একদম সিম্পল এই শুক্ত রুগীর পথ্য হিসাবে যেমন ভালো তেমনি উপকারী। পথ্য বললাম বলে ভাববেন না যে শুধুমাত্র রুগীরাই খেতে পারবে। দুপুরের খাবারের প্রথম পাতে এমন হালকা পাতলা শুক্ত সকলের খাবার রুচি আরও বাড়িয়ে দেবে। উপকরণ:- কাঁচ কলা, পেঁপে, আলু, মিষ্টি আলু,সজনে ডাটা, বিনস, পটল, ডালের বড়ি। আপনি চাইলে বেগুন, সিম, যে কোনো সব্জি দিতে পারেন। অপারেশনের পর আমি আপাতত বেগুন খাচ্ছি না, তাই দিই নি। প্রণালী:- প্রথমে ডালের বড়ি ভেজে সরিয়ে রাখুন। এরপর সামান্য তেলে প্রথমে উচ্ছে গুলো ভেজে নিন। তারপর আবারও সামান্য তেলে কাঁচকলা গুলো ভেজে তুলে নিন। এবার আবারও সামান্য তেল দিয়ে তাতে আদা আর রাঁধুনি বাটা দিয়ে কষান এবং তার মধ্যে উচ্ছে আর কাঁচকলা বাদে সব সবজি দিয়ে দিন। ৫/৭ মিনিট ভালো করে নেড়ে জল ঢেলে সবজি গুলো দিয়ে তাতে নুন এবং সামান্য মিষ্টি দিয়ে ঢেকে সিদ্ধ হতে দিন। মিনিট ১০ পর ঢাকনা খুলে দেখবেন সব্জি ৯০% সিদ্ধ হয়ে গেছে। তখন ভেজে রাখা উচ্ছে আর কাঁচকলা দিয়ে দিন এবং সব সবজি একসাথে মিশিয়ে নিন। এবার গ্যাসের ফ্লেম কমিয়ে আরও ৫ মিনিট ফুটিয়ে ডালের বড়ি গুলো দিয়ে গ্যাস বন্ধ করে দিন। শুক্ত রেডি। চাইলে এক চামচ ঘি দেওয়া যেতে পারে। এবার গরম ভাতে পরিবেশন করুন। যারা উচ্ছে খায় না তারাও এই শুক্ত চেয়ে খাবে।
অপারেশনের আজ দশ দিন পর অল্প অল্প খাবারের টেস্ট পাচ্ছি। খাওয়ার পরিমাণ সামান্য বেড়েছে। তাই ভাবলাম আজ লাঞ্চের মেনু শেয়ার করি। এই কদিন যা যা পথ্য খেয়েছি সেগুলো ছবি বা ভিডিও করার মতো শারীরিক অবস্থায় আমি ছিলাম না। কিন্তু ফাইনালি আই অ্যাম ব্যাক। আজ দুপুরে মেনুতে ছিল- *ভাত *শাকের ঝোল (প্রথমে বড়ি গুলো ড্রাই রোস্ট করে নিতে হবে। নামমাত্র তেলে কালোজিতে ফোড়ন দিয়ে পালং শাক, আলু,পটল, গাজর দিয়ে দুই তিন মিনিট নেড়ে নুন দিয়ে তারপর জল ঢেলে সিদ্ধ করে নিলেই তৈরি এই শাকের ঝোল। নামানোর আগে বড়ি গুলো ঝোলের মধ্য দিতে ভুলবেন না কিন্তু। ) *পেঁপে আলু সয়াবিনের তরকারি ( সোয়াবিন গরম জলে ১০ মিনিটের জন্য ভিজিয়ে রাখতে হবে। প্রেসার কুকারে পেঁপে, আলু ডুমো ডুমো করে কেটে সেদ্ধ করে নিতে হবে। কড়াইতে নামমাত্র তেল দিয়ে জিরে ফোড়ন দিয়ে আলু পেঁপে সোয়াবিন সব দিয়ে নুন হলুদ দিয়ে নেড়ে জল ঢেলে ফুটিয়ে নিলেই রেডি। চাইলে সামান্য মিষ্টি দিতে পারেন।) সালাদ (শসা আর গাজর) ডিম সেদ্ধ ( সকালে না খাওয়ায় দুপুরে খেতে হলো)
