আজ ১ মে, বুদ্ধ পূর্ণিমা। বাংলার মানুষ বুদ্ধকে 'ধম্ম ঠাকুর' হিসেবে পূজা করে। এই উপলক্ষে গ্রাম বাংলায় 'ধম্মের জাতের মেলা' হয়। বৈদিক সংস্কৃতি ও ব্রাহ্মণ্যবাদীদের আক্রমণের হাত থেকে বৌদ্ধ সংস্কৃতিকে রক্ষা করতে বৌদ্ধরা এই পূজার প্রচলন করেন। ভারত বুদ্ধের দেশ। সারা পৃথিবীর মানুষ বুদ্ধের দেশ হিসাবে ভারতকে সম্মান করে। সারা পৃথিবীর মানুষ বৌদ্ধ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষা গ্রহণ করতে আসতো। বৌদ্ধ সংস্কৃতিতে ফিরলেই ভারত বিশ্বগুরু হবে, অন্যথায় নয়। বুদ্ধ পূর্ণিমার শুভেচ্ছা জানাই।🙏। - পৌণ্ড্র আর্মি #BuddhaPurnima#Nalanda#ashok#brambedkar
বাংলায় ব্রাহ্মণবাদীদের ব্যবসা বন্ধ হতে চলেছে। মহামানব গৌতম বুদ্ধ এবং বাবাসাহেব আম্বেদকরকে শ্রদ্ধা জানিয়ে সাধন বেদিয়া এবং পাপিয়া মাহাতোর ব্রাহ্মণবর্জিত বিবাহ সম্পন্ন হল। মথুরাডাঙ্গা, বামনগোলা, মালদা। সোমবার 09.03.26
বিয়ে দিলেন বেদিয়া মাহাতো সমাজের মোড়লবাবা মানণীয় রাজেন মাহাতো মহাশয়। সঙ্গে ছিলেন সমাজকর্মী হেমন্ত মাহাতো, ভোলা মাহাতো প্রমুখ সমাজসংস্কারক ব্যাক্তিরা। সাধু সাধু সাধু। 💙 জয় ভীম, নমো বুদ্ধায় 🙏
তিলকা মাঝি ভারতের প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রামী। জন্ম: ১৭৫০ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি সিঙ্গারসি পাহাড়ের সুলতানপুর থানার তিলকা গ্রামে। বাবা চুনু মুর্মু ছিলেন গ্রাম প্রধান (মৗঞ্জহি হাড়াম)। মৗঞ্জহি টাকে সেই সময় ইংরেজরা ভূল করে মাঝি হিসেবে লিখত।
বীরগাঁথা:- তিলকা মাঝির আসল নাম তিলকা মুর্মু। বাল্যকাল থেকেই তিনি ছিলেন অসীম সাহসী ও তীক্ষ্ণ বুদ্ধির অধিকারী। স্বজাতির উপর বিদেশি শাসকের অন্যায় অত্যাচার দেখে তিনি আর স্থির থাকতে পারলেন না, চরম প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য বদ্ধপরিকর হলেন । অবিলম্বে তিনি সাওতালদের নিয়ে এক মুক্তি বাহিনী গড়ে তুললেন এবং তাদের তীর ধনুক, বর্শা, টাঙ্গি ও বাটুল চালনা শিক্ষা দিতে লাগলেন। তিনি নিজেও ছিলেন তীর ও বাটুল চালনায় পারদর্শী।গ্ৰামে গ্ৰামে তার অভয় বাণী প্রচারিত হল, দলে দলে সাওতাল যুবক এসে তার দলে যোগ দিল। অবশেষে একদিন এই সাওতাল মুক্তি বাহিনী নিয়ে বিদেশী শত্রু কে উচ্ছেদ করার জন্য তিনি প্রকাশ্য বিদ্রোহ ঘোষণা করল । ১৭৭৮ সালে ১৩০০ ধর্নুবিদ নিয়ে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির রামগড় ব্যাটালিয়ন কব্জা করে নেন এবং লর্ড ক্লাইভ লয়েডকে হত্যা করেন। কোম্পানির ট্রেজারি কুঠি লুঠ করে জনগণের মধ্যে বিলিয়ে দেন। অত্যাচারি ইংরেজ, ঠিকাদার, মহাজন ও জমিদারদের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্যে তিলকা বাহিনী জনগনেরই এক বাহিনী হিসেবে গড়ে উঠে। তিলকা মুর্ম (মাঝি) জনগনের নেতা হিসেবে ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠেন।