দুর্গম পথ, গাছের ডালের বাধা পেরিয়েও আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের ত্রাণ-বহরের লরি দুর্গত অঞ্চলে পৌঁছেছে। একের পর এক লরি ঢুকছে বন্যাদুর্গত এলাকায়।
এবারের বন্যায় আমরা প্রাথমিকভাবে ৮১ টন জরুরি ত্রাণ, যা ৬ হাজার দুর্গত পরিবারের মাঝে বিতরণের পরিকল্পনা করেছি।
তহবিল সংগ্রহ সাপেক্ষে আরো বাড়তে পারে ইনশাআল্লাহ।
আজ চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নে প্রথম ধাপে ২ হাজার প্যাকেট ত্রাণের প্যাকেজিং শুরু হচ্ছে। এগুলো আগামীকাল সকালে বাঁশখালী উপজেলায় বিতরণ করা হবে ইনশাআল্লাহ। ধারাবাহিকভাবে অন্যান্য এলাকাগুলোতেও বিতরণ করব আমরা।
এছাড়া গৃহহারাদের জন্য বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসনের পরিকল্পনা তো রয়েছেই।
বন্যা থেকে দ্রুত উত্তরণের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া এবং সকলের সম্মিলিত সহযোগিতা কামনা করছি।
দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে শক্তিশালী ও কার্যকর বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলা অতীব জরুরী।
আমাদের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উত্তরসূরী। আমরা বিশ্বাস করি তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে আধুনিক সমরাস্ত্রে সুসজ্জিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। দেশের স্বার্থবিরোধী যারা ভিতর ও বাইরে থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে দুর্বল করতে চায় তাদের কালো হাত থেকে দেশের এই গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানটিকে মুক্ত রাখতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করবেন।
প্রবাসীদের “নবাবজাদা” বলেছিলেন একজন। আজ তিনি কোথায়—ভিপি নূর কি জানেন? হয়তো জানেন না।
নূর ভাই, ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়। আজ যে চেয়ারে বসে মানুষকে ছোট করে কথা বলা যায়, কাল সেই চেয়ার নাও থাকতে পারে।
হ্যাঁ, আপনার অভিযোগ হয়তো কিছু মানুষের ক্ষেত্রে সত্য হতে পারে। কিন্তু সেই মানুষটার কথাও একবার ভাবুন, যে ৫০ ডিগ্রি তাপমাত্রার মরুভূমিতে নিজের চামড়া পুড়িয়ে, কিংবা হিমশীতল ইউরোপে দিনের পর দিন পরিশ্রম করে শুধু পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করছে। তার কাছে আপনার এই মন্তব্য মরুভূমির ক্যাকটাসের কাঁটার মতো হৃদয়ে বিঁধবে।
আপনি হয়তো জানেন না, মোবাইল চালাতে চালাতে বাংলাদেশে অনেক চাকরি করা যায়, কিন্তু বিদেশে নয়। এখানে কাজে ফাঁকি দিলে চাকরি যায়, চাকরি গেলে ভিসা যায়, আর ভিসা গেলে ভেঙে যায় একটি পরিবারের স্বপ্ন।
সবচেয়ে কষ্টের বিষয় হলো—আপনি তো শ্রমিকের ঘামের মূল্য বোঝার কথা।
আমি নিজের চোখে দেখেছি, নিজের কানে শুনেছি—অনেক প্রবাসী নিজের কষ্টের টাকা থেকে খেয়ে না খেয়ে আপনাকে অনুদান পাঠিয়েছে। কারণ তখন আপনি ক্ষমতায় ছিলেন না; তখন আপনি ছিলেন অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের প্রতীক। প্রতিদিন রাজপথে মার খেয়েছেন সত্য ও ন্যায়ের দাবিতে।
