Bangla Motivational Video, Business Idea, New Business Review, How to get Rich, Business Man lifestyle ,Earn Money, Income tricks, Millionaires Secret Tips and Product Review .
সাধারণ ছুটি বলতে বোঝায়— সরকার কর্তৃক ঘোষিত এমন ছুটি, যেদিন রাষ্ট্রের প্রায় সব সরকারি অফিস, আদালত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অধিকাংশ বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে।
সহজ ভাষায় 👉 👉 যে ছুটি সবার জন্য প্রযোজ্য, সেটাই সাধারণ ছুটি।
সাধারণ ছুটির মূল বৈশিষ্ট্য
🏛️ সরকারি অফিস বন্ধ থাকে
⚖️ আদালত কার্যক্রম বন্ধ
🏫 স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ
🏦 ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান সাধারণত বন্ধ
🏢 অনেক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও বন্ধ থাকে
তবে জরুরি সেবা (হাসপাতাল, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ, পানি ইত্যাদি) চালু থাকে।
বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের ইতিহাসে ভিপি নুর এক উজ্জ্বল নাম। পটুয়াখালীর চর বিশ্বাস গ্রামে জন্ম নেওয়া এই তরুণ অক্লান্ত পরিশ্রম ও মেধার জোরে উঠে এসেছেন দেশের শীর্ষ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান হওয়া সত্ত্বেও তিনি ছাত্র-অধিকার ও সামাজিক ন্যায়বিচারের আন্দোলনে নিজেকে উৎসর্গ করেছেন।
📌 ২০১৮ সালে তিনি কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম নেতা হিসেবে দেশের তরুণদের ভরসার নাম হয়ে ওঠেন। 📌 ২০১৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (DUCSU) নির্বাচনে তিনি বিপুল সমর্থন নিয়ে সহ-সভাপতি (VP) নির্বাচিত হন। 📌 এরপর থেকে তিনি নানা আন্দোলন-সংগ্রামে সবসময় সামনে থেকেছেন।
বর্তমানে নুরুল হক নুর গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি এবং একইসাথে ছাত্র, যুব ও প্রবাসী অধিকার পরিষদের সমন্বয়ক। তাঁর মূল লক্ষ্য – একটি ন্যায়ভিত্তিক, গণতান্ত্রিক ও সমতার বাংলাদেশ গড়ে তোলা।
কিন্তু দুঃখজনকভাবে, ৩০ আগস্ট ২০২৫ কাকরাইলে গণঅধিকার পরিষদের সমাবেশ চলাকালীন তিনি হামলার শিকার হয়ে গুরুতর আহত হন। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
🙏 আমরা সবাই এই সাহসী তরুণ নেতার দ্রুত আরোগ্য কামনা করি। তাঁর মতো প্রজন্মের কণ্ঠস্বরের প্রয়োজন আজকের বাংলাদেশে আরও বেশি। ভিপি নুর কেবল একজন রাজনীতিবিদ নন, তিনি অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের প্রতীক।
মায়ের হঠাৎ অসুস্থতার কারণে এইচএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী আনিসা। কেন্দ্রে পৌঁছে অনেক অনুরোধ করলেও তাকে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। অনেকেই তার পরীক্ষা নেওয়ার দাবি জানান।
পরিস্থিতি আলোচনায় এলে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রেস উইং থেকে জানানো হয়, আনিসার বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষাটি পুনরায় নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনাধীন। এরই মধ্যে বাংলা দ্বিতীয় পত্র দিয়ে আনিসার এইচএসসি যাত্রা শুরু হয়েছে।
রবিবার সকালে বাংলা দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষায় অংশ নিতে কেন্দ্রে পৌঁছান তিনি। সকাল ৯টা ১০ মিনিটে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করেন আনিসা।
কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া ঈদগাহ বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ এবং উপমহাদেশের অন্যতম ঐতিহাসিক ঈদগাহ ময়দান হিসেবে পরিচিত। এর ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং বিশাল জামাতের জন্য এটি মুসলিম সম্প্রদায়ের কাছে বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ স্থান।
প্রতিষ্ঠা ও নামকরণের ইতিহাস ১৮২৮ সালে সুফি সৈয়দ আহমদ (রহ.), যিনি ইয়েমেন থেকে ইসলাম প্রচারের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশে আগত হন, তিনি কিশোরগঞ্জের নরসুন্দা নদীর তীরে তার নিজস্ব তালুকে এই ঈদগাহ প্রতিষ্ঠা করেন। প্রথম ঈদের জামাতেও তিনি নিজেই ইমামতি করেন। জনশ্রুতি অনুযায়ী, সেই জামাতে প্রায় সোয়া লাখ (১,২৫,০০০) মুসল্লি অংশগ্রহণ করেছিলেন। এই 'সোয়া লাখ' শব্দের অপভ্রংশ থেকেই 'শোলাকিয়া' নামটির উৎপত্তি হয়েছে ।
জমিদারদের অবদান শোলাকিয়া ঈদগাহের প্রতিষ্ঠা ও বিকাশে স্থানীয় জমিদারদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। ঈশা খাঁর বংশধর দেওয়ান হয়বত খাঁ কিশোরগঞ্জে জমিদারি প্রতিষ্ঠার পর এই ঈদগাহের উন্নয়নে সহায়তা করেন। ১৯৫০ সালে দেওয়ান মান্নান দাদ খাঁ ঈদগাহের জন্য ৪.৩৫ একর জমি দান করেন, যা বর্তমানে ঈদগাহের আয়তন ৭ একরে উন্নীত হয়েছে ।
জামাতের আয়োজন ও নিরাপত্তা শোলাকিয়া ঈদগাহে প্রতি ঈদুল ফিতরে বিশাল জামাত অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মুসল্লিরা অংশগ্রহণ করেন। ২০২৫ সালে ১৯৮তম ঈদুল ফিতরের জামাতে প্রায় ৬ লাখ মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন । ঈদের নামাজ শুরুর আগে শর্টগানের ফাঁকা গুলির মাধ্যমে নামাজের সূচনা ঘোষণা করা হয়, যা শোলাকিয়ার একটি ঐতিহ্যবাহী রীতি
সামাজিক ও ধর্মীয় গুরুত্ব শোলাকিয়া ঈদগাহ শুধু একটি নামাজের স্থান নয়; এটি বাংলাদেশের মুসলিম সম্প্রদায়ের ঐক্য, ভ্রাতৃত্ব এবং ধর্মীয় অনুভূতির প্রতীক। প্রতি ঈদে লাখো মুসল্লির সমাগম এই ঈদগাহকে একটি মহামিলন কেন্দ্রে পরিণত করে, যা দেশের ধর্মীয় ও সামাজিক জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
এইভাবে, শোলাকিয়া ঈদগাহ বাংলাদেশের ধর্মীয় ইতিহাসে একটি গৌরবময় অধ্যায় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
গুগল পে (Google Pay) হল গুগলের তৈরি একটি ডিজিটাল পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম, যার মাধ্যমে আপনি সহজেই মোবাইল ফোন ব্যবহার করে টাকা পাঠাতে, পেমেন্ট করতে এবং অনলাইন ও অফলাইন শপিং করতে পারেন। এটি একটি ইউপিআই (UPI) ভিত্তিক অ্যাপ, যা ভারতে খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
🔹 গুগল পে-এর প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ: ✅ ১. ইউপিআই (UPI) সুবিধা: আপনি যেকোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে গুগল পে লিঙ্ক করতে পারেন।
মোবাইল নম্বর বা UPI ID ব্যবহার করে টাকা পাঠাতে বা পেতে পারেন।
✅ ২. ক্যাশলেস লেনদেন: দোকানে QR কোড স্ক্যান করে সরাসরি পেমেন্ট করা যায়।
বিল পরিশোধ, মোবাইল রিচার্জ, ডিটিএইচ, ইলেকট্রিসিটি বিল ইত্যাদি দেওয়া যায়।
বাজারে নোট আসার আগেই নতুন নোটসদৃশ কিছু ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন গণমাধ্যমকে বলেছে- সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যেসব নোটের ছবি ছড়িয়ে পড়েছে, সেগুলো সত্য নয়। প্রকাশের আগে নোটের ডিজাইনের বিষয় খুব কঠোরভাবে গোপনীয়তা রক্ষা করা হয়।
