Highlight Today News

Welcome to Highlight Job, your go-to source for reliable and engaging news coverage. We bring you the latest headlines, in-depth analysis, and expert opinions on the most pressing issues from around the globe. Whether it's breaking news, politics, technology, or cultural trends, we deliver the facts with clarity and context, helping you stay informed in a rapidly changing world.


Highlight Today News

বাংলাদেশ এর নিউজ মিডিয়াকে বলছি এটা নিয়ে নিউজ করেন তাহলে বুঝব আপনাদের বুকে কেমন সাহস রয়েছে। লিংক দিয়ে দিয়েছি https://www.indiatvnews.com/rajasthan/bsf-detains-pakistani-ranger-while-spying-at-border-in-sri-ganganagar-sources-latest-updates-2025-05-03-988528

1 year ago | [YT] | 0

Highlight Today News

নিরপেক্ষ নিউজ দেখলাম।

1 year ago | [YT] | 0

Highlight Today News

Fuelling the Maritime Might - No Mission too Distant, No Sea too Vast
#FleetSupport #AnytimeAnywhereAnyhow

1 year ago | [YT] | 0

Highlight Today News

মোদীর ভয় ! হাসপাতালে ভর্তি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ

1 year ago | [YT] | 0

Highlight Today News

আপনি আমার চ্যানেল এর ভিডিও দেখেন?

1 year ago | [YT] | 0

Highlight Today News

জামায়াত যাতে কোনো সুযোগ না পায়, সেভাবে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হবে: ওবায়দুল কাদের।




আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জামায়াতে ইসলামী দল হিসেবে যুদ্ধাপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে উল্লেখ আছে। এখন এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করবে সরকার। সেটার প্রক্রিয়া কী হবে, তা আইনগত দিক দেখেশুনে সরকার শিগগির পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে। কারণ, তারা আইনগত দিকটি ভালোভাবে দেখে নিতে চায়, যাতে কোনো ফাঁকফোকর দিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশে এ অপশক্তি আর কোনো সুযোগ না পায়।

আজ মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ডাকা এক যৌথ সভার শুরুতে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী।ওবায়দুল কাদের বলেন, এখানে দলের কেন্দ্রীয় নেতারা আছেন। জামায়াত নিষিদ্ধের সিদ্ধান্তের বিষয়ে তাঁদের কারও সংযোজন-বিয়োজন, সংশোধন থাকলে তাঁরা বলতে পারেন। সংযোজন-বিয়োজন বা সংশোধন দরকার। সেটা উল্লেখ করতে নেতারা যাতে কুণ্ঠিত না হন। নেতারা জানেন, ১৪ দলের সভায় জামায়াত-শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ করার বিষয়ে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হয়েছে, যা গণমাধ্যমকে অবহিত করা হয়েছে।

জামায়াত-শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ করার জন্য দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন, ‍মুক্তিযোদ্ধা ও নাগরিক সমাজ দাবি করে আসছে বলে উল্লেখ করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শহীদ জননী জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি গঠিত গণ-আদালত এবং পরবর্তী সময়ে গণজাগরণ মঞ্চের দাবিও ছিল জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধ করা।জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল করে হাইকোর্টের রায় দেশের সর্বোচ্চ আদালত বহাল রেখেছেন বলে উল্লেখ করেন সেতুমন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশের গণপ্রতিনিধিত্ব আইন অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন না থাকলে কোনো রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশ নিতে পারে না। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এমন নজির আছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানিতে হিটলারের নাৎসি বাহিনী রাজনীতি করতে পারে না। জামায়াত দলটি মূলত ধর্মের মুখোশ পরা সাম্প্রদায়িক অপশক্তি। বিভিন্ন সময়ে দলটির প্রকাশ্য-গোপন নানা অপতৎপরতা, নাশকতা, ষড়যন্ত্র, রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে। দেশের জনগণও সেটা জানে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে গতকাল সোমবার হওয়া ১৪–দলীয় জোটের বৈঠকে নেতারা তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করেছেন। জামায়াতের অতীত ও বর্তমান কর্মকাণ্ড, বিভিন্ন সময় দেওয়া আদালতের রায় বিবেচনা করে তাদের রাজনীতি নিষিদ্ধে ১৪ দল সর্বসম্মতভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

