"Krishi Edition" Who are engaged with Bangladeshi farmers with latest agricultural technology.
We provide Drip Irrigation System, City Garden, Mini & Big Polyhouse, Shade Net, Mulching Paper, Cocopeat, Compost Fertilizer, Liquid Fertilizer, Insect Trap etc. for the benefit of farmers.


Krishi Edition

ড্রিপ ইরিগেশন টেপ এর উপর চলছে বিশেষ মূল্যছাড়। কৃষিতে লাভবান হতে ব্যবহার করুন ড্রিপ ইরিগেশন সিস্টেম।
যোগাযোগ করুন 01909-742072

6 months ago | [YT] | 0

Krishi Edition

পেঁপে চাষের জন্য ইনলাইন ড্রিপ ইরিগেশন ব্যবহারে বিশেষ বিশেষ সুবিধাঃ

✅ নির্দিষ্ট স্থানে পানি পৌঁছে যায় – প্রতিটি গাছের গোড়ায় সরাসরি পানি দেয়, ফলে শিকড় ভালভাবে বিকশিত হয়।
✅ ফল ঝরার হার কমে – সঠিক আর্দ্রতা বজায় থাকায় গাছের স্ট্রেস কমে যায়, ফলে কম ফল ঝরে।
✅ ফলন বৃদ্ধি পায় ২০–৩০% – পানির ঘাটতি ও অতিরিক্ত পানির ঝুঁকি কমায়।
✅ ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ কম হয় – পাতা ও ডাল ভেজে না থাকায় রোগ কম ছড়ায়।
✅ ফুল আসা ও ফল গঠনে সহায়ক – নিয়মিত ও নিয়ন্ত্রিত পানির কারণে গাছ সুস্থ থাকে।
✅ সার সহজে প্রয়োগ করা যায় – ভেজাল ছাড়া সঠিক পরিমাণ সার গাছের গোড়ায় পৌঁছে যায় (fertigation)।
✅ শ্রম খরচ কমে যায় – ম্যানুয়াল পানি দেওয়া বা সেচের দরকার হয় না।

ইনলাইন ড্রিপ সিস্টেম পেঁপে চাষে ফলন বাড়ায়, রোগ কমায়, খরচ বাঁচায়। এটা আধুনিক ও লাভজনক চাষে অত্যন্ত কার্যকর।

01909-742072

6 months ago | [YT] | 0

Krishi Edition

গরুর হিট স্ট্রেস হলে যে প্রভাব পড়বে

8 months ago | [YT] | 0

Krishi Edition

বর্তমানে কৃষিক্ষেত্রে পানির সংকট, উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি এবং পরিবেশগত পরিবর্তন মাথায় রেখে চাষীদের ড্রিপ ইরিগেশন ব্যবহারের দিকে মনোযোগী হওয়া জরুরি। এতে উৎপাদনশীলতা বাড়ে, খরচ কমে এবং লাভজনক কৃষি সম্ভব হয়।

বিশেষ করে শসার মতো উচ্চ-মূল্যের ফসলের ক্ষেত্রে ড্রিপ ইরিগেশন প্রযুক্তি খুবই কার্যকর। শসা চাষে পর্যাপ্ত ও সঠিক পরিমাণে পানি সরবরাহ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

পানির সাথে সার মিশিয়ে সরাসরি গাছের শিকড়ে প্রয়োগ করলে সারের অপচয় কমে এবং গাছ দ্রুত পুষ্টি পায়। সঠিকভাবে পানির সরবরাহ ও সার প্রয়োগের ফলে শসার ফলন ২০-৩০% বৃদ্ধি পেতে পারে।

প্রচলিত পদ্ধতিতে অতিরিক্ত পানি দিলে মাটির গঠন নষ্ট হয়, কিন্তু ড্রিপ ইরিগেশনে মাটির আর্দ্রতা বজায় থাকে। শসার গাছে অতিরিক্ত আর্দ্রতা থাকলে ছত্রাক ও রোগের আক্রমণ বেশি হয়। কিন্তু ড্রিপ ইরিগেশন ব্যবহারে এই সমস্যা কম হয়।

