This channel is specially for video game lovers.You'll find game-play of various popular games, discussions, story explanations & other game related videos.
I'm starting my you tube journey with call of duty modern warfare. But soon i will upload videos on different games. Hope you to be benefited by my game-play.
এই চ্যানেলটি বিশেষত ভিডিও গেম প্রেমীদের জন্য. আপনি বিভিন্ন জনপ্রিয় গেমস, আলোচনা, গল্পের ব্যাখ্যা এবং অন্যান্য গেম সম্পর্কিত ভিডিওগুলি খুঁজে পাবেন
আমি Call Of Duty Modern Warfare দিয়ে আমারি ইউটিউব যাত্রা শুরু করছি। তবে শীঘ্রই আমি বিভিন্ন গেমের ভিডিও আপলোড করব। আশা করি আপনি আমার গেম-প্লে দ্বারা উপকৃত হবেন।
Dr Gamelogist
একটা মানুষকে হারানোর ভয় আর একটা মানুষকে হারানোর পর তাকে কী দিয়ে replace করব—এই দুই ভয় যে এক জিনিস না, সেটা আমি জীবনে একবার খুব কাছ থেকে বুঝেছিলাম।
পরিবারের বাইরে একজন মানুষকে প্রয়োজনের চেয়েও বেশি ভালোবেসেছিলাম। জীবনের অনেকটা জুড়ে সে ছিল। যখন বুঝলাম, একদিন সে আমার জীবন থেকে অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যাবে, তখন তাকে হারানোর যতটা ভয় পেয়েছিলাম, তার চেয়েও বেশি ভয় পেয়েছিলাম—তাকে replace করব কী দিয়ে?
এই পৃথিবীতে প্রায় ৫ বিলিয়ন মানুষ। জীবন থেমে থাকে না। আল্লাহ চাইলে মানুষকে নতুন মানুষ দিয়ে, নতুন গল্প দিয়ে, নতুন ব্যস্ততা দিয়ে জীবন আবার চলতে শিখিয়ে দেয়।
কিন্তু Messi?
Messi-কে কী দিয়ে replace করব?
আমার football দেখা শুরুই তাকে দিয়ে। ২০১০ থেকে ২০২৬—এই ১৬টা বছরে আমাদের সবার জীবনেই কত কিছু বদলে গেছে। কত সম্পর্ক এসেছে, কত সম্পর্ক হারিয়ে গেছে। কত স্বপ্ন ভেঙেছে, কত স্বপ্ন আবার গড়ে উঠেছে। কত মানুষ জীবনে এসেছে, আবার হারিয়েও গেছে।
কিন্তু একটা জিনিস প্রায় একই জায়গায় ছিল—
মাঠের মধ্যে Messi।
কত রাত জেগেছি শুধু একটা ম্যাচ দেখব বলে। কখনো কখনো আব্বু Barcelona-র খেলা দেখে সকালে আমাকে আপডেট দিতেন—“Messi কয়টা গোল করছে জানিস?”
আজ বুঝি, ওগুলো শুধু football-এর স্মৃতি ছিল না।
ওগুলো ছিল আমার জীবনের একটা সময়।
জীবনে পরিবারকে বাদ দিলে যাদের ভালোবেসেছি, তাদের কেউ আমাকে ছেড়ে গেছে, কাউকে আমি হারিয়েছি, কারও সঙ্গে পথ আলাদা হয়ে গেছে। ভালোবাসার সঙ্গে কোনো না কোনোভাবে কষ্ট জড়িয়ে গেছে।
কিন্তু এই পৃথিবীতে একটা Messi-কে ভালোবেসেছিলাম—
যে আমাকে কোনোদিন কষ্ট দেয়নি।
তার football আমাকে বারবার আনন্দ দিয়েছে। তার magic আমাকে অসংখ্য রাত জাগিয়েছে। তার একটা goal, একটা assist, একটা dribble, একটা celebration—কখনো কখনো পুরো একটা দিন ভালো করে দিয়েছে।
Argentina দল হিসেবে আমাদের কতবার হতাশ করেছে। কত রাত কেঁদেছি, কতবার মনে হয়েছে এবারও হলো না। কিন্তু Messi?