ঢাকা মহানগরসহ অন্যান্য মহানগর, জেলা, উপজেলা, থানা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের কারফিউ মেনে চলার আহ্বান জানান সড়ক পরিবহনমন্ত্রী। তিনি বলেন, দলীয়ভাবে নেতা-কর্মীদের সতর্ক থাকার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। গুজব ও আতঙ্ক সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকতে হবে। তাদের তথ্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে জানাতে হবে।

সরকার অসহায় শিক্ষার্থীদের আটক ও নির্যাতন করছে—বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্যকে নির্লজ্জ মিথ্যাচার বলে অভিহিত করেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ভিডিও ফুটেজ দেখে অপরাধীদের চিহ্নিত করছে। তাঁদের জানামতে, কোনো নিরপরাধ ব্যক্তিকে আটক করা হচ্ছে না। নিরীহ ও সাধারণ শিক্ষার্থী যাতে হয়রানির শিকার না হন, সে ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা রয়েছে।

আওয়ামী লীগ নিজেদের আচার-আচরণে দায়িত্বশীলতাকে গুরুত্ব দেয় বলে দাবি করেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, গণগ্রেপ্তারের নামে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যাতে অপরাধী সাব্যস্ত না হন, গ্রেপ্তার না হন, সে ব্যাপারে দলের সিদ্ধান্ত রয়েছে। কোনো নিরীহ ব্যক্তিকে কোনো অবস্থায় হয়রানি করা যাবে না।

ওবায়দুল কাদের বলেন, মির্জা ফখরুলের কাছে সবাই নিরপরাধ, সবাই অসহায়। তাহলে প্রশ্ন, এই ধ্বংসযজ্ঞ চালাল কারা? কারা অগ্নিসংযোগ করল, রাষ্ট্রের সম্পদ ভস্মীভূত করল? বাংলাদেশে নারকীয় ধ্বংসযজ্ঞ কারা করেছে? আজকে কথায় কথায় সরকার ও আওয়ামী লীগকে দোষারোপ করা হয়। তিনি পরিষ্কার বলতে চান, এ ঘটনাপ্রবাহে তাঁরা আক্রান্ত, আক্রমণকারী ছিলেন না। কিন্তু এখন অপবাদ দেওয়া হচ্ছে।

সেতুমন্ত্রী বলেন, আজকে অনেকেই বলে, আওয়ামী লীগের লোকজন কম ছিল, অনুপস্থিত ছিল। তিনি বলতে চান, দলীয় লোকজনকে অস্ত্র দিয়ে সজ্জিত হয়ে কোথাও অবস্থান নিতে বলা হয়নি। তাঁরাই তো আক্রান্ত হয়েছেন।

সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত সরকারি স্থাপনার কথা উল্লেখ করে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী প্রশ্ন করেন, ‘তাহলে কারা এই নারকীয় বর্বরতার আশ্রয় নিয়েছে? তাদের সঙ্গে আপনি (মির্জা ফখরুল) জাতীয় ঐক্য করছেন। যারা কারাগারের অস্ত্র লুট করেছে, তারা কি আপনার বন্ধু ও দোসর?’

মির্জা ফখরুলকে উদ্দেশ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সব তথ্য আমাদের কাছে আছে। কোথা থেকে নির্দেশ এসেছে, উসকানি এসেছে, কোথায় কোথায় বৈঠক করেছেন, অর্থ জুগিয়েছেন, কোন কৌশলে অর্থ পাঠিয়েছেন, সেটা আমরা জানি। সকল ষড়যন্ত্র এখন জাতির কাছে দিবালোকের মতো স্পষ্ট। মিথ্যার বেসাতি করে, আবোলতাবোল বলে জাতিকে বিভ্রান্ত করার সুযোগ নেই।’

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আগস্ট মাসব্যাপী দলীয় কর্মসূচির কথা উল্লেখ করেন ওবায়দুল কদের। তিনি বলেন, ‘আমরা প্রতিবছরই এ শোকের মাস যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে পালন করে থাকি।’