নতুন নোটের বিশেষ বৈশিষ্ট্য ----
১০০ টাকার নোট: এক পাশে রয়েছে বাগেরহাটের ষাট গম্বুজ মসজিদ ও রয়েল বেঙ্গল টাইগারের জলছবি। অপর পাশে সুন্দরবনের প্রাকৃতিক দৃশ্য, বাঘ ও হরিণের চিত্র।
২০০ টাকার নোট: (পরবর্তী ধাপে আসবে) এতে ফুটে উঠেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলা ভাস্কর্য এবং ধর্মীয় সম্প্রীতির প্রতিচ্ছবি।
৫০০ টাকার নোট: (পরবর্তী ধাপে আসবে) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের চিত্র স্থান পেয়েছে।
১০০০ টাকার নোট: (পরবর্তী ধাপে আসবে) সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ ও জাতীয় সংসদ ভবনের ছবি সংযোজিত হয়েছে।
এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন অর্থনীতিবিদরা। তাদের মতে, নতুন নোট শুধু বিনিময় মাধ্যম নয়, বরং দেশের পরিচয় বহনকারী সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক দলিলও বটে। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রথম পর্যায়ের পর ধাপে ধাপে অন্যান্য মূল্যমানের নোটও বাজারে ছাড়া হবে।
নতুন নোট ছাপার কাজ ইতোমধ্যে পুরোদমে চলছে। ঈদের আগে সীমিত পরিসরে বাজারজাত করার মাধ্যমে এর প্রচলন শুরু হবে।
১.কবি নজরুলের লেখার জন্য কোনো বিশেষ পরিবেশ লাগত না। গাছতলায় বসে যেমন তিনি লিখতে পারতেন, তেমনি ঘরোয়া বৈঠকেও তাঁর ভেতর থেকে লেখা বের হয়ে আসত।
২.কবি নজরুল ইসলাম কোনো অনুষ্ঠানে গেলে ঝলমলে রঙিন পোশাক পরতেন। কেউ তাঁকে রঙিন পোশাক পরার কারণ জিজ্ঞাসা করলে বলতেন, রঙিন পোশাক পরি অনেক মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য। অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত তথ্য দিয়েছেন, নজরুল তাঁর ঝলমলে পোশাকের ব্যাপারে বলতেন, ‘আমার সম্ভ্রান্ত হওয়ার দরকার নেই। আমার তো মানুষকে বিভ্রান্ত করবার কথা!’
৩. কবি নজরুলের পাঠাভ্যাস ছিল বহুমুখী। তিনি পবিত্র কোরআন, গীতা, বাইবেল, বেদ, ত্রিপিটক, মহাভারত, রামায়ণ যেমন পড়তেন, তেমন পড়তেন শেলি, কিটস, কার্ল মার্ক্স, ম্যাক্সিম গোর্কিসহ বিশ্বখ্যাত লেখকদের লেখা। সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী তাঁর 'রবীন্দ্র-নজরুল সম্পর্ক এবং তার পরে' প্রবন্ধে লিখেছেন, 'গীতাঞ্জলির গানগুলো নজরুলের মুখস্থ ছিল। রবীন্দ্রনাথের কয়েকটা বড় কবিতাও স্মৃতি থেকে উদ্ধার করতে পারতেন, অনায়াসে। '
৪. বাংলা গানে নজরুলই একমাত্র ব্যক্তি, যিনি সব ধরনের বিষয় নিয়ে গান লিখেছেন। তাঁর গানের সংখ্যা অনেকে চার হাজার বললেও আসলে তিনি গান লিখেছিলেন প্রায় আট হাজারের মতো, যার অধিকাংশই সংরক্ষণ করা যায়নি।
৫. নজরুলের প্রেমে পড়েননি, এমন পুরুষ কিংবা নারী খুঁজে পাওয়া ভার। তাঁর চরম শত্রুরাও তাঁর ভালোবাসার শক্তির কাছে হার মেনেছেন। কবি বুদ্ধদেব বসু নজরুলকে প্রথম দেখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলে। তিনি লিখেছেন, ‘সেই প্রথম আমি দেখলাম নজরুলকে। এবং অন্য অনেকের মতো যথারীতি তাঁর প্রেমে পড়ে গেলাম!’ শুধু বুদ্ধদেব বসু নন, তাঁর স্ত্রী প্রতিভা বসুও নজরুলের প্রেমে পড়েছিলেন। সেই কাহিনি নিয়ে তিনি লিখেছেন ‘আয়না’ নামে একটি গল্প। কী অবাক কাণ্ড! স্বামী-স্ত্রী দুজনেই একই লেখকের প্রেমে হাবুডুবু খেয়েছেন!
৬. কাজী নজরুল ইসলাম প্রচুর পান ও চা খেতেন। লিখতে বসার আগে পর্যাপ্ত পরিমাণ চা আর এক থালা পান নিয়ে বসতেন তিনি। পান শেষ করে চা, এরপর আবার চা শেষ করে পান খেতেন। তিনি বলতেন, ‘লেখক যদি হতে চান/ লাখ পেয়ালা চা খান!’