দীর্ঘ দিন এভাবে কাটতে থাকে অবশেষ অস্ত্রশস্ত্র ও খবারের অভাব বাহিনী দুর্বল হয়ে পড়ে । ইংরেজরা আদিবাসীদের এই আন্দোলনকে দমন করার জন্যে ১৭৮৪ সালে লর্ড আয়ারকুটের নেতৃত্বে সসস্ত্র বিশাল সেনাবাহিনী পাঠান এবং ঘোরতোর যুদ্ধে তিলকা বাহিনীকে পরাজিত করেন। ইংরেজ সেনাবাহিনীর হাতে তিলকা ধরা পড়েন।
মৃত্যু: - ১৭৮৪ সালে আয়ারকুটের নেতৃত্বে বিশাল সেনাবাহিনী গিয়ে তিলকার গেরিলা সেনাদের পরাজিত করে এবং তিলকা মাঝিকে গ্রেপ্তার করে। ইংরেজ সেনারা বাবা তিলকা মাঝিকে ঘোড়ার সঙ্গে বেঁধে টানতে টানতে ভাগলপুর শিবিরে নিয়ে আসে। এই নির্মম ভাবে তাঁকে নিয়ে আসা সত্ত্বেও পাহাড়িয়া যোদ্ধাকে জীবিত থাকতে দেখে ইংরেজরা বিস্মিত হয়। রক্তে ভেসে যাওয়া শরীর তখন বন্ধন মুক্ত হবার জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছিল। লাল চোখ থেকে বেরিয়ে আসছিল তীব্র জ্যোতি। ভয়ে কম্পিত ইংরেজেরা তড়িঘড়ি ভাগলপুর চৌরাস্তার পাশে অবস্থিত একটি বিশাল বটগাছের ডালে তিলকা মাঝিকে ফাঁসি দিয়ে দেয়। ফাঁসির আগে তিলকার গলা থেকে গুঞ্জরিত হয় একটি পাহাড়িয়া সুর, “হাঁসি হাঁসি চড়ব ফাঁসি’ যাতে বীর জোয়ানরা দেশ রক্ষার যুদ্ধে ফাঁসিকেও ভয় না পায়। এইগান পরবর্তী স্বাধীনতা যোদ্ধাদেরও অনুপ্রাণিত করে।
প্রতিবছরের ন্যায় এই বছরও ২৫ ডিসেম্বর সারা দেশে মনুসংহিতা দহন দিবস পালন করা হবে। এটি কোনো বিদ্বেষ বা ঘৃণার উৎসব নয়, বরং সমাজে সমতা, মানবিক মর্যাদা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার আহ্বান হিসেবে এই দিনটিকে স্মরণ করা হয়।
২৫ ডিসেম্বরের এই কর্মসূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয় ভারতবর্ষের সামাজিক ইতিহাসে অসাম্য, বৈষম্য ও শোষণের বিরুদ্ধে সংগ্রাম কত দীর্ঘ, কত গভীর।
ডঃ বাবাসাহেব আম্বেদকর ১৯২৭ সালের ২৫ ডিসেম্বর মনুস্মৃতি দহন করেছিলেন এক ঐতিহাসিক প্রতিবাদ হিসেবে। কারণ তিনি দেখেছিলেন, যে গ্রন্থ সমাজকে বর্ণভাগে বিভাজিত করে, জন্মগত বৈষম্যকে বৈধতা দেয়, নারী ও শ্রমজীবী মানুষের মর্যাদাকে খর্ব করে সেই গ্রন্থকে প্রশ্ন না করলে সামাজিক ন্যায় প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।
এটি কোনো ধর্মীয় আক্রমণ নয়। এটি একটি সামাজিক শৃঙ্খলার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর ঘোষণা। একটি এমন শৃঙ্খলা যেখানে মানুষ মানুষকে ছোট করে, অমানবিক করে, শ্রমকে অবজ্ঞা করে এবং জন্মসূত্রকে চরিত্রের মানদণ্ডে পরিণত করে।
