Enjoining Good & Forbidding Evil “الْأَمْرُ بِالْمَعْرُوفِ وَالنَّهْيُ عَنِ الْمُنْكَرِ “
is our Dawah (slamic) page that is dedicated to share small bits and pieces of reminders that help us to be connected to our Creator, The Almighty Allah in our fleeting life.
May Allah bless us all in this journey.
“AND REMIND, FOR INDEED, THE
REMINDER BENEFITS THE BELIEVERS"
(Surah Adh-Dhariyat [51] : 55)
Welcome to our channel. 🙏🙏
We have been trying to observe a verse of the Holy Qur'an and undoubtedly, that doesn't make us more righteous or perfect! We are on the same page - A journey to step up for the purpose of which we have been created for.
Please LIKE and SHARE our videos and SUBSCRIBE to stay connected with us to be a companion in our journey. ❤️❤️🙂
Thank you.
Jazakallah Khairan
Enjoining Good & Forbidding Evil
🌸যিলহজ্জ🌸
যিলহজ্জ হলো ইসলামী ক্যালেন্ডারের ১২তম এবং শেষ মাস, বিশেষ করে প্রথম ১০ দিনকে পবিত্র সময় হিসেবে বিবেচনা করা হয় যখন ইসলামের পাঁচ স্তম্ভের একটি- পবিত্র হজ্জ পালন এবং ঈদুল আযহা উদযাপিত হয়। এই দিনগুলিকে আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় বলে মনে করা হয়, এটি বর্ধিত ইবাদত এবং স্মরণের সময়।
🌸পবিত্র মাস🌸
যিলহজ্জ হলো ইসলামী ক্যালেন্ডারের চারটি পবিত্র মাসের মধ্যে একটি, যে সময়ে যুদ্ধ নিষিদ্ধ। এই চারটি পবিত্র মাস হল ১. যুল-ক্বীদাহ, ২. যুল-হিজ্জাহ (যিলহজ্জ), ৩. মহররম এবং ৪. রজব। পবিত্র কুরআনে এই মাসগুলোর উপর জোর দেয়া হয়েছে।
"নিশ্চয়ই, আল্লাহর নির্ধারিত মাসের সংখ্যা বারোটি - আসমান ও জমিন সৃষ্টির দিন থেকে আল্লাহর কিতাবে - যার মধ্যে চারটি পবিত্র। এটাই সঠিক পথ। অতএব, এই মাসগুলিতে তোমরা একে অপরের উপর জুলুম করো না। এবং মুশরিকদের সাথে একসাথে লড়াই করো যেমন তারা একসাথে তোমাদের সাথে লড়াই করে। এবং জেনে রাখো যে, আল্লাহ তাকওয়া অবলম্বনকারীদের সাথে আছেন।"
সূরা আত-তাওবা (৯:৩৬)
🌸কুরবানী🌸
আল্লাহ হযরত ইব্রাহিম (আঃ) কে তাঁর ঈমান ও আত্মসমর্পণের পরীক্ষা হিসেবে তাঁর প্রিয় পুত্র ইসমাইল (আঃ) কে কুরবানী করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। ইব্রাহিম (আঃ) তা না জেনে ই দ্বিধা ছাড়াই, ঐশ্বরিক আদেশ পালনের জন্য প্রস্তুত হয়েছিলেন, আল্লাহর ইচ্ছার উপর তার পূর্ণ আস্থা প্রদর্শন করেছিলেন। শেষ মুহূর্তে, আল্লাহ ইসমাইল (আঃ) এর স্থলে একটি ভেড়া নিযুক্ত করলেন, আল্লাহর করুণা ও ভালোবাসা প্রদর্শন করলেন।
হযরত ইব্রাহিম (আঃ) এর ত্যাগের কাহিনী, যা ১০ই যিলহজ্জ (ঈদ-উল-আযহা) স্মরণে উদযাপিত একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, ইসলামী বিশ্বাসের ভিত্তিপ্রস্তর। আমরা বিশ্বের সকল মুসলিম (সামর্থবান) হযরত ইব্রাহিম (আঃ) এর ত্যাগ এবং আল্লাহর ইচ্ছার উপর আস্থা রাখার স্মরণে এই দিনে কুরবানী দিয়ে থাকি। কুরবানী কেবল একটি আচার-অনুষ্ঠান নয়; এটি ভক্তি, আত্মসমর্পণ এবং উচ্চতর উদ্দেশ্যে ত্যাগের ইচ্ছার গুরুত্বের স্মরণ। আর আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে আল্লাহ (সুবহানাহু ওয়া তায়ালা) তাঁর পরিকল্পনার উপর বিশ্বাস রাখার জন্য আমাদের অপরিসীম আশীর্বাদ দান করেন।