৭. নজরুল ছিলেন সত্যিকারের হস্তরেখা বিশারদ। তিনি অনেকের হাত দেখে যা বলতেন, তা-ই ঘটতে দেখা গেছে। একবার এক লোককে বললেন, আপনার বিদেশযাত্রা আছে, লোকটি সত্যিই কয়েক দিনের মধ্যে বিদেশ চলে গেল! আরেকজনকে বললেন, ‘আপনি পৃথিবীর বাইরে চলে যেতে পারেন।’ পরে ওই লোকটির মৃত্যু ঘটেছিল!
৮. মাঝেমধ্যে রাগান্বিত হলে নজরুল তাঁর সামনে যদি কোনো বই-খাতা পেতেন বা কাগজ পেতেন, তা ছিঁড়ে কুচি কুচি করে ফেলতেন।
৯. নজরুল কবিতা ও গানের স্বত্ব বিক্রি করে উন্নত মানের একটি ক্রাইসলার গাড়ি কিনতে পেরেছিলেন। এই গাড়ি ছিল সেই সময়ের সবচেয়ে বিলাসবহুল ও দামি।
১০. কবি নজরুল ট্রেনের প্রথম শ্রেণির কামরা ভাড়া করে মাঝেমধ্যে প্রমোদভ্রমণে যেতেন।
১১. নজরুলের দৃষ্টিশক্তি ছিল অসামান্য। তিনি গভীর অন্ধকারেও বহুদূরের কোনো জিনিস স্পষ্ট দেখতে পেতেন।
#KaziNazrulIslam#WithZea
With Zea
সাধারণ ছুটি বলতে বোঝায়—
সরকার কর্তৃক ঘোষিত এমন ছুটি, যেদিন রাষ্ট্রের প্রায় সব সরকারি অফিস, আদালত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অধিকাংশ বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে।
সহজ ভাষায় 👉
👉 যে ছুটি সবার জন্য প্রযোজ্য, সেটাই সাধারণ ছুটি।
সাধারণ ছুটির মূল বৈশিষ্ট্য
🏛️ সরকারি অফিস বন্ধ থাকে
⚖️ আদালত কার্যক্রম বন্ধ
🏫 স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ
🏦 ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান সাধারণত বন্ধ
🏢 অনেক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও বন্ধ থাকে
তবে জরুরি সেবা (হাসপাতাল, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ, পানি ইত্যাদি) চালু থাকে।
সাধারণ ছুটি কেন দেওয়া হয়?
সাধারণত—
🕌 ধর্মীয় উৎসব (ঈদুল ফিতর, ঈদুল আজহা)
🇧🇩 জাতীয় দিবস (স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস)
🗳️ জাতীয় নির্বাচন
🌪️ প্রাকৃতিক দুর্যোগ
🚨 বিশেষ রাষ্ট্রীয় বা জরুরি পরিস্থিতিতে #WithZea
3 days ago | [YT] | 0
View 0 replies
With Zea
নুরুল হক নুর – তরুণ প্রজন্মের সাহসী কণ্ঠস্বর
বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের ইতিহাসে ভিপি নুর এক উজ্জ্বল নাম।
পটুয়াখালীর চর বিশ্বাস গ্রামে জন্ম নেওয়া এই তরুণ অক্লান্ত পরিশ্রম ও মেধার জোরে উঠে এসেছেন দেশের শীর্ষ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান হওয়া সত্ত্বেও তিনি ছাত্র-অধিকার ও সামাজিক ন্যায়বিচারের আন্দোলনে নিজেকে উৎসর্গ করেছেন।
📌 ২০১৮ সালে তিনি কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম নেতা হিসেবে দেশের তরুণদের ভরসার নাম হয়ে ওঠেন।
📌 ২০১৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (DUCSU) নির্বাচনে তিনি বিপুল সমর্থন নিয়ে সহ-সভাপতি (VP) নির্বাচিত হন।
📌 এরপর থেকে তিনি নানা আন্দোলন-সংগ্রামে সবসময় সামনে থেকেছেন।
বর্তমানে নুরুল হক নুর গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি এবং একইসাথে ছাত্র, যুব ও প্রবাসী অধিকার পরিষদের সমন্বয়ক।
তাঁর মূল লক্ষ্য – একটি ন্যায়ভিত্তিক, গণতান্ত্রিক ও সমতার বাংলাদেশ গড়ে তোলা।
কিন্তু দুঃখজনকভাবে, ৩০ আগস্ট ২০২৫ কাকরাইলে গণঅধিকার পরিষদের সমাবেশ চলাকালীন তিনি হামলার শিকার হয়ে গুরুতর আহত হন। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