Messi কখনো আমাদের সঙ্গে প্রতারণা করেনি।
হারলেও সে লড়েছে। পড়ে গেলেও উঠেছে। ব্যর্থতার পর আবার ফিরে এসেছে। আর শেষ পর্যন্ত সেই Rosario-র ছোট্ট পাড়ার ছেলেটাই আমাদের এত বড় একটা স্বপ্ন দেখিয়েছে—যে স্বপ্নের শেষটা আমরা একসঙ্গে দেখেছি।
আর শুধু footballer হিসেবে না, মানুষ হিসেবেও Messi-কে ভালোবেসেছি।
বড় কোনো controversy নয়, অযথা spotlight নয়। নিজের football খেলেছে, নিজের পরিবারকে পাশে রেখেছে, নিজের মতো থেকেছে। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় football star হয়েও somehow আমাদের কাছে সবসময় অদ্ভুতভাবে আপন একজন মানুষ হয়ে থেকেছে।
একবার Jorge Messi নাকি Celia-কে বলেছিলেন—Mateo যখন আর football খেলবে না, তখন তিনি কী করবেন জানেন না।
আজ মনে হচ্ছে, Horhemara গেল, Messi-ও অবশেষে নিজের chapterটা বন্ধ করে দিল।
গতকাল কাজের shift-এর মাঝখানে হঠাৎ Fabrizio-র post চোখে পড়ল। তখনই বুঝলাম—
Messi সত্যিই অবসর নিচ্ছে।
Shift শেষ করে বাইরে বের হওয়ার পর একটা অদ্ভুত চিন্তা মাথায় ঘুরছিল—
“এই Messi-টাকে আমি replace করব কী দিয়ে?”
আমরা Messi-কে কী দিয়ে replace করব?
Argentina-র ম্যাচ হবে। একদিন ১০ নম্বর jersey-তে অন্য কারও নাম দেখব। Argentina মাঠে নামবে, stadium-এ গান হবে, মানুষ চিৎকার করবে, ম্যাচ চলবে...
কিন্তু ১০ নম্বর jersey-টার দিকে তাকালেই ভেতরটা কেমন যেন চিনচিন করে উঠবে।
কারণ আমরা তো শুধু একজন footballer-কে দেখিনি।
আমরা আমাদের কৈশোর দেখেছি।
আমাদের রাত জাগা দেখেছি।
আমাদের বাবার সঙ্গে football নিয়ে কথা বলা দেখেছি।
আমাদের বন্ধুত্ব দেখেছি।
আমাদের কান্না দেখেছি।
আমাদের সবচেয়ে আনন্দের মুহূর্তগুলো দেখেছি।
আমরা আমাদের একটা সময়কে Messi-র মধ্যে রেখে দিয়েছি।
তুই আমাকে personally চিনিস না, Messi। আমরাও কোনোদিন তোর ধারে-কাছে যেতে পারিনি। তুই হয়তো কোনোদিন জানবিও না—Rosario-র সেই ছোট্ট পাড়ার ছেলেটাকে পৃথিবীর অন্য প্রান্তে বসে থাকা কত অচেনা মানুষ কতটা আপন করে নিয়েছিল।
তোর football, তোর personality, তোর ছোট ছোট human gestures—সবকিছু মিলিয়ে আমরা যারা Argentina আর Messi-র fan, তাদের জীবনে তুই শুধু একজন player হয়ে থাকিসনি।
তুই আমাদের একটা পরিবারের অংশ হয়ে গেছিস।
কী অদ্ভুত এক মায়া তৈরি করে গেলি রে ভাই!
আজ এত বছর পর বুঝতে পারছি—কিছু ভালোবাসার কোনো replacement হয় না। কিছু মানুষকে জীবন থেকে সরিয়ে দিলে অন্য কাউকে দিয়ে জায়গাটা পূরণ করা যায়। কিন্তু কিছু মানুষ জীবনের একটা নির্দিষ্ট সময়, একটা প্রজন্ম, একটা অনুভূতির সঙ্গে এমনভাবে মিশে যায় যে তাদের জায়গাটা খালি থাকেই।
Messi, তুই ঠিক তেমন একজন।
জানি, এই দিনটা একদিন আসবেই।
আমরা কম-বেশি mentally prepared-ও ছিলাম।
তবু মানুষ তো emotion-এর বাইরে না।
২০১০ থেকে যে মানুষটাকে Argentina-র ১০ নম্বর jersey-তে দেখে অভ্যস্ত হয়ে গেছি, এখন থেকে Argentina-র কোনো ম্যাচে সেই jersey-তে অন্য কারও নাম দেখব—এই ব্যাপারটা মেনে নিতে সময় লাগবেই।
ভালো থাকিস ভাই।
Family নিয়ে ভালো থাকিস। নিজের মানুষগুলোর সঙ্গে সময় কাটাস। জীবনের বাকি সময়টা উপভোগ করিস।
আর আল্লাহ যেন তোকে সব ধরনের negative ঝামেলা—সেটা political হোক বা social—সবকিছু থেকে দূরে রাখেন। তোকে শান্তিতে রাখেন, সুস্থ রাখেন, আর সঠিক পথে রাখেন।
ধর্ম আলাদা।
জাতি আলাদা।
আমি বাংলায় কথা বলি, তুই Argentine Spanish-এ।
কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমরা একই সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টি।
আল্লাহ তোকে ভালো রাখুন, Leo।
দোয়া রইল। ❤️
তুই হয়তো জানিস না, কিন্তু তোর football আমাদের জীবনের কতটা সুন্দর একটা অংশ হয়ে আছে।
আজ একটা chapter শেষ হলো।
কিন্তু কিছু গল্প শেষ হয় না।
LM10 fan forever. ❤️🇦🇷
Thank you, Leo.
