"গার্মেন্টস কোয়ালিটি টিপস, ইউটিউব কনটেন্ট স্ট্র্যাটেজি ও ফেসবুক মার্কেটিংয়ের সেরা গাইড পেতে আমাদের সাথে থাকুন। মান উন্নয়ন, সোশ্যাল মিডিয়া গ্রোথ ও পেশাদার দক্ষতা বাড়ানোর জন্য এটি আপনার নির্ভরযোগ্য প্ল্যাটফর্ম। শিখুন, গড়ে তুলুন, এগিয়ে যান!"
Business:
avizitsarkar27@gmail.com
If you need vendor for garments manufacturing, then you can also contact with us.
avizit the black boy
shoe size In bangladesh
1 week ago | [YT] | 1
View 0 replies
avizit the black boy
2 weeks ago | [YT] | 0
View 0 replies
avizit the black boy
🔥 ডলার বায়ার এক্সপোর্ট কোয়ালিটি গার্মেন্টস – সীমিত সময়ের জন্য বিক্রয় 🔥
📦 পণ্য: সুন্দর প্রিন্ট করা লেডিস/কিডস ফেব্রিক্স গার্মেন্টস
🏷️ কোয়ালিটি: ডলার বায়ার স্ট্যান্ডার্ড
✂️ স্ট্যাটাস: পলি কাটুন করা (রেডি টু ডেলিভারি)
📊 মোট পরিমাণ: ৫২,৮৪৮ পিস
📐 সাইজ রেঞ্জ:
✅ 7–8
✅ 10–12
✅ 14–16
🎨 কালার ও সাইজ অনুযায়ী স্টক:
👉 প্রতিটি কালার ও সাইজে কত পিস আছে, তার বিস্তারিত প্যাকিং লিস্টের ছবিতে দেওয়া আছে (পোস্টে সংযুক্ত)।
💰 দাম:
➡️ খুবই রিজনেবল (হোলসেল/বাল্ক পার্টির জন্য বিশেষ সুবিধা)
🚚 ডেলিভারি:
➡️ দেশীয় যেকোনো স্থানে ডেলিভারি সুবিধা
➡️ সরাসরি গুদাম থেকে লোড নেওয়া যাবে
📞 যোগাযোগ:whatsapp only 01725-992638
ইনবক্স করুন অথবা কমেন্টে “Interested” লিখুন — আমরা দ্রুত যোগাযোগ করবো।
⚠️ নোট:
গম্ভীর ও প্রকৃত ক্রেতারা যোগাযোগ করবেন। স্টক সীমিত — আগে আসলে আগে পাবেন।
2 weeks ago | [YT] | 0
View 0 replies
avizit the black boy
2 months ago | [YT] | 0
View 0 replies
avizit the black boy
3 months ago | [YT] | 0
View 0 replies
avizit the black boy
📘 8D in the Automobile Industry Definition: The 8D (Eight Disciplines) methodology is a structured problem-solving process widely used in the automotive sector to address customer complaints, warranty issues, and in-house quality problems.
It was originally developed by Ford Motor Company and is now a global standard in the automotive supply chain, often required by IATF 16949 and major OEMs. 🔧 The 8 Disciplines in Automotive Context
D1 – Form a Team Create a cross-functional team (Quality, Production, Design, Supplier, Logistics). Example: If paint peeling occurs, the team may include paint shop engineers, supplier representatives (paint chemical supplier), quality engineers, and production supervisors.
D2 – Describe the Problem Use facts and data: What, Where, When, How Much. Example: “Paint peeling observed on 120 car doors, found during end-of-line inspection, defect rate 2.5%, only on red-colored panels produced in Line-2.”
D3 – Containment Action Implement temporary measures to protect the customer. Example: Sorting all finished cars, reworking affected panels before shipment, and adding an additional inspection step.
D4 – Identify the Root Cause Use tools: 5-Why, Ishikawa Diagram, FMEA, Fishbone Analysis. Example: Root cause found → Paint primer mixing ratio incorrect due to faulty dosing pump.
