Abdul Karim Saifi

Description
Hello
This is Abdul Karim Saifi My goal is to encourage everyone to stand by the helpless people and do humanitarian work.
Here Islamic blogs, Islamic Nasheed &Gojol, Bayan, Travel & Tourism, Tourism Spots, Educational Institutions, Education System, Life Stories, Gaan Bangla Waz Islamic Theater Islamic Video Islamic Shortfilm, focuses on information as well as technical news.
============================================== == ======
Sponsors can contact me at the following e-mail: aksaifi4823@gmail.com

Any of us via e-mail
Tourist spots can tell you about a talented person, or about a talented person, telling a life story or helping a helpless patient.
Thank you for your great support

Note: Copying or reproducing the logo or content of this channel is strictly prohibited.


Abdul Karim Saifi

আজ জুহুরের নামাজের পর শতশত মুসল্লির উপস্থিতিতে আমার চাচার জানাযার নামাজ সম্পন্ন হয়েছে।

শেষ বিদায়ের সেই মুহূর্তে সবার চোখের অশ্রু আর দোয়া যেন সাক্ষ্য দিল মানুষ চলে যায়, কিন্তু বুঝতে পারলাম আমার চাচা কতোটা মানুষের আপন ছিলেন।

আল্লাহ তাআলা আমার চাচাকে ক্ষমা করুন, কবরকে নূরে ভরে দিন এবং তাঁকে জান্নাতুল ফিরদাউস নসিব করুন। সকলের কাছে চাচার জন্য দোয়ার আবেদন রইল। 🤲😭

2 months ago | [YT] | 4

Abdul Karim Saifi

ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।😭

অত্যন্ত ভারাক্রান্ত হৃদয়ে জানাচ্ছি, আজ ভোর ৪:০০ ঘটিকায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আমার অত্যন্ত প্রিয় চাচা ইন্তেকাল করেছেন।

আজ আমাদের পরিবারের একটি ছায়া সরে গেল। একজন স্নেহময় অভিভাবক, একজন আপন মানুষ, যাঁর ভালোবাসা, দোয়া ও স্মৃতিগুলো আজীবন হৃদয়ে গেঁথে থাকবে। কিন্তু দুনিয়ার প্রতিটি বিদায়ই ক্ষণস্থায়ী; প্রকৃত মিলন হবে ইনশাআল্লাহ জান্নাতে, যদি আল্লাহ তাআলা আমাদের প্রতি রহম করেন।

হে পরম দয়ালু আল্লাহ! আপনি আমার চাচার জীবনের সকল ভুল-ত্রুটি ক্ষমা করে দিন। তাঁর কবরকে নূরে ভরে দিন, কবরকে জান্নাতের বাগানসমূহের একটি বাগান বানিয়ে দিন। মুনকার-নাকীরের প্রশ্ন সহজ করে দিন, কবরের আজাব থেকে তাঁকে হেফাজত করুন এবং বিনা হিসাবে তাঁকে জান্নাতুল ফিরদাউসের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করুন।

আমার সকল আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে বিনীত অনুরোধ🙏আপনারা আমার চাচার জন্য আন্তরিকভাবে দোয়া করবেন। হয়তো আপনার একটি আন্তরিক দোয়াই আল্লাহ তাআলার দরবারে তাঁর নাজাতের অসিলা হয়ে যাবে।

হে আল্লাহ! আমাদেরও ঈমানের সঙ্গে মৃত্যু দান করুন এবং কিয়ামতের দিন নেককার বান্দাদের সঙ্গে একত্রিত করুন। আমীন।

প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ আস্বাদন করতে হবে।
(সূরা আলে ইমরান: ১৮৫)

إِنَّا لِلَّٰهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُونَ
"নিশ্চয়ই আমরা আল্লাহরই এবং নিশ্চয়ই আমরা তাঁরই দিকে প্রত্যাবর্তনকারী।"

2 months ago | [YT] | 0

Abdul Karim Saifi

একজন ফুটবল তারকার জন্য যদি আজ পৃথিবীর কোটি কোটি মানুষ আবেগে ভাসতে পারে, রাত জেগে উল্লাস করতে পারে, তর্ক-বিতর্কে জড়িয়ে পড়তে পারে! তাহলে চিন্তা করুন, শেষ যুগের সবচেয়ে বড় ফিতনা মসীহ দাজ্জাল মানুষের সামনে এলে তার প্রভাব কত ভয়াবহ হতে পারে!