Thank you for being our inspiration.
Thank you for giving us memories that we will carry for the rest of our lives.
আর হ্যাঁ—
Messi-কে replace করা যাবে না।
কারণ Messi কোনো জায়গা দখল করে ছিল না—
Messi একটা পুরো যুগ হয়ে ছিল। ❤️
1 month ago | [YT] | 12
View 6 replies
Dr Gamelogist
"The ones we love… sometimes, they don't always stay. But we keep going."
সব মহান গল্পের শুরু করতালিতে হয় না।
১৯৬২ সালে Stan Lee যখন একজন নতুন সুপারহিরোর গল্প নিয়ে প্রকাশকের কাছে গেলেন, তখন অনেকেই নাকি বলেছিলেন—এটা চলবে না। সুপারহিরো আবার কিশোর হয় নাকি? সে আবার টাকার চিন্তা করবে? পরীক্ষায় ফেল করবে? প্রেমে ব্যর্থ হবে? ভাড়া দিতে হিমশিম খাবে? মানুষের কাছে অপমানিত হবে? সুপারহিরোদের তো নিখুঁত হওয়ার কথা।
কিন্তু Stan Lee অন্য কিছু দেখেছিলেন।
তিনি বুঝেছিলেন, মানুষ নিখুঁত নায়ককে শ্রদ্ধা করতে পারে; কিন্তু ভালোবাসে সেই মানুষটাকে, যার চোখের জল নিজের চোখের জলের মতো লাগে।
শেষ পর্যন্ত Spider-Man-কে যেন এক শেষ সুযোগ দেওয়া হলো। Amazing Fantasy #15-এর পর যদি মানুষ গ্রহণ না করত, তাহলে হয়তো Peter Parker-এর গল্প সেখানেই শেষ হয়ে যেত।
ইতিহাসের মজার ব্যাপার হলো—যে চরিত্রটাকে শুরুতে অনেকেই বিশ্বাস করেনি, সেই চরিত্রই একদিন পৃথিবীর সবচেয়ে প্রিয় সুপারহিরোদের একজন হয়ে উঠল।
হয়তো কারণ মানুষ Spider-Man-কে ভালোবাসেনি।
মানুষ ভালোবেসেছে Peter Parker-কে।
কারণ Batman বিলিয়নিয়ার।
Superman প্রায় অজেয়।
কিন্তু Peter Parker?
সে আমাদের মতোই। মাস শেষে ভাড়া দেয়। ভুল করে। প্রিয় মানুষকে হারায়। কাঁদে। আবার পরের দিন উঠে দাঁড়ায়।
হয়তো এ কারণেই পৃথিবীর কোটি কোটি মানুষের মতো আমিও Peter Parker-এর গল্পে নিজের জীবনের কিছু পৃষ্ঠা খুঁজে পাই।
২০১১ সাল।
একটা বছর।
কিন্তু আমার পরিবারের জন্য সেটা শুধু একটা বছর ছিল না। ওটা ছিল দুই জীবনের মাঝখানের সীমানা। তার আগে আমরা ছিলাম একরকম।
তার পরে আরেকরকম।
আব্বুর জীবনের একটা বড় আর্থিক বিপর্যয় আমাদের এমন একটা বাস্তবতায় নামিয়ে আনল, যেটার জন্য আমরা কেউই প্রস্তুত ছিলাম না। বুঝে ওঠার আগেই উচ্চবিত্ত জীবনের দরজা বন্ধ হয়ে গেল। শুরু হলো এমন এক সংগ্রাম, যেখানে স্বপ্নের আগে হিসাব করতে হতো প্রয়োজনের।
সেদিনই হয়তো প্রথম বুঝেছিলাম—
জীবন সিনেমা নয়।
এখানে কেউ ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক বাজায় না।
স্কুলজীবন আমাকে আরেকটা শিক্ষা দিয়েছিল।
সবাই বন্ধু হয় না।
অনেকে পাশাপাশি হাঁটে।
খুব কম মানুষ পাশে থাকে।
বাকিরা শুধু প্রয়োজন শেষ হওয়া পর্যন্ত গল্পের চরিত্র।
তারপর এলো ভালোবাসা।
ভাবতাম, ভালোবাসা মানেই একসাথে শেষ পর্যন্ত হাঁটা।
জীবন শিখিয়ে দিল—
সব Mary Jane শেষ পর্যন্ত Peter-এর পাশে থাকে না।
সব Gwen-কে বাঁচানো যায় না।