ডঃ বাবাসাহেব আম্বেদকরের এই প্রতিবাদ ছিল মানুষের সমান অধিকার, বৈষম্যহীন সমাজব্যবস্থা, বর্ণ-জাতি- শোষণের অবসান, নৈতিক যুক্তিবাদী ও মানবরাষ্ট্র গঠনের স্বপ্ন। এই কারণেই ২৫ ডিসেম্বর আজও কেবল একটি ঐতিহাসিক স্মরণ নয় এটি সামাজিক ন্যায়বিচারের প্রতি অঙ্গীকার পুনর্নবীকরণের দিন।
আজও সমাজে বৈষম্য, বর্ণ-জাতিগত হিংসা, সামাজিক বৈরিতা, নারী ও শ্রমজীবী মানুষের উপর অত্যাচার সবই আমাদের চোখের সামনে ঘটে। তাই বছরে একদিন মনুস্মৃতি দহন দিবস পালন মানে। অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাহসী অবস্থান, মানুষের মর্যাদা রক্ষার ঘোষণা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পুনঃস্থাপন, প্রগতিশীল সমাজগঠনের অঙ্গীকার।
Amader Itihas
আজ ১ মে, বুদ্ধ পূর্ণিমা। বাংলার মানুষ বুদ্ধকে 'ধম্ম ঠাকুর' হিসেবে পূজা করে। এই উপলক্ষে গ্রাম বাংলায় 'ধম্মের জাতের মেলা' হয়।
বৈদিক সংস্কৃতি ও ব্রাহ্মণ্যবাদীদের আক্রমণের হাত থেকে বৌদ্ধ সংস্কৃতিকে রক্ষা করতে বৌদ্ধরা এই পূজার প্রচলন করেন।
ভারত বুদ্ধের দেশ। সারা পৃথিবীর মানুষ বুদ্ধের দেশ হিসাবে ভারতকে সম্মান করে। সারা পৃথিবীর মানুষ বৌদ্ধ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষা গ্রহণ করতে আসতো। বৌদ্ধ সংস্কৃতিতে ফিরলেই ভারত বিশ্বগুরু হবে, অন্যথায় নয়। বুদ্ধ পূর্ণিমার শুভেচ্ছা জানাই।🙏। - পৌণ্ড্র আর্মি
#BuddhaPurnima #Nalanda #ashok #brambedkar
2 months ago | [YT] | 40
View 4 replies
Amader Itihas
2 months ago | [YT] | 31
View 0 replies
Amader Itihas
3 months ago | [YT] | 31
View 2 replies
Amader Itihas
3 months ago | [YT] | 25
View 0 replies
Amader Itihas
বাংলায় ব্রাহ্মণবাদীদের ব্যবসা বন্ধ হতে চলেছে। মহামানব গৌতম বুদ্ধ এবং বাবাসাহেব আম্বেদকরকে শ্রদ্ধা জানিয়ে সাধন বেদিয়া এবং পাপিয়া মাহাতোর ব্রাহ্মণবর্জিত বিবাহ সম্পন্ন হল। মথুরাডাঙ্গা, বামনগোলা, মালদা। সোমবার 09.03.26
বিয়ে দিলেন বেদিয়া মাহাতো সমাজের মোড়লবাবা মানণীয় রাজেন মাহাতো মহাশয়। সঙ্গে ছিলেন সমাজকর্মী হেমন্ত মাহাতো, ভোলা মাহাতো প্রমুখ সমাজসংস্কারক ব্যাক্তিরা।
সাধু সাধু সাধু। 💙
জয় ভীম, নমো বুদ্ধায় 🙏
3 months ago | [YT] | 21
View 1 reply
Amader Itihas
তিলকা মাঝি ভারতের প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রামী।
জন্ম: ১৭৫০ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি সিঙ্গারসি পাহাড়ের সুলতানপুর থানার তিলকা গ্রামে। বাবা চুনু মুর্মু ছিলেন গ্রাম প্রধান (মৗঞ্জহি হাড়াম)। মৗঞ্জহি টাকে সেই সময় ইংরেজরা ভূল করে মাঝি হিসেবে লিখত।
বীরগাঁথা:-