2 years ago | [YT] | 0

Highlight Today News

উত্তেজনার নতুন কেন্দ্র গোলান মালভূমি কী, কার নিয়ন্ত্রণে।



ইসরায়েল অধিকৃত গোলান মালভূমির দ্রুজ ভাষাভাষী সংখ্যাগরিষ্ঠ মাজদাল শামস শহরে রকেট হামলায় অন্তত ১২ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় দেশটির সঙ্গে লেবাননের হিজবুল্লাহ গোষ্ঠীর উত্তেজনা ব্যাপকভাবে বেড়েছে। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছে বেশ কয়েকটি শিশু। হামলায় আহত হয়েছেন ৩০ জন।

শনিবার ওই শহরের এক ফুটবল মাঠে এ হামলার জন্য হিজবুল্লাহকে দায়ী করেছে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী। যদিও সশস্ত্র সংগঠনটি এ অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছে। ওই ঘটনার পর লেবাননে ধারাবাহিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। ইতিমধ্যে, দুই দেশের মধ্যে পুরোদমে যুদ্ধ বেধে যাওয়ার আশঙ্কায় সংযম প্রদর্শনের জন্য উভয়পক্ষের প্রতি ক্রমেই বেশি আহ্বান জানিয়ে আসছে আন্তর্জাতিক মহল।

ইসরায়েল–লেবাননের মধ্যকার সাম্প্রতিকতম এ উত্তেজনার কেন্দ্রে রয়েছে ১,৮০০ বর্গকিলোমিটার আয়তনের ভূখণ্ড—গোলান মালভূমি। এটি আসলে কী, কার নিয়ন্ত্রণে—জানা যাক সে সম্পর্কে:গোলান মালভূমি কী
দক্ষিণ–পশ্চিম সিরিয়ার পাথুরে ভূমি ‘গোলান মালভূমি’ দেশটির রাজধানী দামেস্ক থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত। এর দক্ষিণ সীমান্তে ইয়ারমুক নদী ও পশ্চিমে গ্যালিলি সাগর।

গোলান মালভূমিজুড়ে রয়েছে অমসৃণ ব্যাসল্ট শিলা। তবে এ পাহাড়ি ভূমি উর্বর। এখানকার আগ্নেয়শিলাযুক্ত মাটিতে আপেল, চেরি ও আঙুরের ফলন হয়। জর্ডান নদী ও হাসবানি নদীর পানিপ্রবাহের গুরুত্বপূর্ণ উৎস এ অঞ্চল।

গোলান কার, নিয়ন্ত্রণ করে কে
গোলান মালভূমিকে সিরিয়ার অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে থাকে জাতিসংঘ। সে যাহোক, ১৯৬৭ সালের ছয় দিনের আরব–ইসরায়েল যুদ্ধে এটি ইসরায়েল দখল করে নেয়। বর্তমানে এটির পশ্চিমাংশের ১,২০০ বর্গকিলোমিটার (৪৬৩ বর্গমাইল) এলাকার নিয়ন্ত্রণ দেশটির হাতে।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী গোলান মালভূমি দখল করে নেওয়ার প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই সেখানে গড়ে ওঠা শুরু করে অবৈধ বসতি। এখন সেখানকার ৩০টির বেশি বসতিতে বাস করছেন ২৫ হাজারের বেশি ইসরায়েলি ইহুদি।

জাতিসংঘের পর্যবেক্ষণাধীন বাফার জোন (নিরপেক্ষ অঞ্চল) এ মালভূমির ইসরায়েল অধিকৃত এলাকা ও এখনো সিরিয়ার নিয়ন্ত্রণে থাকা বাকি ভূখণ্ডকে আলাদা করে রেখেছে।

শনিবার হামলা হওয়া মাজদাল শামস শহর গোলান মালভূমির ইসরায়েল অধিকৃত অংশের উত্তর–পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত।

-ADVERTISEMENT-

Ads by

দ্রুজ কারা
ইসরায়েল যখন গোলানের দখল নেওয়া শুরু করে, তখন সেখানকার বসবাসরত অনেক সিরীয় পালাতে থাকে। এখনো এ মালভূমিতে প্রায় ২০ হাজার দ্রুজ ভাষাভাষী মানুষের বসবাস।

দ্রুজরা আরব ও আরবি ভাষাভাষী জাতিগত সম্প্রদায়ের লোকজন। সিরিয়া, লেবানন, ইসরায়েল ও জর্ডানে বসবাস করে এ সম্প্রদায়ের মানুষেরা।