রাসূল ﷺ আমাদের দাজ্জালের ফিতনা থেকে বারবার সতর্ক করেছেন। কারণ, তার ফিতনা হবে মানবজাতির ইতিহাসের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষাগুলোর একটি।

হে উম্মতে মুহাম্মদ ﷺ,
আসুন, মানুষকে নয়! আল্লাহকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসি। ক্ষণস্থায়ী দুনিয়ার মোহে নয়, আখিরাতের সফলতার জন্য নিজেদের প্রস্তুত করি। নিয়মিত কুরআন তিলাওয়াত করি, বিশেষ করে সূরা আল-কাহফ পাঠের অভ্যাস গড়ে তুলি, ঈমানকে শক্তিশালী করি এবং আল্লাহর কাছে দাজ্জালের ফিতনা থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করি।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে সব ধরনের ফিতনা, বিশেষ করে মসীহ দাজ্জালের ভয়াবহ ফিতনা থেকে হেফাজত করুন। আমীন। 🤲🩶

3 months ago | [YT] | 2

Abdul Karim Saifi

মায়ের অপমান কোনো সন্তানের পক্ষেই সহজে মেনে নেওয়া সম্ভব নয়।

পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি সন্তানের কাছেই মা সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়, সবচেয়ে বড় অনুভূতির নাম। তাই নিজের মায়ের ওপর হা*মলা, অপমান বা নি*র্যাতনের খবর শুনলে যে কোনো সন্তানের মাথা গরম হয়ে যেতে পারে। এটা খুবই স্বাভাবিক মানবিক প্রতিক্রিয়া।

ময়মনসিংহে ঘটে যাওয়া ঘটনাটিও তেমনই আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, রাজিব আহমেদ রুবেল ওরফে 'কাইল্যা রুবেল' পারুল বেগমের বাসার ভাড়াটিয়া ছিলেন। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে ওই বাসায় বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকাণ্ড চলছিল। এ কারণে বাড়িওয়ালি পারুল বেগম ও তাঁর ছেলেরা তাঁকে বাসা ছেড়ে দিতে বলেন।

ঘটনার দিন বাসা ছাড়াকে কেন্দ্র করে প্রথমে বাকবিতণ্ডা হয়। পরে অভিযোগ ওঠে, পারুল বেগম একা থাকাকালে রুবেল তাঁর ওপর হামলা ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন।

এই খবর পেয়ে তাঁর চার ছেলে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। এরপর সং*ঘর্ষে রুবেল নি*হ-ত হন।

একজন সন্তানের কাছে মায়ের সম্মান পৃথিবীর সবচেয়ে সংবেদনশীল বিষয়গুলোর একটি। তাই এমন পরিস্থিতিতে আবেগ নিয়ন্ত্রণ করা অনেকের পক্ষেই কঠিন হয়ে পড়ে।

তবে এটাও মনে রাখা জরুরি, অপরাধ যত বড়ই হোক, বিচার করার দায়িত্ব আদালত ও আইনের। কারণ প্রতিশোধের পথ আরেকটি অপরাধের জন্ম দিতে পারে।

আপনার কী মনে হয়?

মায়ের সম্মান রক্ষার প্রশ্নে এমন পরিস্থিতিতে সন্তানের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া কি স্বাভাবিক বলে মনে করেন, নাকি সব অবস্থাতেই আইনের ওপর ভরসা করাই উচিত?

আপনার মতামত জানাতে পারেন।

3 months ago | [YT] | 7

Abdul Karim Saifi

সকাল থেকে অনলাইনজুড়ে কান্নাকাটির এক বেহুদা পরিবেশ সামনে আসছে। এর মাঝে আসল এই আত্মহ'ত্যার সংবাদ।

আধুনিক খেলাধুলা ও চরিত্র বিশ্লেষণ বেশকিছু রিপোর্ট ও পরিসংখ্যান আমি উল্লেখ করছি। সেখান থেকে কেবল ২০২৬ সালের কিছু সংবাদ তুলে ধরছি :

খেলা দেখা ও পতাকা টানানো কেন্দ্র করে বেশ কিছু দুর্ঘটনা ও সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। তার কয়েকটি নিউজ দেখুন :

১. ঢাকার আদাবরে ব্রাজিল বনাম জাপান ম্যাচ দেখা এবং বাঁশি বাজানো কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। এ নিয়ে রাতে সালিশ বসে। সেই সালিশেই একজনকে কু'পিয়ে খু'ন করা হয়!