হাসপাতাল থেকে ফিরেছি দিন সাতেক হলো। বাড়িতে আসা মাত্রই মা তেল ঝাল মশলার পাঠ তুলে দিয়ে সম্পূর্ণ ভাবে পেঁপে, লাউ, ঝিঙেতে শিফট করে গেছে। অতএব আমার এখন পথ্য খেয়েই দিন কাটছে। মুখের স্বাদ এখনো কালমেঘ পাতার মতো হয়ে আছে তাই যা পাচ্ছি নাক চোখ বন্ধ করে খাচ্ছি। কারণ আমি কোনো কিছুইর স্বাদ পাইনা কিন্তু খিদে পায় ভয়ঙ্কর রকমের। ওদিকে অপেরেশনের আগের দিন অর্থাৎ সোমবার নানান পরীক্ষা নিরীক্ষার অছিলায় আমাকে সারাদিন না খাইয়ে রেখেছিলো। ফাইনালি রাতে যখন খাবার আসলো তখন দেখছি এলাহি ব্যাপার স্যাপার। নিজেকে ঠিক বলির পাঠা বলে মনে হচ্ছিল। মনে মনে জানতাম অদ্যই শেষ রজনী। কাল কখন খেতে দেবে কেউ জানে না আর দিলেও গলা ভাত; তাই যা পাচ্ছ খেয়ে নাও। চেটে পুটে সব খাবার শেষ করতে আমার ১০ মিনিটও সময় লাগেনি।
অপেরেশনের প্রায় ৬ /৭ ঘন্টা পর আমাকে প্রথম খাবার দিয়েছিলো। লিকার চা সাথে দুটো বিস্কুট। চুমুক দেওয়া মাত্রই শরীরে অদ্ভুতরকম অস্বস্তি শুরু হয়েছিল তাই চায়ের পরিবর্তে আমি ডাবের জল খেয়েছিলাম। রাতে দিয়েছিলো ক্লিয়ার স্যুপ। সেটাও খেতে পারিনি তাই আনিয়েছিলাম তরমুজের রস। বুধবার দুপুরে ছিল গলা ভাত, মাছ ডাল আরো অনেক কিছু কিন্তু গলা ভাত আর মাছটা ছাড়া আমি কোনো কিছুই খেতে পারিনি। তাই অপেরেশনের পরে মোটামুটি ফলের রস আর ডাবের জলই ছিল আমার প্রধান খাবার। ধীরে ধীরে সব নরমাল হালকা মশলাযুক্ত খাবার দাবার আসতে শুরু করলো। স্বাদ ভালো হওয়া সত্ত্বেও আমি তেমন কিছুই খেতে পারতাম। এখন অল্প অল্প করে বারে বারে খাই। কোনো স্বাদ না পেলেও খাই। আর শরীরও আগের থেকে অনেকটা সুস্থ। ধীরে ধীরে হাঁটতেও পারি। যদিও উঠতে বসতে গেলে ধরতে হয়। তবে হাসপাতালে সবার ব্যবহার ছিল অত্যন্ত ভালো। ডাক্তার, নার্স, রুম সার্ভিস, হাউস কিপিং- এর মানুষজনদের সাথে গল্প গুজব করে, বই পড়ে, পডকাস্ট, রিলস দেখে আমার কিন্তু সময় দিব্বি কেটে গেছে । রইলো আমার হাসপাতালে কাটানো দিনগুলোর খাবার দাবারের ছবি।
Weekday catch-up or weekend chill, solo date or fun with friends — Sly Fox Gastro Club hits the spot every time! 🥂
With vintage charm, vibrant vibes, and a menu packed with Indian-Japanese delights (their Salmon, Tempura Prawn & Avocado Sushi are to die for! 🥢😍), it’s a mood-lifter.