🌸যিলহজ্জের প্রথম ১০ দিন🌸
রমজান মাসের শেষ ১০ রাত এবং যিলহজ্জ মাসের প্রথম ১০ দিন উভয়কেই ইসলামে পুরো বছরের শ্রেষ্ঠ এবং বরকতময় রাত ও দিন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। লাইলাতুল কদরের রাত সহ রমজানের শেষ ১০ রাত তাদের আধ্যাত্মিক তীব্রতা এবং ক্ষমা ও সৌভাগ্য অর্জনের সম্ভাবনার জন্য পরিচিত। আরাফার দিন এবং ঈদুল আযহাকে ঘিরে থাকা যিলহজ্জ মাসের প্রথম ১০ দিনকে বছরের সেরা দিন হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যা সৎকর্মের জন্য বর্ধিত পুরষ্কার প্রদান করে এবং ইসলামের সকল স্তম্ভকে অন্তর্ভুক্ত করে। যারা কুরবানী করার পরিকল্পনা করছেন তাদেরকে এই দশ দিনে, তাদের চুল এবং নখ কাটা থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয় কুরবানী না হওয়া পর্যন্ত, যদিও তা কঠোরভাবে বাধ্যতামূলক নয়। এটি একটি সুন্নাত।
মূলত এই ২০ টি দিনের অপরিসীম গুরুত্ব এবং তাৎপর্য ভাষায় প্রকাশের ক্ষমতা রাখে না। এই দিনগুলোতে ইবাদত, দান-খয়রাত, নিজ এবং অন্যের নাযাতের জন্য পানাহ চাওয়া, ক্ষমা চাওয়া আর আখলাকে ফিরে আসা এবং আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার স্মরণ বৃদ্ধি করতে হবে। তাসবিহ (সুবহানাল্লাহ), তাহলিল (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্), তাকবীর (আল্লাহু আকবর) আর তাহমিদ (আলহামদুলিল্লাহ্) পাঠে আমাদের জিহ্বা সিক্ত থাকতে হবে।
রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, ‘এই (যিলহজ্জ এর দশ দিন) দিনের চেয়ে আল্লাহর কাছে অন্য কোন দিনের সৎকর্ম বেশি প্রিয় নয়।’ [আবু দাউদ]
সুতরাং কোনো মুসলিম এই দিনগুলো পেলো কিন্তু আল্লাহর কাছে নিজেকে ক্ষমা করিয়ে নিতে পারলো না, তার চেয়ে দুর্ভাগা আর কেউ হতে পারে না।
🌸যিলহজ্জ মাসের রোজা🌸
রমজানের মতো যিলহজ্জ মাসের প্রথম ৯ দিন রোজা রাখা বাধ্যতামূলক নয়, তবে এটি পালন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ দিনগুলো ইসলামী বছরের সবচেয়ে বরকতময় দিন। এই দিনগুলিতে রোজা রাখা নবী মুহাম্মদ (সা.) এর একটি সুন্নত। যেসব মুসলিম হজ্জ করছেন না তাদের যিলহজ্জ মাসের প্রথম ৯ দিন রোজা রাখা উচিত।
হুনায়দা বিন খালিদ (রাঃ) তাঁর স্ত্রী থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাঃ) এর একজন স্ত্রী বলেন: “রাসূলুল্লাহ (সাঃ) যিলহজ্জ মাসের নয় দিন, আশুরার দিন এবং প্রতি মাসের তিন দিন - প্রথম সোমবার এবং দুই বৃহস্পতিবার - রোজা রাখতেন।”
(ইমাম আহমদ (২১৮২৯) কর্তৃক বর্ণিত; আবু দাউদ (২৪৩৭) কর্তৃক নাসবুল রায়াহ (২/১৮০) গ্রন্থে যঈফ হিসেবে আখ্যায়িত, কিন্তু আল-আলবানী কর্তৃক সহীহ হিসেবে আখ্যায়িত।)
(১০ম দিন ঈদ-উল-আজহা, সেদিন রোজা রাখা যাবে না। ঈদের দিন রোজা রাখা হারাম)
🌸আরাফার দিন🌸