শনিবারের হামলার পর ইসরায়েল দ্রুতই ঘোষণা করে, যারা হতাহত হয়েছে, তারা ইসরায়েলি। কিন্তু হামলার শিকার হয়েছেন দ্রুজ জনগোষ্ঠীর অনেকে। তাদের ইসরায়েলের নাগরিকত্ব নেই এবং তারা সিরীয় নাগরিক।

অধিকৃত এলাকায় দ্রুজ জনগোষ্ঠীর মানুষের সঙ্গেও সংঘর্ষে জড়িয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। গত বছরের জুনে এ সম্প্রদায়ের লোকজন গোলানে বায়ুকল নির্মাণের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেন। তাঁদের ওপর ব্যবহার করা হয় কাঁদানে গ্যাসের শেল, বুলেট ও জলকামান।

ইসরায়েলি আইনের অধীন, দ্রুজ ইসরায়েলিদের সামরিক বাহিনীতে অংশগ্রহণ করতে হয়।

সিরিয়া কি গোলান নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করেছে
এ প্রশ্নের জবাব হলো, হ্যাঁ। তবে সিরিয়ার সেই চেষ্টা সফল হয়নি। ১৯৭৩ সালে আরব–ইসরায়েল যুদ্ধের সময় সিরিয়া এ মালভূমির নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার চেষ্টা চালায়।

পরে ইসরায়েল ও সিরিয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি সই করলে ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘ এ সংঘাতে পক্ষভুক্ত হয়। গোলান মালভূমির ইসরায়েল ও সিরিয়ানিয়ন্ত্রিত অংশের মাঝে বাফার জোনে শান্তিরক্ষী মোতায়েন করে সংস্থাটি।

ইসরায়েল-সিরিয়া যুদ্ধবিরতি টিকিয়ে রাখা ও ওই এলাকায় ‘যুদ্ধবিরতি বাফার জোন’ প্রতিষ্ঠার চেষ্টায় একই বছর জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ ‘ইউএন ডিজএনগেজমেন্ট অবজারভার ফোর্স (ইউএনডিওএফ)’ গঠন করে। গত এপ্রিল পর্যন্ত গোলানে মোতায়েন ছিলেন জাতিসংঘের ১ হাজার ২৭৪ জন কর্মী।

১৯৮১ সালে অধিকৃত গোলান মালভূমিকে নিজের এলাকা হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করে ইসরায়েল।

গোলান নিয়ে বিশ্বসম্প্রদায়ের অবস্থান
জাতিসংঘ ছাড়াও বিশ্বের কোনো দেশই গোলানে ইসরায়েলের দখলদারির স্বীকৃতি দেয়নি। সব দেশ মনে করে, এ ভূখণ্ড সিরিয়ার।

১৯৮১ সালে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ সর্বসম্মতভাবে এক প্রস্তাব পাস করে। প্রস্তাবে গোলানে ইসরায়েলের দখলদারি প্রত্যাখ্যান করা হয়। এ মালভূমিতে ইসরায়েলি আইন প্রয়োগ বন্ধ করারও আহ্বান জানানো হয় প্রস্তাবে। এ ছাড়াও, প্রস্তাব গোলানে ইসরায়েলের শাসনকে অবৈধ ঘোষণা করে।

তবে ২০১৯ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শাসনামলে গোলান মালভূমির ওপর ইসরায়েলের সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতি দেয় যুক্তরাষ্ট্র। এটি বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সময়ও বহাল আছে।

2 years ago | [YT] | 0

Highlight Today News

ঢাবির নিরপরাধ শিক্ষার্থী হয়রানির শিকার হলে ২ প্রক্টরের সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ।





কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো নিরপরাধ শিক্ষার্থী হয়রানির শিকার হলে দুই প্রক্টরের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে শিক্ষার্থীদের। এরা হলেন সহকারী প্রক্টর মো. হাসান ফারুক (মোবাইল ০১৭৬৮-৮৮৪-৪২৮) এবং সহকারী প্রক্টর ফারজানা আহমেদ (মোবাইল ০১৭১১-৫৭৬-৩৮৯)।

