Tapaser Anusandhan

hello friends Welcome to Tapas anusandhan YouTube Channel.

I will share family vlog videos, travel vlog videos, festival vlog videos, various event vlog videos on this channel.

I cover festivals like Kolkata Durga Puja, Holi, Chandannagar Jagaddhatri Puja, Gangasagar Mela, Amarnath Yatra, Barasat Kali Puja, Poush Mela at Shantiniketan and many more.

Hope you enjoy my videos and help the channel grow by subscribing.
Encourage me by liking and commenting.

Many thanks to all

youtube.com/@tapaser.anusandhan


Tapaser Anusandhan

মায়াপুরে ঘুরতে যাচ্ছেন? নিকটেই রয়েছে বামুনপুকুর। ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সাক্ষী হতে ঘুরে আসুন চাঁদকাজীর সমাধি ক্ষেত্রে।

শিয়ালদহ থেকে কৃষ্ণনগর লোকালে উঠে কৃষ্ণনগর স্টেশনে নেমে মায়াপুরগামী বাসে উঠলে ঘণ্টা দুয়েকের মধ্যে পৌঁছানো যায় নদীয়ার বামুনপুকুরে। আবার ট্রেনে হাওড়া থেকে নবদ্বীপ পৌঁছে ঘাট পেরোলে মায়াপুর থেকে বামুনপুকুরে আসা যায়।

শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর জীবনী গ্রন্থতে চাঁদকাজীর কথা উল্লেখ রয়েছে। এবং চাঁদকাজী কীভাবে চৈতন্যভক্ত হলেন সেই কাহিনীও রয়েছে। তবে এখানকার লোকেদের মত অনুযায়ী, চাঁদকাজীর আসল নাম ছিল ‘মৌলানা সিরাজউদ্দীন’। তিনি ছিলেন এই অঞ্চলের শাসক এবং গৌড়েশ্বর হুসেন শাহের শিক্ষক। চাঁদকাজী শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর ঘোর বিরোধী ছিলেন। এই চাঁদকাজী চৈতন্য দেবের সংকীর্তন বন্ধের আদেশ জারি করেন। এবং তিনি সংকীর্তনকারীদের খোল পর্যন্ত ভেঙে দেন। কিন্তু এই নিয়ম অমান্য করে শ্রীচৈতন্য বিরাট নাম সংকীর্তন দল নিয়ে চাঁদকাজীর বাড়িতে সংকীর্তন করতে থাকেন। এবং সেই দিনে সংকীর্তন শোভাযাত্রা করে চাঁদকাজীর বাড়িতে মহাপ্রভু এবং চাঁদকাজী তর্কযুদ্ধে বসেন। শেষে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর ভক্ত হয়ে যান। কেবল ভক্ত নয়, তিনি চৈতন্যগত ভাবাদর্শে দীক্ষিত হয়ে যান।

সমাধিক্ষেত্রতে ঢোকার সময়ে চোখে পড়ে উঁচু ইটের গাঁথুনি ও লোহার গেট যুক্ত মূল প্রবেশদ্বার। মূল প্রবেশদ্বারে বড় বড় অক্ষরে লিখিত রয়েছে "ভক্ত চাঁদকাজী সমাধি"। তবে সমাধিক্ষেত্রটি পরিচালনা করেন "মায়াপুর শ্রীচৈতন্য মঠ"। সমাধিটি চারিদিকে প্রাচীর দিয়ে ঘেরা। সমাধির উপরে দীর্ঘ বিশালাকার শাখা-প্রশাখা বিশিষ্ট প্রাচীন এক গোলকচাঁপা গাছ রয়েছে। এখানকার লোকের বিশ্বাস, এই গোলকচাঁপা গাছটি নাকি চাঁদকাজীকে কবর দেওয়ার সময়েই লাগানো হয়েছিল। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় যে, গাছটি পাঁচশো বছরের প্রাচীন হলেও এখনও পর্যন্ত জীবিত রয়েছে, এবং ফুল ফুটে যাচ্ছে। আর গাছটি এতটাই প্রাচীন যে, গাছটির গোড়া দেখতে অনেকটা কুমীরের গায়ের মত। এই সমাধিকে গৌড়ীয় বৈষ্ণবেরা তীর্থ বলে মানেন।