ম্যানুয়াল সেচ ব্যবস্থার তুলনায় ড্রিপ সেচ স্বয়ংক্রিয় হওয়ায় শ্রম খরচ কম লাগে। যে কোনো জমিতে ব্যবহার উপযোগী যেমন পাহাড়ি এলাকা, বালুময় জমি বা উঁচু-নিচু জমিতেও সহজেই ড্রিপ ইরিগেশন ব্যবহার করা যায়।

আগাম শসা চাষে যদি হতে চান লাভবান, ড্রিপ ইরিগেশন হবে সেরা সমাধান!! বিস্তারিত কোন কিছু জানার থাকলে কমেন্ট করুন।

Contact : +880 1909-742072

10 months ago | [YT] | 2

Krishi Edition

সফল একজন আধুনিক কৃষক হতে হলে আপনাকে প্রযুক্তিনির্ভর, জ্ঞানভিত্তিক এবং বাণিজ্যিক চাষাবাদের দিকে মনোযোগ দিতে হবে।

একজন সফল কৃষক হওয়ার জন্য যে ৫ টি গূরুত্বপূর্ন বিষয় আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে।

১. আধুনিক চাষ পদ্ধতি গ্রহণ করুন
---------------------------------------
• ড্রিপ ইরিগেশন, মালচিং, পিএইচ মিটার, হাই টানেল ও পলিহাউজ প্রযুক্তি ব্যবহার করা শুরু করুন।

• উচ্চ ফলনশীল ও রোগ প্রতিরোধী জাত নির্বাচন করুন।

• জৈব সার ও ভার্মি কম্পোস্ট ব্যবহার করে মাটির উর্বরতা বাড়ান।

২. পানি ও সারের সঠিক ব্যবহার করুন
---------------------------------------
• প্রথমেই আপনার জমিতে ড্রিপ ইরিগেশন ব্যবহার করার পরিকল্পনায করুন, কারন এই প্রযুক্তি ব্যবহার করলে গাছের প্রয়োজন অনুসারে সকল গাছে সমানভাবে সমপরিমাণ পানি দিতে পারবেন।

• ফার্টিগেশন প্রযুক্তির মাধ্যমে তরল সার প্রয়োগ করতে হবে। চমৎকার রেজাল্ট, চারা মারা যাওয়ার হার হবে প্রায় ০%। উৎপাদন ৩০-৫০% পর্যন্ত বাড়াতে পারবেন।

৩. রোগবালাই ও পোকামাকড় ব্যবস্থাপনা
------------------------------------------
• বায়ো পেস্টিসাইড ও ফেরোমন সহ পোকা মাকড় দমনের বিভিন্ন ফাঁদ ব্যবহার করুন।

• একাধিক ফসল চাষ করে ফসল চক্র বজায় রাখুন, এতে রোগের অনেকটা প্রকোপ কমবে।

৪. বাজারজাতকরণ পরিকল্পনা করুন আগে
---------------------------------------------
• বাজারের চাহিদা ও দাম বিশ্লেষণ করে ফসল নির্বাচন করুন।

• মধ্যস্বত্বভোগীদের এড়িয়ে সরাসরি পাইকারি বা অনলাইন মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে বিক্রির চেষ্টা করুন।

৫. প্রশিক্ষণ নিন ও নেটওয়ার্কিং করুন
---------------------------------------
• কৃষি প্রশিক্ষণ ও সেমিনারে অংশগ্রহণ করুন।

• কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও সফল কৃষকদের সাথে যোগাযোগ রাখুন।

