আসসালামুয়ালাইকুম
পবিত্র ইসলাম-এ স্বাগতম -আমাদের চ্যানেলটি ইসলামিক জ্ঞানের ভান্ডার, আকর্ষক এবং সংক্ষিপ্ত শর্টস এর মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়। প্রতিটি ভিডিও ইসলামের হৃদয়ে একটি যাত্রা, যা কুরআনের দ্রুত অথচ গভীর অন্তর্দৃষ্টি প্রদান করে,  হাদিস, এবং আমাদের বিশ্বাসের নিরন্তর শিক্ষা। ইসলামিক গল্পের উত্থান থেকে শুরু করে ব্যবহারিক দৈনন্দিন দুআ এবং নবীর জীবনের প্রতিফলন,আধ্যাত্মিক পথে আমাদের সাথে যোগ দিন। ইসলামিক ভিডিও প্রতিদিনের  পেতে Holy Islam-এ সাবস্ক্রাইব করুন।


#islamicshorts
#muslimlifestyle
#Quranrecitation
#Islamiceducation

Email: muhammadmostofa945@gmail.com


Holy Islam

❌ কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি ও দাম বাড়ানো: ইসলামের দৃষ্টিতে এক ভয়াবহ অন্যায়
ইচ্ছাকৃতভাবে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের কৃত্রিম সংকট তৈরি করা এবং সুযোগ বুঝে দাম বাড়ানো শুধু অনৈতিক কাজই নয়, এটি সরাসরি মানুষের উপর জুলুম। স্বল্প আয়ের মানুষ, দিনমজুর, শ্রমজীবী পরিবার এ ধরনের অন্যায়ের প্রথম শিকার হয়।
ইসলাম কখনোই মানুষের কষ্টকে পুঁজি করে মুনাফা করাকে সমর্থন করে না। বরং এ বিষয়ে ইসলাম কঠোরভাবে সতর্ক করেছে।
📜 রাসূল ﷺ এর স্পষ্ট হুঁশিয়ারি
মামার ইবনু আবদুল্লাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন—
“পাপাচারী লোক ব্যতীত কেউ গুদামজাত করে না।”— সহিহ মুসলিম: ১৬০৫
এই হাদিসে “পাপাচারী” শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। অর্থাৎ যারা মানুষের প্রয়োজনের জিনিস লুকিয়ে রেখে বাজারে সংকট তৈরি করে দাম বাড়ায়, তারা সরাসরি গুনাহগার।

⚖️ কুরআনের মূলনীতি কী বলে?
আল্লাহ তাআলা কুরআনে বলেন—
“তোমরা একে অপরের সম্পদ অন্যায়ভাবে ভোগ করো না।”— (সূরা আল-বাকারা: ১৮৮)
কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে অতিরিক্ত দাম নেওয়া স্পষ্টতই অন্যায়ভাবে সম্পদ ভোগের শামিল।
আরেক জায়গায় আল্লাহ বলেন—
“আল্লাহ জুলুমকারীদের পছন্দ করেন না।”
— (সূরা আলে ইমরান: ৫৭)
মানুষকে কষ্টে ফেলে মুনাফা করা জুলুম ছাড়া আর কিছুই নয়।

🏷️ মজুদদারি (ইহতিকার) কেন হারাম?
ইসলামী ফিকহ অনুযায়ী—
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য (চাল, ডাল, তেল, গম, চিনি ইত্যাদি)
মানুষের জরুরি প্রয়োজনে লাগবে জেনেও
বাজার থেকে সরিয়ে রেখে
দাম বাড়ার অপেক্ষায় বিক্রি না করা
➡️ এটিই ইহতিকার (مُحْتَكِر)
➡️ আর ইহতিকার হারাম ও মহাপাপ
ইমাম নববী (রহ.) বলেন:
“যে কাজ মানুষের ক্ষতির কারণ হয় এবং বাজারে সংকট তৈরি করে, তা নিঃসন্দেহে হারাম।”–{খণ্ড: ১১
পৃষ্ঠা: ৪৩–৪৪
শরহ সহিহ মুসলিম (ইমাম নববী)}

💔 এর সামাজিক ক্ষতি কী?
দরিদ্র মানুষ খাবার কিনতে পারে না
শ্রমজীবী পরিবার ঋণে পড়ে
সমাজে ক্ষোভ ও অস্থিরতা বাড়ে
আল্লাহর বরকত উঠিয়ে নেওয়া হয়
রাসূল ﷺ বলেন—
“যে ব্যক্তি মুসলমানদের ক্ষতি করে, আল্লাহ তাকে ক্ষতিগ্রস্ত করবেন।”
— (তিরমিজি) ১৯৪০
✅ ইসলামী ব্যবসার আদর্শ কী?
✔️ ন্যায্য দাম
✔️ স্বচ্ছ লেনদেন
✔️ মানুষের উপকার
✔️ সংকটকালে সহানুভূতি
রাসূল ﷺ ছিলেন একজন ব্যবসায়ী। কিন্তু তিনি কখনো মানুষের দুর্বলতাকে কাজে লাগাননি।
🔴 কঠিন বাস্তবতা
আজ যারা কৃত্রিম সংকট তৈরি করে মনে করে
“সবাই করছে, আমিও করছি”
তারা যেন মনে রাখে—
➡️ বাজার ফাঁকি দেওয়া যায়
➡️ মানুষকে ঠকানো যায়
❌ কিন্তু আল্লাহকে ফাঁকি দেওয়া যায় না
🕌 শেষ কথা
মানুষের কষ্টকে পুঁজি করে উপার্জন কখনো হালাল হতে পারে না।
আজ যদি আমরা চুপ থাকি, কাল এই জুলুম আমাদের দরজায়ও আসবে।
📢 এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলুন।
📢 সচেতন হোন, অন্যকে সচেতন করুন।
📢 জুলুমের পক্ষে নীরব থাকাও জুলুম।