Cocktails, mocktails, good music, and great ambiance — everything you need for a perfect dine out.🍹🍽️
Here I am, soaking it all in with my two favorite people — Naresh da & Diptesh 💛❤️ Until you visit Sly Fox, enjoy our photos! 📸🫶
আজ হঠাৎ ইচ্ছা হলো সাউথ ইন্ডিয়ান থালি বানানোর। অনেকদিন হয়ে গেছে এভাবে সাউথ ইন্ডিয়ান থালি বানিয়ে খাওয়া হয়নি তাই বাড়িতে যা ছিল সেইসব দিয়েই বানিয়ে ফেললাম সাম্বর ডাল। ডালের মধ্যে দিয়েছিলাম সজনে ডাটা, গাজর, ঢেঁড়স আর গোটা ছাঁচি পেঁয়াজ। তার সাথে ছিল ওল কচু ভাজা, আপ্লাম অর্থাৎ পাঁপড়, কুরকুড়ে ঢেঁড়স ভাজা আর লঙ্কা ভাজা। এই লঙ্কা গুলো কিন্তু দই লঙ্কা। সাউথ ইন্ডিয়ান ভাষায় মোর মিলাগাই। লবণ ও দইয়ের জলে ভিজিয়ে (মূলত ঘোলের মধ্যে ভিজিয়ে) রেখে তারপর রোদে শুকিয়ে এই লঙ্কা গুলো তৈরি করা হয়। টক টক ঝাল ঝাল দারুন স্বাদের এই লঙ্কা গুলো সত্যিই খাবারে আলাদাই স্বাদ এনে দেয়। খুব বিশেষ ঝাল এই লঙ্কা গুলোতে হয় না। তাই যারা সামান্য ঝাল খেতে পারো তারা ডাল ভাতের সাথে এই লঙ্কা ভাজা একবার অবশ্যই খেয়ে দেখো।😊
Its Nibee
চট জলদি সকলের জলখাবার স্মুদি। আজকের স্মুদিটা পেঁপে দিয়ে বানিয়েছি। ভিডিও চটপট দেখে নাও।
3 months ago | [YT] | 0
View 0 replies
Its Nibee
একদম সিম্পল এই শুক্ত রুগীর পথ্য হিসাবে যেমন ভালো তেমনি উপকারী। পথ্য বললাম বলে ভাববেন না যে শুধুমাত্র রুগীরাই খেতে পারবে। দুপুরের খাবারের প্রথম পাতে এমন হালকা পাতলা শুক্ত সকলের খাবার রুচি আরও বাড়িয়ে দেবে।
উপকরণ:- কাঁচ কলা, পেঁপে, আলু, মিষ্টি আলু,সজনে ডাটা, বিনস, পটল, ডালের বড়ি। আপনি চাইলে বেগুন, সিম, যে কোনো সব্জি দিতে পারেন। অপারেশনের পর আমি আপাতত বেগুন খাচ্ছি না, তাই দিই নি।
প্রণালী:- প্রথমে ডালের বড়ি ভেজে সরিয়ে রাখুন। এরপর সামান্য তেলে প্রথমে উচ্ছে গুলো ভেজে নিন। তারপর আবারও সামান্য তেলে কাঁচকলা গুলো ভেজে তুলে নিন। এবার আবারও সামান্য তেল দিয়ে তাতে আদা আর রাঁধুনি বাটা দিয়ে কষান এবং তার মধ্যে উচ্ছে আর কাঁচকলা বাদে সব সবজি দিয়ে দিন। ৫/৭ মিনিট ভালো করে নেড়ে জল ঢেলে সবজি গুলো দিয়ে তাতে নুন এবং সামান্য মিষ্টি দিয়ে ঢেকে সিদ্ধ হতে দিন। মিনিট ১০ পর ঢাকনা খুলে দেখবেন সব্জি ৯০% সিদ্ধ হয়ে গেছে। তখন ভেজে রাখা উচ্ছে আর কাঁচকলা দিয়ে দিন এবং সব সবজি একসাথে মিশিয়ে নিন। এবার গ্যাসের ফ্লেম কমিয়ে আরও ৫ মিনিট ফুটিয়ে ডালের বড়ি গুলো দিয়ে গ্যাস বন্ধ করে দিন। শুক্ত রেডি। চাইলে এক চামচ ঘি দেওয়া যেতে পারে। এবার গরম ভাতে পরিবেশন করুন। যারা উচ্ছে খায় না তারাও এই শুক্ত চেয়ে খাবে।
4 months ago (edited) | [YT] | 0
View 0 replies
Its Nibee