২. আশুলিয়ায় ব্রাজিল-জাপান ফুটবল ম্যাচ কেন্দ্র করে সমর্থকদের বিরোধ সৃষ্টি হয়। তার জের ধরে মাত্র ১৫ বছর বয়সী আর্জেন্টিনা সাপোর্টার এক কিশোরকে খু'ন করে বালুচাপা দেয় দুই ব্রাজিল সমর্থক!

৩. সিলেটে বিশ্বকাপ খেলা দেখা কেন্দ্র করে তর্কের জেরে চাচাতো ভাইয়ের ছু'রিকাঘাতে এক যুবক খু'ন হয়!

৪. হবিগঞ্জে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা সাপোর্টারদের মধ্যে বিশ্বকাপের আমেজ ও প্রীতি ম্যাচ উপলক্ষে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। এ স'ঙ্ঘর্ষে প্রায় ৫০ জন আহত হয়!

৫. লক্ষীপুরে পতাকা টানানো নিয়ে ঝগড়ার জের ধরে একজনের মাথা ফা'টিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটে।

৬. গাইবান্ধায় এক পুকুরে তিন বন্ধু গোসল করতে নামে। সেখানে আর্জেন্টিনা-বার্জিল নিয়ে তর্কের জেরে একজনকে হ*ত্যা করে বাকি দুই বন্ধু!

৭. ২০২৬ সালের জুন মাসে বাঁশের মাথায় প্রিয় দলের পতাকা বেঁধে আমগাছের চূড়ায় তুলতে গিয়ে বিদ্যুতের তারের সংস্পর্শে এসে এক কিশোর ঘটনাস্থলেই মা*রা যায়।

আচ্ছা বলুন তো, আর কী কী ঘটা বাকী আছে এই তুচ্ছ খেলার ভালোবাসায়? ছুরির আঘাতে খু'ন, বল্লমের আঘাতে খু'ন, পানিতে ডুবিয়ে খু'ন, কু'পিয়ে খু'ন, খু'ন করে গুম, পিটিয়ে খু'ন! খু'নের আর কোন প্রকারটা বাকী আছে বলুন? মাথা ফা'টিয়ে দেওয়া আর বিভিন্ন অ'স্ত্রের আঘাতে আহত করার উদাহরণ তো শত শত!

এরপরেও কি প্রশ্ন জাগে না, এই খেলা কি নিছক বিনোদন? যারা খেলা দেখে, তারা স্রেফ বিনোদন হিসেবেই দল সাপোর্ট করে, না-কি পূজা করে? তাদের এসব আচরণ কীসের উদাহরণ বলুন তো!

প্রিয় খেলোয়াড়কে কেউ ট্রল করলে আমাদের মাথায় র'ক্ত উঠে যায়, তাকে পে'টাই, মাথা ফা*টিয়ে দিই, খু'ন করে ফেলি! অথচ একবারও কি ভেবে দেখেছি, এতে আমাদের কী উপকার হচ্ছে? আমাদের আবেগ ও ভালোবাসা কার জন্য হওয়া উচিত ছিল, আর আমরা কার জন্য আবেগ ঢালছি?

উপর্যুক্ত ঘটনাগুলো কেবল গণমাধ্যমে আসা সংবাদভান্ডারের অল্প কিছু উদাহরণ। এর বাইরেও খেলা কেন্দ্র করে সমাজে অসংখ্য মারামারি ও ঝগড়ার ঘটনা ঘটে।

এমনকি দল সাপোর্ট কেন্দ্র করে বিয়ের আসরে মা'রামারি হয়ে বিয়ে ভেঙে যাওয়ার মতো ঘটনাও আমরা এই দেশে দেখেছি। এবারও দেখা গেছে, খেলা দেখার সময় বিজয়ী পক্ষ অপর পক্ষের সাপোর্টারদের খেলা দেখার স্থান থেকে জুতা মে'রে বের করে দিচ্ছে!

এমন প্রজন্মের জন্য আফসোস

3 months ago | [YT] | 3

Abdul Karim Saifi

ভারতে কিন্তু একটা বিশাল ঘটনা ঘটে গেছে!