4 days ago | [YT] | 0

Holy Islam

Hi everyone, welcome to my new YouTube Community! Now you can post on my channel, too. To get started, tell me in a post what you'd like to see next on my channel.
Visit my Community: youtube.com/@HolyIslamShorts/community

5 days ago | [YT] | 0

Holy Islam

কাঁচা খেজুরের রসে মারাত্মক নিপাহ ভাইরাস এর জীবাণু থাকতে পারে। নিপাহ ভাইরাস সংক্রমণে মানুষের মৃত্যুও হতে পারে। কাঁচা খেজুরের রস খাবেন না। খেজুরের রস অবশ্যই ভালোভাবে গরম বা জ্বাল দিয়ে খেতে হবে।

5 days ago (edited) | [YT] | 0

Holy Islam

খতমে নবুয়াত!

2 months ago | [YT] | 4

Holy Islam

⚠ জরুরি সতর্কবার্তা ⚠

প্রিয় মুসলমান ভাই-বোন,
আগামী দিনে হিন্দু সম্প্রদায়ের দুর্গাপূজা, কালীপূজা ও কুমারীপূজা উপলক্ষে বিভিন্ন স্থানে ছাগল, হাঁস-মুরগি ইত্যাদি মূর্তির নামে বলি দেওয়া হবে। এর ফলে বাজারে এ ধরনের পশুর মাথা ও মাংস বিক্রি হতে পারে।

📌 ইসলামি শরীয়ত অনুযায়ী:
আল্লাহর নামে জবাই না করা যেকোনো পশু মুসলমানদের জন্য হারাম।
কুরআনুল কারিমে স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা রয়েছে (সূরা আন‘আম: ১২১)।

✅ তাই মুসলমানদের করণীয়:
এ সময় বাজার থেকে ছাগলের মাথা বা মাংস কেনার ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করুন।

পরিবারের সবাইকে এ বিষয়ে সচেতন করুন।

✦ হালাল আহার আমাদের ঈমানের অংশ—সতর্ক থাকুন, নিরাপদ থাকুন।

#alert

4 months ago | [YT] | 0

Holy Islam

- এটা নিয়ে কারো মাথা ব্যথা নেই,,কেনো নেই 😡

→ ডেলিভারিতে কেন পুরুষ ডাঃ????!
আপনার আমার মা বোন স্ত্রী কন্যাদের দিকে কেউ তাকালে তার চোখ উপড়ে ফেলার অবস্থা হয়। কিন্তু একজন পুরুষ ডাক্তার ই সি জি করার সময় নারীর বুকে হাত দিচ্ছে, আল্তাতে হাত দিচ্ছে,তলপেটে হাত দিচ্ছে, এমন কি ডেলিভারি করার সময় লজ্জা স্থানে হাত দিচ্ছে। কিন্তু কেন এর কি কোন প্রতিকার নেই? হাসপাতালের দিকে তাকালে দেখা যায় মহিলা রোগী সবচেয়ে বেশি।চিকিৎসার খাতিরে আমাদের মা বোন নিজের চিকিৎসার জন্য নিজের ইজ্জত আবরু খুলে দেখাতে হচ্ছে একজন পুরুষ ডাক্তারকে, তাই মা বোনদের ইজ্জত রক্ষা করতে মহিলা রোগীদের সকল চেকআপ মহিলা ডাক্তার দিয়েই করাতে হবে বাধ্যতামূলক সকল হাসপাতালে। বাংলাদেশের সর্বসাধারণ জনগণের এই ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করা অতিব জরুরি।


- আপনারা কী বলেন --

6 months ago | [YT] | 0

Holy Islam

ঈদ মোবারক,ঈদ!