আজ সেই আপনিই প্রবাসীদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে বক্তব্য দিচ্ছেন। সত্যিই আফসোস।
মনে রাখবেন, ক্ষমতা মানুষকে বড় করে না; মানুষের ভাষা, বিনয় এবং কৃতজ্ঞতাই মানুষকে বড় করে।
সীরাতে ইবনে হিশাম' পড়ে কেঁদেছিলাম। আংটি পড়ে যাওয়ার অজুহাতে একজন সাহাবী রাসুল ﷺ এর কবরে দ্বিতীয়বার নেমেছিলেন। সর্বশেষ বিদায় নিয়েছিলেন তাঁর কাছ থেকে। এই ঘটনা পড়ে কেঁদেছিলাম। . একদিন মা আয়েশা (রাঃ) রাসূল ﷺ এর সাথে ছিলেন। রাসূল ﷺ কে বেশ উৎফুল্ল দেখে হযরত আয়েশা (রাঃ) বললেন, 'ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করুন।' রাসূল ﷺ আয়েশা রা.-এর জন্য দোয়া করলেন। "হে আল্লাহ! আয়েশাকে মাফ করে দাও। তার অতীতের গুনাহ মাফ করে দাও, তার আগামীর গুনাহ মাফ করে দাও, তার গোপনে করা গুনাহ মাফ করে দাও, তার প্রকাশ্যে করা গুনাহও মাফ করে দাও।" রাসূল ﷺ এর দোয়া শুনে হযরত আয়েশা (রাঃ) হাসলেন। রাসূল ﷺ আয়েশাকে জিজ্ঞেস করলেন, 'আমার এই দোয়া কি তোমাকে আনন্দিত করেছে?' হযরত আয়েশা রা. বললেন, 'কি করে এমন দোয়া কাউকে সন্তুষ্ট করতে না পারে!' আমাদের প্রিয় নবী হযরত আয়েশা রা.কে বললেন, 'আল্লাহর কসম! আমি আমার উম্মতের জন্য আমার প্রতিটি নামাজে এই একই দোয়া করি।' যে দোয়া রাসূল ﷺ উনার প্রিয়তম স্ত্রীর জন্য করেছেন, সেই একই দোয়া প্রতি নামাজে তিনি তাঁর উম্মতের জন্য করেছেন, আপনার জন্য, আমার জন্য করেছেন। তিনি আমাদের রাসূল ﷺ। . একদিন চলার পথে রাসূল ﷺ কেঁদে উঠলেন। সাহাবারা কান্নার কারণ জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, 'আমি আমার ভাইদের জন্য কাঁদছি।' সাহাবারা জিজ্ঞেস করলেন, 'ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমরা কি আপনার ভাই নই?' রাসূল ﷺ বললেন, 'তোমরা তো আমার সাথী। আমার ভাই হল তারা, যারা আমার পরে আসবে আর আমাকে না দেখেই আমার উপর ঈমান আনবে।' রাসূল ﷺ আমার জন্য আপনার জন্য কেঁদেছেন, আমাদেরকে মিস করেছেন, আমরা এই দুনিয়াতে আসার আগেই। আমরা কতোটুকু মিস করি প্রিয় নবীজীকে? কেঁদেছি ক'ফোটা চোখের জল ফেলে? যে নবী আমাদের জন্য প্রতি ওয়াক্ত নামাজে দোয়া করতেন, সেই নবীর নামে আমরা দিনে ক'বার দরুদ পড়ি? ভালোবেসে তার সুন্নাহ নিজের জীবনে কতোটা পালন করি? . রাসূল ﷺ একটি গাছে হেলান দিয়ে খুতবাহ দিতেন, তখনও মিম্বার তৈরি হয়নি। মিম্বর তৈরি হলে পরের সপ্তাহে রাসূল ﷺ যখন মিম্বরে দাঁড়িয়ে খুৎবা দিচ্ছিলেন, সাহাবারা বলেন, গাছের ভেতর থেকে শিশুর মত অঝোরে কান্না তারা শুনতে পেয়েছেন। একটি গাছও রাসূল ﷺ কে মিস করেছে, তার জন্য চোখের পানি ফেলেছে। . রাসূল ﷺ এর মৃত্যুর পর হযরত বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু আর আযান দিতে পারেন নি। এরপর একদিন হযরত বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু মদীনা ছেড়েই চলে গিয়েছিলেন। একদিন তিনি রাসূল ﷺ কে স্বপ্নে দেখলেন। রাসূল ﷺ হযরত বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে বলছেন, "এতদিনেও কি তোমার সময় হয়নি আমার রওজায় আসার?" ছয় বছর পর কোন একদিন