এটি হজ্জ তীর্থযাত্রার দ্বিতীয় দিন। এই দিনে হজযাত্রীরা আরাফার পাহাড়ের ময়দানে সমবেত হন, তাদের প্রভুর কাছে প্রার্থনা করেন। প্রকৃতপক্ষে, একটি হাদিসে বলা হয়েছে যে ‘হজ্জ হলো আরাফা’ (আবু দাউদ)। এর অর্থ হলো আরাফা হলো হজ্জের সারাংশ। এই দিনে আমাদের নবী মুহাম্মদ (সাঃ) বিদায়ী খুতবা দিয়েছিলেন।
আল্লাহ বলেনঃ
“আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পূর্ণাঙ্গ করে দিলাম এবং তোমাদের উপর আমার অনুগ্রহ সম্পূর্ণ করলাম এবং তোমাদের জন্য ইসলামকে দ্বীন হিসেবে মনোনীত করলাম।"
(সূরা আল মায়িদাহ ৫:৩)
যদি পুরো নয় দিন রোজা রাখতে না পারা যায়, তাহলে কেবল আরাফার দিনে, অর্থাৎ ৯ই যিলহজ্জের দিনে রোজা অবশ্যই রাখা উচিৎ।
যেমন লাইলাতুল কদর বছরের সবচেয়ে বরকতময় রাত, তেমনি আরাফা বছরের সবচেয়ে বরকতময় দিন।
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “আরাফার দিনের চেয়ে আল্লাহ এত বেশি মানুষকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন এমন আর কোন দিন নেই।” (মুসলিম)
লাইলাতুল কদরের মতো, আমাদের এই দিনটি আল্লাহর ক্ষমা প্রার্থনা এবং তাঁর অতুলনীয় রহমত লাভের জন্য ব্যয় করা উচিত। এই দিনে রোজা রাখার মাধ্যমে দুই বছরের পাপ মোচন করার সুযোগ রয়েছে!
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “এটি (আরাফার দিনের রোজা) বিগত বছর এবং আগামী বছরের পাপ মোচন করে।” [মুসলিম]
আমরা অনেকেই হয়তো একটা বিষয় খেয়াল করতে ভুলে যাই যে কদরের রাত নির্দিষ্ট করে আল্লাহ বলে দেননি তাই আমাদের এই মহিমান্বিত রাতের সন্ধান করতে হয় রমজানের শেষ দশ রাত। কিন্তু মহিমান্বিত আরাফার দিনটি নির্দিষ্ট করে দেয়া আছে। সুতরাং নিজ স্বার্থেই পাপের ক্ষমা আর জান্নাত প্রাপ্তির জন্য এই দিনটি ইবাদতের জন্য আমাদের লুফে নেয়া উচিৎ।
🌸তালবিয়াহ🌸
তালবিয়াহ হলো হজ্জ ও ওমরার সময় তীর্থযাত্রীদের দ্বারা
আল্লাহর প্রতি নিষ্ঠা, বিনয় এবং আত্মসমর্পণের ঘোষণা, যে আমরা আধ্যাত্মিক দায়িত্ব পালনের জন্য প্রস্তুত। যারা হজ্জ বা ওমরা করছেন না, পৃথিবীর যেকোনো যায়গা থেকে তালবিয়াহ পাঠ করতে পারবেন। যতবার সম্ভব পড়া যাবে। আরবীতে না মনে থাকলে অনুবাদ ও পড়া যাবে। পুরুষদের দ্বারা উচ্চস্বরে এবং মহিলাদের দ্বারা নিম্নস্বরে উচ্চারণ করা হয়।
এখানে একজন ব্যক্তি আল্লাহর আনুগত্য করেন, আল্লাহর একত্ববাদকে মহিমান্বিত করেন এবং শিরক থেকে দূরে থাকার এবং কেবল আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ এবং সাহায্য প্রার্থনা করার "প্রতিশ্রুতি" দেন।
তালবিয়াহ নিম্নরূপ-
لَبَّيْكَ اللَّهُمَّ لَبَّيْكَ، لَبَّيْكَ لَا شَرِيكَ لَكَ لَبَّيْكَ، انَّالْحَمْدَ، وَالنِّعْمَةَ، لَكَ وَالْمُلْكَ، لا شَرِيكَ لَكَ
“লাব্বাঈকা আল্লাহুম্মা লাব্বাঈক, লাব্বাঈকা লা- শারি-কালাকা লাব্বাঈক, ইন্নাল হামদা, ওয়ন্নি-মাতা, লাকা ওয়াল মুলক, লা- শারি-কালাকা।”
অর্থ:
“আমি হাজির, হে আল্লাহ, আমি হাজির। তোমার দাসত্বে, তোমার কোন অংশীদার নেই, আমি হাজির। সত্যিই সমস্ত প্রশংসা, অনুগ্রহ এবং সার্বভৌমত্ব তোমার। তোমার কোন অংশীদার নেই।”
🌸তাকবীর🌸