আয়ুষ মালিক ভারতের উত্তর প্রদেশের শামলি জেলার একজন ব্যবসায়ী পরিবারের আদুরে সন্তান। বাপ দাদারা বনেদি ব্যবসায়ী। ফার্মাসিউটিক্যালস ব্যবসায়ের বিস্তর সম্পদ গড়েছেন। ধর্মে হিন্দু। ছোট বেলা থেকেই আয়ুষ কঠিন অনুশাসনে বড় হয়েছেন। বাড়িতে নিয়মিত সন্ধ্যা বন্দনা, গায়ত্রী মন্ত্র, সূর্য প্রণাম, গণেশ স্তোত্র, লক্ষ্মী প্রার্থনা, শিব প্রার্থনা, আরতি হয়। এসব দেখতে দেখতে তার শৈশব কেটেছে। ঠাকুরমা-ঠাকুরদার দেখাদেখি আয়ুষ ছোটকাল থেকেই দেব-দেবীদের প্রতি সীমাহীন অনুরক্ত ছিল। দেবরায মালিক এবং কঙ্কনা মালিকের একমাত্র পুত্র আয়ূষ ছোটবেলা থেকেই মেধাবী। পাঠ মনোযোগী। দুই বোন আর আয়ুষ দেবরায দম্পতির পুরো পৃথিবী।

আয়ুষের বয়েস বাড়ে সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ে ধর্মে অনুরক্ততা। দেব-দেবী নিয়ে বিস্তর প্রশ্ন। রেওয়াজ রীতি নিয়ে মৌলিক জিজ্ঞাসা। কে শুরু করেছে,কিভাবে শুরু। পরম্পরা কী৷ ধর্মগ্রন্থের শুদ্ধতা কী। প্রশ্নবাণে জর্জরিত ঠাকুরদা। ঘাট মানলেন। পাঠালেন গুরুর কাছে। ধর্মবেত্তার দরবারে। মন্দিরের পুরোহিতের কাছে। গয়াকাশীর সন্যাসীর আখড়ায়। দিল্লির ব্রাহ্মণপাড়ায়। কেউই দফারফা করতে পারে না। উত্তর শুনে দিল সন্তুষ্ট না। যা খুঁজে ফিরছেন তা পাচ্ছেন না।

বছর দুয়েক মন্দিরের অলিগলি, ঘুপচি গলি, তস্য গলি ঘুরে বাসায় থিতু হলেন। অদম্য স্পৃহা আর তৃষ্ণা নিয়ে শুরু করলেন কম্পারিটিভ রিলিজিয়ন স্টাডি।

জট খুলতে শুরু হলো ধীরে ধীরে। এক ঐশী সালমান ফারসায়ীয় দ্যুতি চোখের সামনে হাতছানি দিচ্ছে। রিসালাতের কোমল স্পর্শ কাছাকাছি হতে লাগলো। কুরআনের হৃদয় শীতল করা সুর মন্দিরের অপ/বিত্র মন্ত্রকে ধুয়ে মুছে সাফ করে দিলো।
উদ্ভাসিত হলো এক ঐশী অধ্যায়। এটাই কী খুঁজে ফিরছিলেন?

কোনো এক পবিত্র রজনীর শেষাংশে পুরো সত্তা বিলীন করে লুটিয়ে পড়ে সাক্ষ্য দিলো- ❝আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসুলুহ❞

দিন যায়, সময় যায় আয়ুশ ক্রমেই 'মোহাম্মদ আলী' হয়ে উঠছেন। বিজেপি আরএসএস ইস্কনিদের যেখানে চেষ্টা ইসলামের মূলোৎপাটন করে ফেলবে, কোরবানি বন্ধ, নামাজ পড়ার জন্য রাস্তা ব্যবহার নিষিদ্ধ। একেক করে মসজিদ বন্ধ করছে। রাতের আধারে ২০০ বছরের মসজিদ বুলডোজার দিয়ে গুড়িয়ে দিচ্ছে সেখানে এই অঘটন কোনোভাবেই মেনে নেওয়ার মতো না।

মিডিয়া কভারেজ পেলো, লাভ জিহাদের ট্যাগ দিলো, সম্পত্তিচ্যুত করার হুমকি দেওয়া হলো, ত্যাজ্য করার ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল করা হলো, ঘর ওয়াপস এর জন্য হুমকি দেওয়া হলো।
আয়ুষ মালিকের ঈমান গরুখাওয়া মুসলমানদের মতো নয়। বাপের বদৌলতে জন্ম পরম্পরায় মুসলমান নয়। আয়ুষ মালিকের ঈমান সীসাঢালা প্রাচীরের ন্যায় ঈমান। যার গভীরতা আসমান জমিন দূরত্বের শক্ত ভীতের উপর প্রতিষ্ঠিত। আয়ুষ তার রবের ভালোবাসায় রবের সাথে মিশে গেছে। রাসূলের অনুসরণে কুরবান হতে প্রস্তুত সে।