2 months ago | [YT] | 1

Tapaser Anusandhan

রথের রশির টানে ও রথের চাকার ঘূর্ণনের সঙ্গে আপনাদের ভাগ্যের চাকাও ধাবমান হোক।
কেটে যাক সকল অন্ধকার।

10 months ago | [YT] | 16

Tapaser Anusandhan

নবধারায় এসো হে বৈশাখ

2 years ago | [YT] | 3

Tapaser Anusandhan

মহা অষ্টমীর শুভেচ্ছা

2 years ago | [YT] | 0

Tapaser Anusandhan

Kalyani ITI More Durga Puja 2023

2 years ago | [YT] | 5

Tapaser Anusandhan

শুভ রবীন্দ্র জন্ম জয়ন্তী

3 years ago | [YT] | 2

Tapaser Anusandhan

নতুন বছরের শুভেচ্ছা

3 years ago | [YT] | 1

Tapaser Anusandhan

আজ শিশু দিবস

3 years ago | [YT] | 14

Tapaser Anusandhan

শুভ জন্মদিন

3 years ago | [YT] | 10

Tapaser Anusandhan

৩৩টা গুলি ছোঁড়া হয়েছিল ! ২৩টা গুলি শরীর ভেদ করে বেরিয়ে গেছিল , ৭টা গুলি শরীরে আটকে ছিল !

১৯৮৪ 'র ৩১শে অক্টোবর , সেদিন ছিল বুধবার !

দুপুর ২.২০ নাগাদ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন এশিয়ার মুক্তিসূর্য , শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধী ।

সেদিন সকাল ৯টা বেজে ১০ মিনিট নাগাদ , দিল্লির সাফদারজং_রোডের বাসভবনে শ্রীমতি গান্ধী বাগানের মধ্যে দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন । তিনি তখন ব্রিটিশ অভিনেতা পিটার_আস্তিনভ 'কে সাক্ষ্যাৎকার দিতে যাচ্ছিলেন ।
তখনই বিশ্বস্ত দেহরক্ষী বেয়ান্ত সিং ও সাতওয়ান্ত সিং -এর গুলিতে ঝাঁঝরা হন শ্রীমতি গান্ধী ! দ্রুত তাঁকে দিল্লির এইমস্ -এ নিয়ে যাওয়া হয় !
দুপুর সাড়ে বারোটা নাগাদ BBC জানায় , শ্রীমতি গান্ধী সংকটজনক !

পুত্র রাজীব তখন পশ্চিমবঙ্গ সফরে । সফরসঙ্গী প্রণব মুখার্জি এবং ওই দলে তৎকালীন যুব কংগ্রেস নেত্রী Mamata_Banerjee'ও ছিলেন
সফর বাতিল করে দুপুর তিনটে নাগাদ দিল্লি ফিরলেন রাজীব ।
সন্ধ্যা ৬.৪৫ -এ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন রাজীব গান্ধী ।
রাত ৮টা দূরদর্শনের সাংবাদিক সালমা সুলতান খবর সম্প্রচার করে বললেন ,

শ্রীমতি গান্ধী শহিদ হয়েছেন !

" I am alive today, I may not be there tomorrow . . . I do not care whether I live or die . . . I have lived a long life and I am proud that I spent the whole of my life in the service of my people . . . I shall continue to serve till my last breath and when I die, every drop of my blood will strengthen India and keep a united India alive...”

গুলিবিদ্ধ হওয়ার কিছুদিন আগে এক জনসভায় বলেছিলেন শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধী !

3 years ago | [YT] | 9