কৃষিময় জীবনে আপনাকে শুভেচ্ছা। আপনার কৃষি কর্মের উন্নতি হোক। সফল কৃষক হোন। ❤️

10 months ago | [YT] | 0

Krishi Edition

গ্রীষ্মকালীন টমেটোর বাজারদর শীতের তুলনায় বেশি থাকে কারণ উৎপাদন কমে যায়। গ্রীষ্মকালে টমেটো উৎপাদনের জন্য দরকার নিয়মিত পরিচর্যা, সেচ এবং সারের প্রয়োগ।

আপনি যদি একজন টমেটো চাষী হয়ে থাকেন তাহলে আমার পরামর্শ হচ্ছে আপনি আপনার টমেটোর জমিতে অবশ্যই ড্রিপ ইরিগেশন সিস্টেম ব্যবহার করুন।

গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষে ড্রিপ ইরিগেশনের সুবিধা:
✅ পানি সাশ্রয়: ৩০-৫০% পর্যন্ত কম পানি লাগবে, কারণ ড্রিপের মাধ্যমে সরাসরি গাছের গোড়ায় পানি পৌঁছায়।
✅ উচ্চ ফলন: গাছ পর্যাপ্ত পুষ্টি পেলে ২০-৩০% বেশি ফলন পাওয়া যায়।
✅ রোগ কম হয়: নিয়ন্ত্রিত সেচ বা পানির কারণে ছত্রাকজনিত রোগ কম হবে।
✅ সার ব্যবস্থাপনা সহজ: ড্রিপ লাইনের মাধ্যমে সহজেই দ্রবণীয় সার প্রয়োগ করা যায় (ফার্টিগেশন)।
✅ উৎপাদন খরচ কমবে: কম পানি ও কম সার লাগায় ৩০-৪০% পর্যন্ত উৎপাদন খরচ কমতে পারে।
✅ বাজারদর ভালো পাওয়া যায়: গ্রীষ্মকালীন টমেটোর বাজারদর শীতের তুলনায় বেশি থাকে, ফলে লাভজনক হয়।

ড্রিপ ইরিগেশন ব্যবস্থাপনাঃ
• চারা রোপণের প্রথম ১০ দিন: প্রতিদিন ২০-২৫ মিনিট পানি দিন।
• ফুল আসার সময়: প্রতিদিন ৩০-৪০ মিনিট পানি দিন।
• ফল ধরার সময়: প্রতিদিন ৪৫-৫০ মিনিট পানি দিন।
• পরিপক্ব হওয়ার সময়: সপ্তাহে ৩-৪ বার সেচ দিন।
• এমিটার ব্যবধান: ৩০-৪০ সেমি, প্রতি এমিটার ২-৪ লিটার/ঘণ্টা ক্ষমতার হলে ভালো হয়।

সার ব্যবস্থাপনা (ফার্টিগেশন)
ড্রিপ লাইনের মাধ্যমে সঠিক সময়ে সার প্রয়োগ করলে গাছ দ্রুত পুষ্টি শোষণ করতে পারে।

✅ চারা অবস্থায় (১০-২০ দিন বয়সে)

• ইউরিয়া – ১০০ গ্রাম/শতক
• ডিএপি – ৫০ গ্রাম/শতক
• পটাশ – ৫০ গ্রাম/শতক

✅ ফুল আসার সময়

• ইউরিয়া – ১৫০-২০০ গ্রাম/শতক
• ডিএপি – ৭৫-১০০ গ্রাম/শতক
• পটাশ – ১০০-১৫০ গ্রাম/শতক
• বোরন – ১০-১৫ গ্রাম/শতক

✅ ফল ধরার সময়

• ইউরিয়া – ২০০-২৫০ গ্রাম/শতক
• পটাশ – ১৫০-২০০ গ্রাম/শতক
• সালফার – ৩০-৪০ গ্রাম/শতক
• ক্যালসিয়াম নাইট্রেট – ২০-৩০ গ্রাম/শতক
(সপ্তাহে ২-৩ বার পানি ও সার মিশিয়ে ড্রিপ লাইনের মাধ্যমে প্রয়োগ করুন)