আয়ুষ মালিক বলেছেন, আমার জীবন থাকতে আমি ইসলাম ছাড়বো না। আমাকে সম্পদ ছাড়া করলেও আমি ইসলাম ছাড়বো না। আমি রাস্তার ফকিরের জীবন বেছে নিতে প্রস্তুত শিরকের আহবানে কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক হতে চাই না। ত্যাজ্য করার হুমকিতে আমি আল্লাহ আর রাসূলকে ছাড়তে পারব না।
আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট।

ইয়া আল্লাহ আপনি মোহাম্মদ আলীর জন্য যথেষ্ট হয়ে যান।

আমীন।

3 months ago | [YT] | 3

Abdul Karim Saifi

দেশ-বিদেশে অবস্থানরত সকলকে জানাই পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা "ঈদ মুবারাক"🌙
তাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম!

4 months ago | [YT] | 14

Abdul Karim Saifi

মু’তার যুদ্ধ ইসলামের ইতিহাসের এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও আবেগময় ঘটনা।

রাসূলুল্লাহ ﷺ ৮ হিজরিতে প্রায় ৩০০০ সাহাবির একটি বাহিনী প্রেরণ করেন মু’তা অঞ্চলে (বর্তমান জর্ডান এলাকায়)। কারণ, মুসলিম দূতকে অন্যায়ভাবে হত্যা করা হয়েছিল, যা ছিল চুক্তি ভঙ্গের গুরুতর অপরাধ। এই বাহিনীর নেতৃত্ব ধারাবাহিকভাবে তিনজন সাহাবির হাতে ছিল:-

প্রথমে যায়েদ ইবনে হারিসা
এরপর জাফর ইবনে আবু তালিব
এবং পরে আব্দুল্লাহ ইবনে রাওয়াহা

রাসূল ﷺ নির্দেশ দিয়েছিলেন,যদি একজন শহীদ হন, তবে পরবর্তীজন নেতৃত্ব গ্রহণ করবেন। মুসলিম বাহিনী সেখানে পৌঁছে দেখে বিপরীতে রোমান ও তাদের মিত্রদের বিশাল সেনাবাহিনী। সংখ্যায় মুসলমানরা খুবই কম ছিল, কিন্তু তাদের ঈমান ছিল পাহাড়ের মতো দৃঢ়।

প্রথমে যায়েদ ইবনে হারিসা বীরত্বের সাথে যুদ্ধ করতে করতে শহীদ হন। তিনি ঘোড়া থেকে নেমে যুদ্ধ শুরু করেন, যেন কেউ মনে না করে তিনি পালাচ্ছেন। তিনি ইসলামের পতাকা শক্ত করে হাতে ধরেন। শত্রুর আঘাতে তাঁর ডান হাত কেটে যায়। তিনি সাথে সাথে বাম হাতে পতাকা তুলে নেন। এরপর বাম হাতও কেটে ফেলা হয়।
তবুও তিনি পতাকা মাটিতে পড়তে দেননি।
তিনি নিজের বুক ও শরীর দিয়ে পতাকাকে আঁকড়ে ধরে রাখেন। অবশেষে তিনি অসংখ্য আঘাতে শহীদ হন।

মদিনায় বসেই রাসূলুল্লাহ ﷺ আল্লাহর পক্ষ থেকে যুদ্ধের খবর পান। তিনি সাহাবিদের জানান, যায়েদ শহীদ হয়েছেন, তারপর জাফর শহীদ হয়েছেন, এরপর আব্দুল্লাহ ইবনে রাওয়াহা শহীদ হয়েছেন। তিনি আরও বলেন, আল্লাহ তাঁকে জান্নাতে দুই ডানা দিয়েছেন এবং তিনি সেখানে উড়ছেন। এজন্য তাঁকে “জাফর আত-তাইয়ার” (ডানাওয়ালা জাফর) বলা হয়।

মু’তার যুদ্ধের গল্প শুধু ইতিহাস নয়, এটা জীবনের জন্য এক নীরব অনুপ্রেরণা। হজরত জাফর ইবনে আবু তালিব আমাদের শেখান:-