হযরত বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে মদীনায় সবাই আযান দিতে অনুরোধ করলেন। কিন্তু তিনি মনঃস্থির করেছেন, রাসূলের জন্য যে আযান দিতেন তা আর কোনদিন কারো জন্য দিবেন না। শেষে হযরত উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর অনুরোধে হযরত বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু আযান দেওয়া শুরু করলেন। সেই আযান, সেই মধুময় সময়, রাসূলুল্লাহর স্মৃতি সব একসাথে ভেসে আসা শুরু করল। কিছুক্ষণের জন্য মানুষ মনে করল, রাসূল ﷺ আবার ফিরে এসেছেন, মদীনার ঘর থেকে সবাই বেরিয়ে আসা শুরু করল, হযরত বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু যখন আযানে আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহর জায়গায় এসে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েছিলেন, পুরো মদীনা জুড়ে হু হু কান্নার শব্দ ছাড়া আর কিছু শোনা যায়নি। .শেষ কবে আমরা আমাদের প্রিয় নবীজীর জন্য কেঁদেছি? কবে? কবে?? কবে???
Dubai
দুর্গম পথ, গাছের ডালের বাধা পেরিয়েও আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের ত্রাণ-বহরের লরি দুর্গত অঞ্চলে পৌঁছেছে। একের পর এক লরি ঢুকছে বন্যাদুর্গত এলাকায়।
এবারের বন্যায় আমরা প্রাথমিকভাবে ৮১ টন জরুরি ত্রাণ, যা ৬ হাজার দুর্গত পরিবারের মাঝে বিতরণের পরিকল্পনা করেছি।
তহবিল সংগ্রহ সাপেক্ষে আরো বাড়তে পারে ইনশাআল্লাহ।
আজ চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নে প্রথম ধাপে ২ হাজার প্যাকেট ত্রাণের প্যাকেজিং শুরু হচ্ছে। এগুলো আগামীকাল সকালে বাঁশখালী উপজেলায় বিতরণ করা হবে ইনশাআল্লাহ। ধারাবাহিকভাবে অন্যান্য এলাকাগুলোতেও বিতরণ করব আমরা।
এছাড়া গৃহহারাদের জন্য বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসনের পরিকল্পনা তো রয়েছেই।
বন্যা থেকে দ্রুত উত্তরণের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া এবং সকলের সম্মিলিত সহযোগিতা কামনা করছি।
2 days ago | [YT] | 682
View 7 replies
Dubai
দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে শক্তিশালী ও কার্যকর বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলা অতীব জরুরী।
আমাদের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উত্তরসূরী। আমরা বিশ্বাস করি তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে আধুনিক সমরাস্ত্রে সুসজ্জিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। দেশের স্বার্থবিরোধী যারা ভিতর ও বাইরে থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে দুর্বল করতে চায় তাদের কালো হাত থেকে দেশের এই গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানটিকে মুক্ত রাখতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করবেন।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী হয়ে উঠুক আমাদের অহংকার।
6 days ago | [YT] | 124
View 7 replies
Dubai
6 days ago | [YT] | 13
View 27 replies
Dubai