ছাত্ররা মো. হাসান ফারুকের সঙ্গে এবং ছাত্রীদের ফারজানা আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন। বিশ্ববিদ্যালয়টির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নিরপরাধ শিক্ষার্থীদের হয়রানি বন্ধে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্ভাব্য সব সহযোগিতা প্রদান করা হবে।আজ মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো নিরপরাধ শিক্ষার্থী হয়রানির শিকার হলে ছাত্রদের সহকারী প্রক্টর মো. হাসান ফারুক এবং ছাত্রীদের সহকারী প্রক্টর ফারজানা আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হলো।এর আগে গতকাল সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো নিরপরাধ শিক্ষার্থী যেন হয়রানির শিকার না হন, তা নিশ্চিত করার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এ–সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সহিংসতা ও আইনশৃঙ্খলা বিনষ্টকারী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকার অভিযোগে বিভিন্ন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নানা সংবাদ গণমাধ্যমে আসছে। এ প্রক্রিয়ায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো নিরপরাধ শিক্ষার্থী যাতে হয়রানির শিকার না হন, তা নিশ্চিত করার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আহ্বান জানাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থী হয়রানির শিকার হলে তাঁকে প্রক্টর অফিসকে অবহিত করার নির্দেশনা প্রদান করা হলো। এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্ভাব্য সব সহযোগিতা প্রদান করা হবে। বিজ্ঞপ্তিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসন শিক্ষার্থীদের সর্বাঙ্গীণ মঙ্গল কামনা করছে।

2 years ago | [YT] | 0

Highlight Today News

বিজেপির রাজনীতিতে নতুন ‘যুদ্ধক্ষেত্র’ হয়ে উঠছে যোগীর উত্তর প্রদেশ।




ভারতে লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার এখনো দুই মাসও পেরোয়নি। টানা তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠন করছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। তবে জোট সরকার গঠন করতে পারলেও এবার বিজেপির ফলাফলে রীতিমতো বিপর্যয় নেমেছিল। বিশেষ করে দেশটির সবচেয়ে জনবহুল রাজ্য উত্তর প্রদেশে।

সেখানে বিজেপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল এখন প্রকাশ্যে। উত্তর প্রদেশে বিজেপির একটি অংশ এখন রাখঢাক না করেই মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের সমালোচনা করছে। গেরুয়াধারী যোগীও পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছেন, যা সেখানে সমর্থকদের মধ্যে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করছে।
যদিও উত্তর প্রদেশ বিজেপিতে যোগীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ দেখা দিয়েছে—এমনটা বলার সময় এখনো আসেনি; তবে কার নেতৃত্বে যোগীর বিরুদ্ধে বিরোধ দানা বাঁধছে, তা কিছুটা বোঝা যাচ্ছে। তিনি হলেন যোগীর উপমুখ্যমন্ত্রী কেশব প্রসাদ মৌর্য, যিনি মোদি-অমিত শাহর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত।

উত্তর প্রদেশে সামাজিকভাবে ও শিক্ষাদীক্ষায় পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীর (ওবিসি) রাজনৈতিক প্রতিনিধিদের মধ্যে জনপ্রিয় মুখ কেশব, দীর্ঘদিন ধরেই যাঁর নজর মুখ্যমন্ত্রী পদের দিকে।

কেশবের অভিযোগ, যোগী তাঁর প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের ওপর অতিমাত্রায় নির্ভরশীল। এ নিয়ে সমালোচনা করতে গিয়ে একবার কেশব বলেছিলেন, ‘দল সরকার থেকে বড়।’

আরেক উপমুখ্যমন্ত্রী ব্রজেশ পাঠক এবং উত্তর প্রদেশ বিজেপির প্রধান ভূপেন্দ্র চৌধুরীও কেশবকে সমর্থন করেছেন। এমনকি উত্তর প্রদেশে বিজেপির শরিক দলগুলোর মুখেও কেশবেরই সুর।
এবারের লোকসভা নির্বাচনে উত্তর প্রদেশে মাত্র ৩৩টি আসনে জয় পেয়েছে বিজেপি। সমাজবাদী পার্টি ও কংগ্রেস জোট জিতেছে ৪৩টি আসনে। অথচ গত নির্বাচনে বিজেপি উত্তর প্রদেশে ৬৪টি এবং তার আগের বার ৭৩টি আসনে জেতে।