Peter Parker-এর জীবনে Mary Jane ছিল। Gwen Stacy-ও ছিল। কিন্তু Spider-Man-এর গল্প কখনো রূপকথা ছিল না।
বাস্তব জীবনও বোধহয় এমনই।
আমাদের জীবনে কিছু মানুষ আসে, যাদের আমরা শেষ অধ্যায় ভেবে বসি। অথচ তারা ছিল মাঝের কোনো অধ্যায়।
আমার জীবনেও এমন মানুষ এসেছে, যাদের জন্য একসময় পৃথিবীটা খুব ছোট মনে হতো। আজ তারা গল্পের চরিত্র মাত্র। কেউ হয়তো Mary Jane-এর মতো ধীরে ধীরে দূরে সরে গেছে। আবার কোনো অধ্যায় এমনও ছিল, যেটা রূপক অর্থে Johnny Depp-এর জীবনের Amber Heard অধ্যায়ের কথা মনে করিয়ে দেয়—যেখানে সম্পর্ক ভাঙে শুধু দু'জন মানুষের মধ্যে নয়; ভেঙে যায় বিশ্বাস, নিশ্চিন্ততা, আর ভবিষ্যৎ নিয়ে সরল ধারণাগুলোও।
তবুও আজ কাউকে দোষ দিয়ে বাঁচতে চাই না।
কারণ সময় আমাকে শিখিয়েছে—সব মানুষ আমাদের জীবনে থাকার জন্য আসে না। কেউ কেউ আসে আমাদের বদলে দেওয়ার জন্য।কিছু সম্পর্ক মানুষকে ভেঙে দেওয়ার জন্য আসে না।
মানুষকে বদলে দেওয়ার জন্য আসে।
আমার বিয়েও তেমনই একটা অধ্যায়।
সেই অধ্যায় শেষ হয়েছে।
কিন্তু বইটা না।
আজ আমি প্রবাসে।
হাজার হাজার কিলোমিটার দূরে।
দিনের শেষে জানি না এই দেশটাই আমার স্থায়ী ঠিকানা হবে কি না।
জানি না আব্বু-আম্মুকে আর কতদিন পাশে পাব।
জানি না ছোট ভাইটার জন্য কতটা করতে পারব।
জানি না আমার নিজের ভবিষ্যৎ কী।
তবে একটা জিনিস জানি।
পেছনে ফেরার সুযোগ খুব কম।
সামনে হাঁটার দায়িত্বটা এখনও আমার।
এই কারণেই হয়তো Tobey Maguire-এর Spider-Man আমাকে এত নাড়া দেয়।
লোকটা পৃথিবী বাঁচায়। তবুও নিজে বাঁচতে পারে না।
দায়িত্ব বাড়তেই থাকে। কেউ দেখে না।
হাসিমুখের আড়ালে কত রাত ভেঙে পড়েছে Peter—কেউ জানে না।
তবুও পরদিন আবার কাজে বেরিয়ে পড়ে।
আর No Way Home...
সিনেমার শেষে পুরো পৃথিবী Peter Parker-কে ভুলে যায়।
কেউ তাকে চিনে না।
কেউ তার ত্যাগ মনে রাখে না।
সে চাইলে নিজের পরিচয় ফিরিয়ে আনতে পারত।
কিন্তু সে অন্যদের শান্তিকে নিজের একাকীত্বের চেয়ে বড় মনে করেছিল।
ওই দৃশ্যটা আমাকে শুধু কাঁদায় না।
ভাবায়।
জীবনে এমনও কিছু ত্যাগ আছে, যার সাক্ষী শুধু আল্লাহ।
মানুষ নয়।
হয়তো এ কারণেই আজও আমি স্বপ্ন দেখতে ভয় পাই না।
শুধু নিজের ভবিষ্যতের জন্য নয়—
একটা ভালো বাংলাদেশের জন্যও।
রাজনীতিতে আমার Short পথচলা কোনো পদ, পরিচয় কিংবা ক্ষমতার গল্প নয়।
এটা দায়িত্বের গল্প।
যে দেশ একদিন আমাকে স্বপ্ন দেখতে শিখিয়েছে, সেই দেশটার পরের প্রজন্ম যেন আর ২০১১ সালের মতো কোনো আর্থিক ধাক্কায় শৈশব হারিয়ে না ফেলে—এই বিশ্বাস থেকেই পথচলা।
জানি, সমালোচনা হবে।
দূর থেকে বিচারও হবে।
Peter Parker-ও তো কখনো সবার করতালি পায়নি। তবুও সে নিজের বিশ্বাসের পথ ছাড়েনি। আমি বিশ্বাস করি, সমালোচনা এড়িয়ে নয়—সততা ধরে রেখেই পরিবর্তন আসে।
তাই মানুষ কী বলবে, তার চেয়ে বড় প্রশ্ন হলো—
আমি কী রেখে যেতে চাই?
Impact or Identity?