ড্রিপ ইরিগেশন + উন্নত চাষ পদ্ধতি অনুসরণ করে টমেটো চাষ করলে ৩০-৫০% বেশি ফলন, ৩০-৪০% খরচ কমানো এবং উচ্চ দামে বিক্রির সুযোগ থাকে। ফলে গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষ ড্রিপ ইরিগেশন ব্যবহারে অত্যন্ত লাভজনক হতে পারে।

10 months ago | [YT] | 0

Krishi Edition

ড্রিপ ইরিগেশন ব্যবহারের মাধ্যমে গ্রীষ্মকালীন মরিচ চাষে সঠিক সেচ ব্যবস্থাপনা ও তরল সার প্রয়োগের কারণে আপনি হয়ে উঠতে পারেন একজন সফল মরিচ চাষী!!

ড্রিপ সিস্টেম ব্যবহারে ফলে উৎপাদন ২০-৩৫% বৃদ্ধি করতে পারবেন। ফোঁটা ফোঁটা সেচ দেয়ার ফলে মরিচে রোগ বালাই বা ছত্রাক ব্যকটেরিয়ার আক্রমণ কম হয়। ঢলে পড়া বা নেমোটেড প্রতিরোধ করা যায়।

ড্রিপ সেচের মাধ্যমে নির্দিষ্ট পরিমাণ পানি ও তরল সার নির্দিষ্ট স্থানে সরবরাহ করে, যা উদ্ভিদের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করে।
নিয়মিত ও সুষম পানির সরবরাহের কারণে মরিচ গাছ সুস্থভাবে বেড়ে ওঠে এবং ফলনের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। কম শ্রম ব্যয়ে পানি ও সার প্রয়োগ করা যায়, ফলে উৎপাদন খরচ কমে।

গ্রীষ্মকালে মরিচ গাছের জন্য পর্যাপ্ত পানি নিশ্চিত করা জরুরি। ড্রিপ ইরিগেশনের মাধ্যমে ধাপে ধাপে পানি সরবরাহ করতে হবে।

১. ড্রিপ ইরিগেশন এর মাধ্যমে গ্রীষ্মকালীন মরিচ চাষের জন্য পানি বা সেচ প্রয়োগের নিয়ম:

- চারা রোপণের পর প্রথম ১০-১৫ দিন প্রতিদিন সকালে ৩-৪ লিটার পানি প্রতিগাছে বা ৪০-৫০ মিনিট ড্রিপ সেচ দিতে হবে।
- গাছের বৃদ্ধি ও ডালপালা বৃদ্ধিকালীন সময় ১৬-৪০ দিন প্রতিদিন ৫-৭ লিটার পানি প্রতিগাছে বা ৫০-৬০ মিনিট সকালে ও বিকেলে ড্রিপ সেচ দিতে হবে।
- ফুল আসার সময় ৪১-৬০ দিন প্রতিদিন ৭-১০ লিটার পানি প্রতিগাছে বা ৭০-৮০ মিনিট প্রতিদিন সকালে ও বিকেলে ড্রিপ সেচ দিতে হবে৷
- ফসল পরিপক্ব হওয়ার সময় ৮১ দিন হতে ৫-৬ লিটার পানি বা ৫০-৬০ মিনিট প্রতি ২ দিন পরপর ১ বার সকালে সেচ দিতে হবে।

• ~ নির্দেশনা থাকবে - মাটির আর্দ্রতা মাপার জন্য ময়েশ্চার সেন্সর বা হাত দিয়ে মাটি পরীক্ষা করে পানি প্রয়োগ করতে হবে। অতিরিক্ত পানি দিলে শিকড় পচে যেতে পারে, তাই ব্যালেন্স বজায় রাখতে হবে।