অপারেশনের আজ দশ দিন পর অল্প অল্প খাবারের টেস্ট পাচ্ছি। খাওয়ার পরিমাণ সামান্য বেড়েছে। তাই ভাবলাম আজ লাঞ্চের মেনু শেয়ার করি। এই কদিন যা যা পথ্য খেয়েছি সেগুলো ছবি বা ভিডিও করার মতো শারীরিক অবস্থায় আমি ছিলাম না। কিন্তু ফাইনালি আই অ্যাম ব্যাক।
আজ দুপুরে মেনুতে ছিল-
*ভাত
*শাকের ঝোল (প্রথমে বড়ি গুলো ড্রাই রোস্ট করে নিতে হবে। নামমাত্র তেলে কালোজিতে ফোড়ন দিয়ে পালং শাক, আলু,পটল, গাজর দিয়ে দুই তিন মিনিট নেড়ে নুন দিয়ে তারপর জল ঢেলে সিদ্ধ করে নিলেই তৈরি এই শাকের ঝোল। নামানোর আগে বড়ি গুলো ঝোলের মধ্য দিতে ভুলবেন না কিন্তু। )
*পেঁপে আলু সয়াবিনের তরকারি ( সোয়াবিন গরম জলে ১০ মিনিটের জন্য ভিজিয়ে রাখতে হবে। প্রেসার কুকারে পেঁপে, আলু ডুমো ডুমো করে কেটে সেদ্ধ করে নিতে হবে। কড়াইতে নামমাত্র তেল দিয়ে জিরে ফোড়ন দিয়ে আলু পেঁপে সোয়াবিন সব দিয়ে নুন হলুদ দিয়ে নেড়ে জল ঢেলে ফুটিয়ে নিলেই রেডি। চাইলে সামান্য মিষ্টি দিতে পারেন।)
সালাদ (শসা আর গাজর)
ডিম সেদ্ধ ( সকালে না খাওয়ায় দুপুরে খেতে হলো)
4 months ago | [YT] | 1
View 0 replies
Its Nibee
হাসপাতাল থেকে ফিরেছি দিন সাতেক হলো। বাড়িতে আসা মাত্রই মা তেল ঝাল মশলার পাঠ তুলে দিয়ে সম্পূর্ণ ভাবে পেঁপে, লাউ, ঝিঙেতে শিফট করে গেছে। অতএব আমার এখন পথ্য খেয়েই দিন কাটছে। মুখের স্বাদ এখনো কালমেঘ পাতার মতো হয়ে আছে তাই যা পাচ্ছি নাক চোখ বন্ধ করে খাচ্ছি। কারণ আমি কোনো কিছুইর স্বাদ পাইনা কিন্তু খিদে পায় ভয়ঙ্কর রকমের। ওদিকে অপেরেশনের আগের দিন অর্থাৎ সোমবার নানান পরীক্ষা নিরীক্ষার অছিলায় আমাকে সারাদিন না খাইয়ে রেখেছিলো। ফাইনালি রাতে যখন খাবার আসলো তখন দেখছি এলাহি ব্যাপার স্যাপার। নিজেকে ঠিক বলির পাঠা বলে মনে হচ্ছিল। মনে মনে জানতাম অদ্যই শেষ রজনী। কাল কখন খেতে দেবে কেউ জানে না আর দিলেও গলা ভাত; তাই যা পাচ্ছ খেয়ে নাও। চেটে পুটে সব খাবার শেষ করতে আমার ১০ মিনিটও সময় লাগেনি।
অপেরেশনের প্রায় ৬ /৭ ঘন্টা পর আমাকে প্রথম খাবার দিয়েছিলো। লিকার চা সাথে দুটো বিস্কুট। চুমুক দেওয়া মাত্রই শরীরে অদ্ভুতরকম অস্বস্তি শুরু হয়েছিল তাই চায়ের পরিবর্তে আমি ডাবের জল খেয়েছিলাম। রাতে দিয়েছিলো ক্লিয়ার স্যুপ। সেটাও খেতে পারিনি তাই আনিয়েছিলাম তরমুজের রস। বুধবার দুপুরে ছিল গলা ভাত, মাছ ডাল আরো অনেক কিছু কিন্তু গলা ভাত আর মাছটা ছাড়া আমি কোনো কিছুই খেতে পারিনি। তাই অপেরেশনের পরে মোটামুটি ফলের রস আর ডাবের জলই ছিল আমার প্রধান খাবার। ধীরে ধীরে সব নরমাল হালকা মশলাযুক্ত খাবার দাবার আসতে শুরু করলো। স্বাদ ভালো হওয়া সত্ত্বেও আমি তেমন কিছুই খেতে পারতাম। এখন অল্প অল্প করে বারে বারে খাই। কোনো স্বাদ না পেলেও খাই। আর শরীরও আগের থেকে অনেকটা সুস্থ। ধীরে ধীরে হাঁটতেও পারি। যদিও উঠতে বসতে গেলে ধরতে হয়। তবে হাসপাতালে সবার ব্যবহার ছিল অত্যন্ত ভালো। ডাক্তার, নার্স, রুম সার্ভিস, হাউস কিপিং- এর মানুষজনদের সাথে গল্প গুজব করে, বই পড়ে, পডকাস্ট, রিলস দেখে আমার কিন্তু সময় দিব্বি কেটে গেছে । রইলো আমার হাসপাতালে কাটানো দিনগুলোর খাবার দাবারের ছবি।
4 months ago | [YT] | 0
View 0 replies
Its Nibee
এক হপ্তা ছুটি কাটিয়ে আবারও চলে এসেছি আজকের লাঞ্চ থালি নিয়ে।
মেনু:- সাদা ভাত
নিমপাতা ভাজা
চিংড়ি মাছ দিয়ে চিচিঙ্গা ছেঁচকি
মুসুর ডাল
অমলেট
গন্ধরাজ লেবু।😊
5 months ago | [YT] | 0
View 0 replies
Its Nibee
আজ দুপুরের মেনু।😊🫰
5 months ago | [YT] | 0
View 0 replies
Its Nibee
Weekday catch-up or weekend chill, solo date or fun with friends — Sly Fox Gastro Club hits the spot every time! 🥂
With vintage charm, vibrant vibes, and a menu packed with Indian-Japanese delights (their Salmon, Tempura Prawn & Avocado Sushi are to die for! 🥢😍), it’s a mood-lifter.
Cocktails, mocktails, good music, and great ambiance — everything you need for a perfect dine out.🍹🍽️
Here I am, soaking it all in with my two favorite people — Naresh da & Diptesh 💛❤️
Until you visit Sly Fox, enjoy our photos! 📸🫶
5 months ago | [YT] | 0
View 0 replies
Its Nibee
ছোটবেলার টিফিন চাউমিন। 🤗🧿🍜
5 months ago | [YT] | 0
View 0 replies
Its Nibee
আজ দুপুরের সাদামাটা খাওয়া দাওয়া।
5 months ago | [YT] | 1
View 0 replies
Its Nibee
আজ হঠাৎ ইচ্ছা হলো সাউথ ইন্ডিয়ান থালি বানানোর। অনেকদিন হয়ে গেছে এভাবে সাউথ ইন্ডিয়ান থালি বানিয়ে খাওয়া হয়নি তাই বাড়িতে যা ছিল সেইসব দিয়েই বানিয়ে ফেললাম সাম্বর ডাল। ডালের মধ্যে দিয়েছিলাম সজনে ডাটা, গাজর, ঢেঁড়স আর গোটা ছাঁচি পেঁয়াজ। তার সাথে ছিল ওল কচু ভাজা, আপ্লাম অর্থাৎ পাঁপড়, কুরকুড়ে ঢেঁড়স ভাজা আর লঙ্কা ভাজা। এই লঙ্কা গুলো কিন্তু দই লঙ্কা। সাউথ ইন্ডিয়ান ভাষায় মোর মিলাগাই। লবণ ও দইয়ের জলে ভিজিয়ে (মূলত ঘোলের মধ্যে ভিজিয়ে) রেখে তারপর রোদে শুকিয়ে এই লঙ্কা গুলো তৈরি করা হয়। টক টক ঝাল ঝাল দারুন স্বাদের এই লঙ্কা গুলো সত্যিই খাবারে আলাদাই স্বাদ এনে দেয়। খুব বিশেষ ঝাল এই লঙ্কা গুলোতে হয় না। তাই যারা সামান্য ঝাল খেতে পারো তারা ডাল ভাতের সাথে এই লঙ্কা ভাজা একবার অবশ্যই খেয়ে দেখো।😊
#petukramerpachali #southindianthali
#homemadefood #lunchthali #kolkatalife #rainyafternoon
5 months ago | [YT] | 0
View 0 replies
Load more