একজন মানুষ কতটা দৃঢ় হতে পারে, যখন সে তার বিশ্বাসকে ভালোবাসে। দুটি হাত হারানোর পরও তিনি পতাকা ছাড়েননি। কারণ তার কাছে পতাকা শুধু কাপড় ছিল না, এটা ছিল সত্য, দায়িত্ব আর আদর্শের প্রতীক।

>দায়িত্ব যাই হোক, মাঝপথে ছেড়ে দিও না
>চাপ এলে ভেঙে পড়ো না, শক্ত থাকো
>সত্য ও নীতির সাথে আপস করো না
>লক্ষ্য বড় হলে কষ্ট ছোট মনে হয়

জীবনে অনেক সময় আমরা ছোট সমস্যায় থেমে যাই। “যে মানুষ নিজের বিশ্বাস ধরে রাখতে পারে, সে কখনো হেরে যায় না।” জাফর ইবনে আবু তালিব–এর জীবন আমাদের জন্য একটি বার্তা: সত্যের পথে দাঁড়িয়ে থাকাই আসল শক্তি।

4 months ago | [YT] | 2

Abdul Karim Saifi

হায় আল্লাহ!

রামিসার বাবা পিএমকে বলতেছিলেন, ‘স্যার কিছু মনে করবেন না। আপনাকে শুধু একটা ছবি দেখাবো।’

বইলাই মোবাইলটা হাতে নিলেন। মেইবি, মেইবি... রামিসার খণ্ডিত-বিখণ্ডিত মরদেহ দেখাইতে গেলেন!

তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হইতে পারেন, কিন্তু মানুষ তো!

পিএম বুইঝা উঠতেই চেহারা ঘুরাইয়া ফেললেন। তার আর করার কী-ই বা ছিল? এই দৃশ্য মানুষ কেমনে সহ্য করে?

এরপরই পিএমের পা জড়াইয়া ধরলেন রামিসার বাবা। আর বলতে লাগলেন,

-এটা নিয়া আমি সারাজীবন কী করে বাঁচবো স্যার!
-আমি কী করে এ দৃশ্য দেখে বেঁচে থাকবো স্যার!
-আমি জানি না, আল্লাহ আমারে কী পরীক্ষায় ফেলছে
-মৃত্যু ছাড়া আমার আর কোনো পথ নাই, স্যার!

করুণ, করুণ!

যাই হোক,

রামিসার বোনের দায়িত্বটা পিএম নিজে নিছেন। আর আসার সময় বলে আসছেন,

-ধৈর্য ধরেন। আপনার সন্তান আল্লাহ নিয়ে গেছেন, আরেকজন আছে। ওর দিকে তাকিয়ে আপনাদের শক্ত থাকতে হবে।

-আল্লাহ মালিক, আল্লাহর কাছে সাহায্য চান। আল্লাহ রহম করবেন। আর মানুষ আমাদের যা করার, আমরা করবো।

লেখা- Sajjad H Sabbir

4 months ago | [YT] | 9

Abdul Karim Saifi

কি এক বিশ্রি, বিকৃত সংস্কৃতি নিঃশব্দে আমাদের সমাজে দিনকে-দিন শেকড় গেঁড়ে বসছে আমরা হয়তো দেখছি, কিন্তু অনুভব করছি না তার ভয়াবহতা।

বর্তমানে প্রতিনিয়ত দেখা যাচ্ছে, বিশেষ করে দক্ষিণ চট্টগ্রামে, অপ্রাপ্ত বয়স্ক স্কুল, মাদরাসা পড়ুয়া ছেলে-মেয়েরা হঠাৎ করে পালিয়ে যাচ্ছে। তারপর হলফনামা করে নিজেদের বিবাহিত দাবি করছে (যদিও এই বিয়ের কোন আইনি ভিত্তি নেই)। ফেসবুকে কিছু সাংবাদিক নামক ভুয়া সাংবাদিকদের টাকা দিয়ে ভিডিও বানিয়ে পৈশাচিক হাসি দিয়ে নিজের বাবা-মায়ের নাম সহ ঠিকানা উল্লেখপূর্বক নির্লজ্জভাবে পালিয়ে যাওয়ার বিবরণ দিচ্ছে আবার হুমকি দিচ্ছে যেন, তাদের আর বিরক্ত না করা হয়। এই দৃশ্যগুলো শুধু অস্বস্তিকর না এগুলো আমাদের সামাজিক অবক্ষয়ের প্রমাণ।