প্রবাসীদের “নবাবজাদা” বলেছিলেন একজন। আজ তিনি কোথায়—ভিপি নূর কি জানেন? হয়তো জানেন না।
নূর ভাই, ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়। আজ যে চেয়ারে বসে মানুষকে ছোট করে কথা বলা যায়, কাল সেই চেয়ার নাও থাকতে পারে।
হ্যাঁ, আপনার অভিযোগ হয়তো কিছু মানুষের ক্ষেত্রে সত্য হতে পারে। কিন্তু সেই মানুষটার কথাও একবার ভাবুন, যে ৫০ ডিগ্রি তাপমাত্রার মরুভূমিতে নিজের চামড়া পুড়িয়ে, কিংবা হিমশীতল ইউরোপে দিনের পর দিন পরিশ্রম করে শুধু পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করছে। তার কাছে আপনার এই মন্তব্য মরুভূমির ক্যাকটাসের কাঁটার মতো হৃদয়ে বিঁধবে।
আপনি হয়তো জানেন না, মোবাইল চালাতে চালাতে বাংলাদেশে অনেক চাকরি করা যায়, কিন্তু বিদেশে নয়। এখানে কাজে ফাঁকি দিলে চাকরি যায়, চাকরি গেলে ভিসা যায়, আর ভিসা গেলে ভেঙে যায় একটি পরিবারের স্বপ্ন।
সবচেয়ে কষ্টের বিষয় হলো—আপনি তো শ্রমিকের ঘামের মূল্য বোঝার কথা।
আমি নিজের চোখে দেখেছি, নিজের কানে শুনেছি—অনেক প্রবাসী নিজের কষ্টের টাকা থেকে খেয়ে না খেয়ে আপনাকে অনুদান পাঠিয়েছে। কারণ তখন আপনি ক্ষমতায় ছিলেন না; তখন আপনি ছিলেন অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের প্রতীক। প্রতিদিন রাজপথে মার খেয়েছেন সত্য ও ন্যায়ের দাবিতে।
আজ সেই আপনিই প্রবাসীদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে বক্তব্য দিচ্ছেন। সত্যিই আফসোস।
মনে রাখবেন, ক্ষমতা মানুষকে বড় করে না; মানুষের ভাষা, বিনয় এবং কৃতজ্ঞতাই মানুষকে বড় করে।
#VPNur #probashilife #probashi #probashibangladesh #lakminajesminsoma
1 week ago | [YT] | 211
View 20 replies
Dubai
1 week ago | [YT] | 2,122
View 45 replies
Dubai
1 week ago | [YT] | 264
View 1 reply
Dubai
1 week ago | [YT] | 1,927
View 36 replies
Dubai
সীরাতে ইবনে হিশাম' পড়ে কেঁদেছিলাম। আংটি পড়ে যাওয়ার অজুহাতে একজন সাহাবী রাসুল ﷺ এর কবরে দ্বিতীয়বার নেমেছিলেন। সর্বশেষ বিদায় নিয়েছিলেন তাঁর কাছ থেকে। এই ঘটনা পড়ে কেঁদেছিলাম।
.
একদিন মা আয়েশা (রাঃ) রাসূল ﷺ এর সাথে ছিলেন। রাসূল ﷺ কে বেশ উৎফুল্ল দেখে হযরত আয়েশা (রাঃ) বললেন, 'ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করুন।'
রাসূল ﷺ আয়েশা রা.-এর জন্য দোয়া করলেন। "হে আল্লাহ! আয়েশাকে মাফ করে দাও। তার অতীতের গুনাহ মাফ করে দাও, তার আগামীর গুনাহ মাফ করে দাও, তার গোপনে করা গুনাহ মাফ করে দাও, তার প্রকাশ্যে করা গুনাহও মাফ করে দাও।"
রাসূল ﷺ এর দোয়া শুনে হযরত আয়েশা (রাঃ) হাসলেন। রাসূল ﷺ আয়েশাকে জিজ্ঞেস করলেন, 'আমার এই দোয়া কি তোমাকে আনন্দিত করেছে?'
হযরত আয়েশা রা. বললেন, 'কি করে এমন দোয়া কাউকে সন্তুষ্ট করতে না পারে!'
আমাদের প্রিয় নবী হযরত আয়েশা রা.কে বললেন, 'আল্লাহর কসম! আমি আমার উম্মতের জন্য আমার প্রতিটি নামাজে এই একই দোয়া করি।'
যে দোয়া রাসূল ﷺ উনার প্রিয়তম স্ত্রীর জন্য করেছেন, সেই একই দোয়া প্রতি নামাজে তিনি তাঁর উম্মতের জন্য করেছেন, আপনার জন্য, আমার জন্য করেছেন। তিনি আমাদের রাসূল ﷺ।
.