Spider-Man আমাকে উড়তে শেখায়নি।
সে আমাকে পড়ে গিয়েও হাঁটতে শিখিয়েছে।
সে আমাকে জিততে শেখায়নি।
সে আমাকে হার মেনে না নিতে শিখিয়েছে।
সে আমাকে একটা কথাই শিখিয়েছে—
জীবনের সবচেয়ে বড় সাহস কখনো কখনো পৃথিবী বদলানো নয়।
পরের সকালেও বিছানা থেকে উঠে নিজের দায়িত্ব পালন করতে বেরিয়ে পড়া।
আজ আমি Spider-Man-কে তার web shooter-এর জন্য ভালোবাসি না।
তার suit-এর জন্যও না। তার superpower-এর জন্যও না।
আমি ভালোবাসি কারণ Peter Parker আমাকে মনে করিয়ে দেয়—
সাধারণ মানুষও অসাধারণ হতে পারে।
শুধু হাল না ছাড়ার মাধ্যমে।
"With great power comes great responsibility."
অনেকে মনে করে এটা সুপারহিরোদের সংলাপ।
আমি মনে করি এটা প্রতিটি বাবা, প্রতিটি মা, প্রতিটি বড় ভাই, প্রতিটি প্রবাসী, প্রতিটি স্বপ্নবাজ মানুষের জন্য লেখা।
হয়তো আমি Spider-Man নই। হয়তো আমার কোনো superpower নেই।
হয়তো আমার গল্পও সিনেমা হবে না।
কিন্তু যতদিন আমি পরিবারের জন্য, স্বপ্নের জন্য, বিশ্বাসের জন্য, আর একটা ভালো বাংলাদেশের জন্য লড়াই করে যাব...
ততদিন আমি পরাজিত নই। কারণ Peter Parker আমাকে একটা কথাই শিখিয়েছে—
ভেঙে পড়া লজ্জার নয়।
হাল ছেড়ে দেওয়াটাই লজ্জার।
আর তাই...
পেছনে ফেরার সুযোগ হয়তো আর নেই।
কিন্তু সামনে এগোনোর সুযোগ এখনও আছে।
আর যতদিন মানুষ হাল ছাড়ে না, ততদিন তার গল্প শেষ হয় না।
পপ কালচারের কিছু কাল্পনিক চরিত্র আমার জীবনে অদ্ভুত এক প্রভাব ফেলেছে।
Arthur Morgan আমাকে শিখিয়েছে—একজন মানুষ তার অতীত দিয়ে নয়, শেষ পর্যন্ত কী হয়ে উঠল, সেটাই তার আসল পরিচয়।
Optimus Prime শিখিয়েছে—নেতৃত্ব মানে ক্ষমতা নয়, ত্যাগ।
আর Peter Parker শিখিয়েছে—জীবন যতবারই ভেঙে দিক, পরের সকালেও উঠে দাঁড়ানোই মানুষের সবচেয়ে বড় superpower।
মাঝে মাঝে ভাবি...
কে জানত, কাগজের পাতায়, কমিক্সে, সিনেমায় কিংবা ভিডিও গেমে জন্ম নেওয়া কিছু কাল্পনিক চরিত্র পৃথিবীর অসংখ্য "বাধন"-এর জীবনে এতটা বাস্তব হয়ে উঠবে?
হয়তো এটাই শিল্পের সবচেয়ে বড় জাদু।
যে গল্প কখনো ঘটেনি, সেটাই অনেক মানুষের জীবন পার করার সাহস হয়ে ওঠে।
So...
Thank you, Rockstar Games, for giving us Arthur Morgan.
Thank you, Peter Cullen, for giving Optimus Prime a voice that felt like hope itself.
And most importantly... thank you, Stan Lee, for writing Peter Parker.
You didn't just create a superhero.
You created a companion for millions of ordinary people fighting extraordinary battles.
You made this harsh reality... just a little more bearable.
2 months ago | [YT] | 16
View 8 replies
Dr Gamelogist
New video has been published
King of fighters Ash saga story:- https://youtu.be/YYtTxuzKyJs?si=VRP-e...
2 years ago | [YT] | 44
View 18 replies
Dr Gamelogist
Assalamualaikum
Can anyone tell me which speaker will be best for using with laptop among these 2!?
Logitech Z120 (Left)
Mircolab B26 (Right)
2 years ago | [YT] | 24
View 17 replies
Dr Gamelogist
"খালি বনে বিড়ালও বাঘ"
------ কথাটা কমবেশি অনেকেই শুনেছি।
বাট এ কথার পারফেক্ট বাস্তব উদাহরণ পাওয়া যায় আমাদের বাংলাদেশের কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের দেখলে।
আমি কনটেন্ট মেকিং এর মাঠে নেমেছি ২০২১ এ আজ ২০২৩। খালি চোখে আহামরি তেমন কিছু গেইন হয়নি তবে যা হয়েছে তাও কম না। এজ এ স্টোরি এক্সপ্লেইনার ও গেম রিভিউয়ার হিসেবে আমার ভিডিও গেমের জনরা নিয়েই আমি আছি এবং এটা নিয়েই কনটেন্ট মেকিং এর বাকি যাত্রাটা এগুবো বলে ধরে রেখেছি। সময়ের সাথে সাথে গেম ও কনসোল রিলেটেড ১০০টা টপিক এর ওপর ভিডিও বানাবো বলে লিস্ট করে রেখেছি। ভবিষ্যতে পর্যাপ্ত পরিবেশ ও ইকুইপমেন্ট থাকলে আউটস্ট্যান্ডিং অনেক ভিডিও আসবে আমার তরফ থেকে। বাট একটা জিনিস লক্ষ করলাম এ যাত্রায় যে এখানে আম পাবলিক সামান্য কিছুকে অতিরিক্ত এ্যাটেনশন ও প্রশংসা দিয়ে দরকারের তূলনায় অনেক উপরে উঠিয়ে এদেরকে জনসাধারন থেকে জন-অসাধারণ বানিয়ে ফেলে। আসলে তেমন কিছু হবার মতো কিছু করিও নাই আমি। বাট একদল মানুষ খুব বিশেষ কিছু ভাবে আমাকে!