🙏 আমরা সবাই এই সাহসী তরুণ নেতার দ্রুত আরোগ্য কামনা করি।
তাঁর মতো প্রজন্মের কণ্ঠস্বরের প্রয়োজন আজকের বাংলাদেশে আরও বেশি।
ভিপি নুর কেবল একজন রাজনীতিবিদ নন, তিনি অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের প্রতীক।
#ভিপি_নুর #গণঅধিকারপরিষদ #বাংলাদেশ #ছাত্রঅধিকার
4 months ago | [YT] | 0
View 0 replies
With Zea
লা টমাটিনা হলো বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় খাদ্য যুদ্ধ উৎসব। 🌍🍅
এটি প্রতিবছর স্পেনের ভ্যালেন্সিয়া প্রদেশের বুনিওল (Buñol) শহরে অনুষ্ঠিত হয়। উৎসবটির মূল আকর্ষণ হলো – মানুষ একে অপরের দিকে প্রচুর টমেটো ছুড়ে মারে।
কিছু তথ্যঃ
শুরু হয় আগস্ট মাসের শেষ বুধবারে।
উৎসবে প্রায় ২০,০০০-২৫,০০০ মানুষ অংশ নেয়।
প্রতি বছর প্রায় ১০০ টনেরও বেশি পাকা টমেটো ব্যবহার করা হয়।
অংশগ্রহণকারীরা সাধারণত পুরনো জামাকাপড় পরে, কারণ শেষে সবাই লাল টমেটো রসে ভিজে যায়।
খেলা শুরু হওয়ার আগে ও পরে পানি ছিটিয়ে রাস্তা পরিষ্কার করা হয়।
উৎপত্তি
উৎসবের ইতিহাস ১৯৪৫ সালে শুরু হয় বলে ধারণা করা হয়। প্রথমে এটি ছিল স্থানীয় যুবকদের মজার খেলা, পরে সেটি জনপ্রিয়তা পেয়ে আন্তর্জাতিক উৎসবে পরিণত হয়।
👉 সহজভাবে বলা যায়, লা টমাটিনা হচ্ছে টমেটোর এক দারুণ রঙিন যুদ্ধ, যা একদিকে বিনোদন আবার অন্যদিকে পর্যটকদের জন্য এক বিশাল আকর্ষণ।
4 months ago | [YT] | 0
View 0 replies
With Zea
মায়ের হঠাৎ অসুস্থতার কারণে এইচএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী আনিসা। কেন্দ্রে পৌঁছে অনেক অনুরোধ করলেও তাকে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। অনেকেই তার পরীক্ষা নেওয়ার দাবি জানান।
পরিস্থিতি আলোচনায় এলে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রেস উইং থেকে জানানো হয়, আনিসার বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষাটি পুনরায় নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনাধীন। এরই মধ্যে বাংলা দ্বিতীয় পত্র দিয়ে আনিসার এইচএসসি যাত্রা শুরু হয়েছে।
রবিবার সকালে বাংলা দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষায় অংশ নিতে কেন্দ্রে পৌঁছান তিনি। সকাল ৯টা ১০ মিনিটে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করেন আনিসা।
#HSC
6 months ago | [YT] | 0
View 0 replies
With Zea
কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া ঈদগাহ বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ এবং উপমহাদেশের অন্যতম ঐতিহাসিক ঈদগাহ ময়দান হিসেবে পরিচিত। এর ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং বিশাল জামাতের জন্য এটি মুসলিম সম্প্রদায়ের কাছে বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ স্থান।
প্রতিষ্ঠা ও নামকরণের ইতিহাস
১৮২৮ সালে সুফি সৈয়দ আহমদ (রহ.), যিনি ইয়েমেন থেকে ইসলাম প্রচারের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশে আগত হন, তিনি কিশোরগঞ্জের নরসুন্দা নদীর তীরে তার নিজস্ব তালুকে এই ঈদগাহ প্রতিষ্ঠা করেন। প্রথম ঈদের জামাতেও তিনি নিজেই ইমামতি করেন। জনশ্রুতি অনুযায়ী, সেই জামাতে প্রায় সোয়া লাখ (১,২৫,০০০) মুসল্লি অংশগ্রহণ করেছিলেন। এই 'সোয়া লাখ' শব্দের অপভ্রংশ থেকেই 'শোলাকিয়া' নামটির উৎপত্তি হয়েছে ।