তাকবীর হলো "আল্লাহু আকবর" (الله أكبر) যার অর্থ "আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ।" এটি ইসলামের সবচেয়ে সহজ কিন্তু সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ শব্দগুলির মধ্যে একটি, যা আল্লাহর সর্বোচ্চতা এবং শ্রেষ্ঠত্ব নির্দেশ করে। এটি আল্লাহর সাথে সংযোগ স্থাপন, কৃতজ্ঞতা প্রকাশ এবং আল্লাহর মহত্ত্ব স্বীকার করার একটি দুর্দান্ত পদ্ধতি।
আল্লাহ বলেন,
"এবং নির্দিষ্ট দিনগুলিতে আল্লাহর নাম স্মরণ করো" (সূরা আল-হজ্জ, আয়াত ২৮)।
এখানে এখন যিলহজ্জের তাকবীর পাঠ করার কথা আলোচনা করবো। তাকবীরটি নিম্নরূপ-
اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لَا إلَهَ إلَّا اللَّهُ. وَاَللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ
وَلِلَّهِ الْحَمْدُ.
“আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার ওয়ালিল্লাহিল হামদ্”
অর্থ:
“আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ, আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ, আল্লাহ ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ, আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ, এবং সমস্ত প্রশংসা আল্লাহরই।”
তাকবীর পাঠ রসুল (সা:) এর একটি সুন্নাহ। তাকবীর দুই প্রকার:
১. সাধারণ তাকবীর
যিলহজ্জ মাসের শুরু থেকে ১৩ই যিলহজ্জ সূর্যাস্ত পর্যন্ত দিনের বা রাতের যেকোনো সময় এটি যতবার খুশি বলা হয়। সকাল ও সন্ধ্যায় এটি বলা সুন্নত এবং আপনি বাড়িতে, মসজিদে, হাঁটার সময় বা কাজের সময় - যখনই আপনার মনে পড়ে আল্লাহর (সুবহানাহু ওয়া তায়ালার) প্রশংসা করতে পারেন।
২. নিয়ন্ত্রিত তাকবীর
এটি তাকবীরে আল তাশরিক নামেও পরিচিত। এটি ওয়াজিব। ৯ই যিলহজ্জের (আরাফার দিন) ফজর থেকে শুরু করে ১৩ই যিলহজ্জের আসর পর্যন্ত (২৩ ওয়াক্ত) প্রতিটি ফরজ নামাযের পরের সময় পর্যন্ত সীমাবদ্ধ। প্রতিটি ফরজ নামাযের পর সালাম ফেরানোর পর পরই কোনো কথা না বলে বা সুন্নাহ নামায পড়ার আগে একবার করে তাকবীর আল তাশরিক বলতে হবে। একবার করে পরলেই হবে। অনেকে তিনবার করে বলে। তিনবার করে বলা সুন্নাহ নয়। পুরুষদেরকে উচ্চস্বরে এবং মহিলাদেরকে নিচু গলায় বলতে হবে।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা আমাদের সবাইকে এই দিনগুলোতে ইবাদত করার তাওফিক দান করুক আর এই দিনগুলোর উসিলায় বা কোনো না কোনো ভাবে রসুল (সা:) এর প্রাণপ্রিয় উম্নাহকে জান্নাতবাসী করুক।
আমীন!!!!
8 months ago | [YT] | 0
View 0 replies
Enjoining Good & Forbidding Evil
*Ramadan Mubarak*
May all your good deeds, prayers and devotions get acceptance by Allah Almighty during this blessed month of Ramadan.
(Ameen)
When the Prophet (SA) would see a crescent moon, he would say:
اللَّهُمَّ أَهْلِلْهُ عَلَيْنَا بِالْيُمْنِ وَالإِيمَانِ وَالسَّلاَمَةِ وَالإِسْلاَمِ
رَبِّي وَرَبُّكَ اللَّهُ
Allahumma ahlilhu alaina bil-yumni wal-imani, was-salamati wal-Islami, rabbi wa rabbuk Allah.
“O Alläh, make the new moon rise on us with blessing, faith, safety and Islam. (O’moon) My Lord and Your Lord is Allãh."
[Tirmidhi]
11 months ago (edited) | [YT] | 2
View 0 replies