কারন গেম নিয়ে স্টোরি এক্সপ্লেইন, রিভিউ এটাইপের ভিডিও মেকার বাংলাদেশে নাই বললেই চলে। যেহেতু এই রেসে আমি অলমোস্ট একাই তাই আমার ভিউয়ারদের একাংশ আমাকে খুব বিশেষ কিছু ভাবে। বাস্তবতা হচ্ছে আমি তেমন আহামরি কিছু এখনো হয়ে উঠিনি। এখনো নিজের এইম এর পেছনো ছুটে চলা এক রেন্ডম টিপিকাল বাংলাদেশী ছেলে আমি। তবে আমার নিজস্ব একটা নীতি আছে সেটা হলো,
"""নিজে যে কাজটা ভালো জানি ঐটা অলওয়েজ ঠিকঠাক পারফর্ম করার চেষ্টা করি + সাথে স্কিল যতোটা সম্ভব সময়ের সাথে ডেভেলপ করি। যখন যে ট্রেন্ড চলে তখন সে ট্রেন্ডের পেছনে দৌড়ানো ও তা নিয়ে ভিউব্যবসা করাটা আমার কাছে পরগাছা স্বভাব বলে মনে হয়। এমন টা করলে ১জন কনটেন্ট ক্রীয়েটর এর ভিউ যাই হোক নিজস্বতা বলে কিছুই থাকেনা। ক্ষেত্রবিশেষে ট্রেন্ডের পেছনে দৌড়াতে দৌড়াতে কুল সাজতে গিয়ে ক্লাউন হবার শখ নাই আমার""""
সেম এই নীতিটা শিখেছি রাফায়েত রাকিব, রাশেদুজ্জামান রাকিব, অন্তিক মাহমুদ দের থেকে। যাদের নাম বললাম এদের ও ফ্ল আছে বাট এদের সবকিছু ছাপিয়ে এদের নিজস্বতা আছে।
এছাড়াও নিয়ন এন্ড অন, ফুড ব্লগার রাফসান থেকে শুরু করে আরো ৫-১০ টা নাম বলা যাবে যারা তাদের নিজস্ব কনটেন্ট এর ক্যাটাগরি থেকে বের হয়নি বরং নিজেদের জনরাটাকে আরো এনরিচ করার চেষ্টা করছে প্রতিনিয়ত।
কিন্তুু দেশে আজকাল অন্য সব কনটেন্ট ক্রীয়েটরদের বেশিরভাগই দেখা যায় নিজের জনরার বাহিরে গিয়ে নিজেকে যেকোনো বিষয়ে বিশেষ বিজ্ঞ হিসেবে জাহির করতে। ফলে এরা যতোটা না বিজ্ঞ হিসেবে নিজেকে জাহির করে তার চেয়ে বরং নিজেদের হাস্যকর ও বিরক্তিকর বানিয়ে ফেলে।
কিছু কনটেন্ট ক্রীয়েটর যারা ফানি কনটেন্ট দিয়ে নিজেদের যাত্রা শুরু করে ইউটিউব বা ফেসবুক কমিউনিটিতে নিজেদের একটা আলাদা অবস্থানে প্রতিষ্ঠিত করেছে তাদেরকে আজকাল হরেক বিষয়ে আনাড়ি হয়েও বিজ্ঞ হবার ভং ধরতে দেখা যায়।
রিসেন্টলি খালিদ ফারহান, সাদমান সাদিক ও এনায়েত ভাই এর মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের পরিস্থিতি নিয়ে করা কিছু বেফাস মন্তব্যে যতোটা না হিস্ট্রি কম জানা নিয়ে তাদের দূর্বলতার প্রকাশ পেয়েছে বরং তার চেয়ে বেশি প্রকাশ পেয়েছে ট্রেন্ডে গা ভাসিয়ে ভিউ কামানোর জন্য যখন যা চলে তখন তা নিয়ে কোনোমতো ভিডিও বানানোর প্রবনতা।
এছাড়াও রিসেন্টলি লিলিপুট ফারহান, বদবচন এর শামীম থেকে শুরু করে আরো কটা ফেসবুক ইনফ্লুয়েন্সারদের দেখলাম যারা মূলত ফানি ও ট্রেন্ডী জিনিস নিয়ে কনটেন্ট বানালেও এরা আজকাল বিশেষ শ্রেনীর ক্রিকেটবোদ্ধা হিসেবে নিজেদের জাহির করে বেড়ায়।