জমিদারদের অবদান
শোলাকিয়া ঈদগাহের প্রতিষ্ঠা ও বিকাশে স্থানীয় জমিদারদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। ঈশা খাঁর বংশধর দেওয়ান হয়বত খাঁ কিশোরগঞ্জে জমিদারি প্রতিষ্ঠার পর এই ঈদগাহের উন্নয়নে সহায়তা করেন। ১৯৫০ সালে দেওয়ান মান্নান দাদ খাঁ ঈদগাহের জন্য ৪.৩৫ একর জমি দান করেন, যা বর্তমানে ঈদগাহের আয়তন ৭ একরে উন্নীত হয়েছে ।
জামাতের আয়োজন ও নিরাপত্তা
শোলাকিয়া ঈদগাহে প্রতি ঈদুল ফিতরে বিশাল জামাত অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মুসল্লিরা অংশগ্রহণ করেন। ২০২৫ সালে ১৯৮তম ঈদুল ফিতরের জামাতে প্রায় ৬ লাখ মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন । ঈদের নামাজ শুরুর আগে শর্টগানের ফাঁকা গুলির মাধ্যমে নামাজের সূচনা ঘোষণা করা হয়, যা শোলাকিয়ার একটি ঐতিহ্যবাহী রীতি
সামাজিক ও ধর্মীয় গুরুত্ব
শোলাকিয়া ঈদগাহ শুধু একটি নামাজের স্থান নয়; এটি বাংলাদেশের মুসলিম সম্প্রদায়ের ঐক্য, ভ্রাতৃত্ব এবং ধর্মীয় অনুভূতির প্রতীক। প্রতি ঈদে লাখো মুসল্লির সমাগম এই ঈদগাহকে একটি মহামিলন কেন্দ্রে পরিণত করে, যা দেশের ধর্মীয় ও সামাজিক জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
এইভাবে, শোলাকিয়া ঈদগাহ বাংলাদেশের ধর্মীয় ইতিহাসে একটি গৌরবময় অধ্যায় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
#sholakiaeidgahkishoreganj #WithZea
7 months ago | [YT] | 0
View 0 replies
With Zea
#WithZea এই পর্যন্ত ২০০ ভিডিও আপলোড করা হয়েছে
আমাদের সাথে থাকুন >>>>
7 months ago | [YT] | 0
View 0 replies
With Zea
গুগল পে (Google Pay) হল গুগলের তৈরি একটি ডিজিটাল পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম, যার মাধ্যমে আপনি সহজেই মোবাইল ফোন ব্যবহার করে টাকা পাঠাতে, পেমেন্ট করতে এবং অনলাইন ও অফলাইন শপিং করতে পারেন। এটি একটি ইউপিআই (UPI) ভিত্তিক অ্যাপ, যা ভারতে খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
🔹 গুগল পে-এর প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ:
✅ ১. ইউপিআই (UPI) সুবিধা:
আপনি যেকোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে গুগল পে লিঙ্ক করতে পারেন।
মোবাইল নম্বর বা UPI ID ব্যবহার করে টাকা পাঠাতে বা পেতে পারেন।
✅ ২. ক্যাশলেস লেনদেন:
দোকানে QR কোড স্ক্যান করে সরাসরি পেমেন্ট করা যায়।
বিল পরিশোধ, মোবাইল রিচার্জ, ডিটিএইচ, ইলেকট্রিসিটি বিল ইত্যাদি দেওয়া যায়।
✅ ৩. ব্যাংক ব্যালেন্স দেখা:
আপনি অ্যাপে ঢুকে আপনার ব্যাংক ব্যালেন্স দেখতে পারবেন।
✅ ৪. সিকিউরিটি (নিরাপত্তা):
প্রতিটি লেনদেনের জন্য PIN/পাসকোড লাগে।
ফোনে স্ক্রিন লক না থাকলে অ্যাপ চালানো যাবে না।
✅ ৫. ইনসেন্টিভ/রিওয়ার্ড:
প্রতিবার পেমেন্ট করার পর স্ক্র্যাচ কার্ড, ক্যাশব্যাক, বা কুপন পাওয়া যায়।
🔹 গুগল পে ব্যবহার করার জন্য যা লাগবে:
একটি অ্যান্ড্রয়েড বা আইওএস ফোন।
একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, যেটি UPI-সাপোর্ট করে।
একটি সক্রিয় মোবাইল নম্বর, যেটি ব্যাংকের সাথে লিঙ্কড।
একটি ইন্টারনেট কানেকশন।
🔹 গুগল পে কীভাবে কাজ করে?