ভারতের নিম্নকক্ষ লোকসভার ৮০ আসন রয়েছে উত্তর প্রদেশ থেকে।

ব্যক্তিগত আলাপে অনেকে এবার লোকসভা নির্বাচনে উত্তর প্রদেশে বিজেপির হেরে যাওয়ার কারণ হিসেবে ‘অন্তর্ঘাতের’ কথা বলছেন। আরও সুনির্দিষ্টভাবে বললে ‘রাজপুত’ সম্প্রদায়ের কথা বলছেন। যোগী রাজপুত সম্প্রদায় থেকে এসেছেন। বলা হচ্ছে, এবার রাজপুতরা ‘ভোট দিতে যাননি’ বা ‘বিজেপির বিরুদ্ধে’ ভোট দিয়েছেন, বলা হচ্ছে।

উত্তর প্রদেশ বিজেপিকে এখন রাজপুত ছাড়াও যাদব নন—এমন পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী নিয়েও ভাবতে হচ্ছে। ভাবতে হচ্ছে রাজ্যের দলিতদের নিয়েও, যাঁরা এবারের লোকসভা নির্বাচনে সমাজবাদী পার্টি ও কংগ্রেসকে ভোট দিয়েছেন। বিজেপি খুব ভালো করেই জানে, রাজ্যের তৃণমূল পর্যায়ের এই ভোটাররা, যাঁরা মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন, যাঁদের সংখ্যা অনেক বেশি, তাঁদের সমর্থন আবার ফিরে পাওয়া কতটা কঠিন হতে পারে।
যোগী দিন দিন রাজপুতদের নেতা হয়ে উঠছেন, যেখানে কেশবের পক্ষে যোগীর স্থান পূরণ করা প্রায় অসম্ভব। উত্তর প্রদেশের যে অংশকে ‘মৌর্য বেল্ট’ (এলাহাবাদ বিভাগ) বলা হয়, সেখানেও লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির ফল ভালো ছিল না।

উত্তর প্রদেশে বিজেপির মধ্যে এই ক্ষমতার টানাটানি এখন প্রকাশ্যে। এই দ্বন্দ্ব এখন বেশ কিছু প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। যেমন বিজেপি কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব কি এখন আর উত্তর প্রদেশে দলের অবস্থান পুনরায় সুসংহত করার পরিকল্পনায় যোগীকে অংশ করতে চাইছেন? নাকি বর্তমান অবস্থায় যোগীর ওপর চাপ বজায় রাখার এবং মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষমতাকে সীমাবদ্ধ করার উপায় নিয়ে ভাবছেন? এর মাধ্যমে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব কি উত্তর প্রদেশে ভাগ হয়ে যাওয়া বিজেপির মধ্যে ভারসাম্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছেন?

2 years ago | [YT] | 0

Highlight Today News

বিজেপির রাজনীতিতে নতুন ‘যুদ্ধক্ষেত্র’ হয়ে উঠছে যোগীর উত্তর প্রদেশ।




ভারতে লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার এখনো দুই মাসও পেরোয়নি। টানা তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠন করছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। তবে জোট সরকার গঠন করতে পারলেও এবার বিজেপির ফলাফলে রীতিমতো বিপর্যয় নেমেছিল। বিশেষ করে দেশটির সবচেয়ে জনবহুল রাজ্য উত্তর প্রদেশে।

সেখানে বিজেপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল এখন প্রকাশ্যে। উত্তর প্রদেশে বিজেপির একটি অংশ এখন রাখঢাক না করেই মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের সমালোচনা করছে। গেরুয়াধারী যোগীও পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছেন, যা সেখানে সমর্থকদের মধ্যে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করছে।
যদিও উত্তর প্রদেশ বিজেপিতে যোগীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ দেখা দিয়েছে—এমনটা বলার সময় এখনো আসেনি; তবে কার নেতৃত্বে যোগীর বিরুদ্ধে বিরোধ দানা বাঁধছে, তা কিছুটা বোঝা যাচ্ছে। তিনি হলেন যোগীর উপমুখ্যমন্ত্রী কেশব প্রসাদ মৌর্য, যিনি মোদি-অমিত শাহর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত।

উত্তর প্রদেশে সামাজিকভাবে ও শিক্ষাদীক্ষায় পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীর (ওবিসি) রাজনৈতিক প্রতিনিধিদের মধ্যে জনপ্রিয় মুখ কেশব, দীর্ঘদিন ধরেই যাঁর নজর মুখ্যমন্ত্রী পদের দিকে।

কেশবের অভিযোগ, যোগী তাঁর প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের ওপর অতিমাত্রায় নির্ভরশীল। এ নিয়ে সমালোচনা করতে গিয়ে একবার কেশব বলেছিলেন, ‘দল সরকার থেকে বড়।’

আরেক উপমুখ্যমন্ত্রী ব্রজেশ পাঠক এবং উত্তর প্রদেশ বিজেপির প্রধান ভূপেন্দ্র চৌধুরীও কেশবকে সমর্থন করেছেন। এমনকি উত্তর প্রদেশে বিজেপির শরিক দলগুলোর মুখেও কেশবেরই সুর।
এবারের লোকসভা নির্বাচনে উত্তর প্রদেশে মাত্র ৩৩টি আসনে জয় পেয়েছে বিজেপি। সমাজবাদী পার্টি ও কংগ্রেস জোট জিতেছে ৪৩টি আসনে। অথচ গত নির্বাচনে বিজেপি উত্তর প্রদেশে ৬৪টি এবং তার আগের বার ৭৩টি আসনে জেতে।

ভারতের নিম্নকক্ষ লোকসভার ৮০ আসন রয়েছে উত্তর প্রদেশ থেকে।

ব্যক্তিগত আলাপে অনেকে এবার লোকসভা নির্বাচনে উত্তর প্রদেশে বিজেপির হেরে যাওয়ার কারণ হিসেবে ‘অন্তর্ঘাতের’ কথা বলছেন। আরও সুনির্দিষ্টভাবে বললে ‘রাজপুত’ সম্প্রদায়ের কথা বলছেন। যোগী রাজপুত সম্প্রদায় থেকে এসেছেন। বলা হচ্ছে, এবার রাজপুতরা ‘ভোট দিতে যাননি’ বা ‘বিজেপির বিরুদ্ধে’ ভোট দিয়েছেন, বলা হচ্ছে।

উত্তর প্রদেশ বিজেপিকে এখন রাজপুত ছাড়াও যাদব নন—এমন পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী নিয়েও ভাবতে হচ্ছে। ভাবতে হচ্ছে রাজ্যের দলিতদের নিয়েও, যাঁরা এবারের লোকসভা নির্বাচনে সমাজবাদী পার্টি ও কংগ্রেসকে ভোট দিয়েছেন। বিজেপি খুব ভালো করেই জানে, রাজ্যের তৃণমূল পর্যায়ের এই ভোটাররা, যাঁরা মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন, যাঁদের সংখ্যা অনেক বেশি, তাঁদের সমর্থন আবার ফিরে পাওয়া কতটা কঠিন হতে পারে।
যোগী দিন দিন রাজপুতদের নেতা হয়ে উঠছেন, যেখানে কেশবের পক্ষে যোগীর স্থান পূরণ করা প্রায় অসম্ভব। উত্তর প্রদেশের যে অংশকে ‘মৌর্য বেল্ট’ (এলাহাবাদ বিভাগ) বলা হয়, সেখানেও লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির ফল ভালো ছিল না।

উত্তর প্রদেশে বিজেপির মধ্যে এই ক্ষমতার টানাটানি এখন প্রকাশ্যে। এই দ্বন্দ্ব এখন বেশ কিছু প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। যেমন বিজেপি কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব কি এখন আর উত্তর প্রদেশে দলের অবস্থান পুনরায় সুসংহত করার পরিকল্পনায় যোগীকে অংশ করতে চাইছেন? নাকি বর্তমান অবস্থায় যোগীর ওপর চাপ বজায় রাখার এবং মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষমতাকে সীমাবদ্ধ করার উপায় নিয়ে ভাবছেন? এর মাধ্যমে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব কি উত্তর প্রদেশে ভাগ হয়ে যাওয়া বিজেপির মধ্যে ভারসাম্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছেন?

2 years ago | [YT] | 0