২. ড্রিপ ইরিগেশন এর মাধ্যমে গ্রীষ্মকালীন মরিচ চাষের জন্য তরল সার প্রয়োগের নিয়ম:

ড্রিপ ইরিগেশনে ফার্টিলাইজার ইনজেক্টর বা ফার্টিগেশন ট্যাংক ব্যবহার করে সার প্রয়োগ করা হয়।

• ফার্টিগেশন প্রয়োগের ধাপ: (প্রতি বিঘা)

- ১০-১৫ দিন পর ইউরিয়া ৫ কেজি + পটাশ ৩ কেজি + DAP ৩ কেজি সপ্তাহে ২ বার
- ৩০ দিন পর ইউরিয়া ৭ কেজি + পটাশ ৫ কেজি + DAP ৫ কেজি সপ্তাহে ২ বার
- ৫০ দিন পর ইউরিয়া ৮ কেজি + পটাশ ৬ কেজি সপ্তাহে ১-২ বার
- ফুল আসার সময় ক্যালসিয়াম নাইট্রেট ৫ কেজি + ম্যাগনেসিয়াম সালফেট ২ কেজি প্রতি সপ্তাহে
- ফল ধরার সময় ১০:২৬:২৬ (NPK) ৫ কেজি + বোরন ১ কেজি প্রতি সপ্তাহে

• সার প্রয়োগের নিয়ম

প্রথমে ১০-১৫ মিনিট শুধু পানি দিন। এরপর তরল সার ইনজেক্টরের এর মাধ্যমে লাইনে প্রবাহিত করুন। শেষে আবার ১০-১৫ মিনিট শুধু পানি দিয়ে সিস্টেম ফ্লাশ করে দিন, যাতে পাইপে সার জমে না থাকে। সপ্তাহে অন্তত ২-৩ দিন ফার্টিগেশন করলে গাছ ভালোভাবে পুষ্টি গ্রহণ করতে পারবে।

ড্রিপ ইরিগেশনের মাধ্যমে সঠিক সময়ে ও নিয়ন্ত্রিত মাত্রায় সার ও পানি প্রয়োগ করলে গাছের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে, ফলনের গুণগত মান উন্নত হয় এবং উৎপাদন খরচ কমে।

যদি হতে চান মরিচ চাষে লাভবান, ড্রিপ ইরিগেশন হবে সেরা সমাধান।

10 months ago | [YT] | 0

Krishi Edition

পেঁপে চাষে ড্রিপ ইরিগেশন: আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়ায় লাভজনক চাষাবাদ

আমাদের দেশে ব্যাপক জনপ্রিয় ফসল হলো পেঁপে। তবে পেঁপে গাছ সুস্থভাবে বেড়ে ওঠার জন্য নিয়মিত পানি ও সঠিক পরিমাণ পুষ্টি সরবরাহ করা জরুরি।

প্রচলিত সেচ পদ্ধতিতে বেশি পরিমাণে পানি ব্যবহারের কারণে অনেক সময় মাটির গুণাগুণ নষ্ট হয়ে যায় এবং উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যায়। ড্রিপ ইরিগেশন এমন একটি আধুনিক সেচ পদ্ধতি, যা কৃষকদের জন্য খরচ বাঁচিয়ে অধিক লাভবান হওয়ার সুযোগ তৈরি করে।

পেঁপে চাষে ড্রিপ ইরিগেশন কেন গুরুত্বপূর্ণ?
-------------------------------------------------------

• ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি: সঠিক মাত্রায় পানি ও সার পাওয়ায় পেঁপের ফলন ৩০-৫০% পর্যন্ত বাড়তে পারে।
গাছ দ্রুত বড় হয় এবং ফলের আকার ও গুণগত মান ভালো হয়।

