কনফিউশনে পড়ে গেলাম। পাকিস্তান, বাংলাদেশ,ভারত, সৌদি আরব, ইন্দোনেশিয়া মালেশিয়া সহ পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি দেশের অসংখ্য বিজ্ঞ উলামায়ে কেরাম ফটো গ্রাফি করেন, ভিডিওর মাধ্যমে বায়ান বক্তব্য দিয়ে থাকেন,লাইভ ভিডিও করেন। তাহলে তারা সকলেই প্রকাশ্যে হারাম কাজ করছেন? প্রকাশ্যে কবিরা গুনাহ করছেন? আর প্রকাশ্যে কবিরা গুনাহ করা ব্যক্তি ফাসিক। যার পিছনে নামাজ পড়াও মকরুহ। আমি আগে আর ভাবতে পারছি না।

বিঃদ্রঃ- ফটোগ্রাফি করা আর ফটো প্রিন্ট আউট করা দুটো এক‌ই বিষয় নয়।


✍️ আবু তাহের আরমান

1 month ago | [YT] | 55

NAAZ studio

সূরা আত-তাওবাহ্-এর ৫ নম্বর আয়াতটি ইসলামের ইতিহাসে এবং সমসাময়িক আলোচনায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি আয়াত। এটিকে অনেক সময় 'আয়াতুস সাইফ' বা 'তরবারির আয়াত' বলা হয়। তবে এই আয়াতটির প্রকৃত অর্থ বোঝার জন্য এর ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট (শান-এ-নুজুল) জানা জরুরি।
​৫ নম্বর আয়াতের অনুবাদ:
​"অতঃপর যখন নিষিদ্ধ মাসগুলো অতিবাহিত হয়ে যাবে, তখন মুশরিকদের যেখানেই পাবে হত্যা করো, তাদের বন্দী করো, তাদের অবরোধ করো এবং প্রতিটি ঘাঁটিতে তাদের জন্য ওত পেতে বসে থাকো। কিন্তু যদি তারা তওবা করে, সালাত কায়েম করে ও জাকাত প্রদান করে, তবে তাদের পথ ছেড়ে দাও। নিশ্চয়ই আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।"
​বিস্তারিত বিশ্লেষণ ও প্রেক্ষাপট:
​এই আয়াতটিকে ঢালাওভাবে সব অমুসলিমের ওপর প্রয়োগ করার সুযোগ নেই। এর বিস্তারিত ব্যাখ্যা নিচে দেওয়া হলো:
​১. নির্দিষ্ট প্রেক্ষাপট (চুক্তি ভঙ্গ):
এই নির্দেশটি মক্কার সেই মুশরিক বা পৌত্তলিকদের বিরুদ্ধে ছিল, যারা মুসলিমদের সাথে শান্তি চুক্তি করেছিল কিন্তু বারবার সেই চুক্তি ভঙ্গ করে মুসলিমদের ওপর আক্রমণ চালিয়েছিল। এটি কোনো সাধারণ যুদ্ধ নয়, বরং বিশ্বাসঘাতকতার বিরুদ্ধে একটি চূড়ান্ত সতর্কবার্তা ছিল।
​২. চার মাসের অবকাশ:
আয়াতটি নাযিল হওয়ার আগে আল্লাহ ঘোষণা করেছিলেন যে, যারা চুক্তি ভঙ্গ করেছে তাদের ৪ মাস সময় দেওয়া হলো। এই সময়ের মধ্যে তারা হয় দেশত্যাগ করবে, নয়তো ইসলাম গ্রহণ করে সন্ধি করবে। এই ৪ মাস সময় পার হওয়ার পরই কেবল কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
​৩. আত্মসমর্পণের সুযোগ:
আয়াতে বলা হয়েছে, যদি তারা শিরক ছেড়ে তওবা করে, নামাজ পড়ে এবং জাকাত দেয় (অর্থাৎ ইসলাম গ্রহণ করে), তবে তাদের সাথে আর কোনো শত্রুতা রাখা যাবে না। তাদের তখন ভাই হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।
​৪. সাধারণ অমুসলিমদের জন্য নয়:
এই আয়াতটি কোনো ব্যক্তিগত শত্রুতা বা সকল অমুসলিমের জন্য প্রযোজ্য নয়। যারা মুসলিমদের সাথে শান্তিতে বসবাস করছিল বা যাদের সাথে চুক্তি বজায় ছিল, তাদের ক্ষেত্রে অন্য আয়াতে (যেমন আয়াত ৪ ও ৬) সুনির্দিষ্ট নিরাপত্তা ও মহানুভবতার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
​৫. ৬ নম্বর আয়াতের গুরুত্ব:
৫ নম্বর আয়াতের ঠিক পরেই (৬ নম্বর আয়াতে) বলা হয়েছে, যদি কোনো মুশরিক আপনার কাছে আশ্রয় চায়, তবে তাকে আশ্রয় দিন যাতে সে আল্লাহর বাণী শুনতে পারে, এরপর তাকে তার নিরাপদ স্থানে পৌঁছে দিন। অর্থাৎ, লক্ষ্য শুধু হত্যা নয়, বরং সত্যের প্রচার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
​সংক্ষেপে মূল বিষয়:
​এটি একটি রণকৌশলগত নির্দেশ ছিল যা সেই সময়ের মক্কার কুরাইশদের মধ্যে যারা চরম সীমালংঘনকারী ছিল, তাদের জন্য প্রযোজ্য হয়েছিল। ইসলামী আইনবিদদের মতে, যারা মুসলিমদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে না বা চুক্তিতে আবদ্ধ থাকে, তাদের ওপর এই নির্দেশ কার্যকর হয় না।

1 month ago | [YT] | 30

NAAZ studio

#JamiyatulAymmaWalUlama
BJP MLA অসীম সরকার মুসলমানদের নবী মুহাম্মদ সাঃআঃ এর বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য ও ক্বুরআনের অপবেক্ষা করে ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের প্রনে আঘাত করেছে তারিই প্রতিবাদে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য জামিয়াতুল আইম্মা অল উলামা প্রতি থানায় থানায় FIR কর্মসূচি অভিযান শুরু করেছে। রাজ্য সরকার এবং পুলিশ মন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির কাছে বিশেষ অনুরোধ অতিসত্বর অসীম সরকারকে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করুন।

1 month ago | [YT] | 24

NAAZ studio

হিজাব খোলার মামলা এবার পশ্চিমবঙ্গে

1 month ago | [YT] | 15