D5 – Choose & Verify Corrective Actions Identify permanent solutions and test their effectiveness. Example: Replace dosing pump, verify paint adhesion in lab test panels.
D6 – Implement Corrective Actions Apply the permanent solution in full production. Example: Install new dosing system, update maintenance checklist for daily calibration.
D7 – Prevent Recurrence Update Control Plans, FMEA, Work Instructions, Training. Example: Add poka-yoke sensor for paint mixing ratio, train operators, revise PFMEA with new failure mode.
D8 – Closure & Team Recognition Document the complete 8D, share with OEM/customer, and recognize the team’s efforts. Example: OEM accepts 8D report, warranty claim closed, internal team rewarded for quick resolution. 🚗 Why 8D is Important in Automobile Industry
Standardization: Global OEMs (Ford, GM, VW, Toyota, etc.) mandate 8D reports from suppliers. Customer Confidence: Transparent communication tool between suppliers and OEMs. Root Cause Elimination: Prevents recurrence, not just correction.
Compliance: Required by IATF 16949:2016 for structured problem-solving. Cost Reduction: Reduces rework, scrap, warranty, and recall risks. Safety Assurance: Essential in safety-critical automotive components (brakes, airbags, engineering)
3 months ago | [YT] | 0
View 0 replies
avizit the black boy
যে ১০টি অভ্যাস তোমার ব্রেইনের ১২টা বাজাচ্ছে: তোমার মাথা ধরছে, কাজ করতে গেলে মন বসে না, তাড়াতাড়ি কিছুই মাথায় ঢোকে না, শেখার আগ্রহ হারিয়ে ফেলছো এই সব হঠাৎ হয় নাই ভাই। ব্রেইন খ্যাপা হওয়ার পেছনে তুমি নিজেই দায়ী। মানুষের প্রতিদিনকার ছোট ছোট অভ্যাসই তার ব্রেইনকে সবচেয়ে বেশি নষ্ট করে। অবচেতনভাবে এমন কিছু ছোট ছোট অভ্যাস তোমার ব্রেইনের প্রফেশনাল পারফর্মারকে বানিয়ে ফেলতে পারে একজন ডিজিটাল জোম্বি! এইবার সেইসব অভ্যাস এক এক করে ধরিয়ে দিচ্ছি, যাতে তুমি বুঝে ফেলো, কী কী করে তুমি নিজেই নিজের ব্রেইন পঁচিয়ে ফেলছো! ১. ঘুম কমায়ে মনে করতেসো তুমি এলোন মাস্ক রাত ৩টা পর্যন্ত মেসে আড্ডা → সকাল ৮টার কুইজে ঝাপসা ব্রেইন নিয়ে ঝাঁপ দাও! পুরো সেমিস্টার ঘুম কমিয়ে ভার্সিটির ক্যান্টিনের রেকর্ড করা চা মস্তিষ্কে ঢালা মানেই, তোমার Brainless Burnout প্রস্তুত! ঘুমকে ইগনোর করো না। ন্যাশনাল স্লিপ ফাউন্ডেশন বলে প্রতিদিন ৭–৯ ঘণ্টা না ঘুমালে ব্রেইনের নিউরাল কানেকশনগুলো দুর্বল হয়ে যায়। মানে, তুমি দিনে যত শিখছো রাতে কম ঘুমের কারণে অর্ধেকই মুছে যাচ্ছে। এভাবে ব্রেইন র্যাম হয়ে যায় পুরাই লো-স্পেস। ২. Social Media নোটিফিকেশন কে জীবন যৌবন এর একমাত্র অবলম্বন মনে করছো যেই মাত্র টুং বাজে, সেখানেই ব্রেইন দৌড় মারে। কোড লিখতেছো, HCF-π² বের করতেছো – কোনো লাভ নাই! ফোনের সুন্দরী নোটিফিকেশন বললেই ব্রেইনের সমস্ত neuron অকেজো হয়ে যায়। ৩. দিনে ১০টা ট্যাব, ২০টা কাজ শুরু করো; কিন্তু শেষ করো ১টাও