• সারের কার্যকর ব্যবহার: ফার্টিগেশন প্রযুক্তির মাধ্যমে (পানির সঙ্গে সার মিশিয়ে প্রয়োগ) সঠিক পরিমাণ সার গাছ পায়। এতে সারের অপচয় কম হয় এবং গাছ দ্রুত পুষ্টি গ্রহণ করতে পারে।

• রোগবালাই কমে: প্রচলিত সেচে গাছের গোড়া ভিজে থাকলে ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ হয়। ড্রিপ সেচে শুধু শিকড়ের কাছে পানি দেওয়ার ফলে রোগের প্রকোপ কমে। গাছের স্ট্রেস কমিয়ে দেয়।

• আগাছা কম জন্মে: শুধুমাত্র গাছের গোড়ায় পানি দেওয়ায় আশপাশের আগাছার বৃদ্ধি কম হয়। এতে আগাছা দমনের খরচ কমে যায়।

• ড্রিপ ইরিগেশন ব্যবহারে কৃষকের লাভ: উৎপাদন ৩০-৫০% পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। কম খরচে অধিক ফলন হওয়ায় লাভজনক কৃষিকাজ নিশ্চিত হয়।
একবার সেটআপ করলে দীর্ঘ সময় ব্যবহার করা যায়, যা ভবিষ্যতে ব্যয় কমায়।

১ বিঘা পেঁপে চাষের জন্যে ড্রিপ ইরিগেশনের কি কি মালামাল দরকার হবে?
-------------------------------------------------------

মালামালের তালিকাঃ (১ বিঘার জন্য)
১। মেইন লাইন ১" আরএফএল এইডিপিই কয়েল পাইপ ১৫০ ফুট, একটি ভালব ও কিছু ফিটিংস।
২। স্ক্রিন ফিল্টার ১" সাইজের ১ টি
৩। ভেঞ্চুরি স্টার্ট কানেক্টর ১ টি
৪। ড্রিপ টেপ কানেক্টর ৩০ পিস
৫। ড্রিপ টেপ ১ রোল ২,০০০ মিটার / ৬,৫০০ ফুট।

আপনি যদি উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে অধিক লাভবান হতে চান, তাহলে ড্রিপ ইরিগেশন সিস্টেমই হতে পারে আপনার সেরা সমাধান!

#papaya #papayafarming #drip #dripirrigation #fertigation #modernagriculture #bangladesh #cropmaxtechnology

11 months ago | [YT] | 1

Krishi Edition

লাভজনক সবজি ফসলের টেককেয়ার করতে ব্যবহার করুন ড্রিপ ইরিগেশন সিস্টেম।

• শসা, টমেটো, তরমুজ, বেগুন, মরিচ, করলা, পেপেসহ যে কোন সারি ফল ও সবজি তে সহজেই এর ব্যবহার করা যায়।

• নিয়ন্ত্রিত ভাবে সকল গাছে সমপরিমাণ পানি ও তরল সার গাছে দিতে পারবেন।

• সেচ দিতে কোন শ্রমিকের দরকার হবে না এবং ঘাস কম হবে জমিতে। নিড়ানি খরচ কমে যাবে।

• গাছ বেঁচে থাকার হার ৯৯% এবং তুলনামূলক ছত্রাকের আক্রমণ কম হবে। ঢলে পড়া রোগ প্রতিরোধ করা যাবে। নেমাটেড প্রতিরোধ করা যাবে।

• তরল সার ব্যবহারে খুব সহজে ককাটেল, ট্রাইকোডার্মা, এনপিকে, সলুবল সার ও কীটনাশক, সরিষা খৈলের পানি ড্রিপ পাইপের মাধ্যমে সমানভাবে সকল গাছে শিকড়ে সরবরাহ করতে পারবেন।