8 months ago | [YT] | 5

Holy Islam

পুরুষের হাত-পায়ে মেহেদি লাগানো: ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি

ভূমিকা
ইসলামে সাজসজ্জা ও সৌন্দর্যচর্চার কিছু নির্দিষ্ট আদব ও বিধান রয়েছে। পুরুষ ও নারীর জন্য কিছু বিষয় আলাদাভাবে নির্ধারিত হয়েছে। মেহেদি ব্যবহার ইসলামী সংস্কৃতির একটি অংশ হলেও, পুরুষদের জন্য এটি কতটুকু বৈধ বা নাজায়েয—এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা জরুরি।

---

পুরুষদের জন্য মেহেদি ব্যবহারের বিধান

বিভিন্ন ইসলামী ফিকহ গ্রন্থে উল্লেখ করা হয়েছে যে, পুরুষদের জন্য হাত ও পায়ে মেহেদি লাগানো নাজায়েয। এর মূল কারণ হলো, এটি সাধারণত নারীদের জন্য নির্দিষ্ট একটি সৌন্দর্যচর্চার অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়। নিচে এই বিষয়ে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ফিকহি দলিল তুলে ধরা হলো—

১. ফিকহি কিতাবে উল্লেখিত দলিল

নিম্নলিখিত প্রসিদ্ধ ফিকহ গ্রন্থগুলোতে পুরুষদের জন্য মেহেদি ব্যবহারের বিধান নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে—

খুলাসাতুল ফাতাওয়া (৪/৩৭৩): এখানে বলা হয়েছে যে, পুরুষদের জন্য হাত-পায়ে মেহেদি ব্যবহার করা নাজায়েয, কারণ এটি নারীদের সাজসজ্জার অনুকরণ।

আলবাহরুর রায়েক (৮/১৮৩): এই কিতাবে উল্লেখ আছে যে, মেহেদি ব্যবহার পুরুষদের জন্য কেবল বিশেষ পরিস্থিতিতে (যেমন চুল ও দাড়িতে) অনুমোদিত, কিন্তু হাত-পায়ে লাগানো নিষিদ্ধ।

রদ্দুল মুহতার (৬/৩৬২): এখানে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, মেহেদি ব্যবহার নারীদের সাজসজ্জার অন্তর্ভুক্ত, যা পুরুষদের জন্য বৈধ নয়।

ফাতাওয়া তাতারখানিয়া (১৮/১০৯): এই কিতাবে পুরুষদের হাত-পায়ে মেহেদি ব্যবহারকে অপসংস্কৃতি হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

---

কেন পুরুষদের জন্য মেহেদি লাগানো নাজায়েয?

ফিকহ বিশেষজ্ঞগণ নিম্নলিখিত কারণগুলোর ভিত্তিতে এই বিধান নির্ধারণ করেছেন—

1. নারীদের অনুকরণ:
***(আয়িশা (রা.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন এক নারী পর্দার আড়াল থেকে হাত বের করে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দিকে একটি চিঠি ইশারা করলেন। নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজের হাতটি গুটিয়ে নিয়ে বললেন, ‘‘আমি বুঝতে পারছি না, এটি কোনো পুরুষের হাত নাকি কোনো নারীর হাত?’’ তখন সেই নারী বললেন, ‘বরং, এটি একজন নারীর হাত।’ তখন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘তুমি যদি নারী হতে, তাহলে অবশ্যই মেহেদী দ্বারা তোমার নখগুলো বদলে দিতে।’’ [ইমাম নাসায়ি, আস-সুনান: ৫০৮৯;)*** উপরোক্ত হাদিস দ্বারা প্রমাণিত মেহেদীর ব্যবহার মেয়েদের জন্য।


ইসলামে পুরুষদের জন্য নারীদের মতো সাজসজ্জা করা নিষিদ্ধ। হাদিসে এসেছে—
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:
"পুরুষের অনুসরণকারিণী মহিলাদের এবং মহিলার অনুকরণকারী পুরুষদের উপর রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর  লানত" (তিরমিজি: ২৭৮৪)


2. লজ্জাশীলতা ও মার্জিত পোশাক-পরিচ্ছদ:
ইসলামে পুরুষদের জন্য মার্জিত ও সংযত সাজসজ্জা প্রযোজ্য। হাত ও পায়ে মেহেদি ব্যবহার করলে তা নারীদের সাজের সাথে মিল হয়ে যায়, যা ইসলামে পুরুষদের জন্য অনুমোদিত নয়।


3. শুধুমাত্র চিকিৎসার প্রয়োজনে অনুমোদন:
কিছু ফিকহ বিশেষজ্ঞের মতে, চিকিৎসার প্রয়োজনে (যেমন কোনো চর্মরোগের জন্য) মেহেদি ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে এটি শুধুমাত্র প্রয়োজনীয়তার সীমার মধ্যে থাকতে হবে।

---

বিশেষ কিছু ব্যতিক্রম

তবে কিছু হাদিস ও ফিকহি মতামত অনুযায়ী, দাড়ি বা চুলে মেহেদি ব্যবহার করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (সা.) নিজেও দাড়িতে মেহেদি ব্যবহার করেছেন বলে জানা যায়।

---

উপসংহার

ইসলামে পুরুষদের জন্য হাত ও পায়ে মেহেদি ব্যবহার করা নাজায়েয এবং তা নারীদের সাথে সাদৃশ্য তৈরি করে। তবে, চুল ও দাড়ির ক্ষেত্রে এটি অনুমোদিত। এ বিষয়ে ইসলামের মূলনীতি হলো—নারীদের সাজসজ্জা পুরুষদের জন্য গ্রহণযোগ্য নয় এবং পুরুষদের সৌন্দর্যচর্চা হতে হবে মার্জিত ও সংযত।

9 months ago | [YT] | 4