না! তুমি ব্রেইনকে বলো "এই জাভাস্ক্রিপ্ট শিখি, সাথে ইউআই বানাই, সাথে ইন্সটাগ্রামের স্ট্র্যাটেজি দেখি" তুমি মানুষ না, মাল্টিপ্লেয়ারে বাজানো ব্রেইন-পিয়ানো! এগুলা ঠিক করো ভাই। তোমার ব্রেইন বারবার কনটেক্সট সুইচ করতে গিয়ে ধীরে ধীরে ফ্রিজ হতে থাকে। ৪. একটানা স্ক্রল করো। Scrolling মানে “Mentally Zoning-out”! ব্রেইনের রিসোর্স শেষ, কিন্তু তোমার আঙুল বলছে: স্ক্রল না মারলে ঘুমও আসবে না! ৫. চিন্তা করো ২৪/৭, কাজ করো ০.৭৪ Brainstorming দিয়েই অফিস খুলছো কিন্তু অ্যাকশন? বলে "কাল থেকে করবো!" তোমার Brain একটা Whiteboard। কিন্তু লেখার মার্কারই তো শূন্য! ৬. Junk Food কে Brain Food মনে করো সন্ধ্যায় ৪টা সিংগারা+৭টা চা, রাতে হাজি কাকার বিরিয়ানি ওমাহ ভাই! Brain পাগল হয়ে বসে থাকবে। Junk food, চিনি, কোলা, প্রসেসড খাবার—এগুলো ব্রেইনের Cognitive Ability কমিয়ে দেয়। একদম গুগল ক্রোমে ৫০টা এক্সটেনশন চালানোর মতো অবস্থা হয়, CPU Use ১০০% এ চলে যায়। ৭. কথা বিশ্বাস করো বিশ্বাসীর মতো, যাচাই করো না সামান্য কে বলল? YouTuber দাদা বলল, তাই ঠিক। সই একদম। এই অভ্যাস তোমাকে করে দিচ্ছে ‘আজাইরা আইডিয়া কালেক্টর’। ব্রেইনের যদি চেকিং-পয়েন্টই না রাখো, সে ভুলে যাবে কে ঠিক, কে ভুল। ৮. “পারব না” নিজেকে বারবার বোঝাও একবার টাইপ করা কোড error দিলেই বলো “এই জিনিস আমার জন্য না!” ব্রেইন ধরা পড়ে “আচ্ছা ঠিক আছে, আমি আর চেষ্টাই করবো না।” এই ট্র্যাপে। তুমি যত বেশি নিজের সাথে “আমি পারব না, আমি ব্যর্থ” বলবে, তোমার ব্রেইন তত বেশি সেটা বিশ্বাস করতে শুরু করবে। ব্রেইন নিউরাল পাথ তৈরি করে তোমার চিন্তার মতো করে। ৯. সবসময় কমফোর্ট জোনে থাকা নতুন কিছু না শেখা, রিস্ক না নেয়া এগুলো ব্রেইনকে চ্যালেঞ্জহীন করে ফেলে। আর ব্রেইন চ্যালেঞ্জ ছাড়া থাকতে পারে না। তখন সে অলস আর দুর্বল হয়ে যায়। অতিরিক্ত ইনফরমেশন খাওয়া কিন্তু কিছু না করা। একেকজন ইউটিউবে দিনে ৫ ঘণ্টা লেকচার দেখে, কিন্তু নোট নেয় না বা প্র্যাকটিস করে না। এতে মস্তিষ্ক ওভারলোড হয়, আর Action Zero।
১০. ব্রেইন দরকারে ডিসচার্জ দাও, কিন্তু চার্জ দাও না Meditation, Walking, Journaling এসব বোরিং মনে হয়। তাই ব্রেইন অফ থাকেও আবার অন হয় না। আর সে বলে: “তুই তো আমাকে একটাই কাজ করাস স্ক্রল আর হাইসুপার টেনশন!” হিংসা আর তুলনা করা কে আপন বানিয়ে ফেলসো। সবসময় অন্যের লাইফ দেখে জ্বলে-পুড়ে মরলে নিজের ব্রেইন প্রোডাক্টিভ কাজে এনার্জি দিতে পারে না। ব্রেইন তখন শুধু “তুলনা” আর disatisfaction এর লুপে পড়ে যায়। ব্রেইন হলো সফটওয়্যারও, হার্ডওয়্যারও। তুমি যদি প্রতিদিন ভাইরাস চালাও, তাহলে একদিন Reset দিয়েও ঠিক হবে না। তাই অভ্যাসগুলো চেক করো তুমি কি এগুলো করছো? যদি করো, আজ থেকেই বদলাও। কারণ শেখার, চিন্তার আর ক্রিয়েটিভিটির আসল পাওয়ার লুকিয়ে আছে একটা হেলদি ব্রেইনের ভেতরেই। তোমার ব্রেইন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্স্ট বয় হতে চায় তুমি তাকে বানিয়ে রাখছো Scrolling ক্যাসিনো’র Regular কাস্টমার।
3 months ago | [YT] | 0
View 0 replies
avizit the black boy
জেনে নিন!