তিলকা মাঝির আসল নাম তিলকা মুর্মু। বাল্যকাল থেকেই তিনি ছিলেন অসীম সাহসী ও তীক্ষ্ণ বুদ্ধির অধিকারী। স্বজাতির উপর বিদেশি শাসকের অন্যায় অত্যাচার দেখে তিনি আর স্থির থাকতে পারলেন না, চরম প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য বদ্ধপরিকর হলেন । অবিলম্বে তিনি সাওতালদের নিয়ে এক মুক্তি বাহিনী গড়ে তুললেন এবং তাদের তীর ধনুক, বর্শা, টাঙ্গি ও বাটুল চালনা শিক্ষা দিতে লাগলেন। তিনি নিজেও ছিলেন তীর ও বাটুল চালনায় পারদর্শী।গ্ৰামে গ্ৰামে তার অভয় বাণী প্রচারিত হল, দলে দলে সাওতাল যুবক এসে তার দলে যোগ দিল। অবশেষে একদিন এই সাওতাল মুক্তি বাহিনী নিয়ে বিদেশী শত্রু কে উচ্ছেদ করার জন্য তিনি প্রকাশ্য বিদ্রোহ ঘোষণা করল ।
১৭৭৮ সালে ১৩০০ ধর্নুবিদ নিয়ে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির রামগড় ব্যাটালিয়ন কব্জা করে নেন এবং লর্ড ক্লাইভ লয়েডকে হত্যা করেন। কোম্পানির ট্রেজারি কুঠি লুঠ করে জনগণের মধ্যে বিলিয়ে দেন। অত্যাচারি ইংরেজ, ঠিকাদার, মহাজন ও জমিদারদের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্যে তিলকা বাহিনী জনগনেরই এক বাহিনী হিসেবে গড়ে উঠে। তিলকা মুর্ম (মাঝি) জনগনের নেতা হিসেবে ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠেন।দীর্ঘ দিন এভাবে কাটতে থাকে অবশেষ অস্ত্রশস্ত্র ও খবারের অভাব বাহিনী দুর্বল হয়ে পড়ে । ইংরেজরা আদিবাসীদের এই আন্দোলনকে দমন করার জন্যে ১৭৮৪ সালে লর্ড আয়ারকুটের নেতৃত্বে সসস্ত্র বিশাল সেনাবাহিনী পাঠান এবং ঘোরতোর যুদ্ধে তিলকা বাহিনীকে পরাজিত করেন। ইংরেজ সেনাবাহিনীর হাতে তিলকা ধরা পড়েন।
মৃত্যু: - ১৭৮৪ সালে আয়ারকুটের নেতৃত্বে বিশাল সেনাবাহিনী গিয়ে তিলকার গেরিলা সেনাদের পরাজিত করে এবং তিলকা মাঝিকে গ্রেপ্তার করে। ইংরেজ সেনারা বাবা তিলকা মাঝিকে ঘোড়ার সঙ্গে বেঁধে টানতে টানতে ভাগলপুর শিবিরে নিয়ে আসে। এই নির্মম ভাবে তাঁকে নিয়ে আসা সত্ত্বেও পাহাড়িয়া যোদ্ধাকে জীবিত থাকতে দেখে ইংরেজরা বিস্মিত হয়। রক্তে ভেসে যাওয়া শরীর তখন বন্ধন মুক্ত হবার জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছিল। লাল চোখ থেকে বেরিয়ে আসছিল তীব্র জ্যোতি। ভয়ে কম্পিত ইংরেজেরা তড়িঘড়ি ভাগলপুর চৌরাস্তার পাশে অবস্থিত একটি বিশাল বটগাছের ডালে তিলকা মাঝিকে ফাঁসি দিয়ে দেয়। ফাঁসির আগে তিলকার গলা থেকে গুঞ্জরিত হয় একটি পাহাড়িয়া সুর, “হাঁসি হাঁসি চড়ব ফাঁসি’ যাতে বীর জোয়ানরা দেশ রক্ষার যুদ্ধে ফাঁসিকেও ভয় না পায়। এইগান পরবর্তী স্বাধীনতা যোদ্ধাদেরও অনুপ্রাণিত করে।
১২ই ফেব্রুয়ারি, ভারতের প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রামী শহীদ তেলকা মাঝির জন্মজয়ন্তীতে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। 🙏