একদিন চলার পথে রাসূল ﷺ কেঁদে উঠলেন। সাহাবারা কান্নার কারণ জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, 'আমি আমার ভাইদের জন্য কাঁদছি।' সাহাবারা জিজ্ঞেস করলেন, 'ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমরা কি আপনার ভাই নই?'
রাসূল ﷺ বললেন, 'তোমরা তো আমার সাথী। আমার ভাই হল তারা, যারা আমার পরে আসবে আর আমাকে না দেখেই আমার উপর ঈমান আনবে।'
রাসূল ﷺ আমার জন্য আপনার জন্য কেঁদেছেন, আমাদেরকে মিস করেছেন, আমরা এই দুনিয়াতে আসার আগেই। আমরা কতোটুকু মিস করি প্রিয় নবীজীকে? কেঁদেছি ক'ফোটা চোখের জল ফেলে? যে নবী আমাদের জন্য প্রতি ওয়াক্ত নামাজে দোয়া করতেন, সেই নবীর নামে আমরা দিনে ক'বার দরুদ পড়ি? ভালোবেসে তার সুন্নাহ নিজের জীবনে কতোটা পালন করি?
.
রাসূল ﷺ একটি গাছে হেলান দিয়ে খুতবাহ দিতেন, তখনও মিম্বার তৈরি হয়নি। মিম্বর তৈরি হলে পরের সপ্তাহে রাসূল ﷺ যখন মিম্বরে দাঁড়িয়ে খুৎবা দিচ্ছিলেন, সাহাবারা বলেন, গাছের ভেতর থেকে শিশুর মত অঝোরে কান্না তারা শুনতে পেয়েছেন। একটি গাছও রাসূল ﷺ কে মিস করেছে, তার জন্য চোখের পানি ফেলেছে।
.
রাসূল ﷺ এর মৃত্যুর পর হযরত বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু আর আযান দিতে পারেন নি। এরপর একদিন হযরত বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু মদীনা ছেড়েই চলে গিয়েছিলেন। একদিন তিনি রাসূল ﷺ কে স্বপ্নে দেখলেন।
রাসূল ﷺ হযরত বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে বলছেন, "এতদিনেও কি তোমার সময় হয়নি আমার রওজায় আসার?"
ছয় বছর পর কোন একদিন হযরত বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে মদীনায় সবাই আযান দিতে অনুরোধ করলেন। কিন্তু তিনি মনঃস্থির করেছেন, রাসূলের জন্য যে আযান দিতেন তা আর কোনদিন কারো জন্য দিবেন না। শেষে হযরত উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর অনুরোধে হযরত বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু আযান দেওয়া শুরু করলেন। সেই আযান, সেই মধুময় সময়, রাসূলুল্লাহর স্মৃতি সব একসাথে ভেসে আসা শুরু করল। কিছুক্ষণের জন্য মানুষ মনে করল, রাসূল ﷺ আবার ফিরে এসেছেন, মদীনার ঘর থেকে সবাই বেরিয়ে আসা শুরু করল, হযরত বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু যখন আযানে আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহর জায়গায় এসে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েছিলেন, পুরো মদীনা জুড়ে হু হু কান্নার শব্দ ছাড়া আর কিছু শোনা যায়নি।
.শেষ কবে আমরা আমাদের প্রিয় নবীজীর জন্য কেঁদেছি?
কবে? কবে?? কবে???
লেখা : শায়খ মুখতার আহমেদ
2 weeks ago | [YT] | 52
View 0 replies
Dubai
২৩ জুন ঐতিহাসিক পলাশী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, চট্টগ্রাম মহানগর দক্ষিণ শাখা।
#Bangladesh #PalashiDay #23June
2 weeks ago | [YT] | 181
View 1 reply
Dubai
অথচ নির্বাচন হলেই শান্তি আসার কথা ছিল!
3 weeks ago | [YT] | 369
View 22 replies
Load more