১. অ্যাপটি ডাউনলোড করে ইনস্টল করুন।
২. আপনার মোবাইল নম্বর যাচাই করুন।
৩. আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট অ্যাড করুন।
৪. একটি UPI PIN সেট করুন।
৫. এখন আপনি টাকা পাঠাতে বা পেতে প্রস্তুত।
🔸 উদাহরণস্বরূপ:
আপনি কারও মোবাইল নম্বর জানেন, তাহলে সেখানে সরাসরি টাকা পাঠাতে পারেন।
দোকানে QR কোড স্ক্যান করে পেমেন্ট করতে পারেন।
#GooglePay #GooglePayBanglaseah #WithZea
7 months ago | [YT] | 0
View 0 replies
With Zea
১৯৮১ সালে ৩০ মে বাংলাদেশের ক্ষমতার পালাবদল কিভাবে হয়েছিল ভিডিও দেখুন রাত ৯ টায় -
#WithZea ফেসবুক ইউটিউব টিকটকে
7 months ago | [YT] | 0
View 0 replies
With Zea
২০ টাকার ভাইরাল নোট , সত্যতা কী?
বাজারে নোট আসার আগেই নতুন নোটসদৃশ কিছু ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন গণমাধ্যমকে বলেছে- সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যেসব নোটের ছবি ছড়িয়ে পড়েছে, সেগুলো সত্য নয়। প্রকাশের আগে নোটের ডিজাইনের বিষয় খুব কঠোরভাবে গোপনীয়তা রক্ষা করা হয়।
নতুন নোটের বিশেষ বৈশিষ্ট্য ----
১০০ টাকার নোট: এক পাশে রয়েছে বাগেরহাটের ষাট গম্বুজ মসজিদ ও রয়েল বেঙ্গল টাইগারের জলছবি। অপর পাশে সুন্দরবনের প্রাকৃতিক দৃশ্য, বাঘ ও হরিণের চিত্র।
২০০ টাকার নোট: (পরবর্তী ধাপে আসবে) এতে ফুটে উঠেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলা ভাস্কর্য এবং ধর্মীয় সম্প্রীতির প্রতিচ্ছবি।
৫০০ টাকার নোট: (পরবর্তী ধাপে আসবে) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের চিত্র স্থান পেয়েছে।
১০০০ টাকার নোট: (পরবর্তী ধাপে আসবে) সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ ও জাতীয় সংসদ ভবনের ছবি সংযোজিত হয়েছে।
এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন অর্থনীতিবিদরা। তাদের মতে, নতুন নোট শুধু বিনিময় মাধ্যম নয়, বরং দেশের পরিচয় বহনকারী সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক দলিলও বটে। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রথম পর্যায়ের পর ধাপে ধাপে অন্যান্য মূল্যমানের নোটও বাজারে ছাড়া হবে।
নতুন নোট ছাপার কাজ ইতোমধ্যে পুরোদমে চলছে। ঈদের আগে সীমিত পরিসরে বাজারজাত করার মাধ্যমে এর প্রচলন শুরু হবে।
#20k #WithZea #notonnet
7 months ago | [YT] | 0
View 0 replies
With Zea
কাজী নজরুলের ১১ বিস্ময় অজানা তথ্য ....
১.কবি নজরুলের লেখার জন্য কোনো বিশেষ পরিবেশ লাগত না। গাছতলায় বসে যেমন তিনি লিখতে পারতেন, তেমনি ঘরোয়া বৈঠকেও তাঁর ভেতর থেকে লেখা বের হয়ে আসত।
২.কবি নজরুল ইসলাম কোনো অনুষ্ঠানে গেলে ঝলমলে রঙিন পোশাক পরতেন। কেউ তাঁকে রঙিন পোশাক পরার কারণ জিজ্ঞাসা করলে বলতেন, রঙিন পোশাক পরি অনেক মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য। অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত তথ্য দিয়েছেন, নজরুল তাঁর ঝলমলে পোশাকের ব্যাপারে বলতেন, ‘আমার সম্ভ্রান্ত হওয়ার দরকার নেই। আমার তো মানুষকে বিভ্রান্ত করবার কথা!’