#tilkaManjhi #thefastIndianfreedomfighter
4 months ago | [YT] | 16
View 0 replies
Amader Itihas
জাগো SC ST OBC সমাজ
4 months ago | [YT] | 19
View 3 replies
Amader Itihas
প্রতিবছরের ন্যায় এই বছরও ২৫ ডিসেম্বর সারা দেশে মনুসংহিতা দহন দিবস পালন করা হবে। এটি কোনো বিদ্বেষ বা ঘৃণার উৎসব নয়, বরং সমাজে সমতা, মানবিক মর্যাদা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার আহ্বান হিসেবে এই দিনটিকে স্মরণ করা হয়।
২৫ ডিসেম্বরের এই কর্মসূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয় ভারতবর্ষের সামাজিক ইতিহাসে অসাম্য, বৈষম্য ও শোষণের বিরুদ্ধে সংগ্রাম কত দীর্ঘ, কত গভীর।
ডঃ বাবাসাহেব আম্বেদকর ১৯২৭ সালের ২৫ ডিসেম্বর মনুস্মৃতি দহন করেছিলেন এক ঐতিহাসিক প্রতিবাদ হিসেবে।
কারণ তিনি দেখেছিলেন, যে গ্রন্থ সমাজকে বর্ণভাগে বিভাজিত করে, জন্মগত বৈষম্যকে বৈধতা দেয়, নারী ও শ্রমজীবী মানুষের মর্যাদাকে খর্ব করে সেই গ্রন্থকে প্রশ্ন না করলে সামাজিক ন্যায় প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।
এটি কোনো ধর্মীয় আক্রমণ নয়।
এটি একটি সামাজিক শৃঙ্খলার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর ঘোষণা। একটি এমন শৃঙ্খলা যেখানে মানুষ মানুষকে ছোট করে, অমানবিক করে, শ্রমকে অবজ্ঞা করে এবং জন্মসূত্রকে চরিত্রের মানদণ্ডে পরিণত করে।
ডঃ বাবাসাহেব আম্বেদকরের এই প্রতিবাদ ছিল মানুষের সমান অধিকার, বৈষম্যহীন সমাজব্যবস্থা, বর্ণ-জাতি- শোষণের অবসান, নৈতিক যুক্তিবাদী ও মানবরাষ্ট্র গঠনের স্বপ্ন। এই কারণেই ২৫ ডিসেম্বর আজও কেবল একটি ঐতিহাসিক স্মরণ নয় এটি সামাজিক ন্যায়বিচারের প্রতি অঙ্গীকার পুনর্নবীকরণের দিন।
আজও সমাজে বৈষম্য, বর্ণ-জাতিগত হিংসা, সামাজিক বৈরিতা, নারী ও শ্রমজীবী মানুষের উপর অত্যাচার সবই আমাদের চোখের সামনে ঘটে।
তাই বছরে একদিন মনুস্মৃতি দহন দিবস পালন মানে। অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাহসী অবস্থান, মানুষের মর্যাদা রক্ষার ঘোষণা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পুনঃস্থাপন, প্রগতিশীল সমাজগঠনের অঙ্গীকার।
শেষ কথা;
২৫ ডিসেম্বর তাই শুধু আগুন জ্বালানোর দিন নয় এটি মনের আগুন জ্বালানোর দিন।
অসাম্য দূর করার সাহস, মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠার শপথ, এবং বাবাসাহেব আম্বেদকরের দেখানো ন্যায়ের পথে অটল থাকার অঙ্গীকারের দিন।
#মনুসংহিতাদহন #AmbedkarThoughts #jaibhim #জয়ভীম #manusmritidahan #AmbedkarMission #hughlights2025 #highlight #everyonefollowers
6 months ago | [YT] | 29
View 0 replies
Amader Itihas
💙
1 year ago | [YT] | 14
View 2 replies