• সঠিকভাবে ব্যবহার করলে ৩৫-৫৫% ফলন বৃদ্ধি করতে পারবেন। গাছ ও ফসল হবে তাজা।

• গাছের স্ট্রেস কমিয়ে ফেলে আগাম ফলন নিশ্চিত করবে।

টেকনোলজি ব্যবহার করুন। আগামীর কৃষিতে টেকনোলজি ব্যবহার ব্যতীত আপনি টিকে থাকতে পারবেন না। ড্রিপ ইরিগেশন আপনার ফসলের সঠিক সেচ ব্যবস্থাপনার একটি অভিনব প্রযুক্তি।

পরামর্শ পেতে -
+88 01909-742072
তরিক শাহাদত।

#dripirrigation #tomato #cucumber #brinjal #chilli #watermelon #strawberry #farming #cultivation #Bangladesh #agriculture #dripirrigationsystem #cropmaxtechnonogy

11 months ago | [YT] | 0

Krishi Edition

টমেটো, শসা, মরিচ, বেগুন, তরমুজ, সাম্মাম, ক্যাপসিকাম, স্ট্রবেরি ইত্যাদি চাষে লাভবান হতে হলে আপনাকে অবশ্যই প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হবে।

মাটি আর বীজের পরে আপনার লাগবে পানি। পানি ছাড়া আপনি কোন জীবনই কল্পনা করতে পারবেন না। এই পানি ঠিকভাবে ফসলে দিতে পারলে আপনার চাষের ঝুঁকি ও খরচ কমবে।

সঠিকভাবে পানি সকল গাছে ইনশিওর করার কি প্রযুক্তি ব্যবহার করে উন্নত বিশ্বের কৃষিতে? ইউটিউব বা গুগুলে সার্চ করলে যে প্রযুক্তি সর্বাধিক সাজেস্ট করে তা হলো ড্রিপ ইরিগেশন সিস্টেম।

ড্রিপ ইরিগেশন সিস্টেম আসলে কি? ড্রিপ সেচ এমন একটা প্রযুক্তি যেটা আপনার সকল গাছে সমান পরিমাণ পানি ও তরল সারের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করে। এটা মুলত পাইপের একটি পানির নেটওয়ার্ক। যেখানে পাম্প চালু করলে সকল গাছে পানি সরবরাহ হয়।

ড্রিপ সেচ ব্যবহার করলে কি কি সুবিধা পাবেন?
পানির অপচয় রোধ করবে, চারা গাছকে বাচিয়ে রাখবে শতভাগ, সেচ দেয়ার জন্য কোন শ্রমিকের ঝামেলা নেই, গাছের গোড়া ব্যতীত অন্য কোথাও পানি না যাওয়ায় ড্রেনে ঘাস কম হয় তাই নিড়ানি খরচ কমে যায়, সঠিক পরিমান পানি দেয়া যায়,

বিদ্যুৎ বা জ্বালানি খরচ কম হয়, মাটিতে তরল সার প্রয়োগ করা যায়, নেমোটেড এর আক্রমণ হয় না, ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাকের আক্রমণ কম হয়, ঢলে পড়া রোগ নিয়ন্ত্রণ করা যায়, আপনার সময় বাচিয়ে দেয় এবং সবশেষে বলতে চাই সঠিক পানি সারের সুষম বণ্টনে ফলন বাড়বে ৩৫-৫৫%।

ড্রিপ ইরিগেশন সিস্টেম সেটাপ করতে কি কি মালামাল লাগে? জমির কাছে পানির সোর্স লাগবে হতে পারে পাম্প বা ট্যাংক, মেইনলাইন পাইপ ও কিছু ফিটিংস, তরল সার দেয়ার একটি নজেল, ফিল্টার এবং ড্রিপ টেপ। এটি নিজেই সেটাপ করা যায় বা প্রয়োজনে এক্সপার্ট হায়ার করা যায়।

ড্রিপ ইরিগেশন সিস্টেম সংক্রান্ত কোনকিছু জানতে চাইলে কমেন্ট করুন। সিস্টেম নিতে টাকা লাগে জানতে কোন টাকা লাগে না।

11 months ago | [YT] | 1