ইচ এন্ড এভরি ম্যাচের আগে ও পরে এদের বোগাস সব যুক্তি ও পকপক শুনলে মনে হবে এরাই সব বুঝে ওদিকে ন্যাশনাল টিমের কোচ ও টিম ম্যানেজমেন্ট থেকে শুরু করে সবাই অবুঝ শিশু। আসলে বাস্তবতা হলো এরা স্রেফ পাবলিকের কথায় সায় দিয়েই ওসব গেলায় যা মাস পাবলিক গিলতে চায়। প্রপার ক্রিকেটিং নলেজই নাই এদের। অথচ যেকেউ আজকাল একটু স্পষ্টভাসী ও কিছু ভালো ডিভাইস থাকলেই ক্রিকেট ম্যাচ নিয়ে এনালাইসিস ও রিভিউ দিয়ে বেড়ায়। মাঝ দিয়ে এরা বাংলাদেশ টিম টাকে নিয়ে একের পর এক নেগেটিভিটি ছড়িয়েই যাচ্ছে আর পাবলিকও ময়ানিপুলেট হয়ে সব দোষ ঐ হাথুরু ও সাকিবের ওপর দিচ্ছে। রীতিমতো সাংবাদিক ও ২ দিনের ক্রিকেট বিশেষজ্ঞ এর ভং ধরা কনটেন্ট মেকার গুলা যেন মিশনে নেমেছে যতোটা বাংলাদেশের ক্রিকেটের প্রেজেন্ট সিনারিও কে অস্থির করা যায় এদের ততোই লাভ। আসলে নিজস্বতা না থাকলো যা হয় আরকি।
একটু নামডাক হলেই সব টপিকে নাক গুলিয়ে সবজান্তা সাজতে বসে যায় আজকাল কার ট্রেন্ডী কনটেন্ট মেকার গুলা। নিজেদের জনরা যেটা ঐটায় পারফর্ম করেন অহেতুক সবজান্তা সেজে মানুষের কাছে বিরক্তির পাত্র না হবার অনুরোধ রইলো। সম্ভব হলে দেশের ক্রিকেটের নষ্ট কাঠামো ও দার্বল সিস্টেম নিয়ে আঙুল তুলেন। ঢাকার বাহিরে যে ঘরোয়া ক্রিকেটের কাঠামো একদমই ভেঙে পড়েছে তা নিয়ে আঙুল তোলেন। জানি এটা তোলার মুরোদ আপনাদের নাই। থাকার কথাও না কারন এটা আপনারা ভিউ আদায়ের মাধ্যম হিসেবে নিয়েছেন। অবশ্য কিই বা করবেন কনটেন্ট বানাতে তো হবে। ট্রেন্ডে যখন যা থাকে ঐটাই খাওয়ান মানুষকে।
আর বাঙালি অডিয়েন্সও মাশাল্লাহ সেই লেভেলের। দিনের আলোর মতো পরিষ্কার কিছু থাকলেও এরা কন্সপিরেসি থিউরিই গিলবে।
এছাড়াও ইদানীং বহু ক্রিঞ্জি কনটেন্ট মেকারকে লাইফস্টাইল নিয়ে লেকচার দিতে দেখা যায় অথচ খোজ নিলে দেখা যাবে সেই লাইফস্টাইল খোদ ঐ কনটেন্ট মেকারই ঠিকঠাক মেইনটেইন করতে পারেনা। অথচ তাদের ফলোয়াররা ঐটা ফলো করে নিজেদের বাংলা সিনেমার অবাস্তব "চৌধুরী সাহেব" নামক চরিত্রে রূপান্তর করতে চায় যেই "চৌধুরী সাহেব" এর বাস্তবেই কোনো অস্তিত্ব নাই।
আসলে এখন ফীল করি যে পৃথিবী নামক রঙ্গমঞ্চে সব সম্ভবের দেশ নামে পরিচিত বাংলাদেশই রাজধানী।
2 years ago | [YT] | 61
View 36 replies
Dr Gamelogist
শীঘ্রই ওয়াইল্ড ওয়েস্টের আর্থার মর্গান চাচা আমাদের সামনে উনার গল্প নিয়ে হাজির হবেন
3 years ago | [YT] | 85
View 24 replies
Dr Gamelogist
MAP OF GTA6😉
3 years ago | [YT] | 61
View 13 replies
Dr Gamelogist
ইউটিউবিং এ আসার পর বোধ হয় সব থেকে বড় দুটা এচিভমেন্ট পেলাম ইদানীং এসে।
আসলে উপরওয়ালা চাইলে অনেক সময় অনেক কিছুই সহজ করে দেন।