সবচেয় ভয়ঙ্কর বিষয় হচ্ছে, কিছু তথাকথিত সাংবাদিক যারা আদতে টাকার বিনিময়ে ভিউ আর শেয়ার খোঁজে এই ঘটনাগুলোকে চটকদার শিরোনামে ছড়িয়ে দিচ্ছে। কমেন্ট বক্সে মানুষ হাসাহাসি করছে, শেয়ার করছে, কেউ কেউ আবার ওই ছেলেটার সাথে নিজের তুলনা করে আফসোস করছে। যেন এটা কোনো বিনোদন! কিন্তু আমরা কি একবারও ভেবে দেখি এই ঘটনার অন্য পাশটা কেমন?

একটি পরিবার….....
যারা তাদের মেয়েকে বুকের ভেতর আগলে রেখে বড় করেছে। যার ছোট্ট চাওয়া-পাওয়া পূরণ করতে নিজেরা হাজার কষ্ট সহ্য করেছে। যাকে সুন্দর ভবিষ্যৎ দেওয়ার স্বপ্নে স্কুলে, মাদ্রাসায় ভর্তি করিয়েছে। যে মেয়েকে একদিন সম্মানের সাথে, একটি রজপুত্রের হাতে তুলে দেওয়ার স্বপ্ন দেখেছিল!

সেই মেয়েই যখন হঠাৎ করে কোন টমটম চালক বা যার কোন পরিচয় নাই এমন টোকাই ছেলের হাত ধরে পালিয়ে যাই তখন সেই বাবা-মায়ের অনুভূতি কেমন হয়?
ভাবুন তো সেই বাবার কথা, সেই ভাইয়ের কথা তারা তাদের আদরের ঘরের পুতুলটিকে কি নির্লজ্জ অবস্থায় দেখছে, আশেপাশের মানুষজনের কত কটু কথা, আত্মীয় স্বজনদের টিটকারি চায়ের দোকানে সবচেয়ে বড় আলাপের বিষয়বস্তু তাদের কন্যা। কিভাবে সহ্য করছে এই পরিবার?

এটা শুধু পালানোর গল্প না এটা অনেক সময় একটি পরিবারের আজীবনের অর্জনকৃত সম্মান, বিশ্বাস আর ভালোবাসার ভেঙে পড়ার গল্প। আমরা যারা বাইরে থেকে দেখি, তারা হয়তো হাসি-ঠাট্টা করি। কিন্তু যতদিন না নিজের পরিবারে এমন কিছু ঘটবে, ততদিন এই ব্যথার গভীরতা বোঝা সম্ভব না। সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় এই প্রবণতাকে আমরা থামাচ্ছি না, বরং অজান্তেই উৎসাহ দিচ্ছি।

যে উকিল কয়েক হাজার টাকার বিনিময়ে এসব অপ্রাপ্তবয়স্ক সম্পর্ককে বৈধতা দিচ্ছে, যে কাজি যাচাই-বাছাই ছাড়াই রেজিস্ট্রেশন করছে, যে ভুয়া সাংবাদিক এসব ভিডিও বানিয়ে ছড়িয়ে দিচ্ছে তাদের সবাইকে জবাবদিহির আওতায় আনতেই হবে। কারণ এই ঘটনাগুলো শুধু একটি ট্রেন্ড না এগুলো সমাজে অবাধ সম্পর্ক, অবাধ্যতা আর নৈতিক অবক্ষয়কে স্বাভাবিক করে দিচ্ছে।

ফলাফল?
দিনে দুপুরে নারী হয়রানি বাড়ছে। স্কুল-কলেজের মেয়েরা নিরাপদে চলাফেরা করতে পারছে না। সমাজে এক ধরনের বিশৃঙ্খলা তৈরি হচ্ছে, যা ধীরে-ধীরে আমাদের সবাইকে গ্রাস করছে। আমরা যদি এখনই সচেতন না হই, যদি এটাকে মজা ভেবে উড়িয়ে দিই তাহলে একসময় এই আগুন আমাদের ঘরেও পৌঁছাবে।

এটা থামানো দরকার এখনই, জোরালোভাবে।
আইনগতভাবে,সামাজিকভাবে, নৈতিকভাবে সব দিক থেকেই প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। কারণ একটা সুস্থ সমাজ নিজে-নিজে তৈরি হয় না মানুষের সচেতনতা, দায়িত্ববোধ আর সম্মিলিত প্রতিবাদই সেটাকে গড়ে তোলে।