৩. কবি নজরুলের পাঠাভ্যাস ছিল বহুমুখী। তিনি পবিত্র কোরআন, গীতা, বাইবেল, বেদ, ত্রিপিটক, মহাভারত, রামায়ণ যেমন পড়তেন, তেমন পড়তেন শেলি, কিটস, কার্ল মার্ক্স, ম্যাক্সিম গোর্কিসহ বিশ্বখ্যাত লেখকদের লেখা। সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী তাঁর 'রবীন্দ্র-নজরুল সম্পর্ক এবং তার পরে' প্রবন্ধে লিখেছেন, 'গীতাঞ্জলির গানগুলো নজরুলের মুখস্থ ছিল। রবীন্দ্রনাথের কয়েকটা বড় কবিতাও স্মৃতি থেকে উদ্ধার করতে পারতেন, অনায়াসে। '
৪. বাংলা গানে নজরুলই একমাত্র ব্যক্তি, যিনি সব ধরনের বিষয় নিয়ে গান লিখেছেন। তাঁর গানের সংখ্যা অনেকে চার হাজার বললেও আসলে তিনি গান লিখেছিলেন প্রায় আট হাজারের মতো, যার অধিকাংশই সংরক্ষণ করা যায়নি।
৫. নজরুলের প্রেমে পড়েননি, এমন পুরুষ কিংবা নারী খুঁজে পাওয়া ভার। তাঁর চরম শত্রুরাও তাঁর ভালোবাসার শক্তির কাছে হার মেনেছেন। কবি বুদ্ধদেব বসু নজরুলকে প্রথম দেখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলে। তিনি লিখেছেন, ‘সেই প্রথম আমি দেখলাম নজরুলকে। এবং অন্য অনেকের মতো যথারীতি তাঁর প্রেমে পড়ে গেলাম!’ শুধু বুদ্ধদেব বসু নন, তাঁর স্ত্রী প্রতিভা বসুও নজরুলের প্রেমে পড়েছিলেন। সেই কাহিনি নিয়ে তিনি লিখেছেন ‘আয়না’ নামে একটি গল্প। কী অবাক কাণ্ড! স্বামী-স্ত্রী দুজনেই একই লেখকের প্রেমে হাবুডুবু খেয়েছেন!
৬. কাজী নজরুল ইসলাম প্রচুর পান ও চা খেতেন। লিখতে বসার আগে পর্যাপ্ত পরিমাণ চা আর এক থালা পান নিয়ে বসতেন তিনি। পান শেষ করে চা, এরপর আবার চা শেষ করে পান খেতেন। তিনি বলতেন, ‘লেখক যদি হতে চান/ লাখ পেয়ালা চা খান!’
৭. নজরুল ছিলেন সত্যিকারের হস্তরেখা বিশারদ। তিনি অনেকের হাত দেখে যা বলতেন, তা-ই ঘটতে দেখা গেছে। একবার এক লোককে বললেন, আপনার বিদেশযাত্রা আছে, লোকটি সত্যিই কয়েক দিনের মধ্যে বিদেশ চলে গেল! আরেকজনকে বললেন, ‘আপনি পৃথিবীর বাইরে চলে যেতে পারেন।’ পরে ওই লোকটির মৃত্যু ঘটেছিল!
৮. মাঝেমধ্যে রাগান্বিত হলে নজরুল তাঁর সামনে যদি কোনো বই-খাতা পেতেন বা কাগজ পেতেন, তা ছিঁড়ে কুচি কুচি করে ফেলতেন।
৯. নজরুল কবিতা ও গানের স্বত্ব বিক্রি করে উন্নত মানের একটি ক্রাইসলার গাড়ি কিনতে পেরেছিলেন। এই গাড়ি ছিল সেই সময়ের সবচেয়ে বিলাসবহুল ও দামি।
১০. কবি নজরুল ট্রেনের প্রথম শ্রেণির কামরা ভাড়া করে মাঝেমধ্যে প্রমোদভ্রমণে যেতেন।
১১. নজরুলের দৃষ্টিশক্তি ছিল অসামান্য। তিনি গভীর অন্ধকারেও বহুদূরের কোনো জিনিস স্পষ্ট দেখতে পেতেন।
#KaziNazrulIslam #WithZea
8 months ago | [YT] | 0
View 0 replies
Load more