যেমনঃ- গতবছর মাইক্রোফোন এর বিষয়ে খোজ করেছিলাম তখন আমার নারায়ণগঞ্জেরই এক ছোটভাই Mustakim Rafin এগিয়ে এসেছিলো তার Boya M1 মাইক্রোফোন গিফ্ট দিয়ে হেল্প করার জন্য। এটা আমি আশা করিই নাই। ভিডিওতে এখন যে ক্লিয়ার ভয়েস টা শুনতে পান এটাতে অনেকাংশে বড় অবদান ছোটভাই রাফিন এর দেয়া মাইক্রোফোন এর। অনেক বড় একটা অবদান এ চ্যানেলে রাফিন ইন্ডাইরেক্টলি রেখেছে । দোয়া করি তোমার ডেনমার্কের দিনগুলো ভালো কাটুক এবং সময়মতো PR টা বাগিয়ে নাও😁
এরপর আরেকজন বিগেস্ট কনট্রিবিউটর হয়ে গেলেন আমার শ্রদ্ধেয় Sajal Biswas ভাইজান। ভাইজান King Of Fighter এর ভিডিও দেখে আমার ফ্যান হয়েছিলো। আমি যেহেতু Playstation 3 ইউজার তাই হরেক গেম খেলার জন্য গেম লোড করতে হয়। পরে ওগুলাই আবার রিভিউ ও স্টোরি এক্সপ্লেইন করি। একটা পোর্টেবল হার্ডডিস্ক এর খোজ করছিলাম কারন বহু গেম লোড করে রাখতে হয়। ভেবেছিলাম কিনে নিবো সেকেন্ড হ্যান্ড। বাট স্বজল ভাই " Gamers Of Bangladesh : গেমার্স অব বাংলাদেশ " এ আমার পোস্ট দেখেই সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসে করে হার্ডডিস্ক টা পাঠিয়ে দিলো। ভাইজান আপনিও ইন্ডাইরেক্টলি বিগেস্ট কনট্রিবিউটর দের একজন হয়ে গেলেন। কারন আগামীর গেমিং কনটেন্ট গুলো বানাতে যে গেম গুলো খেলা হবে সেগুলো আপনার দেয়া এউ হার্ডডিস্ক এই ভরা হবে। অসীম কৃতজ্ঞতা রইলো আপনার প্রতি❤️।
আমি আগেও বলতাম আজও বলি চ্যানেলটা আমার একারই না আমার আপনার সহ যারা এর ফলোয়ার আছেন তাদের সবার।
মিলিয়ন সাবস্ক্রাইবার বা কাড়ি কাড়ি ডলারও আমার দরকার নেই ইউটিউব থেকে। এ ভালোবাসাটুকুই যথেষ্ট ক্লান্তি ও গ্লানিময় জীবনে এচিভমেন্ট হিসেবে এনলিস্ট হবার জন্য❤️
3 years ago | [YT] | 31
View 6 replies
Dr Gamelogist
ঈদ মোবারক❤️
ওহে সাবস্ক্রাইবার গন কার কী খবর😊
ঈদ তো এসেই পড়লো
ঈদের শুভেচ্ছা রইলো এপার ও ওপার বাংলার সবার জন্য। তো এখন ঈদের বখশিশ তো আমি নিজেই ঠিকঠাক পাই না🙂
শৈশব টা খুব মিস করি। তাই বিকাশ এ আমাকে চাইলে লয়াল সাবস্ক্রাইবারগন সেলামী নামক ভালোবাসা পাঠাতে পারেন😁
3 years ago | [YT] | 55
View 35 replies
Dr Gamelogist
বিয়ের এই শাড়ির গতকাল দাম ছিলো ২৫,০০০ টাকা, এখন ০ টাকা !
শেরওয়ানী গতকাল ১৩,০০০ টাকা, এখন ০ টাকা !
টিশার্ট গতকাল ৩৫০ টাকা, এখন ০ টাকা !
০, ০, ০; সবকিছুই শূন্য এখানে। মানুষগুলোর ভাগ্য শূন্য, ভবিষ্যৎ শূন্য, আশা শূন্য।
বিদ্যানন্দের কর্মীরাও এই মানুষগুলোর মাঝে শূন্যের চেয়ে বেশি কিছু খোঁজার চেষ্টা করছে।
উদ্ধার তো কিছুই করতে পারি নি, গড়তে চেষ্টা করবো জীবন দিয়ে।
বিকাশ (মার্চেন্ট): 01878116230 (counter no: 1)
বিকাশ (ব্যক্তিগত): 01708521955 , 01708521956
নগদ (মার্চেন্ট): 01631554646 (counter no: 1)
রকেট (ব্যক্তিগত): 017141180737, Biller ID 151
পেপাল - donate@bidyanondo.org
3 years ago | [YT] | 40
View 8 replies
Load more