উল্লেখ্য যে,
যতদিন ইসলামী শরীয়াহ মতে বিয়েকে সহজ করা হবে না! এবং প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ছাত্র-ছাত্রীদের মোটিভেট করবো না ততোদিন পর্যন্ত এই ক্রাইসিসের কোন সুন্দর সমাধান আসবে না!
এমনকি প্রত্যেক মা বাবা ভাইদের এই ব্যাপারে নজরদারী বাড়াতে হবে এবং আরও বেশি সতর্ক হতে হবে।

বিঃদ্রঃ
প্রকৃত যারা দেশ ও জাতিকে নিয়ে চিন্তা করে এমন সাংবাদিক কখনো এমন নিউজ নামক ফেইসবুক পোস্ট করে না৷




এই অবস্থার সমাধান শুধু আবেগ দিয়ে হবে না, প্রয়োজন ইসলামিক শরীয়াহভিত্তিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় সমন্বিত উদ্যোগ।
■ ইসলামী সমাধানঃ
ইসলামে বিয়েকে সহজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ সমাজে বিয়ে কঠিন, কিন্তু গুনাহ সহজ হয়ে গেছে। অযথা সামাজিক প্রথা, অতিরিক্ত খরচ, স্ট্যাটাসের প্রতিযোগিতা! এসব কমিয়ে শরীয়াহসম্মত সহজ বিয়ের পরিবেশ তৈরি করতে হবে।
সেই সাথে সন্তানদের ছোটবেলা থেকেই পর্দা, লজ্জাশীলতা, হারাম সম্পর্কের ভয়াবহতা এবং আল্লাহভীতির শিক্ষা দিতে হবে।
■ পরিবারে করণীয়ঃ
মা-বাবাকে শুধু সন্তানকে খাওয়ানো-পড়ানো নয়, তার মানসিক অবস্থার দিকেও নজর দিতে হবে।
কার সাথে মিশছে, কী দেখছে, কার সাথে কথা বলছে! এসব বিষয়ে দায়িত্বশীল হতে হবে।
শাসনের পাশাপাশি সন্তানের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি করতে হবে, যেন সে ভুল পথে যাওয়ার আগেই পরিবারের কাছে নিজের কথা খুলে বলতে পারে।
■ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বঃ
স্কুল, কলেজ ও মাদরাসাগুলোকে শুধু পরীক্ষার ফলাফলের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। নৈতিক শিক্ষা, দ্বীনি সচেতনতা, চরিত্র গঠন এবং সামাজিক অবক্ষয়ের ক্ষতি নিয়ে নিয়মিত কাউন্সেলিং ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালু করতে হবে।
শিক্ষকদেরও ছাত্র-ছাত্রীদের আচরণগত পরিবর্তনের দিকে নজর রাখতে হবে।
■ রাষ্ট্রীয় ও আইনি সমাধানঃ
অপ্রাপ্তবয়স্কদের অবৈধ সম্পর্ককে উৎসাহ দেয় এমন কার্যক্রম কঠোরভাবে বন্ধ করতে হবে।
যেসব ভুয়া সাংবাদিক টাকার বিনিময়ে এসব ঘটনাকে ভাইরাল করছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।
যাচাই ছাড়া হলফনামা, বিয়ের কাগজ বা রেজিস্ট্রেশন করে যারা সমাজ ধ্বংসে ভূমিকা রাখছে, তাদেরও জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন কনটেন্ট প্রচার বন্ধে সাইবার মনিটরিং আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন।
আমাদের বুঝতে হবে!
একটি সমাজ ধ্বংস হয় হঠাৎ করে না।
যখন লজ্জা হারিয়ে যায়, হারামকে স্বাভাবিক মনে হয়, পরিবার দুর্বল হয়ে পড়ে, আর মানুষ অন্যের কান্নাকে বিনোদন বানিয়ে ফেলে! তখনই সমাজ ভেতর থেকে ধ্বংস হতে শুরু করে।
তাই এখনই সময় সচেতন হওয়ার।
নিজের পরিবারকে বাঁচান, সন্তানদের সময় দিন, দ্বীনের শিক্ষা দিন, আর হারামকে হারাম বলার সাহস রাখুন।
আল্লাহ তাআলা আমাদের সমাজ, পরিবার ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সকল ফিতনা ও নৈতিক অবক্ষয় থেকে হেফাজত করুন। আমিন।

5 months ago | [YT] | 3