১. ChatGPT – যেকোনো লেখা বা প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে।
২. Canva AI – ডিজাইন তৈরি ও কনটেন্ট সাজাতে AI সহায়তা।
৩. Pictory – লেখা থেকে অটো ভিডিও তৈরি করে।
৪. Copy.ai – মার্কেটিং কপিরাইটিং বা ব্লগ লেখে।
৫. Jasper AI – ব্লগ, বিজ্ঞাপন, ইমেইল লেখায় সাহায্য করে।
৬. Grammarly – ইংরেজি লেখার ভুল ধরিয়ে সংশোধন করে।
৭. Quillbot – লেখাকে রি-রাইট বা প্যারাফ্রেজ করে।
৮. Synthesia – AI এভাটার দিয়ে ভিডিও বানায়।
৯. Looka – লোগো ও ব্র্যান্ড ডিজাইন করে।
১০. Remove.bg – ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করে এক ক্লিকে।
১১. Leonardo AI – কল্পনাশক্তির ইমেজ ডিজাইন করে।
১২. Durable – কয়েক সেকেন্ডে ওয়েবসাইট তৈরি করে।
১৩. SlidesAI – লেখা থেকে অটো স্লাইড প্রেজেন্টেশন বানায়।
১৪. Runway ML – ভিডিও এডিটিং ও AI ভিজ্যুয়াল এফেক্টে সাহায্য করে।
১৫. Tome – স্টোরি-বেইজড প্রেজেন্টেশন তৈরি করে।
১৬. Notion AI – নোট নেয়া, টাস্ক ম্যানেজমেন্ট ও লেখায় সাহায্য করে।
১৭. Krisp – কলের ব্যাকগ্রাউন্ড নোইজ রিমুভ করে।
১৮. Cleanup.pictures – ছবির অবাঞ্চিত জিনিস মুছে ফেলে।
১৯. Replika – AI ভার্চুয়াল বন্ধু বা চ্যাট সঙ্গী।
২০. Soundraw – AI দিয়ে অরিজিনাল মিউজিক তৈরি করে।
২১. Beatoven – ভিডিও/পডকাস্টের জন্য মিউজিক তৈরি করে।
২২. Voicemod – ভয়েস চেঞ্জ বা ভয়েস ইফেক্টে ইউজ হয়।
২৩. Lumen5 – ব্লগ থেকে ভিডিও কনভার্ট করে।
২৪. Descript – ভিডিও এডিট করে টেক্সট দিয়ে।
২৫. Kaiber – AI দিয়ে ভিডিও অ্যানিমেশন বানায়।
২৬. AutoDraw – হ্যান্ড-ড্রয়িংকে পারফেক্ট ডিজাইনে রূপ দেয়।
২৭. ElevenLabs – রিয়েলিস্টিক ভয়েস জেনারেশন করে।
২৮. Heygen – AI স্পোকেন ভিডিও বানায় ফেস ও ভয়েস দিয়ে।
২৯. Writesonic – কনটেন্ট রাইটিং ও কপি তৈরি করে।
৩০. Play.ht – ব্লগ বা লেখাকে ভয়েসে পরিণত করে।
৩১. Papercup – ভিডিওর ভয়েস অন্য ভাষায় ডাব করে।
৩২. AI Dungeon – ইন্টার্যাকটিভ গল্প বানায়।
৩৩. TTSMaker – লেখা থেকে স্পিচ জেনারেট করে।
৩৪. Magic Eraser – ছবির অবজেক্ট সরিয়ে ক্লিন ব্যাকগ্রাউন্ড দেয়।
৩৫. Designs.ai – লোগো, ভিডিও, অডিও সব তৈরি করতে পারে।
৩৬. Midjourney – কমান্ড থেকে ইমেজ তৈরি করে।
৩৭. TinyWow – ডকুমেন্ট, ভিডিও, পিডিএফ টুলস ফ্রি অফার করে।
৩৮. ChatPDF – যেকোনো PDF পড়ে আপনাকে সারাংশ দেয়।
৩৯. Scalenut – SEO কনটেন্ট ও ব্লগ প্ল্যান করে।
৪০. INK – SEO, রাইটিং, মার্কেটিং একসাথে করে।
৪১. DeepL – প্রোফেশনাল লেভেলের ট্রান্সলেশন দেয়।
৪২. OpenArt – AI আর্ট ও ইমেজ তৈরি করে।
৪৩. NameSnack – AI দিয়ে বিজনেস নাম সাজেস্ট করে।
৪৪. Tidio – AI চ্যাটবট তৈরি করে ওয়েবসাইটের জন্য।
৪৫. FormX.ai – স্ক্যান করা ডকুমেন্ট থেকে ডেটা এক্সট্রাক্ট করে।
৪৬. Murf.ai – প্রফেশনাল ভয়েসওভার তৈরি করে।
৪৭. Zyro AI Writer – ওয়েবসাইট বা কনটেন্ট লেখায় ব্যবহার হয়।
৪৮. Hugging Face – বিভিন্ন ধরনের NLP ও AI টুলস হোস্ট করে।
৪৯. Adobe Firefly – AI দিয়ে ইমেজ ও ডিজাইন তৈরি করে।
৫০. Illustroke – লেখা থেকে SVG ইলাস্ট্রেশন তৈরি করে।
এই টুলগুলো ব্যবহার করে আপনি আপনার কাজের গতি যেমন বাড়াতে পারবেন, তেমনি সময় এবং খরচও বাঁচাতে পারবেন।
#collected #follower #highlights2025 #StarSender #tranding
7 months ago | [YT] | 0
View 0 replies
avizit the black boy
Think???🤔🤔🤔
8 months ago | [YT] | 1
View 0 replies
avizit the black boy
নিজেকে খুঁজে নাও… অন্য কেউ হয়ে কী হবে?
এই পৃথিবীতে তুমি একটাই। তোমার মতো আর কেউ নেই, হবেও না।
তবুও আমরা অনেক সময় চেষ্টা করি, অন্য কারও মতো হতে।
চেষ্টা করি তাদের হাঁটুর ছায়া ধরে হাঁটতে, ভাবি – "ওর মতো হলে আমি হয়তো সুখী হবো।"
কিন্তু সত্যি কি তাই?
অন্যের ছায়ায় দাঁড়িয়ে নিজের আলো কখনো খুঁজে পাওয়া যায় না।
অন্যের মত হতে হতে আমরা হারিয়ে ফেলি নিজের সেই আসল "আমি"-টা।
যে "আমি"-টাতে লুকিয়ে আছে তোমার স্বপ্ন, তোমার অনুভব, আর তোমার আনন্দ।
নিজেকে খুঁজে নাও…
নিজের মতো করে বাঁচো…
নিজের ভুল থেকে শেখো, নিজের সাফল্যে হাসো, নিজের ব্যর্থতায় শক্তি খোঁজো।
কারও মতো হওয়ার চেষ্টা করো না—
কারণ তুমি নিজেই একজন পূর্ণ, অদ্বিতীয় গল্প…
যার প্রতিটা পৃষ্ঠা লিখবে তুমি নিজে।
8 months ago | [YT] | 0
View 0 replies
Load more